শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

মীরা দেবী।

প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের রবীন্দ্রজীবনীতে আছে, ‘কবি এই প্রিয়দর্শন তেজস্বী যুবককে দেখিয়া অত্যন্ত প্রীত হন এবং তাহাকে কনিষ্ঠ কন্যা দানের সংকল্প করেন।’এই ‘তেজস্বী যুবক’টি বরিশালের সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের সদস্য বামনদাস গঙ্গোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় পুত্র নগেন্দ্রনাথ। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান তিনি, অভাব-অনটন ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী। পিতৃদেবের যৎসামান্য আয়, কোনোরকমে তিনি সংসার নির্বাহ করতেন, সন্তান-সন্ততিদের প্রতিপালন করতেন। দারিদ্র্যের যন্ত্রণা, পিতৃদেবের অসহায়তা প্রায় প্রতিদিনই প্রত্যক্ষ করেছেন নগেন্দ্রনাথ, এরই মধ্যে নিজেকে ঘিরে স্বপ্ন দেখতেন তিনি। তিনি স্বপ্নদর্শী ছিলেন বললে সব বলা হয় না, নগেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন উচ্চাভিলাষী। যাবতীয় প্রতিকূলতা অতিক্রম করে বিলেতে পৌঁছোবেন, উচ্চশিক্ষা নেবেন, এমন ভাবনা থেকেই চেনা-অচেনা অনেকের কাছে সাহায্য-প্রত্যাশায় গিয়েছিলেন তিনি। গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথের কাছেও।
সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে নগেন্দ্রনাথের নিবিড় যোগাযোগ ছিল। আদি ব্রাহ্মসমাজ সম্পর্কে তাঁর উন্নাসিকতা প্রথম আলাপেই রবীন্দ্রনাথ টের পেয়েছিলেন। তারপরও তাঁকে তেজস্বী মনে হয়েছিল। একটু বেশি রকমেরই উচ্চাকাঙ্ক্ষী, সেটা অবশ্য রবীন্দ্রনাথের কাছে দোষের মনে হয়নি, সুদর্শন নগেন্দ্রনাথকেই জামাতা হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন।

বিবাহ হয় ৫ জুন ১৯০৭। ২৮ জুন নগেন্দ্রনাথ উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। শ্বশুরমশায়ের অর্থানুকূল্যেই বিদেশযাত্রা। অর্থ জোটাতে রবীন্দ্রনাথকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল। ভাগ্নে সত্যপ্রসাদের কাছ থেকে টাকা ধার করে জামাতার জাহাজের টিকিট কিনে দিয়েছিলেন তিনি।
কলকাতায় বৃষ্টি

নগেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়।

রবীন্দ্রনাথ এর আগে জ্যেষ্ঠ কন্যা মাধবীলতার স্বামী শরৎকুমার চক্রবর্তীকে ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য ইংল্যান্ডে পাঠিয়েছিলেন। জামাইরা প্রতিষ্ঠিত হোক, কন্যারা সুখে থাকুক, এই ভাবনা থেকেই অন্য খরচ কাটছাঁট করে তাঁদের বিলেত-বাসের খরচ জুগিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ।

নগেন্দ্রনাথ ও মীরার দাম্পত্যজীবন সুখের হয়নি। পরস্পরের মধ্যে মন কষাঘষি, ঝগড়া-বিবাদ এসব ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। সেসব খবর রবীন্দ্রনাথের কাছে পৌঁছে যেত, কবি দুঃখও পেতেন। নানাভাবে চেষ্টা করেছেন তাঁদের জীবনে শান্তি আসুক। উপাচার্য আশুতোষ মুখোপাধ্যায়কে বলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার চাকরি নগেন্দ্রনাথকে করে দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। উচ্চপদে চাকরি, পদটি ছিল ‘গুরুপ্রসাদ সিং প্রফেসর অফ এগ্রিকালচার’। মাসমাইনে পাঁচশো টাকা, টাকার অঙ্কটি সেকালের বিচারে খুব কম নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পাওয়ার আগে নগেন্দ্রনাথ শিলাইদহে জমিদারি-দেখাশোনা করতেন। তাঁর উপর রবীন্দ্রনাথ পতিসর কৃষি ব্যাংকেরও কিছু দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এর জন্য তিনি মাসোহারাও পেতেন।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩১: মহর্ষি চেয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে মৃত্যু

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৩১: যে পালিয়ে বেড়ায়

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৩৩: আকাশ এখনও মেঘলা

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৫: পূর্বোত্তরে আন্তরাজ্য সীমা বিবাদ

