
ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।
দণ্ডকারণ্যে রাক্ষস খর, সম্মুখবর্তী সৈন্য-সহ রামের আশ্রয় আশ্রমটিতে এসে, ধনুর্ধর, ক্রুদ্ধ, শত্রুদমনে উদ্যত রামকে দেখতে পেল। তাঁকে দেখে গুণ-সহ তীব্র শব্দকারী ধনুক তুলে নিয়ে, সারথিকে রামের অভিমুখে রথ চালনা করতে নির্দেশ দিলেন। সারথি, খরের আদেশানুসারে, মহাবীর রাম যেখানে একা ধনুক কাঁপিয়ে অবস্থান করছেন, সেই দিকে ঘোড়াগুলি চালনা করল। তাকে ধেয়ে যেতে দেখে, সহায়ক নিশাচর রাক্ষসরা ভয়ঙ্কর হুঙ্কার করে,চারিদিক থেকে তাঁকে ঘিরে ধরল। রাক্ষসদের মধ্যে রথস্থ খরকে তারাদের মধ্যে উদীয়মান লোহিতাঙ্গ মঙ্গলগ্রহের তুল্য বলে মনে হল। রাক্ষস খর, এর পরে যুদ্ধে অতুলনীয় শক্তিধর রামকে সহস্র বাণ-সহ আঘাত করে মহাগর্জন করে উঠল। সমস্ত ক্রুদ্ধ রাক্ষসরা দুর্জয় ভয়ঙ্কর ধনুর্ধারী রামের ওপরে নানাবিধ অস্ত্রবর্ষণ করতে লাগল। ক্রোধে ক্ষিপ্ত রাক্ষসরা যুদ্ধে লোহানির্মিত শূল, মুগুর, বর্শা, খড়্গ, এবং পরশু অর্থাৎ কুঠার দিয়ে রামকে হত্যা করতে উদ্যত হল।
রামকে বধের ইচ্ছায় মেঘের মতো বিশালাকার মহাবলশালী রাক্ষসরা রথ,ঘোড়া ও পর্বতশৃঙ্গের মতো হাতিতে আরোহণ করে তাঁর দিকে ছুটে গেল। শ্রেষ্ঠ পর্বতের ওপরে বর্ষণরত বিশাল মেঘের মতো,রাক্ষসরা রামের প্রতি শরবর্ষণ করতে লাগল। ভয়ঙ্করদর্শন রাক্ষসপরিবৃত রামের শোভা যেন চতুর্দশী প্রভৃতি তিথিতে পারিষদ পরিবেষ্টিত মহাদেবের মতো। সাগর যেমন নদীর জল ধারণ করে তেমনই রাম রাক্ষসদের নিক্ষিপ্ত অস্ত্র গ্রহণ করলেন। তীব্র বহু অস্ত্রাঘাতে তাঁর শরীর ছিন্ন ভিন্ন হল তবু রাম ব্যথিত হলেন না। প্রদীপ্ত বহু বজ্রাঘাত সত্ত্বেও বিশাল পর্বত যেমন অবিচল থাকে তেমনই নির্বিকার রইলেন রাম। অস্ত্রবিদ্ধ রামের সর্বাঙ্গে ক্ষতের জ্বালা। তাঁকে মেঘাবৃত সান্ধ্য সূর্যের মতো দেখাচ্ছিল। বহুসহস্রপরিবৃত একাকী রাম— দেব, গন্ধর্ব, সিদ্ধপুরুষ, মহর্ষিগণ এই দৃশ্য দেখে বিষণ্ণ হলেন। এবারে রাম ভীষণ ক্রুদ্ধ হয়ে উঠলেন। তিনি ধনুকটিকে মণ্ডলাকার করে শত শত, হাজার হাজার শাণিত শর নিক্ষেপ করতে লাগলেন। রাম, দুর্বার অসহনীয় যমের পাশতুল্য স্বর্ণমণ্ডিত বাণগুলি অবলীলায় নিক্ষেপ করলেন।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৫৮: রাক্ষস খর ও রামের সংঘাতে, যুদ্ধের বিবিধবার্তা

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৫৭: বীতেচ্ছ-জাতক — তুই যাহারে দিলি ফাঁকি

অর্ধ শতাব্দী পর বঙ্গে ডাবল ইঞ্জিন

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৬৯: আকাশ এখনও মেঘলা
