প্রাককথন: আমাদের আশেপাশে কত মানুষ, কত তাঁদের গুণ, কত তাঁদের অধ্যাবসায়, মনের মধ্যে কত জমে থাকা কথা। সে মানুষকে জানা হয় না, চেনা হয় না। কারণ আমরা সাফল্যের পোস্টার দেখে মানুষের গুণের বিচার করি। অসংখ্য প্রতিভা নানা কারণে যাঁদের জীবন সেভাবে আলোকোজ্জ্বল হয়ে ওঠেনি। মুখ্য আলোকবৃত্তের বাইরে গৌণ থেকে গিয়েছে যাঁদের অধ্যাবসায়, গুণ, কৃতিত্ব আমার খুব ঘনিষ্ঠ তেমন দু’জন অত্যন্ত গুণীজনের সঙ্গে আমার এবারের পুজোর আড্ডা। দুজনেই কলকাতার বাসিন্দা। একজন মধ্য কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার, অন্যজন দক্ষিণে বেহালার আর্কেডিয়া এলাকার। মোবাইল ফোনের আবিষ্কর্তা মোটোরোলা কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার মার্টিন কুপারের দৌলতে কলকাতা থেকে মহারাষ্ট্র এই প্রায় এক হাজার ৯০০ কিলোমিটারের দূরত্ব ঘুচিয়ে দুরন্ত আড্ডা দিলাম এঁদের সঙ্গে সেই কথোপকথনের বিবরণ নিয়ে এবারের পুজোয় নতুন প্রতিবেদন। এবারের অন্তরালের তারায় কলকাতার অন্যতম সেরা ম্যান্ডোলিন শিল্পী সরোজ বড়ুয়া।
সরোজদাকে আমার দেখা অনেক আগে, পরিচয় পরে। দর্শক হিসেবে সরোজদাকে দেখেছিলাম প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ড. ভূপেন হাজারিকার মঞ্চ বা দূরদর্শন প্রতিটি অনুষ্ঠানেই অন্যতম যন্ত্রশিল্পীর ভূমিকায়। তারও অনেক পরে সরোজদার বেহালার ব্রাহ্মসমাজ রোডের আগের বাড়িতে আলাপ। তারপর অনেক স্মৃতি। আমার চিত্রনাট্যে ওমপুরী অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘের হিন্দি ছবিতে সলিল চৌধুরীর সঙ্গীত পরিচালনায় সরোজদার বাজানো।
● জিৎ: ভিয়েস্তাপ আর্দেশির বালসারা! কিন্তু উনি তোমাকে রেডিয়োতে কেন খবর দিয়েছিলেন?
●● সরোজ: blue> সেটা আরও ইন্টারেস্টিং!
● জিৎ: কী রকম?
●● সরোজ: blue> আকাশবাণীতে প্রথমবার তো আমার অডিশনের পরীক্ষা হয়নি। কারণ পরীক্ষক পাওয়া যায়নি। একবছর পরে আমি যে অডিশন দিয়েছিলাম তাতে ম্যান্ডোলিনের পরীক্ষা নিয়েছিলেন স্বয়ং ভি বালসারা! বালসারাদা ম্যান্ডোলিনও বাজাতেন।
● জিৎ: তুমি তো খুব সৌভাগ্যবান!
