শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি
স্থানীয়-স্কুলের হেডমাস্টারের নাম পিনাকী সেনাপতি। প্রৌঢ়, কিছুটা রাশভারি লোক। গাত্রবর্ণ কালো, মাথায় টাক আছে, আর আছে স্যার আশুতোষ-মার্কা গোঁফ। পরে আছেন সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি। তিনি অপেক্ষা করছিলেন থানের সামনেই। শাক্যরা পৌঁছতেই এগিয়ে এলেন। নমস্কার করে বললেন, “আমিই পিনাকী সেনাপতি। পিশাচপাহাড় উচ্চ-মাধ্যমিক স্কুলের হেডমাস্টার। আপনাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছিল…”
শাক্য প্রতিনমস্কার করে বলল, “হ্যাঁ, আমিই কথা বলেছিলাম আপনার সঙ্গে। আমার নাম শাক্য সিংহ। স্পেশাল ব্রাঞ্চ, ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট, লালবাজার।”

একে-একে সকলের সঙ্গে আলাপ-পরিচয় পর্ব মিটল। একজন স্থানীয় লোক ফ্লাস্কে করে চা আর একটি বিস্কিটের প্যাকেট হাতে এগিয়ে এল। তার পাশে অল্পবয়সী একটি ছেলে, তার হাতে পেপারকাপ।
তাকে দেখে ডিএমের ভুরু কুঁচকে গেল। তিনি বললেন, “এ-কী? আপনি কে? এসব আবার এখানে কে ব্যবস্থা করতে বলেছে?”
“আজ্ঞে আমার নাম ত্রিভুবন মাহাতো। এখানে বাজারে আমার একটা চায়ের দোকান আছে স্যার। পঞ্চায়েত থেকে বলে দিয়েছে, আপনারা আমাদের দেওর জন্য এত কিছু করছেন, আপনাদের চা-বিস্কুট না খাওয়ালে গ্রামের অপমান। পিলিজ স্যার, না করবেন না।”

শাক্য মর্নিং-টি খেয়েই বেরিয়েছে। আর যত্রতত্র, যখন-তখন চা সে খায় না। কিন্তু এক্ষেত্রে আপত্তি করল না। যেন খুব খুশি হয়েছে, এমনভাবে বলল, “বা! বা! খুব ভালো। তা চিনি কম দিয়েছ তো?”
ত্রিভুবন মাহাতো বত্রিশপাটি দাঁত বের করে বলল, “আজ্ঞে, চিনি নয়, গুড় দিয়ে করেছি। খেয়ে দেখুন, আবার চাইবেন!”

সুধীভূষণ বললেন, “গুড়ের চা? আহা, গ্রামীণ এই রীতি আজও কেমন বেঁচে আছে। দাও দাও, খেয়ে দেখি। এই হালকা শীতের আমেজমাখা সকালে গুড়ের চা খেলে এনার্জি পাওয়া যাবে।”
শাক্য ইতিমধ্যেই বিরক্ত হওয়া ডিএমকে বলেছে, “স্যার, এই চা যতই অখাদ্য হোক, আপত্তি করবেন না। লোকাল সেন্টিমেন্ট। ওদের হাত থেকে চা খেলেন মানে, আপনি ওদের রেসপেক্ট দিচ্ছেন। এখন পাবলিককে প্লিজ করতে হবে। নাহলে আমাদের কাজটা কঠিন হয়ে যাবে। যে-কোন মুহূর্তে ওরা বেঁকে বসলে। বুঝতেই পারছেন…”

ডিএম ব্যাজার মুখে চা নিলেন, তবে বিস্কুট নিলেন না। চায়ে চুমুক দিয়ে কিন্তু তাঁর মুখের ভাব বদলে গেল। বিরক্তি উধাও। খাঁটি দুধ দিয়ে ফোটানো চা। চায়ের পাতার বদলে শালপাতা হলেও কিছু যায় আসে না। খেতে দিব্যি হয়েছে। হালকা মিষ্টি। গুড় দিলেও কম দিয়েছে পরিমাণে। চায়ের কালারটিও অন্যরকম হয়েছে। আলাদাই একটা গন্ধ বেরুচ্ছে চা থেকে। বাকিদের দিকে তাকিয়ে দেখলেন, সকলেই বেশ তৃপ্তির সঙ্গে চা খাচ্ছেন।
শাক্যরও বেশ ভালো লাগল। অনেকদিন পরে সে মিষ্টি দেওয়া চা খাচ্ছে যদিও। তবে ত্রিভুবন চা-টা করেছে বেশ। না-খেলে দারুণ একটা অভিজ্ঞতা মিস্‌ করত। ত্রিভুবনের দিকে তাকিয়ে বলল সে, “চমৎকার চা বানিয়েছেন ত্রিভুবন। ফেরার সময় আবার খাওয়াতে হবে কিন্তু। এখন কত টাকা হয়েছে তোমার চায়ের দাম বাবদ সেটা বল। দিয়ে যাই।”
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৬৪ : অতঃপর অভিযান

