পর্ব-২৪ : চম্পারণ-বেতিয়া এবং অভিযাত্রী শংকর
বেতিয়া ক্যাম্প যেন নগ্নতা ক্ষুধা মৃত্যুর শ্মশানভূমি। অনেক উদ্বাস্তু এখানকার জীবন সহ্য করতে না পেরে পালিয়েছে। বাকিরা মৃত্যুর দিন গুনছে। ক্যাম্প অফিসাররা হৃদয়হীন। আর ক্যাম্পবাসীদের দেখতে কীট-পতঙ্গের মতো। দঙ্গল দঙ্গল মানুষ খেতে পাচ্ছে না। তার ওপর রোজের থেকে রোজ পঙ্গপাল মানুষের ভিড় বাড়ছে। ভিড়ের সঙ্গে ভিড় ঢেউয়ের মতো মিশে বেতিয়া চম্পারণ কে বানিয়েছে উদ্বাস্তু বাঙালের বিচ্ছিন্ন দ্বীপভূমি।
পর্ব-৯৫: ত্রিপুরায় স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রভাব
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন ও রাখী বন্ধন উৎসবের প্রভাবে রাজধানী আগরতলায় সব সম্প্রদায়ের মানুষ বন্দেমাতরম গাইতে গাইতে মিছিল করেছিল। ১৯০৮ সালে ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসির সংবাদে রাজপরিবারের অনেকেই শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে রাজা রাধাকিশোরও এর প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছিলেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। ফাঁসির দিন আগরতলার উমাকান্ত অ্যাকাডেমির শিক্ষার্থীরা বন্দেমাতরম গাইতে গাইতে পতাকা হাতে শহরের রাজপথ অতিক্রম করেছিল বলে উল্লেখ করেছেন ইতিহাসবিদ ড.জগদীশ গণচৌধুরী।
পর্ব-১২৪: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৫
একসময় বাঙালি নায়িকারা ফিগার সচেতন ছিলেন না। খাওয়া-দাওয়ার আজকের ধরাকাট তখন অত গুরুত্ব পেত না। বয়সের বাড়লেই নায়কদের ভুঁড়ি আর নায়িকারা বুড়ি! দিনকাল পাল্টে গিয়েছে। এখন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা নিয়ম করে উপোস করেন। ইন্টার্মিনান্ট ফাস্টিং। নিয়মিত বিরতি-সহ উপবাস। মাছেভাতে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে নিদারুণ কোপ। ভাতহীন জীবন। আর তাতেই ছিপছিপে তন্বীরা বয়সের গলায় চেন বেঁধে রেখেছেন।
পর্ব-১৫০: দণ্ডকারণ্যে শূর্পনখা—একটি নাটকীয় চমক ও দ্বৈতসত্তায় অনন্য রাম
পঞ্চবটীবনে রাম, সীতা ও লক্ষ্মণ আশ্রয় নিয়েছেন। হেমন্ত ঋতু সমাগত। গোদাবরী নদীতে স্নানান্তে তাঁরা তিনজন, লক্ষ্মণনির্মিত আশ্রমস্থ পর্ণকুটিরে প্রবেশ করলেন। মহর্ষিগণ তাঁদের সম্মানিত করলেন। পর্ণকুটিরে সুখের আবহে, চিত্রানক্ষত্রযুক্ত চন্দ্রিমার মতো সীতা-সহ অবস্থান করছেন রাম। তিনি, লক্ষ্মণের সঙ্গে আলাপচারিতায় বিভিন্ন কথাবার্তায় নিরত হলেন। সেই সময়ে সেইখানে স্বেচ্ছায় উপস্থিত হল এক রাক্ষসী। সে, দশানন রাবণের ভগিনী শূর্পনখা।
দোলি হ্যায়!
ঋষি উগ্রশ্রবা তাঁর পলিতকেশদাম ও শ্বেতশ্মশ্রুভারের অন্তরাল থেকে উজ্জ্বল নেত্রদুটি বিস্ফারিত করে প্রশ্ন করলেন, “হে প্রভো! আমরা দোলযাত্রার কথা জানি, কলিযুগের মর্ত্যধামে হোরিখেলার কথাও শ্রবণ করেছি, এও জানি যে কালে কালে হোরিখেলা “হ্যাপ্পি হোলি”তে পর্যবসিত হবে, এবং তা পাণিনীয় বিধিসম্মত, যেহেতু রলয়োরভেদঃ এই সূত্র স্বয়ং মহামুনি পাণিনি প্রণয়ন করেছেন। তবে কলিযুগের মর্ত্যে “দোলি” উত্সবটি কীদৃশ হবে এ বিষয়ে আমাদের আলোকিত করুন, নিঃসংশয় করুন।
ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল
হাঁটাহাঁটি শুরু করেছেন, চিনি খাওয়াও ছেড়েছেন, তবুও সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না? জল কম খাচ্ছেন না তো?
অনেকে মনে করেন, সুগার এক বার ধরে যাওয়া মানে আজীবন ওষুধ খেয়ে যেতে হবে। সেই সঙ্গে শুধু তো ওষুধ খাওয়া নয়, পাশাপাশি পছন্দের খাবারও একে একে ছেঁটে ফেলতে হবে। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) পরিসংখ্যান বলছে, আমাদের দেশে ডায়াবিটিসের রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করাই নয়, ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণেও কাজে লাগতে পারে ইসবগুল! কেবল জানতে হবে খাওয়ার নিয়ম
কোষ্ঠকাঠিন্যের নিরাময়ে বহু মানুষ ভরসা রাখেন ইসবগুলের ভুসির ওপর। রাতের খাবার খাওয়ার পর ঈষদুষ্ণ জলে সামান্য এই ভুসি ভিজিয়ে খেলে সকালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শৌচাগারে বসে থাকতে হয় না। এই ভেষজের মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। জলে ভিজে এই ভেষজ আরও ফুলে ওঠে, পিচ্ছিল হয়ে যায়। পেটের নানাবিধ ব্যামো সারাতে এই ভেষজের ব্যবহার বহু পুরনো। গ্যাস, অম্বল, পেটফাঁপা কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নিরাময়ে ঘরোয়া টোটকা হিসাবে ইসবগুলের ভুসির ব্যবহার হয়ে আসছে বহু দিন ধরে। তবে, পেট ভাল রাখা ছাড়াও এই ভেষজের আরও অনেক কাজ রয়েছে। খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানলে...
বাড়িতে বছর শেষে পার্টি করবেন? কীভাবে শিশুদের সামলাবেন? রইল টিপস
বছর শেষ হতে আর মাত্র দু’দিন বাকি। এবার পালা নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর। তাই ভাবছেন, বছরের শেষে কোথাও না গিয়ে বাড়িতেই পার্টি করলে কেমন হয়? পার্টির কথা মাথায় এলেই প্রথমেই যেটা করতে হয় তা হল নিজের বাড়িতে পরিপাটি করে সাজানো। তাই পরিকল্পনা মত ঘর সাজানোর কাজও শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু এক্ষেত্রে বড় একটা সমস্যা হল বাড়ির ছোটদের নিয়ে।
শীতে বাড়ছে ইউরিক অ্যাসিডের ব্যথা, কোন কোন খাবার খেলে যন্ত্রণা কমবে?
ইউরিক অ্যাসিড ধরা পড়লে বড়সড় বদল আসে খাওয়াদাওয়ায়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার কম খেতে হয়। সেই সঙ্গে তেল-মশলাও বাদ দিতে হয়। তবে রোজদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু পরিবর্তন আনলেই ইউরিক অ্যাসিডের ব্যথা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। একঝলকে জেনে নিন কোন কোন খাবার খেলে ইউরিক অ্যাসিডের যন্ত্রণা কমবে।
চশমা পরার দিন কি শেষ? কয়েক ফোঁটা ড্রপেই ঝাপসা দৃষ্টি হবে স্পষ্ট, নতুন আবিষ্কারের দাবি
কথায় আছে চল্লিশ পেরোলে চালসে। তবে যতই চালসে ধরুক, এবার আর চশমা পরতেই হবে না। বই, খবরের কাগজ সবই কাছে থেকে পড়া যাবে। আর কাগজপত্রে সই করার জন্য বয়স্কদের চশমা খুঁজতে হবে না। চশমা পরার ঝক্কি কমাবে মাত্র একটি আই ড্রপেই। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছে, এমনটাই দাবি করেছেন গবেষকরা। চোখে কয়েক ফোঁটা ড্রপ দিলেই ঝাপসা দৃষ্টি হবে পরিষ্কার।
দেহ-মন
হাঁটাহাঁটি শুরু করেছেন, চিনি খাওয়াও ছেড়েছেন, তবুও সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না? জল কম খাচ্ছেন না তো?
অনেকে মনে করেন, সুগার এক বার ধরে যাওয়া মানে আজীবন ওষুধ খেয়ে যেতে হবে। সেই সঙ্গে শুধু তো ওষুধ খাওয়া নয়, পাশাপাশি পছন্দের খাবারও একে একে ছেঁটে ফেলতে হবে। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) পরিসংখ্যান বলছে, আমাদের দেশে ডায়াবিটিসের রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করাই নয়, ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণেও কাজে লাগতে পারে ইসবগুল! কেবল জানতে হবে খাওয়ার নিয়ম
কোষ্ঠকাঠিন্যের নিরাময়ে বহু মানুষ ভরসা রাখেন ইসবগুলের ভুসির ওপর। রাতের খাবার খাওয়ার পর ঈষদুষ্ণ জলে সামান্য এই ভুসি ভিজিয়ে খেলে সকালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শৌচাগারে বসে থাকতে হয় না। এই ভেষজের মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। জলে ভিজে এই ভেষজ আরও ফুলে ওঠে, পিচ্ছিল হয়ে যায়। পেটের নানাবিধ ব্যামো সারাতে এই ভেষজের ব্যবহার বহু পুরনো। গ্যাস, অম্বল, পেটফাঁপা কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নিরাময়ে ঘরোয়া টোটকা হিসাবে ইসবগুলের ভুসির ব্যবহার হয়ে আসছে বহু দিন ধরে। তবে, পেট ভাল রাখা ছাড়াও এই ভেষজের আরও অনেক কাজ রয়েছে। খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানলে...
