অবসর

শাশ্বতী রামায়ণী

পর্ব-৩৭: অবশেষে অগ্রজের দেখা মিলল বুঝি…

পর্ব-৩৭: অবশেষে অগ্রজের দেখা মিলল বুঝি…

কুটিরের মধ্যে ভরত দেখলেন, ঘাসে ঢাকা এক বেদীর উপর জটা-বল্কলধারী রাম, লক্ষ্মণ ও সীতার সঙ্গে বসে আছেন। ‘আর্য’ এই বলে শিশুর মতো উচ্ছ্বাসে আকুল হয়ে রামের পায়ের উপর লুটিয়ে পড়ে কাঁদতে লাগলেন ভরত।

read more
পর্ব-৩৬: রামের সন্ধানে ভরতের যাত্রা সফল হল কি?

পর্ব-৩৬: রামের সন্ধানে ভরতের যাত্রা সফল হল কি?

মুনিবর তাঁদের পরামর্শ দিলেন, সেখান থেকে দশ ক্রোশ দূরে চিত্রকূট পর্বতের পাদদেশে এক রম্য বনভূমিতে বসবাস করার জন্য। সেই মতো তাঁরা যমুনা নদী অতিক্রম করে পৌঁছলেন চিত্রকূট সংলগ্ন সমতলভূমিতে।

read more
পর্ব-৩৪: শুধু কি পিতৃবিয়োগব্যথা লাভ ভরতের, না কি আরও দুঃখ অপেক্ষমাণ…

পর্ব-৩৪: শুধু কি পিতৃবিয়োগব্যথা লাভ ভরতের, না কি আরও দুঃখ অপেক্ষমাণ…

ভরতের আর্তক্রন্দন পৌঁছল সুমিত্রানন্দন শত্রুঘ্নের কানে। ছুটে এলেন তিনি। এসে শুনলেন সব বৃত্তান্ত। ক্রোধের আগুন জ্বলে উঠল তাঁর মনেও। ঠিক তখনই দরজার সামনে এসে দাঁড়াল কুব্জা মন্থরা।

read more
পর্ব-৩৩: শোকস্তব্ধ অযোধ্যানগরী কি আপন করে নিল ভরতকে?

পর্ব-৩৩: শোকস্তব্ধ অযোধ্যানগরী কি আপন করে নিল ভরতকে?

দশরথ কিংবা রামের মুখে তাঁর সম্বন্ধে এ সব বিশেষণ শোনা গিয়েছে অনেকবার। কিন্তু মায়ের অপরিণামদর্শিতা, গর্বোন্মাদনা ভরতের অজ্ঞাতসারেই তাঁর জীবনে এঁকে দিয়েছে চিরস্থায়ী অযশের কালিমা।

read more

মহাকাব্যের কথকতা

পর্ব-১৫৭: জরাসন্ধবধ ও জনার্দনের কৃতিত্ব

পর্ব-১৫৭: জরাসন্ধবধ ও জনার্দনের কৃতিত্ব

মহাভারতের বিচিত্র অনুষঙ্গ ছাড়াও, কৃষ্ণ ও তাঁর প্রলম্বিত ছায়াশ্রিত পাণ্ডবদের বিভিন্ন কীর্ত্তিকাহিনী সংযোজিত হওয়ায় হয়তো ভারতকথার এই গৌরবময় পরিণতি সম্ভব হয়েছে। মহাভারতের ভরতবংশীয়দের যশ ও অপযশ ছাপিয়ে, প্রোজ্জ্বল হয়ে ওঠেন যিনি, তিনি ভরতের উত্তরসূরীদের কাছে আজও প্রিয় জনার্দন, কৃষ্ণ।

read more
পর্ব-১৫৬: প্রাকৃতিক অবস্থার পরিবর্তন ও প্রাণীদের অস্থিরতা : যুদ্ধের দূষণ, মনে, প্রাণে, বাতাবরণে, সর্বত্র

পর্ব-১৫৬: প্রাকৃতিক অবস্থার পরিবর্তন ও প্রাণীদের অস্থিরতা : যুদ্ধের দূষণ, মনে, প্রাণে, বাতাবরণে, সর্বত্র

আমরা দুর্বলচিত্ত মানুষেরা হয়তো মনে করি, একদা নিয়তির অমোঘ নির্দেশে এই দুর্ভাগ্যজনক চরম পরিণতি তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতি জেনেও নিছক কৌতূহলী দর্শকের ভূমিকায় থেকে যান, দেবতা, ঋষি, সিদ্ধপুরুষদের মতো প্রভাবশালীদের অনেকেই। এক অর্বাচীন কথকঠাকুরাণীর মস্তিষ্কপ্রসূত এই ব্যখ্যা। সুধী পাঠকবর্গ, কোনও ধর্মীয় ভাবাবেগের মূলে কুঠারাঘাত বলে মনে করবেন না। বর্তমান দুনিয়ার যুগচিত্রের সঙ্গে এর সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায় কী?

read more
পর্ব-১৫৫: নৈতিকতার নিরিখে, মল্লযুদ্ধে জরাসন্ধবধ, আজও প্রাসঙ্গিক কেন?

পর্ব-১৫৫: নৈতিকতার নিরিখে, মল্লযুদ্ধে জরাসন্ধবধ, আজও প্রাসঙ্গিক কেন?

অতীতে মল্লযুদ্ধের অনৈতিক বিষয় হল, ক্লান্ত প্রতিপক্ষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা। যে কোনও যুদ্ধে নৈতিকতার বিধিবদ্ধ মানদণ্ড অতিক্রম করে যান যুদ্ধরত দুই পক্ষই। ভুলে যান মানবিকতা, মমত্ববোধ প্রভৃতি কোমলবৃত্তি। প্রকট হয়ে ওঠে হত্যা, মৃত্যু, জিঘাংসা এবং প্রতিশোধস্পৃহা। জয় হয়, আত্মঘাতী নৈতিক অবক্ষয়ের।এই চিত্রের পরিবর্তন হয়নি।

read more
পর্ব-১৫৪: শূর্পনখার কাহিনিতে, ষড়রিপুর প্রভাব, এক শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত নয় কী?

পর্ব-১৫৪: শূর্পনখার কাহিনিতে, ষড়রিপুর প্রভাব, এক শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত নয় কী?

