সোমবার ৮ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি: প্রতীকী। সংগৃহীত।

শীতকাল মানেই প্রচুর সব্জি। যাঁরা সব্জি খেতে ভালোবাসেন তাঁদের কাছে শীতকাল ভীষণ প্রিয়। বাজারে এই সময় এমন কিছু সব্জি পাওয়া যায়, যা পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। এর মধ্যে অন্যতম হল, বিটরুট। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, ফোলেট, রিবোফ্লাবিন (ভিটামিন বি২) ও পটাশিয়াম হাড় ও পেশিকে রাখে সুস্থ-সবল। এ ছাড়া এতে আছে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিংক, আয়োডিন, ভিটামিন-এ, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন-সি। সঙ্গে ফাইবার বা আঁশ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট তো আছেই।
 

একঝলকে বিটরুটের উপকারিতা

 

অন্ত্র সুস্থ রাখে

ভালো হজমক্ষমতা ও লিভার সুস্থ রাখতে দরকার ফাইবার বা আঁশ। যা বিটরুটে পাবেন পর্যাপ্ত পরিমাণে। বিটরুট শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ সহজেই বার করে দিতে পারে। যার ফলে শরীর থাকে নীরোগ। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের শরীরে সুগার বা শর্করার মাত্রা কমবেশি হলে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। বিটরুটের রস রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য যা জরুরি দরকার।

আরও পড়ুন:

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১১: স্বপ্নভূমি তিলজলা

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৯: রাজসূয় মহাযজ্ঞের মাহাত্ম্য ও আধুনিকতা

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৩: গর্গজাতক: হাঁচি

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৬: বক্সনগরে আবিষ্কৃত হয়েছে বৌদ্ধ স্তুপ, চৈত্যগৃহ ও একটি মঠ

 

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

বিটরুটে পাবেন নাইট্রেট। এই নাইট্রেট আমাদের দেহে ঢুকে পরিণত হয় নাইট্রিকঅক্সাইডে। যারক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। নাইট্রিক অক্সাইডের প্রভাবে আমাদের রক্তনালি ঠিকঠাক থাকে। ফলে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক দুই ধরনের রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে।

আরও পড়ুন:

হ্যালো বাবু!, পর্ব-১১১: ডেসডিমোনার রুমাল/১০

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৭৬ : মায়ামৃগ

 

হার্ট ভালো রাখে

ঘরে ঘরে এখন হার্টের সমস্যা ধরা পড়ছে। অল্পবয়সিরাও হার্টের রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। হার্ট ভালো রাখতে হলেও কিন্তু নিয়ম করে বিট খেতে হবে। বিটের রসে আছে নাইট্রেট যা শরীরে গিয়ে পরিণত হয় নাইট্রিক অক্সাইডে৷ যার হাত ধরে শরীরে রক্তচাপ কমে, রক্ত সঞ্চালন বাড়ে৷ বাড়ে শরীরের শক্তি-সামর্থ৷ হার্ট অনেক বেশি তরতাজা বোধ করে৷

আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৯: জলমুরগি

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৬ : কাঞ্চনজঙ্ঘা: ভর করেছিল সাতটি অমরাবতী?

 

ওজন কমায়

১০০ গ্রাম সেদ্ধ বিটে পাবেন ৪৪ ক্যালরি এবং ২ গ্রাম ফাইবার। সেদ্ধবিটরুট খেলে পাবেন প্রচুর পুষ্টি, কিন্তু এতে ক্যালরি থাকবে কম। অর্থাৎ পুষ্টি ঠিকঠাক মতো পাবেন আর ওজনও বাড়বে না।

আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪৩: আঁধারে আছে আততায়ী

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৩: মাঝ-রাতে আশ্রমে একটি বালক কাঁদছিল কেন?

 

শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়

যাঁরা অ্যাথলেট বা নিয়মিত খেলাধুলা ও ব্যায়াম করেন, তাঁরা বিটরুটের জুস খেতে পারেন নিয়মিত। অ্যাথলেটদের প্রচুর শক্তির দরকার। বিটে থাকা নাইট্রেট শরীরের কোষে শক্তি উৎপাদক মাইটোকন্ড্রিয়ার কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আর এতে শারীরিক কর্মক্ষমতাও বাড়ে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বিটের জুস শরীরের সহনশীলতা ও কার্ডিওরেসপিরেটরি (শ্বাসপ্রশ্বাসে হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস উভয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত) কর্মক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া ব্যায়ামের সময় শরীরে অক্সিজেন ব্যবহারের যে প্রক্রিয়া, তা আরও গতিশীল করে।

যোগাযোগ: ৯৮৩০৭৬৮১৫২

* হেলদি ডায়েট (Healthy Diet): সুতনুকা পাল (Sutanuka Paul), পুষ্টিবিদ, ডায়েট-টু-ফাইট।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content