শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।

পঞ্চবটীবনে অবস্থানকালীন মহাত্মা রামের শরৎকাল অতিবাহিত হল, প্রিয় ঋতু হেমন্ত সমাগত।একদা রাত ভোর হলে রঘুনন্দন রাম, স্নানের জন্যে মনোরম গোদাবরী নদীতে গেলেন। সঙ্গে সীতা ও অনুসরণরত, বিনয়ী, বীর্যবান, লক্ষ্মণ, কলসহাতে চললেন। সুমিত্রানন্দন লক্ষ্মণ প্রিয়ভাষী রামকে জানালেন, রামের প্রিয় এই সেই কাল সমুপস্থিত। মঙ্গলময় সংবৎসরকাল যেন এর দ্বারা অলঙ্কৃত হয়ে সুন্দর হয়। এই কালে কুয়াশায় মানুষের শরীর শুষ্ক হয়, বসুন্ধরা হয় শস্যমালায় সমৃদ্ধা, জল তখন উপভোগ্য নয় আর। আগুন, সুখের উপভোগ্য হয়ে ওঠে। সজ্জনেরা নব অঘ্রাণে পিতৃদেবগণের অর্চনা করেন, অঘ্রাণে নির্দিষ্টকর্মানুষ্ঠান করে (যজ্ঞানুষ্ঠান করে), তাঁরা পাপমুক্ত হন। এই সময়ে জনপদগুলিতে পর্যাপ্ত কাম্যবস্তু এবং গরুর দুধ সুলভ হয়। বিজয়ার্থী রাজারা যুদ্ধযাত্রায় উদ্যোগী হন। সূর্য এখন যমের প্রিয় দক্ষিণদিকের প্রতি আসক্ত, তাই উত্তরদিক তিলকবিহীনা নারীর মতো শ্রীহীনা হয়েছে। হিমালয়ে স্বভাবতই আছে হিমের প্রাচুর্য, সূর্যও এখন দূরগামী। তাই হিমালয় ‘হিমালয়’ সার্থকনামা হয়েছেন।
এই সময়ে দিনের মধ্যাহ্নে সূর্যকিরণের উত্তাপ ও পরশে সুখানুভব হয়, ভ্রমণ সুখকর, ছায়া ও জল উপভোগ্য নয়, কষ্টদায়ক। সম্প্রতি সূর্যের শৌর্য মৃদুমন্দ, শিশিরকণায় শীতের দাপট, অরণ্যভূমি শূন্যপ্রায়, হিমে আক্রান্ত দিনগুলি জড়সড়। এখন আকাশের নীচে শয়ন পরিহার করা হয়, পুষ্যানক্ষত্র স্থির করে হিমাচ্ছন্ন ধূসর রাত্রির মান। সুদীর্ঘ রাতগুলি যেন দ্রুত অপসৃত হচ্ছে। চন্দ্রকলার সৌন্দর্যরূপ সৌভাগ্য সংক্রামিত হয়েছে সূর্যে, নিঃশ্বাসে মলিন দর্পণের মতো তুষারম্লান চাঁদ আজ প্রকাশমান নয়। রবিসংক্রান্তসৌভাগ্যন্তুষারারুণমণ্ডলঃ। নিঃশ্বাসান্ধ ইবাদর্শশ্চন্দ্রমা ন প্রকাশতে।।

জ্যোৎস্না যেন হিমমলিনা হয়ে, পূর্ণিমার শোভা ধারণ করেনি,তাঁকে রৌদ্রতাপদগ্ধা সীতার মতো শ্যামবর্ণা দেখাচ্ছে, শোভা নেই তার। স্বভাবতই শীতল পশ্চিমের বায়ু,হিমেল হওয়ায়, দ্বিগুণ শীতল হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সূর্য উদিত হলে, ক্রৌঞ্চ ও সারসদের কাকলিমুখর, যব ও গমে পরিপূর্ণ অরণ্যভূমি শিশিরাবৃত হয়ে সুন্দর শোভা সৃষ্টি হয়েছে। সোনারঙের এবং কিছুটা প্রলম্বিত খেজুরের পুষ্পগুচ্ছের মতো শালিধানগুচ্ছের শিরোভাগ তণ্ডুলপূর্ণ হয়ে দীপ্তিমান হয়েছে।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪৭: জরাসন্ধের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মত ও তাঁর নামের মাহাত্ম্য

শিবরাত্রির বিশেষ পর্ব : শিব

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৫৪ : গরুর পালে বাঘ

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২১: বিবাহ সংবাদ, আদিনাথ-গোরা

