অভিনেতা নানা পটেকর প্রয়াত। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি হঠাৎ সংজ্ঞা হারান। দ্রুত তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি।
অভিনেতা নানা পটেকর প্রয়াত। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি হঠাৎ সংজ্ঞা হারান। দ্রুত তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি।
কুমিল্লাতেই কুমার শচীন দেববর্মণের বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা। কিন্তু আগরতলার সঙ্গে ছিল নিবিড় সম্পর্ক। মাঝে মাঝে তিনি আগরতলায় আসতেন। রাজ্যেশ্বর মিত্র এক লেখায় জানিয়েছেন যে, তিনি শচীনকর্তাকে আগরতলাতে সাধারণের ব্যবহৃত পথেঘাটে হেঁটে বেড়াতে দেখেছেন। রাস্তার লোকজন কর্তার জন্য সসম্ভ্রমে সরে দাঁড়ালেও তিনি কিন্তু কারও দিকে অবহেলার দৃষ্টিতে তাকাননি। আগরতলায় ফুটবল মাঠে রেফারিও থাকতেন তিনি। সঙ্গীত চর্চায় বিরতি ছিলনা এখানেও। রাজপরিবারের কারো কারও বাড়িতে সাহেব আলী নামে এক জন লোকশিল্পী গান শোনাতে আসতেন।
সড়ক ধরে হেঁটে যাচ্ছেন কে? উজ্জ্বল গাত্রবর্ণ। চেহারায় রাজকীয় গাম্ভীর্য। রাজপথে এ কার দৃপ্ত পদচারণা? কে তিনি? দিন কয়েক আগে কুমিল্লা থেকে আগরতলার বাড়িতে এসেছেন তিনি। হ্যাঁ, তিনি রাজপুরুষ। কর্তা। শচীন কর্তা। পরবর্তীকালে তিনিই হয়ে উঠেছিলেন দেশখ্যাত এসডি বর্মণ। তর তর করে একের পর এক অধ্যায় পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম—এটি কি কোনও আখ্যান মঞ্জরী, না কোনও এক চেনা ছন্দের কাব্য সংকলন, বলা মুশকিল। তবে নির্দিধায় এটা বলা যায়, এ এক অনন্য এবং বাংলা সাহিত্যের এক সমৃদ্ধ আখ্যান বা উপাখ্যান পর্ব বলা যেতেই পারে।
প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। যাঁর অভিনয় একসময় বাংলা ছবির পর্দায় তৈরি করেছিল নিজস্ব এক ঘরানা। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের জীবনের শেষ অধ্যায় কাটল লোকচক্ষুর আড়ালে। শেষমেশ ক্যান্সারে সঙ্গে লড়াই থামল অভিনেত্রীর জীবন। রবিবার রাতে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ‘কলকাতার রেখা’।
একশো বছরে অনেক খ্যাতকীর্তি মানুষ-ই বিস্মৃত হন। আলোকবৃত্তে থাকা হয়ে ওঠে না অনেকের। উত্তমকুমার কী ছিলেন, কী ছিলেন না তা ফিল্মের আলোচকরা বলবেন। তবে তিনি নিজেই যেন এক আলোকবৃত্ত ছিলেন, হয়ে আছেন এ নিয়ে খুব বেশি মতভেদ হয়তো থাকবে না। সিনেমার ফ্রেমে তিনি এলেই সেই আলো জ্বলে ওঠে। তাই তিনি ভাস্বর হয়ে আছেন। তাঁর জীবন, তাঁর নায়কসত্তা, তাঁর আসা কিংবা যাওয়ার অধ্যায়গুলি তো সিরিয়াস বিদগ্ধ নানা আলোচনায় উঠে আসে।
উত্তম কুমার সারা জীবনে যতগুলো ছবিতে নিজেকে স্বমহিমায় প্রকাশ করেছেন প্রত্যেকটি ছবিরই চরিত্র কোনও না কোনও ভাবে আর পাঁচটার থেকে আলাদা হয়ে উঠেছে। আমাদের অনুসন্ধান চলবে ছবির চরিত্র কেন্দ্রিক উত্তরণ অবতরণ এই মাপকাঠিতে। আমরা তার সমগ্র অভিনয় জীবন যদি ভালোভাবে বিচার করি সেখানে দেখব একই পেশা গত ভাবে মিল আছে এরকম ছবির সংখ্যা বেশ ভালো রকমই। তাছাড়া উত্তম কেন্দ্রিক ছবিগুলোর তুল্যমূল্য বিচারের ক্ষমতা শুধুই তর্কের বিষয়। তর্কশাস্ত্রের মানচিত্রকে হিমঘরে পাঠিয়ে শুধু বৌদ্ধিক উৎকর্ষকে মায় মনের একরাশ মন্দলাগা-কে তালাচাবি দিয়ে ভালোলাগায় খানিকটা ঝালিয়ে নেবার জন্য আমরা বাছাই করেছি শতবর্ষে শত ছবি।
