
সারদাপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়।
স্বর্ণকুমারী দেবী ঔপন্যাসিক হিসেবে সমকালে যথেষ্ট প্রসিদ্ধি পেয়েছিলেন। তাঁর উপন্যাস সমকালেই ইংরেজিতে অনুবাদ হয়েছিল। কথাসাহিত্যচর্চার পাশাপাশি স্বর্ণকুমারী জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়েও বই লিখেছিলেন। তাঁর দৃষ্টির স্বচ্ছতা, ভাবনার আধুনিকতা ও বিজ্ঞানবোধ আমাদের মনে যতই বিস্ময় উদ্রেক করুক না কেন, মহর্ষির এই কন্যাটি কখনও স্কুলে যাননি। তাঁর পড়াশোনা সবই বাড়িতে। মহর্ষির তৃতীয় কন্যা তিনি। কন্যাদের মধ্যে অন্যরাও কেউ স্কুলে যাননি। গিয়েছিলেন শুধু জ্যেষ্ঠা কন্যা সৌদামিনী। পড়তেন বেথুনে। বেশি দিন অবশ্য তাঁর স্কুলে যাওয়া হয়নি। ন’ বছর বয়সেই বিবাহ হয়ে গিয়েছিল। বিবাহ হয় সারদাপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে।
গঙ্গোপাধ্যায়-পরিবারের বসবাস ছিল জোড়াসাঁকোর অদূরে বড়োবাজার অঞ্চলে। ঘরজামাই থাকতে রাজি হওয়াই ছিল ঠাকুরবাড়ির কন্যা-লাভের চাবিকাঠি। সারদাপ্রসাদ রাজি হয়েছিলেন। কী করে ঠাকুরবাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ হয়, বিবাহ সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে তেমন কোনও তথ্য পাওয়া যায় না। ঠাকুরবাড়িতে এই গঙ্গোপাধ্যায়-পরিবার থেকে আরও একজন জামাই আনা হয়েছিল। গিরীন্দ্রনাথের কন্যা কাদম্বরীর সঙ্গে যজ্ঞেশপ্রকাশের কীভাবে বিবাহ হয়েছিল, তা গল্পকথার মতো। যজ্ঞেশপ্রকাশ গঙ্গাস্নানে গিয়েছিলেন। স্নানে গিয়ে তিনি আর ফেরেননি। সন্ধের পর জানা যায়, গিরীন্দ্রনাথের কন্যার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়ে গিয়েছে। লোকমুখে শোনা যায়, জোর করেই বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিয়ের পর ঘরজামাই হিসেবে ঠাকুরবাড়িতে থাকবেন, তাও নিশ্চিত করা হয়েছিল। সারদাপ্রসাদের ক্ষেত্রে অন্য একটি আখ্যান শোনা যায়। সারদাপ্রসাদের অভিভাবকরা ঋণজালে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেই ঋণভার লাঘব করার ক্ষেত্রে ‘ধনাঢ্য জমিদার মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ’ বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন। শর্ত ছিল ওই একটাই, সারদাপ্রসাদকে ঘরজামাই থাকতে হবে। নিরুপায় তিনি, অগত্যা রাজি হয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১২৪: দিগম্বরী দেবী : ঠাকুরবাড়ির সেরা সুন্দরী

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৮৫: অধিকার নয়, অবস্থানই বলে দেয় জায়গা কার– মালিকের? না দখলদারের?

