
ডিএমকে ফোন করে সে কথাটা জানাল। বলল, “আপনাকে আগে জানাতেই হতো। কেসটা যেহেতু সেনসেটিভ। আর যেহেতু সাডেন নিউজটা পাওয়া গিয়েছে, অতএব বুঝতেই পারছেন, আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়ার কোনও সুযোগ আমরা পাচ্ছি না। যা করার চটজলদি ডিসিশন নিয়েই করতে হবে।”
“বুঝতে পারছি। আপনার সাজেশন কী?”
“দেখুন, চার্চের একজন মাথা, আই মিন বিগ ফিগার, তাঁকে গ্রেফতার করলে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা অসন্তোষ তো দেখা দেবেই। আর তা যাতে দেয়, সেইরকমভাবেই আমাদের শত্রুরা ঘটনা সাজাবে। লোককে উস্কানি দিতে হলে সামান্য কিছু উড়ো খবর যথেষ্ট। আর একবার অসন্তোষ বেধে গেলে, বিরোধীরা কিন্তু ছেড়ে কথা বলবে না। সেক্ষেত্রে আবার সরকার পক্ষকে জবাব দিতে-দিতে আমাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে যাবে। লাভের মধ্যে এই ঘোলা জলে যার মাছ ধরার সে মাছ ধরবে। ফাদার কোর্ট থেকে চাই-কি জামিনও পেয়ে যেতে পারেন কিংবা তার আগেই আমরা ছেড়ে দিতে বাধ্য হব!”
“হুম্! জটিল কেস!” ডিএমের গলায় চিন্তার সুর।
“হ্যাঁ। সেজন্যই আপনাকে বলা। আপনিই এসপিকে নির্দেশ দিতে পারেন, ল অ্যাণ্ড অর্ডার যাতে ঠিক থাক, সে-জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে। আমাদের ইমিডিয়েট ফোর্স প্রয়োজন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। পিশাচপাহাড় পুলিশ পোস্ট থেকে নিতে চাইছি না। অন্য কোনও জায়গা থেকে রিজার্ভ ফোর্স যদি পাওয়া যায়, খুব ভালো হয়। আর একইসঙ্গে পিশাচপাহাড় ব্লকটিকে আপাতত যত বেশি সম্ভব পুলিশি নজরদারিতে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে, কারণ, এই ব্লকের পাবলিকই বেশি চার্চের উপর নির্ভরশীল!”
“বলতে পারলে তো ভালোই। কিন্তু সেটা যদি গ্রেফতার করা হয়, তারপর। আমরা কিন্তু জানি না, আদৌ বেআইনি কিছু হচ্ছে কিনা। সবই আমাদের অ্যাজাম্পশন যে, চার্চের কেউ-কেউ এর সঙ্গে যুক্ত। নুনিয়া অনেক আগেই আমাদের হিন্টস্ দিয়েছিল, কিন্তু খুলে কিছু বলার আগেই তার উপর অ্যাটাক্ হয়, এবং তা হয় চার্চের ভিতরেই মেয়েদের হোস্টেলে, সেই দায়ও চার্চ-কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারেন না। আমি কথা দিচ্ছি, প্রথমেই গ্রেফতারির রাস্তাতে যাব না, যদি তাঁরা আমাদের কাজে সম্পূর্ণ সহায়তা করেন তাহলে আমাদের পক্ষ থেকেও সৌজন্যের ঘাটতি হবে না। কিন্তু যদি বাধা দিতে যান কিংবা কোনও গিল্টি পাওয়া যায়, তাহলে কিন্তু আমাদের গ্রেপ্তারি করা ছাড়া আর কোন পথ নেই। সেক্ষেত্রে গাড়ির সঙ্গে থাকা ফুল টিমকেই আমরা কাস্টডিতে নেব। তারপর ইন্টারগেশনের পর যদি কেউ নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারে, তাহলে তাঁকে ছেড়ে দিতে আমাদের কোনও আপত্তি থাকার কথা নয়, নেই-ও।”
“বুঝলাম। আমি তাহলে এসপির সঙ্গে এখনই কথা বলছি। যা করবেন বুঝেশুনে করবেন। বুঝতেই পারছেন খুব স্পর্শকাতর ইস্যু!”
“সে-কারণেই আপনাকে ফার্স্ট ফোনটা করলাম।”
“ফোর্স কোথায় পাঠাব। মানে লোকেশন?”
“গাড়ি নিয়ে যখন বেরিয়েছেন ফাদার, তখন রাস্তাতেই কোন জায়গায় আমাদের মজুলাকাত হতে পারে। যদি নাগাল পাই তাহলেই অবশ্য। আপনি ধরে নিন কাছাকাছির মধ্যে রোডের উপরে কোথাও…। একজাক্ট লোকেশনটা আমি আপনাকে জানিয়ে দেব গাড়ি দেখতে পেলেই!”
“বেশ। ক্যারি অ্যাহেড্ ! আমি এ-দিকের ব্যবস্থা করছি!” বলে ডিএম ফোন রেখে দিলেন।