নখ থেকে চুল, সবের জন্য খেতে পারেন বিট
অনেকেই আছেন যাঁরা বিট দেখলেই রেগে যান, বিটের স্বাদ তাঁদের মোটেও পছন্দ নয়। তবে চিকিৎসকদের মতে, শীতের ডায়েটে বিট রাখা বেশ স্বাস্থ্যকর। কী কী গুণ রয়েছে শীতের এই সব্জিতে?
শুধু ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য নয়, শরীরের আর কী কী যত্ন নেয় নারকেল তেল?
কথায় বলে, বহু গুণে নারকেল। এর জল থেকে শাঁস— সবই উপকারী। প্রায় সব রকম ভিটামিন, আয়রন, কপার, ম্যাঙ্গানিজ়ে সমৃদ্ধ নারকেল পাতে এক থেকে দু’টুকরো থাকলেই যথেষ্ট। এর নাকি উপকার অনেক। ওজন কমবে, উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকবে, এমনকি ভাল থাকবে হৃদ্যন্ত্রও। সকাল সকাল খালি পেটে নারকেল খেলে কী কী উপকার হতে পারে তা জেনে রাখুন।
শীতে বাড়ছে ইউরিক অ্যাসিডের ব্যথা, কোন কোন খাবার খেলে যন্ত্রণা কমবে?
ইউরিক অ্যাসিড ধরা পড়লে বড়সড় বদল আসে খাওয়াদাওয়ায়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার কম খেতে হয়। সেই সঙ্গে তেল-মশলাও বাদ দিতে হয়। তবে রোজদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু পরিবর্তন আনলেই ইউরিক অ্যাসিডের ব্যথা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। একঝলকে জেনে নিন কোন কোন খাবার খেলে ইউরিক অ্যাসিডের যন্ত্রণা কমবে।
হরেকরকম্বা
দোলি হ্যায়!
ঋষি উগ্রশ্রবা তাঁর পলিতকেশদাম ও শ্বেতশ্মশ্রুভারের অন্তরাল থেকে উজ্জ্বল নেত্রদুটি বিস্ফারিত করে প্রশ্ন করলেন, “হে প্রভো! আমরা দোলযাত্রার কথা জানি, কলিযুগের মর্ত্যধামে হোরিখেলার কথাও শ্রবণ করেছি, এও জানি যে কালে কালে হোরিখেলা “হ্যাপ্পি হোলি”তে পর্যবসিত হবে, এবং তা পাণিনীয় বিধিসম্মত, যেহেতু রলয়োরভেদঃ এই সূত্র স্বয়ং মহামুনি পাণিনি প্রণয়ন করেছেন। তবে কলিযুগের মর্ত্যে “দোলি” উত্সবটি কীদৃশ হবে এ বিষয়ে আমাদের আলোকিত করুন, নিঃসংশয় করুন।
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৫০: বালোদক-জাতক—বীরভোগ্যা বসুন্ধরা
রাজকীয় ঘোটকবাহিনী এই দীর্ঘ পথশ্রমে নিতান্তই শ্রান্ত হয়ে পড়েছিল। রাজ্যে ফিরে রাজা সেই শ্রমক্ষিণ্ণ ক্লান্ত অশ্বদলের ক্ষুৎপিপাসা দূর করতে তাদের সরস খাদ্য ও দ্রাক্ষারস সেবন করানোর আদেশ দিলেন। সুগন্ধি রস পান করে হৃষ্ট অশ্বসকল অশ্বশালায় যথাস্থানে নীরবে স্থির হয়ে দণ্ডায়মান রইল।
পূর্বোত্তরের পরিপ্রেক্ষিতে মাতৃভাষা দিবস
মাতৃভাষার জন্য সংগ্রাম অবশ্য নতুন কোনও বিষয় নয়। নতুন নয় মাতৃভাষা সুরক্ষার লড়াইয়ের ঘটনাও। আমাদের দেশের নানা অঞ্চলেও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর নিজ নিজ মাতৃভাষা সুরক্ষার লড়াইয়ের ঘটনার নজির রয়েছে। ঘটেছে রক্তক্ষয়ী ঘটনাও। ওপারের একুশের মতো মাতৃভাষার আন্দোলনের ক্ষেত্রে এপারেও অমর হয়ে আছে উনিশে মে। ১৯৬১ সালের এই দিনটিতেই মাতৃভাষার জন্য শিলচরে শহিদ হয়েছিলেন এগারো জন। সেদিনের এই ভাষা আন্দোলনকে কেউ কেউ গণ অভ্যুত্থান হিসেবেও অভিহিত করেছেন।
সংসার ভেঙে… চলে গেলেন শঙ্কর
ঝাঁ-চকচকে অফিসঘরে বসেছিলেন মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়। নিশীথদা আলাপ করিয়ে দিলেন। আমি প্রণাম করলাম। খুব ব্যস্ত মানুষ। অনবরত ফোন বাজছে। দামি চা এসে গিয়েছে। ব্যস্ততার মধ্যেই স্ক্রিপ্ট শুনলেন। নিশীথদার সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক। প্রোডাকশনের নানাদিক আলোচনা হচ্ছিল। গল্পের অনুমতি আগেই রবীনদাকে দিয়েছিলেন। হয়তো যে লিখছে তাকে একবার চোখে দেখতে চেয়েছিলেন। ভাগ্যিস। না হলে তো ওরকম অসামান্য প্রতিভাধর একজন মানুষের সঙ্গে দেখাই হতো না।
এই ভাষাতেই করি গান
মাতৃভাষা, কাজের ভাষা, কথার ভাষা, যোগাযোগের ভাষা, আমার ভাষা তোমার ভাষা, ওদের ভাষা তাদের ভাষা, ক্ষমতার ভাষা, ধনীর ভাষা দরিদ্রের ভাষা… পৃথিবীর সকল ভাষাকে ঘিরেই এসব থিওরির চলাচল। এরপাশেও জীবিত ভাষা, মৃত ভাষা ইত্যাদির তর্ক সামলে দেখা যায় এপাড়ায় যে ভাষার দাপট, ওপাড়ায় তাই-ই নাকি বিপন্ন। তাহলে বিপন্নতাতেই এসে থামে সকল কিছু? আসলে তর্কটা ওই বিপন্নতার, ভাষাটি মর্যাদা পাচ্ছে?
শিক্ষাঙ্গন
এখনই রাজ্য সরকার ভাতা দিতে পারবে না চাকরিহারা গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি কর্মীদের, অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাই কোর্টের
রাজ্য সরকারের চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তাতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বা কলকাতা হাই কোর্ট যতদিন না পরবর্তী নির্দেশ দিচ্ছে ততদিন পর্যন্ত ভাতা দিতে পারবে না রাজ্য। এমনটাই জানিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিংহ। কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়েছে, রাজ্যকে চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে। আবার মামলাকারীরা তার ১৫ দিনের মধ্যে পাল্টা হলফনামা জমা দেবেন।কলকাতা হাই কোর্টের এই রায়ে রাজ্য সরকার ধাক্কা খেল বলেই মনে করছেন । অন্য আর একটি অংশের অবশ্য...
জয়েন্ট এন্ট্রান্স: নতুন ওবিসি প্যানেল তৈরির নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের, কাউন্সেলিংয়ে ২০১০ পরবর্তী শংসাপত্রে সুযোগ নয়
কলকাতা হাই কোর্ট গত বছরের জয়েন্ট এন্ট্রান্স (মেডিক্যাল-স্নাতকোত্তর) পরীক্ষায় অন্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি)-র পরীক্ষার্থীদের নতুন প্যানেল তৈরি করার নির্দেশ দিল। অভিযোগ ২০২৪ সালে জয়েন্ট এন্ট্রা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের একাংশ কাউন্সেলিংয়ের সুযোগ পাননি। শেষমেশ এ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা গড়ায়। বুধবার এই মামলাটি ওঠে বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে।
ডিএ মামলায় সুপ্রিম নির্দেশ, চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কর্মীদের ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ দিয়ে দিন: রাজ্যকে সুপ্রিম কোর্ট
বড় খবর। ডিএ মামলায় বাংলাকে সুপ্রিম নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আপাতত ২৫ শতাংশ বকেয়া মহার্ঘভাতা দিয়ে দিতে বলল সুপ্রিম কোর্ট। সকল কর্মচারীকে এই পরিমাণ ডিএ চার সপ্তাহের মধ্যে দিতে বলেছে শীর্ষ আদালত। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। এই বেঞ্চই এমনই নির্দেশ দিয়েছে। আগামী অগস্ট মাসে ডিএ মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।এখন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পান। এবার বাজেট বক্তৃতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চার শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা...
