অবসর

শাশ্বতী রামায়ণী

পর্ব-৩২: শোকের আঁধারে আকাশ কালো—অযোধ্যায়

পর্ব-৩২: শোকের আঁধারে আকাশ কালো—অযোধ্যায়

শয্যায় শায়িত রাজার দেহ আজ যেন নির্বাপিত অগ্নিশিখা, শুকিয়ে যাওয়া গভীর, শূন্য সমুদ্রখাত। অস্তাচলগামী সূর্যের মতোই নিভে গিয়েছে তাঁর শৌর্য, বীর্য, অমিত বিক্রম। কৌশল্যা রাজার চরণে আছড়ে পড়ে কাঁদতে লাগলেন।

read more
পর্ব-৩০: শেষ পর্যন্ত ভগ্নদূত সুমন্ত্র কী বার্তা এনে দিলেন?

পর্ব-৩০: শেষ পর্যন্ত ভগ্নদূত সুমন্ত্র কী বার্তা এনে দিলেন?

নিষ্প্রভ রথ অযোধ্যার প্রবেশদুয়ার পার করে ঢুকছে দেখেই ছুটে গেল তার দিকে জনস্রোত। প্রজারা জানতে চায়, রামের খবর— কোথায় আছেন তিনি, কেমন আছেন তাঁরা সকলে।

read more
পর্ব ২৯: নদীর তীর, বনের পথ, শোক সামলে ছুটল রথ…

পর্ব ২৯: নদীর তীর, বনের পথ, শোক সামলে ছুটল রথ…

অযোধ্যার রাজপুত্র, রাজবধূ আজ বিলাসী কোমল সুখশয্যায় নয়, নিদ্রা যাবেন কঠিন ভূমিতলে, পাতার বিছানায়। পান করবেন শুধু জল। লক্ষ্মণ আর সুমন্ত্র তৈরি করে দিলেন পর্ণশয্যা।

read more
পর্ব ২৮: অযোধ্যাবাসীরাও কি সঙ্গী বনযাত্রায়?

পর্ব ২৮: অযোধ্যাবাসীরাও কি সঙ্গী বনযাত্রায়?

সীতা কৌশল্যাকে প্রণাম করে বললেন, “মা, স্ত্রীর ধর্ম, কর্তব্য আমি জানি। আপনি আমাকে সাধারণ নারীর মতো মনে করবেন না। আপনি আপনার পুত্রের মঙ্গল বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকুন

read more

মহাকাব্যের কথকতা

পর্ব-১৫৯: অর্জুনের যুদ্ধযাত্রার লক্ষ্য ও আধুনিক যুদ্ধের আগ্রাসনের সাযুজ্য আছে কি?

পর্ব-১৫৯: অর্জুনের যুদ্ধযাত্রার লক্ষ্য ও আধুনিক যুদ্ধের আগ্রাসনের সাযুজ্য আছে কি?

পাণ্ডবদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বীর অর্জুনের পৃথিবীজয়ের বৃত্তান্তটি বিচিত্র ও আকর্রষণীয়। অর্জুন প্রথমে কুলিন্দদেশের রাজাদের বশীভূত করে, আনর্ত্ত, কালকূট, অন্য এক কুলিন্দদেশ জয় করলেন। তার পরে পদানত সুমণ্ডলদেশের রাজাকে সঙ্গে নিয়ে শাকলদ্বীপ এবং প্রতিবিন্ধ্যরাজাকে পরাজিত করলেন। সপ্তদ্বীপের মধ্যে বিখ্যাত শাকলদ্বীপবাসী রাজারা। সসৈন্য সেই রাজাদের সঙ্গে অর্জুনের ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হল। মহাধনুর্দ্ধর সেই রাজাদের জয় করে, তাঁদের সঙ্গে সম্মিলিত হয়ে প্রাগ্ জ্যোতিষপুরের উদ্দেশে যাত্রা করলেন।

read more
পর্ব-১৫৮: রাক্ষস খর ও রামের সংঘাতে, যুদ্ধের বিবিধবার্তা

পর্ব-১৫৮: রাক্ষস খর ও রামের সংঘাতে, যুদ্ধের বিবিধবার্তা

খর ও রামের যুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে যুদ্ধের আবহ নানা প্রশ্নের উদ্রেক করে। এমনই বোধ হয় মহাকাব্যিক বিস্তার, যার অমীমাংসিত আলোচনার রেশ যুগ যুগান্তরে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতেই থাকে, আবহমান, নিরন্তর।

read more
পর্ব-১৫৭: জরাসন্ধবধ ও জনার্দনের কৃতিত্ব

পর্ব-১৫৭: জরাসন্ধবধ ও জনার্দনের কৃতিত্ব

মহাভারতের বিচিত্র অনুষঙ্গ ছাড়াও, কৃষ্ণ ও তাঁর প্রলম্বিত ছায়াশ্রিত পাণ্ডবদের বিভিন্ন কীর্ত্তিকাহিনী সংযোজিত হওয়ায় হয়তো ভারতকথার এই গৌরবময় পরিণতি সম্ভব হয়েছে। মহাভারতের ভরতবংশীয়দের যশ ও অপযশ ছাপিয়ে, প্রোজ্জ্বল হয়ে ওঠেন যিনি, তিনি ভরতের উত্তরসূরীদের কাছে আজও প্রিয় জনার্দন, কৃষ্ণ।

read more
পর্ব-১৫৬: প্রাকৃতিক অবস্থার পরিবর্তন ও প্রাণীদের অস্থিরতা : যুদ্ধের দূষণ, মনে, প্রাণে, বাতাবরণে, সর্বত্র

পর্ব-১৫৬: প্রাকৃতিক অবস্থার পরিবর্তন ও প্রাণীদের অস্থিরতা : যুদ্ধের দূষণ, মনে, প্রাণে, বাতাবরণে, সর্বত্র

আমরা দুর্বলচিত্ত মানুষেরা হয়তো মনে করি, একদা নিয়তির অমোঘ নির্দেশে এই দুর্ভাগ্যজনক চরম পরিণতি তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতি জেনেও নিছক কৌতূহলী দর্শকের ভূমিকায় থেকে যান, দেবতা, ঋষি, সিদ্ধপুরুষদের মতো প্রভাবশালীদের অনেকেই। এক অর্বাচীন কথকঠাকুরাণীর মস্তিষ্কপ্রসূত এই ব্যখ্যা। সুধী পাঠকবর্গ, কোনও ধর্মীয় ভাবাবেগের মূলে কুঠারাঘাত বলে মনে করবেন না। বর্তমান দুনিয়ার যুগচিত্রের সঙ্গে এর সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায় কী?

read more
পর্ব-১৫৫: নৈতিকতার নিরিখে, মল্লযুদ্ধে জরাসন্ধবধ, আজও প্রাসঙ্গিক কেন?