রাক্ষসদের সামনে রাক্ষস খর, খরতর ভাষায় বলে উঠল, যেমন লবণাক্ত সাগর তার নিজের জলোচ্ছ্বাস সহ্য করতে পারে না ঠিক তেমন শূর্পনখা তাকে যে অবমাননা করছে, সেই অসম্মান সে সহ্য করতে পারছে না। খর আশ্বস্ত করল, শৌর্যের মাপকাঠিতে, ক্ষীণপ্রাণ রামকে সে গ্রাহ্য করে না। রাম তার দুষ্কর্মের জন্যে,আজই খরের হাতে প্রাণ হারাবে। খর, ভগিনীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল,সে যেন ব্যাকুলতা দূর করে, অশ্রু সংবরণ করে। খর, ভাই-সহ রামকে যমের বাড়ি পাঠাবে।

read more
পর্ব-১৫৩: জরাসন্ধ ও কৃষ্ণের কথোপকথন সূত্রে নিহিত আছে রাজনীতির পাঠ

পর্ব-১৫৩: জরাসন্ধ ও কৃষ্ণের কথোপকথন সূত্রে নিহিত আছে রাজনীতির পাঠ

রাজা জরাসন্ধের রাজধানী গিরিব্রজনগরে পৌঁছুলেন কৃষ্ণ,ভীম ও অর্জুন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল নৃশংস মগধরাজের কবল হতে কারারুদ্ধ রাজাদের মুক্তি ও অত্যাচারী একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী জরাসন্ধের দুর্দমনীয় প্রভাব ক্ষুণ্ণ করে তাঁকে দমন। মগধরাজ জরাসন্ধের প্রখরদৃষ্টিতে তাঁদের ছদ্ম আবরণ খসে পড়ল। জরাসন্ধ ব্রহ্মচারী স্নাতক ব্রাহ্মণের বেশধারী তিনজনের প্রতি সন্দিহান হলেন।শুরু হল দুই ধুরন্ধর রাজনীতিবিদের বাদানুবাদ যুক্তি ও পাল্টা যুক্তির অবতারণা। রাজার সন্দেহের মূলে রয়েছে যুক্তি —কৃষ্ণ ও অন্য দু’জন সকলেই ক্ষত্রিয়। কারণ, ব্রাহ্মণোচিত...

read more

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি

পর্ব-৯৩ : যেখানে স্বর্ণমুদ্রার ঝনঝনানি, সেখানে সন্তানের চিতার আগুনও ম্লান

পর্ব-৯৩ : যেখানে স্বর্ণমুদ্রার ঝনঝনানি, সেখানে সন্তানের চিতার আগুনও ম্লান

পুত্রশোকের দগদগে ঘা বুকে নিয়েও পরদিন প্রভাতে লোভী ব্রাহ্মণ হরিদত্ত একবাটি দুধ হাতে পুনরায় সেই বল্মীকস্তূপের সামনে উপস্থিত হলেন। পুত্রের মৃত্যু শোকের চেয়েও তাঁর কাছে তখন প্রবল হয়ে উঠেছে স্বর্ণমুদ্রার লোভ। তিনি সেই গর্তের সামনে দাঁড়িয়ে উচ্চকণ্ঠে সর্পরাজকে আহ্বান করতে লাগলেন, কণ্ঠে তাঁর সেই পুরাতন স্তবগান।

read more
পর্ব-৯২: অবিবেচনা যত দ্রুত সিদ্ধান্ত আনে, তত দ্রুত ধ্বংসও আনে

পর্ব-৯২: অবিবেচনা যত দ্রুত সিদ্ধান্ত আনে, তত দ্রুত ধ্বংসও আনে

চোখের এক পলকে আহত সাপটি ফণা উঁচিয়ে হিংস্র গর্জনে ছোবল মারল ছেলেটির পায়ে। বিষ ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগল না—ছেলেটি মাটিতে লুটিয়ে পড়ল, নিঃশ্বাস থেমে গেল, তার শরীর নিস্তেজ হয়ে গেল অরণ্যের মাটিতে। চারিদিকে স্তব্ধতা নেমে এল—শুধু দুধের পাত্রটি উল্টে গিয়ে মাটিতে গড়িয়ে পড়ছিল, আর ধীরে ধীরে সেই সাদা দুধের ধারা ঢিবির মাটির ভিতর মিশে যেতে থাকল।

read more
পর্ব-৯১: যারা সময়ের স্রোতে নত হতে জানে, তারাই টিকে যায়; যারা আগুনে ঝাঁপায়, তারাই পুড়ে মরে

পর্ব-৯১: যারা সময়ের স্রোতে নত হতে জানে, তারাই টিকে যায়; যারা আগুনে ঝাঁপায়, তারাই পুড়ে মরে

কোনও এক শান্ত, সবুজে ঘেরা গ্রামে বাস করতেন এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ—নাম তাঁর হরিদত্ত। জন্মে ব্রাহ্মণ হলেও জীবিকা ছিল কৃষিকাজ। প্রতিদিন ভোরে তিনি নিজের ক্ষেতে যেতেন, রোদে-জলে খেটে মরতেন, তবু ফসল হত না তেমন কিছুই। বছরের পর বছর তাঁর জীবনে যেন অভাবই যেন ছিল একমাত্র ধ্রুব সত্য।

read more
পর্ব-৯০: শত্রুকে হারাতে সব সময় অস্ত্র নয়, ছলনারও আশ্রয় নিতে হয়

পর্ব-৯০: শত্রুকে হারাতে সব সময় অস্ত্র নয়, ছলনারও আশ্রয় নিতে হয়

ঘন অরণ্যের গভীরে, এক উঁইয়ের ঢিবির ভিতরে বাস করতো এক ভয়ঙ্কর কেউটে সাপ—নাম তার অতিদর্প। নামের মতোই সে ছিল অহংকারী, শক্তিশালী আর উদ্ধত। সাধারণত সে ঢিবির প্রশস্ত মুখ দিয়েই আসা-যাওয়া করতো। কিন্তু একদিন কেবল খেয়ালখুশিতে সে সরু এক ফাঁক গলে বেরোতে চাইল। বিপদ হল সেখানেই। তার মোটা ও বিশাল শরীর সেই সরু পথের জন্য ছিল একেবারেই বেমানান। জোর করে বেরোতে গিয়ে শরীর ক্ষতবিক্ষত হল তার; গা থেকে রক্ত ঝরতে লাগল।

