শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত ।

কোষ্ঠকাঠিন্যের নিরাময়ে বহু মানুষ ভরসা রাখেন ইসবগুলের ভুসির ওপর। রাতের খাবার খাওয়ার পর ঈষদুষ্ণ জলে সামান্য এই ভুসি ভিজিয়ে খেলে সকালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শৌচাগারে বসে থাকতে হয় না। এই ভেষজের মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। জলে ভিজে এই ভেষজ আরও ফুলে ওঠে, পিচ্ছিল হয়ে যায়। পেটের নানাবিধ ব্যামো সারাতে এই ভেষজের ব্যবহার বহু পুরনো। গ্যাস, অম্বল, পেটফাঁপা কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নিরাময়ে ঘরোয়া টোটকা হিসাবে ইসবগুলের ভুসির ব্যবহার হয়ে আসছে বহু দিন ধরে। তবে, পেট ভাল রাখা ছাড়াও এই ভেষজের আরও অনেক কাজ রয়েছে। খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানলে তবেই পাবেন উপকার।
 

একঝলকে ইসবগুলের উপকারিতা

● বদহজম দূর করতে

ইসবগুলের মধ্যে রয়েছে ফাইবার। যা হজম সংক্রান্ত সমস্যা নিরাময়ে সাহায্য করে। পেটফাঁপা কিংবা গ্যাস্ট্রোএনটেস্টিন্যাল কোনও উপসর্গ থাকলেও সারবে ইসবগুলের গুণে। বদহজমের সমস্যা দূর করতে হলে ঠান্ডা দুধে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে হবে।

আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪২: রামায়ণে মহর্ষি অগস্ত্যের তপস্যালব্ধ শুভশক্তির আবেদন চিরন্তন

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৮: অসম-মিজোরাম সীমান্তে ঘাড়মুড়ার নব আবিষ্কৃত ভাস্কর্যও সুপ্রাচীন

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩২: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— গন্ধগোকুল

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৬: কবির টুপি, কবির জোব্বা

● কোষ্ঠকাঠিন্যে দূর করতে

শীতকালে ভালমন্দ খাওয়াদাওয়া লেগেই থাকে। আর তাতেই বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। এই সমস্যা কমাতে রাতে শোয়ার আগে ঈষদুষ্ণ জল বা দুধে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে হবে।

আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৭৯ : উত্তরমেঘ

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৪: মহিষ-জাতক : চাতুর্যের ফল

● ডায়েরিয়া কমাতে

পেটখারাপ কিংবা ডায়েরিয়ার সমস্যায় ভুগলেও ভরসা রাখতে পারেন ইসবগুলের উপর। এ ক্ষেত্রে জল নয়, টক দইয়ের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে হবে। দই আর ইসবগুলের মিশ্রণ পেটের ভাল ব্যাক্টেরিয়াগুলির সংখ্যা বৃদ্ধিতে সাহায্য় করে, মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য় বজায় রাখে।

আরও পড়ুন:

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৫০

দশভুজা, অন্য লড়াই: এই স্বাধীনতার জন্য আমরা লড়াই করিনি

● ওজন কমাতে

শীতকালে অনেকেই ওজন বেড়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। পুষ্টিবিদদের মতে, খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে যদি ঈষদুষ্ণ জলে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন, তা হলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমবে।

আরও পড়ুন:

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১৪: রাঙা মেঘের বেলাভূমি

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪৭: মধ্যরাতের অভিযান

● রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে

খাবারের পর জলের সঙ্গে ইসবগুল মিশিয়ে খেলে তা গ্লুকোজ শোষণকে ধীর করতে এবং খাওয়ার পরবর্তী সময়ে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এর জন্য খাওয়ার পর পরই ঈষদুষ্ণ জলে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেয়ে নিতে হবে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content