মীরার ভালো না থাকা রবীন্দ্রনাথকে পীড়িত করেছিল, কন্যা ও জামাতার মধ্যে মানসিক দূরত্ব দিনে দিনে বেড়েছিল। ভঙ্গুর সম্পর্কের দায় সরাসরি নগেন্দ্রনাথের উপর চাপিয়ে দিতে চাননি রবীন্দ্রনাথ। বরং তাঁর সাহিত্যপ্রীতি কবির মনে বাড়তি আনুগত্য তৈরি করছিল। নগেন্দ্রনাথ প্রবন্ধ লিখতেন, শিশুসাহিত্যের চর্চা করতেন। বাংলা ভাষার প্রথম পুজোবার্ষিকী তাঁরই পরিকল্পনায়, সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল। ‘পার্বণী’ প্রকাশে রবীন্দ্রনাথেরও সমর্থন ছিল। নগেন্দ্রনাথের প্রবন্ধের বইয়ের ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন কবি। সে বইয়ের ‘লেখকের কথায়’ নগেন্দ্রনাথ ‘পরম পূজনীয় বিশ্ববরেণ্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’ যে তাঁকে উৎসাহিত করেছিলেন, তা সানন্দে স্বীকারও করেছিলেন। নগেন্দ্রনাথ কবির গ্রন্থ-প্রকাশে, পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন। কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ সেসব কাজে নিজেকে সমর্পণ করেছিলেন। তিনি পাশে পেয়েছিলেন নগেন্দ্রনাথকে।
কলকাতায় বৃষ্টি

নীতীন্দ্রনাথ।

নগেন্দ্রনাথ বারবার প্রমাণ দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে কতখানি শ্রদ্ধাশীল তিনি। সেই শ্রদ্ধা কবিশ্রেষ্ঠ রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে। শ্বশুরমশায় হিসেবে রবীন্দ্রনাথকে তিনি যে সবসময় মেনে নিতে পেরেছেন, তা নয়। রবীন্দ্রনাথকে কটু কথা বলেছেন। অসম্মান করেছেন। অনেক সময় তাঁর কটূক্তি অসহনীয়ও হয়ে উঠেছে। রবীন্দ্রনাথকে পরিবারজীবনে কুকথা শুনতে হয়েছে, তা ভেবে আমরা বিস্মিত হই।

কনিষ্ঠ কন্যা মীরাকে নিয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাবনা- দুর্ভাবনার অন্ত ছিল না। দুর্ভাবনা বিদেশেও ধাওয়া করত। বিদেশে অবস্থানকালেও মীরার এমন সব চিঠি পেয়েছেন, যা কবিকে ভীষণ রকম বিচলিত করেছে। মীরা-নগেন্দ্রনাথকে সামলানোর, কলহ প্রশমনের দায়িত্ব অ্যান্ডরুজকে দিয়ে রবীন্দ্রনাথ বিদেশে গিয়েছিলেন। অ্যান্ডুরুজ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতেন, সর্বশেষ পরিস্থিতিও জানাতেন রবীন্দ্রনাথকে।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩০: অলৌকিকতার আবরণে লৌকিক-অনুভবের পরশ

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১০ : নায়ক ও মহাপুরুষ

নগেন্দ্রনাথ ও মীরার সন্তান নীতীন্দ্রনাথকে খুবই স্নেহ করতেন রবীন্দ্রনাথ। তাঁকে নিয়ে অনেক স্বপ্নও দেখতেন কবি। নীতীন্দ্রনাথ তখন ইংল্যান্ডে, ও দেশেই তাঁর স্কুলজীবন। সন্তানকে কাছে না পাওয়ার বেদনা মীরার মধ্যে তীব্র হয়ে উঠেছিল। নগেন্দ্রনাথের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়তেই থেকেছে। ছোটখাট ব্যাপারও নরেন্দ্রনাথের আচার-আচরণে বৃহৎ আকার ধারণ করত। মীরার চোখের জল রবীন্দ্রনাথকে সারাক্ষণই কষ্ট দিত।
কলকাতায় বৃষ্টি

মীরা : যখন ছোট ছিলেন।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে চাকরি রবীন্দ্রনাথ করে দিয়েছিলেন, সে চাকরির সুবাদে নগেন্দ্রনাথ বালিগঞ্জের সায়েন্স কলেজে একটি কোয়ার্টার পেয়েছিলেন। কতই বা দূরত্ব! তবু বালিগঞ্জ থেকে জোড়াসাঁকোয় আসতে পারতেন না মীরা। নগেন্দ্রনাথ নানা অজুহাতে তাঁকে আটকে রাখতেন। মীরার কোনো কাজেই স্বাধীনতা ছিল না।
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯০: শত্রুকে হারাতে সব সময় অস্ত্র নয়, ছলনারও আশ্রয় নিতে হয়

