অবসর

শাশ্বতী রামায়ণী

পর্ব-৪২: বাস কোথা যে পথিক — এবার কি গন্তব্য সুতীক্ষ্ণমুনির আশ্রম?

পর্ব-৪২: বাস কোথা যে পথিক — এবার কি গন্তব্য সুতীক্ষ্ণমুনির আশ্রম?

গভীর অরণ্যে ফুরোয় না পথ। রাম, লক্ষ্মণ, সীতা চলেছেন দুর্গম পথের বাধা বিপত্তি পার হয়ে সুতীক্ষ্ণ মুনির আশ্রমে। সঙ্গে চলেছেন রামের শরণাগত মুনিরা।

read more
পর্ব-৪১: চরৈবেতি—গভীর বনপথে জীবন বহমান

পর্ব-৪১: চরৈবেতি—গভীর বনপথে জীবন বহমান

বিরাধ রাক্ষস তার মুক্তিকালে রামকে জানিয়ে গিয়েছিল, এই গভীর, ভয়াল দণ্ডকারণ্যে নিরাপদ, নির্ভয় আশ্রয়ের ঠিকানা — শরভঙ্গ মুনির আশ্রম। সেখান থেকে সার্ধ যোজন দূরত্ব তার।

read more
পর্ব-৪০: নরমাংসলোলুপ রাক্ষস না কি সুরলোকের অভিশপ্ত গন্ধর্ব?

পর্ব-৪০: নরমাংসলোলুপ রাক্ষস না কি সুরলোকের অভিশপ্ত গন্ধর্ব?

দণ্ডকারণ্যের সুরম্য, ভয়াল অরণ্যানী। চলার পথ খুঁজে পাওয়া ভার। এ যেন ঘনঘোর মেঘমালায় ঢেকেছে দিনের আলো। আবার তার সৌন্দর্য দু’ চোখ ভরে পান করেও যেন তৃপ্তি হয় না।

read more
পর্ব-৩৯: ঋষির আশীর্বাদে যাত্রা এবার গভীর অরণ্যপথে

পর্ব-৩৯: ঋষির আশীর্বাদে যাত্রা এবার গভীর অরণ্যপথে

মায়েদের রাজপ্রাসাদে রেখে স্থির করলেন ভরত, নন্দিগ্রামে থাকবেন তিনি। সেখানেই অপেক্ষা করবেন রামের জন্য। চোদ্দ বছর পর অগ্রজ ফিরে এলে তাঁকে রাজ্যভার সমর্পণ করে তবে শান্তি পাবেন তিনি।

read more

মহাকাব্যের কথকতা

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৯: যুধিষ্ঠির-আয়োজিত রাজসূয়যজ্ঞের মহাসম্মেলন ও চেদিরাজ শিশুপালের ভূমিকা

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৯: যুধিষ্ঠির-আয়োজিত রাজসূয়যজ্ঞের মহাসম্মেলন ও চেদিরাজ শিশুপালের ভূমিকা

যুধিষ্ঠিরের সমালোচনায় আত্মীয় অনাত্মীয় নির্বিশেষে অসম্মানিত তালিকাভুক্তরা অদূরভবিষ্যতে তাঁদের বিরুদ্ধে অস্ত্রে শান দিচ্ছে না—এ কথা কি নিশ্চিতভাবে বলা যায়? বোধ হয় না। একটি ঘটনার বিরোধিতার সূত্র ধরে যে জটিলতা ও কুৎসার পাঁক উঠে আসে, কথার মারপ্যাঁচে জড়িয়ে যায় অনেক সদুদ্দেশ্যের মহান আদর্শ, বেরিয়ে আসে মানুষের প্রকৃত স্বরূপ, যুধিষ্ঠিরের রাজসূয়যজ্ঞে চেদিরাজ শিশুপালের বিরোধিতা তার প্রমাণ।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৮: রামায়ণে পরস্ত্রীহরণের সিদ্ধান্তে বীরত্বের প্রকাশ নেই, আছে অনেক মৃত্যুর আবাহনবার্তা

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৮: রামায়ণে পরস্ত্রীহরণের সিদ্ধান্তে বীরত্বের প্রকাশ নেই, আছে অনেক মৃত্যুর আবাহনবার্তা

রাক্ষসশ্রেষ্ঠর কথা শুনে মারীচ বলল, মিত্ররূপে কোনও শত্রু রাবণকে সীতার কথা বলেছে? এমন কে আছে যাকে রাক্ষসশ্রেষ্ঠ আনন্দ দিয়েছেন, অথচ সে আদৌ সন্তুষ্ট নয়। সন্দিগ্ধ মারীচ স্পষ্টভাষায় তার উদ্বেগের কারণ জানিয়ে বলল, ‘সীতাকে এখানে নিয়ে এস’ — এ কথা কে বলেছে? আমাকে বলুন। কে রাক্ষসজগতের শৃঙ্গ উচ্ছেদ করতে ইচ্ছুক?

read more
পর্ব-১৬৭: রাজসূয়যজ্ঞ কী শুধু একচ্ছত্র ক্ষমতার প্রদর্শনী? না স্বতঃস্ফূর্ত গণসমর্থনলাভের উদ্যোগ?

পর্ব-১৬৭: রাজসূয়যজ্ঞ কী শুধু একচ্ছত্র ক্ষমতার প্রদর্শনী? না স্বতঃস্ফূর্ত গণসমর্থনলাভের উদ্যোগ?

রাজসূয় মহাযজ্ঞ যুধিষ্ঠিরের আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রদর্শনী, কিন্তু তার মধ্যে নেই অযথা ক্ষমতার ঔদ্ধত্যপ্রকাশ, নেই নির্লজ্জ দম্ভের অবকাশ, আছে শুধু বিনয়াবত হৃদয়ের স্বতঃস্ফূর্ত ঔদার্যের মহত্ব। সুশাসনের বীজ প্রোথিত হয় মহান হৃদয়ের বিস্তৃত ভূমিতে, উদারতার পলিমাটিতে তার বৃদ্ধি, পরিপূর্ণতা আসে গুণীজনের মন্ত্রণা ও পরামর্শের জলসিঞ্চনে এবং জীবনাভিজ্ঞতার আলোকে। যুধিষ্ঠিরের আয়োজিত রাজসূয় মহাযজ্ঞের আলোকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় এমন পরিপূর্ণতা আশা করা যেতে পারে কী?

