শীতকালে আর নতুন বছরে কেক না খেলে কি জমে! তা বাড়ির ঘরোয়া আড্ডায় হোক কিংবা খুদের বায়নায় হোক। নিয়মকানুন জানা থাকলে এবং বার কয়েক বানানোর অভিজ্ঞতা থাকলে বাড়িতেই সহজেই কেক বানিয়ে নেয়া সম্ভব।
শীতকালে আর নতুন বছরে কেক না খেলে কি জমে! তা বাড়ির ঘরোয়া আড্ডায় হোক কিংবা খুদের বায়নায় হোক। নিয়মকানুন জানা থাকলে এবং বার কয়েক বানানোর অভিজ্ঞতা থাকলে বাড়িতেই সহজেই কেক বানিয়ে নেয়া সম্ভব।
পুজোআপামর বাঙালি জমিয়ে খাওয়াদাওয়া করতে ভালোবাসে। আবার বাঙালির পার্বণ মানেই উদ্যাপনের সিংহভাগ অংশ জুড়ে থাকে পেট পুরে কব্জি ডুবিয়ে খাওয়া। খাওয়াদাওয়া নিয়ে আলাদা একটা পরিকল্পনাও সব সময় আগে থেকে করা থাকে। এমনকি, সুস্বাদু খাবার খেলে মনও ভালো থাকে। তাই নৈশভোজে বানিয়ে নিন মুরগির মোতি পোলাও।
অঙ্কের শিক্ষিকা মায়ের কাছ থেকে পেয়েছিলেন পরিশীলিত মন ও সম্ভ্রমবোধ। নিজস্ব পরিসরে, ছাত্রছাত্রীদের কাছে মা, দিদা, ঠাকুমার গল্প করতেন, যাঁদের কাছ থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি শিখেছিলেন রান্নাঘরের খুঁটিনাটি। সেই শিক্ষাকে পরবর্তী জীবনে কাজে লাগিয়ে ধাপে ধাপে হয়ে উঠেছিলেন অদ্বিতীয় শুক্লা মুখোপাধ্যায়।
মটন কষার মটন সিদ্ধ হয়নি? কী করবেন সেই সময়? সে বিষয়ে কিছু ভেবেছেন? এহেন পরিস্থিতিতে সামাল দিতে মটন সিদ্ধ করে নিতে পারেন কয়েকটি সহজ উপায়েই।
এই গরমে বাজার ভরে উঠেছে রকমারি আমে। তাই ঝটপট শিখে নিন গুড় আমের লোভনীয় রেসিপি। যাতে দীর্ঘদিন এই খাবার তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে পারেন।
চোখ গিয়ে পড়েছিল নীল রঙের কাপকেক আর চকোলেট মুসের ওপর। চোখ দিয়ে আরেকটু স্ক্যান করতেই দেখতে পেলাম চিকেন পাটিসাপটা। ব্ল্যাক ফরেস্ট কেকের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখে স্টলে কর্মরত এক ভদ্রমহিলা বলে ওঠেন, “মাছের কচুরিটা ট্রাই করে দেখতে পারো”।
নেতাজি ভবন মেট্রো স্তেশানের দু’ নম্বর গেট দিয়ে বেরয়ে উল্টোদিকের ফুটপাথে গেলেই দেখতে পাবেন গিরীশচন্দ্র দে অ্যান্ড কোম্পানি। আদ্যিকালের দোকান। দেখলেই মনে হবে মিষ্টি না খেয়ে আগে দুটো ছবি তুলে নিই।
কুমোরটুলি ঘাটে বসে মুচ-মুচে চিকেন ফ্রাই, গরম গরম মোমো, বা ফিশ ফ্রাই খাওয়া। গঙ্গার পারে বসে সসে ডোবানো গরম গরম চিকেন উইংস খেতে খেতে ঢেউ গোনা। কী? অলীক কল্পনা লাগছে, তাই তো?
