
ছবি : প্রতীকী।
অনেকে মনে করেন, সুগার এক বার ধরে যাওয়া মানে আজীবন ওষুধ খেয়ে যেতে হবে। সেই সঙ্গে শুধু তো ওষুধ খাওয়া নয়, পাশাপাশি পছন্দের খাবারও একে একে ছেঁটে ফেলতে হবে। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) পরিসংখ্যান বলছে, আমাদের দেশে ডায়াবিটিসের রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ডায়াবিটিসকে বশে রাখতে অনেকেই অনেক কিছু করেন। নিয়মিত শরীরচর্চা করা, ডায়েট মেনে খাওয়াদাওয়া করা, অল্প পরিমাণে বারে বারে খাওয়া— সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে এই সব মেনে চলতেই হবে। সমস্যা হল, অনেকেই সঠিক পরিমাণে জল খাওয়ার কথা মনে রাখেন না।
আপনি ভাবছেন ডায়াবিটিসের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ জলপানের কি সম্পর্ক? শরীরে জলের ঘাটতি হলে রক্তে থাকা গ্লুকোজ (চিনি) আরও ঘনীভূত হয়ে যাবে। ঠিক এই কারণেই আমার অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার না খেলেও রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের দেহে আলাদা করে চিনি না গেলেও চিনির সঙ্গে জলের অনুপাত পরিবর্তিত হয়ে যায়, তাই রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়।
আরও পড়ুন:

বিচিত্রের বৈচিত্র, গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৭: অরণ্যজাতক : বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩৭: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — পাতিশিয়াল

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা/ দ্বিতীয় অধ্যায়, পর্ব-৫৫: আকাশ এখনও মেঘলা

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি পর্ব-৯৫ : রাজনীতির দাবার ছকে ত্যাগের মহাকাব্য: এক অন্য পঞ্চতন্ত্রের খোঁজে
আমাদের শরীরে জলের মাত্রা ঠিক থাকলে দেহে অতিরিক্ত শর্করা মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে, ডিহাইড্রেশন হলে শরীরে অ্যান্টি-ডাইইউরেটিক হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে। তাই মূত্রের পরিমাণও কমে যায়। সব মিলিয়ে রক্তের শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১৯: পরবাস প্রস্তুতি (শেষ)

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯০: ত্রিপুরার রাজপরিবারকে রবীন্দ্রনাথের প্রথম পত্র
তবে মনে রাখতে হবে, পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খেতে হবে বলে আবার মাত্রাতিরিক্ত জল খেয়ে নিলে হবে না। কোনও কোনও সুগার রোগীর কিডনির সমস্যা থাকে। সে ক্ষেত্রে আবার জল খেতে হবে নিয়ম মেনে, তা না হলে বিপদ বেড়ে যেতে পারে। তাই সুগারের রোগীরা দিনে ঠিক কতটা পরিমাণ জল খাবেন তা চিকিৎসকের থেকে জেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।


















