অবসর

শাশ্বতী রামায়ণী

পর্ব-৪২: বাস কোথা যে পথিক — এবার কি গন্তব্য সুতীক্ষ্ণমুনির আশ্রম?

পর্ব-৪২: বাস কোথা যে পথিক — এবার কি গন্তব্য সুতীক্ষ্ণমুনির আশ্রম?

গভীর অরণ্যে ফুরোয় না পথ। রাম, লক্ষ্মণ, সীতা চলেছেন দুর্গম পথের বাধা বিপত্তি পার হয়ে সুতীক্ষ্ণ মুনির আশ্রমে। সঙ্গে চলেছেন রামের শরণাগত মুনিরা।

read more
পর্ব-৪১: চরৈবেতি—গভীর বনপথে জীবন বহমান

পর্ব-৪১: চরৈবেতি—গভীর বনপথে জীবন বহমান

বিরাধ রাক্ষস তার মুক্তিকালে রামকে জানিয়ে গিয়েছিল, এই গভীর, ভয়াল দণ্ডকারণ্যে নিরাপদ, নির্ভয় আশ্রয়ের ঠিকানা — শরভঙ্গ মুনির আশ্রম। সেখান থেকে সার্ধ যোজন দূরত্ব তার।

read more
পর্ব-৪০: নরমাংসলোলুপ রাক্ষস না কি সুরলোকের অভিশপ্ত গন্ধর্ব?

পর্ব-৪০: নরমাংসলোলুপ রাক্ষস না কি সুরলোকের অভিশপ্ত গন্ধর্ব?

দণ্ডকারণ্যের সুরম্য, ভয়াল অরণ্যানী। চলার পথ খুঁজে পাওয়া ভার। এ যেন ঘনঘোর মেঘমালায় ঢেকেছে দিনের আলো। আবার তার সৌন্দর্য দু’ চোখ ভরে পান করেও যেন তৃপ্তি হয় না।

read more
পর্ব-৩৯: ঋষির আশীর্বাদে যাত্রা এবার গভীর অরণ্যপথে

পর্ব-৩৯: ঋষির আশীর্বাদে যাত্রা এবার গভীর অরণ্যপথে

মায়েদের রাজপ্রাসাদে রেখে স্থির করলেন ভরত, নন্দিগ্রামে থাকবেন তিনি। সেখানেই অপেক্ষা করবেন রামের জন্য। চোদ্দ বছর পর অগ্রজ ফিরে এলে তাঁকে রাজ্যভার সমর্পণ করে তবে শান্তি পাবেন তিনি।

read more

মহাকাব্যের কথকতা

পর্ব-১৫৭: জরাসন্ধবধ ও জনার্দনের কৃতিত্ব

পর্ব-১৫৭: জরাসন্ধবধ ও জনার্দনের কৃতিত্ব

মহাভারতের বিচিত্র অনুষঙ্গ ছাড়াও, কৃষ্ণ ও তাঁর প্রলম্বিত ছায়াশ্রিত পাণ্ডবদের বিভিন্ন কীর্ত্তিকাহিনী সংযোজিত হওয়ায় হয়তো ভারতকথার এই গৌরবময় পরিণতি সম্ভব হয়েছে। মহাভারতের ভরতবংশীয়দের যশ ও অপযশ ছাপিয়ে, প্রোজ্জ্বল হয়ে ওঠেন যিনি, তিনি ভরতের উত্তরসূরীদের কাছে আজও প্রিয় জনার্দন, কৃষ্ণ।

read more
পর্ব-১৫৬: প্রাকৃতিক অবস্থার পরিবর্তন ও প্রাণীদের অস্থিরতা : যুদ্ধের দূষণ, মনে, প্রাণে, বাতাবরণে, সর্বত্র

পর্ব-১৫৬: প্রাকৃতিক অবস্থার পরিবর্তন ও প্রাণীদের অস্থিরতা : যুদ্ধের দূষণ, মনে, প্রাণে, বাতাবরণে, সর্বত্র

আমরা দুর্বলচিত্ত মানুষেরা হয়তো মনে করি, একদা নিয়তির অমোঘ নির্দেশে এই দুর্ভাগ্যজনক চরম পরিণতি তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতি জেনেও নিছক কৌতূহলী দর্শকের ভূমিকায় থেকে যান, দেবতা, ঋষি, সিদ্ধপুরুষদের মতো প্রভাবশালীদের অনেকেই। এক অর্বাচীন কথকঠাকুরাণীর মস্তিষ্কপ্রসূত এই ব্যখ্যা। সুধী পাঠকবর্গ, কোনও ধর্মীয় ভাবাবেগের মূলে কুঠারাঘাত বলে মনে করবেন না। বর্তমান দুনিয়ার যুগচিত্রের সঙ্গে এর সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায় কী?

read more
পর্ব-১৫৫: নৈতিকতার নিরিখে, মল্লযুদ্ধে জরাসন্ধবধ, আজও প্রাসঙ্গিক কেন?

পর্ব-১৫৫: নৈতিকতার নিরিখে, মল্লযুদ্ধে জরাসন্ধবধ, আজও প্রাসঙ্গিক কেন?

অতীতে মল্লযুদ্ধের অনৈতিক বিষয় হল, ক্লান্ত প্রতিপক্ষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা। যে কোনও যুদ্ধে নৈতিকতার বিধিবদ্ধ মানদণ্ড অতিক্রম করে যান যুদ্ধরত দুই পক্ষই। ভুলে যান মানবিকতা, মমত্ববোধ প্রভৃতি কোমলবৃত্তি। প্রকট হয়ে ওঠে হত্যা, মৃত্যু, জিঘাংসা এবং প্রতিশোধস্পৃহা। জয় হয়, আত্মঘাতী নৈতিক অবক্ষয়ের।এই চিত্রের পরিবর্তন হয়নি।

read more
পর্ব-১৫৪: শূর্পনখার কাহিনিতে, ষড়রিপুর প্রভাব, এক শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত নয় কী?

পর্ব-১৫৪: শূর্পনখার কাহিনিতে, ষড়রিপুর প্রভাব, এক শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত নয় কী?