ময়ূখৈরুপসর্পদ্ভির্হিমনীহারসংবৃতৈঃ। দূরমপ্যুদিতঃ সূর্য্যঃ শশাঙ্ক ইব লক্ষ্যতে।। দূরে উদীয়মান সূর্যের কিরণ শিশিরাচ্ছন্ন হয়ে যেন চাঁদ হয়ে দেখা দিয়েছে। পূর্বাহ্নে এর তেজের প্রখরতা অনুভূত হয় না, মধ্যাহ্নে এর সুখস্পর্শ, এখন কিছুটা পাণ্ডুবর্ণ, সূর্যকিরণ মাটির সান্নিধ্যে অপূর্ব শোভা ধারণ করেছে। তরুণ সূর্যের সাহচর্যে শিশিরপাতের ফলে ঈষৎ সিক্ত অরণ্যের শ্যামল তৃণভূমি সুন্দর শোভামণ্ডিত হয়েছে। পিপাসার্ত বন্য হাতি সানন্দে জল স্পর্শ করেও অতি শীতলতার কারণে শুঁড়টি সরিয়ে নিচ্ছে। জলচর পাখিগুলি তীরে বসে আছে, যুদ্ধে উদ্যমহীন সৈন্যের মতো (শীতে কাতর হওয়ার ভয়ে) জলে প্রবেশ করছে না। কুয়াশার আঁধারে সমাচ্ছন্ন, পুষ্পবিহীন কাননরাজি যেন ঘুমের ঘোরে রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। অবশ্যায়তমোনদ্ধা নীহারতসমাবৃতাঃ। প্রসুপ্তা ইব লক্ষ্যস্থলে বিপুষ্পা বনরাজয়ঃ।। নদীর জল, বাষ্পে পরিপূর্ণ হওয়ায় শুধু শব্দের মাধ্যমে সারসদের অস্তিত্ব অনুমিত হচ্ছে, হিমসিক্ত বেলাভূমিসহ নদী সুন্দর শোভা বিস্তার করেছে।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৫৬: আকাশ এখনও মেঘলা

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯৬ : ‘চণ্ডাল-কূপ’ ও অস্পৃশ্যতা: পঞ্চতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ভারতের এক দগদগে ইতিহাস

তুষারপাতের কারণে এবং সূর্যের মৃদুতার জন্যে পর্বতশিখরের জলও ঠান্ডায় বিষবৎ হয়েছে।পদ্মের খনিস্বরূপ সরোবরগুলি হিমকণায় বিধ্বস্ত হয়েছে। পদ্মপত্রগুলি জরাজীর্ণ, বিশীর্ণ হয়েছে কেশর ও কণিকাগুলি, শুধু নালগুলি অবশিষ্ট আছে। হেমন্তের রূপ বর্ণনা করছেন লক্ষ্মণ, প্রসঙ্গক্রমে লক্ষ্মণ, রামকে মনে করিয়ে দিলেন, এই সময়ে ধর্মাত্মা ভরত, নগরে অবস্থান করেও, দুঃখকষ্ট-সহ, রামের প্রতি ভক্তিবশে তপশ্চর্যা করছেন। রাজ্য, মান, বিবিধ ভোগ্যবস্তু ত্যাগ করে, তপস্বী হয়ে, পরিমিত আহার গ্রহণ করছেন এবং শীতল ভূমিশয্যাতে শয়ন করছেন। তিনি নিশ্চয়ই প্রত্যহ এই সময়ে প্রজাপরিবৃত হয়ে, সরযূনদীতে স্নানের জন্যে যান। সুখে লালিত, সুকুমার ভরত, এই শীতে, শেষরাতে, কীভাবে সরযূনদীতে স্নান করবেন? লক্ষ্মণ জানালেন, পদ্মলোচন, শ্যামবরণ, শ্রীমান, স্বার্থত্যাগী, মহান ভরত, ধর্মজ্ঞ, সত্যবাদী ও লজ্জাশীল, জিতেন্দ্রিয়, প্রিয়ভাষী, মধুরস্বভাব, দীর্ঘ বাহু ও শত্রুদমনকারী ভরত, বিবিধ সুখসামগ্রী ত্যাগ করে, রামকেই সার্বিকভাবে আশ্রয় করে আছেন। বনবাসী হয়েও যিনি তপশ্চর্যাবিষয়ে জ্যেষ্ঠ রামের অনুগামী হয়েছেন, সেই মহান ভরত, তপস্যায় নিরত থেকে নিশ্চয়ই স্বর্গ জয় করেছেন। দ্বিপদপ্রাণীরা (মানুষ) পিতাকে অনুসরণ না করে, মায়ের স্বভাবের অনুকরণ করে থাকে। ভরত এই লোকাপবাদ ব্যর্থ করেছেন। যাঁর স্বামী দশরথ, পুত্র যাঁর সাধুপ্রকৃতির ভরত, সেই জননী কৈকেয়ী কেমন করে এতটা নির্মমস্বভাবের হতে পারেন? লক্ষ্মণের কথা শুনে, জননীর (কৈকেয়ীর) নিন্দা সহ্য করতে না পেরে রাম স্নেহভরে বললেন, না, কখনও মধ্যমা জননীর নিন্দা উচিত নয়,তার চেয়ে বরং ইক্ষ্বাকুকুলপ্রধান ভরতের কথা বল। ন তেঽম্বা মধ্যমা তাত গর্হিতব্যা কথঞ্চন। তামেবেক্ষ্বাকুনাথস্য ভরতস্য কথাং কুরু।।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩৯: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — চিতল হরিণ