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-১০৯ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ২

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৭৯ : নুনিয়ার টান

শ্রদ্ধাঞ্জলি : বাইশে শ্রাবণ

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৬২: ছুঁচো
“এদিক-ওদিক লেন, বাই-লেন ইত্যাদি নেই তো ? চোরাগোপ্তা পথে খানিকটা এগিয়ে যাওয়ার?”
“কলকাতার দিকেই যাক, আর দমদম এয়ারপোর্টের দিকেই, তাকে এই রাস্তাতেই উঠতে হবে। বাই-লেন ইত্যাদি দিয়ে আর কতদূর যাবে ?”
শুনেই হঠাৎ চমকে সিধে হয়ে উঠল শাক্য। “সুদীপ্ত!”
“স্যার !”
“আমরা দমদম এয়ারপোর্ট ভাবছি কেন?”
“মানে?”
“অন্য কোন এয়ারপোর্ট নয় কেন? বাই রোড রিস্ক নিয়ে কে এই পিশাচপাহাড় থেকে দমদম এয়ারপোর্ট যাবে? তার চেয়ে অনেক সহজ, কাছাকাছি রাঁচি এয়ারপোর্ট যাওয়া। সেখান থেকে ফ্লাইটে মুম্বাই, দিল্লী যাওয়াটা সহজ নয় কি?”
“কিন্তু স্যার, খব্রি তো দমদমের কথাই বলেছিল!”
“ওটা যদি ওদের চাল হয়?” শাক্য চিন্তিত মুখে বলল, “ভুলে যাচ্ছ কেন, ওরা মহা ধুরন্ধর। রাস্তায় বেশিক্ষণ থাকার রিস্ক নেবে না ওরা। কারণ, ওদেরও ভয় আছে, আমরা যদি এই জার্নির খবর পেয়ে যাই, তাহলে ছানবিন করব, আর তাহলে হয়তো আসল সত্য উঠে আসবে! তাছাড়া পুলিশের খোচর সর্বত্র ছড়ানো থাকে, তা ওদের অজানা নয়। সে-কারণে ওরা মুখে প্রচার করেছে এক, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে করবে আর-এক। হাতির দাঁতের মতো ব্যাপার আর-কি!”
“তাহলে! কী করব এখন আমরা?”
“যাত্রাপথের অভিমুখটা বদলে নেব জাস্ট…” শাক্য বলল।
“কিন্তু যদি আমাদের অনুমান ভুল হয়?” সুদীপ্ত চিন্তিত মুখে জিজ্ঞাসা করল।
“তার জন্য দু’-দিকেই ব্যবস্থা রাখতে হবে!”
“এত কম সময়ে…”

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৭২: কামোদ্দীপক প্ররোচনা ও রাবণের পরস্ত্রী-অপহরণের লোলুপতা আজও অব্যাহত

