অবসর

শাশ্বতী রামায়ণী

পর্ব-৩২: শোকের আঁধারে আকাশ কালো—অযোধ্যায়

পর্ব-৩২: শোকের আঁধারে আকাশ কালো—অযোধ্যায়

শয্যায় শায়িত রাজার দেহ আজ যেন নির্বাপিত অগ্নিশিখা, শুকিয়ে যাওয়া গভীর, শূন্য সমুদ্রখাত। অস্তাচলগামী সূর্যের মতোই নিভে গিয়েছে তাঁর শৌর্য, বীর্য, অমিত বিক্রম। কৌশল্যা রাজার চরণে আছড়ে পড়ে কাঁদতে লাগলেন।

read more
পর্ব-৩০: শেষ পর্যন্ত ভগ্নদূত সুমন্ত্র কী বার্তা এনে দিলেন?

পর্ব-৩০: শেষ পর্যন্ত ভগ্নদূত সুমন্ত্র কী বার্তা এনে দিলেন?

নিষ্প্রভ রথ অযোধ্যার প্রবেশদুয়ার পার করে ঢুকছে দেখেই ছুটে গেল তার দিকে জনস্রোত। প্রজারা জানতে চায়, রামের খবর— কোথায় আছেন তিনি, কেমন আছেন তাঁরা সকলে।

read more
পর্ব ২৯: নদীর তীর, বনের পথ, শোক সামলে ছুটল রথ…

পর্ব ২৯: নদীর তীর, বনের পথ, শোক সামলে ছুটল রথ…

অযোধ্যার রাজপুত্র, রাজবধূ আজ বিলাসী কোমল সুখশয্যায় নয়, নিদ্রা যাবেন কঠিন ভূমিতলে, পাতার বিছানায়। পান করবেন শুধু জল। লক্ষ্মণ আর সুমন্ত্র তৈরি করে দিলেন পর্ণশয্যা।

read more
পর্ব ২৮: অযোধ্যাবাসীরাও কি সঙ্গী বনযাত্রায়?

পর্ব ২৮: অযোধ্যাবাসীরাও কি সঙ্গী বনযাত্রায়?

সীতা কৌশল্যাকে প্রণাম করে বললেন, “মা, স্ত্রীর ধর্ম, কর্তব্য আমি জানি। আপনি আমাকে সাধারণ নারীর মতো মনে করবেন না। আপনি আপনার পুত্রের মঙ্গল বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকুন

read more

মহাকাব্যের কথকতা

পর্ব-১৫২: রামের জীবনে জটিলতা ও অনিশ্চয়তার মূলে রয়েছে—নারী

পর্ব-১৫২: রামের জীবনে জটিলতা ও অনিশ্চয়তার মূলে রয়েছে—নারী

পঞ্চবটীবনে রাক্ষসী শূর্পনখার সম্মুখীন হলেন রাম। রামের রূপ দেখে শূর্পনখা, কামমুগ্ধা হল। দর্শনমাত্র শুধু প্রণয় নয়, সোজাসুজি বিবাহপ্রস্তাব নিবেদন করল, সে। রাক্ষসী সদম্ভে তার আত্মপরিচয় দিল। রাক্ষসভাই রাবণ, কুম্ভকর্ণ, বিভীষণ, খর ও দূষণের বোন, এই শূর্পনখা। রাক্ষসী, সীতা ও লক্ষ্মণের ভবিতব্য কী হবে সেটাও নির্ধারণ করল। সে পথের কাঁটা এই দু’ জনকে খেয়ে ফেলবে। রামের প্রস্তাবানুযায়ী লক্ষ্মণের কাছে বিবাহপ্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখ্যাতা রাক্ষসী, হিতাহিতজ্ঞানশূন্যা হয়ে সীতাকে গ্রাস করতে উদ্যত হল।

read more
পর্ব-১৫১: জরাসন্ধ কাহিনির আধুনিকতা

পর্ব-১৫১: জরাসন্ধ কাহিনির আধুনিকতা

জরাসন্ধের শাণিত যুক্তির ধারে, কৃষ্ণ ও তাঁর সঙ্গীদের ছদ্মবেশ ছিন্ন হয়েছে, তাঁরা ধরা পড়েছেন। নগ্নতা কি ঢেকে রাখা যায়? তাই শুরু হল দুই নিপুণ রাজনীতিবিদের কূটনৈতিক চাল, কথার লড়াই, যার লক্ষ্য অবিলম্বে একটি রাজশক্তিকে নির্মূল করা এবং সেই সঙ্গে শুরু হল প্রতিপক্ষের প্রতিরোধের প্রস্তুতি। রাজনীতিতে এমন বাগবিতণ্ডা চলতেই থাকে, ঐতিহাসিক জয়পরাজয়ের নিরিখে, উত্থানপতনের নতুন কোন সূচনার সন্ধিক্ষণে সেটি শেষ হয়। মহাভারতে জরাসন্ধের কাহিনিটি তেমনই কোনও এক আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করা যায় কী?

read more
পর্ব-১৫০: দণ্ডকারণ্যে শূর্পনখা—একটি নাটকীয় চমক ও দ্বৈতসত্তায় অনন্য রাম

পর্ব-১৫০: দণ্ডকারণ্যে শূর্পনখা—একটি নাটকীয় চমক ও দ্বৈতসত্তায় অনন্য রাম

পঞ্চবটীবনে রাম, সীতা ও লক্ষ্মণ আশ্রয় নিয়েছেন। হেমন্ত ঋতু সমাগত। গোদাবরী নদীতে স্নানান্তে তাঁরা তিনজন, লক্ষ্মণনির্মিত আশ্রমস্থ পর্ণকুটিরে প্রবেশ করলেন। মহর্ষিগণ তাঁদের সম্মানিত করলেন। পর্ণকুটিরে সুখের আবহে, চিত্রানক্ষত্রযুক্ত চন্দ্রিমার মতো সীতা-সহ অবস্থান করছেন রাম। তিনি, লক্ষ্মণের সঙ্গে আলাপচারিতায় বিভিন্ন কথাবার্তায় নিরত হলেন। সেই সময়ে সেইখানে স্বেচ্ছায় উপস্থিত হল এক রাক্ষসী। সে, দশানন রাবণের ভগিনী শূর্পনখা।

read more
পর্ব-১৪৯: মহাভারতের কথা অমৃতসমান কেন?

পর্ব-১৪৯: মহাভারতের কথা অমৃতসমান কেন?

