রবিবার ৭ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি
গাড়িটা চালাচ্ছিল তালেব। পাশের রাজ্যের চোরাই গাড়ি। নম্বরপ্লেট বদলে এখানে অ্যাম্বুলেন্স হিসাবে ব্যবহার করছে তারা। এইরকম বেশ কয়েকটি গাড়ি আছে যা ভুয়ো নম্বরপ্লেট লাগিয়ে নানা কাজে ব্যবহার করে তারা, সবক’টিই পাশের রাজ্য কিংবা অন্য রাজ্য থেকে চুরি করে আনা। এ-রাজ্যের চোরাই গাড়ি আবার অন্য রাজ্যে দিব্যি চলছে। ভুয়ো নম্বরপ্লেট বানাতে আর কী খরচ!

সাইকেল বসেছে পিছনের সিটে। সামনের সিটে শম্ভু। এলাকার ছেলে হলেও সে চার্চের কাজের সঙ্গে যুক্ত বলে, রাতের বেলা, তাকে যদি দেখলেও সবাই ভাববে চার্চের কাজে বেরিয়েছে। পুলিশ থেকে শুরু করে এলাকার লোকজন চার্চের লোকজনকে বেশ সমীহ করে চলে। নানা বিপদ-আপদে তারাই ভরসা। অতএব চার্চের লোকজন থাকলে মাঝেমধ্যে যে নাকাচেকিং হয়, তা চার্চের গাড়ি দেখলে হয় না, ছেড়ে দেওয়া হয় সঙ্গেসঙ্গেই। চার্চের রিপোর্ট পুলিশি খাতায় ভালো। তাছাড়া এটা অ্যাম্বুলেন্স। চার্চের নিজস্ব হাসপাতাল থাকা সত্ত্বেও তারা যখন অ্যাম্বুলেন্সে করে সদরের বড় হাসপাতালে পেশেন্ত পাঠায়, তখন বুঝতে হবে, ক্রিটিক্যাল এবং এমার্জেন্সি কেস। আর এইরকম অবস্থায় সন্দেহ হলেও কিছু করার থাকে না পুলিশের, ছেড়ে দেয় তারা মুখের কথাকে বিশ্বাস করে।
পিছনের সিটে কেবল সাইকেল নেই। পেশেন্ট সেজে যে শুয়ে আছে, সে ভিনরাজ্যের একজন হার্ডকোর ক্রিমিন্যাল। আপাতত সাইকেলের ইমিডিয়েট বসের গোপন শেলটারে লুকিয়ে আছে। তার নামে সাতটা খুনের মামলা এবং চারটে রেপকেস আদালতের বিচারাধীন। শেষ মিসহ্যাপটা করেছিল ভুল করে। চিনতে না পেরে এক বিধায়কের পুত্রবধূকে রেপ করায় তার বিরুদ্ধে সেই রাজ্যের পুলিশ একেবারে উঠেপড়ে লেগেছিল। লোকটি নিজেও আর-এক এমপির ছত্রছায়ায় ছিল। আপাতত তিনিই তাকে পাঠিয়ে দিয়েছেন অন্য কোথাও কিছুদিন আত্মগোপন করে থাকার জন্য। সাইকেলের বস এর আগেও এইরকম কেসে অনেককে নিরাপদ শেলটার দিয়ে ডার্ক ওয়ার্ল্ডের সকলের গুডবুকে আছেন। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। লোকটি এমনভাবে শুয়ে আছে, এন সত্যিকারের পেশেন্ট। কিন্তু যখন গুলি চালায় তখন তার মুখে কোন প্রতিক্রিয়া জাগে না। ড্যাগার চালাতে হাত কেঁপে ওঠে না। আজকের অপারেশনটা একে দিয়েই করাবে বলে মনঃস্থির করেছে সাইকেল। বসের অনুমতিও মিলেছে। লোকটি নির্বিকার। বরং মাসখানেক এখানে শেলটার নেওয়ায় তার হৃদয় একটা মৃত্যু, কিছু রক্তপাত দেখার জন্য মুখিয়ে আছে।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৫০: মধ্যরাতের বিপদ-আপদ

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১৮: পরবাস প্রস্তুতি (চার)

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩৫: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — বাঘরোল

রোমহর্ষক গল্প : দেবী

সাইকেলের সঙ্গে আর একজন আছে, সে পল্টু গায়েন। বয়স কম। তবে অভিনয় করে কেপমারিতে সে ওস্তাদ। এলাকার লোক হলেও সে এলাকায় অপারেশন চালায় না। ফলে এমনিতে স্থানীয় ক্ষেত্রে গুড ইমেজ রয়েছে। পুলিশের কাছে অবশ্য তার সম্পর্কে সব তথ্যই আছে। কিন্তু এলাকায় কিছু না করায় তার নামে কোন অভিযোগ নেই এখানে, ফলে তাকে ধরাও সম্ভব হয়নি পুলিশের পক্ষে।