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৪ : শুন বরনারী

রাম বললেন, তিনি বনবাসযাপনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তবু তিনি ভরতের প্রতি স্নেহদুর্বল,তাই তাঁর বড় কষ্ট। তিনি তখন অস্থিরমতি হয়ে ওঠেন। রামের মনে পড়ে,ভরতের মনভোলানো অমৃতের মতো মধুর ও প্রিয় কথাবিন্যাস। রামের বুকের গভীর থেকে বেড়িয়ে এলো যেন গভীর দীর্ঘনিঃশ্বাস। তিনি হতাশকণ্ঠে বললেন,কবে যে তোমাকে সঙ্গে নিয়ে, মহান ভরত ও বীর শত্রুঘ্নের সঙ্গে মিলিত হব? কদা হ্যহং সমেষ্যামি ভরতেন মহাত্মনা। শত্রুঘ্নেন চ বীরেণ ত্বয়া চ রঘুনন্দন।। কাঁদতে কাঁদতে রাম, গোদাবরী নদীর সম্মুখে উপস্থিত হলেন। অনুজ লক্ষ্মণসহ সীতাকে নিয়ে তিনি সেখানে স্নান করলেন।নিষ্পাপ তিনজন, জলাঞ্জলি দান করে দেবতা ও পিতৃপুরুষদের তর্পণ করে, উদীয়মান সূর্য ও দেবতাদের উদ্দেশ্যে স্তব করলেন।সীতা ও লক্ষ্মণের সঙ্গে স্নান সেরে, রাম, এমন শোভা ধারণ করলেন যেন গিরিরাজনন্দিনী উমা ও নন্দী-সহ ভগবান মহেশ্বর বিরাজমান হয়েছেন।

বনবাসের দীর্ঘদিন অতিবাহিত প্রায়, পঞ্চবটী বনে লক্ষ্মণের বিবরণ অনুযায়ী জানা গেল রামের প্রিয় ঋতু হেমন্ত। অয়ং স কালঃ সম্প্রাপ্তঃ প্রিয়ো যস্তে প্রিয়ংবদ। অলঙ্কৃত ইবাভাতি যেন সংবৎসরঃ শুভঃ।। হে প্রিয়ভাষী,আপনার এই সেই প্রিয় কাল, এই ঋতু, শুভ সংসৎসরের অলঙ্কার হয়ে শোভা পায়। ঋষি কবি, হয়তো বা রামের পছন্দের সঙ্গে নিজের প্রিয় ঋতুকে মিলিয়ে দিয়েছেন। কুয়াশাচ্ছন্ন প্রহেলিকার ঘেরাটোপে ঢাকা হেমন্ত কবির দৃষ্টিতে বড় মোহময়।মায়াময় এর আকর্ষণ। মানুষের সুখোপভোগ্য এই ঋতুকে কবি যেন ভোগের আগুনে উত্তপ্ত হতে দেখছেন।শস্যশ্যামলা বসুন্ধরার প্রাচুর্য, পর্যাপ্ত কাম্যবস্তুর আধিক্য, পিতৃপুরুষের স্মরণের আলোয় উদ্ভাসিত হেমন্ত ঋতুকে লক্ষ্মণের বর্ণনায় ফুটিয়ে তুলেছেন কবি। হেমন্তের রিক্ততাও তাঁর চোখে পড়েছে। তবে ভোগবাদী নাগরিক জীবনে হেমন্তের প্রভাব তাঁর নজর এড়িয়ে যায়নি। অনুকূল আবহাওয়ায় রাজাদের যুদ্ধোদ্যোগ, সূর্যের দক্ষিণায়নে গমন,উত্তরের সৌন্দর্যহানি এই তুলনামূলক বিচার, ধরা দিয়েছে পর্যবেক্ষক ঋষির বিশ্লেষণে। মানুষের জীবনে হেমন্তের অনুষঙ্গ যা কিছু রাজনন্দন লক্ষ্মণের বয়ানে সেগুলি ধরা দিয়েছে। প্রকৃতির বুকে হেমন্তর নিঃশব্দ পদচারণা কবি কান পেতে শুনেছেন,তাই হয়তো তাঁর অনুভবের ছোঁয়ায় হেমন্ত প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯২: কৈলাসচন্দ্র সিংহ ছিলেন সত্যনিষ্ঠ আপসহীন এক ঐতিহাসিক