কৃষ্ণ ও যুধিষ্ঠিরের বক্তব্যে আছে যে কোন বড় পরিকল্পনা বা কার্যসিদ্ধির রূপরেখা। মহাভারতের অন্তর্লোকের পরতে পরতে আছে অনেক জীবনযুদ্ধেে প্রস্তুতির দিগ্দর্শন। মহাভারতের কথার নির্যাস সমুদ্রমন্থনের পরে অমৃতের মতোই চিরন্তন নয় কী?

read more
পর্ব-১৪৮: শূন্যতা ও পূর্ণতার প্রতীক, রামের প্রিয় অপরূপ হেমন্ত

পর্ব-১৪৮: শূন্যতা ও পূর্ণতার প্রতীক, রামের প্রিয় অপরূপ হেমন্ত

পঞ্চবটীবনে অবস্থানকালীন মহাত্মা রামের শরৎকাল অতিবাহিত হল, প্রিয় ঋতু হেমন্ত সমাগত।একদা রাত ভোর হলে রঘুনন্দন রাম, স্নানের জন্যে মনোরম গোদাবরী নদীতে গেলেন। সঙ্গে সীতা ও অনুসরণরত, বিনয়ী, বীর্যবান, লক্ষ্মণ, কলসহাতে চললেন। সুমিত্রানন্দন লক্ষ্মণ প্রিয়ভাষী রামকে জানালেন, রামের প্রিয় এই সেই কাল সমুপস্থিত। মঙ্গলময় সংবৎসরকাল যেন এর দ্বারা অলঙ্কৃত হয়ে সুন্দর হয়। এই কালে কুয়াশায় মানুষের শরীর শুষ্ক হয়, বসুন্ধরা হয় শস্যমালায় সমৃদ্ধা, জল তখন উপভোগ্য নয় আর।

read more

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি

পর্ব-৮৮: নীতি কেবল মুখোশ, রাজনীতির মূল হল কৌশল আর ছলনা

পর্ব-৮৮: নীতি কেবল মুখোশ, রাজনীতির মূল হল কৌশল আর ছলনা

একদিন—মাঘ মাসের কনকনে শীতের ভোরে, যখন হালকা বাতাস বইছে আর ঝিরঝির করে বৃষ্টিও পড়ছে—মিত্রশর্মা গৃহকার্যের পর গ্রামান্তরে যাত্রা করলেন। উদ্দেশ্য, আসন্ন যজ্ঞের জন্য যজমানের কাছ থেকে পশুদানের আবেদন করা। গ্রামান্তরে এক যজমানের বাড়িতে গিয়ে মিত্রশর্মা বললেন, “ওহে যজমান! আগামী অমাবস্যায় একটি যজ্ঞ করব স্থির করেছি। তাই আমাকে একটি পশুদিন—তত্‍ দেহি মে পশুম্‌ একম্‌।”

read more
পর্ব-৮৭: শুধু মুখে ধর্মের বুলি আওড়ালেই কেউ ধার্মিক হয়ে যায় না

পর্ব-৮৭: শুধু মুখে ধর্মের বুলি আওড়ালেই কেউ ধার্মিক হয়ে যায় না

একটানা ধর্মকথা শুনিয়ে, তীক্ষ্ণ দাঁতের সেই সাধুবেশী বিড়ালটি শেষমেশ বলেই ফেলল,“ভয় পেয়ো না, আমি তোমাদের খেতে আসিনি, তন্ন অহং ভক্ষযিষ্যামি। বরং আমি তোমাদের এই বিবাদের বিচার করব, জয়-পরাজয় নির্ধারণ করব। তবে একটা কথা আছে, এখন আমি বয়সে একটু বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছি। আগের মতো কান ভালো কাজ করে না। তোমাদের কথাবার্তা ঠিকঠাক বুঝতে পারি না যদি দূরে থাকো। তাই একটু কাছে এসো, আমি ভালো করে শুনি তোমাদের দ্বন্দ্বটা কী নিয়ে। বোঝার পর নিরপেক্ষভাবে বিচার করব যাতে কোনও অন্যায় না হয়। আমি তো এখন তপস্বী, ভুল বিচার করলে পরলোকে আমার বিপদ হবে!”

read more
পর্ব-৮৬: আমরা আসলে কাকে পুজো করছি? ঈশ্বরকে, নাকি রক্তমাখা অভ্যাসকে?

পর্ব-৮৬: আমরা আসলে কাকে পুজো করছি? ঈশ্বরকে, নাকি রক্তমাখা অভ্যাসকে?

কপিঞ্জল তখন একটু চিন্তা করে সেই খরগোশ শীঘ্রগকে বলল, বেশ! তবে তাই হোক! যদি স্মৃতিকেই তুমি প্রমাণ বলে স্বীকার করো তবে এখনই চলো কোনও এক স্মৃতিপাঠকের কাছে। ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষের জ্ঞান যার আয়ত্তে। তার রায়ই হবে চূড়ান্ত। তিনি যাঁর সপক্ষে রায় দেবেন—এই গাছের কোটরটি তারই হবে।

read more
পর্ব-৮৫: অধিকার নয়, অবস্থানই বলে দেয় জায়গা কার– মালিকের? না দখলদারের?

পর্ব-৮৫: অধিকার নয়, অবস্থানই বলে দেয় জায়গা কার– মালিকের? না দখলদারের?

“এইটা তো আমার বাসা! এখানে তুই এলি কী করে? তৎ শীঘ্রং নিষ্ক্রম্যতাম্‌ — এখনই ওখান থেকে বেরিয়ে আয়।” — ধমকে উঠল কপিঞ্জল। তার স্বর কাঁপছিল রাগে, আর গলায় ফুটে উঠছিল মালিকানা হারানোর যন্ত্রণা।

read more
পর্ব-৮৪: যুদ্ধ করতে সব সময় পেশীশক্তি নয়, দরকার বিশ্বাসের গল্পও

পর্ব-৮৪: যুদ্ধ করতে সব সময় পেশীশক্তি নয়, দরকার বিশ্বাসের গল্পও

খরগোশটি বক্তব্য হল, এতো সহজে হার মেনে এই পিতৃপিতামহের ভূমি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার কোনও মানেই হয় না। সেই হাতির দলকে এমন কিছুর ভয় দেখাতে হবে যাতে তারা আর এই জায়গায় ফিরে না আসে। রাজনীতি শাস্ত্রে বলা হয়েছে, নির্বিষ সাপেরও ফণা তুলে ভয় দেখানো উচিত। কারণ বিষ আছে কি নেই—সেই চিন্তা লোকে করে না। সকলেই সাপের ফণাকেই ভয় পায়। অর্থাৎ আমাদের ক্ষমতা কতটা সেটা ভেবে লাভ নেই। কীভাবে আমরা তাদেরকে ভয় দেখাতে পারবো সেই উপায় ভাবতে হবে।

