মা ঠিক হয়ে গিয়েছিলেন। বলেছিলেন দিয়াই শবদাহের কাজ করবে। শববাহী গাড়িতে সামনের ড্রাইভারের সঙ্গে একজন আর পিছনে তিনজনের বসার জায়গা ছিল। দিয়া আর তার মা শান্তি পিছনে বসেছিল। সবটুকুই জীবনে প্রথমবার। মাকে নিয়ে এর আগে অ্যাম্বুল্যান্সে চেপে বাবাকে হাসপাতাল থেকে থেকে নিয়ে আসা বা আজ বাবার মৃতশরীর পিছনে নিয়ে এই শববাহী গাড়িতে শ্মশানে যাওয়া।






