read more
পর্ব-১৬৬: রাক্ষস খরের নিধনের নিরিখে রামচন্দ্রের মূল্যায়ন

পর্ব-১৬৬: রাক্ষস খরের নিধনের নিরিখে রামচন্দ্রের মূল্যায়ন

স্বামীর কৃতিত্বে স্ত্রী সীতা আনন্দে আত্মহারা হয়েছেন। এই প্রতিক্রিয়া অরণ্যবাসী মুনি, ঋষি সকলের আনন্দ। নিশ্চিন্ত উপদ্রবমুক্ত শান্ত জীবনের কামনা — গৃহী, সর্বত্যাগী তপস্বী, সকলের। শত অশুভশক্তির প্রভাবে দ্রুত আচ্ছন্ন এই দুনিয়ায় শুভবোধে প্রাণিত ভারতাত্মা চিরকাল ধরে সমাহিত শান্ত নিভৃত পরিবেশ প্রার্থনা করে এসেছে, মনে মনে কামনা করেছেন রামের মতো কোন আদর্শ পুরুষের উপস্থিতির, এখন পর্যন্ত, আজও।

read more
পর্ব-১৬৫: রাজসূয় যজ্ঞে কৃষ্ণের ভূমিকা, যে কোনও কাজে সাফল্যের অনুপ্রেরণা হতে পারে কী?

পর্ব-১৬৫: রাজসূয় যজ্ঞে কৃষ্ণের ভূমিকা, যে কোনও কাজে সাফল্যের অনুপ্রেরণা হতে পারে কী?

রাজা যুধিষ্ঠিরের রাজসূয়যজ্ঞানুষ্ঠান সম্পন্ন করে একচ্ছত্র সাম্রাজ্যের আধিপত্যলাভ প্রয়োজন। যুধিষ্ঠিরের সহযোদ্ধা তাঁর অন্য চার ভাই — ভীমসেন, অর্জুন, নকুল ও সহদেব। চারদিকে চারজন দিগ্বিজয়ের লক্ষ্যে বেড়িয়ে পড়লেন। কনিষ্ঠ নকুলের দায়িত্ব পশ্চিমদিকের রাজাদের আনুগত্য-আদায়। বুদ্ধিমান নকুল তাঁর বিশাল সৈন্যদল নিয়ে পশ্চিমদিকে যাত্রা করলেন। সিংহনাদে গর্জন করতে লাগল তাঁর যোদ্ধারা। রথচক্রের শব্দে কাঁপতে লাগল পৃথিবী। নকুল রোহীতকপর্বতে উপস্থিত হলেন।

read more

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি

পর্ব-৯৮ : শত্রুরা যখন নিজেদের মধ্যে লড়ে, আখেরে লাভ হয় তৃতীয় ব্যক্তিরই

পর্ব-৯৮ : শত্রুরা যখন নিজেদের মধ্যে লড়ে, আখেরে লাভ হয় তৃতীয় ব্যক্তিরই

রাক্ষস তো পালাল। ব্রাহ্মণ দেখলেন, এবার শুধু চোরটাই বাকি! মন্ত্র পড়া থামিয়ে তিনি ঘরের কোণ থেকে তুলে নিলেন এক মস্ত বড় ও মজবুত লাঠি। তারপর রুদ্রমূর্তি ধারণ করে তেড়ে গেলেন সেই চোরের দিকে। জুতসই লাঠির বাড়ি পড়ার আগেই চোর বুঝল, আজ আর বাছুর চুরির আশা নেই। তাই নিজের পিঠ বাঁচাতে সেও সেখান থেকে চোঁ-চোঁ দৌড় দিল। আর এভাবেই, কেবল চোর আর রাক্ষসের নিজেদের বিবাদের কারণেই ব্রাহ্মণের প্রাণ এবং তাঁর বাছুর—দুটোই রক্ষা পেয়ে গেল।

read more
পর্ব-৯৭ : ভয় যেখানে ভালোবাসার অনুঘটক: চোর ও বৃদ্ধ বণিকের গল্পের গোপন সত্য

পর্ব-৯৭ : ভয় যেখানে ভালোবাসার অনুঘটক: চোর ও বৃদ্ধ বণিকের গল্পের গোপন সত্য

উলূকরাজ অরিমর্দন মন্ত্রী দীপ্তাক্ষের যুক্তিপূর্ণ কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনলেন। রাজার কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ল। তিনি এবার ধীরলয়ে তাঁর আরেক বিচক্ষণ সচিব বক্রনাসের দিকে ফিরলেন। গম্ভীর স্বরে রাজা প্রশ্ন করলেন, “মন্ত্রী দীপ্তাক্ষের অভিমত তো শুনলাম। হে ভদ্র! উদ্ভূত এই বিশেষ পরিস্থিতিতে এখন আমাদের ঠিক কী করা উচিত বলে আপনার মনে হয়?

read more
পর্ব-৯৬ : ‘চণ্ডাল-কূপ’ ও অস্পৃশ্যতা: পঞ্চতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ভারতের এক দগদগে ইতিহাস

পর্ব-৯৬ : ‘চণ্ডাল-কূপ’ ও অস্পৃশ্যতা: পঞ্চতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ভারতের এক দগদগে ইতিহাস

পঞ্চতন্ত্রের এই কাহিনিতে বৃদ্ধ বণিকের প্রতি তাঁর নবযৌবনা স্ত্রীর বিতৃষ্ণাকে বোঝাতে গিয়ে বিষ্ণুশর্মা যে উপমাটি ব্যবহার করেছেন, তা কেবল সাহিত্যিক অলঙ্কার নয়; বরং তা তৎকালীন ভারতীয় সমাজকাঠামোর এক নির্মম ঐতিহাসিক দলিল। ‘চণ্ডাল-কূপ’ বা অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষের ব্যবহার্য কুয়োর প্রসঙ্গটি আমাদের দাঁড় করিয়ে দেয় প্রাচীন ভারতের এক অস্বস্তিকর কিন্তু অমোঘ সত্যের মুখোমুখি।

read more
পর্ব-৯৫ : রাজনীতির দাবার ছকে ত্যাগের মহাকাব্য: এক অন্য পঞ্চতন্ত্রের খোঁজে

পর্ব-৯৫ : রাজনীতির দাবার ছকে ত্যাগের মহাকাব্য: এক অন্য পঞ্চতন্ত্রের খোঁজে

ব্যাধের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে কপোতী তার দগ্ধ স্বামীর মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল। তার সেই করুণ বিলাপে ফুটে উঠল ভারতীয় শাশ্বত গার্হস্থ্য ধর্মের এক চিরন্তন ছবি। মৃত পতিকে উদ্দেশ্য করে সেই সতী কপোতী কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল, “হে স্বামী! আজ আপনাকে ছাড়া এই বিশাল জগতে আমার বেঁচে থাকার আর কোনো অর্থই নেই। পতিহীনা এই দীন নারীর প্রাণধারণ করে লাভ কী?