পর্ব-১৫৫: নৈতিকতার নিরিখে, মল্লযুদ্ধে জরাসন্ধবধ, আজও প্রাসঙ্গিক কেন?

অতীতে মল্লযুদ্ধের অনৈতিক বিষয় হল, ক্লান্ত প্রতিপক্ষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা। যে কোনও যুদ্ধে নৈতিকতার বিধিবদ্ধ মানদণ্ড অতিক্রম করে যান যুদ্ধরত দুই পক্ষই। ভুলে যান মানবিকতা, মমত্ববোধ প্রভৃতি কোমলবৃত্তি। প্রকট হয়ে ওঠে হত্যা, মৃত্যু, জিঘাংসা এবং প্রতিশোধস্পৃহা। জয় হয়, আত্মঘাতী নৈতিক অবক্ষয়ের।এই চিত্রের পরিবর্তন হয়নি।

read more

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি

পর্ব-৮৮: নীতি কেবল মুখোশ, রাজনীতির মূল হল কৌশল আর ছলনা

পর্ব-৮৮: নীতি কেবল মুখোশ, রাজনীতির মূল হল কৌশল আর ছলনা

একদিন—মাঘ মাসের কনকনে শীতের ভোরে, যখন হালকা বাতাস বইছে আর ঝিরঝির করে বৃষ্টিও পড়ছে—মিত্রশর্মা গৃহকার্যের পর গ্রামান্তরে যাত্রা করলেন। উদ্দেশ্য, আসন্ন যজ্ঞের জন্য যজমানের কাছ থেকে পশুদানের আবেদন করা। গ্রামান্তরে এক যজমানের বাড়িতে গিয়ে মিত্রশর্মা বললেন, “ওহে যজমান! আগামী অমাবস্যায় একটি যজ্ঞ করব স্থির করেছি। তাই আমাকে একটি পশুদিন—তত্‍ দেহি মে পশুম্‌ একম্‌।”

read more
পর্ব-৮৭: শুধু মুখে ধর্মের বুলি আওড়ালেই কেউ ধার্মিক হয়ে যায় না

পর্ব-৮৭: শুধু মুখে ধর্মের বুলি আওড়ালেই কেউ ধার্মিক হয়ে যায় না

একটানা ধর্মকথা শুনিয়ে, তীক্ষ্ণ দাঁতের সেই সাধুবেশী বিড়ালটি শেষমেশ বলেই ফেলল,“ভয় পেয়ো না, আমি তোমাদের খেতে আসিনি, তন্ন অহং ভক্ষযিষ্যামি। বরং আমি তোমাদের এই বিবাদের বিচার করব, জয়-পরাজয় নির্ধারণ করব। তবে একটা কথা আছে, এখন আমি বয়সে একটু বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছি। আগের মতো কান ভালো কাজ করে না। তোমাদের কথাবার্তা ঠিকঠাক বুঝতে পারি না যদি দূরে থাকো। তাই একটু কাছে এসো, আমি ভালো করে শুনি তোমাদের দ্বন্দ্বটা কী নিয়ে। বোঝার পর নিরপেক্ষভাবে বিচার করব যাতে কোনও অন্যায় না হয়। আমি তো এখন তপস্বী, ভুল বিচার করলে পরলোকে আমার বিপদ হবে!”

read more
পর্ব-৮৬: আমরা আসলে কাকে পুজো করছি? ঈশ্বরকে, নাকি রক্তমাখা অভ্যাসকে?

পর্ব-৮৬: আমরা আসলে কাকে পুজো করছি? ঈশ্বরকে, নাকি রক্তমাখা অভ্যাসকে?

কপিঞ্জল তখন একটু চিন্তা করে সেই খরগোশ শীঘ্রগকে বলল, বেশ! তবে তাই হোক! যদি স্মৃতিকেই তুমি প্রমাণ বলে স্বীকার করো তবে এখনই চলো কোনও এক স্মৃতিপাঠকের কাছে। ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষের জ্ঞান যার আয়ত্তে। তার রায়ই হবে চূড়ান্ত। তিনি যাঁর সপক্ষে রায় দেবেন—এই গাছের কোটরটি তারই হবে।

read more
পর্ব-৮৫: অধিকার নয়, অবস্থানই বলে দেয় জায়গা কার– মালিকের? না দখলদারের?

পর্ব-৮৫: অধিকার নয়, অবস্থানই বলে দেয় জায়গা কার– মালিকের? না দখলদারের?

“এইটা তো আমার বাসা! এখানে তুই এলি কী করে? তৎ শীঘ্রং নিষ্ক্রম্যতাম্‌ — এখনই ওখান থেকে বেরিয়ে আয়।” — ধমকে উঠল কপিঞ্জল। তার স্বর কাঁপছিল রাগে, আর গলায় ফুটে উঠছিল মালিকানা হারানোর যন্ত্রণা।

read more
পর্ব-৮৪: যুদ্ধ করতে সব সময় পেশীশক্তি নয়, দরকার বিশ্বাসের গল্পও

পর্ব-৮৪: যুদ্ধ করতে সব সময় পেশীশক্তি নয়, দরকার বিশ্বাসের গল্পও

খরগোশটি বক্তব্য হল, এতো সহজে হার মেনে এই পিতৃপিতামহের ভূমি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার কোনও মানেই হয় না। সেই হাতির দলকে এমন কিছুর ভয় দেখাতে হবে যাতে তারা আর এই জায়গায় ফিরে না আসে। রাজনীতি শাস্ত্রে বলা হয়েছে, নির্বিষ সাপেরও ফণা তুলে ভয় দেখানো উচিত। কারণ বিষ আছে কি নেই—সেই চিন্তা লোকে করে না। সকলেই সাপের ফণাকেই ভয় পায়। অর্থাৎ আমাদের ক্ষমতা কতটা সেটা ভেবে লাভ নেই। কীভাবে আমরা তাদেরকে ভয় দেখাতে পারবো সেই উপায় ভাবতে হবে।

