লরা উলভার্ট যত ক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, তত ক্ষণ হরমনপ্রীত কৌর স্বস্তি পাচ্ছিলেন না। উলভার্ট সেমিফাইনালের পর ফাইনালেও শতরান করলেন। যদিও তিনি দলকে জেতাতে পারলেন না। অবশেষে তৃতীয় বারের চেষ্টায় ভারতের শাপমুক্তি। ঘরের মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতকন্যারা।
লরা উলভার্ট যত ক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, তত ক্ষণ হরমনপ্রীত কৌর স্বস্তি পাচ্ছিলেন না। উলভার্ট সেমিফাইনালের পর ফাইনালেও শতরান করলেন। যদিও তিনি দলকে জেতাতে পারলেন না। অবশেষে তৃতীয় বারের চেষ্টায় ভারতের শাপমুক্তি। ঘরের মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতকন্যারা।
জল্পনার অবসান। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিরাট কোহলি এবং অনুষ্কা শর্মার দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়েছে। মেয়ে ভামিকার পর তাঁদের কোল আলো করে এসেছে পুত্রসন্তান।
সবার আগে আত্মসম্মান। টেনিস সুন্দরী সানিয়া মির্জার মনে করেন, ঘর ভাঙলেও নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে সম্পর্ক থাকার কোনও অর্থ হয় না। সম্প্রতি পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়েছে। সানিয়া এ বার সদ্যবিবাহিত তরুণীদের বিশেষ পরামর্শ দিলেন।
বিরাট-অনুষ্কার প্রথম দেখা হয়েছিল ২০১৩ সালে একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে। ভক্তদের কথায় , ‘লভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট’। তাঁরা কয়েক বছর প্রেমের সম্পর্কে থাকার পর ২০১৭ সালে বিয়ে করেন।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগেই শুভমন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। খবর, তাঁকে হাসপাতালেও ভর্তি করানো হয়েছিল। শুভমন এ বার প্রেমদিবসে সমাজমাধ্যমের পাতায় কিছু ইঙ্গিতবাহী ছবি পোস্ট করেছেন।
সড়ক ধরে হেঁটে যাচ্ছেন কে? উজ্জ্বল গাত্রবর্ণ। চেহারায় রাজকীয় গাম্ভীর্য। রাজপথে এ কার দৃপ্ত পদচারণা? কে তিনি? দিন কয়েক আগে কুমিল্লা থেকে আগরতলার বাড়িতে এসেছেন তিনি। হ্যাঁ, তিনি রাজপুরুষ। কর্তা। শচীন কর্তা। পরবর্তীকালে তিনিই হয়ে উঠেছিলেন দেশখ্যাত এসডি বর্মণ। তর তর করে একের পর এক অধ্যায় পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম—এটি কি কোনও আখ্যান মঞ্জরী, না কোনও এক চেনা ছন্দের কাব্য সংকলন, বলা মুশকিল। তবে নির্দিধায় এটা বলা যায়, এ এক অনন্য এবং বাংলা সাহিত্যের এক সমৃদ্ধ আখ্যান বা উপাখ্যান পর্ব বলা যেতেই পারে।
‘নবপত্রিকা’ কাব্যে পুরাণ ও মহাকাব্যের যে নয়জন নারী তাদের স্বামীর উদ্দেশ্যে পত্র রচনা করেছেন তারা হলেন সুনীতি, দ্রৌপদী, জানকী, দেবযানী, সুলোচনা, পদ্মাবতী, মন্দোদরী, সুভদ্রা এবং দময়ন্তী। উত্তানপাদের উদ্দেশ্যে সুনীতি,ভীমের প্রতি দ্রৌপদী, রামের প্রতি জানকী, যযাতির প্রতি দেবযানী, মাধবের প্রতি সুলোচনা, কর্ণের প্রতি পদ্মাবতী, রাবণের প্রতি মন্দোদরী, অর্জুনের প্রতি সুভদ্রা এবং নলের উদ্দেশ্যে পত্র রচনা করেছেন দয়মন্তী।