read more

মহাভারতের আখ্যানমালা

পর্ব-৪০: লোপামুদ্রার আবদারে ধনের অনুসন্ধানে নির্গত হলেন অগস্ত্যমুনি

পর্ব-৪০: লোপামুদ্রার আবদারে ধনের অনুসন্ধানে নির্গত হলেন অগস্ত্যমুনি

ইল্বল অতি যত্নে মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করে সকলকে আহ্বান করল। নিজের হাতে সকলকে পরিবেশন করলে সে। ইল্বলের লক্ষ্য ছিলেন অগস্ত্যমুনি। কারণ, তিনিই ছিলেন একমাত্র ব্রাহ্মণ।

read more
পর্ব-৩৯: ইল্বলদৈত্য আর অগস্ত্যমুনির কথা

পর্ব-৩৯: ইল্বলদৈত্য আর অগস্ত্যমুনির কথা

লোপামুদ্রা যখন বিবাহযোগ্যা হলেন, বিদর্ভরাজ তাঁকে উপযুক্ত পাত্রস্থ করবার জন্য মন্ত্রীদের সঙ্গে পরামর্শ করছিলেন, তখন অগস্ত্যমুনি তাঁর অন্তর্দৃষ্টিতে এই সমস্ত কিছুই জানতে পারলেন।

read more
পর্ব-৩৮: পাণ্ডবেরা চললেন তীর্থে

পর্ব-৩৮: পাণ্ডবেরা চললেন তীর্থে

বৃহদশ্বমুনি নলরাজার গল্প শুনিয়ে যুধিষ্ঠিরকে এই বলে আশ্বস্ত করলেন, ‘হে রাজন্‍ আমি তোমায় অক্ষবিদ্যা শিখিয়ে দেব। তাহলে তোমায় আর সবসময় পাশাখেলার ভয়ে দিন কাটাতে হবে না।’ মুনি কথা রাখলেন।

read more
পর্ব-৩৭: পুষ্কররাজাকে পরাস্ত করে রাজ্য ফিরে পেলেন নলরাজা

পর্ব-৩৭: পুষ্কররাজাকে পরাস্ত করে রাজ্য ফিরে পেলেন নলরাজা

ঋতুপর্ণরাজাও সব ঘটনা শুনে অত্যন্ত খুশি হলেন। বাহুকের গুণমুগ্ধ ছিলেন তিনি। তিনি জানতেন, বাহুক নিতান্ত সাধারণ কোন মানুষ নন। আজ সে সন্দেহ দূর হল। তিনি ফিরে গেলেন নিজ রাজ্যে।

read more
পর্ব-৩৬: অক্ষবিদ্যাশিক্ষা করলেন নলরাজা

পর্ব-৩৬: অক্ষবিদ্যাশিক্ষা করলেন নলরাজা

দময়ন্তী বাহুক বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিজের পুত্রকন্যাকে বাহুকরূপী নলের কাছে পাঠালেন। নলরাজা পুত্রকন্যাকে পেয়ে তাদের কোলে নিয়ে কেঁদে ভাসালেন। কিন্তু তবুও নিজের পরিচয় প্রকাশ করলেন না।

read more

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি

পর্ব-১২৮: অবনীন্দ্রনাথ বলতেন, রানী লিখতেন

পর্ব-১২৮: অবনীন্দ্রনাথ বলতেন, রানী লিখতেন

রানী তখন নিজের কর্মে অবিচল। সেদিন দুপুরের দায়িত্ব পেয়ে নিষ্ঠার সঙ্গেই পালন করছিলেন। তেমন কী আর কাজ! রবীন্দ্রনাথ হয়তো শুয়ে শুয়ে বললেন, ‘কলমটা দে, খাতাটা দে।’ আবার কখনো হয়তো শীত-শীত লাগছে, পা দুটো চাদর দিয়ে ঢেকে দিতে বলতেন। তেমন কিছু কাজ নয়, শুধু জেগে থাকা, গুরুদেবের পাশে বসে থাকা। কেউ পাশে থাকলে, দুটো কথা বললেও তো ভালোলাগে গুরুদেবের। অন্তত অসুস্থতার কথা ভুলে থাকতে পারেন। কেউ তাঁর পাশে নিজের কাজকম্ম বন্ধ করে বসে থাকলে, সেবা-শুশ্রূষা করলে, তা নিয়ে বিচলিত হন গুরুদেব। রানীকে একদিন বললেন, ‘আমার জন্য তোদের কত সময় নষ্ট হয়।’

read more
পর্ব-১২৭: রবীন্দ্রনাথের নামে ভিত্তিহীন অভিযোগ, ‘চোখের বালি’ নাকি চুরি করে লেখা

পর্ব-১২৭: রবীন্দ্রনাথের নামে ভিত্তিহীন অভিযোগ, ‘চোখের বালি’ নাকি চুরি করে লেখা

রবীন্দ্রনাথকে নস্যাৎ করার চেষ্টা, ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা তো কম হয়নি। নোবেল তিনি পেয়েছিলেন তিপান্ন বছর বয়েসে। প্রবল সম্ভাবনা নিয়ে সাহিত্যের আসরে অবতীর্ণ হয়ে প্রচলিত লেখার চেনা ছক ভেঙেছিলেন, নতুনতর পথ আবিষ্কার করেছিলেন। সেসময় অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্বই তো রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতা করেছেন। রবীন্দ্রনাথের মতো প্রতিভাবানের বিরোধিতা করে বোধহয় তাঁরা আত্মতৃপ্তি লাভ করতে চেয়েছেন।

read more
পর্ব-১২৬: ঠাকুরবাড়ির কন্যা ঘোড়ার পিঠে চড়ে বন্দুক উঁচিয়ে জমিদারি-কাজে বের হতেন

পর্ব-১২৬: ঠাকুরবাড়ির কন্যা ঘোড়ার পিঠে চড়ে বন্দুক উঁচিয়ে জমিদারি-কাজে বের হতেন