read more
পর্ব-৯৪ : এক দিগম্বর সাধু, বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডার এবং পঞ্চতন্ত্রের পাতায় এক অদ্ভুত সমাপতন

পর্ব-৯৪ : এক দিগম্বর সাধু, বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডার এবং পঞ্চতন্ত্রের পাতায় এক অদ্ভুত সমাপতন

খাঁচায় বন্দি কপোতী তার স্বামীর বিলাপ শুনে গৃহলক্ষ্মীর মতোই প্রজ্ঞার পরিচয় দিল। নিচ থেকে স্বামীকে আশ্বস্ত করে সে বলল, “প্রাণনাথ! এই ব্যাধ আমাকে খাঁচায় বন্দি করেছে বলে তুমি এর প্রতি অকারণ বিদ্বেষ দেখিও না। আজ আমি যে বন্দি, তা আমারই প্রাক্তন কর্মফল—স্বকৃতৈরেব বদ্ধ্যাঽহং প্রাক্তনৈঃ কর্মবন্ধনৈঃ। জীবনে দারিদ্র্য, রোগশোক কিংবা এই ব্যাধের হাতে বন্দিত্ব—এ সবই নিজের কৃতকর্মের পরিণাম। আজ যা কিছু অনিষ্ট হচ্ছে, তা আমারই পাপের ফসল—আত্মাপরাধবৃক্ষস্য ফলান্যেতানি দেহিনাম্‌।

read more

মহাভারতের আখ্যানমালা

পর্ব-৪৯: চ্যবনমুনির প্রভাবে দেবরাজ হার মানলেন, সোমের ভাগ পেলেন অশ্বিনীকুমারদ্বয়

পর্ব-৪৯: চ্যবনমুনির প্রভাবে দেবরাজ হার মানলেন, সোমের ভাগ পেলেন অশ্বিনীকুমারদ্বয়

অশ্বিনীকুমারেরা বললেন, ‘তোমার মতো এমন সুন্দরী কন্যাকে তোমার পিতা কেনই বা বৃদ্ধের হাতে তুলে দিয়েছেন? তুমিই বা কীভাবে বৃদ্ধ পতিকে স্বীকার করে নিয়ে সংসারজীবন যাপন করছো। তুমি সুন্দরী।

read more
পর্ব-৪৭: রামকথা শ্রবণ— তীর্থে বাসের পুণ্যলাভ করলেন পাণ্ডবেরা

পর্ব-৪৭: রামকথা শ্রবণ— তীর্থে বাসের পুণ্যলাভ করলেন পাণ্ডবেরা

শুরু হল যুদ্ধ। প্রবল সে যুদ্ধে কার্ত্তবীর্যার্জুন মৃত্যুবরণ করলেন। অর্জুনের ছেলেরা এই সংবাদ পেয়ে অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হল। তারা জমদগ্নিমুনিকে আক্রমণ করল এবং হত্যা করল।

read more
পর্ব-৪৬: ভৃগুবংশে জন্ম নিলেন পরশুরাম— চরুবদলের ভুলে ক্ষত্রতেজ পেলেন তিনি

পর্ব-৪৬: ভৃগুবংশে জন্ম নিলেন পরশুরাম— চরুবদলের ভুলে ক্ষত্রতেজ পেলেন তিনি

অনেকদিন পর পিতার দেখা পেয়ে পুত্র অত্যন্ত খুশি হলেন। পিতাও পুত্রকে বিবাহিত দেখে প্রাণভরে আশীর্বাদ করলেন। পুত্রবধূ সত্যবতীও সেবা করে প্রসন্ন করলেন শ্বশুরকে।

read more

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি

পর্ব-১৩৮: পার্ক স্ট্রিট থেকে মহর্ষি ফিরে এসেছিলেন জোড়াসাঁকোয়

পর্ব-১৩৮: পার্ক স্ট্রিট থেকে মহর্ষি ফিরে এসেছিলেন জোড়াসাঁকোয়

দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে মহর্ষিদেবের মৃত্যু-সংবাদ। বহু মানুষ এসে ভিড় করে জোড়াসাঁকোয়। ফুল আর আবির ছড়িয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল নিমতলা শ্মশানঘাটে। শ্মশানের ভেতরে নয়, দ্বিপেন্দ্রনাথের কথায় চিতা সাজানো হয়েছিল শ্মশানঘাট ছাড়িয়ে গঙ্গার পাড়ে। ওপারে তখন সূর্য অস্ত যাচ্ছিল। আকাশে সিঁদুরগোলা রং ছড়িয়ে পড়েছিল।

read more
পর্ব-১৩৭: বিলেতে হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের অস্ত্রোপচার

পর্ব-১৩৭: বিলেতে হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের অস্ত্রোপচার

রবীন্দ্রনাথ তখন সবে পঞ্চাশ পেরিয়েছেন। নোবেল না পেলেও পাওয়ার পটভূমি রচিত হচ্ছে। রবীন্দ্রনাথ সে সময় গিয়েছিলেন লন্ডনে। প্রকাশিত হয় ‘গীতাঞ্জলি’-র ইংরেজি সংস্করণ। প্রকাশমাত্রই প্রশংসার জোয়ার বয়ে যায়। পাঠকমহলে বিপুল সাড়া পড়ে। মুগ্ধতা জানিয়ে কবিকে অনেকেই চিঠি লেখেন। চিঠি লেখেন যুক্তিবাদী রাসেল। ইংল্যান্ডের নামি পত্রিকা ‘টাইমস লিটারারি সাপ্লিমেন্ট’-এ প্রকাশিত হয় প্রশংসিত আলোচনা। ছত্রে ছত্রে প্রশংসা, মুগ্ধতা। কবির পরম হিতাকাঙ্ক্ষী বন্ধু রোটেনস্টাইনকে খুশি করেছিল এই উচ্ছ্বাসময় প্রশংসিত আলোচনা। রবীন্দ্রনাথ...

read more
পর্ব-১৩৬: রবীন্দ্রনাথ ছাত্রদের মশারিও গুঁজে দিতেন

পর্ব-১৩৬: রবীন্দ্রনাথ ছাত্রদের মশারিও গুঁজে দিতেন

ছাত্রদের প্রতি রবীন্দ্রনাথের এই ভালোবাসার সত্যিই তুলনা হয় না। ভিতর থেকে উঠে আসা অকৃত্রিম ভালোবাসা। ছাত্রদের সঙ্গে তাঁর ছিল মধুর ভালবাসার নিবিড় বন্ধন। নির্মলকুমারী মহলানবিশকে এক চিঠিতে কবি লিখেছিলেন, ‘আমার ক্লাসে ওরা মনে করে খেলা— এ তো পড়া নয়— আমি যেন ওদের খেলার সর্দার। সত্যিই আমি তাই— মনের ভিতর দিকে আমার আর বয়স হল না…।’

read more
পর্ব-১৩৫: সুস্থ থাকলে কেউ কি কবিতা লেখে?