‘দেয়া নেয়া’কে যদি আজকের চলচ্চিত্রের মানদণ্ডে বিচার করা হয়, তাহলে এর কাহিনির সরলতা, প্রেমের দ্রুত বিকাশ এবং পরিচয়-বিভ্রান্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কিছুটা পুরনো বলে মনে হতে পারে। কিন্তু একটি চলচ্চিত্রের মূল্যায়ন কেবল আধুনিক বাস্তবতার মানদণ্ডে করা উচিত নয়। তার সময়, সমাজ, চলচ্চিত্রভাষা এবং দর্শকের রুচির কথাও বিবেচনা করতে হয়।
ছবিটির মূল চালিকা শক্তি, সুসংহত এবং পরিমিত চিত্রনাট্য। গল্পের প্রতিটি ঘটনা, চরিত্রের বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত। কোথাও অপ্রয়োজনীয় দৃশ্য নেই। সংলাপগুলি সাহিত্যগুণসম্পন্ন হলেও অত্যন্ত সহজবোধ্য। অনেক সংলাপেই জীবনের গভীর দর্শন প্রকাশ পেয়েছে।
ভ্রান্তিবিলা ছবির সামাজিক তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘ভ্রান্তিবিলাস’ শুধুমাত্র একটি কমেডি চলচ্চিত্র নয়; এর মধ্যে গভীর সামাজিক তাৎপর্য রয়েছে। চলচ্চিত্রটি আমাদের শেখায় বাহ্যিক চেহারা দেখে মানুষকে বিচার করা উচিত নয়। ভুল বোঝাবুঝি অনেক বড় সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। পারিবারিক সম্পর্ক বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত-সত্য একদিন প্রকাশিত হবেই।
‘উত্তরায়ণ’ নামটির মধ্যেই একটি প্রতীকী অর্থ নিহিত রয়েছে। ভারতীয় সংস্কৃতিতে ‘উত্তরায়ণ’ মানে সূর্যের উত্তরগমন, যা নতুন আলোর, নতুন আশার এবং আত্মোন্নয়নের প্রতীক। ‘অগ্রদূত’ পরিচালিত এ ছবিতেও এই ভাবনাটি বিভিন্ন চরিত্রের জীবনসংগ্রাম ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে।
১৯৪৫ সালে চিয়ারিনির ছাত্র রসালিনি তৈরি করেন ‘রোম, ওপেন সিটি’ নামে তাঁর প্রথম বিখ্যাত ছবি। এই ছবি নিওরিয়ালিসমে মূল জোয়ার আনে ইতালিয়ান ছবির জগতে।
ছবির শুরুতে সে চুরি করা গাড়ি চালাতে চালাতে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে দর্শকের সঙ্গে কথা বলে। মানে গোদার প্রথমেই সচেতনভাবে চলচ্চিত্রের চিরায়ত প্রথা যা ক্যামেরার অস্তিত্বকে অস্বীকার করা শেখায় তাকে ভেঙে ফেলেন।
খুনের দৃশ্য ৪৫ সেকেন্ডের। কিন্তু এই ৪৫ সেকেন্ডের ফুটেজের জন্যে শুটিং চলে টানা এক সপ্তাহ এবং কাজে লাগানো হয় ৭০টি ক্যামেরা। ম্যারিয়ানের হাত, কাঁধ ও মাথার সঙ্গে জোড়া হয় অন্য এক সদৃশ ব্যক্তির দেহ।
হিচকক স্বীকার করেন, একটি জরুরি উপদেশ মারনো ও তাঁর বেবেলসবার্গের সহকর্মীদের থেকে উনি পেয়েছেন, তা হল ছবির মূল মাধ্যম দৃশ্য, কথা নয়। শব্দের আধিক্য ছবিকে দুর্বল করে।
মারনোর নসফেরাতু জন্ম দেয় দুটি ভিন্ন সিনেমাটিক ভ্যামপায়ার প্রথার। একটিতে ভ্যামপায়ার কুৎসিত ও ঘৃণ্য। আরেকটিতে সে ভয়াবহ কিন্তু আকর্ষণীয়।
কলকাতা হাই কোর্ট গত বছরের জয়েন্ট এন্ট্রান্স (মেডিক্যাল-স্নাতকোত্তর) পরীক্ষায় অন্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি)-র পরীক্ষার্থীদের নতুন প্যানেল তৈরি করার নির্দেশ দিল। অভিযোগ ২০২৪ সালে জয়েন্ট এন্ট্রা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের একাংশ কাউন্সেলিংয়ের সুযোগ পাননি। শেষমেশ এ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা গড়ায়। বুধবার এই মামলাটি ওঠে বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে।
