শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।

শূর্পনখার ভাই খর ও দূষণ, চোদ্দ হাজার সশস্ত্র ভয়ঙ্করদর্শন রাক্ষসসৈন্য নিয়ে রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করেছে। রাক্ষসবীর খরকে ঘিরে রেখেছে বারজন মহাবীর রাক্ষস। আরও চারজন রাক্ষসবীর অগ্রবর্তী খরের অনুগমন করল। এই বিশাল রাক্ষসবাহিনী সহসা রাম ও লক্ষ্মণের সামনে উপস্থিত হল। প্রকৃতির বুকে আসন্ন যুদ্ধের ভয়াবহ সঙ্কেত। পশু পাখিদের শান্তি বিঘ্নিত হতে চলেছে। প্রথমেই বিপর্যয়ের ইঙ্গিত, তাদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, যার প্রতিফলন তাদের আচরণের লক্ষ্য করা যায়। যেমন তাদের বীভৎস চিৎকারে মুখর হয়ে উঠল আকাশ,বাতাস। আবহাওয়ার বৈপরীত্য, যুদ্ধের অশুভ ধ্বংসাত্মক কুপ্রভাব এই সবকিছু, রাক্ষসবীর খরকে যুদ্ধবিমুখ করতে পারেনি। সে তুচ্ছ দুই মানুষ রাম ও লক্ষ্মণের শক্তিকে উপেক্ষা করল। বিপুলবিক্রমে রামের আশ্রয়, আশ্রমের উদ্দেশ্যে যাত্রা করল। প্রবল অনুভূতিপ্রবণ রাম, খরের উপস্থিতির প্রভাব অনুভব করলেন। রাম ও লক্ষ্মণ, (আসন্ন) বিপর্যয়ের নানা নমুনা দেখলেন। প্রজাদের অমঙ্গলকর মহা ভয়াবহ উপদ্রবগুলি দেখে, অত্যন্ত উদ্বিগ্ন রাম,লক্ষ্মণকে বললেন,সকল রাক্ষসদের সংহার করতে মহা ভয়াবহ উপদ্রবগুলির উদ্ভব হয়েছে। তিনি লক্ষ্মণের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন, গাধার বর্ণের মতো ধূসররঙের মেঘগুলি, বিকট গর্জন করে, রক্তধারা বর্ষণ করছে। ধূমায়িত শরগুলি যুদ্ধের কারণে উল্লসিত হয়েছে। স্বর্ণময় শরাসনগুলি উত্তেজিত। বনচারী পাখিগুলির কলরব যেন জানান দিচ্ছে, সামনেই আমাদের ভয় ও প্রাণসংশয় অপেক্ষা করছে। অগ্রতো নো ভয়ং প্রাপ্তং সংশয়ো জীবিতস্য চ। রামের অনুভব— নিঃসন্দেহে ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হবে। বাহু বারে বারে কেঁপে উঠে সেই বার্তা ঘোষণা করছে। রাম জানালেন, যুদ্ধে তাঁদের জয় ও শত্রুর পরাজয় হবে। লক্ষ্মণের মুখখানি প্রসন্ন ও উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। যুদ্ধে উদ্যত যাঁদের মুখগুলি নিষ্প্রভ হয় তাঁদের আয়ু শেষ হয়েছে।
ওই শোনা যায়, নিষ্ঠুর রাক্ষসদের তুমুল গর্জন ও ভেরীর আওয়াজ। শুভাকাঙ্খী বিচক্ষণ ব্যক্তির কর্ত্তব্য, অনাগত বিপদের আশঙ্কা করে,তার প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। রাম তাই লক্ষ্মণকে নির্দেশ দিলেন, ধনুর্বাণসহ সীতাকে সঙ্গে নিয়ে, গাছে পরিপূর্ণ পাহাড়ের দুর্গম গুহায় আশ্রয় নাও। তস্মাদ্ গৃহীত্বা বৈদেহীং শরপাণির্ধনুর্দ্ধরঃ। গুহামাশ্রয় শৈলস্য দুর্গাং পাদপসঙ্কুলাম্।। আমার কথার অন্যথা কোর না। আমার পাদুটির দিব্যি, বাছা, তুমি যাও, আর দেরী নয়। প্রতিকূলিত্বমিচ্ছামি ন হি বাক্যমিদং ত্বয়া। শাপিতো মম পাদাভ্যাং গম্যতাং বৎস মা চিরম্।। লক্ষ্মণকে আশ্বস্ত করলেন রাম, লক্ষ্মণ বীর ও বলশালী, রাক্ষসদের তিনি নিজেই বধ করত পারেন। এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু রামের ইচ্ছা তিনি নিজেই সব রাক্ষসদের হত্যা করবেন। স্বয়ং নিহন্তুমিচ্ছামি সর্ব্বানেব নিশাচরান্। রামের বক্তব্য শেষ হলে, লক্ষ্মণ ধনুর্বাণসহ সীতাকে সঙ্গে নিয়ে দুর্গম গুহায় আশ্রয় নিলেন। লক্ষ্মণ ও সীতা গুহায় প্রবেশ করলে, হস্ত নির্যুক্তমিতি যাক্ কাজ হল এই বলে, রাম বর্ম ধারণ করলেন। বর্মবিভূষিত রামকে দেখাচ্ছিল, ঠিক আঁধারে প্রকাশিত প্রজ্জ্বলিত আগুন যেন। শৌর্যবান রাম, তুলে নিলেন ধনুক, বিশাল শর যুক্ত করলেন, জ্যার টঙ্কারধ্বনিতে চারিদিক পরিপূর্ণ করে সেখানে অবস্থান করতে লাগলেন। যুদ্ধদর্শনার্থী দেবতা, গন্ধর্ব, সিদ্ধ, চারণ ও মহাত্মারা সমবেত হলেন। সমাগত পুণ্যকর্মা মহর্ষি ও ব্রহ্মর্ষি সকলে সম্মিলিত হয়ে পরস্পর বলাবলি করতে লাগলেন, গো, ব্রাহ্মণ, সকল লোকের মঙ্গল হোক। চক্রপাণি বিষ্ণু যেমন যুদ্ধে অসুরশ্রেষ্ঠদের পরাজিত করেছিলেন তেমনই রাঘব রাম পুলস্ত্যবংশীয় রাক্ষসদের বিরুদ্ধে বিজয়ী হন। এই বলে তাঁরা একে অপরের সঙ্গে দৃষ্টি বিনিময় করে বলতে লাগলেন, ভয়ানককর্মা রাক্ষসদের সংখ্যা চোদ্দ হাজার। ধর্মাত্মা রাম যে একাকী। কি করে যুদ্ধ হবে? এই বলে, কৌতূহলাক্রান্ত রাজর্ষি, সিদ্ধ, নিজগণ-সহ ব্রাহ্মণশ্রেষ্ঠরা এবং দেবতারা বিমানে অবস্থান করতে লাগলেন। সংগ্রামে পুরোভাগে তেজস্বী রামকে অবস্থান করতে দেখে, সব প্রাণীরা ভয়ে ব্যথিত হয়ে উঠল। ক্রুদ্ধ মহাত্মা মহাদেবের রুদ্ররূপের তুল্য নিরলসকর্মী রামের রূপ অতুলনীয় বলে মনে হল।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৫৭: জরাসন্ধবধ ও জনার্দনের কৃতিত্ব