পেশেন্ট সেজে থাকা লোকটির নাম চেতন। সে সত্যিসত্যিই অচেতনের মতো মুখ ঢেকে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে শুয়েছিল। যদিও তার চাদরের উপরের দিকে চোখের সমান্তরালে দুটি ছিদ্র আছে, যা দিয়ে সে চাইলে বাইরের সব কিছু নজরে রাখতে পারবে। হাসপাতালে এমার্জেন্সি ওয়ার্ডে ঢোকার সময় চারপাশে নজরদারি চালাতে এই ছিদ্র খুব কাজের। তাছাড়া আগেভাগেই যদি দেখে বিপদ, তাহলে সে পালাতেও পারবে।
—পল্টু বলল, “সাইকেল দা, টেনশন হচ্ছে!”
— “কেন?”
— “যে কাজে যাচ্ছিস রিস্ক অনেক!”
— “যে কাজ করিস, তাতে রিস্ক নেই?”
— “আরে সে তো ভিনরাজ্যে গিয়ে করি। কিন্তু এখানে এই প্রথম…! কারুর চোখে লেগে গেলেই মুশকিল!”
— “কিচ্ছু হবে না। তু ঝুটমুট চিন্তা করছিস্!” সাইকেল প্রবোধ দেয় তাকে।
— “হাসপাতাল বলেই চিন্তা। তার উপর আজকে নিশ্চয়ই অনেক পুলিশ থাকবে!”
— “অনেক থাকবে না। কিন্তু থাকবে। তাতে কী? আমাদের প্ল্যান কষাই আছে। সেইমতো কাজ হলেই হবে। দেখিস।”
— “কিন্তু প্ল্যানমতো কাজ না হলে?”
— “হবে!”
— “যদি না হয়?”
— “আরে বলছি তো একেবারে ফুলটু প্ল্যান। ওখানে আজ ঢোকবার সময় থেকেই ওরা নজরবন্দি করবে। তবে চার্চের অ্যাম্বুলেন্স ভেবে পুলিশ গেটে আটকাবে না। আমরা ঢুকে সোজা চলে যাব এমার্জেন্সিতে। সেখানে তুই বাবার কী হবে বলে মড়াকান্না জুড়ে দিবি। ওখানে আমাদের লোক আছে। সে স্ট্রেচার রেডি রাখবে। হাসপাতালের একজন আসবে। বসের লোক। সে এসে আমাদের নিয়ে চলে যাবে এমার্জেন্সি ব্লকের ভিতরে। মনে রাখবি, এই পার্টটাই যা ‘রিক্সে’র! ওখানে গেটে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ওদের চোখে ধুলো দিতে পারলে বাকিটা মাখনের মতো সহজে হয়ে যাবে। আমি তোদের রেখে ডাক্তারকে ডেকে আনার নাম করে ভিতরে যাব। সেখানেই আমাদের লোক অপেক্ষা করে থাকবে। সে বেরিয়ে এসে আমাদের ভিতরে ঢোকার ব্যবস্থা করে দেবে। তারপর আমরা আসল অপারেশন শুরু করব। চেতনের কাজ শুরু হবে তখন!”
আরও পড়ুন:

ডাক দিয়েছ কোন সকালে?

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯০: ত্রিপুরার রাজপরিবারকে রবীন্দ্রনাথের প্রথম পত্র

চেতন বাংলা বোঝে না। তবে সাইকেলের মুখে নিজের নাম শুনে সে চাদর থেকে মুখ সরিয়ে বলল, “কুছ হুয়া ক্যা?”
— “নেহি জি। তুম য্যায়সে লেটে হো অ্যাসেহি রহো। আভি মু সে চাদর হটানা মত!” সাইকেল বলল।