লীলাভরে মুক্ত রামের বাণগুলি যমনির্ধারিত পাশের মতো রাক্ষসদের প্রাণ হরণ করল। রাক্ষসদের দেহ বিদীর্ণ করে রক্তাক্ত সেই শরগুলি অন্তরীক্ষে উঠে যেন প্রদীপ্ত-অগ্নিসমতেজে জ্বলে উঠল। রামের চাপ হতে অতি উগ্র রাক্ষসপ্রাণঘাতী অসংখ্য বাণ মুক্ত হতে লাগল। সেই বাণগুলি, শত শত ও বহুসহস্র ধনুক, ধ্বজার সম্মুখভাগ, চামড়া, বর্ম, অলঙ্কৃত বাহু, হাতির শূরের মতো ঊরু ছিন্ন করল। গুণ হতে মুক্ত রামের শর, সারথি-সহ রথে যুক্ত স্বর্ণবর্মাবৃত ঘোড়াগুলি, আরোহী সহ হাতি, অশ্বারোহী ও তার বাহনগুলিকে বিদীর্ণ ও ছিন্নভিন্ন করল। পদাতিকদের যমালয়ে পাঠিয়ে দিল। তার পরে রামের নালীক, নারাচ, তীক্ষ্ণাগ্রভাগযুক্ত বিকর্ণি প্রভৃতি বাণবিদ্ধ হয়ে ছিন্ন রাক্ষসরা ভয়ঙ্কর আর্ত চিৎকার করতে লাগল।
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৯ : আনকো আলোয় যায় দেখা ওই ‘সপ্তপদী’-র পথ চলা

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৫১: ইরাবতী ডলফিন
রামের মর্মভেদী বিবিধবাণে বিদ্ধ সেই রাক্ষসসৈন্যদল যেন অগ্নির প্রকোপে শুকনো বন, তবু রামের মনে সুখ নেই। বলশালী নিশাচর রাক্ষসরা ভীষণ ক্রুদ্ধ হয়ে পাশ, শূল এবং পরশু নিক্ষেপ করল। বীর্যবান রাম, বাণ দিয়ে তাদের অস্ত্রগুলি প্রতিরোধ করে, যুদ্ধে শিরশ্ছেদ করে তাদের প্রাণ ছিনিয়ে নিলেন। রাক্ষসদের মাথা ছিন্ন, ছিন্ন হল চামড়া, ছিন্নতূণ, রাক্ষসরা গরুড়ের পাখার ঘায়ে বায়ুতাড়িত গাছের মতো ভূপতিত হল। অবশিষ্ট বিষণ্ণ ও বাণাহত রাক্ষসরা আশ্রয়ের জন্য শরের কাছে ছুটে গেল। অতীব ক্রুদ্ধ রাক্ষস দূষণ তাদের আশ্বস্ত করে ধনুক নিয়ে সক্রোধে ক্রুদ্ধ রামের দিকে ক্রোধান্বিত যমের মতো ধেয়ে গেল। দূষণের আশ্রয়ে নির্ভয় সেই সব রাক্ষসরা ফিরে এসে আবার শাল, তাল, পাথর প্রভৃতি নানা অস্ত্র নিয়ে রামের দিকে ছুটল। মহাবলশালী রাক্ষসরা যুদ্ধে শূল, মুগুর, এবং পাশহাতে, বাণ এবং অন্যান্য অস্ত্র বর্ষণ করতে করতে গাছ ও পাথর বর্ষণ করতে লাগল। রামের সঙ্গে রাক্ষসদের আবার অদ্ভুত, রোমাঞ্চকর, তুমুল, মহাযুদ্ধ শুরু হল। ভয়ঙ্কর ক্রুদ্ধ রাক্ষসরা চারিদিক থেকে রামকে আঘাত করতে লাগল।
রাম দেখলেন, রাক্ষসরা সমস্ত দিগ্বিদিক আবৃত করেছে। সর্বত্র রাক্ষসদের শরবর্ষণের ফলে আবৃতদেহ মহাবল রাম, গুরুগম্ভীরগর্জনে, রাক্ষসদের উদ্দেশ্যে পরম উজ্জ্বল গান্ধর্ব অস্ত্র যোজনা করলেন। তার পরে রামের ধনুক থেকে হাজার হাজার বাণ নিক্ষিপ্ত হল। বাণে বাণে দশ দিক সমাচ্ছন্ন হল। শরাঘাতে বিপর্যস্ত রাক্ষসরা,না দেখল রামের শর তুলে নেওয়া, না বাণনিক্ষেপ, না দেখল তাঁর ধনুরাকর্ষণ। বাণের অন্ধকার সূর্যসহ আকাশ ঢেকে দিল। এক জায়গায় অচলাবস্থায় থেকে রাম সেই শরগুলি নিক্ষেপ করছিলেন। একসঙ্গে পড়ে যেতে উদ্যত, নিহত, ভূপতিত, রাক্ষসরা ঢেকে দিল ধরাতল। যেখানে সেখানে দেখা গেল, নিহত, পড়ে থাকা, ছিন্নভিন্ন, ক্ষীণ এবং বিদীর্ণ হাজার হাজার রাক্ষস। রামের বাণাঘাতে পাগড়ি-সহ মাথা, বালা পড়া হাত, ঊরু, নানা ছেঁড়া অলঙ্কার, ঘোড়া, সেরা হাতি,ভেঙ্গে যাওয়া রথ, চামর, ব্যাজন, ছত্র, ধ্বজা, শূল,পট্টিশে রণভূমি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠল। তাদের নিহত দেখে, অবশিষ্ট রাক্ষসরা অত্যন্ত কাতর হয়ে, শত্রুপুরজয়ী রামের দিকে আর এগিয়ে যেতে পারল না।
