শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি: প্রতীকী।

মাঝেমাঝেই ইউরিক অ্যাসিডের যন্ত্রণা বেশ অসহনীয় হয়ে ওঠে। তখন আর ওষুধ খেয়েও স্বস্তি পাওয়া যায় না। এমনিতে ইউরিক অ্যাসিড ধরা পড়লে বড়সড় বদল আসে খাওয়াদাওয়ায়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার কম খেতে হয়। সেই সঙ্গে তেল-মশলাও বাদ দিতে হয়। তবে রোজদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু পরিবর্তন আনলেই ইউরিক অ্যাসিডের ব্যথা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। একঝলকে জেনে নিন কোন কোন খাবার খেলে ইউরিক অ্যাসিডের যন্ত্রণা কমবে।
ওজন কমানোর জন্য প্রোটিন উপকারী হলেও ইউরিক অ্যাসিডের রোগীদের প্রোটিনে সমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি। তাই প্রতি দিনের খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ কমান। বেশি করে খান ফল, সবুজ শাকসব্জি। নিয়ন্ত্রণে থাকবে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা।
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র পর্ব-৭৩ : ‘খেলাঘর’

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৫ : Twoকি!

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪২: কুইক অ্যাকশন

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০৭: ডেসডিমোনার রুমাল/৬

মটরশুঁটি ও বাদাম ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়ক হতে পারে। নানা ধরনের বাদাম রোজের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে পরিপূর্ণ পেস্তা ইউরিক অ্যাসিডের জন্য হওয়া শারীরিক কষ্ট কমাতে সাহায্য করে। ফলে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ২-৩টি পেস্তা রাখলেও উপকার মিলবে।
আরও পড়ুন:

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৬: সুন্দরবনের পাখি: গুলিন্দা বাটান

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪১: ঘটি চেয়ে বঁটি

শসাতে প্রচুর পরিমাণে জল থাকে, যা শরীর থেকে টক্সিন বার করতে পারে। শসা খেলে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে থাকে। রোজ সকালে শসার রস বা ছোট ছোট টুকরো করে কাটা শসা, পাতিলেবু ভেজানো ডিটক্স পানীয় খেলে উপকার পেতে পারেন।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৩: ত্রিপুরা : ঊনকোটির বহু মূর্তি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে

একটি পাত্রে জল গরম করে দারচিনি গুঁড়ো, লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নিন। তার পর এই চা ছেঁকে খান। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা বিভিন্ন রোগ থেকে শরীরকে বাঁচাতে সহায়তা করে। ব্যথাবেদনা থেকেও রেহাই পেতে পারে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content