কলকাতায় বৃষ্টি
হাসপাতালে উন্মেষাকে দেখবে বলে আশা করেনি তৃধা। সঙ্গে আবার কাপাডিয়া। লোকটিকে দেখলেই তার মন অখুশি হয়ে ওঠে। মুখচোখের চেহারা যেন কেমন! চামরা ভাঁজ পড়ে গুটিয়ে এসেছে। মুখের একপাশটা কেমন থবড়ে গিয়েছে বলে মনে হয়। স্কিন কেমন খসখসে। মরা মাছের চামরার মতো। অন্ধকারে প্রথম দেখতে তৃধা নির্ঘাৎ প্রেত ভেবে চিৎকার করে উঠত। কিন্তু এসেছে কেন ও? আর এলই যদি চিটেগুড়ের মতো সর্বক্ষণ যে চিপ্‌কে থাকে, সেই অঞ্জন কোথায়? এই বুড়োটার সঙ্গে সুন্দরী রক্ষিতাকে ভিড়িয়ে দিয়ে নিজে কোন রাজকার্য করছে সে? মনে-মনে নিজেকেই প্রশ্নটা করল তৃধা। রক্ষিতা নয় তো কি? উন্মেষাকে সে ওইরকম চিপ কোয়ালিটির বলেই মনে করে। কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় ভাব দেখাত, যেন সতী-সাবিত্রী, ধোওয়া তুলসীপাতা। এখন আসল স্বরূপ বেরিয়ে পড়েছে। তৃধা জানে কেন এসেছে। নিজের গুডি-গুডি ইমেজ মেকওভার করতে। অনিলের মৃত্যুর পর তো শোকবিহ্বলা দেখা যায়নি এত? তার উপর এখানে আসা ইস্তক এত ঘটনা ঘটছে, না ভয়, না উদ্বেগ, না কোনও রিঅ্যাকশন! মানুষ নাকি যন্ত্র বোঝা দায়। সে আবার বড়-বড় কথা বলে! উন্মেষার সঙ্গে তার এখন নিজের থেকে কথা বলতে মোটেও ইচ্ছে করছে না। দরদী কত, তা দেখাতেই এসেছে। কিন্তু সে গুড়ে বালি, সকলেই জানে তুই কেমন! অরণ্যও জানে। ছেনাল মাগী। তোর তো নষ্ট শরীর। তোর আবার এত দেমাক? তৃধা মুখ ফিরিয়ে নিল।
উন্মেষা এসে দাঁড়াল। পাশে কাপাডিয়া। এবং তৃধাকে অবাক করে দিয়ে মুখে হাসি টেনে উন্মেষা জিজ্ঞাসাও করল, “আরে তুমি এখন এখানেই আছো? কেমন আছে গো অরণ্য?”
কথা বলবে না, বলবে না ভেবেও কথা বলতে হল তৃধাকে। কাপাডিয়ার সামনে সিনক্রিয়েট করলে নিজেরই সম্মান নষ্ট। মুখে কৃত্রিম দুঃখ-দুঃখ ভাব ফুটিয়ে তুলে বলল তৃধা, “আর না এসে পারি কী করে বলো? যার কপাল ফেটেছে, তাকে তো আসতেই হবে ডক্টরের কাছে!”
যার কপাল বলতে তৃধা বুঝিয়ে দিতে চাইল, অরণ্য তার প্রপার্টি।
উন্মেষা অন্য সময় হলে তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠত। এখন দিব্যি শান্ত মুখ করে বলল “সেটাই গো। এত ভালো বন্ডিং ছিল তোমাদের দুজনের, তোমার তো বেশি খারাপ লাগার কথা। কী যে হয়ে গেল!”
তৃধা কিছু বলল না। কী-ই বা বলবে? উন্মেষাকে দেখলে তার পেট দিয়ে কথা বেরোতে চায় না। কেবল খিস্তি বেরোতে চায়। এখন সেটা দেওয়ার সময় নয়। তার চেয়ে চুপ থাকাই ভালো। বোবার শত্রু নেই।
উন্মেষা বলল, “বললে না তো, কেমন আছে?”
তৃধা অনিচ্ছাসত্ত্বেও বলল, “এখনও রিস্ক কাটেনি!”
“ইস্! কী যে খারাপ লাগছে। ভিতরে যেতে দিয়েছিল নাকি তোমাদের?”
“নাহ্!”
“রিকোয়েস্ট করনি? আমাদের বন্ধু। একবার তো আমাদের গিয়ে দেখে আসা উচিত। আমরা তো আর হই-হল্লা করব না! কী বল?”
“অনেক অনুরোধ করেছিলাম, আর্যও করেছে। কিন্তু আইসিইউতে কাউকে যেতে দেওয়ার স্পেশাল অর্ডার নেই, নিয়মও নেই। সেজন্য…”
“আমার তো মনে হয়, তুমি অন্তত গেলে অরণ্য কিছুটা হলেও রিকোভারির দিকে এগোবে। কেন যে বোঝে না ডাক্তাররা!”
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৯০: ইরাবতীর ডায়েরি থেকে/২