রাম দেখলেন, রাক্ষসরা সমস্ত দিগ্বিদিক আবৃত করেছে। সর্বত্র রাক্ষসদের শরবর্ষণের ফলে আবৃতদেহ মহাবল রাম, গুরুগম্ভীরগর্জনে, রাক্ষসদের উদ্দেশ্যে পরম উজ্জ্বল গান্ধর্ব অস্ত্র যোজনা করলেন। তার পরে রামের ধনুক থেকে হাজার হাজার বাণ নিক্ষিপ্ত হল। বাণে বাণে দশ দিক সমাচ্ছন্ন হল। শরাঘাতে বিপর্যস্ত রাক্ষসরা,না দেখল রামের শর তুলে নেওয়া, না বাণনিক্ষেপ, না দেখল তাঁর ধনুরাকর্ষণ। বাণের অন্ধকার সূর্যসহ আকাশ ঢেকে দিল। এক জায়গায় অচলাবস্থায় থেকে রাম সেই শরগুলি নিক্ষেপ করছিলেন। একসঙ্গে পড়ে যেতে উদ্যত, নিহত, ভূপতিত, রাক্ষসরা ঢেকে দিল ধরাতল। যেখানে সেখানে দেখা গেল, নিহত, পড়ে থাকা, ছিন্নভিন্ন, ক্ষীণ এবং বিদীর্ণ হাজার হাজার রাক্ষস। রামের বাণাঘাতে পাগড়ি-সহ মাথা, বালা পড়া হাত, ঊরু, নানা ছেঁড়া অলঙ্কার, ঘোড়া, সেরা হাতি,ভেঙ্গে যাওয়া রথ, চামর, ব্যাজন, ছত্র, ধ্বজা, শূল,পট্টিশে রণভূমি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠল। তাদের নিহত দেখে, অবশিষ্ট রাক্ষসরা অত্যন্ত কাতর হয়ে, শত্রুপুরজয়ী রামের দিকে আর এগিয়ে যেতে পারল না।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৬৭ : হাঙরের পেটে মুক্তো

রবীন্দ্র জয়ন্তী: তথ্যচিত্র— রবীন্দ্রনাথ, সভ্যতার সঙ্কট
রামের বনবাসজীবনের শেষ পর্বে দণ্ডকারণ্যে বনরাসজীবন অতিবাহিত করছিলেন। পঞ্চবটীবনে রাক্ষসী শূর্পনখার সঙ্গে তাঁর দেখা হল। শূর্পনখার প্রণয়প্রস্তাব প্রত্যাখান করলেন রাম। সীতাকে আক্রণমন করতে উদ্যত শূর্পনখার কান ও নাক কেটে তাকে শাস্তি দিলেন লক্ষ্মণ। অবমানিতা রাবণভগিনী শূর্পনখার অপর এক ভাই রাক্ষস খর। খর, মহাবল সেনাসহ রামকে দমন করবার উদ্দেশ্যে তাঁর আশ্রমে উপস্থিত হল। রাম, অতর্কিতে আক্রান্ত হলেন। মহর্ষি বাল্মীকির মানসপুত্র রাম। তিনি একজন মানুষ। তিনি কোনও দৈব প্রতিনিধি নন। রাক্ষসদের অসংখ্য আঘাতে জর্জরিত হয়েও তিনি প্রাথমিক আক্রমণ প্রতিরোধে উদ্যোগী হননি। সাধারণত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন প্রাকৃত জনসাধারণ। মহর্ষি বাল্মীকির আদর্শ পুরুষচরিত্রের বিনির্মাণ শ্রীরামচন্দ্র। তিনি অবতার নন, জীবনের অভিঘাত, দ্বন্দ্ববিক্ষুব্ধ সাংসারিক জীবনে অভ্যস্ত একজন মানুষ। নিয়তিনির্দিষ্ট ঊষর বন্ধুর পথ চলাতে তাঁর