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৮: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— তিল কাছিম

ত্রিপুরায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৯ : আনকো আলোয় যায় দেখা ওই ‘সপ্তপদী’-র পথ চলা

ত্রিভুবন গলিত-বিনীত ভঙ্গীতে হাসছিল, কিন্তু দাম দেওয়ার কথা শুনেই তাকে যেন সর্পদংশন করল। সে তিনহাত ছিটকে গিয়ে বলল, “এ-কী কথা বলছেন স্যার। আপনারা আজ আমাদের গ্রামের অতিথি। আপনাদের সামান্য চা-বিস্কুট খাইয়ে পয়সা লুবো? কালাদেও ক্ষমা করবেন না স্যার। অমন বলবেন না। আপনারা যতবার চাইবেন, ততবার চা খাবেন। কোন পয়সা দিতে হবে না। আপনাদের মতো মানুষদের চা খাওয়ানোর সুযোগ তো বারে-বারে পাব না। দয়া করে তাকার কথা তুলবেন না। ওটা নিতে পারব না!”

অগত্যা। স্কলের চা খাওয়া শেষ হলে, ডিএম বললেন, “বেশ, আর দেরি না করে ঢোকা যাক ভিতরে। সত্যি বলতে কী, ডিএম হিসেবে নয়, একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক গুহায় আজ প্রথম ঢুকব, সেই আনন্দ আর থ্রিল আমাকে আর এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে দিচ্ছে না!”

সকলেই তাঁর কথায় মৃদু হেসে উঠলেন। পিনাকীবাবু বললেন, “অযথা দেরি করা উচিৎ নয়। চলুন, ভিতরে যাওয়া যাক। গুহার ভিতরের দিকে আমরাও প্রথম যাচ্ছিস আজ। থানের সামনে পূজা দিয়ে চলে আসাই দস্তুর। ফলে অনেকেরই আজ প্রথম যাকে বলে গুহা, সেখানে ঢোকা। চলুন।”

প্রথমে এসপি নিজে, তারপরে পিনাকীবাবু, সুধীভূষণ, রিটায়ার্ড বিচারপতি এবং কর্নেল, অবশেষে শাক্য এবং আরও তিনজন পুলিশ, তাঁদের মধ্যে একজন অফিসার র্যাংাকের, কালাদেওর থানে ঢুকলেন। সকলে অবশ্য ঢোকার আগে নিজেদের জুতোজোড়া খুলে রাখলেন। বাকি পুলিশফোর্স বাইরে কর্ডন করে দাঁড়াল, যাতে এইসময় একজনও কেউ ভিতরে না যেতে পারে কিংবা কাছাকাছি না আসতে পারে। উৎসাহী জনতা কম নেই। গুহায় ঢোকার আগে গুহামুখে বানানো চাতালে দাঁড়িয়ে শাক্য একবার পিছনে ফিরে তাকাল। নেই-নেই করে ভালোই ভিড় জমেছে। কুচোকাঁচাদের সংখ্যাই বেশি। তারই ভিড়ে আর-কেউ আছে কি-না, সেটা দেখার চেষ্টা করল সে। কয়েকটা মুহূর্ত। পিছনের পুলিশ তিনজন থমকে গিয়েছিল সে দাঁড়িয়ে পড়তেই। পুলিশ-অফিসার যিনি ছিলেন, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, “এনিথিং রং স্যার?”
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

ক্যাবলাদের ছোটবেলা, পর্ব-৩৭: লোকে যারে বড় বলে

শাক্য যেন সম্বিৎ ফিরে পেল। কিছু একটা ভাবছে সে। তবে সামলে নিল নিজেকে। তারপর বলল, “নো নো অফিসার, এভরিথিং ইজ ওকে। লেটস্‌ গো…!”