মাধ্যমিকে প্রথম দশে কে কে? প্রথম দশে কত জন পরীক্ষার্থী? পাশের হারে কোন জেলা শীর্ষে, দেখে নিন সম্পূর্ণ মেধাতালিকা
২ মে, বৃহস্পতিবার ২০২৫-এর মাধ্যমিক ফলাফল প্রকাশিত হল। এ বার ফলপ্রকাশ করা হয়েছে ৬৯ দিনের মাথায়। মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১০ ফেব্রুয়ারি, আর শেষ হয় ২২ ফেব্রুয়ারি। এ বার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪২৫ জন।
মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হবে ২ মে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৭০ দিনের মধ্যে ফল ঘোষণা
চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ১০ ফেব্রুয়ারি। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে ২২ ফেব্রুয়ারি। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরীক্ষা শেষের প্রায় ৭০ দিনের মাথায় ফল ঘোষণা হতে চলেছে। মে মাসের শুরুতেই ফলাফল ঘোষিত হবে।
বিনোদন
পর্ব-৮৫ : সাথী হারা
১৯৬১ সালের বাংলা চলচ্চিত্র ‘সাথীহারা’ হল উত্তম কুমার ও মালা সিনহা অভিনীত একটি রোম্যান্টিক ড্রামা যা, কুন্দন ও রূপা নামের দুই ভবঘুরে গায়কের কাহিনি অনুসরণ করে। শুরুতে একে অপরের প্রেমের ব্যাপারে অজ্ঞাত থাকলেও পরিস্থিতি, তাদের ভালোবাসার গভীরতা উপলব্ধি করতে বাধ্য করে। সুজন নামের একজন সংগীত পরিচালকের পাল্লায় পড়ে তাদের জীবনে নেমে আসে বিচ্ছেদ ও ভুল বোঝাবুঝি অবশেষে কাহিনীর হাত ধরে কুন্দন রূপাকে উদ্ধার করে মিলন সম্পন্ন করে।
সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৩ : ফেলুদার শেষদৃশ্য— শেষের পরে, শেষের পারে
রহস্য-রোমাঞ্চ ঠিক কীরকম? আভিধানিক অর্থ ধরে এগোলে রহস্যে একরকম গোপনীয় বিষয় থাকবে, আর রোমাঞ্চ হল যা গায়ের লোম খাড়া করে দেবে। সুতরাং এমন কোনও গোপন বিষয়ের উদ্ঘাটন হয় এখানে যার পথে থাকে শিহরণ, বুক দুরুদুরু “কী হয় কী হয়” ভাব। আজ সত্যজিৎ রায়ের দুটি রহস্যনির্ভর ছবি সোনার কেল্লা ও জয় বাবা ফেলুনাথের শেষ দৃশ্য।
সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২২ : জন অরণ্য ও পরশপাথর— যে জন থাকে মাঝখানে
পরশপাথরে পণ্যবিশ্বে যে আঘাত ঘনীভূত হতে বসেছিল তা এক সঙ্কেত কেবল। শূন্য ও অযথার্থের নিয়ন্ত্রণ ক্ষণস্থায়ী। পরশপাথরের ছোঁয়া যেমন লোহাকে সোনা করে, তেমনই তথাকথিত ‘মিডলম্যানের’ মধ্যস্থতায়, দালালিতে পণ্য হয়ে ওঠে বিক্রয়যোগ্য। সেখানে মূল্যমান, গুণমান ইত্যাদি প্রভৃতি সকলই আপেক্ষিক। কেবল সত্য হল পণ্য হয়ে ওঠা, পণ্য করে তোলা। দালাল তাই নিজেও এই ব্যবস্থাপনার একটা অংশ নয় কেবল, সেও পণ্য-ই।
পর্ব-৮৪ : শুন বরনারী
চলচ্চিত্র শিল্পে উত্তম কুমার নামক একজন ক্ষণজন্মা নায়কের আবির্ভাবে বাংলা চলচ্চিত্রের মোড় ঘুরে গিয়েছিল। অতি সাধারণ কাহিনিকে অসাধারণ মোড়কে উপস্থাপন করার এবং দর্শক মনের প্রতিটি স্বরলিপির সাথে নিজেকে সঠিক সরগম-এ বাঁধার একটা অতুলনীয় দক্ষতা তার স্ক্রিন প্রেজেন্সে পাওয়া যেত।
পর্ব-৮৩ : শহরের ইতিকথা
ছবিটির আরেকটি মস্ত বড় সম্পদ ছিল রবীন চট্টোপাধ্যায়ের মতো গুণী সংগীত পরিচালকের অংশগ্রহণ। তাঁর সুরে শ্যামল মিত্র, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে প্রতিটা গান একটি নতুন মাত্রায় উপস্থিত হয়েছে। যা ছবির সারস্বত সম্পদকে অনেক বাড়িয়ে তুলেছিল। এইভাবে আমরা ছবির সমস্ত আঙ্গিক পর্যালোচনা করলে এটিকে একটি বাণিজ্য সফল কালজয়ী ছবি আখ্যা দিতে পারি।
দশভুজা
আমার দুর্গা: বিজ্ঞানী রাজেশ্বরী চট্টোপাধ্যায়
কর্মরত অবস্থায় তাঁর সাতটি প্রযুক্তিমূলক বই বেরোয় এবং ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে সেইসব বই খুব সাড়া ফেলে। প্রফেসর পদে উন্নীত হওয়ার পর তিনি ইলেকট্রিক্যাল কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভামুখ্য নির্বাচিত হন। বিভাগে দীর্ঘদিন পড়িয়েছিলেন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক থিওরি, গভীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছিলেন ইলেকট্রন টিউব সার্কিট এবং মাইক্রোওয়েভ টেকনোলজি বিষয়ে। কুড়িজন পিএইচডির ছাত্রের দিকদর্শন, শতাধিক গবেষণাধর্মী লেখালেখি এবং মাইক্রোওয়েভ ইঞ্জিনিয়ারিং ও অ্যান্টেনা প্রযুক্তির উপর তাঁর সাতটি বই স্বাধীনোত্তর বিজ্ঞান সাধনায় সুদিন নিয়ে আসে।
পৃথিবীর সর্বোচ্চ একক আর্চ ব্রিজের নির্মাণে বিনয়ী এক অধ্যাপিকা
অন্ধ্রপ্রদেশের অখ্যাত এড়ুগুণ্ডলাপাড়ু গ্রামে জন্মে পড়াশোনা তো দূরস্থান, নারীজীবন যখন চার দেওয়ালের অন্তরালে কেটে যাওয়ার কথা, সেই অস্তিত্বের সঙ্কট কাটিয়ে ২০২২ সালে দেশের প্রথম ৭৫ জন মহিলা (STEAM) গবেষকদের তালিকায় উঠে আসে তাঁর নাম। নক্ষত্র ছুঁতে ভয় পাওয়া, আড়ালে থাকা, মহিলা জীবনের অর্ধেক আকাশ তিনি একাই ছোঁয়াতে পারেন। নিজের কৃতিত্ব সম্পর্কে অবলীলায় বলতে পারেন, “Sometimes I win, … sometimes I learn.”
দশভুজা, সরস্বতীর লীলাকমল, পর্ব-৪৮: প্রতিভা দেবী—ঠাকুরবাড়ির সরস্বতী
ঠাকুরবাড়ির মেয়েরা ছিলেন রূপে লক্ষ্মী গুণে সরস্বতী। ঠিক এমনটাই ছিলেন প্রতিভা দেবী, রবীন্দ্রনাথের সেজদাদা হেমেন্দ্রনাথ আর নীপময়ীর বড় মেয়ে। বেথুন স্কুলে পড়াশুনা, গুণী সঙ্গীতজ্ঞদের কাছে গান এবং সেতার শিখেছিলেন প্রতিভা। ভাই হিতেন্দ্রনাথের সঙ্গে ‘বিদ্বজ্জন সভা’য় সেতারও বাজিয়েছেন। কিন্তু প্রতিভার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ‘বাল্মীকি প্রতিভা’র সংযোগটাই অমরতা পেল।
শক্তিরূপেন সংস্থিতা: স্বয়ংসিদ্ধা
দুপুরের নিস্তব্ধতা ভেঙে আওয়াজ আসে, সব্জি নেবে গো সব্জি। ভ্যান ঠেলে ঠেলে নিয়ে চলে এক শীর্ন দেহি মহিলা। ক্লান্ত দুটি চোখ। মাথায় একটা টুপি। ভ্যান ভরা মরসুমি সব্জি। নাম দীপা বিশ্বাস। কোভিডের সময় থেকে বাজার উঠে এসেছিল বাড়ি বাড়ি। পুরুষদেরই সব্জি ফেরি করতে দেখেছি এতদিন কল্যাণীতে।
দশভুজা, সরস্বতীর লীলাকমল, পর্ব-৪৭: মৃণালিনীর চিঠি
মৃণালিনী দেবীর জীবনের সময় তো খুব বেশিদিন ছিল না, পরিচিতি বলতে প্রতিভাবান কবির স্ত্রী। জীবনের সংক্ষিপ্ত পরিসরে স্বামী সন্তান আর ঘরের দেখভাল করতে থাকা মৃণালিনীর গল্প সকলের জানা। আমি বরং আজ মৃণালিনীর চিঠির দেরাজ খুলে বসি আর অক্ষরের উপর অক্ষর সাজিয়ে এক নতুন মৃণালিনীকে খুঁজতে থাকি। যদি বলি, যে কয়টি চিঠি পড়তে পেরেছি, আর তাঁর প্রত্যুত্তরগুলি থেকে যেটুকু আভাস পেয়েছি আমার মনে হয়েছে একটু সুযোগ আর সময় পেলে মৃণালিনী দিব্যি রম্যরচনা লিখতে পারতেন।
পশ্চিমবঙ্গ
প্রয়াত সাহিত্যিক শংকর, শোকস্তব্ধ বাংলা লেখকমহল
প্রয়াত সাহিত্যিক মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। যদিও টিনি পরিচিত ছিলেন ‘শংকর’ নামে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। জানা গিয়েছে, পনেরো আগে একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বর্ষীয়ান সাহিত্যিক। সেই সময় শংকরের খাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তিনি ঝিমিয়ে পড়েছিলেন। বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতের নক্ষত্রপতনে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুঃসংবাদ প্রকাশ্যে আসতেই শোকের আবহ সাহিত্যজগৎ থেকে বইপাড়ায় শোকের আবহ। শোকবার্তা জ্ঞাপন করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত...
কেঁপে উঠল কলকাতা, রাত ৯টা নাগাদ ভূমিকম্পে নড়ে উঠল শহর এবং রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলা
কেঁপে উঠল কলকাতা। মঙ্গলবার রাত ৯টা নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়েছে বাংলার রাজধানীর বিস্তীর্ণ অংশে। পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎসস্থল মায়ানমার বলে জানা গিয়েছে। রিখটার স্কেলে উৎসস্থল মায়ানমারের কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। পাশাপাশি বাংলাদেশ এবং ইন্দোনেশিয়াতেও ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, সোমবার আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ ভূমিকম্প হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ভারতের ভূতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি) জানিয়েছে, সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬। তবে সম্পত্তির...
কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু বাংলা, কলকাতায় মরসুমের শীতলতম দিন, তাপমাত্রা আরও কমবে? কী জানাল হাওয়া দফতর?
কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা বাংলা। পারদপতনের নিরিখে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন নজির। হাওয়া দফতরের রিপোর্ট বলছে, মঙ্গলবার মরসুমের শীতলতম দিন ছিল কলকাতা। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছিল ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার আরও এক ডিগ্রি কমেছে। মঙ্গলবার তাপমাত্রা ছিল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অর্থাৎ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ১.২ ডিগ্রি কম। কলকাতার সর্বোচ্চ পারদ ১৮.২ ডিগ্রি, অর্থাৎ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।
দার্জিলিঙে নতুন বছরেই পড়বে বরফ! কুয়াশার সতর্কতা জেলায় জেলায়, কলকাতায় আবহাওয়া কেমন থাকবে?
পর্যটকদের জন্য ছুটির মরসুমে বছর শেষে ভালোখবর! নতুন বছরের প্রথম দিনেই দার্জিলিঙে বরফ পড়তে পারে। সঙ্গে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরের জেলাগুলিতে সকালের দিকে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গেও সকালের দিকে কুয়াশা থাকবে, এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।রবিবার কলকাতার তাপমাত্রা এক ধাক্কায় কিছুটা বেড়ে গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও কোনও কোনও জায়গায় তাপমাত্রার পারদ কিছুটা বেরেছে। তবে উত্তুরে হাওয়ার দাপটে ঠান্ডার দাপট তেমন একটা কমেনি। এ প্রসঙ্গে হাওয়া দফতর জানিয়েছে, তাপমাত্রার পারদ...
কলকাতার ১২ ডিগ্রির ঘরে নামতে পারে পারদ! বড়দিনের আগে কনকনে ঠান্ডার আমেজ শহরে, কুয়াশার সতর্কতা জেলায় জেলায়
এক ধাক্কায় বড়সড় পারদপতন। ১৫ ডিগ্রির নীচে নেমে গেল কলকাতার তাপমাত্রার পারদ! বুধবার ভোরে ১৪ ডিগ্রি ছুঁয়েছে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দু’দিনে আরও ২-৩ ডিগ্রি পারদপতন হতে পারে। বড়দিন থেকেই রাজ্য জুড়ে বাড়বে শীতের আমেজ। পাল্লা দিয়ে বাড়বে উত্তুরে হাওয়ার দাপটও।বুধবার ভোরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়েছে ১৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ০.৪ ডিগ্রি বেশি। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ১.৭ ডিগ্রি কম। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী...
কলকাতা
প্রয়াত সাহিত্যিক শংকর, শোকস্তব্ধ বাংলা লেখকমহল
প্রয়াত সাহিত্যিক মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। যদিও টিনি পরিচিত ছিলেন ‘শংকর’ নামে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। জানা গিয়েছে, পনেরো আগে একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বর্ষীয়ান সাহিত্যিক। সেই সময় শংকরের খাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তিনি ঝিমিয়ে পড়েছিলেন। বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতের নক্ষত্রপতনে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুঃসংবাদ প্রকাশ্যে আসতেই শোকের আবহ সাহিত্যজগৎ থেকে বইপাড়ায় শোকের আবহ। শোকবার্তা জ্ঞাপন করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত...
কেঁপে উঠল কলকাতা, রাত ৯টা নাগাদ ভূমিকম্পে নড়ে উঠল শহর এবং রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলা
কেঁপে উঠল কলকাতা। মঙ্গলবার রাত ৯টা নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়েছে বাংলার রাজধানীর বিস্তীর্ণ অংশে। পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎসস্থল মায়ানমার বলে জানা গিয়েছে। রিখটার স্কেলে উৎসস্থল মায়ানমারের কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। পাশাপাশি বাংলাদেশ এবং ইন্দোনেশিয়াতেও ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, সোমবার আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ ভূমিকম্প হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ভারতের ভূতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি) জানিয়েছে, সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬। তবে সম্পত্তির...
কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু বাংলা, কলকাতায় মরসুমের শীতলতম দিন, তাপমাত্রা আরও কমবে? কী জানাল হাওয়া দফতর?
কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা বাংলা। পারদপতনের নিরিখে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন নজির। হাওয়া দফতরের রিপোর্ট বলছে, মঙ্গলবার মরসুমের শীতলতম দিন ছিল কলকাতা। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছিল ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার আরও এক ডিগ্রি কমেছে। মঙ্গলবার তাপমাত্রা ছিল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অর্থাৎ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ১.২ ডিগ্রি কম। কলকাতার সর্বোচ্চ পারদ ১৮.২ ডিগ্রি, অর্থাৎ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।
দার্জিলিঙে নতুন বছরেই পড়বে বরফ! কুয়াশার সতর্কতা জেলায় জেলায়, কলকাতায় আবহাওয়া কেমন থাকবে?
পর্যটকদের জন্য ছুটির মরসুমে বছর শেষে ভালোখবর! নতুন বছরের প্রথম দিনেই দার্জিলিঙে বরফ পড়তে পারে। সঙ্গে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরের জেলাগুলিতে সকালের দিকে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গেও সকালের দিকে কুয়াশা থাকবে, এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।রবিবার কলকাতার তাপমাত্রা এক ধাক্কায় কিছুটা বেড়ে গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও কোনও কোনও জায়গায় তাপমাত্রার পারদ কিছুটা বেরেছে। তবে উত্তুরে হাওয়ার দাপটে ঠান্ডার দাপট তেমন একটা কমেনি। এ প্রসঙ্গে হাওয়া দফতর জানিয়েছে, তাপমাত্রার পারদ...
কলকাতার ১২ ডিগ্রির ঘরে নামতে পারে পারদ! বড়দিনের আগে কনকনে ঠান্ডার আমেজ শহরে, কুয়াশার সতর্কতা জেলায় জেলায়
এক ধাক্কায় বড়সড় পারদপতন। ১৫ ডিগ্রির নীচে নেমে গেল কলকাতার তাপমাত্রার পারদ! বুধবার ভোরে ১৪ ডিগ্রি ছুঁয়েছে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দু’দিনে আরও ২-৩ ডিগ্রি পারদপতন হতে পারে। বড়দিন থেকেই রাজ্য জুড়ে বাড়বে শীতের আমেজ। পাল্লা দিয়ে বাড়বে উত্তুরে হাওয়ার দাপটও।বুধবার ভোরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়েছে ১৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ০.৪ ডিগ্রি বেশি। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ১.৭ ডিগ্রি কম। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী...
দেশ
আপনার জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্ম কি বিএলও কমিশনের পোর্টালে তুলেছেন? নিশ্চিত হওয়ার উপায় কী? রইল সহজ পদ্ধতি
এনুমারেশন ফর্ম বিএলও কমিশনের পোর্টালে আপলোড করেছেন কি না, তা জানার উপায় আছে। পদ্ধতিও সহজ। অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করলেও তা কমিশনের পোর্টালে ঠিকমতো জমা পড়েছে কি না, দেখা সম্ভব। এর জন্য কয়েকটি পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। কী কী সেই পদ্ধতি?
নেপালের শাসনভার হাতে নিল সেনা, দেশ জুড়ে কার্ফু জারি! জেল ভেঙে পালানোর চেষ্টা রুখতে গুলি, হত পাঁচ
নেপালের বিভিন্ন জেল থেকে মঙ্গলবার থেকেই পালানো বন্দিরা শুরু করেছেন। বন্দিরা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেই সব ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, জেলপালানো বন্দিরা ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেন। যদিও সশস্ত্র সীমান্ত বল (এসএসবি) তাঁদের সেই চেষ্টা রুখে দিয়েছে। সে দেশের সেনাবাহিনী শাসনভার হাতে নেওয়ার পরেই নেপাল জুড়ে ধরপাকড় শুরু করেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে বুধবার সকাল ১০ পর্যন্ত হিংসা, লুটপাটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নেপাল সেনা ২৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফার পরেও...
উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিতলেন এনডিএ প্রার্থী সিপি রাধাকৃষ্ণন, নিজেদের সাংসদসংখ্যার চেয়ে বেশি ভোট পেল এনডিএ
উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন সিপি রাধাকৃষ্ণন। সংসদের দুই কক্ষে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এই নির্বাচন হয়। আর এনডিএ প্রার্থী রাধাকৃষ্ণনের জয় প্রত্যাশিতই ছিল। তবে কৌতূহল ছিল ভোটের অঙ্ক নিয়ে। তবে ভোটের ফলাফল বলছে ‘ইন্ডিয়া’ প্রার্থী বি সুদর্শন রেড্ডিকে ১৫২ ভোটে হারিয়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন এনডিএ প্রার্থী রাধাকৃষ্ণন। রাধাকৃষ্ণনের প্রাপ্ত ভোট ৪৫২টি। আর বি সুদর্শন রেড্ডি পেয়েছেন ৩০০টি ভোট।উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শুধু সাংসদদেরই ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছে। লোকসভার মোট ৫৪৩ এবং...
মহাকাশ স্টেশনের জানলা দিয়ে সূর্যোদয় দেখছেন শুভাংশু শুক্লা, প্রকাশ্যে এল ছবি! আর কী করলেন শুভাংশুরা?