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৯: নোনা জলের কুমির

ত্রিপুরায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৬৫ : কালাদেওর গুহায়

দেব, গন্ধর্ব, চারণরা যখন এমন আলাপচারিতায় রত, তখন ভয়ঙ্কর অস্ত্র, চর্ম, পতাকায় সজ্জিত রাক্ষসসেনারা গম্ভীরগর্জনে চারিদিকে ঘিরে ধরল। রাক্ষসরা পরস্পর শুরু করল বীরোচিত আস্ফালন, কেউ করল ধনুকের টঙ্কার, কেউ বা ঘন ঘন হাই তুলতে লাগল, গুরুগম্ভীর তীক্ষ্ণ রবে মুখর হল, সিংহনাদ ও দুন্দুভির ভীষণ শব্দে অরণ্যভূমি পরিপূর্ণ হল। বনের পশুরা ভয়ে, পিছন ফিরে তাকাল না, নিরালা স্থানে পালিয়ে গেল। নানা অস্ত্রে সজ্জিত সাগরের মতো গম্ভীর, সেনাবাহিনী রামের দিকে দ্রুত ধেয়ে এলো। যুদ্ধবিশারদ রামও চারিদিকে নিরীক্ষণ করে দেখলেন, খরের সৈন্যরা যুদ্ধের জন্য তাঁর দিকে আসছে। রাম, ভয়ঙ্কর ধনুক বিস্তার করে, তূণ থেকে তুলে নিলেন বাণ। সকল রাক্ষসদের বধের জন্য তাঁর তীব্র ক্রোধ সঞ্চারিত হল। যুগান্তের সূচক প্রলয়কালের প্রজ্জ্বলিত আগুনের মতো রাম। তাঁর দিকে দৃষ্টিপাত করা দুষ্কর হল। তেজোদীপ্ত রামকে দেখে, বনদেবতারা ব্যথিত হলেন।ক্রোধাবিষ্ট রামের রূপ যেন দক্ষের যজ্ঞ বিনাশে উদ্যত মহেশ্বরতুল্য। আগুনবরণ ধনু, অলঙ্কার, রথ, বর্মে সজ্জিত রাক্ষসসৈন্যদের সৌন্দর্য হল সূর্যোদয়কালীন নীলবরণমেঘের শোভাসম।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৬৮: আকাশ এখনও মেঘলা