read more
পর্ব-৮৯: ক্ষুদ্র শক্তি সংগঠিত হলে বড় শত্রুও হার মানে

পর্ব-৮৯: ক্ষুদ্র শক্তি সংগঠিত হলে বড় শত্রুও হার মানে

দ্বিতীয় ধূর্ত ব্যক্তিটি তৈরিই ছিল। মিত্রশর্মা ছাগলটিকে নিয়ে কিছু দূর এগোতেই দ্বিতীয় ধূর্তটি এসে উপস্থিত হল তাঁর সামনে। সে যদিও আগের ধূর্তটির মতো তীব্রভাবে বলল না, বরং একটু বিনয়ের সঙ্গেই বলল, “হে ব্রহ্মন্‌! বুঝতে পারছি এই মৃত বাছুরটি আপনার অত্যন্ত প্রিয়, তথাপি একে কাঁধে করে নিয়ে যাওয়াটা একেবারেই অনুচিত। স্মৃতিশাস্ত্রে বলে, মৃত পশুপক্ষী বা মৃত মানুষকেও যদি কেউ স্পর্শ করে তাহলে সে পঞ্চগব্য অর্থাৎ দই, দুধ, ঘি, গোবর এবং গোমুত্র খেয়ে কিংবা চান্দ্রায়ণ ব্রত পালন করে শুদ্ধ হয়। আপনি ব্রাহ্মণ মানুষ। আপনাকে এ সব বলা যদিও ধৃষ্টতা।”

read more

মহাভারতের আখ্যানমালা

পর্ব-৪৫: পরশুরামের আশ্রমে এসে পৌঁছলেন পাণ্ডবেরা

পর্ব-৪৫: পরশুরামের আশ্রমে এসে পৌঁছলেন পাণ্ডবেরা

মুনি যুধিষ্ঠিরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘হে মহারাজ, এই হল সেই মহাসমুদ্র, যা থেকে দেবতারাও উত্পরন্ন হয়েছেন।’ জলের অধিপতি বরুণদেবকে স্মরণ করে যুধিষ্ঠির সেই মহাসমুদ্রেও অবগাহন করলেন।

read more
পর্ব-৪৪: বনের পথে গল্প রাশি রাশি— যাত্রাপথ যত এগোয় তত অভিজ্ঞতার ঝুলি ভরে ওঠে পাণ্ডবদের

পর্ব-৪৪: বনের পথে গল্প রাশি রাশি— যাত্রাপথ যত এগোয় তত অভিজ্ঞতার ঝুলি ভরে ওঠে পাণ্ডবদের

বিভাণ্ডকমুনি কোন একসময় তপস্যা করতে করতে পরিশ্রান্ত হয়ে তপস্থলীর পাশের এক সরোবরে স্নান করতে নামেন। সেই পথে স্বর্গের অপ্সরাশ্রেষ্ঠা উর্বশীকে যেতে দেখে তাঁর তপঃক্লান্ত মন উচাটন হয়।

read more
পর্ব-৪৩: সমুদ্রশোষণ তো হল, এবার পূরণ করবে কে?

পর্ব-৪৩: সমুদ্রশোষণ তো হল, এবার পূরণ করবে কে?

ইক্ষ্বাকুবংশের রাজা ছিলেন সগর। তিনি অপুত্রক ছিলেন। পুত্রকামনায় পত্নীদের সঙ্গে করে তিনি মহাদেবের তপস্যায় ব্রতী হন। তাঁর কঠোর তপস্যায় সন্তুষ্ট মহাদেব তাঁকে বর দেন।

read more
পর্ব-৪১: অবশেষে কালেয়দমন চিন্তায় অগস্ত্যমুনির শরণাপন্ন হলেন দেবতারা

পর্ব-৪১: অবশেষে কালেয়দমন চিন্তায় অগস্ত্যমুনির শরণাপন্ন হলেন দেবতারা

সত্যযুগে কালেয় নামের বহু দানব ছিল। তারা কশ্যপমুনির স্ত্রী কালার সন্তান ছিল। বৃত্রাসুরকে তারা নিজেদের নেতা হিসেবে নির্বাচন করে দেবতাদের পর্যুদস্ত করবার জন্য তৈরি হয়েছিল।

read more

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি

পর্ব-১৩৩: মহর্ষিকে অনুসরণ করে তাঁর পত্নীও বাড়ির পুজোতে যোগ দিতেন না

পর্ব-১৩৩: মহর্ষিকে অনুসরণ করে তাঁর পত্নীও বাড়ির পুজোতে যোগ দিতেন না

ঠাকুরবাড়িতে দুর্গাপুজো বন্ধ হলেও ছুঁয়ে যেত পুজোর আনন্দ। অনেকের স্মৃতিচর্চাতেই ধরা রয়েছে পুজো-আনন্দের খণ্ডচিত্র। নতুন পোশাকআশাক তখনও হত, মিলত পার্বণী। বিজয়ার দিন শুভেচ্ছা-বিনিময় আশীর্বাদ-বিতরণ তো ছিলই, সব থেকে বড় আকর্ষণ ছিল বিজয়াসম্মিলনীর।

read more
পর্ব-১৩২: কবিকন্যা মীরার স্বামী রবীন্দ্রনাথকে ভর্ৎসনা করেছিলেন

পর্ব-১৩২: কবিকন্যা মীরার স্বামী রবীন্দ্রনাথকে ভর্ৎসনা করেছিলেন

রবীন্দ্রনাথের ঔদার্যে সত্যিই চমকিত হতে হয়। নগেন্দ্রনাথকে ভিতর থেকে তিনি স্নেহ করতেন। তাঁর সাহিত্যপ্রীতি, সাহিত্যিকসত্তার জন্যই এই স্নেহ। তাই ভর্ৎসিত হয়েও জামাইবাবাজীবনকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতেই দেখেছিলেন।

read more
পর্ব-১৩১: মহর্ষি চেয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে মৃত্যু

পর্ব-১৩১: মহর্ষি চেয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে মৃত্যু

জীবনের প্রান্ত সীমায় পৌঁছে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ আবার জোড়াসাঁকোয় ফিরে এসেছিলেন। পার্ক স্ট্রিটে থাকার সময় তাঁর মধ্যে মৃত্যুচেতনা প্রবল হয়ে উঠেছিল। ‘বামাবোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক উমেশচন্দ্র দত্তকে বলেছিলেন, ‘এখন পুঁটুলি বাঁধা ঠিক হইয়া আছে, ডাক হইলেই চলিয়া যাইব।’

read more
পর্ব-১৩০: ঠাকুরবাড়ির জামাই রমণীমোহনকে মন্ত্রী করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ

পর্ব-১৩০: ঠাকুরবাড়ির জামাই রমণীমোহনকে মন্ত্রী করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ

রবীন্দ্রনাথের বড়দা দ্বিজেন্দ্রনাথের সত্যি তুলনা হয় না। কত দিকে তাঁর আগ্রহ ছিল, প্রতিভার বিচ্ছুরণ আমাদের অভিভূত করে। সাহিত্যে, দর্শনে, সংগীতে, গণিতশাস্ত্রে — নানাদিকে সাফল্য। গল্পের মতো তাঁর দৈনন্দিন জীবন, সারল্যে ভরপুর। দ্বিজেন্দ্রনাথের দুই কন্যা বধূ হয়ে গিয়েছিলেন রামমোহন রায়ের পরিবারে। প্রিন্স দ্বারকানাথের সঙ্গে রামমোহনের বন্ধুত্ব ছিল। দ্বিজেন্দ্রনাথ রামমোহন-পরিবারে তাঁর দুই কন্যার বিবাহ দিয়েছিলেন, ওই পরিবার থেকে বধূমাতাও এনেছিলেন।

read more
পর্ব-১২৯: চেন টেনে উমাচরণের জেল হয়েছিল

পর্ব-১২৯: চেন টেনে উমাচরণের জেল হয়েছিল

উমাচরণ ছিল ‘পুরাতন ভৃত্য’। রবীন্দ্রনাথ তাকে নিয়ে কখনও শান্তিনিকেতন গিয়েছেন, আবার কখনো বা শিলাইদহে। উমাচরণকে রবীন্দ্রনাথ খুবই পছন্দ করতেন। সবসময়ই হাসিখুশি, সরসতায় ভরপুর। তার হাঁটায়, চলায়, কথা বলায়, দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে হাস্যরসের অভাব হয়নি। এমন সব কাণ্ড করত, নিতান্ত বেরসিকও হেসে ফেলত। কবিও হাসতেন, খুব ভালোওবাসতেন তাকে।

read more

অনন্ত এক পথ পরিক্রমা

পর্ব-৭৬: ঈশ্বর যেমন জীব ছাড়া থাকেন না, তেমনই ভক্তও প্রভুকে ছাড়া থাকতে পারেন না

পর্ব-৭৬: ঈশ্বর যেমন জীব ছাড়া থাকেন না, তেমনই ভক্তও প্রভুকে ছাড়া থাকতে পারেন না

জীবনের সুখ-দুঃখ উভয়কে শান্তভাবে নিজের ভালো-মন্দ কাজের ফল বলে মনে করে। ও নিজে যতটা সম্ভব ভালোভাবে জীবনযাপন করার চেষ্টা করে। অপর কেউ কেউ, সব ঈশ্বরের দান মনে করে যথাসম্ভব অনাসক্ত এবং সন্তুষ্ট থাকতে চেষ্টা করে। অন্য কেউ কেউ সুখ-দুঃখকে সংসারের অবিচ্ছেদ কর্মফল অনুযায়ী পুরস্কার হিসেবে গ্রহণ করে।

read more
পর্ব-৭৫: শুদ্ধা-ভক্তিতে কামনা-বাসনা থাকবে না: শ্রীরামকৃষ্ণদেব

পর্ব-৭৫: শুদ্ধা-ভক্তিতে কামনা-বাসনা থাকবে না: শ্রীরামকৃষ্ণদেব

ঠাকুর বলতেন, “ঈশ্বরীকর্তা আমি অকর্তা” জেনে কাজ করা। “ভক্তি তার কিরূপ প্রিয়। খোল দিয়ে যাব যেমন গরুর প্রিয়, গপ গপ করে খায়।” ভক্ত রাগভক্তি, শুদ্ধা ভক্তি, অহেতুক ভক্তি চায় কেবল। কিছুই চায় না। কোনও কামনা নাই, তাঁকে ভালোবাসা আর, মত্ত হয়ে যাওয়া।

read more
পর্ব-৭৪: সত্য এক ও অদ্বিতীয়

পর্ব-৭৪: সত্য এক ও অদ্বিতীয়

সত্য এক ও অদ্বিতীয়। তাঁর প্রকাশ ভিন্ন ভিন্ন ভাবে হতে পারে। নাম ও রূপের পার্থক্য মাত্র। এক সেই চৈতন্য। এক সমুদ্রের জল ভিন্ন ভিন্ন পাত্রে ঢালার পর যেমন বালতির জল, কলসির জল, ঘটির জল নামে ডাকা হয়।

read more
পর্ব-৭৩: শরীরের প্রতি যেমন বেশি যত্নের দরকার নেই, তেমন অযত্ন করাও উচিত নয়

পর্ব-৭৩: শরীরের প্রতি যেমন বেশি যত্নের দরকার নেই, তেমন অযত্ন করাও উচিত নয়

চৈতন্যের না আছে জাত বিচার, না আছে উচ্চ নিচ। পশু-কীট-পতঙ্গ সবাই সমানভাবে তাতে সমাহিত হয়ে রয়েছে। আধ্যাত্মিক জীবন যাপনে মানে ঈশ্বর ও জগৎ সম্বন্ধে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। এমনকি নিজের শরীরের প্রতি যেমন অত্যাধিক যত্নের প্রয়োজন নেই, তেমন আবার অযত্ন করাও উচিত নয়।

read more
পর্ব-৭২: শ্রীমা অবিরাম তৃষিত হৃদয়ে স্বর্গীয় আলো সঞ্চার করে চলেছেন

পর্ব-৭২: শ্রীমা অবিরাম তৃষিত হৃদয়ে স্বর্গীয় আলো সঞ্চার করে চলেছেন

স্বামীজি বলতেন, যে জ্ঞানে গুরু উড়ে যায়, সে জ্ঞান জ্ঞান নয়, অজ্ঞান। বিচার করে কূলকিনারা পাওয়া যায় না। তত্ত্ব জ্ঞান যে জগতে প্রতিটি জীবের উপর এমনভাবে প্রয়োগ করা যায়, মাকে না দেখলে বোঝা যায় না। সবার উপর সমান মাতৃত্ববোধ এমনকি, শ্রীরামকৃষ্ণের উপর…

read more

যত মত, তত পথ

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

বিবেকের কাছে

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

আলোকের ঝর্ণাধারায়

পর্ব-৯৫: ঠাকুর বলতেন—‘যে সয় সে রয়’

পর্ব-৯৫: ঠাকুর বলতেন—‘যে সয় সে রয়’