read more

মহাভারতের আখ্যানমালা

পর্ব-৪০: লোপামুদ্রার আবদারে ধনের অনুসন্ধানে নির্গত হলেন অগস্ত্যমুনি

পর্ব-৪০: লোপামুদ্রার আবদারে ধনের অনুসন্ধানে নির্গত হলেন অগস্ত্যমুনি

ইল্বল অতি যত্নে মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করে সকলকে আহ্বান করল। নিজের হাতে সকলকে পরিবেশন করলে সে। ইল্বলের লক্ষ্য ছিলেন অগস্ত্যমুনি। কারণ, তিনিই ছিলেন একমাত্র ব্রাহ্মণ।

read more
পর্ব-৩৯: ইল্বলদৈত্য আর অগস্ত্যমুনির কথা

পর্ব-৩৯: ইল্বলদৈত্য আর অগস্ত্যমুনির কথা

লোপামুদ্রা যখন বিবাহযোগ্যা হলেন, বিদর্ভরাজ তাঁকে উপযুক্ত পাত্রস্থ করবার জন্য মন্ত্রীদের সঙ্গে পরামর্শ করছিলেন, তখন অগস্ত্যমুনি তাঁর অন্তর্দৃষ্টিতে এই সমস্ত কিছুই জানতে পারলেন।

read more
পর্ব-৩৮: পাণ্ডবেরা চললেন তীর্থে

পর্ব-৩৮: পাণ্ডবেরা চললেন তীর্থে

বৃহদশ্বমুনি নলরাজার গল্প শুনিয়ে যুধিষ্ঠিরকে এই বলে আশ্বস্ত করলেন, ‘হে রাজন্‍ আমি তোমায় অক্ষবিদ্যা শিখিয়ে দেব। তাহলে তোমায় আর সবসময় পাশাখেলার ভয়ে দিন কাটাতে হবে না।’ মুনি কথা রাখলেন।

read more
পর্ব-৩৭: পুষ্কররাজাকে পরাস্ত করে রাজ্য ফিরে পেলেন নলরাজা

পর্ব-৩৭: পুষ্কররাজাকে পরাস্ত করে রাজ্য ফিরে পেলেন নলরাজা

ঋতুপর্ণরাজাও সব ঘটনা শুনে অত্যন্ত খুশি হলেন। বাহুকের গুণমুগ্ধ ছিলেন তিনি। তিনি জানতেন, বাহুক নিতান্ত সাধারণ কোন মানুষ নন। আজ সে সন্দেহ দূর হল। তিনি ফিরে গেলেন নিজ রাজ্যে।

read more
পর্ব-৩৬: অক্ষবিদ্যাশিক্ষা করলেন নলরাজা

পর্ব-৩৬: অক্ষবিদ্যাশিক্ষা করলেন নলরাজা

দময়ন্তী বাহুক বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিজের পুত্রকন্যাকে বাহুকরূপী নলের কাছে পাঠালেন। নলরাজা পুত্রকন্যাকে পেয়ে তাদের কোলে নিয়ে কেঁদে ভাসালেন। কিন্তু তবুও নিজের পরিচয় প্রকাশ করলেন না।

read more

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি

পর্ব-১২৮: অবনীন্দ্রনাথ বলতেন, রানী লিখতেন

পর্ব-১২৮: অবনীন্দ্রনাথ বলতেন, রানী লিখতেন

রানী তখন নিজের কর্মে অবিচল। সেদিন দুপুরের দায়িত্ব পেয়ে নিষ্ঠার সঙ্গেই পালন করছিলেন। তেমন কী আর কাজ! রবীন্দ্রনাথ হয়তো শুয়ে শুয়ে বললেন, ‘কলমটা দে, খাতাটা দে।’ আবার কখনো হয়তো শীত-শীত লাগছে, পা দুটো চাদর দিয়ে ঢেকে দিতে বলতেন। তেমন কিছু কাজ নয়, শুধু জেগে থাকা, গুরুদেবের পাশে বসে থাকা। কেউ পাশে থাকলে, দুটো কথা বললেও তো ভালোলাগে গুরুদেবের। অন্তত অসুস্থতার কথা ভুলে থাকতে পারেন। কেউ তাঁর পাশে নিজের কাজকম্ম বন্ধ করে বসে থাকলে, সেবা-শুশ্রূষা করলে, তা নিয়ে বিচলিত হন গুরুদেব। রানীকে একদিন বললেন, ‘আমার জন্য তোদের কত সময় নষ্ট হয়।’

read more
পর্ব-১২৭: রবীন্দ্রনাথের নামে ভিত্তিহীন অভিযোগ, ‘চোখের বালি’ নাকি চুরি করে লেখা

পর্ব-১২৭: রবীন্দ্রনাথের নামে ভিত্তিহীন অভিযোগ, ‘চোখের বালি’ নাকি চুরি করে লেখা

রবীন্দ্রনাথকে নস্যাৎ করার চেষ্টা, ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা তো কম হয়নি। নোবেল তিনি পেয়েছিলেন তিপান্ন বছর বয়েসে। প্রবল সম্ভাবনা নিয়ে সাহিত্যের আসরে অবতীর্ণ হয়ে প্রচলিত লেখার চেনা ছক ভেঙেছিলেন, নতুনতর পথ আবিষ্কার করেছিলেন। সেসময় অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্বই তো রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতা করেছেন। রবীন্দ্রনাথের মতো প্রতিভাবানের বিরোধিতা করে বোধহয় তাঁরা আত্মতৃপ্তি লাভ করতে চেয়েছেন।

read more
পর্ব-১২৬: ঠাকুরবাড়ির কন্যা ঘোড়ার পিঠে চড়ে বন্দুক উঁচিয়ে জমিদারি-কাজে বের হতেন

পর্ব-১২৬: ঠাকুরবাড়ির কন্যা ঘোড়ার পিঠে চড়ে বন্দুক উঁচিয়ে জমিদারি-কাজে বের হতেন

