মহাকাব্যের কথকতা

পর্ব-১৭৮: যুদ্ধে ছলনার আশ্রয় এবং বলপ্রয়োগ, উভয়ের কোনও তারতম্য আছে কি?

পর্ব-১৭৮: যুদ্ধে ছলনার আশ্রয় এবং বলপ্রয়োগ, উভয়ের কোনও তারতম্য আছে কি?

ছলনার আশ্রয়ে যুদ্ধজয় না আত্মশক্তিবলে বিজয়ীর সম্মান, দুইটির মধ্যে কোনটি প্রশংসনীয় সেটা রামায়ণের উপসংহার প্রমাণ করবে। আধুনিকপ্রযুক্তিনির্ভর কৌশল, ছল ও বলকে ছাপিয়ে উঠেছে।কৌশল অতীতে ছিল ক্ষুরধার মস্তিষ্কপ্রসূত। বর্তমানে মস্তিষ্কপ্রসূত যুদ্ধাস্ত্রের প্রয়োগকৌশল,যুদ্ধজয়ের অন্যতম অবলম্বন হয়েছে। তবে ছদ্মবেশধারী মারীচ এখনও আছে, পারিবারিক জীবনে, সামাজিক পরিমণ্ডলে বৃহত্তম রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নাম ও রূপের আড়ালে।

read more
পর্ব-১৭৭: শিশুপালের একশত অপরাধ ক্ষমার যোগ্য, কেন? এর কোন তাৎপর্য আছে কি?

পর্ব-১৭৭: শিশুপালের একশত অপরাধ ক্ষমার যোগ্য, কেন? এর কোন তাৎপর্য আছে কি?

ইন্দ্রপ্রস্থনগরে রাজসূয়যজ্ঞের আসরে আমন্ত্রিত রাজাদের মধ্যে অন্যতম চেদিরাজ শিশুপাল, কৌরবপিতামহ ভীষ্মের নিন্দায় মুখর হয়েছেন। কারণ হল, চেদিরাজের উগ্র কৃষ্ণবিরাগ। ভীষ্মের অনুরোধে যজ্ঞানুষ্ঠানের আয়োজক, রাজা যুধিষ্ঠির, কৃষ্ণকে অর্ঘ্য দান করেছেন। কৃষ্ণের সম্মাননাপ্রদানে শিশুপালের ঘোর আপত্তি। কৃষ্ণনিন্দুক শিশুপালের আক্রমণের লক্ষ্য হলেন প্রবীণতম কৌরবপ্রধান ভীষ্ম। ভীষ্মের অতীত টেনে এনে,তাঁকে বাক্যবাণে জর্জরিত করলেন শিশুপাল। মাননীয় ভীষ্মের যত যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত, সেগুলির অপব্যাখ্যা করে তাঁকে হেনস্থা করত তিনি দ্বিধা...

read more
পর্ব-১৭৬: সীতাহরণের সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাকাব্যিক পালাবদলের ইঙ্গিত

পর্ব-১৭৬: সীতাহরণের সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাকাব্যিক পালাবদলের ইঙ্গিত

রামের প্রতি প্রতিশোধপরায়ণ রাক্ষসরাজ রাবণ, ভগিনী শূর্পনখার প্ররোচনায় রামপত্নী সীতাকে অপহরণ করবার উদ্দেশ্য নিয়ে উপস্থিত হল মায়াবী রাক্ষস মারীচের কাছে। মারীচ, মায়াবলে যে কোনও রূপ ধারণ করতে পারে। তাই রাবণ তার সাহায্যপ্রার্থী হল। রাবণের পরিকল্পনা-অনুযায়ী মারীচ রূপার বিন্দুতে চিত্রিত সোনার হরিণের রূপ ধারণ করে সীতাকে মুগ্ধ করবে। সীতার অনুরোধে হরিণটিকে অপহরণের জন্য রাম ও লক্ষ্মণ হরিণটিকে অনুসরণ করে দূরে যাবেন যখন, তখন ছদ্মবেশী রাবণ সীতাকে অপহরণ করবেন।

read more
পর্ব-১৭৫: কৃষ্ণবিরোধিতার প্রসঙ্গে ভীষ্মের বিরূপ সমালোচনা সত্ত্বেও কে স্মরণীয়? শিশুপাল?না ভীষ্ম?

পর্ব-১৭৫: কৃষ্ণবিরোধিতার প্রসঙ্গে ভীষ্মের বিরূপ সমালোচনা সত্ত্বেও কে স্মরণীয়? শিশুপাল?না ভীষ্ম?