সরলাবালা যখন বোসপাড়া লেনে সিস্টার নিবেদিতার স্কুলে পড়তেন, তখন একদিন স্কুল ছুটির পর সুধীরাদিদি তাঁদের চার-পাঁচজনকে নিয়ে শ্রীমার বাড়িতে গেলেন। প্রসঙ্গত, সুধীরাদি নিবেদিতার সহকারিণী ছিলেন। তাঁর পাশে সবসময় থাকতেন। সুধীরাদি সরলাদের নিয়ে এলেন যখন, তখন সারদা মা ঠাকুরঘরে আসনে বসেছিলেন। আর কুসুমদি তাঁকে একটি বই পড়ে শোনাচ্ছেন। মেয়েরা তাঁকে প্রণাম করলে শ্রীমা তাদের বসতে বললেন।

read more
পর্ব-৯৪: ‘মহেশ্বরের অনন্ত ধৈর্য’

পর্ব-৯৪: ‘মহেশ্বরের অনন্ত ধৈর্য’

শ্রীমার বাড়িতে সন্ধ্যের সময় ‘কাশীখণ্ড’ পাঠ হত। একবার পাঠের পর স্বামী অরূপানন্দ মা সারদার কাছে জানতে চান যে, কাশীতে মৃত্যু হলে সবারই কি মুক্তি হয়? শ্রীমা বলেন যে, শাস্ত্রে বলে ‘হয়’। অরূপানন্দ বলেন যে, ঠাকুর তো কাশীতে দেখেছিলেন, শিব তারকব্রহ্ম মন্ত্র দেন। তা শ্রীমা সেখানে কি দেখলেন। শুনে শ্রীমা বলেন, ‘কি জানি বাপু, আমি তো কিছু দেখিনি’।

read more
পর্ব-৯৩: মা সারদার সঙ্গে সরলাদেবীর কাশীভ্রমণ

পর্ব-৯৩: মা সারদার সঙ্গে সরলাদেবীর কাশীভ্রমণ

বড়দিনের ছুটিতে মা সারদার কাছে থাকবেন বলে সুধীরাদি সরলাবালাদের নিয়ে কাশী যান। শ্রীমা তখন কাশীতে রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তিনি যোগেনমা আসতে পারল না বলে আক্ষেপ করতে লাগলেন। যোগেনমার অসুখ হয়েছিল, তাই সরলাদেবীর বড় ভাবনা হয়েছিল। সুধীরাদি কিছুক্ষণ কথা বলে যে ভাড়াবাড়ি তাদের থাকার জন্য ঠিক করা হয়েছে, তা দেখতে গেলেন।

read more
পর্ব-৯২: শ্রীমার সঙ্গে এক মেমসাহেবের কথোপকথন

পর্ব-৯২: শ্রীমার সঙ্গে এক মেমসাহেবের কথোপকথন

আজ দুর্গাষ্টমী। শ্রীমায়ের চরণপুজোর জন্য তাঁর পায়ে ভক্তদের দেওয়া ফুলবেলপাতার স্তূপাকার হয়েছে। এমন সময়ে বহুদূর থেকে তাঁর কাছে তিনজন গরীব পুরুষ আর মহিলারা দর্শন করতে এসেছেন। তারা একবস্ত্রে ভিক্ষা করে টাকা জোগাড় করে পথের খরচ চালিয়ে এসেছেন। এদের মধ্যে একজন পুরুষভক্ত শ্রীমার সঙ্গে গোপনে কথা বলেই চলেছেন।

read more
পর্ব-৯১: গরীব-দুঃখী মানুষদের প্রতি শ্রীমার ছিল অসীম করুণা

পর্ব-৯১: গরীব-দুঃখী মানুষদের প্রতি শ্রীমার ছিল অসীম করুণা

মা সারদা তাঁর ইহজীবনের শেষের দিকে প্রায়ই অসুস্থ হতেন। তবে তাঁর ঠাকুরের মতোই শরীরের অসুস্থতা মনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। ঠাকুরের স্নেহধন্য ভক্ত বলরাম বসুর পুত্র রামকৃষ্ণ বসু তাঁর দেহত্যাগের দু’চারদিন আগে একটি উইল করে যান। তখন শ্রীমা অসুস্থ হয়ে উদ্বোধনে ছিলেন। ওই উইল তৈরির পরদিন বিকেলেই শ্রীমার সেবিকা সরলাদেবী তাঁর কাছে উইলের কথা জানিয়ে বলেন যে, রামবাবু তাঁর উইলে ঠাকুরসেবা আর সাধুসেবার জন্য প্রচুর টাকার ব্যবস্থা করেছেন।

read more

নিবেদিতা নানা রূপে

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

গল্পের ঝুলি

শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/৩

শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/৩

সুবিনয় পায়চারি করছে ছাদে। ছাদের রেলিং ঘেঁষে বেশ কয়েকটি ফুলের টব। তাতে গাঁদা-চন্দ্রমল্লিকা-ডালিয়া ফুটে রয়েছে। ওরা বাপ-বেটি যে যখন সময় পায় পরিচর্যা করে ওদের। প্রিয়া ফুল খুব ভালোবাসে। বড় দুঃখী তার মেয়েটা। জন্মের মাত্র ছ’মাস পরেই মাকে হারাল। সুমিতা না থাকলে কী করে যে প্রিয়াকে মানুষ করত, ভাবতেও ভয় করে সুবিনয়ের।

read more
শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/২

শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/২

সিদ্ধার্থের যখন বয়স বারো, তখন একদিন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় অ্যাক্সিডেন্টে ভীষণভাবে আহত হয় বাবা। দিন তিনেক নার্সিংহোমে শুয়ে থাকার পর মারা যায়। একটুও কষ্ট তো সিদ্ধার্থের হয়ইনি, বরং স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল এই ভেবে, যে মাকে আর রোজ রোজ অপমানিত হতে হবে না। কিন্তু সিদ্ধার্থের ভাবনায় একটু ভুল ছিল।

read more
শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/ ১

শারদীয়ার গল্প: তখন বিকেল/ ১

ভারি মিষ্টি মেয়ে প্রিয়া। সিদ্ধার্থের যখন এমএ ফাইনাল ইয়ার, তখন ওর এক বন্ধু প্রিয়াকে পড়াবার কথা বলেছিল ওকে। প্রিয়ার তখন বিএ ফার্স্ট ইয়ার। একদিন বিকেলে ইউনিভার্সিটি থেকে ফিরে সিদ্ধার্থ কবিতাকে বলেছিল, “মা, একটা টিউশনি পেয়েছি। মেয়েটি ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে।

