পর্ব-১৮৬: থানায় তখন

পর্ব-১৮৬: থানায় তখন

কাপাডিয়া বললেন, “তাহলে ভেবে দেখুন, আমার রিসর্টকে কেন্দ্র করে নিশ্চয়ই কোন কন্সপিরেসি চলছে, তা-না-হলে বেছে-বেছে আমার রিসর্টের বোর্ডারদের উপরেই কেন কালাদেও এই আক্রমণগুলি করবে?” মালাকার চেয়ারে সিধে হয়ে বসেছিলেন। কোনও কারণে তিনি উত্তেজিত, তা বোঝা যাচ্ছিল। মাঝে-মধ্যে আনমনা...
পর্ব-১৮৫: আইসিইউ কেবিন নং ২০৪

পর্ব-১৮৫: আইসিইউ কেবিন নং ২০৪

আইসিইউতে অরণ্যকে রাখা হয়েছিল কেবিন নম্বর ২০৪-এ। কেবিনের সামনে দু’জন পুলিশ পাহারায় ছিল। শাক্য এসপিকে পইপই করে বলে দিয়েছিল, চব্বিশ ঘণ্টার একটা মুহূর্তও যেন পুলিশিপাহারা শিথিল না করা হয়। যেভাবেই হোক, নির্দিষ্ট ডাক্তার ছাড়া আর কেউ যাতে অরণ্যর কেবিনে ঢুকতে না পারে, তা...
পর্ব-১৮৪: বুনো তেঁতুল, বাঘা ওল

পর্ব-১৮৪: বুনো তেঁতুল, বাঘা ওল

উজ্জ্বল কৈলাসহর। ছবি : সংগ্রহীত। নকল ফাদার আন্তোনিও ওরফে আনাতোলের দিকে তাকিয়ে মুহূর্তে উপস্থিত সবাই যেন ফ্রিজ হয়ে গেল। কী করবে, বুঝে উঠতে পারছিল না কেউ। আকস্মিক এমন ঘটনার জন্য মানসিক প্রস্তুতি ছিল না কারও-ই। যে দিকে ঘটনাপ্রবাহ এগোচ্ছিল, তাতে সকলেই ভেবেছিল, খেলা...
পর্ব-১৮৩: জোড়া আন্তোনিওর রহস্য

পর্ব-১৮৩: জোড়া আন্তোনিওর রহস্য

মিঃ শর্মা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে শাক্যর মুখের দিকে তাকিয়ে অস্ফুট স্বরে বললেন, “ও মাই গস্! এ আমি কী দেখছি? রাতের বেলা হলে ভাবতাম ভূত দেখছি, কিন্তু এখন বেলা এগারোটা বাজে প্রায়, এখন কি…” তিনি বাক্যহারা হয়ে গেলেন। শাক্য একদৃষ্টিতে পেশেন্টের স্ট্রেচারে শায়িত আন্তোনিওর মুখের...
পর্ব-১৮২: ডাবল ধামাকা

পর্ব-১৮২: ডাবল ধামাকা

ফাদার আন্তোনিওর মুখ ক্রোধে লাল হয়ে উঠেছিল। এমনিতে গ্রীষ্মপ্রধান দেশে এতকাল কাটানোর জন্য তাঁর সাহেবি গাত্রবর্ণ ঈষৎ তামাটে হয়ে গিয়েছে যদিও, তাও লাল হলে বোঝা যায়। এখনও যাচ্ছিল। কোনওরকমে বললেন, “অফিসার, আপনি বোধহয় জানেন না, আমাদের চার্চের একটা রেপুটেশন আছে। আপনি আমাদের...

Skip to content