রাক্ষসদের সামনে রাক্ষস খর, খরতর ভাষায় বলে উঠল, যেমন লবণাক্ত সাগর তার নিজের জলোচ্ছ্বাস সহ্য করতে পারে না ঠিক তেমন শূর্পনখা তাকে যে অবমাননা করছে, সেই অসম্মান সে সহ্য করতে পারছে না। খর আশ্বস্ত করল, শৌর্যের মাপকাঠিতে, ক্ষীণপ্রাণ রামকে সে গ্রাহ্য করে না। রাম তার দুষ্কর্মের জন্যে,আজই খরের হাতে প্রাণ হারাবে। খর, ভগিনীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল,সে যেন ব্যাকুলতা দূর করে, অশ্রু সংবরণ করে। খর, ভাই-সহ রামকে যমের বাড়ি পাঠাবে।

read more
পর্ব-১৫৩: জরাসন্ধ ও কৃষ্ণের কথোপকথন সূত্রে নিহিত আছে রাজনীতির পাঠ

পর্ব-১৫৩: জরাসন্ধ ও কৃষ্ণের কথোপকথন সূত্রে নিহিত আছে রাজনীতির পাঠ

রাজা জরাসন্ধের রাজধানী গিরিব্রজনগরে পৌঁছুলেন কৃষ্ণ,ভীম ও অর্জুন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল নৃশংস মগধরাজের কবল হতে কারারুদ্ধ রাজাদের মুক্তি ও অত্যাচারী একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী জরাসন্ধের দুর্দমনীয় প্রভাব ক্ষুণ্ণ করে তাঁকে দমন। মগধরাজ জরাসন্ধের প্রখরদৃষ্টিতে তাঁদের ছদ্ম আবরণ খসে পড়ল। জরাসন্ধ ব্রহ্মচারী স্নাতক ব্রাহ্মণের বেশধারী তিনজনের প্রতি সন্দিহান হলেন।শুরু হল দুই ধুরন্ধর রাজনীতিবিদের বাদানুবাদ যুক্তি ও পাল্টা যুক্তির অবতারণা। রাজার সন্দেহের মূলে রয়েছে যুক্তি —কৃষ্ণ ও অন্য দু’জন সকলেই ক্ষত্রিয়। কারণ, ব্রাহ্মণোচিত...

read more

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি

পর্ব-৯৬ : ‘চণ্ডাল-কূপ’ ও অস্পৃশ্যতা: পঞ্চতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ভারতের এক দগদগে ইতিহাস

পর্ব-৯৬ : ‘চণ্ডাল-কূপ’ ও অস্পৃশ্যতা: পঞ্চতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ভারতের এক দগদগে ইতিহাস

পঞ্চতন্ত্রের এই কাহিনিতে বৃদ্ধ বণিকের প্রতি তাঁর নবযৌবনা স্ত্রীর বিতৃষ্ণাকে বোঝাতে গিয়ে বিষ্ণুশর্মা যে উপমাটি ব্যবহার করেছেন, তা কেবল সাহিত্যিক অলঙ্কার নয়; বরং তা তৎকালীন ভারতীয় সমাজকাঠামোর এক নির্মম ঐতিহাসিক দলিল। ‘চণ্ডাল-কূপ’ বা অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষের ব্যবহার্য কুয়োর প্রসঙ্গটি আমাদের দাঁড় করিয়ে দেয় প্রাচীন ভারতের এক অস্বস্তিকর কিন্তু অমোঘ সত্যের মুখোমুখি।

read more
পর্ব-৯৫ : রাজনীতির দাবার ছকে ত্যাগের মহাকাব্য: এক অন্য পঞ্চতন্ত্রের খোঁজে

পর্ব-৯৫ : রাজনীতির দাবার ছকে ত্যাগের মহাকাব্য: এক অন্য পঞ্চতন্ত্রের খোঁজে

ব্যাধের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে কপোতী তার দগ্ধ স্বামীর মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল। তার সেই করুণ বিলাপে ফুটে উঠল ভারতীয় শাশ্বত গার্হস্থ্য ধর্মের এক চিরন্তন ছবি। মৃত পতিকে উদ্দেশ্য করে সেই সতী কপোতী কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল, “হে স্বামী! আজ আপনাকে ছাড়া এই বিশাল জগতে আমার বেঁচে থাকার আর কোনো অর্থই নেই। পতিহীনা এই দীন নারীর প্রাণধারণ করে লাভ কী?

read more
পর্ব-৯৪ : এক দিগম্বর সাধু, বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডার এবং পঞ্চতন্ত্রের পাতায় এক অদ্ভুত সমাপতন

পর্ব-৯৪ : এক দিগম্বর সাধু, বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডার এবং পঞ্চতন্ত্রের পাতায় এক অদ্ভুত সমাপতন

খাঁচায় বন্দি কপোতী তার স্বামীর বিলাপ শুনে গৃহলক্ষ্মীর মতোই প্রজ্ঞার পরিচয় দিল। নিচ থেকে স্বামীকে আশ্বস্ত করে সে বলল, “প্রাণনাথ! এই ব্যাধ আমাকে খাঁচায় বন্দি করেছে বলে তুমি এর প্রতি অকারণ বিদ্বেষ দেখিও না। আজ আমি যে বন্দি, তা আমারই প্রাক্তন কর্মফল—স্বকৃতৈরেব বদ্ধ্যাঽহং প্রাক্তনৈঃ কর্মবন্ধনৈঃ। জীবনে দারিদ্র্য, রোগশোক কিংবা এই ব্যাধের হাতে বন্দিত্ব—এ সবই নিজের কৃতকর্মের পরিণাম। আজ যা কিছু অনিষ্ট হচ্ছে, তা আমারই পাপের ফসল—আত্মাপরাধবৃক্ষস্য ফলান্যেতানি দেহিনাম্‌।

read more
পর্ব-৯৩ : যেখানে স্বর্ণমুদ্রার ঝনঝনানি, সেখানে সন্তানের চিতার আগুনও ম্লান

