মহাকাব্যের কথকতা

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭০: রাবণ কে? রামায়ণের রাবণ কী আজও নেই?

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭০: রাবণ কে? রামায়ণের রাবণ কী আজও নেই?

দুর্বলচিত্ত মানুষের প্রশ্রয়ে রাবণ যখন মাথা চাড়া দেয় তখন শুরু হয় সীতাহরণের প্রস্তুতি, সেই সঙ্গে হয় লঙ্কাকাণ্ডের সূচনা। এর ফল সকলেরই জানা। শুভশক্তির উত্থান প্রতিহত করে অমানবিক অশুভ রাবণকে, যুগে যুগে, কালে কালে…। লিখেছেন পাঞ্চালী মুখোপাধ্যায়।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৯: যুধিষ্ঠির-আয়োজিত রাজসূয়যজ্ঞের মহাসম্মেলন ও চেদিরাজ শিশুপালের ভূমিকা

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৯: যুধিষ্ঠির-আয়োজিত রাজসূয়যজ্ঞের মহাসম্মেলন ও চেদিরাজ শিশুপালের ভূমিকা

যুধিষ্ঠিরের সমালোচনায় আত্মীয় অনাত্মীয় নির্বিশেষে অসম্মানিত তালিকাভুক্তরা অদূরভবিষ্যতে তাঁদের বিরুদ্ধে অস্ত্রে শান দিচ্ছে না—এ কথা কি নিশ্চিতভাবে বলা যায়? বোধ হয় না। একটি ঘটনার বিরোধিতার সূত্র ধরে যে জটিলতা ও কুৎসার পাঁক উঠে আসে, কথার মারপ্যাঁচে জড়িয়ে যায় অনেক সদুদ্দেশ্যের মহান আদর্শ, বেরিয়ে আসে মানুষের প্রকৃত স্বরূপ, যুধিষ্ঠিরের রাজসূয়যজ্ঞে চেদিরাজ শিশুপালের বিরোধিতা তার প্রমাণ।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৮: রামায়ণে পরস্ত্রীহরণের সিদ্ধান্তে বীরত্বের প্রকাশ নেই, আছে অনেক মৃত্যুর আবাহনবার্তা

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৮: রামায়ণে পরস্ত্রীহরণের সিদ্ধান্তে বীরত্বের প্রকাশ নেই, আছে অনেক মৃত্যুর আবাহনবার্তা

রাক্ষসশ্রেষ্ঠর কথা শুনে মারীচ বলল, মিত্ররূপে কোনও শত্রু রাবণকে সীতার কথা বলেছে? এমন কে আছে যাকে রাক্ষসশ্রেষ্ঠ আনন্দ দিয়েছেন, অথচ সে আদৌ সন্তুষ্ট নয়। সন্দিগ্ধ মারীচ স্পষ্টভাষায় তার উদ্বেগের কারণ জানিয়ে বলল, ‘সীতাকে এখানে নিয়ে এস’ — এ কথা কে বলেছে? আমাকে বলুন। কে রাক্ষসজগতের শৃঙ্গ উচ্ছেদ করতে ইচ্ছুক?

read more
পর্ব-১৬৭: রাজসূয়যজ্ঞ কী শুধু একচ্ছত্র ক্ষমতার প্রদর্শনী? না স্বতঃস্ফূর্ত গণসমর্থনলাভের উদ্যোগ?

পর্ব-১৬৭: রাজসূয়যজ্ঞ কী শুধু একচ্ছত্র ক্ষমতার প্রদর্শনী? না স্বতঃস্ফূর্ত গণসমর্থনলাভের উদ্যোগ?

রাজসূয় মহাযজ্ঞ যুধিষ্ঠিরের আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রদর্শনী, কিন্তু তার মধ্যে নেই অযথা ক্ষমতার ঔদ্ধত্যপ্রকাশ, নেই নির্লজ্জ দম্ভের অবকাশ, আছে শুধু বিনয়াবত হৃদয়ের স্বতঃস্ফূর্ত ঔদার্যের মহত্ব। সুশাসনের বীজ প্রোথিত হয় মহান হৃদয়ের বিস্তৃত ভূমিতে, উদারতার পলিমাটিতে তার বৃদ্ধি, পরিপূর্ণতা আসে গুণীজনের মন্ত্রণা ও পরামর্শের জলসিঞ্চনে এবং জীবনাভিজ্ঞতার আলোকে। যুধিষ্ঠিরের আয়োজিত রাজসূয় মহাযজ্ঞের আলোকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় এমন পরিপূর্ণতা আশা করা যেতে পারে কী?

