কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।

প্রায় পাগল হতে বসার জোগাড় কাপাডিয়ার। একের-পর-এক দুর্ভোগ পিশাচপাহাড় রিসর্টে লেগেই আছে। সকাল থেকেই নয়-নয় করে বার পাঁচ-সাত বলেই চলেছেন, “এবার মালিক রিসর্ট জরুর বন্ধ করে দেবেন। সক্কলে কাজ হারাবে। এইবেলা যে-যার তল্পিতল্পা বাঁধকে রাখ্কো! ইয়ে রিসর্ট বন্ধ হোনে হি বালা হ্যায়! মেরে কিসমৎ!”

কর্মচারীদের দু’-তিনজন নানা দরকারে এসে তাঁর মুখ-ঝামটানি খেয়ে মানে-মানে সরে পড়েছে। সত্যিই কাপাডিয়ার এখন চরম দুর্ভোগ চলছে। একের-পর-এক বিপত্তিতে প্রাণ ওষ্ঠাগত। কয়েকমাস ধরে রিসর্টে যা-সব চলছে, তা নিয়ে নিজেদের মধ্যেই কানাকানি আর তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই। কেউ যেন চাইছে না এই রিসর্টে আর কেউ আসুক, থাকুক। এই যে আজ সকালেই রিসর্টের বোর্ডার অরণ্য বসুরায় রিসর্ট থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে সাঙ্ঘাতিক আহত হয়ে এখন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন, তাঁর কী দোষ ছিল? কালাদেওই যদি হন, তাহলে তিনি হঠাৎ নির্বিচারে মানুষ খুন করতে নেমেছেন কেন, সেটা বোঝা যাচ্ছে না।
চুনারাম নামে যে লোকটি রিসর্টে মাছ সাপ্লাই দেয়, সে যদি সময় মতো ফোন করে খবর না দিত, তাহলে আইসিইউ পর্যন্তও অরণ্যকে নিয়ে যেতে হত না। পথে পড়ে বেঘোরেই প্রাণ হারাতেন তিনি। অবশ্য এখনও যে বেঁচে যাবেন, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। অরণ্যের সঙ্গে একই রুমে থাকা তৃধা ম্যাডাম হসপিটালে রয়েছেন, বাকিরাও হাসপাতালে আছেন, কেবল উন্মেষা ম্যাডাম ছাড়া। তাঁর আবার হাসপাতালে গেলে অসুস্থ লাগে, সে-কারণে তিনি নিচে ডাইনিং রুমে এক কাপ কড়া ব্ল্যাক কফি নিয়ে চুপ করে বসে আছেন। মাঝেমধ্যে ফোনে কারও সঙ্গে চ্যাট করছেন সম্ভবত। হয়তো খোঁজখবর নিচ্ছেন। তাঁর চোখ-মুখ শুকনো। দুর্ভাবনা আর দুশ্চিন্তায় তিনি যে ভিতরে-ভিতরে ছটফট করছেন, তা বোঝাই যায়।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৭৬ : আলোচনার টেবিলে

এই দেশ এই মাটি, পর্ব-১০৬ : ত্রিপুরার রাজপরিবারে সতীদাহ প্রথা /৫

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৫৯: মেঠো ইঁদুর

হ্যালো বাবু! পর্ব-১৪৪: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৪

আজ ব্রেকফাস্ট বানানো বন্ধ করে দিয়েছে কুক। কারণ, এমন একটা ঘটনা শোনার পর, ব্রেকফাস্ট যাঁরা খাবেন, তাঁরা সকলেই হাসপাতালে ছুটেছেন, উন্মেষা ম্যাম ব্রেকফাস্ট খাবেন না জানিয়েছেন, ফলে কার জন্যই বা ব্রেকফাস্ট বানাবে তারা? রিসর্টের এমপ্লয়িজদের ব্রেকফাস্ট তাদের নিজের-নিজের দায়িত্ব। এছাড়া লাঞ্চ ও ডিনারের জন্য কর্মচারীদের সম্মিলিত ব্যবস্থা আছে। সকলে সমান টাকা দিয়ে নিজেদের খাবার ব্যবস্থা করে নিয়েছে এক জায়গাতেই। সে-জন্য আলাদাভাবে কোন অর্থ দিয়ে সাহায্য না-করলেও, অন্যভাবে রিসর্ট তাদের সাহায্য করে। যেমন, কুকিং-এর ব্যাপারটা রিসর্টের কিচেনেই হয়। কিন্তু তার জন্য আলাদা গ্যাস-ওভেন কিংবা অন্য কিছুর ব্যবস্থা করতে হয়নি কর্মচারীদের। রিসর্টের গ্যাস-ওভেনই তারা ব্যবহার করতে পারে ফ্রি-তে। আজ সেখানেও কারও তৎপরতা চোখে পড়ছে না।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৬৯: যুধিষ্ঠির-আয়োজিত রাজসূয়যজ্ঞের মহাসম্মেলন ও চেদিরাজ শিশুপালের ভূমিকা