চেতন কথা বাড়াল না। আবার আগের মতো চাদরে মুখ ঢেকে নিল।
—প ল্টু বলল, “আমি কিন্তু কোনদিন এইরকম কোন অপারেশনে যাইনি সাইকেলদা!”
— “যাসনি, এবার থেকে যাবি! কেপমারি করে তুর কতদিন চলবে শুনি?”
—“যতদিন চলে। হাতে কিছু টাকা জমলেই একটা দোকান লাগাবো। তারপর এই লাইন ছেড়ে দেব আমি। বিয়েসাদি করব, বালবাচ্চা হবে…!” পল্টু হঠাৎ রোম্যান্টিক হয়ে উঠল।
— “ফুট বে! তুর ইঞ্জিন দাঁড়ায়?”
— “কেন দাঁড়াবে না? আমি ভালোই পারি। একবার সদরের ওই মেয়েছেলেদের পাড়ায় গিয়েছিলাম। ফুলটুসি মাসি, যাকে লাগিয়েছিলাম আর কি, সে-ই বলেছে, তোর বয়স কম, কিন্তু কাজে বেশ পাকা!”
— “শালা। ওই করতে গিয়েই কোনদিন কেস খাবি আর পুলিশ তখন গাঁড় মেরে দেবে তোর!”
— “কী করব বল সাইকেল দা। তোমার মতো ঘরে তো বউ নেই!”
— “এত বাজে কথা না বলে যে কাজে যাচ্ছিস্, সেই কাজের কথা ভাব বে!” সামনে স্টিয়ারিং সামলাতে-সামলাতে তালেব বলল।
— “আরে বাজে কথা কই বললাম? একটা চাপা টেনশান হচ্ছে, সেজন্যই তো…”
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি পর্ব-৯২: অবিবেচনা যত দ্রুত সিদ্ধান্ত আনে, তত দ্রুত ধ্বংসও আনে

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪৬: পঞ্চবটীর যাত্রাপথে প্রাপ্তি, পিতৃবন্ধু জটায়ু ও বনবাসজীবনে লক্ষ্মণের ভূমিকা

তার কথাকে শেষ না হতে দিয়ে তালেব বলল— “তোমরা ভিতরে চলে গেলে আমি কী করব ? বেরিয়ে যাব অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে। দূরে কোথাও অপেক্ষা করবো? তোমরা কাজ সেরে বেরিয়ে সেখানে এসে গাড়িতে উঠবে। কী বল সাইকেল দা?”
— “হ্যাঁ। আমরা ভিতরে ঢুকে গেলে তুই আর একমুহূর্ত সেখানে থাকবি না। ফিরে যাবি। কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলে বলবি, আমরা মানে পেশেন্ট পার্টি আবার ফাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে গাড়ি নিয়ে তুই বা আর কেউ আসবে।”
— “আচ্ছা। তবে ওরা প্রশ্ন করবে বলে মনে হয় না। চার্চের ফেক অ্যাম্বুলেন্স সাজিয়ে কাজ করা অনেক সোজা। পুলিশ দেখেও দেখবে না !”
— “সেইজন্যই তো আমাদের সাজানো অ্যাম্বুলেন্সটা নিয়ে এলাম।” আত্মপ্রসাদের হাসি হাসল সাইকেল।

হাসল তালেবও। তারপর বলল, “এমার্জেন্সিতে সেখানে রেখেছে সেখানেও হয়ত পুলিশ পাহারা থাকবে। তখন কী করবে?”
— “থাকবে তো বটেই। না থাকলেই অবাক হব। একজন পুলিশ থাকবে!”
— “তাহলে?”
— “পল্টূ যাচ্ছে কেন?”
— “মানে?”
— “যেখানে শুয়োরের বাচ্চাটাকে রেখেছে, সেই উইং-এ অন্য কেউ নেই। সেখানে গিয়ে কাকে কী করতে হবে গাড়িতে ওঠার আগেই তা বলে দিয়েছি সবাইকে। কম সময়, একটা কাজ, ‘রিকস্’ অনেক!”
— “প্ল্যানটা কী?”
— “পরে শুনিস। আপাতত একটু চুপ কর। আমাকে ভাবতে দে। আজকের কাজটা কিন্তু অন্যান্যবারের কাজের চেয়ে একেবারেই আলাদা। নেহাৎ শুয়োরের বাচ্চাটির এখনও জ্ঞান ফেরেনি, নাহলে কী যে হতো! আমরা সেই কারণেই তাড়াতাড়ি, তার জ্ঞান ফিরে আসার আগেই তাকে নরকে পাঠিয়ে দিতে চাই!”
— “ওই কলকাতা থেকে আসা টিকটিকিটাও আছে শুনলাম তো!” পল্টু সুযোগ পেয়ে বলল।
— “আছে, তবে শেষ খবর অনুযায়ী নিচের অফিসে বসে খোসগল্প করছে!”
— “ডাক্তারকে আমরা খুঁজে পাওয়ার আগেই লোকটা কীভাবে পেয়ে গেল বল তো ওর খোঁজ?”
— “বুঝতে পারছি না। পালিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় দেখা হয়েছিল কি?”
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮০ : হাত বাড়ালেই বন্ধু

