সেরা পাঁচ

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৬৩: কেউটে

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৬৩: কেউটে

সুন্দরবনের সাপকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়— এক, তীব্র বিষসম্পন্ন সাপ, দুই: ক্ষীণ বিষসম্পন্ন সাপ এবং তিন: বিষহীন সাপ। আবার প্রত্যেকটি শ্রেণিকে তাদের বাসস্থান অনুসারে স্থলের সাপ ও জলের সাপ হিসেবে ভাগ করা যায়। স্থলের সাপ আবার গর্তবাসী ও বৃক্ষবাসী হতে পারে। একইভাবে জলের সাপও স্বাদু জলের ও নোনা জলের হতে পারে।

read more
পর্ব-৮৪ : আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৮৪ : আকাশ এখনও মেঘলা

দরজা ঠেলতেই একটা ভ্যাপসা গন্ধ নাকে আসে। চিকেন চাপ আর বিয়ারের রাতভোর জমে থাকা ককটেল। বাড়িতে ফ্রিজেরাখা কপির তরকারিতেও একই কাণ্ড ঘটে। আলো-আঁধারি। রেস্তঁরার মালিক বোধহয় সকালের বিদ্যুৎ বাঁচান। নো লাইট, নো ফ্যান! একটা মোটা থপথপে লোক। মাথায় রোঁয়াওঠা খাড়াখাড়া চুল। লালরঙের সানমাইকার কাউন্টারে বসে আছে। পাশে ঝুল কালি-নিন্দিত একটা টেবলফ্যান। ঘরঘর করে ঘুরছে। তবে লোকটার মোটা খসখসে চামড়া টপকে সে হাওয়া তাঁর শরীরে পৌঁছচ্ছে কিনা সন্দেহ।

read more
পর্ব-১৮১: সীমান্ত-সংঘাত

পর্ব-১৮১: সীমান্ত-সংঘাত

ফাদার চোখ রগড়ে ভালো করে দেখলেন, তাই তো। অন্তত খান পাঁচ-সাত গাড়ি দাঁড়িয়ে। তার মধ্যে বড় গাড়িও আছে দুটি। একটি আবার লোডেড। চেকপোস্টে যে সব পুলিশ এবং কাস্টমসের লোক থাকেন ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে, তাদের অনেককেই ফাদার চেনেন ভালো করে। চার্চের গাড়ি, বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স দেখলে তারা রুটিনমাফিক কেবল একবার উঁকি দিয়ে দেখে। পেশেন্ট থাকলে তো কথাই নেই। সঙ্গে-সঙ্গে ছেড়ে দেয়। সব সময় তো ফাদার নিজে থাকেন না। কিন্তু চার্চের গাড়ি আলাদা ট্রিটিমেন্ট পায় পুলিশ-প্রশাসনের কাছ থেকে।

read more
পর্ব-১১০ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ৩

পর্ব-১১০ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ৩

ফটোগ্রাফির চর্চা তখনও এ দেশে তেমন ব্যাপ্তি লাভ করেনি, কিন্তু বীরচন্দ্র ত্রিপুরার মতো প্রত্যন্ত রাজ্যে বসে চমকপ্রদ কাজ করেছেন এ ক্ষেত্রে। ভারতীয় রাজন্যবর্গের মধ্যে ফটোগ্রাফি চর্চায় তিনি ছিলেন অগ্রগণ্য। ফটোগ্রাফির কারিগরী বিষয়ে তাঁর জানার অদম্য আগ্রহ ছিল। নানা সময়ে তিনি এ সব ব্যাপারে চিঠি লিখেছেন ফটোগ্রাফিক সোসাইটি অব ইন্ডিয়ার কাছে।নতুন নতুন পন্থা পদ্ধতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ ক্ষেত্রে এগিয়ে গিয়েছেন রাজা।

read more
পর্ব-১৪৮: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৮

পর্ব-১৪৮: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৮

হঠাৎ কী হল? বিরূপাক্ষ তড়িঘড়ি ফোনটা ছেড়ে দিল কেন? পুলকের সঙ্গে কথা হয়েছে শুনে বিরূপাক্ষ ঘাবড়ে গেল কেন? বিরূপাক্ষ অন্যদিন যতটা আত্মবিশ্বাসী থাকে আজ তেমন লাগলো না কেন? মনে হল আজকের ফোনটার জন্য বিরূপাক্ষ যেন তৈরি ছিল না! কেন? পুলককে ফোনে না পেলে ঈপ্সিতা তো বিরূপাক্ষকেই ফোন করে? আজ পুলক কোথায় আছে সেটা কি বিরূপাক্ষ জানে না?