জোড়াসাঁকোয় এলে সুদক্ষিণা দেবী বড় স্মৃতিকাতর হয়ে পড়তেন। এক অদ্ভুত ভালোলাগায় মন ভরে যেত। স্বামীর মৃত্যুর পর নিঃসঙ্গ সুদক্ষিণা পোষ্যপুত্র গ্রহণ করেছিলেন। এক সময় সুদক্ষিণা ভেবেছিলেন জমিদারি ছেড়েছুড়ে কলকাতায় চলে আসবেন। স্মৃতি দিয়ে ঘেরা ঠাকুরবাড়ির সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে শেষজীবন কাটাবেন। সেই ভাবনা সত্যি হয়ে ওঠেনি। সুদক্ষিণার ডাকনাম ছিল ‘পূর্ণিমা’।

read more
পর্ব-১২৫: রবীন্দ্রনাথের বিয়ের রাতে মারা গিয়েছিলেন ঠাকুরবাড়ির জামাই

পর্ব-১২৫: রবীন্দ্রনাথের বিয়ের রাতে মারা গিয়েছিলেন ঠাকুরবাড়ির জামাই

স্বর্ণকুমারী দেবী ঔপন্যাসিক হিসেবে সমকালে যথেষ্ট প্রসিদ্ধি পেয়েছিলেন। তাঁর উপন্যাস সমকালেই ইংরেজিতে অনুবাদ হয়েছিল। কথাসাহিত্যচর্চার পাশাপাশি স্বর্ণকুমারী জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়েও বই লিখেছিলেন। তাঁর দৃষ্টির স্বচ্ছতা, ভাবনার আধুনিকতা ও বিজ্ঞানবোধ আমাদের মনে যতই বিস্ময় উদ্রেক করুক না কেন, মহর্ষির এই কন্যাটি কখনও স্কুলে যাননি। তাঁর পড়াশোনা সবই বাড়িতে।

read more
পর্ব-১২৪: দিগম্বরী দেবী : ঠাকুরবাড়ির সেরা সুন্দরী

পর্ব-১২৪: দিগম্বরী দেবী : ঠাকুরবাড়ির সেরা সুন্দরী

দিগম্বরী দেবীকে আশপাশের মানুষজন বলতেন ‘রত্নগর্ভা’। তাঁর কোনও কন্যা সন্তান ছিল না। সকলেই পুত্র। সব মিলিয়ে পাঁচ পুত্র। জ্যেষ্ঠ পুত্র মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ। একজন অল্প বয়সে মারা গিয়েছিলেন। ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই তথ্য দিলেও খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের তাঁর ‘রবীন্দ্র কথা’য় জানিয়েছেন, দিগম্বরীর প্রথম সন্তানটি ছিল কন্যা, অকালে অসময়ে শৈশবে মারা গিয়েছিল।

read more

অনন্ত এক পথ পরিক্রমা

পর্ব-৭১: হৃদয়ে প্রভুর দর্শন করলে যেমন মনে সংশয় থাকে না, তেমন অপ্রাপ্তিও থাকে না

পর্ব-৭১: হৃদয়ে প্রভুর দর্শন করলে যেমন মনে সংশয় থাকে না, তেমন অপ্রাপ্তিও থাকে না

ধর্ম চেতনা এবং সংশয়—চিরকালীন। সাধারণ থেকে সাধক প্রত্যেকেই এই সংশয় প্রকাশ করেছেন। ধর্মলাভ করা সম্ভব? যদি যায়, কোনও পথে? কীভাবে? ধর্মলাভ হলে তার লক্ষণ বা কী?

read more
পর্ব-৭০: নরেন একদিন জগতের পীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে: রামকৃষ্ণদেব

পর্ব-৭০: নরেন একদিন জগতের পীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে: রামকৃষ্ণদেব

একবার ঠাকুর যেন কোন দূর দেশ হতে এসে ভাবের ঘোরে মায়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “দেখো! কলকাতার লোকগুলো যেন অন্ধকারে পোকার মতো কিলবিল করছে। তুমি তাদের দেখো।”

read more
পর্ব-৬৯: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৫

পর্ব-৬৯: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৫

আধ্যাত্মিক জীবন, শুধু খাদ্য-পানীয়ের নিরিখে বিচার যোগ্য নয়। তার থেকেও অধিকতর বড় বিষয় হল মানসিক শুদ্ধতা। সাধকের ক্ষেত্রে, অনেক সময় সাধন অপেক্ষা এ বিচার অধিকতর অর্থবহ হয়ে পড়ে যে কী গ্রহণযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য নয়, তা সাধন পথে একপ্রকার বিঘ্ন।

read more
পর্ব-৬৮: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৪

পর্ব-৬৮: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৪

উপনিষদের ব্রহ্মজ্ঞানের পার্বত্য পাদদেশে, যেখানে ভক্তির পরাকাষ্ঠা প্রেম নদী বিধৌত করে একে অপরকে। শ্রীরামকৃষ্ণ বলছেন, “এক চৈতন্য অভেদ, বিষ্ঠা, মুত্র, অন্ন, ব্যঞ্জন সবপ্রকার খাবার জিনিস পড়ে রয়েছে, তাঁর (শ্রীরামকৃষ্ণ) ভিতর থেকে জীবাত্মা বেরিয়ে সবকিছুকে স্পর্শ করে গেল।”

read more
পর্ব-৬৭: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৩

পর্ব-৬৭: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৩

শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবাবিষ্ট হয়ে রাখালকে বলছেন, “এখানকার শ্রাবণ মাসের জল নয়। খুব হুড় হুড় করে আসে, আবার বেরিয়ে যায়। এখানে পাতাল ফোঁড়া শিব, বসানো শিব নয়।”

read more

যত মত, তত পথ

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

বিবেকের কাছে

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

আলোকের ঝর্ণাধারায়

পর্ব-৯o: মা সারদার কথায় ‘ঈশ্বর হলেন বালকস্বভাব’

পর্ব-৯o: মা সারদার কথায় ‘ঈশ্বর হলেন বালকস্বভাব’