জোড়াসাঁকোয় এলে সুদক্ষিণা দেবী বড় স্মৃতিকাতর হয়ে পড়তেন। এক অদ্ভুত ভালোলাগায় মন ভরে যেত। স্বামীর মৃত্যুর পর নিঃসঙ্গ সুদক্ষিণা পোষ্যপুত্র গ্রহণ করেছিলেন। এক সময় সুদক্ষিণা ভেবেছিলেন জমিদারি ছেড়েছুড়ে কলকাতায় চলে আসবেন। স্মৃতি দিয়ে ঘেরা ঠাকুরবাড়ির সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে শেষজীবন কাটাবেন। সেই ভাবনা সত্যি হয়ে ওঠেনি। সুদক্ষিণার ডাকনাম ছিল ‘পূর্ণিমা’।

read more
পর্ব-১২৫: রবীন্দ্রনাথের বিয়ের রাতে মারা গিয়েছিলেন ঠাকুরবাড়ির জামাই

পর্ব-১২৫: রবীন্দ্রনাথের বিয়ের রাতে মারা গিয়েছিলেন ঠাকুরবাড়ির জামাই

স্বর্ণকুমারী দেবী ঔপন্যাসিক হিসেবে সমকালে যথেষ্ট প্রসিদ্ধি পেয়েছিলেন। তাঁর উপন্যাস সমকালেই ইংরেজিতে অনুবাদ হয়েছিল। কথাসাহিত্যচর্চার পাশাপাশি স্বর্ণকুমারী জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়েও বই লিখেছিলেন। তাঁর দৃষ্টির স্বচ্ছতা, ভাবনার আধুনিকতা ও বিজ্ঞানবোধ আমাদের মনে যতই বিস্ময় উদ্রেক করুক না কেন, মহর্ষির এই কন্যাটি কখনও স্কুলে যাননি। তাঁর পড়াশোনা সবই বাড়িতে।

read more
পর্ব-১২৪: দিগম্বরী দেবী : ঠাকুরবাড়ির সেরা সুন্দরী

পর্ব-১২৪: দিগম্বরী দেবী : ঠাকুরবাড়ির সেরা সুন্দরী

দিগম্বরী দেবীকে আশপাশের মানুষজন বলতেন ‘রত্নগর্ভা’। তাঁর কোনও কন্যা সন্তান ছিল না। সকলেই পুত্র। সব মিলিয়ে পাঁচ পুত্র। জ্যেষ্ঠ পুত্র মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ। একজন অল্প বয়সে মারা গিয়েছিলেন। ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই তথ্য দিলেও খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের তাঁর ‘রবীন্দ্র কথা’য় জানিয়েছেন, দিগম্বরীর প্রথম সন্তানটি ছিল কন্যা, অকালে অসময়ে শৈশবে মারা গিয়েছিল।

read more

অনন্ত এক পথ পরিক্রমা

পর্ব-৭১: হৃদয়ে প্রভুর দর্শন করলে যেমন মনে সংশয় থাকে না, তেমন অপ্রাপ্তিও থাকে না

পর্ব-৭১: হৃদয়ে প্রভুর দর্শন করলে যেমন মনে সংশয় থাকে না, তেমন অপ্রাপ্তিও থাকে না

ধর্ম চেতনা এবং সংশয়—চিরকালীন। সাধারণ থেকে সাধক প্রত্যেকেই এই সংশয় প্রকাশ করেছেন। ধর্মলাভ করা সম্ভব? যদি যায়, কোনও পথে? কীভাবে? ধর্মলাভ হলে তার লক্ষণ বা কী?

read more
পর্ব-৭০: নরেন একদিন জগতের পীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে: রামকৃষ্ণদেব

পর্ব-৭০: নরেন একদিন জগতের পীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে: রামকৃষ্ণদেব

একবার ঠাকুর যেন কোন দূর দেশ হতে এসে ভাবের ঘোরে মায়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “দেখো! কলকাতার লোকগুলো যেন অন্ধকারে পোকার মতো কিলবিল করছে। তুমি তাদের দেখো।”

read more
পর্ব-৬৯: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৫

পর্ব-৬৯: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৫

আধ্যাত্মিক জীবন, শুধু খাদ্য-পানীয়ের নিরিখে বিচার যোগ্য নয়। তার থেকেও অধিকতর বড় বিষয় হল মানসিক শুদ্ধতা। সাধকের ক্ষেত্রে, অনেক সময় সাধন অপেক্ষা এ বিচার অধিকতর অর্থবহ হয়ে পড়ে যে কী গ্রহণযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য নয়, তা সাধন পথে একপ্রকার বিঘ্ন।

read more
পর্ব-৬৮: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৪

পর্ব-৬৮: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৪

উপনিষদের ব্রহ্মজ্ঞানের পার্বত্য পাদদেশে, যেখানে ভক্তির পরাকাষ্ঠা প্রেম নদী বিধৌত করে একে অপরকে। শ্রীরামকৃষ্ণ বলছেন, “এক চৈতন্য অভেদ, বিষ্ঠা, মুত্র, অন্ন, ব্যঞ্জন সবপ্রকার খাবার জিনিস পড়ে রয়েছে, তাঁর (শ্রীরামকৃষ্ণ) ভিতর থেকে জীবাত্মা বেরিয়ে সবকিছুকে স্পর্শ করে গেল।”

read more
পর্ব-৬৭: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৩

পর্ব-৬৭: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৩

শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবাবিষ্ট হয়ে রাখালকে বলছেন, “এখানকার শ্রাবণ মাসের জল নয়। খুব হুড় হুড় করে আসে, আবার বেরিয়ে যায়। এখানে পাতাল ফোঁড়া শিব, বসানো শিব নয়।”

read more

যত মত, তত পথ

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

বিবেকের কাছে

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

আলোকের ঝর্ণাধারায়

পর্ব-৯o: মা সারদার কথায় ‘ঈশ্বর হলেন বালকস্বভাব’

পর্ব-৯o: মা সারদার কথায় ‘ঈশ্বর হলেন বালকস্বভাব’