read more
পর্ব-১৬৬: রাক্ষস খরের নিধনের নিরিখে রামচন্দ্রের মূল্যায়ন

পর্ব-১৬৬: রাক্ষস খরের নিধনের নিরিখে রামচন্দ্রের মূল্যায়ন

স্বামীর কৃতিত্বে স্ত্রী সীতা আনন্দে আত্মহারা হয়েছেন। এই প্রতিক্রিয়া অরণ্যবাসী মুনি, ঋষি সকলের আনন্দ। নিশ্চিন্ত উপদ্রবমুক্ত শান্ত জীবনের কামনা — গৃহী, সর্বত্যাগী তপস্বী, সকলের। শত অশুভশক্তির প্রভাবে দ্রুত আচ্ছন্ন এই দুনিয়ায় শুভবোধে প্রাণিত ভারতাত্মা চিরকাল ধরে সমাহিত শান্ত নিভৃত পরিবেশ প্রার্থনা করে এসেছে, মনে মনে কামনা করেছেন রামের মতো কোন আদর্শ পুরুষের উপস্থিতির, এখন পর্যন্ত, আজও।

read more
পর্ব-১৬৫: রাজসূয় যজ্ঞে কৃষ্ণের ভূমিকা, যে কোনও কাজে সাফল্যের অনুপ্রেরণা হতে পারে কী?

পর্ব-১৬৫: রাজসূয় যজ্ঞে কৃষ্ণের ভূমিকা, যে কোনও কাজে সাফল্যের অনুপ্রেরণা হতে পারে কী?

রাজা যুধিষ্ঠিরের রাজসূয়যজ্ঞানুষ্ঠান সম্পন্ন করে একচ্ছত্র সাম্রাজ্যের আধিপত্যলাভ প্রয়োজন। যুধিষ্ঠিরের সহযোদ্ধা তাঁর অন্য চার ভাই — ভীমসেন, অর্জুন, নকুল ও সহদেব। চারদিকে চারজন দিগ্বিজয়ের লক্ষ্যে বেড়িয়ে পড়লেন। কনিষ্ঠ নকুলের দায়িত্ব পশ্চিমদিকের রাজাদের আনুগত্য-আদায়। বুদ্ধিমান নকুল তাঁর বিশাল সৈন্যদল নিয়ে পশ্চিমদিকে যাত্রা করলেন। সিংহনাদে গর্জন করতে লাগল তাঁর যোদ্ধারা। রথচক্রের শব্দে কাঁপতে লাগল পৃথিবী। নকুল রোহীতকপর্বতে উপস্থিত হলেন।

read more
পর্ব-১৬৪: ভাবি প্রশাসক রামের  প্রশিক্ষণের সূচনা—রাক্ষস খরের সঙ্গে সংঘাত

পর্ব-১৬৪: ভাবি প্রশাসক রামের প্রশিক্ষণের সূচনা—রাক্ষস খরের সঙ্গে সংঘাত

রামের জীবনে এমন অনেক ঘটনা হয়তো কোনও মহৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনাগুলো তাঁকে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এবং ব্যক্তিগত জীবনে পরিণত ও অভিজ্ঞ করে গড়ে তুলেছে। দ্বন্দ্ববিক্ষুব্ধজীবনে শুধু ঝঞ্ঝার অভিঘাত সত্য নয়,তাদের মুখোমুখি হয়ে, জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে নিজেকে বিনির্মাণ সমান গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ প্রশাসকের এমন এক প্রশিক্ষণের সময়—এক একটি বাধা পার হয়ে সাফল্যের লক্ষ্যে পৌঁছানোর কাল। প্রশাসক রামের জীবনে রাক্ষসদের সঙ্গে সংঘাতের সূচনা ও তাঁর একক লড়াইয়ে সেই শিক্ষাই সূচিত হয়েছে।

read more
পর্ব-১৬৩: রাজসূয় মহাযজ্ঞের প্রস্তুতিপর্বে পাণ্ডবদের দিগ্বিজয় যেন রাজনীতির আনুগত্য-আদায়ের পাঠ

পর্ব-১৬৩: রাজসূয় মহাযজ্ঞের প্রস্তুতিপর্বে পাণ্ডবদের দিগ্বিজয় যেন রাজনীতির আনুগত্য-আদায়ের পাঠ