সব মিলিয়ে আত্মকথন ও সমসাময়িক ঘটনাবলির সমন্বয়ে পান্নালাল রায় এক মালা রচনা করেছেন, যার প্রতিটি ফুলের কোনওটিতে রয়েছে আনন্দময়তার সৌরভ, কোনওটিতে যেন আবার বিষন্নতার দীর্ঘশ্বাস। এটিকে আবার আত্মকথন কেন্দ্রিক এক ইতিহাস গ্রন্থও বলা যেতে পারে। নানা তথ্য বহুল সুখপাঠ্য এই গ্রন্থটি পাঠক সমাজে সমাদৃত হবে এমন আশা করা যায়। গ্রন্হটির দৃষ্টি নন্দন প্রচ্ছদ করেছেন কামনা দেব। প্রচ্ছদে ঐতিহাসিক ভাবনার প্রতিফলন ঘটেছে।
স্বাধীনতা ও দেশভাগের সময় সবচেয়ে বিতর্কিত অঞ্চল ছিল করিমগঞ্জ। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত জুড়ে পত পত করে দেশের জাতীয় পতাকা উড়লেও করিমগঞ্জ ছিল এর ব্যতিক্রম। করিমগঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয় ১৭ আগস্ট। আর আনুষ্ঠানিক ভাবে এখানে স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি রূপায়িত হয় ২৬ আগস্ট। কিন্তু কেন এমনটা ঘটেছিল? আর এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমাদের চোখ বোলাতে হবে ইতিহাসের ধূসর পৃষ্ঠায়।এই প্রসঙ্গে বাণীব্রত রায় তাঁর সুবৃহৎ গ্রন্হ 'করিমগঞ্জ কথা'য় তুলে ধরেছেন বিস্তৃত তথ্য। বলেছেন সিলেট নিয়ে বিতর্কিত গণভোট,রেডক্লিফ কমিশনের...
সাড়ে চার দশক আগে বাংলাদেশে সামরিক অভ্যুত্থানের চেষ্টা ও দেশটির প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হবার সংবাদটি যদি এখন ফের চোখের সামনে আসে তবে পাঠকের অনুভূতিটা কেমন হবে? কিংবা পাঁচ দশক আগে দেশে জরুরি অবস্থা জারি ও বিরোধী নেতৃবৃন্দকে মিসায় গ্রেপ্তারের সংবাদ? এমনই এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংকলন করেছে ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহী দৈনিক পত্রিকা ত্রিপুরা দর্পণ, যাতে পাতায় পাতায় অক্ষরবন্দি রয়েছে অর্ধ শতাব্দী!
“মেইল” এখন নানাবিধ “কল”… কলকলিয়ে কথা বলার যন্তর-মন্তর। শেষ কথাটা তবু থেকেই যায়। ডাকের চিঠি পড়ার দিন না থাকলেও, ডাকলে যেতে হয়, নাকি নয়? এর উত্তর ক্রান্তদর্শী কবির কাছেই। তিনি বলবেন, গঙ্গার তীরে চিতাকাঠ, খাদের পাশে চাঁদ… ক্রমাগত ডাকে “আয় আয়।” তবে, যেতে পারি, কিন্তু কেন যাব? ডাকের ঘরে এর উত্তর আছে?
কুমিল্লাতেই কুমার শচীন দেববর্মণের বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা। কিন্তু আগরতলার সঙ্গে ছিল নিবিড় সম্পর্ক। মাঝে মাঝে তিনি আগরতলায় আসতেন। রাজ্যেশ্বর মিত্র এক লেখায় জানিয়েছেন যে, তিনি শচীনকর্তাকে আগরতলাতে সাধারণের ব্যবহৃত পথেঘাটে হেঁটে বেড়াতে দেখেছেন। রাস্তার লোকজন কর্তার জন্য সসম্ভ্রমে সরে দাঁড়ালেও তিনি কিন্তু কারও দিকে অবহেলার দৃষ্টিতে তাকাননি। আগরতলায় ফুটবল মাঠে রেফারিও থাকতেন তিনি। সঙ্গীত চর্চায় বিরতি ছিলনা এখানেও। রাজপরিবারের কারো কারও বাড়িতে সাহেব আলী নামে এক জন লোকশিল্পী গান শোনাতে আসতেন।
বিদ্যাসাগর উপাধি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় একাই কেবল পাননি। সংস্কৃত কলেজের বিশেষ এই উপাধিতে ভূষিত বহু বিদ্যাসাগর আছেন। ইতিহাসে তাঁরাও আছেন তাঁদের সারস্বত সাধনার তাত্পর্য নিয়ে। তবুও, বিদ্যাসাগর বিপুল ও অভ্রভেদী হয়েছেন। কারণ, সকলেই যেমন কবি নন, কেউ কেউ কবি, তেমন-ই সকলেই যে ঈশ্বরচন্দ্র হতে পারেন না।