একদিন সকালে উদ্বোধনে শ্রীমায়ের ঘরে স্বামী অরূপানন্দ তাঁকে বলেছিলেন যে, শ্রীচৈতন্য নারায়ণীকে আশীর্বাদ করেছিলেন, ‘নারায়ণী, তোমার কৃষ্ণে ভক্তি হোক’। তখন তিন-চার বছরের নারায়ণী ‘হা কৃষ্ণ’ বলে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে লাগল। তিনি আরও বললেন যে, দেবর্ষি নারদের সিদ্ধিলাভের পর একটা পিঁপড়ে দেখে হঠাৎ কিরকম দয়া হল।

read more
পর্ব-৮৯: উদ্বোধনের ঠাকুরঘরে মা সারদার সঙ্গে স্বামী অরূপানন্দের কথোপকথন

পর্ব-৮৯: উদ্বোধনের ঠাকুরঘরে মা সারদার সঙ্গে স্বামী অরূপানন্দের কথোপকথন

উদ্বোধনে একদিন সকালে পুজোর ঘরে স্বামী অরূপানন্দ মা সারদাকে বললেন, ‘মা, যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন তাহলে এই জগতে এতো দুঃখকষ্ট কেন? তিনি কি দেখছেন না? তাঁর কি এসব দূর করবার শক্তি নেই?’ তখন শ্রীমা বললেন, ‘সমস্ত সৃষ্টিই সুখদুঃখময়। দুঃখ না থাকলে সুখ কি বোঝা যায়? আর সকলের সুখ হওয়া কি করে সম্ভব?

read more
পর্ব-৮৮: মা সারদার কাছে ভক্তের ঠাকুরের কথাশ্রবণ

পর্ব-৮৮: মা সারদার কাছে ভক্তের ঠাকুরের কথাশ্রবণ

সরযূদেবী রাধাষ্টমীর দিন মা সারদার সঙ্গে দেখা করতে এসে দেখেন যে, তিনি স্নানে যাবেন বলে তেল মাখছেন। এই সময়ে প্রণাম করতে নেই বলে তিনিও করেননি। লৌকিক জীবনে জগজ্জননীও লৌকিক মর্যাদা রক্ষা করে চলেন। মা সারদা গঙ্গাস্নান করে আসার পর তিনি তাঁর শ্রীচরণের পুজো করেন ফুলচন্দনাদি দিয়ে। শ্রীমা তাঁর পায়ে তুলসীপাতা দিতে নিষেধ করেন।

read more
পর্ব-৮৭: মা সারদার লিঙ্গপুজো

পর্ব-৮৭: মা সারদার লিঙ্গপুজো

শ্রীমা তখন কাশীতে রয়েছেন। স্বামী শান্তানন্দ তাঁকে বললেন যে, তাঁর তো সাধন, ভজনের শক্তি নেই। শ্রীমার চরণাশ্রিত তিনি। তখন শ্রীমা বললেন, ‘তোমার ভয় কি? ঠাকুর তোমার সন্ন্যাস রক্ষা করুন। ঠাকুরের কাজ ঠাকুর করবে আর তোমার সাধনভজন করবে। কাশী তোমাদের স্থান। সাধন মানে তাঁর চরণে মন সর্বদা রেখে তাঁর চিন্তায় ডুবে থাকা। সাধনের সময় নানা প্রলোভনের জিনিস দেখে ঠাকুর জড়সড় হতেন আর সে সব চাইতেন না।

read more
পর্ব-৮৬: এক সন্ধ্যায় মা সারদার বলা ভূতের গল্প

পর্ব-৮৬: এক সন্ধ্যায় মা সারদার বলা ভূতের গল্প

সরযূ সন্ধ্যার সময় শ্রীমাকে দেখতে এসেছে। মা সারদা একটা পাটিতে শুয়ে আছেন আর অন্য পাটিতে শুয়ে রাধু তাঁকে গল্প বলার জন্য পীড়াপীড়ি করছে। সরযূকে দেখে শ্রীমা বললেন, ‘একটা গল্প বলতো মা’। সরযূ এবার ভারি বিপদে পড়ে গেল, শ্রীমার কাছে সে কী গল্প বলবে ভেবে পেল না। সেদিন সে তার আগে পড়া মীরাবাঈয়ের গল্প বলল। মীরার একটি দোঁহা “বিন্ প্রেমসে নহি মিলে নন্দলালা” শুনে শ্রীমা বললেন, “আহা, আহা, তাই তো প্রেমভক্তি না হলে হয় না”। রাধুর কিন্তু এই গল্প ভালো লাগল না। শেষে সরলাবালা এসে তাকে দুয়ো আর সুয়োরানির গল্প বলতে রাধু খুশি হল।...

read more

নিবেদিতা নানা রূপে

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

গল্পের ঝুলি

এক বাক্স চিঠি/১

এক বাক্স চিঠি/১

১৯ বছরের চিরঞ্জীব মণ্ডল চিঠি দিয়েছিল ১৫ বছরের লাবণ্য মুখার্জিকে। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক লাবণ্য এ নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি।

read more
শারদীয়ার গল্প-৪: সীমানা ছাড়ায়ে…

শারদীয়ার গল্প-৪: সীমানা ছাড়ায়ে…

আজ কুড়ি বছর পর দেখা। ঊর্মি কথা বলে যাচ্ছে—পঞ্চাশেই বুড়ো হয়ে গেছিস যে। আমিও টুকটাক উত্তর দিচ্ছি হেসে। জোর করে প্রশ্নটা করেই ফেললাম। কেন চলে গিয়েছিলি সেদিন…

read more
শারদীয়ার গল্প-১: পুরুষোত্তম/৬

শারদীয়ার গল্প-১: পুরুষোত্তম/৬

সতীর চোখে চোখ রাখল পদ্মা। সতী তাকাল তার ছোটবোন সাবিত্রীর দিকে, পদ্মা হাত রাখল দু-মেয়ের মাথায়। সতীর হাত কাঁপছে! প্রথমবারের চেষ্টায় দেশলাই জ্বলল না যে, পদ্মা তাকাল। দ্বিতীয়বারের চেষ্টাও ব্যর্থ হল।

