
ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।
|| ফোটোগ্রাফ-৯ ||
একত্রবাস করতে করতে স্বামী-স্ত্রী, রুম শেয়ার করা দুই বন্ধু বা দুই বান্ধবী যেমন পরস্পরের পছন্দ-অপছন্দ ভালোলাগা মন্দলাগা জেনে যান, বাবু আর বুবু তেমনই একে ওপরকে জানে চেনে। কাকাতুয়া বুবু, বাবুর ছোট্টবেলার সঙ্গী। নামেই পাখি। বাবু একাই। আর ভাই-বোন নেই। মা যখন চলে গেলেন বাবু তখন ক্লাস নাইন। সেই থেকে বুবু সঙ্গে আছে।
সত্যের অনুসন্ধানে ধৃতিমানকে বাস্তব জীবনের এরকম অনেক পাটিগণিত বীজগণিতের অজানা প্রশ্নের সমাধান করতে হয়। পৃথিবীতে মানবজীবন সবথেকে জটিল। কারণ অসত্য বলার, মিথ্যে ছলচাতুরি অভিনয় করার বা শুধু হিংসার কারণে বা নিজের জেদ বজায় রাখতে অন্যের ক্ষতি করার ভয়ংকর বদগুণগুলো পশুপাখি, গাছপালা এদের ঈশ্বর দেননি। মানুষের মধ্যে দিয়েছেন। কারণ দোষে-গুণে মানুষকে ভালো বা খারাপ হয়ে উঠতে হয়। প্রকৃতির আর কারও সে দায় নে
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু!, পর্ব-১২৮: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৯

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৫৪: শূর্পনখার কাহিনিতে, ষড়রিপুর প্রভাব, এক শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত নয় কী?

উত্তম কথাচিত্র পর্ব-৮৮ : নেকলেস

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০১ : সত্য সামনে দাঁড়িয়ে হাসে, আর মূর্খ অন্যের ব্যাখ্যায় তাকে খোঁজে!
সৎ বা অসৎ নারকেল গাছ হয় না। আমরা মুখে বলি বটে সাপের মতো হিংস্র। কিন্তু সাপ তো ভয় পেয়ে কামড়ায়। নিজের কর্তৃত্ব ফলাতে পশুপাখিরা কোনও কাজ করে না। সত্যবাদী বা মিথ্যেবাদী ধানগাছ হয় না। মানুষের মন এইসব ভয়ংকর বিষে টইটুম্বুর। তাই তাদের বিচার করতে গিয়ে সরাসরি পাটিগণিত বীজগণিত বা জ্যামিতির সম্পাদ্য উপপাদ্যতে কাজ হয় না। ফিজিক্স কেমিস্ট্রি বায়োলজি আর সাইকোলজিকে পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার করতে হয়।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৫৯ : ভোরের রক্তাক্ত কবিতা

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯৮ : বিনা বিচারে আটকদের নিয়ে রাজা বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্যকে চিঠি লিখেন নেহরু
মানুষের মন অদ্ভুত। মন যখন অন্য মনে যায় মানে অন্যমনস্ক হয়। তখন আশপাশের কিছুই খেয়াল থাকে না। দৃষ্টি বা শ্রবণশক্তিরা কাজ করা বন্ধ করে। এই যেমন এখন হলো। বুবু। বুবু থেকে পশু পাখি। গাছপালা। এইসব দিকে মন চলে গেল। কানে আর শ্রেয়ার মোবাইলের একটানা বেজে যাওয়া রিংটোন পৌঁছয়নি। ফোনটা কেটে গেল। খেয়াল হতেই জিভ কেটে বাবু যখন শ্রেয়াকে আবার ফোন করতে যাচ্ছে, ততক্ষণে আবার শ্রেয়া ফোন করেছে।
— হ্যালো বলুন!
— খুব রাগ হয়েছে না!
— রাগ? না তো! আসলে একটু দূরে ছিলাম আসতে আসতেই ফোনটা কেটে গেল।
— না কি ইচ্ছে করে ধরলেন না?
— কী মুশকিল? আমরা কি স্কুলে পড়ি?
— আসতে অসুবিধে হয়েছে না! অ্যায়াম সরি!
— না না আপনি তো লোকাল থানার এস আই বরুণ দত্তকে বলে দিয়েছিলেন। উনি আমায় টালিগঞ্জে ছেড়ে গিয়েছেন। মানে মহানায়ক উত্তমকুমার।
— ওভাবে দুম করে চলে এলাম, আপনার নিশ্চয়ই খুব খারাপ লেগেছে।
— না ঠিক খারাপ নয়!
— ও খারাপ লাগেনি!
— না! তবে খুব অবাক হয়েছি!
ও প্রান্ত শব্দহীন।
— এভাবে চলে গেলেন, হঠাৎ কোন আর্জেন্সি ছিল?!
— উঁহু!
— হ্যালো বলুন!
— খুব রাগ হয়েছে না!
— রাগ? না তো! আসলে একটু দূরে ছিলাম আসতে আসতেই ফোনটা কেটে গেল।
— না কি ইচ্ছে করে ধরলেন না?
— কী মুশকিল? আমরা কি স্কুলে পড়ি?
— আসতে অসুবিধে হয়েছে না! অ্যায়াম সরি!
— না না আপনি তো লোকাল থানার এস আই বরুণ দত্তকে বলে দিয়েছিলেন। উনি আমায় টালিগঞ্জে ছেড়ে গিয়েছেন। মানে মহানায়ক উত্তমকুমার।
— ওভাবে দুম করে চলে এলাম, আপনার নিশ্চয়ই খুব খারাপ লেগেছে।
— না ঠিক খারাপ নয়!
— ও খারাপ লাগেনি!
— না! তবে খুব অবাক হয়েছি!
ও প্রান্ত শব্দহীন।
— এভাবে চলে গেলেন, হঠাৎ কোন আর্জেন্সি ছিল?!
— উঁহু!
আরও পড়ুন:

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৫২: কূটবণিক্-জাতক — ভাণ্ডার তোর পণ্ড যে হয়

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৬ : ‘বসন্তবায় মোরে জাগায় পল্লব কল্লোলে’
আবার শ্রেয়া নিশ্চুপ! ধৃতিমান ভাবতে চেষ্টা করছিল ঠিক কি কি হয়েছিল তখন ! কিন্তু শ্রেয়ার পরের কথাগুলো সব স্পষ্ট করে দিলো।
— না আসলে আমার বুঝতে একটু ভুল হয়েছিল!
ধৃতিমানের অবাক প্রশ্ন
— কেন?
— জানি না। আমার মনে হল আপনি বোধহয় ফরেনসিকের গাড়িতে যাবেন।
— ফরেনসিকের গাড়িতে? আমি? কেন? আর সেদিন মফিজুলও ছিলো না!
— না থাক! আপনার গুণমুগ্ধ মানুষের তো অভাব নেই।
— না আসলে আমার বুঝতে একটু ভুল হয়েছিল!
ধৃতিমানের অবাক প্রশ্ন
— কেন?
— জানি না। আমার মনে হল আপনি বোধহয় ফরেনসিকের গাড়িতে যাবেন।
— ফরেনসিকের গাড়িতে? আমি? কেন? আর সেদিন মফিজুলও ছিলো না!
— না থাক! আপনার গুণমুগ্ধ মানুষের তো অভাব নেই।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৪: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— অলিভ রিডলে কচ্ছপ

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি
বলের লাইন থেকে সরে গিয়ে ধৃতিমান এই বুক সমান বাঊন্সার এড়িয়ে গেলো।
— তারপর! অমিতাভ হত্যারহস্য সন্ধানে, অতঃকিম?
— নায়িকা সন্ধান!
— মানে?
— যুদ্ধ হত্যা রেষারেষি সবকিছুর রুট ক্যজ খুঁজলে – এক বা একাধিক নায়িকার সন্ধান মেলে।
— আমি তো এখন মহিলার সঙ্গেই কথা বলছি!
— ইনভেস্টিগেটিং অফিসার ইজ অলওয়েজ বিয়ণ্ড জেন্ডার !
— আত্মহত্যা যে নয়, সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত? —চলবে।
— তারপর! অমিতাভ হত্যারহস্য সন্ধানে, অতঃকিম?
— নায়িকা সন্ধান!
— মানে?
— যুদ্ধ হত্যা রেষারেষি সবকিছুর রুট ক্যজ খুঁজলে – এক বা একাধিক নায়িকার সন্ধান মেলে।
— আমি তো এখন মহিলার সঙ্গেই কথা বলছি!
— ইনভেস্টিগেটিং অফিসার ইজ অলওয়েজ বিয়ণ্ড জেন্ডার !
— আত্মহত্যা যে নয়, সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত? —চলবে।
অমিতাভ হত্যারহস্য পরবর্তী পর্ব প্রকাশিত হবে আগামী বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬।
* জিৎ সত্রাগ্নি (Jeet Satragni) বাংলা শিল্প-সংস্কৃতি জগতে এক পরিচিত নাম। দূরদর্শন সংবাদপাঠক, ভাষ্যকার, কাহিনিকার, টেলিভিশন ধারাবাহিক, টেলিছবি ও ফিচার ফিল্মের চিত্রনাট্যকার, নাট্যকার। জিৎ রেডিয়ো নাটক এবং মঞ্চনাটক লিখেছেন। ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ নাটকের রচয়িতা, ‘বুমেরাং’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার। প্রকাশিত হয়েছে ‘জিৎ সত্রাগ্নি’র নাট্য সংকলন’, উপন্যাস ‘দুটি নভেলা’ ,‘পূর্বা আসছে’ ও ‘বসুন্ধরা এবং…(১/২/৩ খণ্ড)’ ও নাটক ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’। এখন লিখছেন ‘হ্যালো বাবু’এবং ‘আকাশ এখনও মেঘলা’।


