মা দুগ্গার সঙ্গে কার্ত্তিক ঠাকুরের মতোই মর্ত্যধামে আসেন গণেশ-ও। বিশ্বকর্মার সঙ্গে কার্ত্তিকের নানা সাদৃশ্য যেমন দৃ্শ্যমান, তেমন-ই গণেশের সঙ্গে শত কিংবা সহস্র যোজনেও খুঁজে পাওয়া কঠিন। একজন সুঠাম যুবাপুরুষ। অন্যজন স্থূল নরশরীরে হস্তিমুণ্ড ধারণ করে আছেন। তবে দু’জনের-ই চারটি হাত। আরেকটি বিষয়ও দৃষ্টি এড়িয়ে যাবে না হয়তো। বিশ্বকর্মার বাহন হাতি। সেই হাতির মস্তকটিই স্কন্ধে নিয়ে গণেশ প্রসিদ্ধ ও সর্বাগ্রে বন্দিত হয়েছেন। সভ্যতার তরণীকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একজন যদি কষে হাল ধরেন তো অন্যজন পাল তুলে ধরেছেন সেই ঝঞ্ঝাকুটিল সাগরযাত্রায়।
দুর্দমনীয় দশভাই দশভেয়েদের ত্রাসে তখন চারিদিকে একটাই রব—ত্রাহি ত্রাহি। এ এক আশ্চর্য ব্যাপার বটে! ভবিষ্যতে যিনি হবেন সকলের ইহকাল পরকালের ত্রাতা, তাঁর থেকেই তখন পরিত্রাণ চাইছে সকলে! মানুষই দেবতা গড়ে, তাহারই কৃপার ‘পরে করে দেব মহিমা নির্ভর!
"তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদঘাটন সূর্যের মতো।"যে কোনও যাত্রারম্ভের সূচনাই হোক এমনতরো, সূর্যরশ্মির মতো প্রখর অথচ ঋণাত্মকতায় পরিপূর্ণ আর তার যাত্রাকালের পরিক্রমাটুকু হয়ে থাকুক চিরভাস্বর। আমাদের যাত্রার সূচনালগ্নে তাই চিরভাস্বরতার প্রার্থনা করেই আমরা আমাদের সর্বাধিক প্রিয় পাঠকদের উদ্দেশে এই খোলা চিঠিটি রাখলাম। সময়ের সঙ্গে আমাদের যাত্রা আরম্ভ হল আজ থেকে। আমাদের নতুন ওয়েব নিউজ পোর্টাল www.samayupdates.in সময়ে, অসময়ে, সবসময়ে তার পাঠকদের কাছে বিশ্বের প্রতিটি কোনার খুঁটিনাটি প্রয়োজনীয় সংবাদ পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হয়েছে।...
দোল পূর্ণিমার সন্ধ্যায় চন্দ্রগ্রহণ। কলকাতা-সহ রাজ্যের আকাশে চাঁদ বাকি পাঁচটা দিনের তুলনায় অন্য রকম দেখাবে। এদিন দেখা যাবে একেবারে লালচে চাঁদ। যদিও কলকাতা থেকে চাঁদকে পুরোপুরি রক্তিম দেখাবে না। মিশেল থাকবে হলুদ এবং লাল উভয় রঙেরই।
অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে সফল ভাবে উৎক্ষেপণ হল ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘ইসরো’র তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহ ‘সিএমএস-০৩’। রবিবার বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটে নির্ধারিত সময়েই উৎক্ষেপণ করা হল এই ভারী কৃত্রিম উপগ্রহটি। ৪৪১০ কেজি ওজনের এই কৃত্রিম উপগ্রহটিকে মহাকাশে পৌঁছে দেবে ভারতের তৈরি এলভিএম৩-এম৫ রকেট। ভারতের মাটি থেকে জিওসিনক্রোনাস ট্রান্সফার অরবিট (জিটিও)-তে প্রতিস্থাপন করা হবে উপগ্রহটিকে।ইসরো এর আগে সাড়ে পাঁচ হাজার কেজিরও বেশি ওজনের কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে। তবে তা ভারতের মাটি থেকে পাঠানো হয়নি। ২০১৮ সালের...
কলকাতায় রাত প্রায় সাড়ে ১১টা। ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ চাঁদ ঢেকে গিয়েছে। চাঁদের রং একটু একটু করে লাল হতে শুরু করেছে। রাত ১২টা ২২ মিনিট পর্যন্ত পূর্ণগ্রাস গ্রহণ চলবে। ভারতীয় সময় ৮টা ৫৮ মিনিটে শুরু হয় চন্দ্রগ্রহণের প্রাথমিক বা পেনাম্ব্রাল পর্যায়। ৯টা ৫৭ মিনিটে চাঁদের আংশিক গ্রহণ শুরু হইয়ে জায়। ধীরে ধীরে ফ্যাকাশে হয়ে উঠে চাঁদের রং। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয় রাত ১১টায়। ১১টা ৪২ মিনিটের পর থেকে তা সব থেকে বেশি দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। আকাশে জ্বলজ্বল করবে রক্তবর্ণ চাঁদ। আবার কখনও সখনও ফ্যাকাশে হবে। ভারত-সহ পৃথিবীর একাধিক দেশ...
