স্নিগ্ধার শ্লীলতাহানির মিথ্যে নাটকে আরও কিছু পাত্র-পাত্রী জড়ো করে দুলালকে দোষী সাব্যস্ত করা হল। তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি। যে উকিল দুলাল সেনের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, তাকে কানাইলাল মহেশ্বরী মোটা টাকা দিয়ে কিনে নেন। সেই উকিল আদালতে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন। ধর্ষণের মামলায় দুলাল সেনের সাজা হল। তৃপ্তির একটা ক্ষীণ আশা ছিল দুলাল আদালতে ন্যায়বিচার পাবে। আগেই ছেলে অতনুকে চার্চে ফাদারের কাছে রেখে এসেছিল। কারণ এই এলাকার যে কোনও স্কুলে বাবার বিরুদ্ধে এই কুৎসা ছেলেটাকে শেষ করে দেবে। শেষ আশাটুকু এভাবে...






