পর্ব-১৩৫: সুস্থ থাকলে কেউ কি কবিতা লেখে?

সরসসতায় ভরপুর। কথায় কথায় এমন মজা ক’জন আর করতে পারে। রবীন্দ্রনাথের গাম্ভীর্যের ছদ্ম-মুখোশ ছিল না। মানুষের সঙ্গে মিশতেন, মানুষকে ভালোবাসতেন। কোনও বানানো দূরত্ব ছিল না। খুব সহজেই মিশে যেতেন। হাসিতে খুশিতে, আনন্দে মজায় ভরিয়ে তুলতেন। কবির সরস-সান্নিধ্যে চারপাশের মানুষজনও ভালো থাকতেন।

read more
পর্ব-১৩৪: বিশাল বপু নিয়ে দিনেন্দ্রনাথ ধপাস করে পড়েছিলেন রবীন্দ্রনাথের উপর

পর্ব-১৩৪: বিশাল বপু নিয়ে দিনেন্দ্রনাথ ধপাস করে পড়েছিলেন রবীন্দ্রনাথের উপর

শারীরিক ক্ষিপ্ততা হারালেও রবীন্দ্রনাথের মনের জোর ছিল অপরিসীম। দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন ‘বিসর্জন’-এ। অভিনয়ে দিনেন্দ্রনাথও কম পারদর্শী ছিলেন না। অভিনয়কালে রঘুপতি সাজা দিনেন্দ্রনাথের গলার রুদ্রাক্ষমালা ছিঁড়ে গিয়েছিল। দর্শকদের দিকে রুদ্রাক্ষগুলো ছুঁড়ে দেওয়ার পরও কারও মনে হয়নি, এভাবে সামাল নিলেন দিনেন্দ্রনাথ। এমনই সাবলীল ভাবে সে কাজ করেছিলেন যে, মনে হয়েছিল, সবই অভিনয়েরই অঙ্গ।

read more

অনন্ত এক পথ পরিক্রমা

পর্ব-৮১: শক্তি অক্ষয়, চির শাশ্বত

পর্ব-৮১: শক্তি অক্ষয়, চির শাশ্বত

মহাপুরুষের ধ্যান-ধারণা দ্বারা আমরা আধ্যাত্মিক ক্ষুধা বাড়াতে পারি। তাঁরা আজও বর্তমান, চৈতন্য ও শাশ্বত প্রকাশের দ্বারা। যাঁরা অপকট, আন্তরিক ভাবে তাদের চেতনার স্তরেকে উন্নীত করে সেই সব মহাপুরুষের ধ্যান ও ধারণা করার সমর্থ্য লাভ করে, তাঁরা তাঁদের উপস্থিতি অনুভব করতে পারবে।

read more
পর্ব-৮০: আধ্যাত্মিক জীবন গঠনের মূল কথা— সত্যের ধারণা ও পালন

পর্ব-৮০: আধ্যাত্মিক জীবন গঠনের মূল কথা— সত্যের ধারণা ও পালন

আধ্যাত্মিক জীবন গঠনের মূল বিষয় বা নিয়মগুলির যে কয়েকটি আমাদের সাধারণ জীবনযাপনকে নিয়ন্ত্রিত করে তার মধ্যে একটি হল—সত্যের ধারণা ও পালন। যা কিছুকেই মানুষ সত্য বলে গ্রহণ করে। তাই তার সমগ্র সত্তা, চিন্তারাশি, অনুভূতি এবং তার আকাঙ্ক্ষাকে আকর্ষণ করে।

read more
পর্ব-৭৯: নারদীয় ভক্তির স্বরূপ কামনাহীন প্রেম, শুধু নিজেকে উৎসর্গ করা

পর্ব-৭৯: নারদীয় ভক্তির স্বরূপ কামনাহীন প্রেম, শুধু নিজেকে উৎসর্গ করা

নারদীয় ভক্তির প্রকাশ হল ভক্তি প্রার্থনার মধ্যেই নিজেকে কৃত-কৃতার্থ অনুভব করা। ঈশ্বরীয় সুখে লীন হয়ে যাওয়া। এগোপিনীদের দুঃখ প্রকাশ না চির সুখের অনুভব!

read more
পর্ব-৭৮: ব্রহ্ম ও মায়া মূলত এক ও অভেদ

পর্ব-৭৮: ব্রহ্ম ও মায়া মূলত এক ও অভেদ

বেদের মায়া ও তন্ত্রের মহামায়া সমার্থক না হলেও ব্রহ্ম ও মহামায়া মূলত এক। ঈশ্বর ও প্রকৃতি শক্তি যেমন অভেদ। সৃষ্টির আদিতে ব্রহ্মই একমাত্র ছিল। শক্তিকে আশ্রয় করে সৃষ্টি শুরু হলে এই জীবজগৎ প্রকাশ করে তার মধ্যে চৈতন্য রূপে প্রকাশিত হতে থাকল। বেদ ও তন্ত্রের পার্থক্য এই যে, বেদ সিদ্ধান্ত শাস্ত্র আর তন্ত্র সাধন শাস্ত্র। বেদ প্রাচীন অপৌরুষেয় হলেও শক্তিপুজোর উল্লেখ রয়েছে।

read more
পর্ব-৭৭: নির্জনতা মনকে শান্ত করে

পর্ব-৭৭: নির্জনতা মনকে শান্ত করে

আধ্যাত্মিক জীবনে নির্জনতার প্রয়োজনীয়তা আছে। অনেকে নির্জন স্থানে গিয়ে হাঁপিয়ে যান একাকিত্বের জন্য। আবার কারও জন্য একাকিত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। জীবনে কখনও কখনও একাকিত্ব গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষকের কাজ করে।