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৭৯: রাজসূয়যজ্ঞে চেদিপতি শিশুপাল ও কুরুপ্রধান ভীষ্মের কথোপকথনে সদর্থক ও নঞর্থক চিন্তার সংঘাত,মহাকাব্যে প্রতিফলিত জীবনবোধ

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৭০ : কালনাগিনী

শারদীয়ার গল্প/১ : ষষ্ঠীর সন্ধ্যা

তৃধা ভ্রূ কুঁচকে শুনছিল। উন্মেষা কি তাকে পিনচ্‌ করছে? করতেই পারে। যা একখানি মেয়ে। কিন্তু বাপু, আমি তো সতী সাজি না তোমার মতো! আমি যা করি খুল্লমখুল্লা করি। তুমি তো বাপু ঘমটার ভিতর খ্যামটা নাচ নাচো! অরণ্য আমার হলে, অঞ্জনও তোমার। দুজনেই পর-পুরুষ নিয়ে ফূর্তি করতে এসেছি। ব্যস্।
কাপাডিয়া বললেন, “আসলে কি ম্যাডাম, ডাক্তারেরা আইসিইউতে কাউকে যেতে দিতে ভয় পান। মানা করতে হ্যায় কিঁঊ কি, যদি কোনওভাবে আমাদের থেকে সংক্রমণ না-ছড়ায়, সেজন্য।”
“আমি জানি মি. কাপাডিয়া। কিন্তু সেন্টিমেন্ট, রিলেশন্‌ এই বলেও তো কিছু জিনিস আছে আমাদের লাইফে!”
“হাঁ, জরুর, উয়ো তো সহি বাত বলেছেন। কিন্তু ডক্টর মানা করে দিলে আমাদেরর তো কিছু বলার থাকে না। তাই না?”
“হ্যাঁ। সেই জন্যই আক্ষেপ করছি আর কি!”
তৃধা হঠাৎ বলল, “কিন্তু তুমি হঠাৎ এলে যে?”
“অরণ্যের উপর এমন অ্যাতাক্‌ হল আর আসব না?”
“না মানে, তুমি তো অনিলের লাশটাকেও দেখতে যাও নি, আমরা সকলে ছিলাম। এমনকি অঞ্জনও !”
“দেখ, সেটা ছিল ডেডবডি। আমি ভয় পেয়েছিলাম। অ-সব আমি একেবারেই সহ্য করতে পারি না। অঞ্জন জানে বলে সেও আমায় জোর করেনি। তবে তাকে যেতে বলেছিলাম। সে কিন্তু ছিল। এবং আগাগোড়াই ছিল।”
“তার মানে অরণ্যের কপাল ভালো, বলো? অরণ্যও যদি অনিলের মতো মুর্দা লাশ হিয়ে যেত, তাহলে তুমি দেখতে আসতে না!”
“তৃধা। তুমি কি আমাকে পিঞ্চ্‌ করছো?”
“পাগল!”
“আমার মনে হল। যাক গে। তুমি তোমার মতো এসেছ। আমি আমার মতো। কেউ কারুর ঘাড়ে চেপে আসিনি। আর প্রত্যেকের আসার রাইট আছে এখানে। তোমার যেমন আছে, আমারও। অতএব আমি কোথায় গিয়েছিলাম, কি যাই নি, তার কৈফিয়ৎ আমি তোমাকে দিতে পারব না! আরে আর্য, তোমাকে আমি রিসর্টে কত খুঁজেছি। শেষে মিঃ কাপাডিয়া বললেন, তুমি এখানে আসতে পারো। আমি ভাবলাম, যাই অরণ্যকে দেখে আসি। তোমার সঙ্গেও দেখা হয়ে যাবে। ক’দিন আমাকে এড়িয়ে চলছ কী ব্যাপার?”
“কই কোথায়? এড়িয়ে চলিনি তো?” একটু বিব্রত হয়ে জবাব দিল আর্য। তার অস্বস্তি হচ্ছিল একটু আগেই। তৃধা আর উন্মেষার একবার কথা কাটাকাটি শুরু হলে আর থামতেই চায় না। তবে সে কিন্তু অবাক হয়েছে। উন্মেষা যে আসবে, তাকে কই ঘূণাক্ষরেও বলে নি তো!
“তুমি দুপুরে বলোনি তো যে আসতে চাও, তাহলে তিনজনেই আসতে পারতাম। তোমাকে আর মি. কাপাডিয়াকে শুধুশুধু কষ্ট দিতে হত না!” বলল আর্য।
“আরে মিঃ কাপাডিয়া এদিকে এখন আসবেন আমি জানতাম না। আমি কথায়-কথায় জানতে পেরে মি. কাপাডিয়াকে পাকড়াও করেছি। ফেলতে পারেননি!”
“অঞ্জন দা কোথায়?”
“কোথাও একটা বেরিয়েছে বাইক নিয়ে। জানই তো, ওর হাতে বাইক পড়লে কী করতে পারে না-পারে!”
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু! পর্ব-১৫৭: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য