মহাকাশ স্টেশনের জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্ল। মুখে হাসি। বাইরে ঝলমলে রোদ। এ বার এমনই ছবি প্রকাশ্যে আনল অ্যাক্সিয়ম স্পেস। শুভাংশু শুক্লাই ভারতের প্রথম নভশ্চর, যিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)-এ পা রেখেছেন।
নিমেষে ধ্বংস হবে চিন-পাকিস্তানের গোপন পরমাণু গুপ্তঘাঁটি! আমেরিকার থেকেও শক্তিশালী ‘বাঙ্কার বাস্টার’ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে ভারত
আমেরিকা এবং চিনের মতো ‘সুপার পাওয়ার’দের সঙ্গে একাসনে বসতে চলেছে নয়াদিল্লি। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে ভয়ঙ্কর ‘বাঙ্কার বাস্টার’ তৈরি করছে ভারত। মনে করা হচ্ছে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই মারণাস্ত্র বাহিনীর হাতে চলে আসবে। এই মারণাস্ত্র বাহিনীর হাতে এলে আমেরিকা এবং চিনকে টক্কর দেবে ভারত।
আন্তর্জাতিক
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসাবে সুশীলাকেই চান কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র! দ্রুত নাম ঘোষণা করতে পারে নেপাল সেনা
নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসাবে সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকেই চাইছেন কাঠমান্ডুর নির্দল মেয়র বলেন্দ্র শাহ ওরফে বলেন। আন্দোলন-পর্বে নেপালের ছাত্র-যুবদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন বছর পঁয়ত্রিশের বলেন্দ্র। অস্থির সময়ে তিনিই নেপালের হাল ধরতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে বুধবার ছাত্র-যুব নেতৃত্বের তরফ থেকেই সুশীলার নাম উঠে আসে। একটি সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসাবে সুশীলার নাম ঘোষণা করতে পারে সে দেশের সেনা।এদিকে, সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে...
নেপালের শাসনভার হাতে নিল সেনা, দেশ জুড়ে কার্ফু জারি! জেল ভেঙে পালানোর চেষ্টা রুখতে গুলি, হত পাঁচ
নেপালের বিভিন্ন জেল থেকে মঙ্গলবার থেকেই পালানো বন্দিরা শুরু করেছেন। বন্দিরা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেই সব ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, জেলপালানো বন্দিরা ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেন। যদিও সশস্ত্র সীমান্ত বল (এসএসবি) তাঁদের সেই চেষ্টা রুখে দিয়েছে। সে দেশের সেনাবাহিনী শাসনভার হাতে নেওয়ার পরেই নেপাল জুড়ে ধরপাকড় শুরু করেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে বুধবার সকাল ১০ পর্যন্ত হিংসা, লুটপাটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নেপাল সেনা ২৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফার পরেও...
অস্থির সময়ে দেশের হাল ধরবেন কে? নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধান হিসাবে কাঠমান্ডুর মেয়রকে চাইছেন ছাত্র-যুবরা
নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন বলেন্দ্র শাহ ওরফে বলেন? তাঁকে নিয়ে সমাজমাধ্যমে করা একাধিক পোস্টে এই জল্পনা ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্র-যুবদের আন্দোলনের কাছে নতিস্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন নেপালের সদ্যপ্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। সেনার কপ্টারে তিনি দেশ ছেড়েছেন বলেও গুঞ্জন ছড়িয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে অস্থির নেপালের দায়িত্ব কাঠমান্ডুর মেয়র, বছর পঁয়ত্রিশের বলেন্দ্রর হাতে তুলে দিতে চাইছেন আন্দোলনকারীরা। নেপালের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমও এমনটা জানিয়েছে।...
আপাতত ভারতীয়দের নেপালে যেতে নিষেধ করল কেন্দ্র, আটকে থাকাদের জন্য চালু হেল্পলাইন নম্বর
ভারতীয় নাগরিকদের আপাতত নেপাল যেতে বারণ করল বিদেশ মন্ত্রক। যাঁরা সেই দেশে রয়েছেন, তাঁদের ঘরের বাইরে বার হতেও নিষেধ করা হয়েছে। একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে তা জানিয়েছে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। তারা এ-ও জানিয়েছে, প্রয়োজনে কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন নেপালে থাকা ভারতীয়েরা। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে নেপালে থাকা ভারতীয়দের যোগাযোগের জন্য হেল্পলাইন নম্বরও প্রকাশ করেছে বিদেশ মন্ত্রক। যুবসমাজের বিক্ষোভে উত্তপ্ত নেপাল। উত্তেজনার পরিস্থিতিতে সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন এখন পর্যন্ত ১৯ জন। এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ...
পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি! গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নতিস্বীকারে বাধ্য করল সেনা
দেশজোড়া বিক্ষোভের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করলেন। গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নিলেন তিনি। সেনাবাহিনীর তরফেও তাঁকে পদত্যাগের অনুরোধ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এর পর সেনাবাহিনীর কাছে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান ওলি। তার পরেই পদত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে লেখা পদত্যাগপত্রে ওলি লিখেছেন, ‘‘নেপালের সংবিধান অনুযায়ী আমাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি...
বাংলাদেশ
ঢাকায় আচমকা স্কুলের উপর ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার বিমান, মৃত্যু এক জনের, দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ২৮ জন
ঢাকায় একটি স্কুলের উপর ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার বিমান। ভেঙে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাতে আগুন লেলে যায়। প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত এক জন। হাসপাতালে দগ্ধ অবস্থায় ২৮ জন ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে বেশির ভাগই পড়ুয়া। বাংলাদেশ বায়ুসেনার বিমানটি বাংলাদেশের স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উড়েছিল। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ভেঙে পড়ে।
বাংলাদেশের নারীদের বিয়ের আগে সাবধান! দেশের পুরুষদের সতর্ক করল ঢাকার চিনা দূতাবাস, কেন?
বাংলাদেশিদের বিয়ে করার আগে সতর্ক হোন। ভালো করে ভেবে দেখুন আপনার সিদ্ধান্ত সঠিক কি না! ঠিক এই মর্মেই দেশের নাগরিকদের সতর্ক করেছে জিনপিং এর চিন। রবিবার বাংলাদেশের চিনা দূতাবাস একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল টাইম্স’ এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ‘গ্লোবাল টাইম্স’-এর প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশের চিনা দূতাবাসের ওই বিজ্ঞপ্তিতে চিনা নাগরিকদের ‘বিদেশি স্ত্রী কেনার’ ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে বলা হয়েছে।কেন এই ধারণা? কেনই বা ধীরে ধীরে এই ধারণা চিনে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে? চিন দেশের জনসংখ্যা...
‘ত’ নাকি ‘ৎ’?, জেনে নাও ‘ত’ এবং ‘ৎ’ ব্যবহারের সহজ নিয়ম
পেয়ারা খেতে ভালোবাসেন? এই ফল খেলে কী কী উপকার হবে জানেন?
পেয়ারা পুষ্টিগুণে ভরপুর। রোজ খেলে কী কী উপকার হবে আবার বেশি খেলে কী সমস্যা হতে পারে, জেনে নিন।
ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব ৪৭: মহারাজা বীরচন্দ্রের হাতে এসেছিল তরুণ কবি রবীন্দ্রনাথের ‘ভগ্ন হৃদয়’
১২৮৯ বঙ্গাব্দ। মহারাজা বীরচন্দ্র তাঁর প্রিয়তমা রানি ভানুমতীর অকাল মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান। শোকাকুল হৃদয়ে রাজা কবিতা লিখে শোকভার লাগবে সচেষ্ট। ঠিক এমনই একটা সময়ে মহারাজা বীরচন্দ্রের হাতে আসে তরুণ কবি রবীন্দ্রনাথের ‘ভগ্ন হৃদয়’।
খাই খাই
কেক বানাবেন অথচ ভ্যানিলা এসেন্স ফুরিয়ে গিয়েছে, পরিবর্তে আর কী ব্যবহার করবেন?
শীতকালে আর নতুন বছরে কেক না খেলে কি জমে! তা বাড়ির ঘরোয়া আড্ডায় হোক কিংবা খুদের বায়নায় হোক। নিয়মকানুন জানা থাকলে এবং বার কয়েক বানানোর অভিজ্ঞতা থাকলে বাড়িতেই সহজেই কেক বানিয়ে নেয়া সম্ভব।
ফ্রিজে মাংস রাখা আছে? তাহলে রবিবার রাতে সেটা দিয়েই মোতি পোলাও বানিয়ে ফেলুন
পুজোআপামর বাঙালি জমিয়ে খাওয়াদাওয়া করতে ভালোবাসে। আবার বাঙালির পার্বণ মানেই উদ্যাপনের সিংহভাগ অংশ জুড়ে থাকে পেট পুরে কব্জি ডুবিয়ে খাওয়া। খাওয়াদাওয়া নিয়ে আলাদা একটা পরিকল্পনাও সব সময় আগে থেকে করা থাকে। এমনকি, সুস্বাদু খাবার খেলে মনও ভালো থাকে। তাই নৈশভোজে বানিয়ে নিন মুরগির মোতি পোলাও।
পর্ব-৩১: সুইট ক্র্যাকার-এর প্রতিটি আইটেমই এক সে বড়কর এক
চোখ গিয়ে পড়েছিল নীল রঙের কাপকেক আর চকোলেট মুসের ওপর। চোখ দিয়ে আরেকটু স্ক্যান করতেই দেখতে পেলাম চিকেন পাটিসাপটা। ব্ল্যাক ফরেস্ট কেকের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখে স্টলে কর্মরত এক ভদ্রমহিলা বলে ওঠেন, “মাছের কচুরিটা ট্রাই করে দেখতে পারো”।
পর্ব-৩০: নরম পাক আর কড়া পাক!
নেতাজি ভবন মেট্রো স্তেশানের দু’ নম্বর গেট দিয়ে বেরয়ে উল্টোদিকের ফুটপাথে গেলেই দেখতে পাবেন গিরীশচন্দ্র দে অ্যান্ড কোম্পানি। আদ্যিকালের দোকান। দেখলেই মনে হবে মিষ্টি না খেয়ে আগে দুটো ছবি তুলে নিই।
পর্ব-২৯: বাউন্ডুলে ক্যাফে!
কুমোরটুলি ঘাটে বসে মুচ-মুচে চিকেন ফ্রাই, গরম গরম মোমো, বা ফিশ ফ্রাই খাওয়া। গঙ্গার পারে বসে সসে ডোবানো গরম গরম চিকেন উইংস খেতে খেতে ঢেউ গোনা। কী? অলীক কল্পনা লাগছে, তাই তো?