●● সরোজ: blue> বিশ্বাস করো, মানুষটার ব্যাপ্তি নিয়ে তখন আমার কোনও ধারণাই ছিল না। কে আমায় ডেকে পাঠিয়েছেন? আমি কার সামনে দাঁড়িয়ে আছি? সে-দিন ভাবতে পারিনি! আমাকে বললেন, “এসে গিয়েছ। চলো আমার সঙ্গে”! এই বলে ওই রাস্তা দিয়েই আরও খানিকটা এগিয়ে গিয়ে একটা বাড়ির সামনে আমরা দাঁড়ালাম। সেখানে লেখা রয়েছে ‘হিন্দুস্তান রেকর্ডস’। এটা পরবর্তীতে ‘ইনরেকো’ হয়েছিল। আমি তখনও বুঝতে পারছি না কি হতে চলেছে। উনি দোতলায় আমাকে নিয়ে গেলেন। ওখানে লোকজনের সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন, “নীচে একটা বড় রুম আছে। ওটাকে স্টুডিয়ো বলে। ওখানে গিয়ে তুমি অপেক্ষা কর।” ভি বালসারা তখন হিন্দুস্তান রেকর্ডস-এর ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করছেন। সেই শুরু হল আমার রেকর্ডিং। তারপর একটানা রেকর্ডিং হতো। প্রায় প্রতিদিনই।
● জিৎ: এত রেকর্ডিং কেন?
●● সরোজ: blue> আমি যে ইন্সট্রুমেন্ট বাজাই, ম্যান্ডোলিন! সেটা তখন পেশাদার হিসেবে বাজাতেন কলকাতায় মাত্র আর একজন। তিনি আমার দশ বছরের বড়। আশিস গুপ্ত। তখন তো লাইভ রেকর্ডিংয়ের যুগ। ট্র্যাক রেকর্ডিংয়ের কোন গল্প নেই। সব মিউজিশিয়ান একসঙ্গে এলে সকলকে নিয়ে রেকর্ডিং শুরু হবে। টুকরো মিউজিক কাটা জোড়ার কোনও সুযোগ নেই। কোথাও একটা ভুল হলে, পুরোটা নতুন করে শুরু করতে হবে। ভুলটা গায়কের হতে পারে, আবার কোনও মিউজিশিয়ানেরও হতে পারে। যেই ভুল করুক, কাজটা আবার নতুন করে করতে হবে। যার ফলে রেকর্ডিংয়ের সময় লাগতো অনেক বেশি। তখন হিন্দুস্তানে, নীরদদা বলে একজন বয়স্ক রেকর্ডিস্ট ছিলেন। সায়গলের গান রেকর্ড করেছেন প্রায় আশি বছর বয়েস। আমাকে পুরনোদিনের গল্প বলতেন। এবার কম্পোজিশনে ম্যান্ডোলিন তো মোটামুটি কমন। আমি আর আশিসদা দু’জনে দু’ জায়গায় বাজালে তো হয়ে গেল। অন্য রেকর্ডিংয়ে বাজাবার লোক নেই। তারপর কলকাতা শহরে তখন সাকুল্যে ১০-১২টা স্টুডিয়ো। আর শুধু তো কলকাতার কাজ নয়, ওড়িশা, অসম, বিহার সব জায়গার কাজ কলকাতায় হতো। ফলে স্টুডিয়ো, মিউজিশিয়ান সব কিছুতেই টানাটানি। এখন যেমন অজস্র মিউজিশিয়ান, বহু ট্র্যাক। অনেক রেকর্ডিং স্টুডিয়ো! ভুলচুক শুধরে নেওয়া, একবার বাজানোকে দু’বার করা, সবই আজকাল যন্ত্র করে দেয়! আরও একটা মস্ত বড় কারণ ছিল। তখন অনেকেই বাজাতেন, কিন্তু বাজাতেন কানে শুনে, নোটেশন না দেখে। মানে স্বরলিপি অনুযায়ী বাজানো মিউজিশিয়ানের সংখ্যা হাতে গোনা। রেকর্ডিংয়ে তো আর ফাংশনের বাজনা চলবে না। স্বরলিপি দেখেই মাপ ধরে ধরে অংকের হিসেবে বাজাতে হবে। কোথাও গান রেকর্ডিং হচ্ছে, কোথাও সিনেমার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, যাকে আজকাল বিজিএম বলে।
● জিৎ: তার মানে তোমাদের নিয়ে মোটামুটি কাড়াকাড়ি?
