
ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত ।
একঝলকে ইসবগুলের উপকারিতা
● বদহজম দূর করতে
ইসবগুলের মধ্যে রয়েছে ফাইবার। যা হজম সংক্রান্ত সমস্যা নিরাময়ে সাহায্য করে। পেটফাঁপা কিংবা গ্যাস্ট্রোএনটেস্টিন্যাল কোনও উপসর্গ থাকলেও সারবে ইসবগুলের গুণে। বদহজমের সমস্যা দূর করতে হলে ঠান্ডা দুধে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে হবে।

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪২: রামায়ণে মহর্ষি অগস্ত্যের তপস্যালব্ধ শুভশক্তির আবেদন চিরন্তন

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৮: অসম-মিজোরাম সীমান্তে ঘাড়মুড়ার নব আবিষ্কৃত ভাস্কর্যও সুপ্রাচীন

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩২: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— গন্ধগোকুল

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৬: কবির টুপি, কবির জোব্বা
● কোষ্ঠকাঠিন্যে দূর করতে
শীতকালে ভালমন্দ খাওয়াদাওয়া লেগেই থাকে। আর তাতেই বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। এই সমস্যা কমাতে রাতে শোয়ার আগে ঈষদুষ্ণ জল বা দুধে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে হবে।

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৭৯ : উত্তরমেঘ

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৪: মহিষ-জাতক : চাতুর্যের ফল
● ডায়েরিয়া কমাতে
পেটখারাপ কিংবা ডায়েরিয়ার সমস্যায় ভুগলেও ভরসা রাখতে পারেন ইসবগুলের উপর। এ ক্ষেত্রে জল নয়, টক দইয়ের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে হবে। দই আর ইসবগুলের মিশ্রণ পেটের ভাল ব্যাক্টেরিয়াগুলির সংখ্যা বৃদ্ধিতে সাহায্য় করে, মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য় বজায় রাখে।

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৫০

দশভুজা, অন্য লড়াই: এই স্বাধীনতার জন্য আমরা লড়াই করিনি
● ওজন কমাতে
শীতকালে অনেকেই ওজন বেড়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। পুষ্টিবিদদের মতে, খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে যদি ঈষদুষ্ণ জলে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন, তা হলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমবে।

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১৪: রাঙা মেঘের বেলাভূমি

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪৭: মধ্যরাতের অভিযান
● রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে
খাবারের পর জলের সঙ্গে ইসবগুল মিশিয়ে খেলে তা গ্লুকোজ শোষণকে ধীর করতে এবং খাওয়ার পরবর্তী সময়ে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এর জন্য খাওয়ার পর পরই ঈষদুষ্ণ জলে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেয়ে নিতে হবে।


