‘১৯৪২ এ লাভ স্টরি’র কাজ তো সম্পন্ন হল। এ যেন নতুন করে তাঁর জীবনের একটি টার্নিং পয়েন্ট। তাঁর সতীর্থদের এবং ঘনিষ্ঠ মহলের উচ্ছসিত প্রশংসা অর্জন করলেন তো বটেই। নিজেও কোথাও যেন নিজেকে প্রশংসিত করার কারণ খুঁজে পেলেন। বেশ বুঝতে পারলেন যে দ্বিতীয় ইনিংস আরম্ভ হয়ে গিয়েছে। সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পরার পালা এ বার। ‘উপেক্ষিত’ পঞ্চম এ বার যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। তবু স্বাস্থ্য খুব একটি ভালো যাচ্ছিল না। কিছু বছর আগে, অর্থাৎ ১৯৮৯ সালের শেষ দিকে সুদূর লন্ডনে পাড়ি দিতে হয়েছিল বাইপাস সার্জারির জন্য। অপারেশন...
কুমার শানু রেকর্ডিং স্টুডিয়োতে পৌঁছে গিয়েছেন। সেখানে উপস্থিত পঞ্চম এবং তাঁর সতীর্থরা। শানুর কথায়, সেদিন নিজের আবরণ সম্পর্কে খুব একটি যত্নবান হয়ে রেকর্ডিং করতে যাননি। গাল ভর্তি দাঁড়ি। মাথার চুল উস্কোখুস্কো। পোশাকও খুবই নৈমিত্তিক। পঞ্চম লক্ষ্য করেন সেটি। শানুকে আরডি বলেন, সেদিন রেকর্ডিং হবে না।
হঠাৎ একদিন বিধু বিনোদ চোপড়া দেখা করতে এলেন পঞ্চমের সঙ্গে। পরিচারক পঞ্চমের অনুমতি নিয়ে তাঁকে নিয়ে গেলেন মিউজিক রুমে। পঞ্চম এর দু’চোখে তখন কিছুটা বিস্ময়, আর বাকিটা জিজ্ঞাসা। কেন এসেছেন বিধু? এটি কি নিছকই সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ? নাকি তিনি অন্য কোনও বার্তা নিয়ে এসেছেন?
‘জয় শিবশঙ্কর’ ছবির আনন্দ বকশির লেখা ‘তু অন্দর ক্যায়সে আয়া চোর দরওয়াজে সে’ গানটি শুনেছেন কখনও? একবার শুনে দেখতে পারেন। অসাধারণ অ্যারেঞ্জমেন্ট! এ যেন ঠিক সেই পুরোনো দিনের পঞ্চম।
সোনার কেল্লা ছায়াছবিতে দেখা যাচ্ছে, মুকুলের পাড়ায় আরেকটি মুকুল নামের ছেলে ছিল। আসল মুকুলকে ধরতে গিয়ে নকল হাজরা নকল মুকুলকে ধরে নিয়ে যায়। পরে ভুল বুঝে ছেড়েও দেয়। তো ফেলু তদন্তের জন্য এই দ্বিতীয় মুকুলের বাড়ি গিয়েছে, কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করে নেবে। দেখা যায়, বিপদেও সাহস হারিয়ে না ফেলা সেই বাচ্ছাটির জন্য ফেলু এনেছে খেলনা পিস্তল। বলে দেয়, গুলি ভরা আছে। ছেলেটির ঠাকুরদা নাতিকে আশ্বস্ত করে জানান, এঁরা খুব ভাল লোক।
আয়না আর ঝাড়বাতি-মোড়া জলসাঘরের ভাঙা হাট ফুরিয়ে যাওয়া বেলায় খেলা ভাঙার খেলার স্বপ্ন দেখে। সে-ও ফুরোয় অচিরেই, রাতশেষের সুখস্বপ্নের মতোই।
“কাল অতি বিচিত্র বস্তু। কথায় বলে আজ আছি, কাল নেই। আমি বলি, কাল আছি আজ নেই। কাল অর্থাৎ সময়, টাইম। কাল আছে, কিন্তু বর্তমান? বর্তমান বলে কিছু নেই। কী করে থাকবে? অ্যাঁ! কী করে থাকবে! যা ভবিষ্যৎ, যা ভবিতব্য, তা যখন ঘটল সে তো আর ঘটে এক জায়গায় থেমে রইল না, যে তাকে বর্তমানের লেবেল দিয়ে পায়ে শেকল এঁটে ধরে রেখে দেবে, আর ধরে দিয়ে বলবে এই দেখো, এই হল বর্তমান। কথা যেই ফুরিয়ে গেল অমনি তা হয়ে গেল ঘটেছে, বা ঘটে গেছে, বা ঘটেছিল। অর্থাৎ অতীত, ভূত… ভূত… ভূত…” এরপর বিরিঞ্চিবাবা বুদ্ধ, আইনস্টাইন, প্লেটো প্রমুখের সঙ্গে গভীর...