একদিন সকালে উদ্বোধনে শ্রীমায়ের ঘরে স্বামী অরূপানন্দ তাঁকে বলেছিলেন যে, শ্রীচৈতন্য নারায়ণীকে আশীর্বাদ করেছিলেন, ‘নারায়ণী, তোমার কৃষ্ণে ভক্তি হোক’। তখন তিন-চার বছরের নারায়ণী ‘হা কৃষ্ণ’ বলে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে লাগল। তিনি আরও বললেন যে, দেবর্ষি নারদের সিদ্ধিলাভের পর একটা পিঁপড়ে দেখে হঠাৎ কিরকম দয়া হল।

read more
পর্ব-৮৯: উদ্বোধনের ঠাকুরঘরে মা সারদার সঙ্গে স্বামী অরূপানন্দের কথোপকথন

পর্ব-৮৯: উদ্বোধনের ঠাকুরঘরে মা সারদার সঙ্গে স্বামী অরূপানন্দের কথোপকথন

উদ্বোধনে একদিন সকালে পুজোর ঘরে স্বামী অরূপানন্দ মা সারদাকে বললেন, ‘মা, যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন তাহলে এই জগতে এতো দুঃখকষ্ট কেন? তিনি কি দেখছেন না? তাঁর কি এসব দূর করবার শক্তি নেই?’ তখন শ্রীমা বললেন, ‘সমস্ত সৃষ্টিই সুখদুঃখময়। দুঃখ না থাকলে সুখ কি বোঝা যায়? আর সকলের সুখ হওয়া কি করে সম্ভব?

read more
পর্ব-৮৮: মা সারদার কাছে ভক্তের ঠাকুরের কথাশ্রবণ

পর্ব-৮৮: মা সারদার কাছে ভক্তের ঠাকুরের কথাশ্রবণ

সরযূদেবী রাধাষ্টমীর দিন মা সারদার সঙ্গে দেখা করতে এসে দেখেন যে, তিনি স্নানে যাবেন বলে তেল মাখছেন। এই সময়ে প্রণাম করতে নেই বলে তিনিও করেননি। লৌকিক জীবনে জগজ্জননীও লৌকিক মর্যাদা রক্ষা করে চলেন। মা সারদা গঙ্গাস্নান করে আসার পর তিনি তাঁর শ্রীচরণের পুজো করেন ফুলচন্দনাদি দিয়ে। শ্রীমা তাঁর পায়ে তুলসীপাতা দিতে নিষেধ করেন।

read more
পর্ব-৮৭: মা সারদার লিঙ্গপুজো

পর্ব-৮৭: মা সারদার লিঙ্গপুজো

শ্রীমা তখন কাশীতে রয়েছেন। স্বামী শান্তানন্দ তাঁকে বললেন যে, তাঁর তো সাধন, ভজনের শক্তি নেই। শ্রীমার চরণাশ্রিত তিনি। তখন শ্রীমা বললেন, ‘তোমার ভয় কি? ঠাকুর তোমার সন্ন্যাস রক্ষা করুন। ঠাকুরের কাজ ঠাকুর করবে আর তোমার সাধনভজন করবে। কাশী তোমাদের স্থান। সাধন মানে তাঁর চরণে মন সর্বদা রেখে তাঁর চিন্তায় ডুবে থাকা। সাধনের সময় নানা প্রলোভনের জিনিস দেখে ঠাকুর জড়সড় হতেন আর সে সব চাইতেন না।

read more
পর্ব-৮৬: এক সন্ধ্যায় মা সারদার বলা ভূতের গল্প

পর্ব-৮৬: এক সন্ধ্যায় মা সারদার বলা ভূতের গল্প

সরযূ সন্ধ্যার সময় শ্রীমাকে দেখতে এসেছে। মা সারদা একটা পাটিতে শুয়ে আছেন আর অন্য পাটিতে শুয়ে রাধু তাঁকে গল্প বলার জন্য পীড়াপীড়ি করছে। সরযূকে দেখে শ্রীমা বললেন, ‘একটা গল্প বলতো মা’। সরযূ এবার ভারি বিপদে পড়ে গেল, শ্রীমার কাছে সে কী গল্প বলবে ভেবে পেল না। সেদিন সে তার আগে পড়া মীরাবাঈয়ের গল্প বলল। মীরার একটি দোঁহা “বিন্ প্রেমসে নহি মিলে নন্দলালা” শুনে শ্রীমা বললেন, “আহা, আহা, তাই তো প্রেমভক্তি না হলে হয় না”। রাধুর কিন্তু এই গল্প ভালো লাগল না। শেষে সরলাবালা এসে তাকে দুয়ো আর সুয়োরানির গল্প বলতে রাধু খুশি হল।...

read more

নিবেদিতা নানা রূপে

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

গল্পের ঝুলি

এক বাক্স চিঠি/১

এক বাক্স চিঠি/১

১৯ বছরের চিরঞ্জীব মণ্ডল চিঠি দিয়েছিল ১৫ বছরের লাবণ্য মুখার্জিকে। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক লাবণ্য এ নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি।

read more
শারদীয়ার গল্প-৪: সীমানা ছাড়ায়ে…

শারদীয়ার গল্প-৪: সীমানা ছাড়ায়ে…

আজ কুড়ি বছর পর দেখা। ঊর্মি কথা বলে যাচ্ছে—পঞ্চাশেই বুড়ো হয়ে গেছিস যে। আমিও টুকটাক উত্তর দিচ্ছি হেসে। জোর করে প্রশ্নটা করেই ফেললাম। কেন চলে গিয়েছিলি সেদিন…

read more
শারদীয়ার গল্প-১: পুরুষোত্তম/৬

শারদীয়ার গল্প-১: পুরুষোত্তম/৬

সতীর চোখে চোখ রাখল পদ্মা। সতী তাকাল তার ছোটবোন সাবিত্রীর দিকে, পদ্মা হাত রাখল দু-মেয়ের মাথায়। সতীর হাত কাঁপছে! প্রথমবারের চেষ্টায় দেশলাই জ্বলল না যে, পদ্মা তাকাল। দ্বিতীয়বারের চেষ্টাও ব্যর্থ হল।

read more
শারদীয়ার গল্প-৩: আঁশ/৩

শারদীয়ার গল্প-৩: আঁশ/৩

কী দেখছে সে? তারপর তার মনে হল, যাই হোক না কেন, বাইরে বেরিয়ে দেখা উচিত। কি হচ্ছে জানতেই হবে তাকে। ঘুরে বেরুতে যাবে, বাধা পেল। পরাণ এসে দাঁড়িয়েছে কখন নিঃশব্দে। ফিসফিস করে বলল সে, “চুপ থাক। কাউকে বলিস না।

read more
শারদীয়ার গল্প-১: পুরুষোত্তম/৬

শারদীয়ার গল্প-১: পুরুষোত্তম/৫

নদীর পাড় ধরে গেলে থানাটা কাছে পড়ে। পুরুষোত্তম ওই রাস্তাতেই গেল। পাণ্ডা দুটোকে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে গেল থানা পর্যন্ত। তখনও অন্ধকার। শুধু পদ্মা আর তার দুই মেয়ে ছাড়া গোটা বার্ণপুর ঘুমোচ্ছে।