read more
শারদীয়ার গল্প-৩: আঁশ/৩

শারদীয়ার গল্প-৩: আঁশ/৩

কী দেখছে সে? তারপর তার মনে হল, যাই হোক না কেন, বাইরে বেরিয়ে দেখা উচিত। কি হচ্ছে জানতেই হবে তাকে। ঘুরে বেরুতে যাবে, বাধা পেল। পরাণ এসে দাঁড়িয়েছে কখন নিঃশব্দে। ফিসফিস করে বলল সে, “চুপ থাক। কাউকে বলিস না।

read more
শারদীয়ার গল্প-১: পুরুষোত্তম/৬

শারদীয়ার গল্প-১: পুরুষোত্তম/৫

নদীর পাড় ধরে গেলে থানাটা কাছে পড়ে। পুরুষোত্তম ওই রাস্তাতেই গেল। পাণ্ডা দুটোকে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে গেল থানা পর্যন্ত। তখনও অন্ধকার। শুধু পদ্মা আর তার দুই মেয়ে ছাড়া গোটা বার্ণপুর ঘুমোচ্ছে।

read more

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক

পর্ব-১৬৭ : হাঙরের পেটে মুক্তো

পর্ব-১৬৭ : হাঙরের পেটে মুক্তো

শাক্যর মনে সন্দেহ জাগছিল, এই গুহার মধ্যে নিশ্চয়ই মানুষের যাতায়াত আছে এবং পর্যাপ্ত হাওয়া চলাচলেরও কোন বন্দোবস্ত আছে, সে হতে পারে প্রাকৃতিক, কিংবা মানুষের দ্বারা ব্যবস্থা করা। গুহার সংকীর্ণ ফাঁক দিয়ে ভিতরের দিকে তাকিয়ে তার মনে হল, এই কারণেই ট্যানেলের মধ্যে এত সহজে তারা আসতে পেরেছে। সে কর্নেলকে বলল, “আমি কি মশালটা এবার নিভিয়ে ফেলতে পারি?”

read more
পর্ব-১৬৬ : ভাগ্য যখন ফেরে

পর্ব-১৬৬ : ভাগ্য যখন ফেরে

আফজল একটা কাঁচা খিস্তি মারল, তারপর বলল, “অপরাধীদের জন্য যতগুলি হিউম্যান রাইটস্‌ অরগ্যানাইজেশন সারা বিশ্বে চলে, সাধারণ মানুষের রাইটস্‌ নিয়ে ততটা কিন্তু চলে না। আপনি কোনও হিউম্যান রাইটস অরগ্যানাইজেশনকে দেখবেন না, যারা এই সমস্ত গ্যাং-এর ভিকটিম হিসেবে মারা গিয়েছে, তাদের হয়ে কথা বলতে। আমাদের সিস্টেম—ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত এত কোরাপটেড—আপনি তো জানেন, আমাদের পুলিশকেই কি লোকে সাধে এমনি-এমনি বদনাম করে?

read more
পর্ব-১৬৫ : কালাদেওর গুহায়

পর্ব-১৬৫ : কালাদেওর গুহায়

গুহাটি বেশ লম্বা, শেষ আর হয় না। হঠাৎ একজায়গায় এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল তারা তিনজনে। গুহাটি এতদূর এসে কে যেন দু’পাশ থেকে দু’হাতে চেপে গুহার যাতায়াতের পথ এতটাই সংকীর্ণ করে দিয়েছে যে, আরও এগোতে গেলে কোনভাবে দেওয়ালের দিকে মুখ করে এগোলে তবেই ওপাশে যাওয়া যাবে।

read more
পর্ব-১৬৪ : অতঃপর অভিযান

পর্ব-১৬৪ : অতঃপর অভিযান

আর্মির কর্নেল বললেন, “আপনার যুক্তি ঠিক মানছি, কিন্তু ধরুন অভিযান শুরু হওয়ার খব পাওয়ার পরে যদি তারা একইরকমভাবে প্রভাব খাটাতে চেষ্টা করে। পাবলিককে ক্ষেপিয়ে তুলে আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়, তখন? তখন কীভাবে তাদের সামাল দেবেন, সেই ব্যাপারটা নিশ্চয়ই আপনারা ভেবে রেখেছেন?”

read more
পর্ব-১৬৩ : রিমিতার ব্রেকিং-নিউজ

পর্ব-১৬৩ : রিমিতার ব্রেকিং-নিউজ

একেজি হাসলেন। শিশুসুলভ হাসি। বললেন, “হ্যাঁ হ্যাঁ, গতবার বলেছিলেন। আমারই খেয়াল থাকে না। মনে রাখার চেষ্টা করব এবার থেকে। এখন বসুন ইরাবতী।” ইরাবতী বসতে-বসতে বলল, “আর আপনি আজ্ঞেও ছাড়তে হবে স্যার। আপনার অন্যান্য অফিসারদের আপনি যেমন নাম ধরে ডাকেন এবং তুমি বলেন, আমাকেও তেমনই বলতে হবে। হতে পারে তাঁরা আপনার স্নেহের যোগ্য, কিন্তু আমিও সময় পেলে সেই যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত!”

read more

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু!

পর্ব-১৩৫: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৬

পর্ব-১৩৫: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৬

প্রকাশ্য দিবালোকে বড়রাস্তায় দুদলের রাজনৈতিক রেষারেষির মধ্যে দুষ্কৃতীর গুলিতে প্রাণ হারালেন এস আই তাপস বসু। হয়তো তিনি নন দুস্কৃতীদের মূললক্ষ্য ছিলো প্রতিদ্বন্দ্বী দলের কোন বড়ো নেতা, সেই নেতার চরম সৌভাগ্য। গুলি এসে শ্রেয়ার বাবার বুকে লাগে। সেই থেকে শ্রেয়া নিজেকে কঠিন থেকে কঠিনতর কোরে তুলেছে।

read more
পর্ব-১৩৪: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৫

পর্ব-১৩৪: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৫

আমার আর অমিতাভের মধ্যে একই সমস্যা হয়েছিল। চোখে দেখে, খানিক কথা বলে বা আলতো হাত চেপে ধরাতে যাকে ভালো লেগেছিল আর বিয়ে নামক ছাড়পত্রের পর বন্ধদরজার ভিতরে আলোয় বা অন্ধকারে আমি যাকে খুঁজে পেলাম, তিনি আমার অচেনা। একজন অস্বাভাবিক অমানুষ।