read more
এক বাক্স চিঠি/৩

এক বাক্স চিঠি/৩

ডাক্তার চৌধুরীর অ্যাপার্টমেন্টের দরকার পড়েনি। ওষুধও আনাতে হয়নি। তবে ঘুমের ওষুধগুলো সব শেষ হয়ে গিয়েছে। লাবণ্য ঘুমের মধ্যেই চিরদিনের মতো চিরঞ্জীবের কাছে ফিরে গিয়েছে।

read more
এক বাক্স চিঠি/৩

এক বাক্স চিঠি/২

হঠাৎ একটা শিরশিরে ঠান্ডা হাওয়ায় ঘুমটা ভেঙ্গে গেল। চাদরটা পায়ের কাছ থেকে নিতে গিয়েচমকে উঠল লাবণ্য টেবিলের পাশেচেয়ারে কে বসে? কে?

read more

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক

পর্ব-১৬৬ : ভাগ্য যখন ফেরে

পর্ব-১৬৬ : ভাগ্য যখন ফেরে

আফজল একটা কাঁচা খিস্তি মারল, তারপর বলল, “অপরাধীদের জন্য যতগুলি হিউম্যান রাইটস্‌ অরগ্যানাইজেশন সারা বিশ্বে চলে, সাধারণ মানুষের রাইটস্‌ নিয়ে ততটা কিন্তু চলে না। আপনি কোনও হিউম্যান রাইটস অরগ্যানাইজেশনকে দেখবেন না, যারা এই সমস্ত গ্যাং-এর ভিকটিম হিসেবে মারা গিয়েছে, তাদের হয়ে কথা বলতে। আমাদের সিস্টেম—ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত এত কোরাপটেড—আপনি তো জানেন, আমাদের পুলিশকেই কি লোকে সাধে এমনি-এমনি বদনাম করে?

read more
পর্ব-১৬৫ : কালাদেওর গুহায়

পর্ব-১৬৫ : কালাদেওর গুহায়

গুহাটি বেশ লম্বা, শেষ আর হয় না। হঠাৎ একজায়গায় এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল তারা তিনজনে। গুহাটি এতদূর এসে কে যেন দু’পাশ থেকে দু’হাতে চেপে গুহার যাতায়াতের পথ এতটাই সংকীর্ণ করে দিয়েছে যে, আরও এগোতে গেলে কোনভাবে দেওয়ালের দিকে মুখ করে এগোলে তবেই ওপাশে যাওয়া যাবে।

read more
পর্ব-১৬৪ : অতঃপর অভিযান

পর্ব-১৬৪ : অতঃপর অভিযান

আর্মির কর্নেল বললেন, “আপনার যুক্তি ঠিক মানছি, কিন্তু ধরুন অভিযান শুরু হওয়ার খব পাওয়ার পরে যদি তারা একইরকমভাবে প্রভাব খাটাতে চেষ্টা করে। পাবলিককে ক্ষেপিয়ে তুলে আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়, তখন? তখন কীভাবে তাদের সামাল দেবেন, সেই ব্যাপারটা নিশ্চয়ই আপনারা ভেবে রেখেছেন?”

read more
পর্ব-১৬৩ : রিমিতার ব্রেকিং-নিউজ

পর্ব-১৬৩ : রিমিতার ব্রেকিং-নিউজ

একেজি হাসলেন। শিশুসুলভ হাসি। বললেন, “হ্যাঁ হ্যাঁ, গতবার বলেছিলেন। আমারই খেয়াল থাকে না। মনে রাখার চেষ্টা করব এবার থেকে। এখন বসুন ইরাবতী।” ইরাবতী বসতে-বসতে বলল, “আর আপনি আজ্ঞেও ছাড়তে হবে স্যার। আপনার অন্যান্য অফিসারদের আপনি যেমন নাম ধরে ডাকেন এবং তুমি বলেন, আমাকেও তেমনই বলতে হবে। হতে পারে তাঁরা আপনার স্নেহের যোগ্য, কিন্তু আমিও সময় পেলে সেই যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত!”

read more
পর্ব-১৬২ : আঁধারে আলো

পর্ব-১৬২ : আঁধারে আলো

উল্লাস সেই সন্ধ্যার দিকে ফোন করেছিল। তার কিছু পরে মেসেজ। এখন ঘড়ির কাঁটায় তার সাড়ে তিনটে। ক্লান্তিতে ঘুম জাঁকিয়ে আসার কথা। কিন্তু ঘুমের কোনও তাড়নাই নেই তার মধ্যে। এই সময় উল্লাসকে ফোন করা অমানবিক হবে ভেবে শাক্য তাকে একটা মেসেজ করল, “খুব বিজি ছিলাম। কাল সকালে কথা বলবো” বলে। সে আশা করেছিল, কাল সকালে মেসেজ দেখে উল্লাস রিপ্লাই দিলে সে তাকে ফোন করে নেবে। নিশ্চয়ই কোন গুরুত্বপূর্ণ আপডেট আছে, না-হলে উল্লাস এতবার ফোন করত না। এই মুহূর্তে উল্লাস থাকলে ম্যাসাজ নেওয়া যেত। সারাদিনের হেকটিক শিডিউলসের পরে ম্যাসাজ জাস্ট চার্মিং রিফ্রেশমেন্ট। কিন্তু উপায় নেই। উল্লাস এখন আছে অনেক দূরে।

read more

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু!