ফেলুদা আদতে একজন চিন্তাশীল মানুষ। বাঙালির চিন্তাশীলতার অভিজ্ঞানটি নিয়েই তার পথ চলা। তার চোখের মধ্যে সেই বুদ্ধিদীপ্ত মননের স্বাক্ষর থেকে যায়। পরিচ্ছদে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেল, চলনে বলনে “স্মার্ট” বাঙালি এলিট সে। তার মন, বুদ্ধি, মননের আত্মপরিচয় বিধৃত আছে মস্তিষ্কে, তার চিন্তা, চেতনা, চৈতন্য আসন পেতে বসে মাথার সেই ড্রয়িংরুমে।
ফেলুদা ও ব্যোমকেশ দুজনেই পর্দায় বিশিষ্ট দুটি কালের, সমকালের প্রতিনিধি। ‘চিড়িয়াখানা’ ছবির মুক্তিকাল ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ। ‘সোনার কেল্লা’ মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে, ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’ ১৯৭৯ সালে। সত্যজিতের দুই সত্যসন্ধানীর ডিটেকশনে ছয়ের দশকের শেষলগ্ন থেকে সাতের দশকের শেষের ভারতবর্ষ ও কলকাতার সময় ও সংকট জেগে থাকে। ফেলুর মতো পর্দার ব্যোমকেশ-ও অকৃতদার, কিন্তু নারীসঙ্গবর্জিত হলেও প্রেমিকের অন্তঃকরণ, মনস্তত্ত্বের গভীরলোকে তাঁর অনায়াস যাতায়াত।
গিরিশচন্দ্র ঘোষ আবার ফিরলেন স্টার থিয়েটারে। তখন তিনি একটি নাটক মঞ্চস্থ করলেন ‘মহাপূজা’। সে সম্পর্কে জানাচ্ছেন অভিনেতা-অধ্যাপক ড. শঙ্কর ঘোষ।
মলিয়ারের নাটকের বঙ্গানুবাদ করে গিরিশচন্দ্র ঘোষ মিনার্ভা থিয়েটারে যা মঞ্চস্থ করলেন তার নাম দিলেন ‘য্যায়সা কা ত্যায়সা’। এই সম্পর্কে জানাচ্ছেন, অধ্যাপক-অভিনেতা ড. শঙ্কর ঘোষ।
‘ক্লাসিক থিয়েটার’ এ গিরিশচন্দ্র আবার ফিরে এলেন ‘মিনার্ভা’র থিয়েটারকে পিছনে ফেলে রেখে। সেই ইতিহাসকে তুলে ধরেছেন প্রখ্যাত অভিনেতা অধ্যাপক ড. শঙ্কর ঘোষ।
সামনেই জন্মাষ্টমী। সেই জন্মাষ্টমী নিয়ে গিরিশচন্দ্র ঘোষ একটি নাটক লিখেছিলেন ‘নন্দদুলাল’। সেই নাটক সম্পর্কে জানাচ্ছেন বিশিষ্ট অভিনেতা-অধ্যাপক ড. শঙ্কর ঘোষ।
নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ যে গীতিনাট্য লিখেছিলেন, তারই পরিচয় তুলে ধরেছেন বিশিষ্ট অধ্যাপক-অভিনেতা ড. শঙ্কর ঘোষ।
আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।