●● সরোজ: blue> হ্যাঁ, ওই আর কী! কিন্তু যেহেতু ভি বালসারার ব্যাপার, তাই আমি হিন্দুস্তান বা পরবর্তীকালে ইনরেকোর রেকর্ডিংকে সবসময় সুযোগ দিতাম। আর একটা কারণ ছিল! বালসারাদা বলেছিলেন, ওঁর কোনও সন্তানের নাম সরস, আর আমি সরোজ! তাই উনি আমায় সন্তান স্নেহে বেটা বলে ডাকতেন! হ্যাঁ, যা বলছিলাম, তখন প্রযুক্তি তো এত উন্নতি হয়নি। তাই আমাদের সবকিছুই খুব কষ্টের মধ্যে দিয়ে করতে হয়েছে। এখন ঢোলের দু’দিকে দুটো মাইক দেওয়া হয়। তখন একটা মাইকে তিনজন মিউজিশিয়ানও বাজিয়েছি। খালি এইচএমভির দমদম স্টুডিয়োতে, একটু স্বাচ্ছন্দ্য ছিল। সেখানে এসি ছিল। বাকি বহু স্টুডিয়োতে এসির কোনও গল্প ছিল না। রিহার্সাল করার সময় ফ্যান চলতো, রেকর্ডিংয়ের সময় দরজা-জানলা সব বন্ধ। ফ্যান বন্ধ! আর এখনকার মতো কিবোর্ডে মেকানিক্যালি মিউজিক করার ব্যাপার নেই। ফলে মিউজিশিয়ান অনেক বেশি লাগতো। দিনের পর দিন এই ভাবে কাজ করেছি।
● জিৎ: এখানে একটা প্রশ্ন ‘DDLJ’-তে ‘তুঝে দেখা তো’ গানে একটা ম্যান্ডোলিনের পিস খুব বিখ্যাত হয়েছিল। ওটা কে বাজিয়েছেন?
●● সরোজ: blue> কলকাতার ছেলে। প্রদীপ্ত সেনগুপ্ত। আমার ছাত্র। ১৯৮৪ সালে মুম্বই চলে যায়। এখনও ওর সঙ্গে ফোনে কথা হয়।
● জিৎ: ভূপেন হাজারিকার সঙ্গে তোমার যোগাযোগের কথা বল।
●● সরোজ: blue> ১৯৭৮ সাল! ভূপেনদা এইচএমভিতে রেকর্ড করলেন ‘আমি এক যাযাবর’। ওই রেকর্ডিংয়ে ভূপেনদা আমাকে আর গিটারিস্ট স্বপন সেনকে বললেন, “তোমরা আমার সঙ্গে বাজাবে?” আমরা বললাম, ‘হ্যাঁ!’ ‘আমি এক যাযাবর’-এর সঙ্গে ভূপেনদার একরাশ গানে গানে ইতিহাস সৃষ্টি হল। শুরু হল ভূপেনদার সঙ্গে আমাদের যাযাবরের মতো ছুটে বেড়ানো। একই অ্যালবামে পরপর হিট গান। বিস্তীর্ণ দু’পারে, গঙ্গা আমার মা, দোলা হে দোলা, আজ জীবন খুঁজে পাবি, অসংখ্য গান আর অজস্র ফাংশন। উত্তাল ভিড় মানুষের উন্মাদনা। সকাল থেকে রাত, রেকর্ডিং ও ফাংশন। আর যেহেতু ভূপেনদা কলকাতায় গলফ ক্লাব রোডে থাকতেন, আর আমি বেহালায়। তাই ফাংশন শেষে ভূপেনদাকে নামিয়ে, তারপর গাড়ি আমায় বেহালায় বাড়ি পোঁছে দিত। ফলে ভূপেনদার সঙ্গে আমার যোগাযোগটা বোধহয় একটু বেশিই ছিল। ভীষণ স্নেহ করতেন আমায়! ২০০০ সালে ভূপেনদার সঙ্গে দেড়মাস আমেরিকা ট্যুর করেছি। নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলস, মিয়ামি, বোস্টন! ভুপেনদার ইচ্ছে হল, লিমুজিনে ঘুরবেন। আমাদেরও চড়া হল। ১৯৭৮ থেকে ২০১০ একটানা বত্রিশ বছর ভুপেনদার সঙ্গে ম্যান্ডোলিন বাজিয়েছি! প্রয়োজনে গিটার এমনকি বিদেশের অনুষ্ঠানে কিবোর্ডও বাজিয়েছি।