ক্যাবলাদের ছোটবেলা, পর্ব-৩৭: লোকে যারে বড় বলে

রামের সঙ্গে রাক্ষস খরের নেতৃত্বে চোদ্দহাজার সশস্ত্র রাক্ষসের আসন্ন যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া দেখা দিল। উদ্বেগাকুল পশুপাখিদের আর্ত চিৎকারে মুখরিত হল আকাশ বাতাস। মানুষের আগে প্রভাবিত হয় প্রাণীজগত। এই বিষয়ে মানুষের থেকেও তারা অনেক বেশি অনুভূতিপ্রবণ। প্রকৃতির বুকে বিরূপ অশুভ সঙ্কেত অনুভব করলেন রাম। আকাশ ধূসরবর্ণের। মেঘপুঞ্জ.রক্তাক্ত ধারাবর্ষণ — এগুলি অপ্রাকৃত কোনও অশুভ শক্তির প্রকাশ নয়, এগুলি বোধবুদ্ধিসম্পন্ন শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিদের পরিকল্পিত সন্ত্রাস যার শিকার হয় বিশ্ব চরাচরের প্রাণীকুল। রাম মৃত্যু, ধ্বংসের গভীরতা অনুভব করেছেন তবু সেই যুদ্ধকে অস্বীকার করতে পারেননি। অবশ্যম্ভাবী যুদ্ধকে এড়িয়ে যেতে পারেননি।
আরও পড়ুন:

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৫৫: অকালরাবী জাতক—সময় গেলে সাধন হবে না

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৯ : আনকো আলোয় যায় দেখা ওই ‘সপ্তপদী’-র পথ চলা

একটি যুদ্ধ হল দুই পক্ষের ego র লড়াই। এ ক্ষেত্রে যুদ্ধ, যুযুধান দুই গোষ্ঠীর একে অপরকে অবদমিত করে আত্মসম্মান উদ্ধারের সংগ্রাম। খরের যুদ্ধাভিযান মূলত ভগিনীর অবমাননার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিপক্ষের শক্তিকে তাচ্ছিল্য করে রাক্ষসদের আত্মসম্মান পুনরুদ্ধারের অভিযান। রামের প্রতিরোধ ও প্রতিকার, আত্মরক্ষার কারণে ও অরণ্যবাসী ঋষিদের কাছে প্রতিশ্রুতিরক্ষার তাগিদে। যদিও যুদ্ধ সর্বদাই নিন্দনীয় কারণ এর ফল হল জীবনের অপচয়, ধ্বংস, হত্যা যেগুলি মানবিকতার পরিপন্থী। তবু বাস্তবতার নিরিখে যুদ্ধ যখন অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে, তখন তার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্বন্ধে পর্যালোচনার অবকাশ রয়ে যায়।
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৭ : সোনার কেল্লা: ডিটেকশনের ড্রয়িংরুম

যুদ্ধ শুধুমাত্র ক্ষমতাদখলের লড়াই নয়, যুদ্ধজয়ের মধ্যে আছে আত্মতুষ্টি, প্রতিশোধস্পৃহাচরিতার্থতা, গ্লানিমুক্তি, সম্ভাব্য বৃহত্তর কোনও দুর্বিপাকপ্রতিরোধের তাগিদ, অধিকার প্রতিষ্ঠাজনিত আত্মতৃপ্তি, আত্মরক্ষার কারণে প্রতিরোধের সাফল্য। খরের রামের বিরুদ্ধে অভিযান বা রামের খরকে দমনের প্রয়াস—এই দুই অভিযান ও প্রত্যভিযানে, যুযুধান উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধজয়ের এক বা একাধিক লক্ষ্য কোনও কোনওটি ছিল, সেটি সুধী পাঠকবর্গের আলোচনার বিষয়।আধুনিক পৃথিবীতে, যুদ্ধের রুদ্ধশ্বাস উদ্বেগের আবহে, বেদনাতুর বিশ্বনাগরিকেরা এই যুদ্ধের প্রেক্ষিতে, যুদ্ধজয়ের সাফল্য কোনটিতে নিহিত সেটি বিচার করতে পারেন কি?
কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।