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৯৬ : উত্তরায়ণ

হেড কুক অনন্ত পাণিগ্রাহী সমস্ত জিনিস ফ্রিজে তুলে রাখছে। গেস্টদের জন্য লাঞ্চের পাট আজ সম্ভবত উঠল। তাদের নিজেদের লাঞ্চের মেনু হিসাবে আজ ভাত, আলুসেদ্ধ, পটলভাজা আর ডিমের কারি ঠিক হয়েছিল গতকাল রাতেই। কিন্তু আজ সে-সব রান্না হবে কি-না কেউ জানে না। সকলেই চাকরি হারানোর আশঙ্কায় তটস্থ হয়ে আছে। সত্যিই তো এ-রিসর্টকে কেন্দ্র করে যা-সব চলছে বেশ কিছুদিন ধরে, তাতে মাথা ঠিক রাখা আর কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। একে তো জীবিকা-সঙ্কট, তার উপর পুলিশের সন্দেহের তীর কার দিকে ধেয়ে আসবে, সে-কথা ভেবেও আজকাল তারা শঙ্কিত থাকে। পুলিশের কথা তো বলা যায় না, যখন প্রকৃত অপরাধীকে ধরতে পারে না, তখন যা-হোক একটা যুক্তি সাজিয়ে নিরীহ মানুষদের জেল-হাজতে পাঠিয়ে কেস ক্লোজ করাটাই তাদের দস্তুর। কাপাডিয়া স্যারের মাথা খারাপ হওয়ার পিছনে যুক্তি আছে। বয়স্ক মানুষ। তার উপর রাঁচিতে বৌ-বাচ্চা ফেলে এতদূরে থাকা, শেষপর্যন্ত এই বয়সে এসে যদি চাকরি খোয়াতে হয়, তাহলে তাঁর পক্ষে সেটা মর্মান্তিক হবে, এতে আর আশ্চর্য কী!
আরও পড়ুন:

মুভি রিভিউ: আজও অর্ধাঙ্গিনী: ভালোবাসার পরেও যে সম্পর্ক বেঁচে থাকে

দশভুজা : আমি আর কখনওই ফিরে আসার প্রত্যাশা করি না…

উন্মেষা এক মনে ফোনের দিকে তাকিয়ে ছিল। মাঝেমধ্যে কফি খাচ্ছে সে। ক্রমেই ভয় পাচ্ছে সে। এখান থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কলকাতার দিকে কিংবা অন্য যে-কোনও দিকেই চলে যেতে হবে। নাহলে হয়তো শিয়রে শমন এসে দাঁড়াতে দরি হবে না। আচ্ছা, ওরা কী করছে এখন হাসপাতালে? তৃধা খুব কাঁদছিল, এখনও কাঁদছে, তবে কান্নার বেগ কিছুটা প্রশমিত, সে-কথা মেসেজে লিখেছে আর্য। উন্মেষা রিপ্লাই দিল, “ওকে সামলে রাখো। বাকিরা কে কী করছে এখন?”
আর্য প্রত্যুত্তরে লিখল, “অনিল চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। মাঝেমধ্যে কোনও ডাক্তার বা নার্স আইসিইউ থেকে বেরুলে ছুটে গিয়ে অবস্থা সম্পর্কে রিপোর্ট নিচ্ছে!”
“পূষণবাবু এবং রিমিতা নামের মেয়েটি? ওরা যদিও আমাদের টিমে নয়…”
“রিমিতা তো দেখলাম পুলিশের সঙ্গে অনর্গল কথা বলে যাচ্ছে। পূষণবাবু চুপচাপ দাঁড়িয়ে তার পাশে!”
“পুলিশের কেউ হন বলে শুনেছি…”
“হ্যাঁ। আমিও… কমন পিপল্ হলে এত অ্যাকসেস্ পেত না…”
“হুম…।”
“কী যে হবে!”
“হোপ্ ফর দ্য বেস্ট ড্যুড! পুলিশ কী বলছে শুনেছ কিছু?”
“কী আর বলবে? চুনারামকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। বেচারা!”
“সত্যিই বেচারা। ও যদি ওই সময় ওখানে উপস্থিত না থাকত…”
“হ্যাঁ, তাহলে হয়ত অরণ্য…”
“আমাদের মধ্যে অনিল গিয়েছিল আগেই। অরণ্য গেল! বাকি রইল অনিল আর তুমি…”
“অরণ্য গেল মানে? কী বলছ? এখনও যায়নি কিন্তু!”
“হুম। সেটাও ঠিক!”
“আততায়ীকে ধরতে পারবে বলে মনে হয় না। যতই মুখে উল্টাসিধে বলুক না কেন!”
“এত কনফিডেন্ট হচ্ছ কীভাবে? পুলিশ কিন্তু অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলতে পারে!”
“পারুক। এটা পারবে না। জঙ্গলের রাস্তায় তো আর সিসিটিভি ফুটেজ পাবে না!”
“হুম্। তাও…”
“আমার মনে হয় না বুঝলে উন্মেষা! এরা বোগাস!”
“লালবাজারের গোয়েন্দা শাক্য সিংহ?”
“শো-ম্যানশিপ জানা আছে? ওই মালটি তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। আদৌ কিছু করতে পারলে অনেক আগেই পারত!”
“কালাদেওর গুহার খবর শুনেছ তো? টিভি চ্যানেলগুলি ওটা নিয়ে পড়েছে। সব্বাই ছুটে গিয়েছিল গুহার ভিতরের অ্যাডভেঞ্চারের খবর শুনে!”
“কাজটা অথচ গোপন রাখা হয়েছিল বলে শুনেছি!”
“লোকাল লোক নেই? তারা দেখছে না? সাংবাদিকদের কাছে খবর পৌঁছাতে কতক্ষণ?”
“ভাগ্যিস আগে টের পায়নি!”
“পেলেই বা কী হত?”
“ভিড় সামাল দিতে অসুবিধা হত!”
“ওহ্… তা, রিসর্টের বাকিরা কী বলছে?”
“বাকিরা বলতে?’
“ওই স্টাফ, কাপাডিয়া…”
“স্টাফেরা তো গুজগুজ করে চলেছে। স্বাভাবিক। কাপাডিয়া দেখলাম আপসেট। প্যানিক করছেন!”
“কোয়াইট ন্যাচারাল। ওঁর রিসর্ট বন্ধ হল বলে! এ-সব ঘটনার পর আর কেউ ওই রিসর্টে আসবে বলে মনে হয় না!”
“স্টাফেরা কিন্তু তাতে কাজ হারাবে!”
“কিছু করার নেই। ওদের কাজে বহাল রাখার জন্য তো বাকিরা নিজেদের জীবন বলি দিতে পারে না!”
“যাক, ছাড় এ-সব কথা। পুলিশের কাজকর্মের সম্বন্ধে আপডেট দিও।”
“বেশ।”
“এখন রাখছি। একটু কাপাদিয়ার কাছে গিয়ে বসা উচিত। টেনশন করছেন ভদ্রলোক!”
“যাও, দেখ, চার্মিং লেডির সান্নিধ্য পেয়ে ব্যোমকে ওঠে কিনা!” বলে হাসির ইমোজি দিল আর্য।
“ফালতু কথা খালি…!” রাগের ইমোজি দিয়ে চ্যাট অফ করল উন্মেষা।
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০৫: পদ বা ক্ষমতা পেলেই কি ভিতরের স্বভাব বদলে যায়? পঞ্চতন্ত্রের অমোঘ শিক্ষা

