শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

অসমে হোটেল ব্রহ্মপুত্রে ড. ভূপেন হাজারিকা, লতা মঙ্গেশকর ও অন্যান্যদের সঙ্গে শিল্পী সরোজ বড়ুয়া।

প্রাককথন: আমাদের আশেপাশে কত মানুষ, কত তাঁদের গুণ, কত তাঁদের অধ্যাবসায়, মনের মধ্যে কত জমে থাকা কথা। সে মানুষকে জানা হয় না, চেনা হয় না। কারণ আমরা সাফল্যের পোস্টার দেখে মানুষের গুণের বিচার করি। অসংখ্য প্রতিভা নানা কারণে যাঁদের জীবন সেভাবে আলোকোজ্জ্বল হয়ে ওঠেনি। মুখ্য আলোকবৃত্তের বাইরে গৌণ থেকে গিয়েছে যাঁদের অধ্যাবসায়, গুণ, কৃতিত্ব আমার খুব ঘনিষ্ঠ তেমন দু’জন অত্যন্ত গুণীজনের সঙ্গে আমার এবারের পুজোর আড্ডা। দুজনেই কলকাতার বাসিন্দা। একজন মধ্য কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার, অন্যজন দক্ষিণে বেহালার আর্কেডিয়া এলাকার। মোবাইল ফোনের আবিষ্কর্তা মোটোরোলা কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার মার্টিন কুপারের দৌলতে কলকাতা থেকে মহারাষ্ট্র এই প্রায় এক হাজার ৯০০ কিলোমিটারের দূরত্ব ঘুচিয়ে দুরন্ত আড্ডা দিলাম এঁদের সঙ্গে সেই কথোপকথনের বিবরণ নিয়ে এবারের পুজোয় নতুন প্রতিবেদন। এবারের অন্তরালের তারায় কলকাতার অন্যতম সেরা ম্যান্ডোলিন শিল্পী সরোজ বড়ুয়া

সরোজদাকে আমার দেখা অনেক আগে, পরিচয় পরে। দর্শক হিসেবে সরোজদাকে দেখেছিলাম প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ড. ভূপেন হাজারিকার মঞ্চ বা দূরদর্শন প্রতিটি অনুষ্ঠানেই অন্যতম যন্ত্রশিল্পীর ভূমিকায়। তারও অনেক পরে সরোজদার বেহালার ব্রাহ্মসমাজ রোডের আগের বাড়িতে আলাপ। তারপর অনেক স্মৃতি। আমার চিত্রনাট্যে ওমপুরী অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘের হিন্দি ছবিতে সলিল চৌধুরীর সঙ্গীত পরিচালনায় সরোজদার বাজানো।
● জিৎ: সরোজদা ছোটবেলা কোথায় কেটেছে?
●● সরোজ: আমার জন্ম রেঙ্গুনে! ছোটবেলাতেই কলকাতায় চলে আসি। ১৯৬৪-৬৫। আমাদের বাড়িতে না বেশ একটা গানবাজনার পরিবেশ ছিল। হারমোনিয়াম, গিটার নানান বাদ্যযন্ত্র আর বাবা-মা গান-বাজনা জানতেন। ছোটবেলায় দেখেছি হারমোনিয়াম বাজিয়ে বাবা স্কুলের বাচ্চাদের গান শেখাচ্ছেন। সেটা খুব ঝাপসা স্মৃতি। দাদাদিদিরা সবাই প্রায় নানা মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট বাজাতে জানতেন। ছোটবেলা থেকেই আমার কাছে তাই গানবাজনা বা মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট বাজানো এটা একটা ভয়ংকর কঠিন কাজ, আলাদা করে শিখতে হয় এমন কখনো মনে হয়নি। আমি অনেক ছোট তাই ওগুলোতে হাত দেওয়ার কোনও অধিকার আমার ছিল না। গানবাজনা শুনতাম দাদা-দিদিরা মিলে অর্কেস্ট্রা প্র্যাকটিস করত। দেখতাম। তখন বোধহয় বছর পাঁচেক বয়স। আমার বড়দার একটা ম্যান্ডোলিন যন্ত্র ছিল। কেউ যখন থাকত না। তখন ম্যান্ডোলিন নিয়ে নাড়াচাড়ার একটা দুঃসাহস জন্মালো! যেভাবে বড়দা বাজায় তখন তো সেভাবে যন্ত্রটা ধরতেও পারি না। কিন্তু তারে তারে আঙুল দিয়ে টুংটাং শব্দ করতাম। একদিন দিদি দেখে ফেলল!
আরও পড়ুন:

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০১: গ্রিন টি /৯

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৩৩: এ কে? এ কে গো?

