
ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।
|| ৬ ||
এমন নয় যে দিয়া অতনু সেনকে মনে মনে … নাঃ! এখনও সেরকম কোনও সম্ভাবনা নেই। অতনুর মতো দিয়ার জীবনটাও সরলরেখায় চলা নয়। বাবা-মার আওতায় বড় হওয়া! ঘটা করে জন্মদিনের অনুষ্ঠান। কেক পায়েস। বন্ধুদের নিয়ে মশগুল আনন্দ। কোনওটাই হয়নি। সরস্বতীপুজোতে প্রথমবার মায়ের শাড়ি পরে পুষ্পাঞ্জলি দিতে যাবার সময় থেকে আজ পর্যন্ত মনে গেঁথে যাবার মতো মতো কোনও স্মৃতি নেই দিয়ার। কিছু কিছু মানুষের মুখে তার পারিপার্শ্বিক লড়াইয়ের রয়ে যাওয়া, ক্ষয়ে যাওয়া মানসিক ক্ষত, চেহারায় একটা রুক্ষতা এনে দেয়। যা তার কাছাকাছি অন্যদের সহজে পৌঁছতে দেয় না! বাধাটা দেখা যায় না। আন্দাজ করা যায়। স্পষ্ট বোঝা যায়।

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৫৭: আকাশ এখনও মেঘলা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস : এই ভাষাতেই করি গান

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৫৫ : অতর্কিতে হামলা

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪৮: শূন্যতা ও পূর্ণতার প্রতীক, রামের প্রিয় অপরূপ হেমন্ত
—এই দিয়া! এদিকে দ্যাখ! এই যে!

পর্দার আড়ালে, সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২২ : জনঅরণ্য ও পরশপাথর— যে জন থাকে মাঝখানে

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২২: সঞ্চারিত অনুরাগের রেশ
পিছনে একটা চাটার্ড বাস এসে হর্ন দিচ্ছে।
—একটু এগিয়ে জানাচ্ছি। আমি পল্টু রে! বিতান ঘোষ!
সানট্রো গাড়িটা একটু এগিয়ে গেল। মাথার মধ্যে নামটা ধাক্কা দিচ্ছে। বিতান ঘোষ। পল্টু। ইলেভেন-টুয়েলভ?
—হ্যাঁ! ডিডিএস এভিএম!
মনে পড়ে গিয়েছে। দমদম শ্রী অরবিন্দ বিদ্যামন্দির।
—তুই পল্টু! এত মোটা হয়ে গেছিস কেন?
—মোটা বলে চিনতে পাচ্ছিলি না? উঠে আয়!
—তুই কোথায় যাবি?
—আরে ওঠ না! তুই যেখানে যাবি সেখানে গিয়ে নামিয়ে দিয়ে আসবো।

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪০: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — বুনো শুয়োর

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৪ : শুন বরনারী
—বুঝতে পারছি। অচেনা পুরুষ মানুষ। দাড়িওলা। মোটাসোটা! হঠাৎ অচেনা পুরুষ মানুষ গাড়ি দাঁড় করিয়ে ডাকছে। ভয় পাওয়া স্বাভাবিক।
—না, ভয় নয়।
—সন্দেহ! আশঙ্কা! না কারেক্ট আছে!
—এই এটা কি বাংলা রে! আজকাল খুব শুনতে পাই! নয় ঠিক বলেছিস বল, নয় ইউ আর কারেক্ট, বলবি।
—তুই এখনও তেমন দিদিমণি মার্কা থেকে গিয়েছিস।

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯৬ : ‘চণ্ডাল-কূপ’ ও অস্পৃশ্যতা: পঞ্চতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ভারতের এক দগদগে ইতিহাস

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি
“দিয়া তোকে আমার খুব লাগে কিন্তু তুই যদি না চাস তাহলে আমরা শুধুই বন্ধু হতে পারি! কেউ জানে না! জানবেও না। কাগজটা ফেলে দিস।”
দিয়া কী চাইবে না! প্রেম? একা একা নিঃশব্দে খানিক হেসে কাগজটা কুচিয়ে ফেলে জলের ফ্ল্যাশ টেনে দিলো। গাড়িটা চলছে। বিতান জিজ্ঞেস করেনি দিয়া কোথায় যাবে! বিতান জানে দিয়া কোথায় থাকে। সেদিন ভোগপ্রসাদ পরিবেশনের দলে বিতান ছিল! দিয়া ব্যাপারটায় সেদিনই নির্ভেজাল বন্ধুত্বের শিলমোহর দিতে চেয়েছিল। তাই সে চেঁচিয়ে বলল—
—এই পল্টু একটা বেগুনি দে না! —চলবে।


