read more
পর্ব-৮৩ : আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৮৩ : আকাশ এখনও মেঘলা

অতনু জানেই না যে তার অজান্তে সিকিউরিটি এজেন্সির বিতান ঘোষ তার সম্বন্ধে খোঁজখবর নিয়েছেন। প্রয়োজনটা তার নয়। প্রয়োজন অতনু সেনের রেকমেন্ডেশনে রবীন চ্যাটার্জির কোম্পানি অ্যাথেনা ইনফোটেকের কর্মরতা দিয়া সাহার। তবে দিয়ার কেন অতনুকে জানার প্রয়োজন সেটা সে বোধহয় নিজেও জানে না।

read more
স্বাধীনতার অর্থ: পতাকার ঊর্ধ্বে এক নৈতিক অঙ্গীকার

স্বাধীনতার অর্থ: পতাকার ঊর্ধ্বে এক নৈতিক অঙ্গীকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কালজয়ী প্রার্থনায় লিখেছিলেন— “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির।” এই পঙ্ক্তিটি কেবলমাত্র একটি কবিতার অংশ নয়, এটি স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ। যেখানে মানুষ ভয়মুক্ত হয়ে উদাত্ত কণ্ঠে সত্য উচ্চারণ করতে পারে, যেখানে জ্ঞান সংকীর্ণতার বেড়াজালে আবদ্ধ নয়, সেখানেই স্বাধীনতার পূর্ণ বিকাশ।

read more
পর্ব-১৮০: যাত্রাপথে

পর্ব-১৮০: যাত্রাপথে

ড্রাইভারের বেশ অল্পবয়স। আগে কখনও দেখেনি শাক্য। থানায় অবশ্য বেশ কয়েকটি গাড়ি। সব ড্রাইভারকে চেনাতার পক্ষে সম্ভব নয়। তবে তাকে যতটা সম্ভব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুনে সে বেশ উত্তেজিতও হয়ে উঠেছিল। আজকালকার ওয়েব-সিরিজ দেখে সম্ভবত খুব। পাকা হাত অবশ্য। বেশ জোরেই গাড়ি চালাচ্ছিল। সুদীপ্ত খরচোখে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে।

read more
মানুষকে দেখি গণদেবতার বেশে…

মানুষকে দেখি গণদেবতার বেশে…

আজ ভারতবর্ষের আশিতম স্বাধীনতা দিবস। আটটি দশক ধরে স্বাধীন দেশ নিজের ভাবনায় চলছে। এই স্বাধীনতা কিংবা স্বাতন্ত্র্য নানারূপে কখনও ‘ফ্রিডম’, ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স’, ‘লিবার্টি’ কিংবা ‘লিবারেশন’, ‘ইম্যানসিপেশন” অথবা আরও কিছু। সব কিছুর মূলেই বন্ধন-মুক্তির প্রসঙ্গ আছে। এই বাঁধা-পড়া কখনও স্বেচ্ছায় কখনও অনিচ্ছায়। তাই মুক্তির আকাঙ্ক্ষাতেও ইচ্ছা বা অনিচ্ছার প্রসঙ্গ থাকে। ওই পায়রাগুলো কায়মনোবাক্যে উড়তে চেয়েছিল।

read more
পর্ব-১০৯ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ২

পর্ব-১০৯ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ২

বীরচন্দ্র একজন চিত্রকর এবং এক অভিজ্ঞ ফটোগ্রাফারও ছিলেন। এমনকি ভারতবর্ষে ফটোগ্রাফি চর্চার সূচনাপর্বের ইতিহাসে বীরচন্দ্রের নাম আজও উজ্জ্বল হয়ে আছে। সব মিলিয়ে একজন মানুষের মধ্যে এত গুণের সমাহার সত্যিই বিরল। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সম্পর্কও বীরচন্দ্রকে ঔজ্জ্বল্য দান করেছে।