ভারতীয় সময় ৮টা ৫৮ মিনিটে শুরু হয়েছে চন্দ্রগ্রহণের প্রাথমিক বা পেনাম্ব্রাল পর্যায়। ৯টা ৫৭ মিনিটে চাঁদের আংশিক গ্রহণ শুরু হবে। ধীরে ধীরে ফ্যাকাশে হয়ে উঠবে চাঁদের রং। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে রাত ১১টায়। ১১টা ৪২ মিনিটের পর থেকে তা সব থেকে বেশি দৃশ্যমান হবে। আকাশে জ্বলজ্বল করবে রক্তবর্ণ চাঁদ। আবার কখনও সখনও ফ্যাকাশে হবে। ভারত-সহ পৃথিবীর একাধিক দেশ থেকে এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। আগামী রবিবার রাত ৯টা থেকে গভীর রাত (ভারতীয় সময়) পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। এর মধ্যে এক ঘণ্টা ২২ মিনিট (৮২ মিনিট) ধরে...
ভারতীয় সময় ৮টা ৫৮ মিনিটে শুরু হয়েছে চন্দ্রগ্রহণের প্রাথমিক বা পেনাম্ব্রাল পর্যায়। ৯টা ৫৭ মিনিটে চাঁদের আংশিক গ্রহণ শুরু হবে। ধীরে ধীরে ফ্যাকাশে হয়ে উঠবে চাঁদের রং। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে রাত ১১টায়। ১১টা ৪২ মিনিটের পর থেকে তা সব থেকে বেশি দৃশ্যমান হবে। আকাশে জ্বলজ্বল করবে রক্তবর্ণ চাঁদ। আবার কখনও সখনও ফ্যাকাশে হবে। ভারত-সহ পৃথিবীর একাধিক দেশ থেকে এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। আগামী রবিবার রাত ৯টা থেকে গভীর রাত (ভারতীয় সময়) পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। এর মধ্যে এক ঘণ্টা ২২ মিনিট (৮২ মিনিট) ধরে...
* আমার সেরা ছবি (Photography) : পর্ণা চৌধুরী (Parna Chowdhury) ইংরেজির শিক্ষিকা, গভঃ বেসিক কাম মাল্টিপারপাস স্কুল, বাণীপুর।
মঙ্গলদীপ জ্বালাও আজি।হিমের রাতে ওই গগনের দীপগুলিরে।জ্বালাও আলো, আপন আলো, শুনাও আলোর জয়বাণীরে।যাক অবসাদ বিষাদ কালো, দীপালিকায় জ্বালাও আলো...অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই তো তোমার...
আলোকের এই ঝর্ণাধারা…
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠ না ফুটে মন।ঝেঁটিয়ে হবে অলক্ষ্মী বিদায়। জমে উঠেছে ধনতেরসের বাজার!লক্ষ্মীর পশরা সাজিয়ে বসে...
সিঁদুরখেলায় সীমন্তিনী। বিদায়বেলায় মেয়েকে বরণ। আবার আসিস মাগো ফিরে! বিসর্জন।
শুক্রবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল দেশে তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী ‘আইএনএস বিক্রান্ত’-এর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্বোধনের পর আজ থেকে জলে ভাসবে।
সেতুর মনভোলানো নকশা, এলইডি আলোর বাহার এবং পশ্চিম দিকে সাজানো ফুলের বাগান পর্যটকদের চোখ টানবেই।
নতুন দলে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদেরা। রবিবার সন্ধ্যায় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে এমনটাই জানিয়ে এলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী ব্লকের ২০ জন সাংসদ। ওই দলের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে তৃণমূলের বিদ্রোহী ব্লকটি। দলটির নাম ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’...
সম্মান না পেলে আর তৃণমূলের সঙ্গে থাকবেন না। জানিয়ে দিলেন বীরভূমের নেতা অনুব্রত মণ্ডল। এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে নিজের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। রাজ্যে দলের এই ভরাডুবির জন্য দায়ী করেছেন আইপ্যাককে। অভিযোগ, জেলা থেকে শুরু করে ব্লক স্তর পর্যন্ত সর্বত্রই টাকা...