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৭: আবাবিল

জোড়াসাঁকোয় সেবার ‘শারদোৎসব’ অভিনীত হবে। শান্তিনিকেতন থেকে আশ্রমিকরা অনেকেই এসেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ আশা করেছিলেন মীরাও আসবে। দুঃখের বিষয়, নগেন্দ্রনাথ নিজের অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে তাঁকে জোড়াসাঁকো যেতে দেননি। এমন ঘটনা সেই যে প্রথম, তা নয়, বারবার ঘটেছে। শেষে রবীন্দ্রনাথের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। মীরাকে আসতে বলার জন্য অন্তত বার দুই কবি বালিগঞ্জে গিয়েছিলেন। আগেভাগে জানতে পেরে শ্বশুরমশায়কে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য সে সময় নগেন্দ্রনাথ বাড়িতে ছিলেন না। এভাবে ফিরে আসা রবীন্দ্রনাথের কাছে ছিল চরম অস্বস্তির, অপমানজনকও। অপমানিত রবীন্দ্রনাথ জামাতার উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠি থেকে জানা যায়, রবীন্দ্রনাথকে ভর্ৎসনা করেছিলেন নগেন্দ্রনাথ। জামাইবাবাজীবনকে কবি অবশ্য ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতেই দেখেছিলেন। দীর্ঘ চিঠির শুরুতেই রয়েছে অভাবনীয়-অপ্রত্যাশিত সেই ঘটনার সংক্ষিপ্ত উল্লেখ।
কলকাতায় বৃষ্টি

মীরার চিঠি, বাবাকে।

রবীন্দ্রনাথের লেখা সে চিঠির অংশবিশেষ তুলে দেওয়া যেতে পারে, ‘তোমার চিঠি অনেক ঘুরে ফিরে এখানে এসে আমার হস্তগত হয়েচে। সেদিন জোড়াসাঁকোয় তোমার সঙ্গে কথায় কথায় অসহিষ্ণুতা প্রকাশ করেছিলুম, সে জন্য তুমি আমাকে যে ভর্ৎসনা করেচ তা আমাকে প্রাপ্য বলে স্বীকার করে নিতে হবে। তোমার সঙ্গে কথা হবার পরেই মনে মনে যথেষ্ট অনুতপ্ত হয়েছিলুম। কিন্তু আঘাত করা সহজ তা প্রত্যাহরণ করা সহজ নয়, এমন কি ক্ষত-আরোগ্য হলেও তার স্মৃতি জমা হতে থাকে। শারদোৎসব উপলক্ষ্যে মীরাকে প্রথম হতেই জোড়াসাঁকোর বাড়িতে প্রত্যাশা করেছিলুম। তোমার শরীর অসুস্থ বলে তাকে অভিনয়ের পূর্ব্বদিনের আগে পাঠাতে চাওনি। তাই শুনে দুবার বালিগঞ্জে গিয়েছিলুম। দুবারই তোমার দেখা না পেয়ে ফিরে এসেচি।’
আরও পড়ুন:

রজনীর রবি

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১১০: মা সারদার মানবীলীলার অবসান

যাঁর কাছে রবীন্দ্রনাথ ভর্ৎসিত হয়েছেন, তিনিই আবার পরে অর্থ আদায়ে তৎপর হয়েছেন। নগেন্দ্রনাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন। সবেতন ছুটি, পথখরচা বিশ্ববিদ্যালয়ই দিয়েছিল। নগেন্দ্রনাথ পুত্র নীতীন্দ্রনাথকে তাঁর ভ্রমণসঙ্গী করে মীরার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিলেন। নীতীন্দ্রনাথকে যে বিদেশে নিয়ে যাচ্ছেন, তার কোনো আগাম পরিকল্পনাও ছিল না। নগেন্দ্রনাথের খরচ না হয় বিশ্ববিদ্যালয় দেবে, নীতীন্দ্রনাথের খরচা কে দেবে, কেন রবীন্দ্রনাথ!
কলকাতায় বৃষ্টি

রবীন্দ্রনাথ।

কবি তখন ‘অত্যন্ত নিঃস্ব ও ঋণগ্রস্ত’, সেই দুর্দিনেও পিয়ারর্সনের মাধ্যমে পাঁচশো টাকা নগেন্দ্রনাথের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। যে জামাই তাঁকে ভর্ৎসনা করেন, প্রতিদিন পারিবারিক শান্তি বিঘ্নিত করেন, হ্যাঁ, তাঁকেই রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন,’য়ুরোপের মহাদেশে তুমি যেখানেই যাও, আমার সঙ্গে তোমার সম্বন্ধ আছে, একথা জানলে যথেষ্ট পরিমাণ আদর ও আনুকূল্য পেতে তোমার কিছুমাত্র বিলম্ব হবে না।’

রবীন্দ্রনাথের ঔদার্যে সত্যিই চমকিত হতে হয়। নগেন্দ্রনাথকে ভিতর থেকে তিনি স্নেহ করতেন। তাঁর সাহিত্যপ্রীতি, সাহিত্যিকসত্তার জন্যই এই স্নেহ। তাই ভর্ৎসিত হয়েও জামাইবাবাজীবনকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতেই দেখেছিলেন।
* গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি (Tagore Stories – Rabindranath Tagore) : পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Parthajit Gangopadhyay) অবনীন্দ্রনাথের শিশুসাহিত্যে ডক্টরেট। বাংলা ছড়ার বিবর্তন নিয়ে গবেষণা, ডি-লিট অর্জন। শিশুসাহিত্য নিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে গবেষণা করে চলেছেন। বাংলা সাহিত্যের বহু হারানো সম্পদ পুনরুদ্ধার করেছেন। ছোটদের জন্য পঞ্চাশটিরও বেশি বই লিখেছেন। সম্পাদিত বই একশোরও বেশি।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content