read more

যত মত, তত পথ

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

বিবেকের কাছে

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

আলোকের ঝর্ণাধারায়

পর্ব-১০০: অসুস্থ শরীরেও ভক্তদের দীক্ষাদান শ্রীমার

পর্ব-১০০: অসুস্থ শরীরেও ভক্তদের দীক্ষাদান শ্রীমার

এত সব শান্তিপাঠ, স্বস্ত্যয়ন করা হলেও মা সারদার শারীরিক অবস্থার কোন উন্নতি হল না। তবে এই অসুস্থতার মধ্যেও পাহারায় নিযুক্ত সেবকদের বুঝতে না দিয়ে অথবা তাদের অনুরোধ না শুনে শ্রীমা ভক্ত-সন্তানদের মনস্কামনা পূর্ণ করেছেন। যেমন কাউকে তার ইষ্টদর্শন করিয়ে, কারওকে দীক্ষা দিয়ে, আবার কারও সেবা গ্রহণ করে ধন্য করেছেন। দুর্গেশ দাস চৈত্রমাসে তাঁর আত্মীয়া প্রিয়ংবদা মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে আসেন শ্রীমার কাছে। তখন সকলে নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি প্রিয়ংবদাকে মন্ত্রদান করেছিলেন।

read more
পর্ব-৯৯: সারদা মায়ের রোগ নিরাময়ের প্রচেষ্টা

পর্ব-৯৯: সারদা মায়ের রোগ নিরাময়ের প্রচেষ্টা

শরৎ মহারাজ মা সারদাকে রোগমুক্ত করার কোন চেষ্টারই ত্রুটি রাখলেন না। কিছুদিন কবিরাজ রাজেন্দ্রনাথ সেন চিকিৎসা করেন। সেই সময় কবিরাজ কালীভূষণ সেনও শ্রীমাকে দেখতেন। তারপর কবিরাজ শ্যামাদাসকে আবার ডাকা হয়। তাঁর ছাত্র কবিরাজ রামচন্দ্র মল্লিক রোজ এসে শ্রীমাকে দেখে যেতেন আর নিজের হাতে ওষুধ তৈরি করে দিতেন। শেষ দুদিন ডাঃ কাঞ্জিলাল হোমিওপ্যাথি ওষুধ দিলেন।

read more
পর্ব-৯৮: মা সারদার জন্মতিথিতে তাঁর অপূর্ব অমানবীয় রূপ ফুটে উঠল

পর্ব-৯৮: মা সারদার জন্মতিথিতে তাঁর অপূর্ব অমানবীয় রূপ ফুটে উঠল

১৩২৫ সালের চোদ্দোই শ্রাবণ ঠাকুরের অন্তরঙ্গ সহচর বাবুরাম মহারাজ পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। শ্রীমার জীবনে একটি বেদনার দিন। পূবর্বঙ্গে বেশ কয়েকবার ঠাকুরের ভাব প্রচার করতে গিয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রমে তাঁর শরীর ভেঙে যায়। তিনি কালাজ্বরে আক্রান্ত হন। এই ঘটনার দুদিন আগে বাবুরাম মহারাজের অন্যতম সেবক মহাদেবানন্দ শ্রীমার কাছে প্রার্থনা করেছিলেন, যাতে তিনি সেরে ওঠেন।

read more
পর্ব-৯৭: শ্রীমার কথায় ‘ঠাকুরের দয়া পেয়েচ বলেই এখানে এসেচ’

পর্ব-৯৭: শ্রীমার কথায় ‘ঠাকুরের দয়া পেয়েচ বলেই এখানে এসেচ’

ভক্ত আর ভগবানের মধ্যে চিরকাল লীলা চলে। তবে ‘নরলীলা নরবৎ’ হয়ে থাকে। তাই বয়সের ধর্মে মা সারদার ভগ্নপ্রায় মানবদেহ ক্রমে কাজের চাপে ভেঙে পড়তে লাগল। তাঁর জীবনকালের শেষ কিছু বছর যেমন তিনি গভীরভাবে নিজেকে কর্মে আবদ্ধ রেখেছিলেন, তেমনই সকলের প্রতি তাঁর অবিরাম করুণাধারা বর্ষিত হয়েছিল।

read more
পর্ব-৯৬: মা সারদার প্রথম মন্ত্রশিষ্যা ছিলেন দুর্গাপুরীদেবী

পর্ব-৯৬: মা সারদার প্রথম মন্ত্রশিষ্যা ছিলেন দুর্গাপুরীদেবী

ঠাকুরের মহিলা ভক্তদের মধ্যে প্রথম শিষ্যা ছিলেন যেমন গৌরীমা, তেমনই শ্রীমার প্রথম শিষ্যা হলেন দুর্গাপুরী। শ্রীমার কাছে বাল্যকাল থেকেই তাঁর অবাধ যাতায়াত। শ্রীমা স্বেচ্ছায় তাঁকে বাল্যবয়সেই দীক্ষা দেন। চোদ্দ পনেরো বছর বয়সেই একান্তভাবে তাঁর আগ্রহে তিনি দুর্গাদেবীকে সন্ন্যাসদীক্ষা দেন। দুর্গাদেবী ছিলেন গৌরীমার পালিত কন্যা। তিনি আবাল্য সন্ন্যাসিনী ছিলেন।

read more

নিবেদিতা নানা রূপে

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

গল্পের ঝুলি

দীপাবলির গল্প, থ্রেট /১

দীপাবলির গল্প, থ্রেট /১

আজকাল শিরদাঁড়া নিয়ে খুব আলোচনা চলছে। মাইতিবাবু নিশ্চিত তাঁর শিরদাঁড়া আর সোজা নেই। বাড়ি করা ছেলেমেয়ে মানুষ করা তাদের বিয়ে-থা এ সব সামলে সোজা শিরদাঁড়া বেঁকে গিয়েছে। এখন শোবার সময় পিঠের চালাটা একটু টিপে দেবার জন্য বৌকে সাধ্যসাধনা করতে হয়। তাই বোধহয় আজকাল সামান্য একটু ঝুঁকেও চলতে হয়।

read more
শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/৫

শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/৫

ঘরে সুবিনয় আর কবিতা। কারো মুখে কথা নেই। শুধু বারেবারে ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে চারটি চোখ। এতদিন মনে মনে দু’জন দু’জনাকে কত কথাই বলেছে। কত অভিমান… কত ভালোবাসা… কিন্তু এখন সামনাসামনি একটা কথাও সরছে না কারো মুখ থেকে। মন চাইছে আঁকড়ে ধরে এতদিনের সব যন্ত্রণাকে বাঁধভাঙা মুক্তি দিতে। কিন্তু পা দুটোকে কে যেন শক্ত করে মাটির সঙ্গে চেপে ধরে রেখেছে। কিছুতেই এগোতে পারছে না।

read more
শারদীয়ার গল্প: গৌরী এল দেখে যা লো /১

শারদীয়ার গল্প: গৌরী এল দেখে যা লো /১

পুজো মানে দুর্গাপুজো। মহিষাসুরমর্দিনী দুর্গতিহারিণীর অকালবোধন। আর পুজো পুজো ভাব মানে, পুজো আসার কিছুদিন আগে থেকে আকাশে বাতাসে একটা চোখে পড়ার মতো বদল আসা। হঠাত্ করে রোদ ঝলমলে আকাশ, আকাশের রঙে নীল নীল ভাব, বাতাসেও একটা ঝলমলে আনন্দ, কলকাতার আশেপাশেই কিংবা দূরে দূরে কাশফুল, এছাড়াও পাড়ার শিউলি ফুলের গাছটা হঠাৎ করেই শরতের চিঠি রেখে যেত।