মহাভারতীয় ভৌগোলিক মানচিত্রে আধুনিক ভারতের প্রদেশগুলির নামোল্লেখ,তাদের প্রাচীনতা চিহ্নিত করে। যুধিষ্ঠিরের রাজসূয়মহাযজ্ঞ এক অখণ্ড উপমহাদেশের ঐক্যসূত্রটি ধরে রেখেছে। সকলে এক বৃহৎ রাষ্ট্রের আনুগত্য স্বীকার করেও প্রত্যেকেই স্বাধীন এবং নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। “বিবিধের মাঝে ওই মিলন মহান” যেন সত্যি হয়েছে। সহদেব শুধু সৈন্যবলের ওপরে নির্ভর করে যুদ্ধজয়ে উদ্যোগী হননি। তিনি একাধারে, বলপ্রয়োগ, সন্ধি ও কূটকৌশলের সাহায্য নিয়েছেন।

read more
পর্ব-১৬২: যুদ্ধের নৃশংসতা নয়, জনমানসে ঠাঁই পায় শুধু যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য

পর্ব-১৬২: যুদ্ধের নৃশংসতা নয়, জনমানসে ঠাঁই পায় শুধু যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য

ভারতবাসী তাঁর রাক্ষসবধকে মনে রেখেছে, অশুভর বিরুদ্ধে শুভশক্তির জয়রূপে। তাঁরা যুদ্ধের নৃশংসতা মনে রাখেননি, রঘুপতি রাঘবের রাজকীয় করুণাঘন ভাবমূর্তি মনে রেখেছেন। তাঁদের স্মৃতিতে ঠাঁই পেয়েছেন অনুগত ভাই লক্ষ্মণ। চরম পিতৃতান্ত্রিক ভারতবর্ষ শ্রদ্ধার স্মরণে, নত হয় রামের পরিত্যক্তা স্ত্রী সীতার সামনেও। সাধারণ মানুষ গার্হস্থ্যপরিমণ্ডলের গণ্ডীতে চিরপরিচিত জনদের মনে রাখে শ্রদ্ধার ভালবাসায়, স্নেহাকুলতাময় সম্পর্কের নিরিখে। তাঁরা নৃশংসতা, নিষ্ঠুরতা ভুলে ভালটাই মনে রাখে, মন্দগুলো নয়। এটাই বোধ হয় চিরকালীন জীবনরস, যা জারিত রাখে ভারতীয় জীবন।

read more
পর্ব-১৬১: আধুনিক ক্ষমতাদখলের লড়াই ও রাজসূয়যজ্ঞের প্রেক্ষিতে যুদ্ধজয় ও অধিকারপ্রতিষ্ঠার মধ্যে সাযুজ্য কোথায়?

পর্ব-১৬১: আধুনিক ক্ষমতাদখলের লড়াই ও রাজসূয়যজ্ঞের প্রেক্ষিতে যুদ্ধজয় ও অধিকারপ্রতিষ্ঠার মধ্যে সাযুজ্য কোথায়?

ক্রমে সমগ্র দেশে জনতা জনার্দনের রায় যখন তাদের অনুকূলে যাবে তখন দলটি বিরোধীহীন অপ্রতিহত একটি দল হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে সক্ষম হবে। সেটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার অনুকূলে না প্রতিকূল সেটি বিচার করবে ঘটমান সময়, ভাবি কাল ও সাধারণ মানুষ। মহাভারতের রাজসূয়যজ্ঞের প্রেক্ষিতে আছে ক্ষমতাদখলের যুদ্ধ, গণতন্ত্রের ভোটযুদ্ধেও আছে দলের ক্ষমতাদখলের লড়াই। বর্তমান গণতন্ত্রে, রাজতন্ত্রের অস্তিত্ব নেই কিন্তু রাজসূয়যজ্ঞের আবহ রয়ে গিয়েছে, ভরতবংশীয়রা মনে মনে এই আবহের সাযুজ্য কিছুটা হলেও হয়তো খুঁজে পাবেন।

read more
পর্ব-১৬০: ঋষিকবির বিনির্মাণ—অবতার নন, মানুষ রাম এক নিঃসঙ্গ যোদ্ধা

পর্ব-১৬০: ঋষিকবির বিনির্মাণ—অবতার নন, মানুষ রাম এক নিঃসঙ্গ যোদ্ধা

রামের সর্বাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত, তাও বজ্রাহত পর্বতের মতোই অবিচল রাম। রাঘব রামের নেই কোন স্বর্গীয় প্রেক্ষিত। তিনি আর পাঁচটা মানুষের মতোই প্রথমে আক্রমণের অভিঘাত হয়তো অনুমান করতে পারেননি। রামের মধ্যে সুপ্ত আছে রাজকীয় ক্ষত্রিয়সুলভ অভিমানবোধ। অযোধ্যার রাজকীয় পরম্পরার উত্তরাধিকার তাঁর রক্তে নিহিত রয়েছে। সাধারণের মধ্যে বিশেষ তিনি।

read more
পর্ব-১৫৯: অর্জুনের যুদ্ধযাত্রার লক্ষ্য ও আধুনিক যুদ্ধের আগ্রাসনের সাযুজ্য আছে কি?

