জনক-জননী কিংবা পালক-পালিকা মাতা পিতার বিশেষ ও স্বতন্ত্র উল্লেখ অবশিষ্ট কাহিনিতে না থাকলেও দাস দশভেয়েদের আত্মপরিচয়ে “দাস” বা সেবকের অভিজ্ঞানটুকু অলক্ষ্য নয়। কেবল অন্ধকবিষ্ণুদাসের নামাংশের তাত্পর্যে থেমে না থেকে সামাজিক অভিঘাতে এর বিস্তারটি বিবেচনা করলে তাঁদের এই অভ্যুদয়ের নেপথ্যে স্বাভিমানের প্রেক্ষাপটটিও অলক্ষিত থাকে না। তবে এ কি সেই “পরিচয়ের” বিপ্রতীপে এক সগর্ব উদ্ঘোষণা? কী ঘটবে দ্বারাবতী নগরে? দেখা যাবে, পরবর্তী পর্বে।






