ভিতরে ঢুকতেই পচা ফুল-পাতার গন্ধের সঙ্গে ধূপধুনো-অগরুর ম্লান একটা গন্ধ মিলেমিশে নাকে এসে লাগল শাক্যর। বিশাল একটি পাথর। তার গায়ে সিঁদুর-চন্দন ইত্যাদির প্রলেপ। বাসি ফুলের স্তুপ রয়েছে তার সামনে। একটি টগরফুলের মালা শুকিয়ে পাথরটির খাঁজের গায়ে ঝুলছে। বোঝাই যাচ্ছে, এটিই প্রচলিত ‘কালাদেওর পাথর’। এটি নাকি জীবন্ত এবং চলে-ফিরে বেড়ায়। মঙ্গল ওঝার মৃত্যু হওয়ার থান আর ক’দিন খোলেনি, পরিস্কারও হয়নি। সামনে পূজার উপকরণ একপাশে রয়েছে। একটি লম্বা এবং ভারি পিতলের প্রদীপদানের উপর পিতলের পিলসুজ নিভন্ত অবস্থায় রয়েছে। সকলে কালাদেওর নামাঙ্কিত পাথরটির সামনে কিছুক্ষণ দাঁড়ালেন।

সুধীভূষণ পাথরটি রসামনে গিয়ে সেটি পরীক্ষা করে বললেন, “কালো কষ্টিপাথর। অন্য জায়গা থেকে নিয়ে এসে স্থাপন করা হয়েছে। অর্থাৎ এই পাহাড়ে আদি থেকেই এটি ছিল না। খুব বেশি পুরানো নাও হতে পারে। কার্বন-টেস্ট করলে বোঝা যাবে। তবে শ’-দেড়েক বছরের পুরাতন হবে হয়তো।”

থানের ডান দিকে হাত-তিনেক তফাত থেকেই নিরেট দেওয়াল। সেখানে ছোট একটা কাঠের আলমারি, সেটা খুলে দেখা গেল, তাতে পূজার কিছু সামগ্রী রাখা আছে। আর একগোছা চাবি।

চাবি দেখেই শাক্যর ভ্রু কুঞ্চিত হয়ে উঠল। এত চাবি কার? মন্দিরে তো প্রবেশের একটাই দরজা, আর সামনে হালে একটা কোলাপসিবল গেট বানানো হয়েছে, আসবার সময় সে লক্ষ্য করেছে, তাতে তালা ঝুলছে। অতএব চাবি বড়জোর দুটি করে তালা লাগালেও চার-পাঁচটির বেশি থাকার কথা নয়। তাছাড়া কয়েকটা চাবি নতুন হলেও বাকি চাবিগুলি বেশ পুরানো। পিতলের একটি লম্বা চাবিও আছে সেই গুচ্ছের মধ্যে। সে চাবিটা হাতে তুলে নিল। ডিএম সাহেব সেটি দেখে বললেন, “প্রয়োজনীয় হবে নাকি আমাদের?”
“বুঝতে পারছি না, তবে হতেও পারে!” শাক্য বলল, “দেখা যাক্‌। কাজে না-লাগলে যেখানকার জিনিস সেখানেই রেখে যাব।”
আরও পড়ুন:

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৫৫: অকালরাবী জাতক—সময় গেলে সাধন হবে না

হ্যালো বাবু! পর্ব-১৩২: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৩

থানের বাঁ-দিকে কিন্তু অন্ধকার একটা ট্যানেল, সম্ভবত ওটাই সেই পথ, যেখান দিয়ে বছরের নির্দিষ্ট একটি দিন কালাদেও বেরিয়ে আসে এবং তার বাৎসরিক নৈবেদ্য নিয়ে যায়। এদিকটায় বাইরের আলো তেমন পড়ে না বলে অন্ধকার অনেকটাই। তবে খোলা দরজা দিয়ে বাইরের আলো এসে পড়ায় ট্যানেলের সামনের দিকটা এখন উদ্ভাসিত। আগে এটিই ছিল বাইরের দিকে। পরে এখানে আলাদা স্ট্র্যাকচার করে এটিকে কৃত্রিমভাবে যেন আড়াল করা হয়েছে। ওরা সবাই সেই গুহামুখের সামনে এসে দাঁড়ালো। শাক্য সামনে এগিয়ে গিয়ে একবার দেখল ট্যানেলের মুখটা। ভিতরে কতদূর বিস্তৃত এই ট্যানেল কেউ জানে না। এখানে এভাবে ঢোকাটাও কতখানি যুক্তিযুক্ত সে জানে না। সুধীভূষণ এগিয়ে এসে বললেন, “আগে একটা কাজ করতে হবে। একটা মশাল জ্বালিয়ে গুহার মুখে ছুড়ে দিন, যদি না নিভে যায়, তাহলে বুঝতে হবে, অক্সিজেনের কোন সমস্যা হবে না। যদিও আমরা অক্সিজেন মাস্ক নিয়ে এসেছি, কিন্তু যদি কোন সমস্যা না হয়, তাহলে সেগুলি দরকার হবে না।”