পর্ব-১৫৯: অর্জুনের যুদ্ধযাত্রার লক্ষ্য ও আধুনিক যুদ্ধের আগ্রাসনের সাযুজ্য আছে কি?

পাণ্ডবদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বীর অর্জুনের পৃথিবীজয়ের বৃত্তান্তটি বিচিত্র ও আকর্রষণীয়। অর্জুন প্রথমে কুলিন্দদেশের রাজাদের বশীভূত করে, আনর্ত্ত, কালকূট, অন্য এক কুলিন্দদেশ জয় করলেন। তার পরে পদানত সুমণ্ডলদেশের রাজাকে সঙ্গে নিয়ে শাকলদ্বীপ এবং প্রতিবিন্ধ্যরাজাকে পরাজিত করলেন। সপ্তদ্বীপের মধ্যে বিখ্যাত শাকলদ্বীপবাসী রাজারা। সসৈন্য সেই রাজাদের সঙ্গে অর্জুনের ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হল। মহাধনুর্দ্ধর সেই রাজাদের জয় করে, তাঁদের সঙ্গে সম্মিলিত হয়ে প্রাগ্ জ্যোতিষপুরের উদ্দেশে যাত্রা করলেন।

read more
পর্ব-১৫৮: রাক্ষস খর ও রামের সংঘাতে, যুদ্ধের বিবিধবার্তা

পর্ব-১৫৮: রাক্ষস খর ও রামের সংঘাতে, যুদ্ধের বিবিধবার্তা

খর ও রামের যুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে যুদ্ধের আবহ নানা প্রশ্নের উদ্রেক করে। এমনই বোধ হয় মহাকাব্যিক বিস্তার, যার অমীমাংসিত আলোচনার রেশ যুগ যুগান্তরে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতেই থাকে, আবহমান, নিরন্তর।

read more
পর্ব-১৫৭: জরাসন্ধবধ ও জনার্দনের কৃতিত্ব

পর্ব-১৫৭: জরাসন্ধবধ ও জনার্দনের কৃতিত্ব

মহাভারতের বিচিত্র অনুষঙ্গ ছাড়াও, কৃষ্ণ ও তাঁর প্রলম্বিত ছায়াশ্রিত পাণ্ডবদের বিভিন্ন কীর্ত্তিকাহিনী সংযোজিত হওয়ায় হয়তো ভারতকথার এই গৌরবময় পরিণতি সম্ভব হয়েছে। মহাভারতের ভরতবংশীয়দের যশ ও অপযশ ছাপিয়ে, প্রোজ্জ্বল হয়ে ওঠেন যিনি, তিনি ভরতের উত্তরসূরীদের কাছে আজও প্রিয় জনার্দন, কৃষ্ণ।

read more
পর্ব-১৫৬: প্রাকৃতিক অবস্থার পরিবর্তন ও প্রাণীদের অস্থিরতা : যুদ্ধের দূষণ, মনে, প্রাণে, বাতাবরণে, সর্বত্র

পর্ব-১৫৬: প্রাকৃতিক অবস্থার পরিবর্তন ও প্রাণীদের অস্থিরতা : যুদ্ধের দূষণ, মনে, প্রাণে, বাতাবরণে, সর্বত্র

আমরা দুর্বলচিত্ত মানুষেরা হয়তো মনে করি, একদা নিয়তির অমোঘ নির্দেশে এই দুর্ভাগ্যজনক চরম পরিণতি তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতি জেনেও নিছক কৌতূহলী দর্শকের ভূমিকায় থেকে যান, দেবতা, ঋষি, সিদ্ধপুরুষদের মতো প্রভাবশালীদের অনেকেই। এক অর্বাচীন কথকঠাকুরাণীর মস্তিষ্কপ্রসূত এই ব্যখ্যা। সুধী পাঠকবর্গ, কোনও ধর্মীয় ভাবাবেগের মূলে কুঠারাঘাত বলে মনে করবেন না। বর্তমান দুনিয়ার যুগচিত্রের সঙ্গে এর সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায় কী?

read more

 

 

Skip to content