খিদের জ্বালা দূর করতে সদা উপস্থিত ‘পেপসি স্ন্যাক্স বার’। নিউ এম্পায়ার সিনেমা হলের বাঁ-দিকের কোণে অবস্থিত এই দোকান। ফুটপাথের ওপরেই চেয়ার দেওয়া আছে। এছাড়াও ভিতরে কিছু লোকের বসার জায়গা রয়েছে।
ডালহাউসি চত্বরে ঘুরতে-ঘুরতে এসে ঠেকলাম ব্যাঙ্কশাল কোর্টের কাছে। তার কাছেই অবস্থিত বিখ্যাত বিনোদবিহারী নাগ গণেশচন্দ্র দত্তের খাবারের দোকান। জনা-কুড়ি লোক বসার জায়গা রয়েছে। হরেক রকমের মিষ্টি পাওয়া গেলেও, এদের এখানে মাস্ট ট্রাই কচুরি আড় লুচি।
মানি প্ল্যান্ট বা জেড প্ল্যান্ট নিয়ে অসুবিধা নেই। কিন্তু বুঝতে পারছেন না সাদা ফুলের পিস লিলি গাছ রাখলে সৌন্দর্য বাড়বে বাহারি পাতার অ্যাগলোনিমা ঘরের শ্রীবৃদ্ধি ঘটাবে।
সুন্দর ফুল নামী-দামি ঘর সাজানোর জিনিসকেও নিমেষে টেক্কা দিতে পারে। কিন্তু বুঝে উঠতে পারছেন না তো লতানে কোন গাছে সাজিয়ে তুলবেন শখের বারান্দা কিংবা বাড়িতে ঢোকার গেট? তিন ফুলের গাছের রইল হদিশ।
অনেকেরই বাড়ির অন্দরমহলকে সাজাতে চান সবুজের ছোঁয়ায়, অথচ শীতকালের কথা ভেবে তাঁরা ঘরে গাছ রাখতে ভয় পান। কারণ শীতকাল হল পাতাঝরার মরসুম।
স্বাস্থ্য ও মনের ওপর রঙের অনেক প্রভাব। আকর্ষক রঙের পরিবেশে আমাদের মনও আনন্দে পরিপূর্ণ থাকে। কেটে যায় একঘেয়ে ভাব। দূর হয়ে যায় নিরাশা।
স্বাস্থ্য ও মনের ওপর রঙের প্রভাব অনেক। আকর্ষক রঙের পরিবেশে মনও থাকে আনন্দে পরিপূর্ণ। একঘেয়ে ভাব কেটে যায়। নিরাশা দূর হয়ে যায়।
কর্মরত অবস্থায় তাঁর সাতটি প্রযুক্তিমূলক বই বেরোয় এবং ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে সেইসব বই খুব সাড়া ফেলে। প্রফেসর পদে উন্নীত হওয়ার পর তিনি ইলেকট্রিক্যাল কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভামুখ্য নির্বাচিত হন। বিভাগে দীর্ঘদিন পড়িয়েছিলেন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক থিওরি, গভীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছিলেন ইলেকট্রন টিউব সার্কিট এবং মাইক্রোওয়েভ টেকনোলজি বিষয়ে। কুড়িজন পিএইচডির ছাত্রের দিকদর্শন, শতাধিক গবেষণাধর্মী লেখালেখি এবং মাইক্রোওয়েভ ইঞ্জিনিয়ারিং ও অ্যান্টেনা প্রযুক্তির উপর তাঁর সাতটি বই স্বাধীনোত্তর বিজ্ঞান সাধনায় সুদিন নিয়ে আসে।
অন্ধ্রপ্রদেশের অখ্যাত এড়ুগুণ্ডলাপাড়ু গ্রামে জন্মে পড়াশোনা তো দূরস্থান, নারীজীবন যখন চার দেওয়ালের অন্তরালে কেটে যাওয়ার কথা, সেই অস্তিত্বের সঙ্কট কাটিয়ে ২০২২ সালে দেশের প্রথম ৭৫ জন মহিলা (STEAM) গবেষকদের তালিকায় উঠে আসে তাঁর নাম। নক্ষত্র ছুঁতে ভয় পাওয়া, আড়ালে থাকা, মহিলা জীবনের অর্ধেক আকাশ তিনি একাই ছোঁয়াতে পারেন। নিজের কৃতিত্ব সম্পর্কে অবলীলায় বলতে পারেন, “Sometimes I win, … sometimes I learn.”
ঠাকুরবাড়ির মেয়েরা ছিলেন রূপে লক্ষ্মী গুণে সরস্বতী। ঠিক এমনটাই ছিলেন প্রতিভা দেবী, রবীন্দ্রনাথের সেজদাদা হেমেন্দ্রনাথ আর নীপময়ীর বড় মেয়ে। বেথুন স্কুলে পড়াশুনা, গুণী সঙ্গীতজ্ঞদের কাছে গান এবং সেতার শিখেছিলেন প্রতিভা। ভাই হিতেন্দ্রনাথের সঙ্গে ‘বিদ্বজ্জন সভা’য় সেতারও বাজিয়েছেন। কিন্তু প্রতিভার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ‘বাল্মীকি প্রতিভা’র সংযোগটাই অমরতা পেল।
দুপুরের নিস্তব্ধতা ভেঙে আওয়াজ আসে, সব্জি নেবে গো সব্জি। ভ্যান ঠেলে ঠেলে নিয়ে চলে এক শীর্ন দেহি মহিলা। ক্লান্ত দুটি চোখ। মাথায় একটা টুপি। ভ্যান ভরা মরসুমি সব্জি। নাম দীপা বিশ্বাস। কোভিডের সময় থেকে বাজার উঠে এসেছিল বাড়ি বাড়ি। পুরুষদেরই সব্জি ফেরি করতে দেখেছি এতদিন কল্যাণীতে।
মৃণালিনী দেবীর জীবনের সময় তো খুব বেশিদিন ছিল না, পরিচিতি বলতে প্রতিভাবান কবির স্ত্রী। জীবনের সংক্ষিপ্ত পরিসরে স্বামী সন্তান আর ঘরের দেখভাল করতে থাকা মৃণালিনীর গল্প সকলের জানা। আমি বরং আজ মৃণালিনীর চিঠির দেরাজ খুলে বসি আর অক্ষরের উপর অক্ষর সাজিয়ে এক নতুন মৃণালিনীকে খুঁজতে থাকি। যদি বলি, যে কয়টি চিঠি পড়তে পেরেছি, আর তাঁর প্রত্যুত্তরগুলি থেকে যেটুকু আভাস পেয়েছি আমার মনে হয়েছে একটু সুযোগ আর সময় পেলে মৃণালিনী দিব্যি রম্যরচনা লিখতে পারতেন।
আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।
আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।