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩২: কবিকন্যা মীরার স্বামী রবীন্দ্রনাথকে ভর্ৎসনা করেছিলেন

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৬: এক উপেক্ষিতা রাজকন্যার কথা

● জিৎ: তারপর? বকুনি?
●● সরোজ: আমি সেটাই ভেবেছিলাম। কিন্তু উল্টে আমায় দিদি বলল ‘আয় তোকে সারেগামাটা দেখিয়ে দিই’। ব্যাস! দিদির হাতে শুরু হল আমার ম্যান্ডোলিন শিক্ষা। ওই সারেগামা বাজাতে বাজাতে কানে শোনা একটু আধটু সুর বাজাতে শুরু করলাম। তারপর দিদির সাহায্যে গোটা রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজাতে শিখে গেলাম। প্রথমদিকে আরো কিছু মিউজিক পিস বাজাতাম, সেগুলো ঠিক কি এখন আর মনে পড়ে না। এই করতে করতে ওরা অর্কেস্ট্রেশনের যেসব গান বাজাতো ম্যান্ডোলিনে সেগুলো তুলে ফেললাম। বড়দা মেজদা সবাই স্ট্রিং ইনস্ট্রুমেন্ট বাজাতো। একটা গান খুব মনে আছে রবীন্দ্রসঙ্গীত “খরবায়ু বয় বেগে, চারিদিক ছায় মেঘে, ওগো নেয়ে, নাও খানি বাইয়ো।” এ বার একটা প্রোগ্রামে ওদের অর্কেস্ট্রা বাজবে। খুব স্বাভাবিকভাবে আমি দর্শক। হঠাৎ করে আমার মেজদা প্রোগ্রামের দুদিন আগে খুব অসুস্থ হয়ে পড়ল। এখন কী হবে কে বাজাবে তার জায়গায়? সবাই দুশ্চিন্তা করছে এমন সময় দিদি বলল ‘সরোজ বাজাবে’। শুনে সকলে হেসে অস্থির। ও কী বাজাবে? ও জানেই-বা কী? এতটুকু ছেলে, ইনস্ট্রুমেন্ট ধরল কবে? আমার থেকে আমার দিদির আত্মবিশ্বাস বেশি। দিদি বলল ‘ও ঠিক বাজাবে। দু’দিন হাতে সময় আছে ভালো করে রিহার্সাল করে নিলে ও ঠিক পারবে’। বয়স কম, ভয়ডর কম! দুর্দান্ত এনার্জি। নাওয়া-খাওয়া ভুলে দিনরাত ম্যান্ডোলিন বাজাচ্ছি। জীবনের প্রথম ফাংশন। বাজিয়ে দিলাম মেজদার জায়গায়। “খরবায়ু বয় বেগে” এখনও মনে আছে প্রোগ্রামের শেষে দর্শকরা আমাকে কাঁধে তুলে নিয়েছিল। সেই দিনটার কথা ভাবতে খুব ইচ্ছে করে বটে। কিন্তু খুব আবছা আবছাই মনে পড়ে। তারপর আমরা সবাই রেঙ্গুন থেকে কলকাতায় চলে এলাম। নিয়ে এলাম একটা গিটার আর ম্যান্ডোলিন এসে পড়লাম মুশকিলে।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৮: ছোট বাবুইবাটান