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩২: কপোত-জাতক: বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও
সারদাপ্রসাদ ছিলেন অন্য রকম। তাঁর দৈনন্দিন জীবনযাপন ছিল বড়োই বৈচিত্র্যময়। নিজের মতো করে এক আনন্দের জগৎ তৈরি করে নিয়েছিলেন। গড্ডলিকাপ্রবাহে শামিল হননি কখনও। সারদাপ্রসাদ ছিলেন সংস্কৃতিমনস্ক ও অত্যন্ত রুচিবান। তিনি ঘরজামাই থাকার ফলে ঠাকুরবাড়ির সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তরান্বিত হয়েছিল। নাট্যাভিনয়ে তাঁর প্রবল আগ্রহ ছিল। ঠাকুরবাড়িতে নাট্যশালা স্থাপনের ব্যাপারেও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন। গুণেন্দ্রনাথ ও জ্যোতিরিন্দ্রনাথ প্রথম নাট্যশালা স্থাপনের কথা ভেবেছিলেন। সেই ভাবনা যাঁদের আন্তরিক প্রয়াসে বাস্তবায়িত হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে সর্বাগ্রে সারদাপ্রসাদের নাম করতে হয়। ঠাকুরবাড়ির সেই কর্মকাণ্ডে আরও দু-জন শামিল হয়েছিলেন। তাঁরা ঠাকুরবাড়ি বহির্ভূত, কেশবচন্দ্র সেনের অনুজ কৃষ্ণবিহারী সেন ও কবি অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরী।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
সারদাপ্রসাদ নিজেও নাটকে অভিনয় করেছেন। এমনকি প্রয়োজনে স্ত্রীর ভূমিকাতেও অভিনয় করেছেন। ঠাকুরবাড়িতে রামনারায়ণ তর্কারত্নের ‘নবনাটক’ অভিনীত হয়েছিল সাড়ম্বরে। তিনি সেজেছিলেন গবেশবাবুর স্ত্রী। এই নাটকে জ্যোতিরিন্দ্রনাথও অভিনয় করেছিলেন।
জাঁকিয়ে চলেছিল ‘নবনাটক’-এর রিহার্সাল। জ্যোতিরিন্দ্রনাথের সঙ্গে সারদাপ্রসাদের ছিল গভীর বন্ধুত্ব। তাঁর ‘জীবনস্মৃতি’তে এই বন্ধুটির কথা বারবার এসেছে। রয়েছে সেই রিহার্সালের বর্ণনা। প্রাসঙ্গিক অংশবিশেষ তুলে দেওয়া যেতে পারে, ‘দোতলায় বড়ো ঘরে খুব ঘটা করিয়া রিহার্শাল বসিয়া গেল। প্রথমে শুধু পাঠ চলিতে লাগিল। দুই একজন সমজদার লোক উপস্থিত থাকিতেন। তাঁহারা পাঠ ও ভঙ্গি সম্বন্ধে উপদেশ এবং ভুলভ্রান্তি সব সংশোধন করিয়া দিতেন। তারপর ক্রমে অঙ্গভঙ্গির শিক্ষা দেওয়া হইতে লাগিল। এই রূপে ছয় মাস কাল যাবৎ দিনে রিহার্শাল, আর রাত্রে বিবিধ যন্ত্রসহকারে কনসার্টের মহলা চলিল। আমি কনসার্টে হার্মোনিয়ম বাজাইতাম।’
জাঁকিয়ে চলেছিল ‘নবনাটক’-এর রিহার্সাল। জ্যোতিরিন্দ্রনাথের সঙ্গে সারদাপ্রসাদের ছিল গভীর বন্ধুত্ব। তাঁর ‘জীবনস্মৃতি’তে এই বন্ধুটির কথা বারবার এসেছে। রয়েছে সেই রিহার্সালের বর্ণনা। প্রাসঙ্গিক অংশবিশেষ তুলে দেওয়া যেতে পারে, ‘দোতলায় বড়ো ঘরে খুব ঘটা করিয়া রিহার্শাল বসিয়া গেল। প্রথমে শুধু পাঠ চলিতে লাগিল। দুই একজন সমজদার লোক উপস্থিত থাকিতেন। তাঁহারা পাঠ ও ভঙ্গি সম্বন্ধে উপদেশ এবং ভুলভ্রান্তি সব সংশোধন করিয়া দিতেন। তারপর ক্রমে অঙ্গভঙ্গির শিক্ষা দেওয়া হইতে লাগিল। এই রূপে ছয় মাস কাল যাবৎ দিনে রিহার্শাল, আর রাত্রে বিবিধ যন্ত্রসহকারে কনসার্টের মহলা চলিল। আমি কনসার্টে হার্মোনিয়ম বাজাইতাম।’
আরও পড়ুন:

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৩: বকজাতক : শঠে শাঠ্যং

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১২৩: বিশ্বামিত্রের তপশ্চর্যায় বিঘ্নসৃষ্টিকারী দেবরাজ ইন্দ্র ও মেনকার কাহিনি কি আধুনিক যুগের সঙ্গে
রবীন্দ্রনাথের থেকে সারদাপ্রসাদ ছিলেন অনেকটাই বড়। ছেলেবেলা থেকেই কবি দেখছেন নানান সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর তৎপরতা। তাঁর ওপর আস্থা ও নির্ভরতা তৈরি হয়েছিল। মহিলা-চরিত্রে সারদাপ্রসাদের অভিনয়কে কেন্দ্র করে বালক রবীন্দ্রনাথের এক মজাদার অভিজ্ঞতা হয়েছিল। তাঁর ‘ছেলেবেলা’ বইতে রয়েছে সে অভিজ্ঞতার বিবরণ। দীর্ঘদিন ধরে চলেছিল রিহার্সাল। রিহার্সাল থেকে সংলাপ তো বটেই, এমনকি কান্নার শব্দও কানে ভেসে আসত। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, ‘নাটকের থেকে কুলীন মেয়ের ফুঁপিয়ে কান্না কখনো কখন কানে আসে, তার মর্ম বুঝতে পারি নে। বোঝবার ইচ্ছেটা হয় প্রবল। খবর পেতুম যিনি কাঁদতেন তিনি কুলীন বটে, কিন্তু তিনি আমার ভগ্নীপতি।’ মহিলা চরিত্রে শুধু নয় প্রয়োজনে সারদাপ্রসাদ ডাকাতও সেজেছেন। ‘বাল্মীকি প্রতিভা’র প্রথম অভিনয়কালে ডাকাতের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি।

স্বর্ণকুমারী দেবী।
শুধু নাট্যাভিনয়ে নয়, সঙ্গীতেও সারদাপ্রসাদের আগ্ৰহ ছিল। ধ্রুপদী-সঙ্গীত শুনতেন আর যন্ত্রসঙ্গীত পরিবেশন করতেন। ভালো সেতার বাজাতেন তিনি। নামি সেতারবাদক জুয়ালাপ্রসাদের কাছে শিখতেন। জ্যোতিরিন্দ্রনাথের জীবনস্মৃতিতে আছে তাঁর সঙ্গীতপ্রীতির কথা। তাঁর বৈঠকখানায় প্রায়ই নামি গাইয়েরা আসতেন। গুণিজনদের মজলিশ বসত। সারদাপ্রসাদ নিজেও ছিলেন ঘোরতর মজলিশি মানুষ।
আরও পড়ুন:

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-৭ : পাঠশালা-ক্লাসরুম

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১০৯: কোটরে প্যাঁচা
মাইকেল মধুসূদন দত্ত মাঝেমধ্যেই জোড়াসাঁকোয় আসতেন। সারদাপ্রসাদের সঙ্গে মধুসূদনের প্রীতিমধুর সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রেই আগমন, পরে এই পরিবারের একাধিক সদস্যের সঙ্গে, বিশেষত জ্যোতিরিন্দ্রনাথের সঙ্গে মধুসূদনের সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। সত্যেন্দ্রনাথের সঙ্গে সখ্য হওয়ার আড়ালেও ছিলেন সারদাপ্রসাদ। তিনিই সত্যেন্দ্রনাথের সঙ্গে প্রথম পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। জোড়াসাঁকোয় মধুসূদন এলেও রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে পরিচয় হয়নি। রবীন্দ্রনাথ তখন নিতান্তই ছোট, বছর বারোর বেশি বয়স নয়।

সৌদামিনী গঙ্গোপাধ্যায়।
সত্যেন্দ্রনাথের সঙ্গে মধুসূদনের হৃদ্যতা দিনে দিনে গাঢ় হয়েছিল। তিনি মধুসূদনকে দিয়ে ব্রহ্মসংগীতও লেখাতে চেয়েছিলেন। তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় সে সংগীত ছাপবেন ঠিক করেছিলেন। সত্যেন্দ্রনাথের সে দাবি পুরোপুরি মেনে নেননি মধুসূদন। তাঁর জীবনদর্শনের সঙ্গে ব্রহ্মসংগীতের ভাবনার সাদৃশ্য ছিল না। তাই তিনি নিজের মতো করে একটি কবিতা লিখে দিয়েছিলেন। সেটি আমাদের খুবই চেনা কবিতা, পাঠকমহলে সুপরিচিত। ‘আত্মবিলাপ’ নামের সে কবিতাতেই আছে, ‘আশার ছলনে ভুলি কি ফল লভিনু হায়…।’
আরও পড়ুন:

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১০৭: অসুস্থ মা সারদার জন্য ভক্তদের উদ্বেগ