read more
পর্ব-১৩৩: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৪

পর্ব-১৩৩: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৪

ঠিক রাত পৌনে এগারোটায় ধৃতিমানের ফোনে ভয়েস মেসেজ। নীলাঞ্জনার ভয়েস মেসেজ ফরোয়ার্ড করেছেন শ্রেয়া। এই মেসেজ আদালতে জবানবন্দি হিসেবে গণ্য হবে না। আজ কালার ফিউশন স্টুডিও থেকে আসার আগে শ্রেয়া নীলাঞ্জনাকে বুঝিয়ে এসেছে।

read more
পর্ব-১৩২: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৩

পর্ব-১৩২: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৩

শ্রেয়া বাইরে বের হলে সবসময় সঙ্গে পিস্তল রাখে। অস্ট্রিয়াতে তৈরি আধুনিক গ্লক-১৭ মেক ৯এমএম পিস্তল। তার শরীরের সঙ্গে হাতের আড়ালে লেগে থাকা কাঁধে লাগানো পিস্তল রাখার শোল্ডার হোলস্টার। শ্রেয়া ডানহাতি। তাই বামকাঁধের তলায় প্রায় আট ইঞ্চি লম্বা ফুল সাইজ লোডেড পিস্তল রাখা। প্রায় ৯০০ গ্রাম ওজন আর ডান কাঁধের নিচে দুটি লোডেড ম্যাগাজিন।

read more
পর্ব-১৩১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১২

পর্ব-১৩১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১২

সঠিক লাঞ্চের সময় শ্রেয়া ও ধৃতিমান কালার ফিউশন স্টুডিয়োতে পৌঁছল। জায়গাটা রুবি জেনারেল হাসপাতালের পাশে আরবানা কমপ্লেক্সের পিছনে। অফিসের জিপ। শ্রেয়া সামনে বসে ছিল। বাড়ির থেকে নিতে এলে অন্যান্য দিন শ্রেয়া পিছনের সিটেই বসে। স্বাভাবিক থাকে। আজ খুব চুপচাপ ছিল।

read more

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৭০: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৭০: আকাশ এখনও মেঘলা

হেডমিস্ট্রেস দু’জনকেই টিফিনের সময় অফিসরুমের বাইরে কান ধরে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। তাই দেখে মিথ্যেবাদী সেই মেয়েটির মনে যেন অদ্ভুত একটা শান্তি হয়েছিল। সে আড়চোখে দিয়াকে দেখতে দেখতে ফিক ফিক করে হাসছিল। এই সমস্ত নির্লজ্জ বেহায়াদের এরকমই স্বভাব। নিজের মানঅপমান জ্ঞান নেই। কিন্তু অপরের বিপদে-অপমানে এরা চরম শান্তি উপভোগ করে।

read more
পর্ব-৬৯: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৯: আকাশ এখনও মেঘলা

সব অফিসেই যেমন দুষ্টু লোকের গুপ্তচর থাকে বিশুপালের গ্যাস এজেন্সিতেও বিশুপালের জামাইয়ের তেমনি এক পেটোয়া শাকরেদ ছুটে গিয়ে খবর দিয়ে দেয় খোদ মালিক এসে উপস্থিত হয়েছেন, সঙ্গে ফিরে এসেছেন ওই মেয়েটি আর তার মা। ব্যাস! ধুরন্ধর জামাই তড়াক করে বিশুবাবুর চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে উঠেই, চোখ বুজে ভেবে নেয় তাকে ঠিক কী কী মিথ্যা কথা বলতে হবে।

read more
পর্ব-৬৮: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৮: আকাশ এখনও মেঘলা

দিয়া উত্তর না দিয়ে শুধু একবার তাকাল। দিয়ার মা ভাবছেন যেখানে তাঁকে কাজ করতে হবে, সেখানে তাঁর মেয়ের এতটা কাঠিন্য কি ঠিক। মায়ের হাতটা ধরে তাঁকে নিয়ে ঠান্ডাঘর থেকে বাইরের গরমে বেরিয়ে এল দিয়া! সেখানে অনেক মানুষের ভিড়! তারা বুকিং করাচ্ছেন। সেই ভিড় ঠেলে যেতে যেতে দিয়া ভাবার চেষ্টা করছে, সামনে বেরিয়ে বাঁদিকেনা ডানদিকে গেলে কাছাকাছি জেরক্সের দোকান পাওয়া যাবে।

read more
পর্ব-৬৭: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৭: আকাশ এখনও মেঘলা

দিয়া প্রথম দিন এসেছিল। বিশু পাল সেদিন ছিলেন না। গ্যাস কোম্পানিতে কোনও মিটিং ছিল। সেখানে গিয়েছিলেন । বাইরে যেখানে বসে মাকে কাজ করতে হবে, সেখানে বেশ গরম । দেওয়ালে লাগানো টেবিল ফ্যান ঘুরছে। এই টেবিল ফ্যানগুলো দেখলেই দিয়ার মনে হয় – টেনে টেনে না বলছে ফ্যানটা। না, না, না— কিন্তু কেউই তার কথা শুনছে না।

read more
পর্ব-৬৬: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৬: আকাশ এখনও মেঘলা

মায়েরটা অন্যরকম। একটা মানুষকে ঘিরে এত বছরের যৌথজীবনে একটা ছেদ। হঠাৎ যেন একটা ভয়ঙ্কর শূণ্যতা। দিয়া বোঝার চেষ্টা করেও যেন মায়ের একাকীত্ব বুঝতে পারে না। অপরের মনকে বোঝা খুব কঠিন। স্বামী-স্ত্রী-ছেলে-মেয়ে সকলেই হয়তো তাদের মতো চেষ্টা করে। কিন্তু বুঝতে পারে ? দিয়া তো চেষ্টা করেও পারে না।

read more

গা ছমছমে ভৌতিক উপন্যাস: মিস মোহিনীর মায়া

পর্ব-৫: চেয়ারে বসতে গিয়ে নজর গেল বিছানায়, দেখি সেই পুতুলের সবুজ চোখ দুটো আমাকে দেখছে

পর্ব-৫: চেয়ারে বসতে গিয়ে নজর গেল বিছানায়, দেখি সেই পুতুলের সবুজ চোখ দুটো আমাকে দেখছে