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১১ : অরিন্দম কহিলা বিষাদে

● জিৎ: কেন?
●● সরোজ: আজ থেকে ৬০ বছর আগে এই বেহালা অঞ্চলে কেউ ম্যান্ডোলিন যন্ত্রটার নামই শোনেনি! যন্ত্রের মেরামতি কোথায় হবে, যন্ত্রের তার কোথায় পাবো, আমি তো অকূল পাথারে পড়লাম। তখন গিটারের স্ট্রিং ম্যান্ডোলিনে লাগিয়ে বাজাবার চেষ্টা করছি আর কি! কিন্তু তখন তো গানে ম্যান্ডোলিন বাজতো তার মানে প্রফেশনাল মিউজিশিয়ন যাঁরা দু-একজন আছেন তাঁরা জানেন। তার মানে এই যন্ত্র এবং তার মেরামতি, স্ট্রিং সবই পাওয়া যায়! ধীরে ধীরে সব জায়গা চিনলাম, কলকাতার কোথায় এসব পাওয়া যায় জানলাম। তবে আমি চিরকালই খুব ঘরকুনো! বাইরে গিয়ে খেলাধুলো হুল্লোড় করা আড্ডা মারা এসব আমার চিরকাল অপছন্দ, বেশি কথা বলতে আমার ভালো লাগে না। সেই সময়টুকু আমার ম্যান্ডোলিনে সুর তুলতে অনেক বেশি ভালো লাগতো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাজিয়েও একটুও ক্লান্তি অনুভব করতাম না। আমার যন্ত্রটা নিয়ে আমি পড়ে থাকতাম। আর শেখাটা একেবারেই নিজে নিজে বলে আমি কোনওদিন শর্টকাট শিখিনি। আমি ভাবিইনি আমি ম্যান্ডোলীন বাজিয়েই টাকা রোজগার করব। এখানে একটা কথা বলছি কাউকে ছোট করার জন্য নয়। কিন্তু সময়টা না আমূল বদলে গিয়েছে। অনেক পরে আমি যখন একজন পেশাদার যন্ত্রসঙ্গীত শিল্পী তখন যেসব দুর্দান্ত মিউজিশিয়ানদের সঙ্গে বাজাতাম তারা সকলেই এরকমই ডিভোটেড ছিলেন- তবলায় রাধাকান্ত নন্দী বেহালায় সমীর শীল চন্দ্রকান্ত নন্দী বাঁশিতে ওরা এক একজন নিজের নিজের যন্ত্রে একেবারে ডুবে থাকতেন। ওঁদের একেবারে কাছ থেকে দেখেছি তো! আবার এখনকার সময়ের মিউজিশিয়ানদের কথা শুনি যদিও আমি এখন বাইরে একেবারেই বাজাই না। কিন্তু এখন পেশাদারী বাজিয়ে হবে বলেই লোকে ইনস্ট্রুমেন্ট ধরে ফলে তার বাজনাটা ওই পিস মিউজিক-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ওই টুকরোটুকুই বাজাতে জানে যন্ত্রটা নিয়ে পড়ে থেকে সময় দেওয়া যেটা ক্লাসিক্যাল মিউজিশিয়ানদের ক্ষেত্রে হয়, আমাদের মতো কমার্শিয়াল মিউজিশিয়ানদের শিক্ষাটাও সেরকমই ছিল অতটাই রক সলিড। যাই হোক এসব কথা বলা উচিত নয়, কে কীভাবে নেবেন? ব্যতিক্রমী গুণী যন্ত্রসঙ্গীতশিল্পী এখনো নিশ্চয়ই আছেন কিন্তু সংখ্যাটা বড্ড কম!
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯০: শত্রুকে হারাতে সব সময় অস্ত্র নয়, ছলনারও আশ্রয় নিতে হয়

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩২: লৌকিকও অলৌকিকের টানাপোড়েনের বিনির্মাণ—ঋষিকবির মহাকাব্য রামায়ণ

● জিৎ: এর পরের জার্নিটা?
●● সরোজ: হ্যাঁ সেটা বলার আগে একটা জিনিস বলতে ভুলে গিয়েছি! কলকাতার কলামন্দিরে আলাপ হয়েছিল মনোহারী সিং-এর সঙ্গে আরডি বর্মণের মেন অ্যারেঞ্জার। এই তো ২০১০ এ মারা গিয়েছেন!
● জিৎ: স্যাক্সোফোন?
●● সরোজ: হ্যাঁ, স্যাক্সোফোন এবং ফ্লুট-এর জন্যই বিখ্যাত। কিন্তু উনি ম্যান্ডোলিনও বাজাতেন।
● জিৎ: তাই?
●● সরোজ: হ্যাঁ, যখন এইচএমভি-তে চাকরি করতেন ১৯৫৩, সেই সময় বাজাতেন। তার মানে সেইসময় ম্যান্ডোলিনের চল ছিল। কলকাতায় হয়তো বিশেষ দু’একজন জানতেন সব মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট-এর দোকানদাররা অতটা অবহিত ছিলেন না। যাই হোক, প্রি-ইউনিভার্সিটি পাশ করার পর আমার মনে হল রেডিয়োতে তো ম্যান্ডোলিনটা আলাদা করে শোনা যায় না। কি খেয়াল হল, চলে গেলাম আকাশবাণী ভবনে।
আরও পড়ুন:

রজনীর রবি

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১১০: মা সারদার মানবীলীলার অবসান

● জিৎ: চেনাশোনা কেউ ছিল?
●● সরোজ: এক্কেবারে না! ভয়ে ভয়ে ঢুকে রিসেপশনে গিয়েই আটকে গেলাম! আমায় জিজ্ঞেস করলেন কার সঙ্গে দেখা করবো? আমি তো কিছুই জানি না। তারাও আমাকে চেনেন না আমিও তাদের কাউকে চিনি না। তবে যাই হোক ভদ্রলোককে বুঝিয়ে বললাম, তো উনি আমাকে কী ভাগ্যি ওয়েস্টার্ন মিউজিক সেকশনে পাঠিয়ে দিলেন। এই যাওয়াটা আমার কাছে একটা গেম চেঞ্জার। কেন সেটা পরে বলব। গিয়ে আমি প্রডিউসারের সঙ্গে দেখা করলাম। বয়স্ক ভদ্রমহিলা। মিসেস সরকার। ভুল না করলে বুলবুল সরকার। ওঁকে সব বললাম। উনি খুব মন দিয়ে আমার কথা শুনলেন তারপরে বললেন যে আকাশবাণীতে একটা পরীক্ষা দিতে হবে। আমি শুনে বললাম কী করতে হবে আমায়? উনি বললেন, একটা অ্যাপ্লিকেশন করতে হবে আর একটা ফর্ম দিচ্ছি সেটা ফিলাপ করে জমা করে দিতে হবে। আমি সেভাবে অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম সব জমা দিয়ে এলাম। সেটা ১৯৭২ সাল।
কলকাতায় বৃষ্টি