পর্ব-৯৩ : যেখানে স্বর্ণমুদ্রার ঝনঝনানি, সেখানে সন্তানের চিতার আগুনও ম্লান

পুত্রশোকের দগদগে ঘা বুকে নিয়েও পরদিন প্রভাতে লোভী ব্রাহ্মণ হরিদত্ত একবাটি দুধ হাতে পুনরায় সেই বল্মীকস্তূপের সামনে উপস্থিত হলেন। পুত্রের মৃত্যু শোকের চেয়েও তাঁর কাছে তখন প্রবল হয়ে উঠেছে স্বর্ণমুদ্রার লোভ। তিনি সেই গর্তের সামনে দাঁড়িয়ে উচ্চকণ্ঠে সর্পরাজকে আহ্বান করতে লাগলেন, কণ্ঠে তাঁর সেই পুরাতন স্তবগান।

read more
পর্ব-৯২: অবিবেচনা যত দ্রুত সিদ্ধান্ত আনে, তত দ্রুত ধ্বংসও আনে

পর্ব-৯২: অবিবেচনা যত দ্রুত সিদ্ধান্ত আনে, তত দ্রুত ধ্বংসও আনে

চোখের এক পলকে আহত সাপটি ফণা উঁচিয়ে হিংস্র গর্জনে ছোবল মারল ছেলেটির পায়ে। বিষ ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগল না—ছেলেটি মাটিতে লুটিয়ে পড়ল, নিঃশ্বাস থেমে গেল, তার শরীর নিস্তেজ হয়ে গেল অরণ্যের মাটিতে। চারিদিকে স্তব্ধতা নেমে এল—শুধু দুধের পাত্রটি উল্টে গিয়ে মাটিতে গড়িয়ে পড়ছিল, আর ধীরে ধীরে সেই সাদা দুধের ধারা ঢিবির মাটির ভিতর মিশে যেতে থাকল।

read more

মহাভারতের আখ্যানমালা

পর্ব-৪৯: চ্যবনমুনির প্রভাবে দেবরাজ হার মানলেন, সোমের ভাগ পেলেন অশ্বিনীকুমারদ্বয়

পর্ব-৪৯: চ্যবনমুনির প্রভাবে দেবরাজ হার মানলেন, সোমের ভাগ পেলেন অশ্বিনীকুমারদ্বয়

অশ্বিনীকুমারেরা বললেন, ‘তোমার মতো এমন সুন্দরী কন্যাকে তোমার পিতা কেনই বা বৃদ্ধের হাতে তুলে দিয়েছেন? তুমিই বা কীভাবে বৃদ্ধ পতিকে স্বীকার করে নিয়ে সংসারজীবন যাপন করছো। তুমি সুন্দরী।

read more
পর্ব-৪৭: রামকথা শ্রবণ— তীর্থে বাসের পুণ্যলাভ করলেন পাণ্ডবেরা

পর্ব-৪৭: রামকথা শ্রবণ— তীর্থে বাসের পুণ্যলাভ করলেন পাণ্ডবেরা

শুরু হল যুদ্ধ। প্রবল সে যুদ্ধে কার্ত্তবীর্যার্জুন মৃত্যুবরণ করলেন। অর্জুনের ছেলেরা এই সংবাদ পেয়ে অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হল। তারা জমদগ্নিমুনিকে আক্রমণ করল এবং হত্যা করল।

read more
পর্ব-৪৬: ভৃগুবংশে জন্ম নিলেন পরশুরাম— চরুবদলের ভুলে ক্ষত্রতেজ পেলেন তিনি

পর্ব-৪৬: ভৃগুবংশে জন্ম নিলেন পরশুরাম— চরুবদলের ভুলে ক্ষত্রতেজ পেলেন তিনি

অনেকদিন পর পিতার দেখা পেয়ে পুত্র অত্যন্ত খুশি হলেন। পিতাও পুত্রকে বিবাহিত দেখে প্রাণভরে আশীর্বাদ করলেন। পুত্রবধূ সত্যবতীও সেবা করে প্রসন্ন করলেন শ্বশুরকে।

read more

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি

পর্ব-১৩৮: পার্ক স্ট্রিট থেকে মহর্ষি ফিরে এসেছিলেন জোড়াসাঁকোয়

পর্ব-১৩৮: পার্ক স্ট্রিট থেকে মহর্ষি ফিরে এসেছিলেন জোড়াসাঁকোয়

দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে মহর্ষিদেবের মৃত্যু-সংবাদ। বহু মানুষ এসে ভিড় করে জোড়াসাঁকোয়। ফুল আর আবির ছড়িয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল নিমতলা শ্মশানঘাটে। শ্মশানের ভেতরে নয়, দ্বিপেন্দ্রনাথের কথায় চিতা সাজানো হয়েছিল শ্মশানঘাট ছাড়িয়ে গঙ্গার পাড়ে। ওপারে তখন সূর্য অস্ত যাচ্ছিল। আকাশে সিঁদুরগোলা রং ছড়িয়ে পড়েছিল।

read more
পর্ব-১৩৭: বিলেতে হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের অস্ত্রোপচার

পর্ব-১৩৭: বিলেতে হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের অস্ত্রোপচার

রবীন্দ্রনাথ তখন সবে পঞ্চাশ পেরিয়েছেন। নোবেল না পেলেও পাওয়ার পটভূমি রচিত হচ্ছে। রবীন্দ্রনাথ সে সময় গিয়েছিলেন লন্ডনে। প্রকাশিত হয় ‘গীতাঞ্জলি’-র ইংরেজি সংস্করণ। প্রকাশমাত্রই প্রশংসার জোয়ার বয়ে যায়। পাঠকমহলে বিপুল সাড়া পড়ে। মুগ্ধতা জানিয়ে কবিকে অনেকেই চিঠি লেখেন। চিঠি লেখেন যুক্তিবাদী রাসেল। ইংল্যান্ডের নামি পত্রিকা ‘টাইমস লিটারারি সাপ্লিমেন্ট’-এ প্রকাশিত হয় প্রশংসিত আলোচনা। ছত্রে ছত্রে প্রশংসা, মুগ্ধতা। কবির পরম হিতাকাঙ্ক্ষী বন্ধু রোটেনস্টাইনকে খুশি করেছিল এই উচ্ছ্বাসময় প্রশংসিত আলোচনা। রবীন্দ্রনাথ...

read more
পর্ব-১৩৬: রবীন্দ্রনাথ ছাত্রদের মশারিও গুঁজে দিতেন

পর্ব-১৩৬: রবীন্দ্রনাথ ছাত্রদের মশারিও গুঁজে দিতেন

ছাত্রদের প্রতি রবীন্দ্রনাথের এই ভালোবাসার সত্যিই তুলনা হয় না। ভিতর থেকে উঠে আসা অকৃত্রিম ভালোবাসা। ছাত্রদের সঙ্গে তাঁর ছিল মধুর ভালবাসার নিবিড় বন্ধন। নির্মলকুমারী মহলানবিশকে এক চিঠিতে কবি লিখেছিলেন, ‘আমার ক্লাসে ওরা মনে করে খেলা— এ তো পড়া নয়— আমি যেন ওদের খেলার সর্দার। সত্যিই আমি তাই— মনের ভিতর দিকে আমার আর বয়স হল না…।’

read more
পর্ব-১৩৫: সুস্থ থাকলে কেউ কি কবিতা লেখে?