সম্মান না পেলে আর তৃণমূলের সঙ্গে থাকবেন না। জানিয়ে দিলেন বীরভূমের নেতা অনুব্রত মণ্ডল। এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে নিজের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। রাজ্যে দলের এই ভরাডুবির জন্য দায়ী করেছেন আইপ্যাককে। অভিযোগ, জেলা থেকে শুরু করে ব্লক স্তর পর্যন্ত সর্বত্রই টাকা...
অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজের সন্তানের নামকরণের আগে জ্যোতিষের সাহায্য নেন মা-বাবা। তারপর সন্তানের জন্মের দিন, তারিখ, রাশি, নক্ষত্র বিচার করে তার নামের প্রথম অক্ষর চূড়ান্ত করেন জ্যোতিষীরা।
দ্বাদশ ভাবের সাথে লগ্ন, তৃতীয়, অষ্টম ,নবমভাবে সংযোগে এবং অশুভ রাহু যুক্ত হলে বিদেশে গিয়ে বিপদ বা ক্ষতি হওয়া নির্দেশ করে থাকে।
বাস্তুশাস্ত্র মতে, আটটি দিক আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বাস্তুশাস্ত্রের সঠিক প্রয়োগে এই প্রভাব মানব জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি এবং শ্রীবৃদ্ধির সহায়ক হতে পারে। কোন দিকের প্রভাব কেমন?
প্রেম করে বিয়ে? কোনও সম্পর্কের মধ্যে রয়েছেন? ঠিক আছে, এত চিন্তা না করে একবার মিলিয়ে দেখুন তো প্রেম ভালোবাসার ক্ষেত্রে নয়টি গ্রহ আপনার জন্মছকে কী প্রভাব ফেলেছে।
বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিক অর্থাৎ ঈশান কোণে মাটি থেকে অন্ততপক্ষে এক ফুট উপরে ঠাকুর অথবা দেব দেবীর পুজো আরাধনা সংসারের পক্ষে সার্বিক কল্যাণকর। আর্থিক সুখ সমৃদ্ধির সহায়ক হয়।
কবি বলেছেন, “সহে না যাতনা, দিবস গণিয়া গণিয়া বিরলে”… সোনার খাঁচায় ভরা একেকটা দিন একেকরকম। কোনওটা রঙিন, কোনওটা মলিন, কোনওটা বিষণ্ণ কিংবা বিপন্ন, কোনওটা ভাবগম্ভীর, তীক্ষ্ণ, অন্তর্ভেদী, কোনওটা খাঁচার বাইরে এসে ডানা ঝাপটায়।
সেপ্টেম্বরের মাঝে আসেন বিশ্বকর্মা। বিশ্বকর্মা পুজো মানে আশ্বিনের শারদপ্রাতে অকাল বোধনের আগে সেমিফাইনাল। ইদানীং গণেশ পুজো একটা কোয়ার্টার ফাইনালের অবকাশ রাখে বটে, তবে বিশ্বকর্মার মেজাজ আলাদা। লোকে বলে, বিশ্বকর্মাই পরে একবার কাত্তিক হয়ে আসেন।
সেপ্টেম্বরের আট তারিখ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। জাতিপুঞ্জের মূল লক্ষ্যগুলির অন্যতম বিশ্বজুড়ে লিটারেসি বৃদ্ধি করা, আত্মমর্যাদার উপলব্ধি ও মানবাধিকার রক্ষায় সার্বিকভাবে সচেতন হয়ে ওঠা মানুষের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে মানুষ বলে চিনতে যাতে ভুল না হয় তার জন্য এ সবের আয়োজন।
সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় দিনে বিশ্ব নারিকেল দিবস। সেই কবেই রবিগুরু বলেছেন, “নারিকেলের শাখে শাখে ঝোড়ো হাওয়া কেবল ডাকে, ঘন বনের ফাঁকে ফাঁকে বইছে নগনদী/ সাত রাজার ধন মানিক পাব সেথায় নামি যদি”…. এবং সেই কারণেই এই দিবস।
আগস্টের চার তারিখে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসিসট্যান্স ডগস’ ডে। যে সব কুকুররা, মানে সারমেয়গণ আর্ত রোগীর চলাফেরায় সহায়ক হয়, তাদের কথা মনে রেখেই এদিনের উদযাপন। শুধু এটাই নয়, ছাব্বিশ তারিখে আন্তর্জাতিক সারমেয় দিবস।
আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।