শারদীয়া স্পেশাল, রাজীব হত্যা : অমীমাংসিত প্রশ্নচিহ্ন অনিন্দ্য ভুক্ত

হ্যাঁ। অঞ্জনের বাইক সম্পর্কে দুর্বলতার কথা আর্যর অজানা নয়। লেটেস্ত মডেলের বাইক ইন্ডিয়াতে অ্যাভেইলেবল্‌ হলে অঞ্জনকে কেউ আর নিরস্ত করতে পারে না। কিনবে তো কিনবেই সে। উন্মেষার কথায় অতএব সায় দিয়ে বলল সে, “হ্যাঁ, তা আর জানব না!”
“দেখ গিয়ে, কোথায় হয়তো রেস দিচ্ছে ফাঁকা রাস্তা পেয়ে!”
“হ্যাঁ!”
“অরণ্য বেঁচে যাবে তো আর্য?”
“এখনও ডাক্তারেরা বলতে পারছেন না। ভালোই ইনজিওরড্‌ হয়েছে। ভাগ্যিস সঙ্গে-সঙ্গে দেখতে পেয়ে সেই মাছওয়ালা লোকটি চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেছিল!”
“আর তোমরা দুজনে কাছাকাছি ছিলে!”
“আমরা? না না। কাছাকাছি নয়। তবে আমরা রাস্তায় কিছু দূরে হাঁটছিলাম। স্বপ্নেও ভাবিনি এমন হতে পারে। তৃধা তো ভয় পেয়ে গিয়েছিল। আক্রমণটা অরনয়ের উপর না হয়ে আমাদের দুজনের যে-কারুর উপর হতে পারতো!”
“যার উপরেই হোক। আক্রমণ তো হতো। আর তখন হয়তো অরণ্যের জায়গায় তোমাদের কাউকে নিয়ে আমরা টেনশন করতাম!”
আরও পড়ুন:

দশমী

শারদীয়ার গল্প/২ : কনটেন্ট

টেনশনের কথা বলছে বটে উন্মেষা, কিন্তু তার গলায় একটা অদ্ভুত নিরাসক্তি আছে। কখন-কখন বড্ড দৃষ্টিকটু লাগে আর্যর। এখনও লাগছিল। তবে জোর করে সেই চিন্তাকে মাথা থেকে তাড়িয়ে দিল সে। বলল, “যাই হোক, তাড়াতাড়ি নার্সিং হোমে নিয়ে আসতে পারা গিয়েছে, এটাই অনেক। পুলিশ, বিশেষ করে শাক্য সিংহ কিন্তু খুব হেল্প করেছেন!”
“হুম। জানি! লোকটা অদ্ভুত! কলকাতা থেকে ছুটে এল, মাস ঘুরতে যাচ্ছে, এখনও কালাদেও ধরা পড়ল না!”
কাপাডিয়া বলল, “শুনলাম তো ধরা পড়েছে। থানায় গিয়েছিলাম, তখনই তো ফোন এল ওসির কাছে। মালাকার বাবু বললেন কি, চার্চের এক নক্‌লি ফাদারকে পাকরাও করেছে ওই ডিটেকটিভ্! আসলি ফাদারকে আটক্‌ করে রেখে এতদিন ধরে নক্‌লি ফাদার কাজ চালাচ্ছিল!”
“হুম, কথাটা আমিও শুনেছি। কিন্তু তার সঙ্গে কালাদেওর কী সম্পর্ক?”
“নাহ্‌, সেই সম্পর্কের কথা বলছি না। তবে লোকটি যে একেবারেই কিছু করছে না, সেতা সচ্‌ বাত নয়, এই ভেবেই বলা। উনি না হলে তো আমরা জানতেও পারতাম না, নক্‌লি ফাদার চার্চের ভিতর লুকিয়ে বসে আছে !”
“ওই নিয়েই থাকুন। আসল কেসের সুরাহা কত কী করতে পারে দেখুন! শেষে দেখবেন, গোটা ব্যাপারটাই ক্ল্যু-লেস বলে তদন্ত আপাততো বন্ধ করে দেওয়া হল বলে নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দেবে !”
“সে যা হবে হবে। আমি তো থানায় আজ বলেই দিয়েছি মালাকারবাবুকে, অবিলম্বে কিছু একটা ব্যবস্থা না নিলে আমাদের সব ক্লোজ করে দিতে হবে!”
“এত কথা বলছেন কেন? কথা বলবেন না এখানে। আইসিইউর সামনে এভাবে কথাবার্তা বলতে নেই জানেন না? এখানে ভিড়ই বা জমিয়েছেন কেন?” রুক্ষস্বরে কারুর গলার আওয়াজ পেয়ে সকলে চোখ তুলে দেখে একজন সিনিয়ার নার্স। মাথাভর্তি কাঁচাপাকা চুল। খর চোখে তাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। হাতে একখানা ক্লিপবোর্ড।
ওরা সকলেই বিব্রত হল। আর্য বলল, “নার্স-ম্যাডাম, আমাদের পেশেন্ট আছেন আইসিইউতে!”
“কোন্‌ পেশেন্ট ?”
“অরণ্য… আমাদের বন্ধু…কালাদেও আক্রমণ করেছিল… মাথায় চোট লেগেছিল…”
“ও আচ্ছা। ওই কেস? হুম মারাত্মকভাবে আঘাততা লেগেছে। স্কালের যা ক্ষতি হয়েছে, বেঁচে গেলেও কেমন অবস্থায় থাকবেন, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন কি-না বোঝা যাচ্ছে না। স্মৃতিলোপও পেতে পারে। তবে আগে তো বাঁচুন!”
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-১১৩ : ত্রিপুরায় আহোম রাজদূতের গুপ্তচর নিয়োগ/১