পর্ব-১৩৫: সুস্থ থাকলে কেউ কি কবিতা লেখে?

সরসসতায় ভরপুর। কথায় কথায় এমন মজা ক’জন আর করতে পারে। রবীন্দ্রনাথের গাম্ভীর্যের ছদ্ম-মুখোশ ছিল না। মানুষের সঙ্গে মিশতেন, মানুষকে ভালোবাসতেন। কোনও বানানো দূরত্ব ছিল না। খুব সহজেই মিশে যেতেন। হাসিতে খুশিতে, আনন্দে মজায় ভরিয়ে তুলতেন। কবির সরস-সান্নিধ্যে চারপাশের মানুষজনও ভালো থাকতেন।

read more
পর্ব-১৩৪: বিশাল বপু নিয়ে দিনেন্দ্রনাথ ধপাস করে পড়েছিলেন রবীন্দ্রনাথের উপর

পর্ব-১৩৪: বিশাল বপু নিয়ে দিনেন্দ্রনাথ ধপাস করে পড়েছিলেন রবীন্দ্রনাথের উপর

শারীরিক ক্ষিপ্ততা হারালেও রবীন্দ্রনাথের মনের জোর ছিল অপরিসীম। দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন ‘বিসর্জন’-এ। অভিনয়ে দিনেন্দ্রনাথও কম পারদর্শী ছিলেন না। অভিনয়কালে রঘুপতি সাজা দিনেন্দ্রনাথের গলার রুদ্রাক্ষমালা ছিঁড়ে গিয়েছিল। দর্শকদের দিকে রুদ্রাক্ষগুলো ছুঁড়ে দেওয়ার পরও কারও মনে হয়নি, এভাবে সামাল নিলেন দিনেন্দ্রনাথ। এমনই সাবলীল ভাবে সে কাজ করেছিলেন যে, মনে হয়েছিল, সবই অভিনয়েরই অঙ্গ।

read more

অনন্ত এক পথ পরিক্রমা

পর্ব-৮১: শক্তি অক্ষয়, চির শাশ্বত

পর্ব-৮১: শক্তি অক্ষয়, চির শাশ্বত

মহাপুরুষের ধ্যান-ধারণা দ্বারা আমরা আধ্যাত্মিক ক্ষুধা বাড়াতে পারি। তাঁরা আজও বর্তমান, চৈতন্য ও শাশ্বত প্রকাশের দ্বারা। যাঁরা অপকট, আন্তরিক ভাবে তাদের চেতনার স্তরেকে উন্নীত করে সেই সব মহাপুরুষের ধ্যান ও ধারণা করার সমর্থ্য লাভ করে, তাঁরা তাঁদের উপস্থিতি অনুভব করতে পারবে।

read more
পর্ব-৮০: আধ্যাত্মিক জীবন গঠনের মূল কথা— সত্যের ধারণা ও পালন

পর্ব-৮০: আধ্যাত্মিক জীবন গঠনের মূল কথা— সত্যের ধারণা ও পালন

আধ্যাত্মিক জীবন গঠনের মূল বিষয় বা নিয়মগুলির যে কয়েকটি আমাদের সাধারণ জীবনযাপনকে নিয়ন্ত্রিত করে তার মধ্যে একটি হল—সত্যের ধারণা ও পালন। যা কিছুকেই মানুষ সত্য বলে গ্রহণ করে। তাই তার সমগ্র সত্তা, চিন্তারাশি, অনুভূতি এবং তার আকাঙ্ক্ষাকে আকর্ষণ করে।

read more
পর্ব-৭৯: নারদীয় ভক্তির স্বরূপ কামনাহীন প্রেম, শুধু নিজেকে উৎসর্গ করা

পর্ব-৭৯: নারদীয় ভক্তির স্বরূপ কামনাহীন প্রেম, শুধু নিজেকে উৎসর্গ করা

নারদীয় ভক্তির প্রকাশ হল ভক্তি প্রার্থনার মধ্যেই নিজেকে কৃত-কৃতার্থ অনুভব করা। ঈশ্বরীয় সুখে লীন হয়ে যাওয়া। এগোপিনীদের দুঃখ প্রকাশ না চির সুখের অনুভব!

read more
পর্ব-৭৮: ব্রহ্ম ও মায়া মূলত এক ও অভেদ

পর্ব-৭৮: ব্রহ্ম ও মায়া মূলত এক ও অভেদ

বেদের মায়া ও তন্ত্রের মহামায়া সমার্থক না হলেও ব্রহ্ম ও মহামায়া মূলত এক। ঈশ্বর ও প্রকৃতি শক্তি যেমন অভেদ। সৃষ্টির আদিতে ব্রহ্মই একমাত্র ছিল। শক্তিকে আশ্রয় করে সৃষ্টি শুরু হলে এই জীবজগৎ প্রকাশ করে তার মধ্যে চৈতন্য রূপে প্রকাশিত হতে থাকল। বেদ ও তন্ত্রের পার্থক্য এই যে, বেদ সিদ্ধান্ত শাস্ত্র আর তন্ত্র সাধন শাস্ত্র। বেদ প্রাচীন অপৌরুষেয় হলেও শক্তিপুজোর উল্লেখ রয়েছে।

read more
পর্ব-৭৭: নির্জনতা মনকে শান্ত করে

পর্ব-৭৭: নির্জনতা মনকে শান্ত করে

আধ্যাত্মিক জীবনে নির্জনতার প্রয়োজনীয়তা আছে। অনেকে নির্জন স্থানে গিয়ে হাঁপিয়ে যান একাকিত্বের জন্য। আবার কারও জন্য একাকিত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। জীবনে কখনও কখনও একাকিত্ব গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষকের কাজ করে।

