পর্ব-১৯০: ইরাবতীর ডায়েরি থেকে/২

পর্ব-১৯০: ইরাবতীর ডায়েরি থেকে/২

ইরাবতীর ডায়েরিতে এরপর আছে গ্রুপের মহিলা সদস্যদের সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট। প্রথমেই তৃধার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। শাক্য দেখল লেখা আছে—তৃধা। বয়স—৩৩ বছর। দক্ষিণ কলকাতার নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট। বছর সাতেক বিবাহ হয়েছে। স্বামী মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। যোধপুর পার্কে...
পর্ব-১৫৭: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য

পর্ব-১৫৭: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য

 || হার্ড ড্রাইভ-১৬ || বাবা মা দু’জনেই ঈপ্সিতাকে বুড়ূ বলে ডাকে! কালই পুলক দিল্লি গিয়েছে! পৌঁছে মেসেজ করেছিল! কিছু সমস্যা হল দিল্লিতে! প্রায় চোখ বুজেই ঈপ্সিতা বলে — কী হয়েছে? — উত্তরা মুখার্জি! — সে কে? — আরে বাবা ওই যে গোধূলির সুর সিরিয়ালের দিয়া! — এসব কী বলছো?...
পর্ব-১৮৯: ইরাবতীর ডায়েরি থেকে/১

পর্ব-১৮৯: ইরাবতীর ডায়েরি থেকে/১

ট্যাবে ফাইলটা আগেই লোড করে নিয়েছিল শাক্য। মূলত কিছু পড়ার জন্য সে ট্যাবটা ইউজ করে। ভীষণ আই-স্যুদিং। ব্ল্যাক কফিটা পেটে পড়ার পর একটু চাঙ্গা লাগছিল। আর দেরি করা ঠিক হবে না। ফাইলটা খুলে পড়তে-পড়তে মাথাটাকে ঘামাতে হবে। ইরাবতী নিশ্চয়ই ফাইলটা তৈরির সময় কেসটা নিয়ে ভেবেছেন।...
পর্ব-১৫৬: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য

পর্ব-১৫৬: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য

ছবি : প্রতীকী।  || হার্ড ড্রাইভ-১৫ || ঈপ্সিতার বাবা শতদলবাবুকে একবার একজন ঠিকাদার মাছ আর মিষ্টি বাড়িতে পাঠিয়েছিলেন। মা বিনীতা দেবীর ওপর কড়া হুকুম ছিল এইসব উপঢৌকন না নিতে। তখন ল্যান্ডলাইন। বিনীতার ফোন পেয়ে শতদল বাবু উপঢৌকন নিয়ে আসার লোকজনদের অফিসে ডেকে পাঠালেন।...
পর্ব-১৮৮: প্রতিপক্ষ অন্ধকার

পর্ব-১৮৮: প্রতিপক্ষ অন্ধকার

একটা দীর্ঘ শাওয়ার নেওয়ার পর শাক্য দেহ-মনে কিছুটা শান্তি এবং এনার্জি ফিরে পেল। দু’দিন ধরে নাগাড়ে ছোটাছুটি চলছে। এখানে আসা ইস্তক কাজের চাপে ফ্রি-হ্যান্ড করার সময়টুকুও পাচ্ছে না ভালো করে। কাল ভোরে উঠে অন্তত চল্লিশ মিনিট সে ফ্রি-হ্যান্ডের পিছনে খরচ করবে ঠিক করল। বনদপ্তরের...

Skip to content