read more
শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/৪

শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/৪

আজ আবার মনে পড়ে গেল প্রিয়ার সেসব কথা। বাবার ডায়রির ভিতরে ছবিটা পেয়েছিল বলেই না সিদ্ধার্থদের বাড়ি গিয়ে ওর মায়ের পুরনো ছবিটা দেখে চমকে উঠেছিল। সব পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল ওর চোখে। পরের দিন সিদ্ধার্থকে সব বলেছে। সিদ্ধার্থও আবাক হয়েছে। ওরা দু’জনেই চায় এই হারিয়ে যাওয়া মানুষ দু’জন আবার কাছে আসুক।

read more

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক

পর্ব-১৭৭ : শাক্য সিংহের খোঁচর!

পর্ব-১৭৭ : শাক্য সিংহের খোঁচর!

হেড কুক অনন্ত পাণিগ্রাহী সমস্ত জিনিস ফ্রিজে তুলে রাখছে। গেস্টদের জন্য লাঞ্চের পাট আজ সম্ভবত উঠল। তাদের নিজেদের লাঞ্চের মেনু হিসাবে আজ ভাত, আলুসেদ্ধ, পটলভাজা আর ডিমের কারি ঠিক হয়েছিল গতকাল রাতেই। কিন্তু আজ সে-সব রান্না হবে কি-না কেউ জানে না। সকলেই চাকরি হারানোর আশঙ্কায় তটস্থ হয়ে আছে। সত্যিই তো এ-রিসর্টকে কেন্দ্র করে যা-সব চলছে বেশ কিছুদিন ধরে, তাতে মাথা ঠিক রাখা আর কারও পক্ষেই সম্ভব নয়।

read more
পর্ব-১৭৬ : আলোচনার টেবিলে

পর্ব-১৭৬ : আলোচনার টেবিলে

কোর্টে একটা বড় অ্যাডভান্টেজ পেয়েছে পুলিশ। যে-বিপুল পরিমাণে অস্ত্রভান্ডার উদ্ধার হয়েছে কালাদেওর গুহা থেকে, তা কেবল জেলা বা রাজ্য নয়, সারা দেশেই আলোড়ন তুলেছে। পুলিশের স্থানীয় দেওতার থানে প্রবেশ নিয়ে যে ক্ষোভ তলে তলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ছিল, তা আর দানা বাঁধতে পারেনি। প্রায় সকলেই একযোগে এখন দুষছে মঙ্গল ওঝাকে। লোকটি মরে গিয়ে বেঁচে গিয়েছে, নাহলে স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতেই হয়ত তার শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করত।

read more
পর্ব-১৭৫ : শেষের খুব কাছে

পর্ব-১৭৫ : শেষের খুব কাছে

কালাদেও জেগে ওঠার আগে, বছর দু’য়েক আগেও অনেকেই ভোরবেলা ওই পথে যাতায়াত করত। আসানমুড়ায় একখানা সিমেন্টের কারখানা হয়েছে বছর পাঁচ-সাত, সেখানে এদিককার অনেকেই কাজ করে। তারা দল বেঁধে, কখন একা সাইকেল নিয়ে যাতায়াত করত। কিন্তু তাদের একজন ফেরার পথে কালাদেওর বলি হয়, সেই থেকে সকলে এত ভয় পেয়ে গিয়েছে যে, যাদের ইভনিং শিফট থাকে, তারা আর ফেরে না। নাইট শিফটে এক্সট্রা ডিউটি নিয়ে পরের দিন সকালে ফেরে। আজকাল পিশাচপাহাড়ে অনেকগুলি রিসর্ট-হোটেল তৈরি হয়েছে।

read more
পর্ব-১৭৪ :কালাদেও নয়?

পর্ব-১৭৪ :কালাদেও নয়?

কালাদেও যদি অপ্রাকৃত কোনও প্রেত হয়, তাহলে তার সঙ্গে পুলিশবিভাগের লড়াই করা হবে হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করার সামিল। কিন্তু একটা কথা সে বুঝতে পারছে না। আগে তার মাথায় আসেনি। এখন এল। কালাদেও প্রেত হলে তার কাছে দরজা বন্ধই থাক কিংবা খোলা কী যায় আসে? প্রেত তো সর্বত্রগামী হয়, তাই না? তাহলে সে যতই দরজা এঁটে ঘরের মধ্যে বসে থাক-না-কেন, সেখানে কালাদেওর ঢুকে পরতে তো কোন অসুবিধা নেই। তাহলে কেন সে দরজা নক্‌ করছে বারবার?

read more
পর্ব-১৭৩ : পিঞ্জরে অচিন পাখি

পর্ব-১৭৩ : পিঞ্জরে অচিন পাখি

কোলাহলটা কাছেই এগিয়ে আসছে। শাক্য ভাবল, কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। অনন্তের দলবল যদি হত, তাহলে নিশ্চয়ই এত হট্টগোল করে তারা আসত না, নিঃশব্দে এসে নিঃশব্দে কাজ মিটিয়ে যাওয়াই তারা পছন্দ করত। তাহলে কি অন্য কেউ। জঙ্গলে অনেকসময় পাতাকুড়ানি, কাঠকুটো কুড়ানোর জন্য স্থানীয় মানুষেরা আসেন দলবল নিয়ে। কিন্তু আজ তো পিশাচপাহাড় গ্রামে উৎসব। খাওয়াদাওয়া। এর মধ্যে গ্রামের লোকজন পাতা কুড়ানোর জন্য জঙ্গলে আসবে, তাও এমন দল বেঁধে এটা কেমন বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হচ্ছিল না।

read more

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু!