বাইরে দূরে
আমারে আটোমা গেলাচা এবং কফির দেশ জিম্মা
আমারে আটোমা গেলাচা। সাড়ে পাঁচ ফুট লম্বা আবলুশ কাঠের মতো রং। ছিপছিপে চেহারা। এসেছিল ইথিওপিয়ার জিম্মা শহর থেকে। জিম্মা ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবা থেকে ৩৫৪ কিলোমিটার দূরে। ডাক্তার জন কেম্পেন ওকে আমার কাছে অবজারভারশিপের জন্য পাঠিয়েছিলেন। জন কেম্পেন এক অদ্ভুত মানুষ। হার্ভার্ড ছেড়ে থিওপিয়ায় গিয়ে চোখের ডাক্তারি করছেন। ধর্মভীরু খ্রিস্টান। দেখতেও যিশু খ্রিস্টের মতো। জন লিখেছিলেন, আমি আমারেকে ইউভিয়াইটিসের ট্রেনিং দিতে পারি কিনা। ভালোই তো, আমার শিক্ষা, আমার অভিজ্ঞতা যদি কারও কাজে লাগে। তার উপর আফ্রিকার লোকেদের। এর আগে...
পর্ব-৬৫: একদিকে জল, অন্যদিকে পাহাড় সিউয়ার্ডের রাস্তা যেন স্বর্গদ্বার!
রাস্তা থেকে যেটুকু দেখা যায়, তাতে মনে হয় কি অপার্থিব শান্তি সেখানে। এই নদীটা শেষ হলেই সামনে চলে আসে বিশাল পোর্টেজ হিমবাহ। সেটাও একটা পাহাড় থেকেই নেমে এসেছে। আর তার নীচেই রয়েছে একটা হিমবাহ গলে তৈরি হওয়া একটি হ্রদ। আমরা এর আগে এই হিমবাহের কাছাকাছি রাস্তায় বাঁক নিয়ে এই হ্রদের ধারে বসে থেকেছি অনেকক্ষণ, কোনও উদ্দেশ্য ছাড়াই ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। আবার সেখান থেকে উঠে গাড়ি চালিয়ে ফিরে এসেছি বাড়ি।
পর্ব-৬৪: অ্যাঙ্করেজের সঙ্গে সিউয়ার্ডকে জুড়েছে পৃথিবীখ্যাত সিউয়ার্ড হাইওয়ে
সবাই মিলে সাড়ে তিনটে নাগাদ গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। অ্যাঙ্করেজ থেকে সিউয়ার্ড যুক্ত হয়েছে পৃথিবীখ্যাত সিউয়ার্ড হাইওয়ের মাধ্যমে। এখন যদিও অন্ধকার, তাই কিছু দেখতে পাচ্ছি না। কিন্তু এই রাস্তা ধরে এর আগে আমরা বহু জায়গায় বহুবার গিয়েছি। রাস্তার প্রথম পঞ্চাশ মাইলেড় মতো প্রশান্ত মহাসাগরীয় একটা খাঁড়ির ধার দিয়ে। সিউয়ার্ড যাওয়ার সময় রাস্তার একেবারে ডানদিকে বিপুল জলরাশি। তার ওদিকে তাকালে উন্মুক্ত প্রশান্ত মহাসাগর।
পর্ব-৬৩: অগত্যা আমার গাড়িতে বন্ধুদের নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম আলাস্কা ভ্রমণে
পরিকল্পনা মাফিক বন্ধুরা যথারীতি এলো। সেটা সম্ভবত সেপ্টেম্বর মাস। ‘লেবর ডে’ অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রীয় শ্রমিক দিবস। কাজেই সপ্তাহান্তে লম্বা ছুটি সকলের। তার সঙ্গে আরও কিছু ছুটি-ছাঁটা যোগ করে সবাই চলে এসেছে চারপাঁচ দিনের জন্য আলাস্কা ঘুরতে। আর এই স্বল্প সময়ে কোন কোন জায়গা ঘুরলে আলাস্কা সম্পর্কে একটা সম্মক ধারণা পাওয়া যায়, সে-সব কিছু মাথায় রেখে আমি সবার মন মতো একটা পরিকল্পনা করে দিলাম।
পর্ব-৬২: আলাস্কা ঘুরে দেখার জন্য গাড়ি ভাড়া পাওয়া দুষ্কর
এখানে গোটা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকার রেললাইন তৈরি করে বেসরকারি সংস্থাদের ইজারা (লিজ) দিয়ে দেয়। তারা এবার নিজের মতো ভাড়া নিয়ে রেলগাড়ি চালায়। সব রেলগাড়িই মূলত ভ্রমণের উদ্দেশ্যেই বানানো। কাজেই সেই সব রেলগাড়ির কামরা বেশ বিলাসবহুল। তাদের ভাড়াও প্রচুর। এটা শুধু আলাস্কা বলে নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্রই একই ব্যাপার। সেই কারণে, এই দেশে লোকজন কোথাও ঘুরতে গেলে আগেই একটা গাড়ি ভাড়া নিয়ে নেয়।
ভালো-বাসা
ঘর সাজাতে গাছ কিনবেন, অ্যাগলোনিমা না কি পিস লিলি কোনটি ভালো হবে?
মানি প্ল্যান্ট বা জেড প্ল্যান্ট নিয়ে অসুবিধা নেই। কিন্তু বুঝতে পারছেন না সাদা ফুলের পিস লিলি গাছ রাখলে সৌন্দর্য বাড়বে বাহারি পাতার অ্যাগলোনিমা ঘরের শ্রীবৃদ্ধি ঘটাবে।
আপনার বারান্দার রেলিং ভরবে ফুলে, গৃহসজ্জায় কোন লতানে গাছ বেছে নেবেন?
সুন্দর ফুল নামী-দামি ঘর সাজানোর জিনিসকেও নিমেষে টেক্কা দিতে পারে। কিন্তু বুঝে উঠতে পারছেন না তো লতানে কোন গাছে সাজিয়ে তুলবেন শখের বারান্দা কিংবা বাড়িতে ঢোকার গেট? তিন ফুলের গাছের রইল হদিশ।
শীতকালে ঝরবে না পাতা, বরং ঘরের শোভা বাড়াবে! অন্দরসজ্জায় কোন কোন গাছ রাখবেন?
অনেকেরই বাড়ির অন্দরমহলকে সাজাতে চান সবুজের ছোঁয়ায়, অথচ শীতকালের কথা ভেবে তাঁরা ঘরে গাছ রাখতে ভয় পান। কারণ শীতকাল হল পাতাঝরার মরসুম।
পর্ব-২৩: উদ্যোগী পুরুষের পছন্দের রং নীল, জানতেন? কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র?
স্বাস্থ্য ও মনের ওপর রঙের অনেক প্রভাব। আকর্ষক রঙের পরিবেশে আমাদের মনও আনন্দে পরিপূর্ণ থাকে। কেটে যায় একঘেয়ে ভাব। দূর হয়ে যায় নিরাশা।
পর্ব-২২: বাস্তুশাস্ত্র মতে, লাল রং শৌর্য ও বিজয়, আর গেরুয়া হল ত্যাগ ও বৈরাগ্যের প্রতীক
স্বাস্থ্য ও মনের ওপর রঙের প্রভাব অনেক। আকর্ষক রঙের পরিবেশে মনও থাকে আনন্দে পরিপূর্ণ। একঘেয়ে ভাব কেটে যায়। নিরাশা দূর হয়ে যায়।
গ্যাজেটস-গাড়ি-বাইক
বর্ষাকালেও এসি চলছে, বিপদ কিন্তু সেখানেই লুকিয়ে! এমন সময় কোন কোন সতর্কতা জরুরি?
একটানা বরিষটিতে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। তবে এমন মরসুমেও এসি চালানোর দরকার হচ্ছে। শুধু প্রচণ্ড গরমের জন্য নয়, মশা-মাছির উপদ্রব থেকে বাঁচতেও অনেকে বর্ষাকালে এসি চালান। সাধারণ ভাবে এতে কোনও সমস্যা নেই। তবে প্রবল বৃষ্টি ও বেড়ে যাওয়া আর্দ্রতার মধ্যে এসির ব্যবহার কোনও কোনও সময় বিপদের কারণও হতে পারে। বর্ষাকালে এসি চালালে কোন কোন সতর্কতা প্রয়োজন?
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র চালালে ঘরে এক বালতি জল এনে রাখেন তো? আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কেন এই কৌশল প্রয়োজন?
সারা দিন ঠান্ডা ঘরে বসে কাজ? অথবা রাতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র না চালালে ঘুমই হয় না? সকালে উঠে গলা শুকিয়ে যায়? ত্বকে টান ধরে? শরীরে, ত্বকে জলের অভাব দেখা দেয় এসির কারণে। যে ঘরে সারা দিন এসি চলে, সে ঘরের বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়। তাতে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে থাকে নীরবে। সে ক্ষেত্রে ঘরে এক বালতি জল রাখলে উপকার মিলতে পারে। কেন টানা এসি ঘরে থাকলে শরীর খারাপ হয়? ● এসি চালালে খানিক শরীর খারাপ হয়েই থাকে। বাইরে তাপমাত্রার পারদ যখন ৪০ ছুঁইছুঁই, তখন এসি চালিয়ে ঘরের তাপমাত্রা ২৩ বা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসেই রাখা হচ্ছে। এর পরেও...