read more

যত মত, তত পথ

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

বিবেকের কাছে

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

আলোকের ঝর্ণাধারায়

পর্ব-১০০: অসুস্থ শরীরেও ভক্তদের দীক্ষাদান শ্রীমার

পর্ব-১০০: অসুস্থ শরীরেও ভক্তদের দীক্ষাদান শ্রীমার

এত সব শান্তিপাঠ, স্বস্ত্যয়ন করা হলেও মা সারদার শারীরিক অবস্থার কোন উন্নতি হল না। তবে এই অসুস্থতার মধ্যেও পাহারায় নিযুক্ত সেবকদের বুঝতে না দিয়ে অথবা তাদের অনুরোধ না শুনে শ্রীমা ভক্ত-সন্তানদের মনস্কামনা পূর্ণ করেছেন। যেমন কাউকে তার ইষ্টদর্শন করিয়ে, কারওকে দীক্ষা দিয়ে, আবার কারও সেবা গ্রহণ করে ধন্য করেছেন। দুর্গেশ দাস চৈত্রমাসে তাঁর আত্মীয়া প্রিয়ংবদা মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে আসেন শ্রীমার কাছে। তখন সকলে নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি প্রিয়ংবদাকে মন্ত্রদান করেছিলেন।

read more
পর্ব-৯৯: সারদা মায়ের রোগ নিরাময়ের প্রচেষ্টা

পর্ব-৯৯: সারদা মায়ের রোগ নিরাময়ের প্রচেষ্টা

শরৎ মহারাজ মা সারদাকে রোগমুক্ত করার কোন চেষ্টারই ত্রুটি রাখলেন না। কিছুদিন কবিরাজ রাজেন্দ্রনাথ সেন চিকিৎসা করেন। সেই সময় কবিরাজ কালীভূষণ সেনও শ্রীমাকে দেখতেন। তারপর কবিরাজ শ্যামাদাসকে আবার ডাকা হয়। তাঁর ছাত্র কবিরাজ রামচন্দ্র মল্লিক রোজ এসে শ্রীমাকে দেখে যেতেন আর নিজের হাতে ওষুধ তৈরি করে দিতেন। শেষ দুদিন ডাঃ কাঞ্জিলাল হোমিওপ্যাথি ওষুধ দিলেন।

read more
পর্ব-৯৮: মা সারদার জন্মতিথিতে তাঁর অপূর্ব অমানবীয় রূপ ফুটে উঠল

পর্ব-৯৮: মা সারদার জন্মতিথিতে তাঁর অপূর্ব অমানবীয় রূপ ফুটে উঠল

১৩২৫ সালের চোদ্দোই শ্রাবণ ঠাকুরের অন্তরঙ্গ সহচর বাবুরাম মহারাজ পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। শ্রীমার জীবনে একটি বেদনার দিন। পূবর্বঙ্গে বেশ কয়েকবার ঠাকুরের ভাব প্রচার করতে গিয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রমে তাঁর শরীর ভেঙে যায়। তিনি কালাজ্বরে আক্রান্ত হন। এই ঘটনার দুদিন আগে বাবুরাম মহারাজের অন্যতম সেবক মহাদেবানন্দ শ্রীমার কাছে প্রার্থনা করেছিলেন, যাতে তিনি সেরে ওঠেন।

read more
পর্ব-৯৭: শ্রীমার কথায় ‘ঠাকুরের দয়া পেয়েচ বলেই এখানে এসেচ’

পর্ব-৯৭: শ্রীমার কথায় ‘ঠাকুরের দয়া পেয়েচ বলেই এখানে এসেচ’

ভক্ত আর ভগবানের মধ্যে চিরকাল লীলা চলে। তবে ‘নরলীলা নরবৎ’ হয়ে থাকে। তাই বয়সের ধর্মে মা সারদার ভগ্নপ্রায় মানবদেহ ক্রমে কাজের চাপে ভেঙে পড়তে লাগল। তাঁর জীবনকালের শেষ কিছু বছর যেমন তিনি গভীরভাবে নিজেকে কর্মে আবদ্ধ রেখেছিলেন, তেমনই সকলের প্রতি তাঁর অবিরাম করুণাধারা বর্ষিত হয়েছিল।

read more
পর্ব-৯৬: মা সারদার প্রথম মন্ত্রশিষ্যা ছিলেন দুর্গাপুরীদেবী

পর্ব-৯৬: মা সারদার প্রথম মন্ত্রশিষ্যা ছিলেন দুর্গাপুরীদেবী

ঠাকুরের মহিলা ভক্তদের মধ্যে প্রথম শিষ্যা ছিলেন যেমন গৌরীমা, তেমনই শ্রীমার প্রথম শিষ্যা হলেন দুর্গাপুরী। শ্রীমার কাছে বাল্যকাল থেকেই তাঁর অবাধ যাতায়াত। শ্রীমা স্বেচ্ছায় তাঁকে বাল্যবয়সেই দীক্ষা দেন। চোদ্দ পনেরো বছর বয়সেই একান্তভাবে তাঁর আগ্রহে তিনি দুর্গাদেবীকে সন্ন্যাসদীক্ষা দেন। দুর্গাদেবী ছিলেন গৌরীমার পালিত কন্যা। তিনি আবাল্য সন্ন্যাসিনী ছিলেন।

read more

নিবেদিতা নানা রূপে

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

গল্পের ঝুলি

দীপাবলির গল্প, থ্রেট /১

দীপাবলির গল্প, থ্রেট /১

আজকাল শিরদাঁড়া নিয়ে খুব আলোচনা চলছে। মাইতিবাবু নিশ্চিত তাঁর শিরদাঁড়া আর সোজা নেই। বাড়ি করা ছেলেমেয়ে মানুষ করা তাদের বিয়ে-থা এ সব সামলে সোজা শিরদাঁড়া বেঁকে গিয়েছে। এখন শোবার সময় পিঠের চালাটা একটু টিপে দেবার জন্য বৌকে সাধ্যসাধনা করতে হয়। তাই বোধহয় আজকাল সামান্য একটু ঝুঁকেও চলতে হয়।

read more
শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/৫

শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/৫

ঘরে সুবিনয় আর কবিতা। কারো মুখে কথা নেই। শুধু বারেবারে ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে চারটি চোখ। এতদিন মনে মনে দু’জন দু’জনাকে কত কথাই বলেছে। কত অভিমান… কত ভালোবাসা… কিন্তু এখন সামনাসামনি একটা কথাও সরছে না কারো মুখ থেকে। মন চাইছে আঁকড়ে ধরে এতদিনের সব যন্ত্রণাকে বাঁধভাঙা মুক্তি দিতে। কিন্তু পা দুটোকে কে যেন শক্ত করে মাটির সঙ্গে চেপে ধরে রেখেছে। কিছুতেই এগোতে পারছে না।