read more

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক

পর্ব-১৬১ : গোবিন্দ সোরেন দ্য গ্রেট

পর্ব-১৬১ : গোবিন্দ সোরেন দ্য গ্রেট

সুদীপ্তর মনে পড়ে গেল, শাক্য স্যারের সঙ্গে যেদিন এসেছিল, একজন বৃদ্ধ কিন্তু সতর্ক এবং ক্ষিপ্র স্বভাবের একজন বয়স্ক মানুষ তাদের সত্যব্রতর কাছে নিয়ে গিয়েছিল। এ-কি সেই? তাহলে তার অ্যাসেসমেন্ট ঠিক ছিল। তবে লোকটি কেবল সতর্ক এবং ক্ষিপ্রই নয়, চতুরও বটে। এই ভাবে দু’জন ক্রিমিন্যালকে বন্দি করা চাট্টিখানি কথা নয়।

read more
পর্ব-১৬০ : সাতসকালের কিস্সা

পর্ব-১৬০ : সাতসকালের কিস্সা

উঠে পড়ল পূষণ। বিছানা থেকে নেমে পায়ে স্লিপার গলিয়ে ওয়াশরুমের দিকে এগোল সে। রিমিতা নিশ্চয়ই শাওয়ার নিচ্ছে। শাওয়ার সেক্স তার খুব পছন্দের। হলে মন্দ হয় না। কিন্তু ওয়াশরুমের দিকে গিয়ে হতাশ হল সে। ওয়াশরুমের দরজা এদিক থেকেই বন্ধ। তার মানে এটাই বোঝায় যে, রিমিতা ওয়াশরুমেও নেই। নীচে গিয়েছে কি? ডাইনিং-এ? হতে পারে। হয়তো সে ঘুমাচ্ছে দেখে তাকে আর বিরক্ত করেনি। ফ্রেশ হয়ে মর্নিং-টি খাচ্ছে লনে বসে। এখনও রোদ তেমন চড়া নয়। কিছুক্ষণ পরে আর লনে বসে থাকা যাবে না। এসেছিল যখন তখন ভরা বসন্ত। আর এখন চড়া বসন্ত!

read more
পর্ব-১৫৯ : ভোরের রক্তাক্ত কবিতা

পর্ব-১৫৯ : ভোরের রক্তাক্ত কবিতা

মুহূর্তের মধ্যে মাথার মধ্যে কীরকম একটা করে উঠল ভোলারামের। প্রাণঘাতী চিৎকার করে সে গ্রামের দিকে ছুটল। এখন আর তার পা টলছে না, মাথা ঝিমঝিম করছে না। ছুটেই চলেছে সে, আর চিৎকার করছে, “মরে গেছে! হায় কালাদেও! মরে গেছে! কালাদেওর সেবায়েত মঙ্গল ওঝা মরে গেছে!” তার সেই চিৎকারে কুকুর-শিয়ালগুলিও ঘাবড়ে গেল যেন। মুহূর্তে ছত্রভঙ্গ হয়ে সবাই ছিটকে গেল। এদিকে ভোর যে আবার নতুন এক পবিত্র, বিশুদ্ধ কবিতা লেখার আয়োজন করছিল, তাতে যেন রক্তের ছিটে এসে লাগল! একটা অনাঘ্রাত ভোর মুহূর্তেই কুশ্রী, বীভৎস হয়ে পড়ল!

read more
পর্ব-১৫৮ : সোনার মাছি খুন করেছি

পর্ব-১৫৮ : সোনার মাছি খুন করেছি

সাইকেলের গায়ে বামাপদর পোশাক। হাসপাতালে ডিউটির সময় এই পোশাকই পরে এখানকার গ্রুপ ডি কর্মচারীরা। সাইকেলকেও এখন আর আলাদাভাবে চেনা যাচ্ছিল না। সে এগিয়ে গেল চেতনকে নিয়ে। একবার ফিরে তাকাল বামাপদদের দিকে। তারপর কিছুটা মন্থর এবং সতর্ক ভঙ্গীতে করিডোর দিয়ে এগিয়ে গেল।

read more
পর্ব-১৫৭ : ঘুঘুর ফাঁদ

পর্ব-১৫৭ : ঘুঘুর ফাঁদ

সুদীপ্ত অবাক হয়ে গেল, ভিতরে কারা? শুনে তো মনে হচ্ছে, এই বদমাশগুলির সঙ্গী, যারা ভিতরে ঢুকেছিল কোন কারণে, তারাই। এদের বন্ধ করল কে? বুড়ো? কোন বুড়ো?

read more

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু!

পর্ব-১২৮: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৯

পর্ব-১২৮: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৯

সৎ বা অসৎ নারকেল গাছ হয় না। আমরা মুখে বলি বটে সাপের মতো হিংস্র। কিন্তু সাপ তো ভয় পেয়ে কামড়ায়। নিজের কর্তৃত্ব ফলাতে পশুপাখিরা কোনও কাজ করে না। সত্যবাদী বা মিথ্যেবাদী ধানগাছ হয় না। মানুষের মন এইসব ভয়ংকর বিষে টইটুম্বুর। তাই তাদের বিচার করতে গিয়ে সরাসরি পাটিগণিত বীজগণিত বা জ্যামিতির সম্পাদ্য উপপাদ্যতে কাজ হয় না। ফিজিক্স কেমিস্ট্রি বায়োলজি আর সাইকোলজিকে পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার করতে হয়।

read more
পর্ব-১২৭: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৮

পর্ব-১২৭: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৮

বুবু ঘুমিয়ে পড়েছে। তার খাঁচায় রোজকার মতই চাপা দেওয়া। ঘরের আলো নেভানো। বড়বড় গরাদওয়ালা লম্বালম্বা জানলা ছিল এ বাড়িতে। বুবুর জন্যে বাড়িওয়ালার সঙ্গে কথা বলে আলাদা করে জাল লাগিয়ে নিয়েছে ধৃতিমান। চলকে আসা চাঁদের আলো সেই জাল বেয়ে মেঝেতে পড়েছে। স্টেজে ডিমারের মুখে জাল লাগিয়ে যেরকম একটা এফেক্ট দেওয়া হয়। মেঝেতে ঠিক তেমনি আলো-ছায়ার আঁকিবুকি।