লাফিয়ে বাড়ছে উত্তাপ, দীর্ঘক্ষণ বাতানুকূল যন্ত্র না চালিয়েও ঘর ঠান্ডা রাখা যায়, জেনে নিন কৌশল
এসি বা এয়ার কুলার দীর্ঘ সময় না চালিয়েও ঘর ঠান্ডা রাখা যায়। বিশেষ করে দুপুরে যখন তাপমাত্রার পারদ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে, সেই সময়ে কোন কোন কৌশলে ঘর ঠান্ডা রাখবেন জেনে নিন।
জরুরি মেল খুঁজতে আর সমস্যা হবে না, পুরনো ‘সার্চ’ বদলে নতুন এআই ফিচার নিয়ে আসছে গুগ্ল
রোজ দিন ২৪ ঘণ্টা যখন তখন মেল ঢুকছে। ইনবক্সে কয়েক হাজার মেল। একেবারে উপছে পড়ছে মেল। মুশকিল হল, এত মেলের মধ্যে জরুরি ইমেলটি খুঁজে পেতে বেশ বেগ পেতে হয়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে গুগল-এর জিমেল-এর ‘সার্চ’ অপশনে গিয়ে খুঁজে হয়তো পাওয়া যায়, তবে তা সময়সাপেক্ষ। আর অনেক পুরনো ইমেল হলে তো হয়েছে, সেল মেল খোঁজতে অনেক সময় লাগে।
আপনার বাড়ির ওয়াইফাইয়ের গতি কি কমে যাচ্ছে? সমস্যার সমাধানে শিখুন এই ৫ কৌশল
বাড়িতে থাকা ওয়াইফাইয়ের গতি সবসময়ে একরকম পাওয়া যায় না। মজার বিষয় হল, জরুরি রাজের সময়ে ওয়াইফাই হয় আটকে গেল না হয় গতি এতটাই কমে গেল, আপনি সেই কাজ শেষমেশ করতে পারলেন না। মূলত বাড়িতে ইন্সটল করা রাউটারের কারণে ইন্টারনেটের গতি এরকম খুব কমে যায়। এই পরিস্থিতিতে বাড়ি থেকে অফিসের কাজ বা কোনও জরুরি কাজ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। তা হলে কি কোনও সহজ উপায় আছে? আছে। কিছু সহজ কৌশল জানা থাকলে, এই সমস্যার সমাধান আপনি নিজেই করতে পারেন। ৫ কৌশল কী কী? মাইক্রোঅয়েভ ● বাড়ির যেখানে ওয়াইফাই রাউটার রাখবেন, তার কাছাকাছি যেন...
এই দেশ এই মাটি
পর্ব-৯৫: ত্রিপুরায় স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রভাব
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন ও রাখী বন্ধন উৎসবের প্রভাবে রাজধানী আগরতলায় সব সম্প্রদায়ের মানুষ বন্দেমাতরম গাইতে গাইতে মিছিল করেছিল। ১৯০৮ সালে ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসির সংবাদে রাজপরিবারের অনেকেই শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে রাজা রাধাকিশোরও এর প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছিলেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। ফাঁসির দিন আগরতলার উমাকান্ত অ্যাকাডেমির শিক্ষার্থীরা বন্দেমাতরম গাইতে গাইতে পতাকা হাতে শহরের রাজপথ অতিক্রম করেছিল বলে উল্লেখ করেছেন ইতিহাসবিদ ড.জগদীশ গণচৌধুরী।
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪১: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — গড়িয়োল
গড়িয়োলরা স্বভাবে কিন্তু ভীষণ লাজুক ও ভীতু। প্রখর দৃষ্টিশক্তি এদের। আড়াইশো মিটার দূর থেকেও মানুষের গতিবিধি বুঝতে পারে। ভালোভাবে দেখার জন্য কখনও কখনও পিছনের দু’পায়ের উপর ভর দিয়ে শরীরকে খাড়া করে। অবশ্য স্বজাতির পুরুষদের সাথে মারামারি করার সময়ও ওইরকম ভঙ্গিতে দাঁড়াতে দেখা যায়। আগেই বলেছি বিপদে ওরা গাছে উঠতে যেমন পটু তেমনই পটু সাঁতারে। জেনে অবাক হবেন, টানা ১৭ মিনিট ওরা দম বন্ধ করে জলের তলায় ডুবে থাকতে পারে।
পর্ব-৯৪: ত্রিপুরায় রিয়াং বিদ্রোহ
১৯৪২-৪৩ সালে রতনমণি নামে এক সাধুর নেতৃত্বে ত্রিপুরায় ঘটেছিল রিয়াং আদিবাসী বিদ্রোহ। মূলত সামন্ততান্ত্রিক শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে এই বিদ্রোহ ঘটলেও সে সময়ে অনেক ক্ষেত্রে রতনমণির শিষ্যদের 'স্বদেশী' বলে অভিহিত করা হতো। পরবর্তী সময়ে রিয়াং বিদ্রোহকে স্বাধীনতা সংগ্রামের মর্যাদাও দেয়া হয়েছে। নৃপতি শাসিত ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে জনজাতি সম্প্রদায়ের রিয়াং সর্দারদের বলা হতো চৌধুরী। এই চৌধুরীরা কার্যত সেদিন সামন্ত প্রভুদের মতো আচরণ করতেন। গরীব রিয়াং প্রজাদের কাছ থেকে জোর করে অর্থ আদায়, জরিমানা ইত্যাদি নানা ভাবে তারা...
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪০: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — বুনো শুয়োর
সুন্দরবনের বুনো শুয়োরদের খাদ্যতালিকা অন্যান্য অঞ্চলের একই উপপ্রজাতির বুনো শুয়োরদের থেকে বেশি লম্বা। খুব বৈচিত্রপূর্ণ এদের খাদ্যতালিকা। প্রধানত উদ্ভিজ্জ খাদ্যই এরা বেশি পছন্দ করে। পাতা, ফল, বীজ, গাছের বাকল, কাদা বা মাটির মধ্যে প্রোথিত মূল, কন্দ ইত্যাদি এদের পরিচিত খাদ্য। দেখা গিয়েছে এদের গৃহীত খাদ্যের ৯০ শতাংশই উদ্ভিজ্জ খাদ্য। লম্বা ও সঞ্চরণশীল তুন্ডের সাহায্যে এরা মাটি খুঁড়ে মূল ও কন্দ বার করে খায়। তবে সুযোগ পেলে নানা ধরনের প্রাণীজ খাবার-দাবার এরা খেতে ছাড়ে না।
পর্ব-৯৩: কৈলাসচন্দ্রের কাছে রাজবংশের কাহিনি শুনে ত্রিপুরার প্রতি আকৃষ্ট হন রবীন্দ্রনাথ
বীরচন্দ্র, রাধাকিশোর, বীরেন্দ্র কিশোর ও বীরবিক্রম-ত্রিপুরার এই চারজন মাণিক্য রাজার সঙ্গেই রবীন্দ্রনাথের সম্পর্ক ছিল। সুদীর্ঘকাল ব্যাপী এক রাজবংশের চারজন রাজার সঙ্গে কবির সম্পর্ক নিঃসন্দেহে এক বিরল বিষয়। ত্রিপুরার রাজপরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সূত্রে যেন উদ্ভাসিত হয়েছেন এক অন্য রবীন্দ্রনাথ। কখনও তিনি রাজনীতিক, কখনও আবার অর্থনীতিবিদ। রাজ্য পরিচালনার বিষয়েও রাজাকে পরামর্শ দেন তিনি। আবার নির্ধারণ করি দেন বাজেটের মূল নীতি।
অবসর
পর্ব-২৪ : চম্পারণ-বেতিয়া এবং অভিযাত্রী শংকর
বেতিয়া ক্যাম্প যেন নগ্নতা ক্ষুধা মৃত্যুর শ্মশানভূমি। অনেক উদ্বাস্তু এখানকার জীবন সহ্য করতে না পেরে পালিয়েছে। বাকিরা মৃত্যুর দিন গুনছে। ক্যাম্প অফিসাররা হৃদয়হীন। আর ক্যাম্পবাসীদের দেখতে কীট-পতঙ্গের মতো। দঙ্গল দঙ্গল মানুষ খেতে পাচ্ছে না। তার ওপর রোজের থেকে রোজ পঙ্গপাল মানুষের ভিড় বাড়ছে। ভিড়ের সঙ্গে ভিড় ঢেউয়ের মতো মিশে বেতিয়া চম্পারণ কে বানিয়েছে উদ্বাস্তু বাঙালের বিচ্ছিন্ন দ্বীপভূমি।
পর্ব-১২৪: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৫
একসময় বাঙালি নায়িকারা ফিগার সচেতন ছিলেন না। খাওয়া-দাওয়ার আজকের ধরাকাট তখন অত গুরুত্ব পেত না। বয়সের বাড়লেই নায়কদের ভুঁড়ি আর নায়িকারা বুড়ি! দিনকাল পাল্টে গিয়েছে। এখন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা নিয়ম করে উপোস করেন। ইন্টার্মিনান্ট ফাস্টিং। নিয়মিত বিরতি-সহ উপবাস। মাছেভাতে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে নিদারুণ কোপ। ভাতহীন জীবন। আর তাতেই ছিপছিপে তন্বীরা বয়সের গলায় চেন বেঁধে রেখেছেন।
পর্ব-১৫০: দণ্ডকারণ্যে শূর্পনখা—একটি নাটকীয় চমক ও দ্বৈতসত্তায় অনন্য রাম
পঞ্চবটীবনে রাম, সীতা ও লক্ষ্মণ আশ্রয় নিয়েছেন। হেমন্ত ঋতু সমাগত। গোদাবরী নদীতে স্নানান্তে তাঁরা তিনজন, লক্ষ্মণনির্মিত আশ্রমস্থ পর্ণকুটিরে প্রবেশ করলেন। মহর্ষিগণ তাঁদের সম্মানিত করলেন। পর্ণকুটিরে সুখের আবহে, চিত্রানক্ষত্রযুক্ত চন্দ্রিমার মতো সীতা-সহ অবস্থান করছেন রাম। তিনি, লক্ষ্মণের সঙ্গে আলাপচারিতায় বিভিন্ন কথাবার্তায় নিরত হলেন। সেই সময়ে সেইখানে স্বেচ্ছায় উপস্থিত হল এক রাক্ষসী। সে, দশানন রাবণের ভগিনী শূর্পনখা।
পর্ব-৯৯ : দুই সাপের বিবাদ ও রাজকন্যার গুপ্তধন লাভ! প্রাকারকর্ণের চাণক্য-নীতিতে মুগ্ধ উলূকরাজ
স্বামীর জীবন বাঁচিয়েই রাজকন্যা কিন্তু থামলেন না। এবার তিনি মন দিলেন উইয়ের ঢিবির সেই অহংকারী সাপটির দিকে। উনুনে ফুটন্ত গরম তেল চাপিয়ে, সেই টগবগ করে ফোটা তেল তিনি সাবধানে ঢেলে দিলেন উইয়ের ঢিবির গর্তের ভিতর। তেলের সেই ভয়ংকর তাপে ঢিবির ভিতরের সাপটিও নিমেষে পুড়ে ছাই হয়ে গেল। আর ঢিবি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল ঝকমকে সোনাভর্তি দুটো বিশাল কলসি!