জ্যেষ্ঠপাণ্ডব যুধিষ্ঠিরায়োজিত রাজসূয়যজ্ঞে প্রবীণতম কুরুপ্রধান ভীষ্মের নির্দেশে, কৃষ্ণকে অর্ঘ্য দান করা হল।চেদিরাজ শিশুপালের সেই পূজা অসহনীয় মনে হল। শিশুপালস্তু তাং পূজাং বাসুদেবে ন চক্ষমে। তাঁর তিরস্কারের লক্ষ্য হলেন ভীষ্ম ও যুধিষ্ঠির। অন্যান্য সম্মানীয় যোগ্য ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও নিতান্তই অপাত্র কৃষ্ণের কেন এত সমাদর? কেন এত শ্রদ্ধাপ্রদর্শন?

read more
পর্ব-১৭৪: সোনার হরিণ কোথায় নেই? আছে সর্বত্র

পর্ব-১৭৪: সোনার হরিণ কোথায় নেই? আছে সর্বত্র

রাক্ষসী শূর্পনখা, রাক্ষসরাজ রাবণের কাছে রামের শৌর্য এবং রামের সুন্দরী স্ত্রী সীতার দৈহিক সৌন্দর্য বর্ণনা করল। রাক্ষসী, রাবণকে রামের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রায় প্ররোচিত করল। শূর্পনখার মতে, রামের বিরুদ্ধে রাবণের যুদ্ধযাত্রার দুটি উদ্দেশ্য —রামলক্ষ্মণের সম্মিলিত শক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং নিজের শক্তিতে আস্থা রেখে অনবদ্য দৈহিকসৌন্দর্যের অধিকারিণী সীতাকে ভার্যারূপে গ্রহণ। বিজ্ঞায়ৈষামশক্তিঞ্চ ক্রিয়তাঞ্চ মহাবল। সীতা তবানবদ্যাঙ্গী ভার্য্যাত্বে রাক্ষসেশ্বর।। রাবণ শূর্পনখার এই রোমাঞ্চকর প্রস্তাব শুনে, মন্ত্রীদের সম্মতি...

read more
পর্ব-১৭৩: চেদিরাজ শিশুপালের কৃষ্ণবিদ্বেষ কি কৃষ্ণেরই কোন পরিকল্পিত ইচ্ছার প্রকাশ?

পর্ব-১৭৩: চেদিরাজ শিশুপালের কৃষ্ণবিদ্বেষ কি কৃষ্ণেরই কোন পরিকল্পিত ইচ্ছার প্রকাশ?

কৃষ্ণ পূজনীয় কেন? স্থির হল, মাননীয় কুরুপ্রধান কুরুপাণ্ডবদের পিতামহের নির্দেশে, রাজসূয়যজ্ঞে কৃষ্ণকে সম্মান প্রদর্শন করে অর্চনা করা হবে। ভীষ্ম, কৃষ্ণের সর্বত্রচারী অবিসংবাদিত স্বরূপ বর্ণনা করেছেন। কনিষ্ঠ পাণ্ডবভাই সহদেবের অভিমত— কেশিদানবের হত্যাকারী কৃষ্ণের অর্চনা যিনি সহ্য করতে অক্ষম তাঁকে চূড়ান্ত অবমাননার সম্মুখীন হতে হবে। মনের গভীরে দানববৃত্তির সংহারক যিনি তাঁর স্থান নিঃসন্দেহে বিশিষ্ট এবং অদ্বিতীয়। প্রকারান্তরে তিনিই একজন প্রকৃত আচার্য যিনি শুভবোধ জাগরিত করে, অশুভকে নির্মূল করেন। কৃষ্ণ পিতার মতোই সন্তানসম সকলের শুভকামনায় নিয়োজিতপ্রাণ একজন পূজনীয় ব্যক্তিত্ব। গুরুতুল্য তাঁর ভাবমূর্তি।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭২: কামোদ্দীপক প্ররোচনা ও রাবণের পরস্ত্রী-অপহরণের লোলুপতা আজও অব্যাহত

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭২: কামোদ্দীপক প্ররোচনা ও রাবণের পরস্ত্রী-অপহরণের লোলুপতা আজও অব্যাহত

বর্তমান রাজনৈতিক পরিসরে একজন নারীকে কেন্দ্র করে দুই শক্তির বিরোধ হয়তো সহজ নয়। শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নারীকেন্দ্রিক নৈতিক চরিত্রের স্খলন, বিচ্যুতি বিরল নয়। সেটি হয়তো দেশের ঘরোয়া পরিসরে বা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিতে সংবাদপত্রের রসাল আলোচনার বিষয়। তবে কি পরস্ত্রী অপহরণ, ধর্ষণ এই অপরাধ নেই? একেবারেই তা নয়। এই দুষ্প্রবৃত্তির প্রবণতায় এই অপরাধ নিত্য ঘটে চলেছে এই ভোগবাদী দুনিয়ায়।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭১: কৃষ্ণের প্রতি ভীষ্মের শ্রদ্ধার্ঘ্য, শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে মানুষ ও দেবতার সমন্বয়