পর্ব-১৩৩: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৪

পর্ব-১৩৩: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৪

ঠিক রাত পৌনে এগারোটায় ধৃতিমানের ফোনে ভয়েস মেসেজ। নীলাঞ্জনার ভয়েস মেসেজ ফরোয়ার্ড করেছেন শ্রেয়া। এই মেসেজ আদালতে জবানবন্দি হিসেবে গণ্য হবে না। আজ কালার ফিউশন স্টুডিও থেকে আসার আগে শ্রেয়া নীলাঞ্জনাকে বুঝিয়ে এসেছে।

read more
পর্ব-১৩২: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৩

পর্ব-১৩২: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১৩

শ্রেয়া বাইরে বের হলে সবসময় সঙ্গে পিস্তল রাখে। অস্ট্রিয়াতে তৈরি আধুনিক গ্লক-১৭ মেক ৯এমএম পিস্তল। তার শরীরের সঙ্গে হাতের আড়ালে লেগে থাকা কাঁধে লাগানো পিস্তল রাখার শোল্ডার হোলস্টার। শ্রেয়া ডানহাতি। তাই বামকাঁধের তলায় প্রায় আট ইঞ্চি লম্বা ফুল সাইজ লোডেড পিস্তল রাখা। প্রায় ৯০০ গ্রাম ওজন আর ডান কাঁধের নিচে দুটি লোডেড ম্যাগাজিন।

read more
পর্ব-১৩১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১২

পর্ব-১৩১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১২

সঠিক লাঞ্চের সময় শ্রেয়া ও ধৃতিমান কালার ফিউশন স্টুডিয়োতে পৌঁছল। জায়গাটা রুবি জেনারেল হাসপাতালের পাশে আরবানা কমপ্লেক্সের পিছনে। অফিসের জিপ। শ্রেয়া সামনে বসে ছিল। বাড়ির থেকে নিতে এলে অন্যান্য দিন শ্রেয়া পিছনের সিটেই বসে। স্বাভাবিক থাকে। আজ খুব চুপচাপ ছিল।

read more
পর্ব-১৩০: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১১

পর্ব-১৩০: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১১

যন্ত্রণার অতীত ধৃতিমানেরও আছে। বাবুর এই পোষ্যটি ছোট্টবেলার সঙ্গী। বুবু তাঁর আত্মার আত্মীয়। সেই রানাঘাটের বাড়ি থেকে তার সঙ্গে রয়েছে। তখন বাবা-মা সকলে ছিলেন। এখন কেউ বুবুর বয়েস জানতে চাইলে, ‘অত হিসেব করি না’ বলে এড়িয়ে যায়। আসলে তার ভয় হয়। বুবুকে হারিয়ে ফেলার ভয়। মাকে যেমন আচমকা হারিয়ে ফেলেছিল। মা যখন চলে গেলেন বাবু তখন ক্লাস নাইন। বাবু একা আর ভাই বোন নেই। কাছের বলতে ছিল বুবু।

read more
পর্ব-১২৯: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১০

পর্ব-১২৯: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১০

এখন অনেক রাত। একা একা যখন ঘুম আসে না। তখন সারাদিনে ঘটে যাওয়া অসংখ্য ঘটনা থেকে টুকরো টুকরো অংশগুলো মনের ব্ল্যাকবোর্ডে জিজ্ঞাসা চিহ্ন দিয়ে লেখা হতে থাকে। সে ভাবেই আজ হঠাৎ শ্রেয়ার ব্যাপারটা এলো! দ্রুত চলে এলো দৃশ্যগুলো। সিনেমাতে একে মন্তাজ বলে। পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কহীন কতকগুলো দৃশ্য জুড়ে অন্য একটা মানে তৈরি হয়। জাক্সটাপোজ অফ শটস!

read more

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৮: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৮: আকাশ এখনও মেঘলা

দিয়া উত্তর না দিয়ে শুধু একবার তাকাল। দিয়ার মা ভাবছেন যেখানে তাঁকে কাজ করতে হবে, সেখানে তাঁর মেয়ের এতটা কাঠিন্য কি ঠিক। মায়ের হাতটা ধরে তাঁকে নিয়ে ঠান্ডাঘর থেকে বাইরের গরমে বেরিয়ে এল দিয়া! সেখানে অনেক মানুষের ভিড়! তারা বুকিং করাচ্ছেন। সেই ভিড় ঠেলে যেতে যেতে দিয়া ভাবার চেষ্টা করছে, সামনে বেরিয়ে বাঁদিকেনা ডানদিকে গেলে কাছাকাছি জেরক্সের দোকান পাওয়া যাবে।

read more
পর্ব-৬৭: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৭: আকাশ এখনও মেঘলা

দিয়া প্রথম দিন এসেছিল। বিশু পাল সেদিন ছিলেন না। গ্যাস কোম্পানিতে কোনও মিটিং ছিল। সেখানে গিয়েছিলেন । বাইরে যেখানে বসে মাকে কাজ করতে হবে, সেখানে বেশ গরম । দেওয়ালে লাগানো টেবিল ফ্যান ঘুরছে। এই টেবিল ফ্যানগুলো দেখলেই দিয়ার মনে হয় – টেনে টেনে না বলছে ফ্যানটা। না, না, না— কিন্তু কেউই তার কথা শুনছে না।

read more
পর্ব-৬৬: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৬: আকাশ এখনও মেঘলা

মায়েরটা অন্যরকম। একটা মানুষকে ঘিরে এত বছরের যৌথজীবনে একটা ছেদ। হঠাৎ যেন একটা ভয়ঙ্কর শূণ্যতা। দিয়া বোঝার চেষ্টা করেও যেন মায়ের একাকীত্ব বুঝতে পারে না। অপরের মনকে বোঝা খুব কঠিন। স্বামী-স্ত্রী-ছেলে-মেয়ে সকলেই হয়তো তাদের মতো চেষ্টা করে। কিন্তু বুঝতে পারে ? দিয়া তো চেষ্টা করেও পারে না।

read more
পর্ব-৬৫: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৫: আকাশ এখনও মেঘলা

মা ঠিক হয়ে গিয়েছিলেন। বলেছিলেন দিয়াই শবদাহের কাজ করবে। শববাহী গাড়িতে সামনের ড্রাইভারের সঙ্গে একজন আর পিছনে তিনজনের বসার জায়গা ছিল। দিয়া আর তার মা শান্তি পিছনে বসেছিল। সবটুকুই জীবনে প্রথমবার। মাকে নিয়ে এর আগে অ্যাম্বুল্যান্সে চেপে বাবাকে হাসপাতাল থেকে থেকে নিয়ে আসা বা আজ বাবার মৃতশরীর পিছনে নিয়ে এই শববাহী গাড়িতে শ্মশানে যাওয়া।

read more
পর্ব-৬৪: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৬৪: আকাশ এখনও মেঘলা

চিনিছাড়া চা! সেদিন বাবার ঘুম ভাঙছে না। দু’ চারবার স্বাভাবিকভাবে ডাকার পর দিয়া ভয় পেয়ে গেল। ডাকাডাকিতে মার ঘুম ভেঙে গেছে। আচমকা ঘুম থেকে উঠেই নিজের সব থেকে প্রিয় মানুষকে নিথর হয়ে থাকতে দেখে মায়ের কথা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ মুখ থেকে একটা গোঁগোঁ শব্দ করতে করতে মা গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে উঠেছিলেন।

read more

গা ছমছমে ভৌতিক উপন্যাস: মিস মোহিনীর মায়া

পর্ব-৯: মোহাবিষ্ট মায়াবী কণ্ঠস্বর, চেনা বলার ঢং, তবে কি মোহিনী?