● জিৎ: রুদালী ছবির বিখ্যাত গান লতা মঙ্গেশকরের ‘দিল হুম হুম করে’ নিয়ে কোনও বিশেষ স্মৃতি…
●● সরোজ: blue> রুদালীর এই সুরটা আসলে বহু পুরনো! ১৯৬৪ সালে অসমীয়া ছবি ‘মনিরাম দেওয়ান’-এ ‘বুকু হম হম করে’ কথায় ভূপেনদার সুরে, ভূপেনদাই গেয়েছিলেন! এরপর ১৯৭৭ সালে ‘সীমানা পেরিয়ে’ নামে একটা বাংলাদেশের ছবি আলমগীর কবিরের পরিচালনা করছিলেন। এই একই সুরে ভূপেনদা করলেন ‘মেঘ থম থম করে’। এরপর এই সুরে ভূপেনদা একবার পুজোর গান করলেন। তারপর ১৯৯৩-এ হল ‘দিল হুম হুম করে’। আমরা গলফ ক্লাব রোডের বাড়িতে নতুন পুরনো যে কোনও সুর নিয়ে বসতাম। ভূপেনদা আমি আর আমাদের সেই সময়কার তবলিয়া চঞ্চল খান! দাদার ডিরেকশনে আমরা অ্যারেঞ্জমেন্ট সাজিয়ে দিতাম। ভূপেনদা সেটা রেকর্ড করে নিয়ে বম্বে যেতেন। ভূপেনদার সুরে লতা মঙ্গেশকর কিন্তু অনেক অসমীয়া গান গেয়েছেন। আনন্দশঙ্করের প্রোগ্রামের জন্য রুদালীর রেকর্ডিংয়ে বম্বে যেতে পারিনি।
● জিৎ: আনন্দশঙ্করের সঙ্গেও বাজাতে?
●● সরোজ: blue> প্রচুর শো করেছি। ১৯৮৩ সালে উগান্ডা ইথিওপিয়া, তাঞ্জানিয়া, কিনিয়া, নাইরোবি, লুসাকা গিয়েছি। আর ১৯৯০ ইউরোপ ট্যুর করেছি! তোমাকে বলতে গিয়ে খেয়াল পড়ল, পরে বলছি! ২০০০ সালের মাধুরী দীক্ষিতকে নিয়ে করা মকবুল ফিদা হুসেনের ‘গজগামিনী’ ছবিতে ভুপেনদা সুর করলেন। তার রেকর্ডিংয়ে বম্বে গিয়েছি। বম্বের আরও স্মৃতি আছে। ১৯৯২ বম্বেতে তাজ হোটেলে অমিতাভ বচ্চনের ৫০ বছর পূর্তিতে আনন্দশঙ্করের অর্কেস্ট্রাতে বাজিয়েছিলাম। কবির বেদী সেই অনুষ্ঠানে কম্পেয়ার করেছিলেন। ১৯৮৪ সালে লতাজি এলেন দুর্গাপুরে। ভূপেনদারও অনুষ্ঠান ছিল। ফিরে এসে লতা মঙ্গেশকর কলকাতায় গুরুসদয় দত্ত রোডে ছিলেন। গেট টুগেদারে আমাদের ডেকেছিলেন। ছবিটবি তোলা হল। একসময়ে লতাজির সঙ্গে একটু আলাদা কথা বলার সুযোগ পেলাম। উনি বললেন, “আমার গ্রুপে ভালো ম্যান্ডোলিনের মিউজিশিয়ান চাই। দুর্গাপুরে আমি তোমার বাজনা শুনেছি, তুমি বম্বে চলে এসো। আমার সঙ্গে বাজাবে”। কিন্তু সেই দুর্দান্ত অফার আমি নিতে পারিনি। আমাকে ঘুরিয়ে না বলতে হয়েছিল। লতাজি