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি

পল্টু উত্তেজিত হয়ে বলল, “সাইকেল দা, তখন যদি সব কথা বলে দেয় শুয়োরের বাচ্চাটা?”
শুনে কাঠ হয়ে গেল সাইকেল। তবে মুহূর্তকালের জন্যই। তারপর বলল, “মনে হয় না। কিছু বললে, শুয়োরের বাচ্চাটাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে ও চুপ করে ওখানে আড্ডা দিত না। আমাদের ডেরার খোঁজে এতক্ষণে সদরের পুলিশ ফোর্স নেমে পড়তো! ডিএম এবং এসডিপিও সাহেবরা দুজনেই হাসপাতালে আছে শুনলাম। তেমন হলে উনি নিজেই বেরিয়ে পড়তেন ফোর্সের সঙ্গে!”
“ওঁরা এল কেন? ডাক্তার কি বিরাট বড় মাপের কেউকেটা না-কি?”
—“ধুস্। পাতি ডাগদার। আমার মনে হয় কলকাতার ওই গাঁড়পাকা টিকটিকিটাই ডেকে এনেছে কোন ভুজুংভাজাং দিয়ে!”
— “সব যেন ভালোয়-ভালোয় মিটে যায় সাইকেল দা !” পল্টু একটু ভয়ে-ভয়ে বলল।
— “তুই ভয় পাস না। স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা কর !” সাইকেল বলল।

চেতন লোকটা হঠাৎ মুখ থেকে চাদর সরিয়ে বলল, “হাম রিভলভার চালায়ে ইয়া ড্যাগার?”
— “যা তুমি ঠিক মনে করো। যো তুমহে ঠিক লাগে উয়ো কর না!”
— “হাম সায়ালেন্সার-ফিটেড গান নেহি লায়ে! গোলি করনে সে যাইদা সাউণ্ড হোগি!”
— “ইয়ে কেয়া কিয়া ! সায়ালেন্সার নেহি হ্যায় তো বোলা কিঁউ নেহি পহলে?”
চেতন গলার মধ্যে একটা আওয়াজ করল। কী বলল বোঝা গেল না।
সাইকেল বিরক্ত হয়ে বলল, “তব ড্যাগার হি ইসতমাল করনা! লেকিন জলদি কাম খতম হোনা চাহিয়ে। হামারে পাশ যাইদা টাইম নেহি হ্যায়!”
— “বেশক। একহি বার কাফি হ্যায়!”
— “হলেই ভালো! যত্তসব আপদ। কাজ করবে বলে এসেছে কিন্তু কীভাবে করবে তা জিজ্ঞাসা করছে মাঝরাস্তায়!” বিরক্তি গোপন করতে না পেরে বলল সাইকেল।
তখনই ফোন এল। প্রথমে বিরক্ত হলেও স্ক্রিনে নাম দেখে তার বিরক্তি চলে গেল। সে ফোন তুলে বলল, “হ্যাঁ, বল ক্যানে। সব ঠিক আছে তো?”
ওপাশ থেকে কী বলল জানা গেল না। পল্টু শুনল সাইকেল বলছে, “বেশ বেশ। যত কমে যায়, ততই ভালো। ওঁরা বেরিয়ে গেলেন যখন তখন দেখবি পুলিশরাও এবার কাজে ঢিলেমি দেবে।”
— সাইকেল বলল, “আর হ্যাঁ রে, কলকাতার টিকটিকিটা আছে না-কি গেছে?”
— “গেছে? আরে আগে বলবি তো!” আনন্দে প্রায় চিৎকার করে উঠল সাইকেল, “ডিএম সাহেবের গাড়িতেই উঠে চলে গেছে? যাক্। তাহলে রাস্তা সাফ। ওই শুয়োরের বাচ্চাকেই ভয় ছিল আমার ! মালটা যখন গেছে, তখন কাজ হয়ে গেছে ধরে নিচ্ছি। বস খুশি হবে। এক্ষুনি মেসেজ করে দিচ্ছি। তুই রাখ। তৈরি থাকিস। রাখছি।”

পল্টু বলল, “আজ না করে কাল-পরশু অপারেশন চালালে হতো না সাইকেল দা?”
সাইকেল বিচ্ছিরিভাবে দাঁতমুখ খিঁচিয়ে বলে উঠল, “হ্যাঁ, আমি কাল-পরশুর অপেক্ষা করি আর ডাক্তার জ্ঞান ফিরে পেয়ে সুস্থ হয়ে আমাদের সব্বার নাম বলে দিক্। ব্যস্, সব খতম্। না না, যে-ভাবেই হোক, আজ রাতেই খা**র ছেলে ওই ডাক্তারটাকে নিকেশ করতে হবে! শালা, বেশি উড়ছিল। আজ ওড়া ফিনিশ্!” —চলবে।
* ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস (novel): পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক (Pishach paharer Aatanka) : কিশলয় জানা (Kisalaya Jana) বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক, বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content