read more
পর্ব-১৪৭: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৭

পর্ব-১৪৭: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৭

সরকারি চাকরি দিতে অনেক হ্যাপা। পরে এ নিয়ে খোঁচাখুঁচি হলে ঝঞ্ঝাট অনেক। কিন্তু এতও হিসেবী এতো বুদ্ধিমান হয়েও ইপ্সিতার কাছে পুলকের পরকীয়া ধরা পড়ে গেল। মা কেন, ইপ্সিতা ছাড়া সারা পৃথিবীর আর কেউ জানে না। পুলক হাঁটুর বয়সী টেলিনায়িকা উত্তরা মুখার্জির সঙ্গে ডুবে ডুবে বিষপান করছে।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭২: কামোদ্দীপক প্ররোচনা ও রাবণের পরস্ত্রী-অপহরণের লোলুপতা আজও অব্যাহত

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭২: কামোদ্দীপক প্ররোচনা ও রাবণের পরস্ত্রী-অপহরণের লোলুপতা আজও অব্যাহত

বর্তমান রাজনৈতিক পরিসরে একজন নারীকে কেন্দ্র করে দুই শক্তির বিরোধ হয়তো সহজ নয়। শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নারীকেন্দ্রিক নৈতিক চরিত্রের স্খলন, বিচ্যুতি বিরল নয়। সেটি হয়তো দেশের ঘরোয়া পরিসরে বা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিতে সংবাদপত্রের রসাল আলোচনার বিষয়। তবে কি পরস্ত্রী অপহরণ, ধর্ষণ এই অপরাধ নেই? একেবারেই তা নয়। এই দুষ্প্রবৃত্তির প্রবণতায় এই অপরাধ নিত্য ঘটে চলেছে এই ভোগবাদী দুনিয়ায়।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৬২: ছুঁচো

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৬২: ছুঁচো

রাত্রিবেলায় এদের ঘরের মধ্যে ঢুকতে দেখলেও এদের বাসা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঘরের বাইরে বর্জ্য বা আবর্জনার স্তুপের ভিতরে, পরিত্যক্ত বাড়ি বা কক্ষের ভেতরে, কিংবা বাড়ির ফাটলের মধ্যে যেখানে সরাসরি দিনের আলো পৌঁছোয় না। অন্ধকার এদের খুব প্রিয়। তাই এরা খাবারের খোঁজে বেরোয় রাতে আর দিনের বেলায় বাসায় বিশ্রাম নেয়। সুন্দরবন অঞ্চলে এদের জঙ্গল এলাকায় পাওয়া যায় না। দেখা যায় কেবল জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে কারণ ভেজা কাদামাটি এদের একেবারেই না-পসন্দ।

read more
পর্ব-৮২ : আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৮২ : আকাশ এখনও মেঘলা

রাতে দিয়া ঘুমোতে পারে না! অতনু সেনের জন্যে খুব খারাপ লাগছিল। এতদিন দিয়া ভাবতো তার মতো কষ্ট কেউ পায়নি। তাকে পড়াশোনা করাতে এতকষ্ট করেছেন তার মা-বাবা। কিন্তু তার সাফল্য দেখার আগেই মারণ রোগে বাবা চলে গেলেন। মা এখনও গ্যাস এজেন্সিতে কাজ করেন। পরিশ্রম হয়। অসুস্থ হন। তবু কাজে যেতে হয়। গ্যাস এজেন্সিতে ছুটি নেই।

read more
বাইশে শ্রাবণ

বাইশে শ্রাবণ

সাল ১৯০১। রবীন্দ্রনাথের জীবনতরণী তখন ঠিক মাঝদরিয়ায়। আশি বছরের জীবনে চল্লিশ তখন তাঁর। উপলব্ধি করলেন—
“মৃত্যু সে ধরে মৃত্যুর রূপ, দুঃখ হয় হে দুঃখের কূপ/ তোমা হতে যবে স্বতন্ত্র হয়ে আপনার পানে চাই// হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে যাহা-কিছু সব আছে আছে আছে–নাই নাই ভয়, সে শুধু আমারই/ নিশিদিন কাঁদি তাই/ অন্তরগ্লানি সংসারভার পলক ফেলিতে কোথা একাকার/ জীবনের মাঝে স্বরূপ তোমার রাখিবারে যদি পাই।।”

read more

 

 

Skip to content