পর্ব-১৪৫: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৫

পর্ব-১৪৫: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৫

পুলক সেদিন অনেক রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ফেরে। আবার মদের বোতল নিয়ে বসেছিল। বারান্দার কাচের বড় জানলা খুলে দিয়েছিল। বুতাই রাগারাগি করে শুয়ে পড়েছিল। হয়তো সেখান দিয়েই অসাবধানে পড়ে যায়। সব কমপ্লেসেই গভীর রাতে সিকিউরিটি গার্ড ঘুমোয়। এমন নামী কমপ্লেক্সেও তার অন্যথা হয় না। এদিন বেশ রাতে আবার ঝমঝম করে বৃষ্টি হয়েছিল। ভোররাতে সিকিউরিটি ইনচার্জ এসে বেল দিয়ে দিয়ে ঈপ্সিতার ঘুম ভাঙিয়েছিল।

read more
পর্ব-১৪৪: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৪

পর্ব-১৪৪: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৪

ঘটনাটা ঘটেছে ভোরবেলায়। রাজ্য রাজনীতির ব্যস্ত মন্ত্রী কিন্তু ভোরবেলায় উঠে হাঁটতে যেত পুলক। বহুদিন আগে যখন প্রথম মন্ত্রী হয়েছিল তখন স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে যেত। সানি অ্যাপার্টমেন্টের পিছনটা টেনিস কোর্ট। তারও ওপাশে গেলে সিসিএফসি গ্রাউন্ড। ওসব জায়গায় অবাধ যাতায়াত ছিল। সঙ্গে থাকতো সরকারি পিএসও। পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসার।

read more
পর্ব-১৪৩: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৩

পর্ব-১৪৩: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৩

ইপ্সিতা বা তার বান্ধবীরা জবাব খুঁজে পায়নি। অনুষ্ঠানের অয়োজকেরা ক্লাস এইটের কিশোরের মুখে এই দৃপ্ত যুক্তি শুনে অবাক। অবাক হয়েছিল ইপ্সিতা নিজেও। এই ধাক্কা থেকেই বোধহয় তাঁর মনের কোণে মিনমিনে ঘামের মতো জন্ম নেওয়া প্রেমের নির্যাস সারা শরীরে ও মনে ছড়িয়ে পড়েছিল। পরের ধাক্কায় আরও চমকিত সকলে পুলক বন্ধুদের নিয়ে লাইন থেকে সরে দাঁড়িয়ে বলেছিল— তোমরা আগে ব্যাজ নিয়ে নাও! পরে নিলেও ব্যাজ শেষ হয়ে যাবে না!

read more
পর্ব-১৪২: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২২

পর্ব-১৪২: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২২

এক স্কুলে না হলেও পুলক আর ইপ্সিতার ভাবসাব বহু বছর। অবশ্য উত্তম-সুচিত্রার অনেক ছবির মতো ঝগড়া দিয়ে আলাপ ও ক্রমে ঘনিষ্ঠতা। তবে শতদলবাবুর মত ছিল না একেবারেই। পুলক সাধারণ ছেলেপুলের মতো সরল, সোজা সে নয়। তার স্বপ্ন উচ্চাশা রাজনীতিতে সাফল্য। আমাদের মধ্যবিত্ত জীবনে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার না হলে চাকুরী বৃত্তি শিক্ষকতা এই গণ্ডীতেই ঘোরাফেরা করতো। ব্যবসায় ভয় চিরকালের। আর রাজনীতি যে পেশা হয়ে উঠবে সেটা দু’দশক আগেও কেউ কল্পনা করেননি।

read more
পর্ব-১৪১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ২২

পর্ব-১৪১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ২২

খুনের রহস্য সমাধানে আবার ধৃতিমানের প্রশংসা হল। ধৃতিমান ও শ্রেয়াকে নীলাঞ্জনা একদিন লাঞ্চে ডাকল। শ্রেয়া জানিয়েছিল, অন্য ডিউটি যাবে না। তাই সেটা মাস্যার দ্বিতীয় রবিবার ধার্য হল। ওইদিন সাধারণত শুটিং বন্ধ থাকে। নীলাঞ্জনা দু’জনকেই বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিল। তবে সকলের আড়ালে শ্রেয়া বলেছিল — পুরুষমানুষ এতও ঝগড়াটে হয় জানতাম না!

read more

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৮০ : আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৮০ : আকাশ এখনও মেঘলা

ওয়েলেসলি জুটমিলের টাইম অফিসের কর্মী ছিল দুলাল সেন। মজদুর ইউনিয়নের সেই জুটমিলের মালিক কানাইলাল মহেশ্বরী। আরও আনুষাঙ্গিক ক'জন। সেই ভয়ংকর রাতে স্নিগ্ধার শ্লীলতাহানির মিথ্যে অভিযোগে দুলালকে দোষী সাজানোর কারিগর। হঠাৎ উপস্থিত হওয়া সেই দু’জন, বিয়েবাড়ির ভিডিওগ্রাফার আর তার শাকরেদ। ওয়েলেসলি জুট মিলের গাড়ির ড্রাইভার যে মিথ্যে সাক্ষী দিয়েছিল। থানার ওসি বীরেশ দও। সৎ স্বচ্ছ সাব-ইন্সপেক্টর হাসান আলি অনেক চেষ্টা করেও ওসির বিরোধিতার জন্য দুলাল বা তাঁর স্ত্রী তৃপ্তিকে কোনওভাবেই সাহায্য করতে পারেননি। আরও ছিলেন দুলালের মামলার...

read more
পর্ব-৭৯ : আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৭৯ : আকাশ এখনও মেঘলা

…আরও একটা কারণে ছোট পিসেমশাইকে চুঁচুড়া আসতে হত। অতনুদের বাড়ি। মানে যেটা অতনুর দাদু স্কুল শিক্ষক অমৃতলাল সেন অনেক কষ্ট করে একটু একটু করে গড়ে তুলেছিলেন। সেই বন্ধ বাড়ির তদারক করতেন ছোট পিসেমশাই। দুলালের সঙ্গে দেখা করে তার পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়ে বড় বা মেজ শালিকার সঙ্গে কথা বলে বাড়ি বিক্রি করা টাকা সকলকে সমানভাগে ভাগ করে দিয়েছিলেন ছোট পিসেমশাই।

read more
পর্ব-৭৮: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৭৮: আকাশ এখনও মেঘলা

অতনু সপ্তাহে একবার আসে। বাবা খবরের কাগজ পড়েন না। ফলে রাজ্য রাজনীতি কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স আলোচনার মধ্যে আনা যায় না। তাই মাঝে মাঝে অতনুর অফিসের কথা এসে পড়ে। অতনু কথা বলে। বাড়ির কথা। চুঁচুড়ার কথা। সবেতে পাঁচিল দিয়ে রাখতে হয়। অতনু নিজেও চায় না পুরনো কথা মনে করতে। স্মৃতি এক অদ্ভুত অনুভূতি। জোর করে ভোলা যায় না! চুঁচুড়ার বাড়িটা বিক্রি হয়ে গিয়েছে। মায়ের মৃত্যুর পর ও বাড়ি বন্ধ ছিল। অতনু তো ফিরে যায়নি সেখানে।

read more
পর্ব-৭৭: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৭৭: আকাশ এখনও মেঘলা