নার্সের কথা শুনে উন্মেষা কাপাডিয়ার দিকে তাকাল। কাপাডিয়াও তার দিকে তাকালেন।
উন্মেষা বলল, “না না, স্মৃতি যায় যাক্‌, প্রাণে তো বাঁচুক আমাদের বন্ধু। একজন প্রাণোচ্ছ্বল ছেলে ছিল অরণ্য…”
তৃধা হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ল উন্মেষার কথার মাঝে, “ছিল কেন বলছো? হ্যাঁ, ছিল কেন বলছো? অরণ্য কি মারা গিয়েছে যে তাকে এখন থেকেই পাস্ট টেন্স বানিয়ে দিচ্ছ?”
“আরে না না, আমি ওই ভেবে বলিনি। কথার কথা বলেছি…”
“আসলে তুমি চাও না, অরণ্য বাঁচুক। মনে-মনে অভিসম্পাত দিচ্ছ, সেজন্যই ওর এই অবস্থা…!”
“এসব আপনারা কী শুরু করেছেন। যান, এক্ষুনি যান এখান থেকে। নাহলে আমি কিন্তু ডক্টরের কাছে রিপোর্ট করতে বাধ্য হবো। আর দাঁড়িয়েই বা কী করবেন? অরণ্যবাবুকে দেখতে দেওয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না এখন। ডেঞ্জার কাটুক আগে। তারপর দেখা যাবে। যান এখন এখান থেকে!”
উন্মেষা বলল, “কতদিন লাগবে ডেঞ্জার কাটতে জানেন?”
“ঈশ্বর কি জানে? আমরা তো জানিই না। এত ব্যস্ত কেন আপনারা? এত চাঞ্চল্যই বা কীসের? রিসেপশনে খোঁজ নেবেন দু’বেলা এসে। নাহলে আপনাদের যাঁদের কনট্যাক্ট নাম্বার ডিক্লেয়ারেশন ফর্মে দেওয়া আছে, তাঁদের কাছে নার্সিং-হোমের তরফে ফোন যাবে। পুলিশের কাছেও যাবে। লোকাল থানা থেকে আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু দয়া করে এখানে আর দাঁড়াবেন না। আপনাদের থেকে কত না জার্ম, ভাইরাস ছড়াচ্ছে, সে খেয়াল আছে? বাকি পেশেন্টদেরও তো ক্ষতি হতে পারে। যান এখন!”
উন্মেষার মুখ অপমানে কঠিন হয়ে উঠল। কাপাডিয়া দেখে ভয় পেয়ে গেলেন। এক্ষুনি না কিছু করে বসে উন্মেষা। কিন্তু নাহ্‌, উন্মেষা সামলে নিল নিজেকে। বেরিয়ে গেল হনহন করে তুম্বোমুখে। —চলবে।
* ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস (novel): পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক (Pishach paharer Aatanka) : কিশলয় জানা (Kisalaya Jana) বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক, বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content