read more
পর্ব-১২৬: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৭

পর্ব-১২৬: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৭

শান্তিবাবু যেন ধৃতিমানকে বোঝান যে হাতের লক্ষ্মী এ ভাবে পায়ে ঠেলতে নেই। ধৃতিমানের সঙ্গে কথা বলে শান্তি সর্বজ্ঞ যেন অতি সত্বর ধৃতিমানের ব্যাংক ডিটেলস বিকাশ লাহিড়ির কাছে পাঠিয়ে দেন। ধৃতিমানের টাকা ব্যাংকে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বিকাশ লাহিড়ীর সহকারি করিমুল নামের একটি ছেলে দলিল নিয়ে আসবে, সেখানে লাগানো নো অবজেকশনের চিঠি থাকবে। শুধু ধৃতিমানের একটা সই চাই।

read more
পর্ব-১২৫: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৬

পর্ব-১২৫: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৬

খানিকক্ষণের মধ্যে ফরেনসিকের কাজ শেষ হল। পুরো বাড়ি সিল করে লোকাল থানায় প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে শ্রেয়া গিয়ে সরাসরি পুলিশের জিপে গিয়ে বসল। দূরে ধৃতিমান দাঁড়িয়ে। কিন্তু তাকে একবার জিজ্ঞেস করল না সে কোথায় যাবে। একবার হাত দেখাল। জিপ চলে গেল। ফরেনসিকের জন্য একটা গাড়ি এলো। আত্রেয়ী গাড়ী থেকে মুখ বাড়িয়ে জিজ্ঞেস করল।

read more
পর্ব-১২৪: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৫

পর্ব-১২৪: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৫

একসময় বাঙালি নায়িকারা ফিগার সচেতন ছিলেন না। খাওয়া-দাওয়ার আজকের ধরাকাট তখন অত গুরুত্ব পেত না। বয়সের বাড়লেই নায়কদের ভুঁড়ি আর নায়িকারা বুড়ি! দিনকাল পাল্টে গিয়েছে। এখন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা নিয়ম করে উপোস করেন। ইন্টার্মিনান্ট ফাস্টিং। নিয়মিত বিরতি-সহ উপবাস। মাছেভাতে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে নিদারুণ কোপ। ভাতহীন জীবন। আর তাতেই ছিপছিপে তন্বীরা বয়সের গলায় চেন বেঁধে রেখেছেন।

read more

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৩: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৩: আকাশ এখনও মেঘলা

শুধু নম্বর নয়! দিয়া মনোবিজ্ঞানকে ভালোবেসে পড়েছে। তখনই জানতে পেরেছে ফ্রয়েডের মতে, বহুদিন ধরে জমে থাকা কোনও তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা জৈবিক চাহিদা যখন হঠাৎ পূরণ হয়, তখন আমরা সুখ অনুভব করি। অভাব থেকে প্রাপ্তির ওপর নির্ভর করে, তাই চাহিদা মেটানোর পর আর এই অনুভূতি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না।

read more
পর্ব-৬২: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬২: আকাশ এখনও মেঘলা

দিয়া একবছর বাদে পার্মানেন্ট হবে। ছুটিছাটা একটু বাড়বে। পিএফটা কাটবে। কিন্তু শেষমেশ সেও-তো ভাড়ারই কর্মী। বিদেশের কোম্পানিদের জন্য ভাড়ায় কাজ করে। ক্লায়েন্ট। তারা ডলারের হিসেবে ‘অ্যাথেনা ইনফোটেক’-এর সার্ভিস ভাড়া নেয়। ভাড়ায় এখন সবকিছু। বাড়ি-গাড়ি সাজপোশাক আসবাবপত্র ঠাটবাট লোকলস্কর। উকিল মোক্তার ডাক্তার। স্যাটেলাইট। এমনকি গোপনে, ভাড়ার বর ভাড়ার বৌ।

read more
পর্ব-৬১: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬১: আকাশ এখনও মেঘলা

বাবার মৃত্যুটা অবশ্যম্ভাবী জেনেও দিয়ার মা আজও মেনে নিতে পারেননি। বিয়েবাড়িতে গেলে তাঁর বোধহয় দু-ধরণের কষ্ট হয়! এক তো নিজের স্বামীকে হারিয়ে ফেলে বৈধব্যের আক্ষেপ। আর মেয়ের বিয়ে না-হওয়া বা বিয়ে না-দেওয়ার জন্য টিকা-টিপ্পুনির জ্বালা। মেয়েকে ভরসা করে একটা ভাল ছেলে একটা ভালো পরিবারে তুলে দেবার মতো এখনও কোনও যোগাযোগ হয়নি।

read more
পর্ব-৬০: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬০: আকাশ এখনও মেঘলা

ফ্লাইওভার থেকে ভিআইপিতে নেমে তখন ওরা শ্রীভূমির বিগ বেন-এর পাশে পৌঁছেছে। দিয়া অকারণে ঘাড় বেঁকিয়ে বিগ বেনের সময় দেখার চেষ্টা করে। বিতান যেন গভীর মনোযোগ দিয়ে খুব সাবধানে গাড়ি চালাচ্ছে। দু’জনে কথা খুঁজে পাচ্ছে না। বিতানের আচমকা কেন যে মনে পড়ে যায় বহু পুরনো কথা। দিয়াকে সে পুষ্পাঞ্জলির ফুলের মধ্যে মিশিয়ে প্রপোজ করে চিঠি দিয়েছিল। কি অদ্ভুত!

read more
পর্ব-৫৯: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৫৯: আকাশ এখনও মেঘলা

ফ্যাশন নাকি মাঝে মাঝে সামারসল্ট দিয়ে পুরোনো দিনে ফিরে যায়। এরকম রগ ছোঁওয়া জুলফি তো ছিল একসময়কার আইকন দুর্গাদাস সায়গল বা পিসি বড়ুয়ার সময়ে। নায়িকাদের ফিনফিনে রোগা হওয়া, একটু নাকিসুরে কথা বলাটাও যমুনা বড়ুয়ার সময় থেকে আবার ফিরে আসছে। মাঝখানের একটা সময় একটু মোটাসোটা নায়িকারা জায়গা পেতেন। উত্তমকুমার নিয়ে এলেন এক দুরন্ত প্রেমিককে। ধুতি পাজামা পাঞ্জাবি বাংলা সার্ট বা স্যুট-বুট সবেতেই ভালোবাসা- ভালোলাগা।

read more

গা ছমছমে ভৌতিক উপন্যাস: মিস মোহিনীর মায়া

পর্ব-৫: চেয়ারে বসতে গিয়ে নজর গেল বিছানায়, দেখি সেই পুতুলের সবুজ চোখ দুটো আমাকে দেখছে