read more
শারদীয়ার গল্প: গৌরী এল দেখে যা লো /১

শারদীয়ার গল্প: গৌরী এল দেখে যা লো /১

পুজো মানে দুর্গাপুজো। মহিষাসুরমর্দিনী দুর্গতিহারিণীর অকালবোধন। আর পুজো পুজো ভাব মানে, পুজো আসার কিছুদিন আগে থেকে আকাশে বাতাসে একটা চোখে পড়ার মতো বদল আসা। হঠাত্ করে রোদ ঝলমলে আকাশ, আকাশের রঙে নীল নীল ভাব, বাতাসেও একটা ঝলমলে আনন্দ, কলকাতার আশেপাশেই কিংবা দূরে দূরে কাশফুল, এছাড়াও পাড়ার শিউলি ফুলের গাছটা হঠাৎ করেই শরতের চিঠি রেখে যেত।

read more
শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/৪

শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/৪

আজ আবার মনে পড়ে গেল প্রিয়ার সেসব কথা। বাবার ডায়রির ভিতরে ছবিটা পেয়েছিল বলেই না সিদ্ধার্থদের বাড়ি গিয়ে ওর মায়ের পুরনো ছবিটা দেখে চমকে উঠেছিল। সব পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল ওর চোখে। পরের দিন সিদ্ধার্থকে সব বলেছে। সিদ্ধার্থও আবাক হয়েছে। ওরা দু’জনেই চায় এই হারিয়ে যাওয়া মানুষ দু’জন আবার কাছে আসুক।

read more

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক

পর্ব-১৬৫ : কালাদেওর গুহায়

পর্ব-১৬৫ : কালাদেওর গুহায়

গুহাটি বেশ লম্বা, শেষ আর হয় না। হঠাৎ একজায়গায় এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল তারা তিনজনে। গুহাটি এতদূর এসে কে যেন দু’পাশ থেকে দু’হাতে চেপে গুহার যাতায়াতের পথ এতটাই সংকীর্ণ করে দিয়েছে যে, আরও এগোতে গেলে কোনভাবে দেওয়ালের দিকে মুখ করে এগোলে তবেই ওপাশে যাওয়া যাবে।

read more
পর্ব-১৬৪ : অতঃপর অভিযান

পর্ব-১৬৪ : অতঃপর অভিযান

আর্মির কর্নেল বললেন, “আপনার যুক্তি ঠিক মানছি, কিন্তু ধরুন অভিযান শুরু হওয়ার খব পাওয়ার পরে যদি তারা একইরকমভাবে প্রভাব খাটাতে চেষ্টা করে। পাবলিককে ক্ষেপিয়ে তুলে আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়, তখন? তখন কীভাবে তাদের সামাল দেবেন, সেই ব্যাপারটা নিশ্চয়ই আপনারা ভেবে রেখেছেন?”

read more
পর্ব-১৬৩ : রিমিতার ব্রেকিং-নিউজ

পর্ব-১৬৩ : রিমিতার ব্রেকিং-নিউজ

একেজি হাসলেন। শিশুসুলভ হাসি। বললেন, “হ্যাঁ হ্যাঁ, গতবার বলেছিলেন। আমারই খেয়াল থাকে না। মনে রাখার চেষ্টা করব এবার থেকে। এখন বসুন ইরাবতী।” ইরাবতী বসতে-বসতে বলল, “আর আপনি আজ্ঞেও ছাড়তে হবে স্যার। আপনার অন্যান্য অফিসারদের আপনি যেমন নাম ধরে ডাকেন এবং তুমি বলেন, আমাকেও তেমনই বলতে হবে। হতে পারে তাঁরা আপনার স্নেহের যোগ্য, কিন্তু আমিও সময় পেলে সেই যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত!”

read more
পর্ব-১৬২ : আঁধারে আলো

পর্ব-১৬২ : আঁধারে আলো

উল্লাস সেই সন্ধ্যার দিকে ফোন করেছিল। তার কিছু পরে মেসেজ। এখন ঘড়ির কাঁটায় তার সাড়ে তিনটে। ক্লান্তিতে ঘুম জাঁকিয়ে আসার কথা। কিন্তু ঘুমের কোনও তাড়নাই নেই তার মধ্যে। এই সময় উল্লাসকে ফোন করা অমানবিক হবে ভেবে শাক্য তাকে একটা মেসেজ করল, “খুব বিজি ছিলাম। কাল সকালে কথা বলবো” বলে। সে আশা করেছিল, কাল সকালে মেসেজ দেখে উল্লাস রিপ্লাই দিলে সে তাকে ফোন করে নেবে। নিশ্চয়ই কোন গুরুত্বপূর্ণ আপডেট আছে, না-হলে উল্লাস এতবার ফোন করত না। এই মুহূর্তে উল্লাস থাকলে ম্যাসাজ নেওয়া যেত। সারাদিনের হেকটিক শিডিউলসের পরে ম্যাসাজ জাস্ট চার্মিং রিফ্রেশমেন্ট। কিন্তু উপায় নেই। উল্লাস এখন আছে অনেক দূরে।

read more
পর্ব-১৬১ : গোবিন্দ সোরেন দ্য গ্রেট

পর্ব-১৬১ : গোবিন্দ সোরেন দ্য গ্রেট

সুদীপ্তর মনে পড়ে গেল, শাক্য স্যারের সঙ্গে যেদিন এসেছিল, একজন বৃদ্ধ কিন্তু সতর্ক এবং ক্ষিপ্র স্বভাবের একজন বয়স্ক মানুষ তাদের সত্যব্রতর কাছে নিয়ে গিয়েছিল। এ-কি সেই? তাহলে তার অ্যাসেসমেন্ট ঠিক ছিল। তবে লোকটি কেবল সতর্ক এবং ক্ষিপ্রই নয়, চতুরও বটে। এই ভাবে দু’জন ক্রিমিন্যালকে বন্দি করা চাট্টিখানি কথা নয়।

read more

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু!