পর্ব-৯: মোহাবিষ্ট মায়াবী কণ্ঠস্বর, চেনা বলার ঢং, তবে কি মোহিনী?

গতরাতে যিনি টেলিফোনে এসেছিলেন। আমার পাশে দাঁড়ানো মেয়েটির শরীরের ঘ্রাণ আমার নাকে। শ্মশানে আগুনে দাহ হতে থাকা চামড়া মাংস পোড়া গন্ধ।

read more
পর্ব-৮: মাথার চুলটা পেছন থেকে এসে মুখটাকে ঢাকা দিয়ে দিয়েছে, মেয়েটি কি লাইনে ঝাঁপাতে চাইছে?

পর্ব-৮: মাথার চুলটা পেছন থেকে এসে মুখটাকে ঢাকা দিয়ে দিয়েছে, মেয়েটি কি লাইনে ঝাঁপাতে চাইছে?

সাঁতার কাটলে বেশ খিদে পায়। ডাক্তারবাবুর নির্দেশে আমি অবশ্য ঠিক সাঁতার কাটি না। জলের মধ্যে চলবার চেষ্টা করি। এটাও যথেষ্ট শ্রম সাপেক্ষ। অন্তত আমার মতো ওজনের লোকের কাছে।

read more
পর্ব-৭: সত্যিই চমকে উঠলাম, আমি কী ভাবছি তা উনি বুঝলেন কী করে?

পর্ব-৭: সত্যিই চমকে উঠলাম, আমি কী ভাবছি তা উনি বুঝলেন কী করে?

হঠাৎ আমার ঘরের ফোনটা বেজে উঠলো। এত রাতে কার ফোন? মার শরীর খারাপ-টারাপ হল না তো? আমাদের বাড়িতে যিনি কাজ করেন তার নাম বা পদবি আমি জানি না।

read more
পর্ব-৬: সাদা ধবধবে মার্বেলের ওপর ভিজে পায়ের ছাপ ওয়াশরুম থেকে ঘরের দিকে গিয়েছে

পর্ব-৬: সাদা ধবধবে মার্বেলের ওপর ভিজে পায়ের ছাপ ওয়াশরুম থেকে ঘরের দিকে গিয়েছে

রুমের টেলিফোনটা বাজছে। আমার সামনের বড় আয়নাটার পাশে দেওয়ালে লাগানো লাল টুকটুকে ছোট্ট ফোনটাও মৃদুস্বরে তার অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে।

read more

দুই বাংলার উপন্যাস: বসুন্ধরা এবং…

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৭: মিরাক্যাল

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৭: মিরাক্যাল

অর্কপ্রভর সঙ্গে সানন্দার সম্পর্কটা বিষিয়ে গিয়েছে। প্রণয় আর বাবলির সম্পর্কটা থমকে আছে। বাবলির সঙ্গে কথা বলে আমার বারবার মনে হয়েছে। প্রণয়কান্তির এত দুর্ব্যবহার সত্ত্বেও বাবলি যেন অবচেতন মনে তাকে ক্ষমা করে দিচ্ছে। বারবার। প্রণয়ও কিন্তু নানা অন্যায় করলেও এখনও অন্যকোনও স্থায়ী সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েনি।

read more
বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৬: টেলিপ্যাথি

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৬: টেলিপ্যাথি

শিবানীর মেয়ে ঈশানী এখন সবে ক্লাস এইট। ও কসবার হালতুর অনেকটা ভিতরে একটা এককামরার ফ্ল্যাট কিনতে পেরেছে। লেনিননগরেরবাড়ি বিক্রির যে টাকা, তার সঙ্গেই শিবানীর এতদিনের জমানো টাকা মিলিয়ে বাড়িটা কেনা সম্ভব হয়েছে। ছোটকা কে.কে চেয়েছিলেন শিবানীকে সাহায্য করতে।

read more
দুই বাংলার উপন্যাস: বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৫: অরুণাভ-বাবলির যোগাযোগ প্রণয়ের মনে সন্দেহ বাড়াচ্ছে

দুই বাংলার উপন্যাস: বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৩৫: অরুণাভ-বাবলির যোগাযোগ প্রণয়ের মনে সন্দেহ বাড়াচ্ছে

অরুণাভ এবং বাবলির যোগাযোগ নিয়ে প্রণয়ের সন্দেহের মাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। কিন্তু অরুণাভ এখন টেলিভিশনের পরিচিত মুখ। পয়সা দিয়ে চারটি গুন্ডা পাঠিয়ে তাকে ধমকধামক দিলে ফল হিতে-বিপরীত হতে পারে। আর গোপনে দু’জনের ছবি তুলে পরকীয়ার অপরাধে বাবলিকে যে প্রণয় ডিভোর্স দিয়ে দেবে তেমন কোনও সম্ভাবনাই নেই।

read more
পর্ব-৩৪: ভুল চিকিৎসার জন্য ক্ষতিপূরণ দিয়েছিল ডাঃ অর্কপ্রভ

পর্ব-৩৪: ভুল চিকিৎসার জন্য ক্ষতিপূরণ দিয়েছিল ডাঃ অর্কপ্রভ

সানন্দা বসুন্ধরা ভিলার মেয়ে না হলে এত কিছু করা সম্ভব হয়তো হতো না। পিছনে বসুন্ধরা ভিলার প্রচ্ছন্ন সাহায্য থাকার কারণেই তার কোন ক্ষতি করার কথা অর্কপ্রভ ভাবতেও পারেনি।

read more
পর্ব-৩৩: রাজনীতিতে বাবু দাদা

পর্ব-৩৩: রাজনীতিতে বাবু দাদা

দিদি শান্তিলতা চিরটাকাল ভীতু! কোনওদিন মুখফুটে নিজের জন্য কিছু চায়নি। কোনও কিছুর প্রতিবাদ জানায়নি। ওর যে মন্তেসরি নিয়ে পড়াশোনা করে বাচ্চাদের স্কুলে পড়াবার ইচ্ছে ছিল সেটাও বলেছে অনেক পরে।

read more

দেওয়াল পারের দেশ

কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি

আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।

 

 

Skip to content