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭১: কৃষ্ণের প্রতি ভীষ্মের শ্রদ্ধার্ঘ্য, শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে মানুষ ও দেবতার সমন্বয়

কৃষ্ণ পাণ্ডবদের পথপ্রদর্শক, পিতৃতুল্য শুভাকাঙ্খী, গুরুতুল্য ক্ষমাশীল, তাই তিনি সম্মানীয়। যজ্ঞের ব্যবস্থাপক, গুরুতুল্য সদুপদেশদাতা, আত্মিক সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ, স্নাতক গার্হস্থ্যজীবনের সঙ্গী, তিনি রাজার রাজা অর্থাৎ মনোজগতের অধীশ্বর, প্রিয় সখা, তিনি এই সব কিছু, তাই তিনি পূজ্য। যেন ভারতের অন্তরাত্মার কৃষ্ণপ্রীতির মর্মবাণী ঘোষণা করলেন ভীষ্ম। কৃষ্ণের মানবিক রূপ অতিক্রম করে অতিলৌকিক সত্তা বর্ণনা করে ভীষ্ম বললেন, তিনি বৃদ্ধতম, লোকবৃদ্ধতমে কৃষ্ণে যোঽর্হণাং নাভিমন্যতে।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭০: রাবণ কে? রামায়ণের রাবণ কী আজও নেই?

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭০: রাবণ কে? রামায়ণের রাবণ কী আজও নেই?

দুর্বলচিত্ত মানুষের প্রশ্রয়ে রাবণ যখন মাথা চাড়া দেয় তখন শুরু হয় সীতাহরণের প্রস্তুতি, সেই সঙ্গে হয় লঙ্কাকাণ্ডের সূচনা। এর ফল সকলেরই জানা। শুভশক্তির উত্থান প্রতিহত করে অমানবিক অশুভ রাবণকে, যুগে যুগে, কালে কালে…। লিখেছেন পাঞ্চালী মুখোপাধ্যায়।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৯: যুধিষ্ঠির-আয়োজিত রাজসূয়যজ্ঞের মহাসম্মেলন ও চেদিরাজ শিশুপালের ভূমিকা

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৯: যুধিষ্ঠির-আয়োজিত রাজসূয়যজ্ঞের মহাসম্মেলন ও চেদিরাজ শিশুপালের ভূমিকা

যুধিষ্ঠিরের সমালোচনায় আত্মীয় অনাত্মীয় নির্বিশেষে অসম্মানিত তালিকাভুক্তরা অদূরভবিষ্যতে তাঁদের বিরুদ্ধে অস্ত্রে শান দিচ্ছে না—এ কথা কি নিশ্চিতভাবে বলা যায়? বোধ হয় না। একটি ঘটনার বিরোধিতার সূত্র ধরে যে জটিলতা ও কুৎসার পাঁক উঠে আসে, কথার মারপ্যাঁচে জড়িয়ে যায় অনেক সদুদ্দেশ্যের মহান আদর্শ, বেরিয়ে আসে মানুষের প্রকৃত স্বরূপ, যুধিষ্ঠিরের রাজসূয়যজ্ঞে চেদিরাজ শিশুপালের বিরোধিতা তার প্রমাণ।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৮: রামায়ণে পরস্ত্রীহরণের সিদ্ধান্তে বীরত্বের প্রকাশ নেই, আছে অনেক মৃত্যুর আবাহনবার্তা

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৬৮: রামায়ণে পরস্ত্রীহরণের সিদ্ধান্তে বীরত্বের প্রকাশ নেই, আছে অনেক মৃত্যুর আবাহনবার্তা

রাক্ষসশ্রেষ্ঠর কথা শুনে মারীচ বলল, মিত্ররূপে কোনও শত্রু রাবণকে সীতার কথা বলেছে? এমন কে আছে যাকে রাক্ষসশ্রেষ্ঠ আনন্দ দিয়েছেন, অথচ সে আদৌ সন্তুষ্ট নয়। সন্দিগ্ধ মারীচ স্পষ্টভাষায় তার উদ্বেগের কারণ জানিয়ে বলল, ‘সীতাকে এখানে নিয়ে এস’ — এ কথা কে বলেছে? আমাকে বলুন। কে রাক্ষসজগতের শৃঙ্গ উচ্ছেদ করতে ইচ্ছুক?

read more
পর্ব-১৬৭: রাজসূয়যজ্ঞ কী শুধু একচ্ছত্র ক্ষমতার প্রদর্শনী? না স্বতঃস্ফূর্ত গণসমর্থনলাভের উদ্যোগ?

পর্ব-১৬৭: রাজসূয়যজ্ঞ কী শুধু একচ্ছত্র ক্ষমতার প্রদর্শনী? না স্বতঃস্ফূর্ত গণসমর্থনলাভের উদ্যোগ?