দুলালেরও ভীষণ কৌতূহল হয়েছিল। বিখ্যাত অ্যাডভোকেট। নিখরচায় কেস তিনি করতেই পারেন। কিন্তু যে কেসে পুলিশ চোখের সামনে খুনটা হতে দেখেছে এবং খুনি নিজে ভরা আদালতে বিচারকের সামনে যে খুনের কথা স্বীকার করেছেন। সেখানে সাজা তো হবেই! তবু তিনি দুলাল সেনের কেসটা হাতে নিয়ে তিনি তাঁর মূল্যবান সময় নষ্ট করছেন কেন?

read more
পর্ব-৭৬: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৭৬: আকাশ এখনও মেঘলা

ফাঁসি নিশ্চিত ছিল। দুলাল মানসিকভাবে তৈরি ছিল। কিন্তু প্রখ্যাত অ্যাডভোকেট অবনী চৌধুরী বিনা পয়সায় প্রো-বোনো কেস লড়ে সাজা ফাঁসি থেকে যাবজ্জীবন করেছিলেন। ফাদার স্যামুয়েল বিশ্বাসের কাছে দুলাল ও তৃপ্তির একমাত্র সন্তান এই অতনু সেন। পিতৃমাতৃহীন অতনুকে পুত্রস্নেহে চার্চে রেখে মানুষ করেছেন ফাদার। অতনুর কাছে অতীতের সবকিছু বলেছেন।

read more

গা ছমছমে ভৌতিক উপন্যাস: মিস মোহিনীর মায়া

পর্ব-১৫: পুলিশ কিন্তু অন্য কিছু সন্দেহ করছে!

পর্ব-১৫: পুলিশ কিন্তু অন্য কিছু সন্দেহ করছে!

নেরুলে ওদের বাংলো বাড়ি। আগেই বলেছিল। কিচেনটা আলাদা। সেখানে আগুন লেগে ও মারা যায়। শ্বশুরবাড়ির ফ্যামিলি স্টেটমেন্ট দিয়েছে এক্সিডেন্ট। পুলিশ অন্য কিছু সন্দেহ করছে।

read more
পর্ব-১৪: বাদামি চোখ দুটোয় জ্বলন্ত আগুনের আভা

পর্ব-১৪: বাদামি চোখ দুটোয় জ্বলন্ত আগুনের আভা

আমার মাথা কাজ করছে না। এতদিন যাকে ভুলে ছিলাম। সর্বশক্তি দিয়ে মন থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম। সে যেন আচমকা সমস্ত অতীত সঙ্গে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল।

read more
পর্ব-১৩: বৃদ্ধার ঘন নীল চোখ দুটো যেন আমায় বিদ্ধ করল

পর্ব-১৩: বৃদ্ধার ঘন নীল চোখ দুটো যেন আমায় বিদ্ধ করল

ঘন নীল চোখ তাঁর। একটু ঘোলাটে। চশমা বিহীন। বিদেশের সিনেমাতে যেরকম বয়স্ক মানুষকে হঠাৎ দেখা যায় ঠিক তেমন। কোন বৃদ্ধার চোখ এরকম নীল হতে পারে আমি ভাবতেও পারি না।

read more
পর্ব-১২: ক’দিন ধরে আমি কেমন যেন মাংস পোড়ার গন্ধ পাচ্ছি

পর্ব-১২: ক’দিন ধরে আমি কেমন যেন মাংস পোড়ার গন্ধ পাচ্ছি

চোখ দুটো গোল গোল নীলচে। নাক আর ঠোঁটটা ছোট হয়ে গেল। এই অদ্ভুত চেহারা নিয়ে তিনি আমার দিকে স্থির চোখে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর ফিসফিস করে বললেন।

read more

দুই বাংলার উপন্যাস: বসুন্ধরা এবং…

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪২: অরুণাভ অন্তর্ধান

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪২: অরুণাভ অন্তর্ধান

আসলে আমরা যে সময় বড় হয়েছি, সেই সময় মানুষের সভ্যতা ভদ্রতা আচার-আচরণে চুইংগামের মত স্বার্থ লেগে থাকত না। আমরা যখন বুড়ো হলাম দেখলাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আচার-আচরণ স্বার্থের তেলে চুপচুপ করছে তার গায়ে সভ্যতা ভদ্রতার গঙ্গাজলের ছিটেফোঁটা ছুঁতেই পারছে না।

read more
বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪১: ছবি

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪১: ছবি

ছবিটা দেখে বাবলি প্রথমে থতিয়ে গিয়েছিল। এতটা সাবধানতা নেবার পরেও এরকম কোনও ছবি উঠবে সেটা সে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। আর তার এই থতিয়ে যাওয়াতেই প্রণয় বাবলির সঙ্গে অরুণাভর সম্পর্কের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে গেল।

read more
বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪০: ছোবল

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪০: ছোবল

মদের আধিক্য আমাদের শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে খুব ধীরে ধীরে অকেজো করে দেয়। ব্রেনসেল শুকিয়ে দেয়। মস্তিষ্কের সেরাটোনিন লেভেল কমিয়ে দেয়। এর ফলে যে ডিপ্রেশন ভুলতে মানুষ মদ খায় মদ সেই ডিপ্রেশনকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

read more
বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৯: বিজয়া দশমী

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৯: বিজয়া দশমী

এ বার বসুন্ধরা আর স্বর্ণময়ীর ছবি রেখে পুজোর আয়োজন হল। খাওয়াদাওয়া হল। নিয়মমেনে পুজো হল। ইভেন ম্যানেজমেন্ট এর লোকজন ছুটোছুটি করে ভিড় সামলালেন। তবে এ বছরের জলসাতে তেমন কোন আকর্ষণ ছিল না। এমনিভাবেই পুজোর চারটে দিন কেটে গিয়ে বিজয়া দশমী এল। বরণ হল, সিঁদুরখেলা হল।

read more
বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৮: ক্ষত

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৮: ক্ষত

বাবলি একটা অদ্ভুত দোটানায় ভুগছে। ছোটবেলায় মোটর দূর্ঘটনায় বাবার ভয়ঙ্কর মৃত্যু চোখের সামনে দেখেছে। দেখেছে জ্ঞান হারানোর ঠিক আগের মুহুর্ত পর্যন্ত অনেক চিকিৎসার পর সেই মানসিক ঝড় কাটিয়ে আবার পড়াশোনায় ফিরেছিল বটে কিন্তু দুঃস্বপ্নের দগদগে ক্ষত থেকে গিয়ে মনের গভীরে।

read more

দেওয়াল পারের দেশ

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

 

 

Skip to content