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০৮: স্তাবক-পরিবেষ্টিত রাজা কেবল অন্ধই হন না, নিজের দুর্গেই জ্যান্ত সেদ্ধ হন!
শাক্য এসপিকে বলল, “ভালো করেছেন ফোন করে। আমি নিজেই আপনাকে ফোন করতে যাচ্ছিলাম।”
এসপি ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে বললেন, “ডিএম সাহেব ফোন করেছিলেন। সব বুঝিয়ে দিয়েছেন। আমি সেইভাবে ফোর্স পাঠাচ্ছি। তবে আমার মনে হল, আপনি চাইছেন, পিশাচপাহাড় ব্লকের বাইরে গাড়িটাকে আটকাতে, সেজন্য আমি পাশের ব্লক ছেড়ে পিপলপোতার এন্ট্রিপয়েন্টে ফোর্স রেডি রাখছি। বাকি যা বলেছেন, সেইভাবে যথাস্থানে নির্দেশ দিয়েছি। বলেছি, কালাদেও গুহার এক্সপিডিশন এবং রিসর্টের বোর্ডারের উপর হামলার প্রেক্ষিতে এই ব্লকে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হল এবং এক সপ্তাহ অবধি এই নজরদারি চলবে।আশা করি এতেই আপনার কার্যোদ্ধার হবে। তাই তো?”
“আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি যা করেছেন, একেবারে যথার্থ করেছেন। কিন্তু আমাদের এখনকার প্ল্যান একটু বদলেছে…!”
“মানে? আবার কী হল?”
“আমাদের অনুমান, কলকাতা যাওয়ার কথা হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়ে পাখি অন্য পথে পালাতে চাইছে…”
“হেঁয়ালি না করে সোজাসুজি বলুন…”
“সোজাসুজিই বললাম। আমাদের মনে হয় রাঁচি এয়ারপোর্ট দিয়ে পালানোর চেষ্টা হবে?”
“ফাদার আন্তোনিওকে তাহলে মূল সাসপেক্টস্ বলে মনে করছেন?”
“জানি না। আলাদা করে কোনও নাম এখনই বলতে চাইছি না। আগে আমরা গাড়িটাকে আটকাই এবং খানাতল্লাশি করি, তারপর কোন সিদ্ধান্তে আসা যাবে। এখন আমার যেটা দাবি, যে অন্তত জনাদশেক পুলিশকে যদি পাঠানো যায় বর্ডারের দিকে, এবং একইসঙ্গে চেকপোস্টে যদি গার্ডদের সতর্ক করা যায়, তাহলে আমরা নিশ্চিন্ত হতে পারি যে, যত আগেই যাক, গাড়িটা এ-রাজ্যের সীমানা পার হতে পারবে না এত সহজে। কাস্টমস্কেও একটু অ্যালার্ট করে দেওয়া, যাতে যে-কোন ছুতোয় গাড়িটাকে ততক্ষণ আটকে রাখে, যতক্ষণ না আমরা গিয়ে উপস্থিত হই। কারণ, অলরেডি কিমিনালদের দ্বারা মিসগাইডেড হয়ে আমরা অনেকটা সময় ভুল দিকে এসে নষ্ট করে ফেলেছি!”
“বুঝলাম। আসলে এত তাড়াতাড়ি সব করা ! অলরেডি তারা যদি সীমানা পার করে ফেলে, তাছাড়া চার্চের গাড়ির স্পেশাল পাশ আছে। আর তারা যদি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে যায়, তাহলে তো কথাই নেই…”
“অ্যাম্বুলেন্স নিয়েই গিয়েছে!”
শুনে মুখে আক্ষেপসূচক শব্দ করলেন এসপি। তারপর বললেন, ‘ঠিক আছে, রাখুন, দেখছি শেষমেশ কিছু করা যায় কিনা!” বলে ফোন কেটে দিলেন।
শাক্য অবশ্য সঙ্গে-সঙ্গে আর-একটি জায়গায় ফোন করল। ও-প্রান্ত থেকে সঙ্গে-সঙ্গে ফোন রিসিভ করতেই শাক্য বলল, “স্যার! শাক্য বলছি!”
“বুঝতেই পারছি। একেজি স্যার তার ফোন থেকে লালাওবাজারের সবচেয়ে হুনহাল গোয়েন্দা-অফিসারের নাম ডিলিট করেনি…। বল।”

উপন্যাস: হ্যালো বাবু! পর্ব-১৪৭: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৭

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৯৭ : সূর্যশিখা
“দেখেছি এবং দেখে খুব আপসেট হয়েছি। তুমি ওখানে উপস্থিত, লোকাল থানার পুলিশ উপস্থিত, তারপরেও এখনও দুষ্কৃতিরা সাহস পাচ্ছে কী করে হামলা করার?”
“এ-ব্যাপারে আপনাকে সব বলব। কিন্তু পরে। আপাতত আপনার চেনাজানা কাউকে দিয়ে যেভাবেই হোক, একজনের ব্যাপারে ইনফো জোগাড় করুন। ইনি কিন্তু দেশীয় ব্যক্তি নয়, সুতরাং আন্তর্জাতিক মহলে চেনাজানা কাউকে খুঁজতে হবে আপনাকে?”
“আই মিন ইন্টারপোল?”
“হ্যাঁ। ঠিক তাই!”
“শুনতে সহজ হলেও আদতে নয়। তারা রিপ্লাই দেবে কিন্তু কতক্ষনে কিংবা কতদিনে সেটা জানি না !”
“রিপ্লাই তো দিক। সেটাও আমাদেরকে অনেক সাহায্য করবে।”
“কে? কার সম্বন্ধে জানতে চাও?”
“চার্চের দুই ফাদার সম্পর্কে। ফাদার আন্তোনিও এবং ফাদার রডরিগো।”
“ফাদার রডরিগো তো অথর্ব এবং অসুস্থ বলেই শুনেছি। আমি একবার পিশাচপাহাড় গিয়েছিলাম, তখনও এখনকার পিশাচপাহাড় গড়ে ওঠেনি। কেউ যেত না সে-সময়। যাই হোক, ফাদারের সঙ্গে তখন আমার আলাপ হয়। ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছিল। ফাদার আন্তোনিও তখন আসেননি নিশ্চয়ই। এলে আমার সঙ্গে নিশ্চয়ই মুলাকাত্ হত!”