স্বাচ্ছন্দ্য। তাই হঠাৎ খরের ভয়াবহ আক্রমণ তাঁকে বিপর্যস্ত করতে পারেনি। নিস্তরঙ্গ সাগরের মতো তিনি ক্রমান্বয়ে নদীর জলোচ্ছ্বাসতুল্য অস্ত্রাঘাত দানগ্রহণের মতো সাগ্রহে গ্রহণ করেছেন। রাক্ষসদের অস্ত্রাঘাত বিদীর্ণ করেছে তাঁর দেহ, তবু তিনি বেদনাহত হননি। রাম হয়তো রাক্ষসদের স্পর্ধা মেপে নিতে চেয়েছেন। ঋষিকবির বর্ণনায় — তানি মুক্তানি শস্ত্রাণি যাতুধানৈঃ স রাঘবঃ। প্রতিজগ্রাহ বিশিখৈর্নদ্যোঘানিব সাগরঃ। স তৈঃ প্রহরণৈর্ঘোরৈর্ভিন্নগাত্রো ন বিব্যথে।
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০১ : সত্য সামনে দাঁড়িয়ে হাসে, আর মূর্খ অন্যের ব্যাখ্যায় তাকে খোঁজে!
রামের সর্বাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত, তাও বজ্রাহত পর্বতের মতোই অবিচল রাম। রাঘব রামের নেই কোন স্বর্গীয় প্রেক্ষিত। তিনি আর পাঁচটা মানুষের মতোই প্রথমে আক্রমণের অভিঘাত হয়তো অনুমান করতে পারেননি। রামের মধ্যে সুপ্ত আছে রাজকীয় ক্ষত্রিয়সুলভ অভিমানবোধ। অযোধ্যার রাজকীয় পরম্পরার উত্তরাধিকার তাঁর রক্তে নিহিত রয়েছে। সাধারণের মধ্যে বিশেষ তিনি। তাই হঠাৎ আক্রান্ত হয়ে বিভ্রান্তির শিকার হননি। অপরিসীম ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসে তিনি মহাদেবতুল্য নির্বিকার হয়েছেন। এই স্থৈর্য, তাঁকে আদর্শ নায়কে পরিণত করেছে। তার আচরণ ও অভিব্যক্তিতে তার পরিচয় পরিস্ফুট হয়েছে।

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।
রামের পরিমণ্ডলে মেঘাবৃত সান্ধ্যসূর্যের বিষণ্ণতা। আপাত ম্রিয়মাণ অস্তমিত সূর্যের এই ম্লান সৌন্দর্য চিরন্তন নয়, সূর্য নিজের তেজোগৌরবে যেমন আবার উদিত হয় তেমনই তেজোদীপ্ত ক্রুদ্ধ রাম তাঁর সংহারমূর্তি ধারণ করলেন। অবলীলাক্রমে শত সহস্র রাক্ষসের প্রাণ হরণ করলেন। গান্ধর্ব-অস্ত্রের সাহায্যে হাজার হাজার বাণ নিক্ষেপ করলেন।অচিরেই রণক্ষেত্রে বীভৎস দৃশ্য দেখা দিল। ছিন্নভিন্ন দেহাংশ,নিহত প্রাণী ও বাহন,ভাঙ্গা অস্ত্রের টুকরো, রণসাজের শতচ্ছিন্ন পরিণতি —এই সবকিছুই যুদ্ধের অন্তিম পরিণাম। আধুনিক যুগে যুযুধান গোষ্ঠী ও দেশের নাম এবং রণসাজ ও যুদ্ধোপকরণ পরিবর্তিত হয়েছে, রয়ে গিয়েছে যুদ্ধের ভয়ঙ্কর অভিঘাত ও ভয়াবহ বীভৎসতা, যার ছবি ও বিবরণ সংবাদপত্রের পাতায় দেখে পাঠকবর্গ স্তম্ভিত হন, কিন্তু ‘হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বী’র আবহ একই থেকে যায়,নির্মম,নিষ্ঠুর ও ভয়ঙ্কর।—চলবে।
* মহাকাব্যের কথকতা (Epics monologues of a layman): পাঞ্চালী মুখোপাধ্যায় (Panchali Mukhopadhyay) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা, সংস্কৃত বিভাগ, যোগমায়া দেবী কলেজে।


