গানের মহড়া: ভূপেন হাজারিকা ও সরোজ বড়ুয়া।

● জিৎ: চিঠি এল?
●● সরোজ: হ্যাঁ! আমি মহা উৎসাহে ভালোভাবে প্র্যাকটিস করে অডিশনের দিন আকাশবাণীতে গেলাম। অপেক্ষা করছি। এক সময় আমার নাম ডাকলেন। স্টুডিওর সামনে যে বড় গেটটা ওখানে পৌঁছতেই যিনি অডিশন কনডাক্ট করছিলেন তিনি আমাকে বললেন, “শোনো, একটা মুশকিল হয়েছে। এই ম্যান্ডোলিনের কোনও পরীক্ষক পাওয়া যায়নি। তাই আজকে তোমার এই পরীক্ষাটা নেওয়া যাবে না।” আমি তো খুব আপসেট হয়ে গেলাম। তবে সেই প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ বয়স্ক মহিলা আমাকে বললেন, যে আমরা চেষ্টা করছি যদি পরীক্ষক পাই তাহলে তোমাকে আমরা আবার চিঠি পাঠাবো। কি আর করব বাড়ি ফিরে এলাম। এর বেশ অনেকদিন পর বোধহয় পরের বছর আবার আকাশবাণী থেকে বাড়িতে চিঠি এল। আবার ফর্মফিলাপ করে জমা দিতে বলা হল। আবার চিঠি দিয়ে অডিশনের ডেট জানানো হল। ক’দিন বাজিয়ে-টাজিয়ে উৎসাহ নিয়ে গেলাম। এবার কিন্তু পরীক্ষাটা হল। এবং আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলাম। তখন আমার ১৭ কি ১৮ বছর বয়েস! তারপর আকাশবাণী যাতায়াত শুরু হল। সেসময় আকাশবাণীতে যারা প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ থাকতেন, তাঁরা ভীষণ ভালোভাবে মিউজিক বুঝতেন। আমি যাঁর কাছে যেতাম তিনি মিসেস সরকার। তিনি বলে দিতেন এইটা বাজাবে ওইটা বাজাবে। এই ভদ্রমহিলা মিউজিকের ব্যাপারে বিদেশেও কাজ করে এসেছেন মিউজিক্যাল ওয়ার্ল্ডটা খুব ভালো করে জানতেন। খুব স্নেহ করতে আমায়। যাইহোক একদিন উনি আমাকে বললেন, “শোনো, সরোজ তোমাকে এক ভদ্রলোক দেখা করতে বলেছেন। অমুক তারিখে একটা ম্যান্ডোলিন নিয়ে সকালবেলায় তুমি এই ঠিকানায় চলে যাবে।” ঠিকানাটা দেখলাম ১৬ নম্বর অক্রুর দত্ত লেন বউবাজার কলকাতা ৭০০০১২ নির্দিষ্ট দিনে গিয়ে পোঁছে দেখলাম নেমপ্লেট “ভি বালসারা”। “আমার জীবনের সোনায় মোড়া স্মৃতি, ভি বালসারা আমাকে আকাশবাণী থেকে খবর পাঠিয়ে, প্রথম হিন্দুস্থান রেকর্ডসে নিয়ে গিয়েছিলেন!” —শারদ ষষ্ঠীতে পরের পর্ব
* জিৎ সত্রাগ্নি (Jeet Satragni) বাংলা শিল্প-সংস্কৃতি জগতে এক পরিচিত নাম। দূরদর্শন সংবাদপাঠক, ভাষ্যকার, কাহিনিকার, টেলিভিশন ধারাবাহিক, টেলিছবি ও ফিচার ফিল্মের চিত্রনাট্যকার, নাট্যকার। জিৎ রেডিয়ো নাটক এবং মঞ্চনাটক লিখেছেন। ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ নাটকের রচয়িতা, ‘বুমেরাং’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার। প্রকাশিত হয়েছে ‘জিৎ সত্রাগ্নি’র নাট্য সংকলন’, উপন্যাস ‘পূর্বা আসছে’ ও ‘বসুন্ধরা এবং…(১/২/৩ খণ্ড)’ ও নাটক ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ । এখন লিখছেন ‘হ্যালো বাবু’এবং ‘আকাশ এখনও মেঘলা’।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content