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি

একদিকে শূন্যতা অপরদিকে পূর্ণতা দুই-এর মিলনে হেমন্ত, অপরূপ সৌন্দর্যে ধরাতলে অবতীর্ণ হয়েছে। যব ও গমের কানন ভূমিতে পূর্ণতার চিত্র। শস্যশ্যামল শিশিরসিক্ত ক্ষেতগুলিতে সূর্যালোকের অপূর্ব সুষমামণ্ডিত দৃশ্য মনোমুগ্ধকর। বন্য হাতির জলের শীতলতা স্পর্শ করে জলপানে অনীহা, নদীতীরে জলবিহারী বিহঙ্গদের জলবিমুখতা। তুষারপাতের ফলে বিধ্বস্ত পদ্মবনের রিক্ততা, ধূসর জরাগ্রস্ত পদ্মপাতা, কেশর ও কোরকবর্জিত পদ্মের রিক্ত নিঃস্ব অবস্থা যেন একাধারে জীবনের সুসময়ের পূর্ণতা ও অপূর্ণতাময় রিক্ততার প্রতীক। রামের প্রিয় ঋতুর সৌন্দর্য্য বর্ণনার সময়ে লক্ষ্মণের মনে, ধার্মিক ভাই ভরতের নিরাসক্ত জীবনের কথা মনে হল কেন? ভরত ভারপ্রাপ্ত রাজা, তাঁর চারিদিকে অজস্র ভোগ্যবস্তুছড়ান রয়েছে, তবু তিনি মিতাহারী, শয্যা তাঁর ভূমিতল।
কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।

ভরতের রাজকীয় পরিমণ্ডল বিলাসবর্জিত। হেমন্তের মতোই ভরতের জীবনে যেন পূর্ণতা ও শূন্যতার একত্র সহাবস্থান,উভয়ের মধ্যে নেই কোন বিরোধ,আছে শুধু পরিমিতিবোধের মাঝে সুশৃঙ্খল নৈতিকতার সাম্য। ভরত মনেপ্রাণে রামের বনবাস জীবনের কঠোরতা অনুসরণ করে চলেছেন। ভরতের প্রশংসাচ্ছলে, লক্ষ্মণ প্রসঙ্গক্রমে ভরতমাতা কৈকেয়ীর সমালোচনা করেছেন। উদারমনা রাম তার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। রামের বনবাসে অন্যতম পিছুটান সেই কৈকেয়ীপুত্র ভরত। রামের ভ্রাতৃত্বের বাঁধনে রয়েছে কনিষ্ঠের প্রতি জ্যেষ্ঠর স্নেহের আকুলতা। ভরতের প্রসঙ্গে, রামের চোখের জল বাধা মানেনি। বৈরাগ্যের অনাসক্তির মন্ত্র রামের অন্তঃস্থলে অনুরণিত হয়েছে নিরন্তর, ফেলে আসা গার্হস্থ্যজীবনের স্মৃতি, ভাইদের স্নেহনিবিড় গৃহকোণ হয়তো তাঁকে হাতছানি দিয়ে ডেকেছে অনুক্ষণ। ব্যক্তিত্বের এই দ্বিখণ্ডিত চালচিত্রে স্নেহাকুল রামের ভ্রাতৃত্ববোধের ঔদার্য, তাঁর অনুপম করিশ্মা, এখনও অচ্ছেদ্য বন্ধনে বেঁধে রেখেছে ভারতবর্ষের প্রত্যন্তকোণে যৌথপারিবারিক জীবনকে,ধরে রেখেছে জ্যেষ্ঠর প্রতি কনিষ্ঠের বিশ্বস্ততাময় আনুগত্য। এ সত্য অস্বীকার করা যাবে কী?—চলবে।
* মহাকাব্যের কথকতা (Epics monologues of a layman): পাঞ্চালী মুখোপাধ্যায় (Panchali Mukhopadhyay) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা, সংস্কৃত বিভাগ, যোগমায়া দেবী কলেজে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content