পর্ব-১৮৯: ইরাবতীর ডায়েরি থেকে

পর্ব-১৮৯: ইরাবতীর ডায়েরি থেকে

ট্যাবে ফাইলটা আগেই লোড করে নিয়েছিল শাক্য। মূলত কিছু পড়ার জন্য সে ট্যাবটা ইউজ করে। ভীষণ আই-স্যুদিং। ব্ল্যাক কফিটা পেটে পড়ার পর একটু চাঙ্গা লাগছিল। আর দেরি করা ঠিক হবে না। ফাইলটা খুলে পড়তে-পড়তে মাথাটাকে ঘামাতে হবে। ইরাবতী নিশ্চয়ই ফাইলটা তৈরির সময় কেসটা নিয়ে ভেবেছেন।...
পর্ব-১৮৮: প্রতিপক্ষ অন্ধকার

পর্ব-১৮৮: প্রতিপক্ষ অন্ধকার

একটা দীর্ঘ শাওয়ার নেওয়ার পর শাক্য দেহ-মনে কিছুটা শান্তি এবং এনার্জি ফিরে পেল। দু’দিন ধরে নাগাড়ে ছোটাছুটি চলছে। এখানে আসা ইস্তক কাজের চাপে ফ্রি-হ্যান্ড করার সময়টুকুও পাচ্ছে না ভালো করে। কাল ভোরে উঠে অন্তত চল্লিশ মিনিট সে ফ্রি-হ্যান্ডের পিছনে খরচ করবে ঠিক করল। বনদপ্তরের...
পর্ব-১৮৭:  স্কুপ-নিউজ

পর্ব-১৮৭: স্কুপ-নিউজ

একে-একে থানায় ঢুকছিল গাড়িগুলি। সদর থেকে বড়সড় ফোর্স এসে গিয়েছিল আগেই। ঢুকছে সব একে-একে। এসপি নিজে উপস্থিত। ডিএমের জরুরি একটা মিটিং থাকায় তিনি আসতে পারেননি। তবে ওভার ফোন যোগাযোগ রাখছেন। থানার সামনে লোকে লোকারণ্য। প্রিন্ট এবং টেলিমিডিয়া—উভয় মাধ্যমের সাংবাদিকদের জটলা চোখে...
পর্ব-১৮৬: থানায় তখন

পর্ব-১৮৬: থানায় তখন

কাপাডিয়া বললেন, “তাহলে ভেবে দেখুন, আমার রিসর্টকে কেন্দ্র করে নিশ্চয়ই কোন কন্সপিরেসি চলছে, তা-না-হলে বেছে-বেছে আমার রিসর্টের বোর্ডারদের উপরেই কেন কালাদেও এই আক্রমণগুলি করবে?” মালাকার চেয়ারে সিধে হয়ে বসেছিলেন। কোনও কারণে তিনি উত্তেজিত, তা বোঝা যাচ্ছিল। মাঝে-মধ্যে আনমনা...
পর্ব-১৮৫: আইসিইউ কেবিন নং ২০৪

পর্ব-১৮৫: আইসিইউ কেবিন নং ২০৪

আইসিইউতে অরণ্যকে রাখা হয়েছিল কেবিন নম্বর ২০৪-এ। কেবিনের সামনে দু’জন পুলিশ পাহারায় ছিল। শাক্য এসপিকে পইপই করে বলে দিয়েছিল, চব্বিশ ঘণ্টার একটা মুহূর্তও যেন পুলিশিপাহারা শিথিল না করা হয়। যেভাবেই হোক, নির্দিষ্ট ডাক্তার ছাড়া আর কেউ যাতে অরণ্যর কেবিনে ঢুকতে না পারে, তা...

Skip to content