আজও খেতে বসে হাবিজাবি অনেককিছু ভাবছিলাম। ভাবছিলাম আমার কথা। মায়ের কথা। বাবার কথা। এই বাড়ির কথা। ছোটবেলার কথা। অনেকক্ষণ লক্ষ্য করে করে মা এবার ধমক দিলেন। —আচ্ছা কী খাচ্ছিস, কেন খাচ্ছিস তোর কি কিছুই খেয়াল থাকে না। মানছি লেখালেখি করিস। মাথার মধ্যে নানান রকমের ভাবনা ঘোরে। এত বছর ধরে তোকে দেখছি। কিন্তু খাবার সময়টাতো মন দিয়ে খাবি। এই বয়সে যে তোর জন্য রান্না করেছি কোনটা কেমন হয়েছে তার কোন হুঁশই নেই খেতে হয় খাচ্ছিস চিবোতে হয় চিবোচ্ছিস। —না, না। ভালো হয়েছে। নুন ঝাল তেল মশলা একদম পারফেক্ট। এদিকে কোনও সমস্যা নেই...

read more
পর্ব-৪: পুতুলের মাথায় কোঁচকানো সোনালি চুল, চোখ দুটো কেমন যেন অদ্ভুত, কিন্তু এটা আমায় কে পাঠালো?

পর্ব-৪: পুতুলের মাথায় কোঁচকানো সোনালি চুল, চোখ দুটো কেমন যেন অদ্ভুত, কিন্তু এটা আমায় কে পাঠালো?

কিছু বলার আগেই ফোনটা বেজে উঠলো। আমি জানি কে ফোন করছে? ওপরে তাকিয়ে দেখলাম আমাদের বারান্দার আলোটা জ্বলল কানে ফোন নিয়ে মা কথা বলতে বলতে বেরিয়ে এসেছে।

read more
পর্ব-২: কপালে জমেছে ঘাম, শুকিয়ে গিয়েছে জিভ, পেছন থেকে ভেসে আসছে গা ছমছমে শব্দ

পর্ব-২: কপালে জমেছে ঘাম, শুকিয়ে গিয়েছে জিভ, পেছন থেকে ভেসে আসছে গা ছমছমে শব্দ

সম্পাদক চূড়ান্ত ব্যস্ত। কাঁচা লেখা কার্বাইড দিয়ে পাকানোর সময় আর নেই। তখন আমাদের বাড়িতে ল্যান্ডফোন নেই। বাড়ি গিয়ে দেখলাম সম্পাদক চিরকুট পাঠিয়েছেন।

read more

দুই বাংলার উপন্যাস: বসুন্ধরা এবং…

পর্ব-৩২: কালপুরুষ

পর্ব-৩২: কালপুরুষ

বসুন্ধরা পরিবারের কালপুরুষ অরিয়ন। সমস্ত বিপদে-আপদে সর্বক্ষণ সঠিক মন্ত্রণা দিয়েছেন এ পরিবারের প্রধান পুরুষকে।

read more
পর্ব-৩১: ঝাঁকের কৈ

পর্ব-৩১: ঝাঁকের কৈ

রূপসাগর একটা অলীক আবেগে-ঢাকা জায়গা সেখানে দেখামনের মানুষ কাঁচা সোনার মতোই নিখাদ বা সম্পূর্ণ খাঁটি। সেই সোনা তখনও অলংকার হয়ে ওঠেনি, তাই তাতে খাদ মেশানো হয়নি। কাঁচা টলটলে সেই সোনার শরীরে শুধুই ভালোলাগার ভালোবাসার সুখ মেশানো।

read more
পর্ব-৩০: তরুণকান্তি বসুন্ধরা ভিলা ও মায়ের কথা ভেবে সুজাতাকে বিয়ে করতে রাজি হন

পর্ব-৩০: তরুণকান্তি বসুন্ধরা ভিলা ও মায়ের কথা ভেবে সুজাতাকে বিয়ে করতে রাজি হন

শ্যানন বলেছিল কীরা কাকীমার মা মানে শ্যাননের দিদিমা ফিওনা রায়ান আয়ারল্যান্ডের বিখ্যাত হিউগ লেন গ্যালারির আর্ট কিউরেটর ছিলেন। কীরা ছোটবেলায় ভালো ছবি আঁকতেন। কিন্তু নিজে আর্ট কিউরেটর হয়েও ফিওনা মেয়েকে শিল্পীর অনিশ্চিত জীবন দিতে চাননি।

read more
পর্ব-২৯: আজও কীরা কাকিমা এবং তার মেয়েদের প্রতি ঈর্ষা কমেনি ন’কাকিমার

পর্ব-২৯: আজও কীরা কাকিমা এবং তার মেয়েদের প্রতি ঈর্ষা কমেনি ন’কাকিমার

ন’কাকীমা সুজাতার মধ্যে আজ এতবছর পরেও কীরা কাকিমা এবং তার মেয়েদের প্রতি ঈর্ষা এতটুকু কমেনি। কিন্তু কীরা কাকিমা তো কোনওভাবে ফুলকাকাকে সুজাতার থেকে কেড়ে নেননি। ফুলকাকা উচ্চশিক্ষার তাগিদে সেই মুহূর্তে বিয়েটা করতে চাননি।

read more
পর্ব-২৮: বুবু নিউ ইর্য়ক থেকে আর্টিস্ট তরুণকান্তির জন্য একটি কাজের জিনিস পাঠিয়েছে

পর্ব-২৮: বুবু নিউ ইর্য়ক থেকে আর্টিস্ট তরুণকান্তির জন্য একটি কাজের জিনিস পাঠিয়েছে

এরকম জিনিস সচরাচর মেলে না, বুবু মানে পিসিমণির ছোটছেলে গৌরব সিটি ব্যাঙ্কের কোন কাজে অস্ট্রেলিয়া থেকে নিউ ইর্য়ক গিয়েছিল সেখানে কোনও এক জায়গায় এটা দেখে কিনে তার ন’মামা পেন্টিংটা আর্টিস্ট তরুণকান্তির জন্য পাঠিয়েছে।

read more

দেওয়াল পারের দেশ

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

 

 

Skip to content