রাম খরকে শাস্তি দিতে চেয়েছেন, সঙ্গে ছিল নিজেদের আত্মরক্ষা ও শরণাগত মুনিঋষিদের জীবনরক্ষার জন্যে বিবেকের অমোঘ নির্দেশ, যেটি মানবপ্রেমিক যে কেউ উপেক্ষা করতে পারেন না। রাম যে রাজকীয় পরম্পরার উত্তরাধিকারী। প্রজাসুরক্ষাপ্রদান, যে কোনও প্রশাসকের কর্তব্য। এই কর্তব্যভার অরণ্যবাসের নিরাসক্তযাপনেও তিনি ভুলে যেতে পারেন কী? তাই রঘুপতি রাঘব রাজা রামের প্রচ্ছন্ন রাজকীয় অন্তরাত্মা অন্যায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। এর পরে বহু যুদ্ধ বাকি আছে এখনও। তবে রামের প্রত্যেকটি যুদ্ধজয়ের লক্ষ্য পরিবর্তিত হয়েছে। রাক্ষসসেনার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণের আগে, রাম নিজের স্ত্রী ও কনিষ্ঠ ভাইয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন। এই আদর্শ স্বামীর ভাবমূর্তি পারিবারিক জীবনে ধরে রাখতে পেরেছেন কি না সেটি যথাযথ সময়ে আলোচনার বিষয়। সেই সব যুদ্ধ কোনটি মানস যুদ্ধ, কোনটি নিজের সঙ্গে নিজের যুদ্ধ, কোনও যুদ্ধ তথাকথিত নৈতিকতার সীমা লঙ্ঘন করেছে কি না (যে নৈতিকতার সংজ্ঞা ব্যক্তিবিশেষের বিচারশক্তির মাপকাঠিতে বার বার পরিবর্তিত হয়, যুগভেদে, কালভেদে) তাত্ত্বিকদের বিচারে, এমন বহুসমালোচনার অবকাশ আছে। এই যুদ্ধে রামের একাকী নিঃসঙ্গ সংগ্রামী ভাবমূর্তি সকলের সহানুভূতি আদায় করে নিয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে রামের বিধ্বংসী রুদ্র রূপ দেখে, ব্রহ্মর্ষি ও মহর্ষিগণ মুগ্ধ হয়েছেন। চক্রপাণি বিষ্ণু পরাজিত করেছিলেন অসুরদের।মানুষ রামের যুদ্ধ রাক্ষসদের সঙ্গে। যুদ্ধের দর্শক দেব, গন্ধর্ব, সিদ্ধ, চারণ ও মহাত্মাগণ। তাঁরা চক্রপাণি বিষ্ণু ও মানুষ রামের শক্তির সাযুজ্য খুঁজে পেয়েছেন। এ অসম শক্তির তুলনা। যুদ্ধ হচ্ছে একের সঙ্গে বহুর, সেখানেও অসম যুদ্ধ। প্রবল আত্মবিশ্বাসী রামের তখন রুদ্ররূপ। এক শুভবোধে উদ্দীপিত শক্তি, বহু অশুভশক্তির মোকাবিলা করতে সক্ষম। দৈবশক্তির প্রতীক বিষ্ণুতে তার প্রতিফলন। তেমনই প্রমাণ করলেন মানুষ দাশরথি রাঘব রাম।যুদ্ধের সাফল্যের অধিকারী কে? সেটা সকলের অজ্ঞাত নয়। শুভশক্তির জয়ঘোষণা, বৃহত্তর উপদ্রব প্রতিহত করে বনাঞ্চল রাক্ষসমুক্ত করবার লক্ষ্যে এক পা এগিয়ে গেলেন রাম।

খর ও রামের যুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে যুদ্ধের আবহ নানা প্রশ্নের উদ্রেক করে। এমনই বোধ হয় মহাকাব্যিক বিস্তার, যার অমীমাংসিত আলোচনার রেশ যুগ যুগান্তরে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতেই থাকে, আবহমান, নিরন্তর।—চলবে।
* মহাকাব্যের কথকতা (Epics monologues of a layman): পাঞ্চালী মুখোপাধ্যায় (Panchali Mukhopadhyay) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা, সংস্কৃত বিভাগ, যোগমায়া দেবী কলেজে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content