পর্ব-১৩২: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৩

পর্ব-১৩২: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৩

শ্রেয়া বাইরে বের হলে সবসময় সঙ্গে পিস্তল রাখে। অস্ট্রিয়াতে তৈরি আধুনিক গ্লক-১৭ মেক ৯এমএম পিস্তল। তার শরীরের সঙ্গে হাতের আড়ালে লেগে থাকা কাঁধে লাগানো পিস্তল রাখার শোল্ডার হোলস্টার। শ্রেয়া ডানহাতি। তাই বামকাঁধের তলায় প্রায় আট ইঞ্চি লম্বা ফুল সাইজ লোডেড পিস্তল রাখা। প্রায় ৯০০ গ্রাম ওজন আর ডান কাঁধের নিচে দুটি লোডেড ম্যাগাজিন।

read more
পর্ব-১৩১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১২

পর্ব-১৩১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১২

সঠিক লাঞ্চের সময় শ্রেয়া ও ধৃতিমান কালার ফিউশন স্টুডিয়োতে পৌঁছল। জায়গাটা রুবি জেনারেল হাসপাতালের পাশে আরবানা কমপ্লেক্সের পিছনে। অফিসের জিপ। শ্রেয়া সামনে বসে ছিল। বাড়ির থেকে নিতে এলে অন্যান্য দিন শ্রেয়া পিছনের সিটেই বসে। স্বাভাবিক থাকে। আজ খুব চুপচাপ ছিল।

read more
পর্ব-১৩০: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১১

পর্ব-১৩০: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১১

যন্ত্রণার অতীত ধৃতিমানেরও আছে। বাবুর এই পোষ্যটি ছোট্টবেলার সঙ্গী। বুবু তাঁর আত্মার আত্মীয়। সেই রানাঘাটের বাড়ি থেকে তার সঙ্গে রয়েছে। তখন বাবা-মা সকলে ছিলেন। এখন কেউ বুবুর বয়েস জানতে চাইলে, ‘অত হিসেব করি না’ বলে এড়িয়ে যায়। আসলে তার ভয় হয়। বুবুকে হারিয়ে ফেলার ভয়। মাকে যেমন আচমকা হারিয়ে ফেলেছিল। মা যখন চলে গেলেন বাবু তখন ক্লাস নাইন। বাবু একা আর ভাই বোন নেই। কাছের বলতে ছিল বুবু।

read more
পর্ব-১২৯: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১০

পর্ব-১২৯: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১০

এখন অনেক রাত। একা একা যখন ঘুম আসে না। তখন সারাদিনে ঘটে যাওয়া অসংখ্য ঘটনা থেকে টুকরো টুকরো অংশগুলো মনের ব্ল্যাকবোর্ডে জিজ্ঞাসা চিহ্ন দিয়ে লেখা হতে থাকে। সে ভাবেই আজ হঠাৎ শ্রেয়ার ব্যাপারটা এলো! দ্রুত চলে এলো দৃশ্যগুলো। সিনেমাতে একে মন্তাজ বলে। পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কহীন কতকগুলো দৃশ্য জুড়ে অন্য একটা মানে তৈরি হয়। জাক্সটাপোজ অফ শটস!

read more
পর্ব-১২৮: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৯

পর্ব-১২৮: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৯

সৎ বা অসৎ নারকেল গাছ হয় না। আমরা মুখে বলি বটে সাপের মতো হিংস্র। কিন্তু সাপ তো ভয় পেয়ে কামড়ায়। নিজের কর্তৃত্ব ফলাতে পশুপাখিরা কোনও কাজ করে না। সত্যবাদী বা মিথ্যেবাদী ধানগাছ হয় না। মানুষের মন এইসব ভয়ংকর বিষে টইটুম্বুর। তাই তাদের বিচার করতে গিয়ে সরাসরি পাটিগণিত বীজগণিত বা জ্যামিতির সম্পাদ্য উপপাদ্যতে কাজ হয় না। ফিজিক্স কেমিস্ট্রি বায়োলজি আর সাইকোলজিকে পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার করতে হয়।

read more

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৮: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৮: আকাশ এখনও মেঘলা

দিয়া উত্তর না দিয়ে শুধু একবার তাকাল। দিয়ার মা ভাবছেন যেখানে তাঁকে কাজ করতে হবে, সেখানে তাঁর মেয়ের এতটা কাঠিন্য কি ঠিক। মায়ের হাতটা ধরে তাঁকে নিয়ে ঠান্ডাঘর থেকে বাইরের গরমে বেরিয়ে এল দিয়া! সেখানে অনেক মানুষের ভিড়! তারা বুকিং করাচ্ছেন। সেই ভিড় ঠেলে যেতে যেতে দিয়া ভাবার চেষ্টা করছে, সামনে বেরিয়ে বাঁদিকেনা ডানদিকে গেলে কাছাকাছি জেরক্সের দোকান পাওয়া যাবে।

read more
পর্ব-৬৭: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৭: আকাশ এখনও মেঘলা

দিয়া প্রথম দিন এসেছিল। বিশু পাল সেদিন ছিলেন না। গ্যাস কোম্পানিতে কোনও মিটিং ছিল। সেখানে গিয়েছিলেন । বাইরে যেখানে বসে মাকে কাজ করতে হবে, সেখানে বেশ গরম । দেওয়ালে লাগানো টেবিল ফ্যান ঘুরছে। এই টেবিল ফ্যানগুলো দেখলেই দিয়ার মনে হয় – টেনে টেনে না বলছে ফ্যানটা। না, না, না— কিন্তু কেউই তার কথা শুনছে না।

read more
পর্ব-৬৬: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৬: আকাশ এখনও মেঘলা

মায়েরটা অন্যরকম। একটা মানুষকে ঘিরে এত বছরের যৌথজীবনে একটা ছেদ। হঠাৎ যেন একটা ভয়ঙ্কর শূণ্যতা। দিয়া বোঝার চেষ্টা করেও যেন মায়ের একাকীত্ব বুঝতে পারে না। অপরের মনকে বোঝা খুব কঠিন। স্বামী-স্ত্রী-ছেলে-মেয়ে সকলেই হয়তো তাদের মতো চেষ্টা করে। কিন্তু বুঝতে পারে ? দিয়া তো চেষ্টা করেও পারে না।

read more
পর্ব-৬৫: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৫: আকাশ এখনও মেঘলা