রাজসূয় মহাযজ্ঞ যুধিষ্ঠিরের আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রদর্শনী, কিন্তু তার মধ্যে নেই অযথা ক্ষমতার ঔদ্ধত্যপ্রকাশ, নেই নির্লজ্জ দম্ভের অবকাশ, আছে শুধু বিনয়াবত হৃদয়ের স্বতঃস্ফূর্ত ঔদার্যের মহত্ব। সুশাসনের বীজ প্রোথিত হয় মহান হৃদয়ের বিস্তৃত ভূমিতে, উদারতার পলিমাটিতে তার বৃদ্ধি, পরিপূর্ণতা আসে গুণীজনের মন্ত্রণা ও পরামর্শের জলসিঞ্চনে এবং জীবনাভিজ্ঞতার আলোকে। যুধিষ্ঠিরের আয়োজিত রাজসূয় মহাযজ্ঞের আলোকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় এমন পরিপূর্ণতা আশা করা যেতে পারে কী?

read more
পর্ব-১৬৬: রাক্ষস খরের নিধনের নিরিখে রামচন্দ্রের মূল্যায়ন

পর্ব-১৬৬: রাক্ষস খরের নিধনের নিরিখে রামচন্দ্রের মূল্যায়ন

স্বামীর কৃতিত্বে স্ত্রী সীতা আনন্দে আত্মহারা হয়েছেন। এই প্রতিক্রিয়া অরণ্যবাসী মুনি, ঋষি সকলের আনন্দ। নিশ্চিন্ত উপদ্রবমুক্ত শান্ত জীবনের কামনা — গৃহী, সর্বত্যাগী তপস্বী, সকলের। শত অশুভশক্তির প্রভাবে দ্রুত আচ্ছন্ন এই দুনিয়ায় শুভবোধে প্রাণিত ভারতাত্মা চিরকাল ধরে সমাহিত শান্ত নিভৃত পরিবেশ প্রার্থনা করে এসেছে, মনে মনে কামনা করেছেন রামের মতো কোন আদর্শ পুরুষের উপস্থিতির, এখন পর্যন্ত, আজও।

read more
পর্ব-১৬৫: রাজসূয় যজ্ঞে কৃষ্ণের ভূমিকা, যে কোনও কাজে সাফল্যের অনুপ্রেরণা হতে পারে কী?

পর্ব-১৬৫: রাজসূয় যজ্ঞে কৃষ্ণের ভূমিকা, যে কোনও কাজে সাফল্যের অনুপ্রেরণা হতে পারে কী?

রাজা যুধিষ্ঠিরের রাজসূয়যজ্ঞানুষ্ঠান সম্পন্ন করে একচ্ছত্র সাম্রাজ্যের আধিপত্যলাভ প্রয়োজন। যুধিষ্ঠিরের সহযোদ্ধা তাঁর অন্য চার ভাই — ভীমসেন, অর্জুন, নকুল ও সহদেব। চারদিকে চারজন দিগ্বিজয়ের লক্ষ্যে বেড়িয়ে পড়লেন। কনিষ্ঠ নকুলের দায়িত্ব পশ্চিমদিকের রাজাদের আনুগত্য-আদায়। বুদ্ধিমান নকুল তাঁর বিশাল সৈন্যদল নিয়ে পশ্চিমদিকে যাত্রা করলেন। সিংহনাদে গর্জন করতে লাগল তাঁর যোদ্ধারা। রথচক্রের শব্দে কাঁপতে লাগল পৃথিবী। নকুল রোহীতকপর্বতে উপস্থিত হলেন।

read more
পর্ব-১৬৪: ভাবি প্রশাসক রামের  প্রশিক্ষণের সূচনা—রাক্ষস খরের সঙ্গে সংঘাত

পর্ব-১৬৪: ভাবি প্রশাসক রামের প্রশিক্ষণের সূচনা—রাক্ষস খরের সঙ্গে সংঘাত

রামের জীবনে এমন অনেক ঘটনা হয়তো কোনও মহৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনাগুলো তাঁকে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এবং ব্যক্তিগত জীবনে পরিণত ও অভিজ্ঞ করে গড়ে তুলেছে। দ্বন্দ্ববিক্ষুব্ধজীবনে শুধু ঝঞ্ঝার অভিঘাত সত্য নয়,তাদের মুখোমুখি হয়ে, জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে নিজেকে বিনির্মাণ সমান গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ প্রশাসকের এমন এক প্রশিক্ষণের সময়—এক একটি বাধা পার হয়ে সাফল্যের লক্ষ্যে পৌঁছানোর কাল। প্রশাসক রামের জীবনে রাক্ষসদের সঙ্গে সংঘাতের সূচনা ও তাঁর একক লড়াইয়ে সেই শিক্ষাই সূচিত হয়েছে।

read more

 

 

Skip to content