মা দুগ্গার সঙ্গে কার্ত্তিক ঠাকুরের মতোই মর্ত্যধামে আসেন গণেশ-ও। বিশ্বকর্মার সঙ্গে কার্ত্তিকের নানা সাদৃশ্য যেমন দৃ্শ্যমান, তেমন-ই গণেশের সঙ্গে শত কিংবা সহস্র যোজনেও খুঁজে পাওয়া কঠিন। একজন সুঠাম যুবাপুরুষ। অন্যজন স্থূল নরশরীরে হস্তিমুণ্ড ধারণ করে আছেন। তবে দু’জনের-ই চারটি হাত। আরেকটি বিষয়ও দৃষ্টি এড়িয়ে যাবে না হয়তো। বিশ্বকর্মার বাহন হাতি। সেই হাতির মস্তকটিই স্কন্ধে নিয়ে গণেশ প্রসিদ্ধ ও সর্বাগ্রে বন্দিত হয়েছেন। সভ্যতার তরণীকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একজন যদি কষে হাল ধরেন তো অন্যজন পাল তুলে ধরেছেন সেই ঝঞ্ঝাকুটিল সাগরযাত্রায়।






