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

মুভি রিভিউ: আজও অর্ধাঙ্গিনী: ভালোবাসার পরেও যে সম্পর্ক বেঁচে থাকে
“শাক্য, তোমায় একটা কথা বলি, পিশাচপাহাড়ে যা-সব ঘটছিল, তাতে কোনও ফরেন-কানেকশন আছে কি-না এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আমাদেরকে গোপনে তদন্ত করতে বলেছিলেন। আমরা সে-নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিয়েছি। তখনই ফাদার দু’জনের ব্যাপারে আমরা ওই চার্চের হেডকোয়ার্টারে মেইল করি। একই সঙ্গে অন্য সোর্স থেকেও ইনফরমেশন কালেক্ট করি। তাতে দেখা যাচ্ছে, ভদ্রলোক ও-দেশে নামি বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনের অধ্যাপক ছিলেন। আধ্যাত্মিক প্রকৃতির মানুষ। পরে চাকরি ছেড়ে দিয়ে পাকাপাকিভাবে চার্চে জয়েন করেন এবং ইণ্ডিয়াতে আসেন। কোনও পাস্ট ক্রিমিনাল-রিপোর্ট নেই। একটু কড়া এবং বদ-মেজাজি এই যা। ভদ্রলোক পেনসেলভেনিয়ার এক সম্ভ্রান্ত বংশের সন্তান। এঁদের অরিজিন অবশ্য স্পেন। তবে একশো বছরেরও বেশি আগে সে-দেশ থেকে চলে এসে এরা পেনসেলভেনিয়ায় বসবাস করতে শুরু করেন। তিন ভাই। তাঁদের একজন বহুকাল আগে নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছেন, আশঙ্কা যে তিনি আর বেঁচে নেই। আর একজন পেনসেলভেনিয়ার একটি নামী হসপিটালের ডাক্তার। আর ফাদার আন্তোনিও নির্বিরোধী মানুষ। বিয়ে-থা করেননি। চার্চের কাজে আত্মনিয়োগ করাকেই জীবনের ব্রত করে নিয়েছেন। ইন্টারপোলের থেকে ফিডব্যাক আসেনি এখনও। এলেও এর চেয়ে খুব বেশি আলাদা কিছু হবে বলে তো মনে হয় না,। কারণ, সেখানকার সরকারি খাতা অনুযায়ী ফাদারের ব্যাপারে কোন ফৌজদারি কেস নেই। অতএব বুঝতেই পারছ, গাড়ি আটকালেও তুমি কিছু প্রুভ করতে পারবে না। অন্তত কোন এজেন্সি তোমাকে কোন তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবে না, এটা নিশ্চিত!”
“তাও আপনি দেখুন…। যদি কিছুই সন্দেহজনক না পাই তাহলে ফাদারকে ক্লিনচিট দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিতে হবে আমাদের!”
“বেশ। আর কিছু?”
“না স্যার। আপাতত এইটুকুই। বাকি আপডেট আমি পরে আপনাকে দেব। সন্ধের দিকে, মানে ফ্রি হয়েই আর কি!”
“ঠিক আছে। সিচ্যুয়েশন তোমার মনের মতো হোক। দেখা যাক, সাফল্য না ব্যর্থতা লেখা আছে শাক্য সিংহের কপালে! বেস্ট অফ লাক্” বলে একেজি ফোন রাখলেন।
শাক্যর কপালে গভীর ভাঁজ। কিছু একটা চিন্তা করছে সে। সুদীপ্ত বারকয়েক তাকাল, একইরকম ভাবে ভাবতে দেখে সে আর ঘাঁটাল না শাক্য স্যারকে। —চলবে।


