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৭০: বিচারক
জোড়াসাঁকোয় বসে মধুসূদন বন্ধু সারদাপ্রসাদকে শোনাতেন ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-র পাণ্ডুলিপি। তখনও ‘মেঘনাদবধ’ বই হয়ে বের হয়নি। কেমন করে সারদাপ্রসাদকে ‘মেঘনাদবধ’ পড়ে শোনাতেন মধুসূদন, জ্যোতিরিন্দ্রনাথের ‘জীবনস্মৃতি’তে ধরা আছে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার সে বিবরণ। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ জানিয়েছেন, ‘তাঁহার কবিতাপাঠের কায়দাই ছিল এক স্বতন্ত্র। প্রত্যেক কথাটি স্পষ্ট স্পষ্ট করিয়া, থামিয়া থামিয়া এবং পৃথক পৃথক করিয়া, একটানে বলিয়া যাইতেন…। …সে আবৃত্তিতে কোনও প্রকার ভাবপ্রকাশের চেষ্টা থাকিত না।’ জোড়াসাঁকোয় প্রতিষ্ঠিত নাট্যশালায় অভিনীত নাটকের মধ্যে মধুসূদনের নাটকও ছিল।

সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
নানা গুণের অধিকারী সারদাপ্রসাদকে মহর্ষি অত্যন্ত স্নেহ করতেন। প্রথমদিকে সারদাপ্রসাদ চাকরি করতেন। পরে ব্যবসা-বাণিজ্যে মনোযোগী হয়ে উঠেছিলেন। ব্যবসা করার মূলধন জুগিয়েছিলেন মহর্ষি। চিন যাত্রাকালে মহর্ষি বিশ্বস্ত সহযোগী সারদাপ্রসাদকে নিয়ে গিয়েছিলেন।
রবীন্দ্রনাথও সারদাপ্রসাদের ওপর কখনো কখনো নির্ভর করেছেন। জোড়াসাঁকোর বাইরে অবস্থানকালে কবি তাঁকে দিয়েছিলেন তাঁর গ্রন্থমুদ্রণের দায়দায়িত্ব। ভগ্নীপতির এই দায়িত্ব-সচেতনতা তরুণ রবীন্দ্রনাথকে নিশ্চিত আনন্দ দিয়েছিল। দুঃখের বিষয়, কবির জীবনে আনন্দময় মাঙ্গলিকপর্বে বিষাদের বার্তা নিয়ে এসেছিল সারদাপ্রসাদের মৃত্যু।কবির বিয়ের রাতে আকস্মিক তিনি মারা গিয়েছিলেন শিলাইদহে। সে রাতে হৃদয়বিদারক এই সংবাদ অবশ্য জোড়াসাঁকোয় পৌঁছয়নি। পৌঁছেছিল পরের দিন। পৌঁছনোমাত্র সমস্ত আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তে শোকের ছায়ায় ম্লান হয়ে যায়।
রবীন্দ্রনাথও সারদাপ্রসাদের ওপর কখনো কখনো নির্ভর করেছেন। জোড়াসাঁকোর বাইরে অবস্থানকালে কবি তাঁকে দিয়েছিলেন তাঁর গ্রন্থমুদ্রণের দায়দায়িত্ব। ভগ্নীপতির এই দায়িত্ব-সচেতনতা তরুণ রবীন্দ্রনাথকে নিশ্চিত আনন্দ দিয়েছিল। দুঃখের বিষয়, কবির জীবনে আনন্দময় মাঙ্গলিকপর্বে বিষাদের বার্তা নিয়ে এসেছিল সারদাপ্রসাদের মৃত্যু।কবির বিয়ের রাতে আকস্মিক তিনি মারা গিয়েছিলেন শিলাইদহে। সে রাতে হৃদয়বিদারক এই সংবাদ অবশ্য জোড়াসাঁকোয় পৌঁছয়নি। পৌঁছেছিল পরের দিন। পৌঁছনোমাত্র সমস্ত আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তে শোকের ছায়ায় ম্লান হয়ে যায়।
* গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি (Tagore Stories – Rabindranath Tagore) : পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Parthajit Gangopadhyay) অবনীন্দ্রনাথের শিশুসাহিত্যে ডক্টরেট। বাংলা ছড়ার বিবর্তন নিয়ে গবেষণা, ডি-লিট অর্জন। শিশুসাহিত্য নিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে গবেষণা করে চলেছেন। বাংলা সাহিত্যের বহু হারানো সম্পদ পুনরুদ্ধার করেছেন। ছোটদের জন্য পঞ্চাশটিরও বেশি বই লিখেছেন। সম্পাদিত বই একশোরও বেশি।


