কাপাডিয়া রিসর্টের হেল্প-ডেস্কে বসেছিলেন। যদিও ভালো করেই জানেন, কেউ আসবে না এখন এই পরিস্থিতিতে রিসর্টের রুম বুক করতে কিংবা অন্য কোন ইনফরমেশন জানতে। উন্মেষাকে দেখে একটু নড়েচড়ে বসলেন। তাঁর চোখেমুখে জিজ্ঞাসার চিহ্ন। যেন, এখানে এই অবস্থায় কী করতে এসেছেন?
উন্মেষা বলল, ‘‘বসতে পারি?”
কাপাডিয়া নড়েচড়ে বসলেন। “হাঁ, হাঁ, বইঠিয়ে, বইঠিয়ে!”
সামনের গসি আঁটা চেয়ারে বসে উন্মেষা বলল, “বিরক্ত হলেন না তো?”
“কী যে বলেন!”
“যা পরিস্থিতি চলছে। টেনশনে মাথা কাজ করছে না জানেন!”
“আমারও…! মানে-মানে উদ্ধার পেলে বাঁচি!”
“পুলিশ কিছু পারবে বলে মনে হয় আপনার?”
“মালুম নেহি। কুছ ভি হো সকতা হ্যায়! খোঁজ পেয়েছি, শাক্য সিংহ বহোত হুনহাল অফ্সার!”
“সিনেমায় গেলেই পারতেন। পুলিশ হিসেবে আহামরি কিছু বলে মনে হয় আপনার ? তাহলে তো এতদিনে কেস সলভ করে ফেলতে পারত!”
“পিশাচপাহাড় কেভে ধুকে অনেককিছু রহস্য ফাঁস করে দিয়েছে তো! আমরা কেউ আশা করিনি, ওটা কেউ পারবে! সন্দেহ করল কী ভাবে সেটাই বিগ মিস্ট্রি!”
“হয়ত আন্দাজে ঢিল ছুঁড়েছে। লেগে গিয়েছে। বারবার কি-আর এমন হবে?”
“আন্দাজে ঢিল ছুঁড়লে এভাবে কেউ দলবল সাথ মে লেকে যায়? আমার মনে হয় আগে থেকেই বেশ প্ল্যান-প্রোগ্রাম করে এক্সপিডিশনটা করা হয়েছে। আই অ্যাম সারপ্রাইজড। এতগুলি বছরেও কেউ যা টের পায়নি, ওই গোয়েন্দা কীভাবে পেল?”
“কেউ খবর দিয়েছে নিশ্চয়ই!”
“কোনও খোঁচড়ের কাজ বলছেন ম্যাডাম?”
“হ্যাঁ। আর কী হতে পারে?”
“কিন্তু খোঁচড়টি কে?”
“আছে তো নিশ্চয়ই কেউ। তা-না-হলে শাক্য সিংহ ওখানে পৌঁছতে পারত না। সন্দেহই করতে পারত না!”
“শাক্য সিংহের খোঁচড়টা কে জানতে হবে!”
“জেনে…?”
“কিছু না, কিছু না! এমনি কৌতূহলবশত জিজ্ঞাসা করলাম।” কাপাডিয়া সঙ্গে-সঙ্গে বললেন।
“ওহ্। দেখুন, আর যেন লাশ না পড়ে। পুলিশ যেভাবে পিছনে লেগেছে সব্বাইকে ধরবে। অরণ্যবাবু বেঁচে গেলে বিপদ কার হবে বুঝতেই পারছেন?”
“হ্যাঁ, তা আর বলতে!”
“আচ্ছা উঠি। ফ্রেশ হয়ে নিই। ও-বেলায় দেখা করতে যাব অরণ্যর সঙ্গে। যদিও জানি, আইসিইউতে একান্ত দরকার না পড়লে কাউকে ঢুকতে দেয় না। তবে আমি বাইরে থেকে দেখেই চলে আসব। আর না-দেখতে দিলে জাস্ট খোঁঝখবরটুকু তো আনতে পারব। তার উপরে তৃধা আছে ওখানে। কান্নাকাটি করে সে-বেচারার অবস্থা খারাপ।”
“হ্যাঁ, সেটাই স্বাভাবিক। বেড-পার্টনারদেরও তো আজকাল মনে থাকে?”
“মানে?”
“কিছু না। আমি এবার উঠব। একটু থানার দিকে যেতে হবে। জরুরি কাজ আছে।” বলে উঠে পড়লেন কাপাডিয়া।
অগত্যা উন্মেষাও উঠে পড়ল। তারপর একদৃষ্টিতে কয়েক সেকেন্ড কাপাডিয়ার দিকে তাকিয়ে দ্রুত চলে গেল সেই স্থান ছেড়ে। —চলবে।
* ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস (novel): পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক (Pishach paharer Aatanka) : কিশলয় জানা (Kisalaya Jana) বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক, বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content