মা ঠিক হয়ে গিয়েছিলেন। বলেছিলেন দিয়াই শবদাহের কাজ করবে। শববাহী গাড়িতে সামনের ড্রাইভারের সঙ্গে একজন আর পিছনে তিনজনের বসার জায়গা ছিল। দিয়া আর তার মা শান্তি পিছনে বসেছিল। সবটুকুই জীবনে প্রথমবার। মাকে নিয়ে এর আগে অ্যাম্বুল্যান্সে চেপে বাবাকে হাসপাতাল থেকে থেকে নিয়ে আসা বা আজ বাবার মৃতশরীর পিছনে নিয়ে এই শববাহী গাড়িতে শ্মশানে যাওয়া।

read more
পর্ব-৬৪: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৪: আকাশ এখনও মেঘলা

চিনিছাড়া চা! সেদিন বাবার ঘুম ভাঙছে না। দু’ চারবার স্বাভাবিকভাবে ডাকার পর দিয়া ভয় পেয়ে গেল। ডাকাডাকিতে মার ঘুম ভেঙে গেছে। আচমকা ঘুম থেকে উঠেই নিজের সব থেকে প্রিয় মানুষকে নিথর হয়ে থাকতে দেখে মায়ের কথা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ মুখ থেকে একটা গোঁগোঁ শব্দ করতে করতে মা গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে উঠেছিলেন।

read more

গা ছমছমে ভৌতিক উপন্যাস: মিস মোহিনীর মায়া

পর্ব-১৫: পুলিশ কিন্তু অন্য কিছু সন্দেহ করছে!

পর্ব-১৫: পুলিশ কিন্তু অন্য কিছু সন্দেহ করছে!

নেরুলে ওদের বাংলো বাড়ি। আগেই বলেছিল। কিচেনটা আলাদা। সেখানে আগুন লেগে ও মারা যায়। শ্বশুরবাড়ির ফ্যামিলি স্টেটমেন্ট দিয়েছে এক্সিডেন্ট। পুলিশ অন্য কিছু সন্দেহ করছে।

read more
পর্ব-১৪: বাদামি চোখ দুটোয় জ্বলন্ত আগুনের আভা

পর্ব-১৪: বাদামি চোখ দুটোয় জ্বলন্ত আগুনের আভা

আমার মাথা কাজ করছে না। এতদিন যাকে ভুলে ছিলাম। সর্বশক্তি দিয়ে মন থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম। সে যেন আচমকা সমস্ত অতীত সঙ্গে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল।

read more
পর্ব-১৩: বৃদ্ধার ঘন নীল চোখ দুটো যেন আমায় বিদ্ধ করল

পর্ব-১৩: বৃদ্ধার ঘন নীল চোখ দুটো যেন আমায় বিদ্ধ করল

ঘন নীল চোখ তাঁর। একটু ঘোলাটে। চশমা বিহীন। বিদেশের সিনেমাতে যেরকম বয়স্ক মানুষকে হঠাৎ দেখা যায় ঠিক তেমন। কোন বৃদ্ধার চোখ এরকম নীল হতে পারে আমি ভাবতেও পারি না।

read more
পর্ব-১২: ক’দিন ধরে আমি কেমন যেন মাংস পোড়ার গন্ধ পাচ্ছি

পর্ব-১২: ক’দিন ধরে আমি কেমন যেন মাংস পোড়ার গন্ধ পাচ্ছি

চোখ দুটো গোল গোল নীলচে। নাক আর ঠোঁটটা ছোট হয়ে গেল। এই অদ্ভুত চেহারা নিয়ে তিনি আমার দিকে স্থির চোখে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর ফিসফিস করে বললেন।

read more

দুই বাংলার উপন্যাস: বসুন্ধরা এবং…

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪২: অরুণাভ অন্তর্ধান

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪২: অরুণাভ অন্তর্ধান

আসলে আমরা যে সময় বড় হয়েছি, সেই সময় মানুষের সভ্যতা ভদ্রতা আচার-আচরণে চুইংগামের মত স্বার্থ লেগে থাকত না। আমরা যখন বুড়ো হলাম দেখলাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আচার-আচরণ স্বার্থের তেলে চুপচুপ করছে তার গায়ে সভ্যতা ভদ্রতার গঙ্গাজলের ছিটেফোঁটা ছুঁতেই পারছে না।

read more
বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪১: ছবি

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪১: ছবি

ছবিটা দেখে বাবলি প্রথমে থতিয়ে গিয়েছিল। এতটা সাবধানতা নেবার পরেও এরকম কোনও ছবি উঠবে সেটা সে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। আর তার এই থতিয়ে যাওয়াতেই প্রণয় বাবলির সঙ্গে অরুণাভর সম্পর্কের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে গেল।

read more
বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪০: ছোবল

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪০: ছোবল

মদের আধিক্য আমাদের শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে খুব ধীরে ধীরে অকেজো করে দেয়। ব্রেনসেল শুকিয়ে দেয়। মস্তিষ্কের সেরাটোনিন লেভেল কমিয়ে দেয়। এর ফলে যে ডিপ্রেশন ভুলতে মানুষ মদ খায় মদ সেই ডিপ্রেশনকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

read more
বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৯: বিজয়া দশমী

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৯: বিজয়া দশমী

এ বার বসুন্ধরা আর স্বর্ণময়ীর ছবি রেখে পুজোর আয়োজন হল। খাওয়াদাওয়া হল। নিয়মমেনে পুজো হল। ইভেন ম্যানেজমেন্ট এর লোকজন ছুটোছুটি করে ভিড় সামলালেন। তবে এ বছরের জলসাতে তেমন কোন আকর্ষণ ছিল না। এমনিভাবেই পুজোর চারটে দিন কেটে গিয়ে বিজয়া দশমী এল। বরণ হল, সিঁদুরখেলা হল।

read more
বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৮: ক্ষত

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৮: ক্ষত

বাবলি একটা অদ্ভুত দোটানায় ভুগছে। ছোটবেলায় মোটর দূর্ঘটনায় বাবার ভয়ঙ্কর মৃত্যু চোখের সামনে দেখেছে। দেখেছে জ্ঞান হারানোর ঠিক আগের মুহুর্ত পর্যন্ত অনেক চিকিৎসার পর সেই মানসিক ঝড় কাটিয়ে আবার পড়াশোনায় ফিরেছিল বটে কিন্তু দুঃস্বপ্নের দগদগে ক্ষত থেকে গিয়ে মনের গভীরে।

read more

দেওয়াল পারের দেশ

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

 

 

Skip to content