
ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।
|| ফোটোগ্রাফ-১৯ ||
অমিতাভ চক্রবর্তী দ্বিতীয় স্ত্রী অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী হোয়াটসঅ্যাপ- এ ভয়েস মেসেজ করে তাঁর স্বীকারোক্তি জানিয়েছেন। তদন্তকারী অফিসের শ্রেয়া বাসুর কাছে আসা সেই স্বীকারোক্তি শ্রেয়া ধৃতিমানকে ফরওয়ার্ড করেছে। আরিফ রোডের ভাড়াবাড়ির দোতলার ঘরে অন্ধকার মধ্যরাতে কানে হেডফোন দিয়ে ধৃতিমান শুনছে সেই স্বীকারোক্তি।

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০২ : ‘স্বজাতির্দূরতিক্রমা’—জন্মগত স্বভাব কি কখনও বদলায়? পঞ্চতন্ত্রের পাতায় এক অমোঘ রাজনৈতিক সত্যের

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৯২ : শিউলি বাড়ি

অর্ধ শতাব্দী পর বঙ্গে ডাবল ইঞ্জিন

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৬৯ : আড়ালে আছে আততায়ী
আমি চুপ করে ছিলাম। আমার সেই নিয়ে নতুন করে বলার কিছু ছিলো না। আর আমার মা ছিলেন পাশের ঘরে। তাই কিছু বলিনি। রুনা বুদ্ধিমতী। বুঝলেন ফোনটা আমি শুনতেই ধরেছি। কথা বলতে নয়। রুনা এরপর না থেমে প্রায় একটানা বলে গেলেন

আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৭২: আকাশ এখনও মেঘলা

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৫৪: কুকুরমুখো ফল বাদুড়
ভয়েস মেসেজ থমকে দিল ধৃতিমান।

সাগর উঠে তরঙ্গিয়া

রবীন্দ্র জয়ন্তী: তথ্যচিত্র— রবীন্দ্রনাথ, সভ্যতার সঙ্কট
— তুমি কতদিন কাজ করছো?
জেরার মুখে ঠিক কী বলেছিল কাজের মেয়ে বাসনা?
— আমি! আমি তা বছর দু’য়েক!
—- তাহলে তো তোমার জানা উচিত!
— কী?
— আগের বিয়ের কথাটা!
— দেখুন, আমি এসে তো কাউকে দেখিনি! আর আমি কাজের লোক মনিবের কবে কোথায় বিয়ে কি না আমি অতশত জানবো কী করে?

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৬২: যুদ্ধের নৃশংসতা নয়, জনমানসে ঠাঁই পায় শুধু যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য
— গুড মর্নিং!
— হ্যাঁ মর্নিং!
— শুনলেন কী সাংঘাতিক?
শ্রেয়া কী মীন করছে? ভয়েস মেসেজে সাঙ্ঘাতিক কী ছিল? রুণার ফোন? বাকিটা তো শোনা হয়নি।
— হ্যালো! হাই তুলছেন না কি? রাতে ঘুম হয়নি?
— না! ভোর হবার অপেক্ষায় ছিলাম!
— কেন?
— আচ্ছা আপনার মনে আছে, অমিতাভের ফ্ল্যাট থেকে সিজার লিস্টে নীলঞ্জনা-অমিতাভের ল্যামীনেটেড একটা ফোটো ছিল কিনা?
— যেটা তাকের ওপর রাখা ছিল?
— হ্যাঁ, হ্যাঁ! আপনার মনে পড়েছে?
— হ্যাঁ, ওটাতো সোশ্যাল মিডিয়ায় আছে। কমন ছবি!
— ছবিটা কিছু আনিউজিয়াল কিছু নজরে আসেনি।
— সোশ্যাল মিডিয়ার ছবিতে তো…। তবে ছবিটা এখনো ওই ফ্ল্যাটেই আছে। ওটা সিজ করা হয়নি
— ফ্ল্যাট সিল করা আছে তো?
— এনি ক্লু?
— আমি সিওর নই। কিন্তু সামথিং ইজ রং! আজ একবার দেখা যায় ? কিন্তু সীল খুলতে তো
— ওটা আমি করে নেবো! আপনি ১১টা না ১২টায় চলে আসুন অফিসে।—চলবে।


