সুধীভূষণ এ-জাতীয় এক্সপিডিশনে কী-কী না-হলেই নয়, তা আগে জানিয়ে লিস্ট করে দিয়েছিলেন, সেইভাবেই নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানে অক্সিজেন সিলিণদার এবং মাস্কের কথাটা লাল কালি দিয়ে দাগানো ছিল।
শাক্য বলল, “আমিই আগে যাই। সকলকে বিপদের মুখে এগিয়ে দেওয়ার দরকার নেই। আমি মশাল জ্বালিয়ে কিছুটা যাই, যদি দেখি সমস্যা হচ্ছে না কোন, তারপর না-হয় সকলে যাবেন।”
এসপি বললেন, “আপনি একা যাবেন কেন ? আমিও আপনার সঙ্গে যাচ্ছি। আমরা দুজন গিয়ে হ্রিন সিগন্যাল দিলে তারপর বাকিরা যাবেন।”
কর্নেল এগিয়ে এসে বললেন, “আপনাদের চেয়ে এ-ব্যাপারে আমার অভিজ্ঞতা বেশি। উরি সেক্টরে সাত বছর ছিলাম। অনেক অভিজ্ঞতা আছে এই জাতীয় গুহার ব্যাপারে। আমিও যাচ্ছি। চলুন।”
ওরা তিনজন অতএব ঢুকল প্রথম। গুহামুখ সংকীর্ণ। কোনরকমে দুজন পাশাপাশি যেতে পারে। কর্নেল এবং শাক্য অতএব আগে, পিছন-পিছন এসপি ঢুকলেন। শাক্যর হাতে জ্বলন্ত মশাল। কর্নেলের পিঠে ব্যাকপেকে অত্যাবশ্যকীয় সরঞ্জাম আর হাতে একটি আট ব্যাটারির টর্চ।
শাক্য একটা ব্যাপারে অবাক হচ্ছিল। যে গুহায় কেউ প্রবেশ করে না, বছরে একবার যে গুহার ভিতর থেকে কালাদেও বেরিয়ে এসে তাঁকে নিবেদিত খাদ্য গ্রহণ করে আবার ফিরে যায়, সেই গুহা এত পরিষ্কার থাকে কী করে? মাকড়শার ঝুল থাকলেও তা কেবল গুহার দুদিকের দেওয়ালেই আছে। গুহার রাস্তাও যতখানি ধূলিধূসরিত থাকবার কথা ততটা নেই। মশালটা দাউদাউ করে জ্বলছে দেখে কর্নেল চিৎকার করে ডাক দিলেন বাকিদের, “চলে আসুন, এখন পর্যন্ত সমস্যা নেই!”
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৫৭: জরাসন্ধবধ ও জনার্দনের কৃতিত্ব

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৭ : সোনার কেল্লা: ডিটেকশনের ড্রয়িংরুম

গুহাটি বেশ লম্বা, শেষ আর হয় না। হঠাৎ একজায়গায় এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল তারা তিনজনে। গুহাটি এতদূর এসে কে যেন দু’পাশ থেকে দু’হাতে চেপে গুহার যাতায়াতের পথ এতটাই সংকীর্ণ করে দিয়েছে যে, আরও এগোতে গেলে কোনভাবে দেওয়ালের দিকে মুখ করে এগোলে তবেই ওপাশে যাওয়া যাবে।
এইরকম দেখে কর্নেল বললেন, “এ-তো আচ্ছা মুশকিল হল। ঢুকতে হলে আমাদের এক-এক করে ঢুকতে হবে। তাও সকলে সম্ভবত ঢুকতে পারবেন না। আড়েবহরে যারা বেশি ভারি তাঁদের ওদিকে যাওয়া মুশকিল-হি নেহি না-মুমকিন হ্যায়!” ‘ডন’ ফিল্মের ডায়ালগ দিয়ে তিনি নিজেই হাসলেন। তারপর শাক্যকে বললেন, “আপনি একটু এগিয়ে আগে মশালটা ওদিকে বাড়িয়ে ধরুন দেখি। যদি নিভে যায়, তাহলে রিস্ক আছে বুঝতে হবে।”
শাক্য অবশ্য সেই কাজটাই করতে চলেছিল। সে এগিয়ে গিয়ে শরীর কাত করে হাতের মশালটা বাড়িয়ে ধরল ভিতরের দিকে, একইসঙ্গে চোখ রাখল পাহাড়ের খাঁজে, আর তারপরেই সে চমকে উঠল! এ-কী? এ-সব কী দেখছে সে? —চলবে।
* ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস (novel): পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক (Pishach paharer Aatanka) : কিশলয় জানা (Kisalaya Jana) বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক, বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content