পর্ব-৫৯: আকাশ এখনও মেঘলা
ফ্যাশন নাকি মাঝে মাঝে সামারসল্ট দিয়ে পুরোনো দিনে ফিরে যায়। এরকম রগ ছোঁওয়া জুলফি তো ছিল একসময়কার আইকন দুর্গাদাস সায়গল বা পিসি বড়ুয়ার সময়ে। নায়িকাদের ফিনফিনে রোগা হওয়া, একটু নাকিসুরে কথা বলাটাও যমুনা বড়ুয়ার সময় থেকে আবার ফিরে আসছে। মাঝখানের একটা সময় একটু মোটাসোটা নায়িকারা জায়গা পেতেন। উত্তমকুমার নিয়ে এলেন এক দুরন্ত প্রেমিককে। ধুতি পাজামা পাঞ্জাবি বাংলা সার্ট বা স্যুট-বুট সবেতেই ভালোবাসা- ভালোলাগা।
বাণিজ্য
১ এপ্রিল থেকে ইউপিআই বন্ধ হচ্ছে বহু নম্বরে, তালিকায় আপনারটি নেই তো? বুঝবেন কী ভাবে?
আগামী ১ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে বহু নম্বরে ইউপিআই লেনদেন বন্ধ হয়ে যাবে। বাতিল নম্বর থেকে আর পেটিএম এবং গুগ্ল পে এর মাধ্যমে টাকাপয়সার লেনদেন করা যাবে না। ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস বা ইউপিআইয় মূলত সাইবার সুরক্ষার জন্যই নাকি এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রশ্ন হল, বাতিল হওয়া নম্বরে আপনার ফোন নম্বরটি নেই তো? কী ভাবেই বা বুঝবেন?
২০২৫ অর্থবর্ষে ৪.৮ শতাংশ রাজস্ব ঘাটতি, শুল্ক উঠে গেল ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধ থেকে, ঘোষণা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের
১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে লাগবে না কোনও কর, মধ্যবিত্তদের স্বস্তি দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে কর নয়। এমনই ঘোষণা করে বাজেটে মধ্যবিত্তদের স্বস্তি দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী জানান, ‘‘মধ্যবিত্তদের উপর ভরসা রাখছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার বেতনভোগীদের বছরে ১২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ে শূন্য রাখা হয়েছে করের পরিমাণ।’’ গত বছরের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে নতুন কর কাঠামোর...
ইন্টারনেট ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন ইউপিআই! বিল মেটাতে পারবেন নিশ্চিন্তে, শিখে রাখুন সহজ উপায়
পোশাক-আশাক কেনা হোক বা রেস্তরাঁয় খাওয়াদাওয়ার বিল মেটানো— এখন আমরা সাধারণত অনলাইনেই মিটিয়ে দিই। কারণ অনলাইন লেনদেন করাই এখন আমাদের অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। এখন তো সর্বত্রই অনলাইন পরিষেবার সুযোগ রয়েছে। এখন অনলাইনে টাকাপয়সা লেনদেনের জন্য অনেক মাধ্যম রয়েছে, যেমন ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড হোক, পেটিএম, গুগ্ল পে। আছে আলাদা ওয়ালেটের ব্যবস্থাও। সব থেকে ভালো হল, সবই একটি অ্যাপ থেকে করার সুযোগ দিতেই ইউপিআই (ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস) পরিষেবা চালু হয়েছে। যাঁরা ডিজিটাল লেনদেনে সাবলীল তাঁরা সাধারণত টাকাপয়সা লেনদেনের জন্য বেছে...
কোন কোন জিনিসের দাম কমল? বেশি দামে কিনতে হবে কী কী? এক নজরে বাজারে বাজেট
মোদী সরকার তৃতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন সরকারের পরিপূর্ণ বাজেট ঘোষণা করেছেন। অনেক জিনিসপত্রের উপর কর ছাড়ের কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আবার কিছু জিনিসপত্রের উপর করের পরিমাণও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার কেন্দ্রীয় বাজেটের পর কী কী সস্তা হতে চলেছে, আর কোন কোন জিনিসপত্রের দাম বাড়তে চলেছে, দেখে নিন একঝলকে। ওষুধ ●ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বেশ কিছু ওষুধের দাম কমতে চলেছে। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের উপর থেকে কর তুলে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা জানিয়েছেন,...
নতুন ব্যবস্থায় বাড়ল আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা, একঝলকে দেখে নিন কী দাঁড়াচ্ছে নতুন কাঠামো
পুরনো ব্যবস্থায় (ওল্ড রেজিম) আয়করের ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন করা হল এ বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে। তবে নতুন ব্যবস্থায় (নিউ রেজিম) আয়করের ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মল সীতারামন।
ফোটো ফিচার
এত আলো জ্বালিয়েছ এই গগনে কী উৎসবের লগনে…
মঙ্গলদীপ জ্বালাও আজি।হিমের রাতে ওই গগনের দীপগুলিরে।জ্বালাও আলো, আপন আলো, শুনাও আলোর জয়বাণীরে।যাক অবসাদ বিষাদ কালো, দীপালিকায় জ্বালাও আলো...অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই তো তোমার...
দীপালিকায় জ্বালাও আলো!
আলোকের এই ঝর্ণাধারা…
জমে উঠেছে ধনতেরসের বাজার!
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠ না ফুটে মন।ঝেঁটিয়ে হবে অলক্ষ্মী বিদায়। জমে উঠেছে ধনতেরসের বাজার!লক্ষ্মীর পশরা সাজিয়ে বসে...
বিদায়ের করুণ সুরে রাঙানো দশমী
সিঁদুরখেলায় সীমন্তিনী। বিদায়বেলায় মেয়েকে বরণ। আবার আসিস মাগো ফিরে! বিসর্জন।
বিক্রান্ত তৈরিতে লেগেছে ২০ হাজার কোটি টাকা, দেশে তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরীর যাত্রা শুরু আজ থেকে
শুক্রবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল দেশে তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী ‘আইএনএস বিক্রান্ত’-এর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্বোধনের পর আজ থেকে জলে ভাসবে।
২,৬০০ মেট্রিক টন স্টিলের পাইপ দিয়ে তৈরি, সাবরমতীতে পর্যটকদের অপেক্ষায় অটল সেতু
সেতুর মনভোলানো নকশা, এলইডি আলোর বাহার এবং পশ্চিম দিকে সাজানো ফুলের বাগান পর্যটকদের চোখ টানবেই।
আমার সেরা ছবি
মুছিয়ে দিই গো অশ্রু মা তোর পান পাতাটি দিয়ে…
সাদায় কালোয় মাকে দেখা…
উত্তর কলকাতার একটি মণ্ডপে মায়ের অনন্য রূপ…
প্রস্তুতি তুঙ্গে…
মা চলেছেন সাইকেলে!
শরতে শ্রাবণী আকাশ…
* আমার সেরা ছবি (Photography) : পর্ণা চৌধুরী (Parna Chowdhury) ইংরেজির শিক্ষিকা, গভঃ বেসিক কাম মাল্টিপারপাস স্কুল, বাণীপুর।
ভিডিও গ্যালারি
ভবিষ্যবাণী
আপনার নামের প্রথম অক্ষর কি ‘এ’? তাহলে জ্যোতিষশাস্ত্র মতে আপনি কিন্তু এই সব গুণের অধিকারী
অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজের সন্তানের নামকরণের আগে জ্যোতিষের সাহায্য নেন মা-বাবা। তারপর সন্তানের জন্মের দিন, তারিখ, রাশি, নক্ষত্র বিচার করে তার নামের প্রথম অক্ষর চূড়ান্ত করেন জ্যোতিষীরা।
ভিন দেশে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন? জেনে নিন গ্রহের কোন অবস্থানে আপনার বিদেশ যাত্রা পাকা হতে পারে
দ্বাদশ ভাবের সাথে লগ্ন, তৃতীয়, অষ্টম ,নবমভাবে সংযোগে এবং অশুভ রাহু যুক্ত হলে বিদেশে গিয়ে বিপদ বা ক্ষতি হওয়া নির্দেশ করে থাকে।
আপনার জীবনে বাস্তুশাস্ত্রের আটটি দিকের গুরুত্ব ঠিক কতটা? জেনে নিন একঝলকে
বাস্তুশাস্ত্র মতে, আটটি দিক আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বাস্তুশাস্ত্রের সঠিক প্রয়োগে এই প্রভাব মানব জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি এবং শ্রীবৃদ্ধির সহায়ক হতে পারে। কোন দিকের প্রভাব কেমন?
বিবাহিত? প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন? জেনে নিন গ্রহের স্থান কিরকম থাকলে সম্পর্ক মজবুত ও মসৃণ হয়
প্রেম করে বিয়ে? কোনও সম্পর্কের মধ্যে রয়েছেন? ঠিক আছে, এত চিন্তা না করে একবার মিলিয়ে দেখুন তো প্রেম ভালোবাসার ক্ষেত্রে নয়টি গ্রহ আপনার জন্মছকে কী প্রভাব ফেলেছে।
আনন্দে-সুখে ভরিয়ে তুলতে চান নিজেকে? রইল কয়েকটি সহজ উপায়
বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিক অর্থাৎ ঈশান কোণে মাটি থেকে অন্ততপক্ষে এক ফুট উপরে ঠাকুর অথবা দেব দেবীর পুজো আরাধনা সংসারের পক্ষে সার্বিক কল্যাণকর। আর্থিক সুখ সমৃদ্ধির সহায়ক হয়।














