পর্ব-১৬৭ : হাঙরের পেটে মুক্তো

পর্ব-১৬৭ : হাঙরের পেটে মুক্তো

শাক্য সম্পুর্ণ হতভম্ব হয়ে গেল ভিতরের দিকে তাকিয়ে। সে একবার কর্নেলের দিকে তাকাল। পিছনে খোদ এসপি কৌতূহলী মুখ নিয়ে তাকিয়ে আছেন। অন্যরাও আসছে একে-একে, তাদের গলার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। এই পথে আসতে গিয়ে একবারও তাদের শ্বাসকষ্ট হয়নি, গুহার হাওয়া যুগযুগান্তের বলেও মনে হচ্ছে না।...
পর্ব-১৬৬ : ভাগ্য যখন ফেরে

পর্ব-১৬৬ : ভাগ্য যখন ফেরে

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত। নিজের রুমে শুয়েছিল সুদীপ্ত। বেশ কয়েকদিন একটানা কাজে ব্যস্ত থাকার পর আজ একটু বিশ্রামের অবকাশ পেয়েছে। কিন্তু ঘুমাতে পারছে না। যতক্ষণ না শাক্যদা একতা ফোন করছে। আজ সকালে ওরা পুরো টিম নিয়ে কালাদেওর গুহায় তদন্ত করতে গিয়েছে। এই ক’দিন সে ব্যস্ত ছিল...
পর্ব-১৬৫ : কালাদেওর গুহায়

পর্ব-১৬৫ : কালাদেওর গুহায়

স্থানীয়-স্কুলের হেডমাস্টারের নাম পিনাকী সেনাপতি। প্রৌঢ়, কিছুটা রাশভারি লোক। গাত্রবর্ণ কালো, মাথায় টাক আছে, আর আছে স্যার আশুতোষ-মার্কা গোঁফ। পরে আছেন সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি। তিনি অপেক্ষা করছিলেন থানের সামনেই। শাক্যরা পৌঁছতেই এগিয়ে এলেন। নমস্কার করে বললেন, “আমিই পিনাকী...
পর্ব-১৬৪ : অতঃপর অভিযান

পর্ব-১৬৪ : অতঃপর অভিযান

শাক্যরা যখন দলবল সমেত পিশাচ পাহাড়ের থানে পৌঁছল, তখন সকাল সাতটা। মঙ্গল ওঝার মৃত্যুর পর তিন দিন পার হয়েছে। এই সময়টা দরকার ছিল। এ-জাতীয় প্রাচীন দেবস্থানে চাইলেই হুট করে ঢুকে গেলে, পরে আইনি ঝামেলায় পড়তে হতে পারে। আবার ঢোকাটা খুব জরুরিও বটে। সেই কারণে, একেজিকে দিয়ে যাবতীয়...
পর্ব-১৬৩ : রিমিতার ব্রেকিং-নিউজ

পর্ব-১৬৩ : রিমিতার ব্রেকিং-নিউজ

লাঞ্চ আওয়ারে বেশি সময় নষ্ট করেন না একেজি। দুটো স্যান্ডউইচ এবং এক কাপ ব্ল্যাক কফি হলেই তাঁর হয়ে যায়। কফিটা অবশ্য অনেকক্ষণ ধরে খান। টেবিলে ফাইল জমে উঠুক তা চান না যেমন, তেমনই মেইল বক্সে নানা জনের পাঠানো মেইল, ইনফো না-দেখা থাকুক, তাও চান না। যেগুলির উত্তর দেওয়া দরকার...

Skip to content