আমার বাজনা শুনেছেন ভূপেনদার জন্য! সেই ভূপেনদাকে ছেড়ে আমি বম্বে চলে যাব কী করে? বললাম, “দিদি কিছু মনে করবেন না। আমার একটু পারিবারিক সমস্যা আছে। কলকাতা ছেড়ে বম্বে গেলে অসুবিধা হবে। “এরপর লতাজির সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রচুর অনুষ্ঠান করেছি। গুয়াহাটি থেকে শুরু করে ওদিকের সমস্ত অনুষ্ঠানে আমরা লতা মঙ্গেশকর এবং ভূপেনদার সঙ্গে বাজাতাম। লতাজির সঙ্গে রিহার্সালের দারুণ অভিজ্ঞতা আছে। গুয়াহাটির অশোক ব্রহ্মপুত্র হোটেলে আমরা আছি। লতাজিও এসেছেন জানি। পরের দিন অনুষ্ঠান। রিহার্সাল সেরে আমরা ভূপেনদার সঙ্গে বসে গল্প করছি। রাত প্রায় একটা! হঠাৎ হোটেলের দরজার নক শুনতে পেয়ে ভূপেনদা একটু বিরক্ত হয়েছেন। আমাকে ইশারা করতে আমি গিয়ে দরজা খুললাম। আমার সামনে দাঁড়িয়ে সংগীতসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর! ভুপেনদার করা অসমীয়া গানগুলো অনেকদিন আগে করা। তাই সেই সব সুরের অসমীয়া উচ্চারণ একটু ঝালিয়ে না নিয়ে উনি শান্তি পাচ্ছেন না। আবার ইন্সট্রুমেন্ট বের হল এক-দেড় ঘণ্টা রিহার্সাল করলাম। লতাজির যিনি মিউজিক অ্যারেঞ্জ করতেন তার নাম ছিল অনিল মোহিলে। তিনি ওঁর সঙ্গে অন স্টেজ হারমোনিয়াম বাজাতেন। অনিল মোহিলের অ্যারেঞ্জমেন্টে পরে আমি মুম্বইতে বাজাতেও গিয়েছি। অনেক করে আমাকে থাকতে বলেছিলেন। কিন্তু বম্বেতে আমি ঠিক…। ওই আর কি!
● জিৎ: এরপর আনন্দশঙ্কর …
—শারদ সপ্তমীতে এই প্রতিবেদনের শেষ পর্ব।
* জিৎ সত্রাগ্নি (Jeet Satragni) বাংলা শিল্প-সংস্কৃতি জগতে এক পরিচিত নাম। দূরদর্শন সংবাদপাঠক, ভাষ্যকার, কাহিনিকার, টেলিভিশন ধারাবাহিক, টেলিছবি ও ফিচার ফিল্মের চিত্রনাট্যকার, নাট্যকার। জিৎ রেডিয়ো নাটক এবং মঞ্চনাটক লিখেছেন। ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ নাটকের রচয়িতা, ‘বুমেরাং’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার। প্রকাশিত হয়েছে ‘জিৎ সত্রাগ্নি’র নাট্য সংকলন’, উপন্যাস ‘পূর্বা আসছে’ ও ‘বসুন্ধরা এবং…(১/২/৩ খণ্ড)’ ও নাটক ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ । এখন লিখছেন ‘হ্যালো বাবু’এবং ‘আকাশ এখনও মেঘলা’।
গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম
‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com