
নেপালের শাসনভার হাতে নিয়েছে দেশের সেনাবাহিনী। ছবি: সংগৃহীত।
নেপালের বিভিন্ন জেল থেকে মঙ্গলবার থেকেই পালানো বন্দিরা শুরু করেছেন। বন্দিরা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেই সব ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, জেলপালানো বন্দিরা ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেন। যদিও সশস্ত্র সীমান্ত বল (এসএসবি) তাঁদের সেই চেষ্টা রুখে দিয়েছে। সে দেশের সেনাবাহিনী শাসনভার হাতে নেওয়ার পরেই নেপাল জুড়ে ধরপাকড় শুরু করেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে বুধবার সকাল ১০ পর্যন্ত হিংসা, লুটপাটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নেপাল সেনা ২৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফার পরেও দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। এখন ভারতের পড়শি দেশের শাসনভার সেদেশের সেনার দখলে। সেনা রাস্তায় রাস্তায় টহল দিচ্ছে। অশান্ত নেপালের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। বুধবার সকাল থেকে নেপালে বড় ধরনের কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেনি, তবে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ চলছেই। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নেপালের বাঁকে জেলার একটি সংশোধনাগারের সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত মোট পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওা গিয়েছে। এদিকে, সে দেশের সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিক ভাবে নেপালের দায়িত্ব নিয়েছে। নেপাল সেনা বিবৃতিদিয়ে জানিয়েছে, যত দিন পর্যন্ত না নতুন সরকার গঠিত হচ্ছে, তত দিন পর্যন্ত তারাই দেশের শাসনভার চালাবে। এখানেই শেষ নয়, দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেপাল জুড়ে কার্ফু জারি করা হয়েছে সেনার তরফে জানানো হয়েছে।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফার পরেও দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। এখন ভারতের পড়শি দেশের শাসনভার সেদেশের সেনার দখলে। সেনা রাস্তায় রাস্তায় টহল দিচ্ছে। অশান্ত নেপালের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। বুধবার সকাল থেকে নেপালে বড় ধরনের কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেনি, তবে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ চলছেই। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নেপালের বাঁকে জেলার একটি সংশোধনাগারের সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত মোট পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওা গিয়েছে। এদিকে, সে দেশের সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিক ভাবে নেপালের দায়িত্ব নিয়েছে। নেপাল সেনা বিবৃতিদিয়ে জানিয়েছে, যত দিন পর্যন্ত না নতুন সরকার গঠিত হচ্ছে, তত দিন পর্যন্ত তারাই দেশের শাসনভার চালাবে। এখানেই শেষ নয়, দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেপাল জুড়ে কার্ফু জারি করা হয়েছে সেনার তরফে জানানো হয়েছে।
ছাত্র-যুব আন্দোলনে সোমবার এবং মঙ্গলবার দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় নেপালে। কাঠমান্ডু থেকে বিদ্রোহের সূত্রপাত হলেও তা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে নেপাল জুড়ে। হাজার হাজার বিদ্রোহী নেমে পড়েন রাস্তায়। হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে স্লোগান। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান তাঁরা। মঙ্গলবার সকাল থেকে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের বিক্ষোভের আগুনের আঁচে পুড়তে থাকে নেপালের পার্লামেন্ট ভবন, ওলি এবং তাঁর মন্ত্রীদের বাসভবন। সে দেশের সুপ্রিম কোর্টেও আগুন লাগিয়ে দেওয়ার খবর মেলে।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৩৩: আকাশ এখনও মেঘলা

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৩১: যে পালিয়ে বেড়ায়

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৬: তালচোঁচ

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৪: ‘শিলালিপি সংগ্ৰহ’ গ্রন্থ অতীতের ত্রিপুরা নিয়ে গবেষণার দিশারী
বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগে নেপালের জেলগুলিতে বিদ্রোহের আগুন ছড়ায়। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে বন্দিদের সংঘর্ষের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। জেল ভেঙে পালানোর চেষ্টা করেন শয়ে শয়ে বন্দি। প্রতিরোধ করতে গেলে আক্রান্ত হন নিরাপত্তারক্ষীরা। পাল্টা গুলিও চালান তাঁরা। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বাঁকের সংশোধনাগারে বন্দিরা পালানোর চেষ্টা করতেই গুলি চালায় পুলিশ। তাদের গুলিতে সাত জন আহত হন বলে খবর। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ জনের মৃত্য হয়।
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯০: শত্রুকে হারাতে সব সময় অস্ত্র নয়, ছলনারও আশ্রয় নিতে হয়

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১০ : নায়ক ও মহাপুরুষ
বাঁকে, পোখরান জেলে হামলা চালান আন্দোলনকারীরা। খবর, এখনও পর্যন্ত ১৬০০ জন বন্দি বিভিন্ন জেল থেকে পালিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেপালের বিভিন্ন দিকে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সংবেদনশীল এলাকায় টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার রাতেই আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নেপালের সেনাপ্রধান অশোকরাজ সিগডেল। বিক্ষোভকারীদের দাবিদাওয়া কী, তা জানাই উদ্দেশ্য ছিল ওই বৈঠকের। সূত্রের খবর, বুধবার নেপালের রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেলের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধিদলের বৈঠকে বসার কথা। সেই বৈঠকে মধ্যস্থতার করবে নেপালের সেনাবাহিনী। আশা করা হচ্ছে, ওই বৈঠক থেকে রফাসূত্র বার হতে পারে।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩০: ঠাকুরবাড়ির জামাই রমণীমোহনকে মন্ত্রী করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১২৯: শকুন্তলারা আজও আছেন
প্রধানমন্ত্রী ওলির ইস্তফার পর বর্তমানে নেপালের দায়িত্বে সেনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে তারা। নেপাল সরকারের প্রধান সচিবালয় ভবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সেনাবাহিনী। দেশে লুটপাট চালালে, ভাঙচুর করলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে, এমনটাই জানিয়ে নেপালের সেনাবাহিনী। দেশের নাগরিকদেরও সহযোগিতা চেয়েছে তারা। সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে নেপাল সরকারের প্রধান সচিবালয় ভবনও। বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে অশোকরাজের আহ্বান, ‘‘প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে বিরত থেকে আলোচনায় বসুন। কঠিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে আমাদের।’’
আরও পড়ুন:

টিচার্স ডে

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১১০: মা সারদার মানবীলীলার অবসান
নেপালের সেনাবাহিনী জানায়, দেশের সার্বভৌমত্ব, বাসিন্দাদের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখতে বদ্ধপরিকর। তবে সেনার দাবি, কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী দেশের অস্থির পরিস্থিতির সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে। তাই সকলকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।


