পর্ব-৫: চেয়ারে বসতে গিয়ে নজর গেল বিছানায়, দেখি সেই পুতুলের সবুজ চোখ দুটো আমাকে দেখছে

আজও খেতে বসে হাবিজাবি অনেককিছু ভাবছিলাম। ভাবছিলাম আমার কথা। মায়ের কথা। বাবার কথা। এই বাড়ির কথা। ছোটবেলার কথা। অনেকক্ষণ লক্ষ্য করে করে মা এবার ধমক দিলেন। —আচ্ছা কী খাচ্ছিস, কেন খাচ্ছিস তোর কি কিছুই খেয়াল থাকে না। মানছি লেখালেখি করিস। মাথার মধ্যে নানান রকমের ভাবনা ঘোরে। এত বছর ধরে তোকে দেখছি। কিন্তু খাবার সময়টাতো মন দিয়ে খাবি। এই বয়সে যে তোর জন্য রান্না করেছি কোনটা কেমন হয়েছে তার কোন হুঁশই নেই খেতে হয় খাচ্ছিস চিবোতে হয় চিবোচ্ছিস। —না, না। ভালো হয়েছে। নুন ঝাল তেল মশলা একদম পারফেক্ট। এদিকে কোনও সমস্যা নেই...

read more
পর্ব-৪: পুতুলের মাথায় কোঁচকানো সোনালি চুল, চোখ দুটো কেমন যেন অদ্ভুত, কিন্তু এটা আমায় কে পাঠালো?

পর্ব-৪: পুতুলের মাথায় কোঁচকানো সোনালি চুল, চোখ দুটো কেমন যেন অদ্ভুত, কিন্তু এটা আমায় কে পাঠালো?

কিছু বলার আগেই ফোনটা বেজে উঠলো। আমি জানি কে ফোন করছে? ওপরে তাকিয়ে দেখলাম আমাদের বারান্দার আলোটা জ্বলল কানে ফোন নিয়ে মা কথা বলতে বলতে বেরিয়ে এসেছে।

read more
পর্ব-২: কপালে জমেছে ঘাম, শুকিয়ে গিয়েছে জিভ, পেছন থেকে ভেসে আসছে গা ছমছমে শব্দ

পর্ব-২: কপালে জমেছে ঘাম, শুকিয়ে গিয়েছে জিভ, পেছন থেকে ভেসে আসছে গা ছমছমে শব্দ

সম্পাদক চূড়ান্ত ব্যস্ত। কাঁচা লেখা কার্বাইড দিয়ে পাকানোর সময় আর নেই। তখন আমাদের বাড়িতে ল্যান্ডফোন নেই। বাড়ি গিয়ে দেখলাম সম্পাদক চিরকুট পাঠিয়েছেন।

read more

দুই বাংলার উপন্যাস: বসুন্ধরা এবং…

পর্ব-৩২: কালপুরুষ

পর্ব-৩২: কালপুরুষ

বসুন্ধরা পরিবারের কালপুরুষ অরিয়ন। সমস্ত বিপদে-আপদে সর্বক্ষণ সঠিক মন্ত্রণা দিয়েছেন এ পরিবারের প্রধান পুরুষকে।

read more
পর্ব-৩১: ঝাঁকের কৈ

পর্ব-৩১: ঝাঁকের কৈ

রূপসাগর একটা অলীক আবেগে-ঢাকা জায়গা সেখানে দেখামনের মানুষ কাঁচা সোনার মতোই নিখাদ বা সম্পূর্ণ খাঁটি। সেই সোনা তখনও অলংকার হয়ে ওঠেনি, তাই তাতে খাদ মেশানো হয়নি। কাঁচা টলটলে সেই সোনার শরীরে শুধুই ভালোলাগার ভালোবাসার সুখ মেশানো।

read more
পর্ব-৩০: তরুণকান্তি বসুন্ধরা ভিলা ও মায়ের কথা ভেবে সুজাতাকে বিয়ে করতে রাজি হন

পর্ব-৩০: তরুণকান্তি বসুন্ধরা ভিলা ও মায়ের কথা ভেবে সুজাতাকে বিয়ে করতে রাজি হন

শ্যানন বলেছিল কীরা কাকীমার মা মানে শ্যাননের দিদিমা ফিওনা রায়ান আয়ারল্যান্ডের বিখ্যাত হিউগ লেন গ্যালারির আর্ট কিউরেটর ছিলেন। কীরা ছোটবেলায় ভালো ছবি আঁকতেন। কিন্তু নিজে আর্ট কিউরেটর হয়েও ফিওনা মেয়েকে শিল্পীর অনিশ্চিত জীবন দিতে চাননি।

read more
পর্ব-২৯: আজও কীরা কাকিমা এবং তার মেয়েদের প্রতি ঈর্ষা কমেনি ন’কাকিমার

পর্ব-২৯: আজও কীরা কাকিমা এবং তার মেয়েদের প্রতি ঈর্ষা কমেনি ন’কাকিমার

ন’কাকীমা সুজাতার মধ্যে আজ এতবছর পরেও কীরা কাকিমা এবং তার মেয়েদের প্রতি ঈর্ষা এতটুকু কমেনি। কিন্তু কীরা কাকিমা তো কোনওভাবে ফুলকাকাকে সুজাতার থেকে কেড়ে নেননি। ফুলকাকা উচ্চশিক্ষার তাগিদে সেই মুহূর্তে বিয়েটা করতে চাননি।

read more
পর্ব-২৮: বুবু নিউ ইর্য়ক থেকে আর্টিস্ট তরুণকান্তির জন্য একটি কাজের জিনিস পাঠিয়েছে

পর্ব-২৮: বুবু নিউ ইর্য়ক থেকে আর্টিস্ট তরুণকান্তির জন্য একটি কাজের জিনিস পাঠিয়েছে

এরকম জিনিস সচরাচর মেলে না, বুবু মানে পিসিমণির ছোটছেলে গৌরব সিটি ব্যাঙ্কের কোন কাজে অস্ট্রেলিয়া থেকে নিউ ইর্য়ক গিয়েছিল সেখানে কোনও এক জায়গায় এটা দেখে কিনে তার ন’মামা পেন্টিংটা আর্টিস্ট তরুণকান্তির জন্য পাঠিয়েছে।

read more

দেওয়াল পারের দেশ

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

 

 

Skip to content