জনঅরণ্য, দ্য মিডলম্যান। ১৯৭৬ সালের ছবি, বিংশ শতকের সাতের দশকের চিত্রায়ন, মূল কাহিনি মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় বা শঙ্করের। লক্ষ্য করার মতো এই যে, জন আর অরণ্যে ব্যাকরণের নিয়ম মেনে সন্ধি হয়নি, তখন বিপুল গণবিস্ফোরণের যে জনারণ্য ভারতে শাখা প্রশাখা মেলছিল আজকের মহীরূহ হওয়ার জন্য, সেই জনারণ্যে আরেকটি জনঅরণ্য গড়ে উঠছিল, শিক্ষিত বেকার মানুষের। এই অসদর্থক অসঙ্গতির রাজ্যে সন্ধি নেই, আছে বৈরী, সংঘর্ষ, কঠিন এক কেজো জগৎ। এক সদ্য স্নাতক, যার ফল আশানুরূপ হয়নি কোনো রহস্যময় কারণে, যে ফর্ম তোলে, চাকরির আবেদন করে অজস্র চিঠি টাইপ করে জমা করে অগণ্য শিক্ষিত যুবক যুবতীর সঙ্গে, খরচ হয়, পার হয় নানা রাস্তা যেখানে প্রাচীরের গায়ে কালি-চাপা নানা স্লোগান, কোথাও নানা ছোট-বড় অক্ষরের পাশে বড় বড় অক্ষরে লেখা থাকে “১৯৭১ ইজ দ্য ইয়ার অফ ভিক্ট্রি।” ওই প্রাচীরের পাশেই ফুটপাথ দখল করে বসে থাকে নিরন্ন, দুঃস্থ, হতশ্রী মানুষের দল। প্রাচীরের গায়ে অক্ষরে অক্ষরে সমাজভাবনা আর রাষ্ট্রচিত্র ফুটে উঠলেও প্রাচীরটুকুই একমাত্র সত্য হয়ে ওঠে। চাকরির মৌখিক পরীক্ষায় সাহিত্য, বিজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান, বিশ্বের সব থেকে বড়, সব থেকে ছোট, কি, কেন, কোথায়, কবে, কী কারণে ইত্যাদি প্রভৃতি পার করে করে এক অনবদ্য প্রশ্নের সম্মুখীন হয় সে। হোয়ট ইজ দ্য ওয়েট অব দ্য মুন? চাঁদের ওজন কত? কিন্তু এর সঙ্গে চাকরির কী সম্পর্ক? সেই খোঁজে তোমার কী হে, দ্যটস নটস ফর ইউ টু জাজ ইয়ং ম্যান! যা জানতে চাইছে জানলে বলো। না, জানি না। তবে এসো। ইউ মে গো নাউ। চন্দ্রাহত বোধহয় একেই বলে।
এরপর, সুখস্বপ্নের চন্দ্রলোক থেকে রাস্তায়, জন অরণ্যে নেমে এলে পদস্খলন হয়, কলার খোসায়। এরপর চাকরিপ্রার্থী সোমনাথের সঙ্গে জনৈক ব্যবসায়ী বিশুদার দেখা। ব্যবসায়ী প্রৌঢ় বিশুদা বলিয়ে কইয়ে, ভাষায় পূর্ববঙ্গীয়। তাঁর ছোড়া কলার খোসায় সোমনাথ পতিত হলে আবার আকস্মিক সাক্ষাৎ ঘটল। এই আনসিভিক কর্মের প্রতিদানস্বরূপ হোক কিংবা, পূর্বপরিচয়ে জাত স্নেহ, বিশুদা সোমনাথকে পথ দেখাতে চান। ক্ষণিকের জন্য একটি দৃশ্যে তাঁর মাথার পিছনে শহরের ল্যাম্পপোস্টে একটি বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। বেসিন, কমোড ইত্যাদির ছবি দিয়ে পণ্যের প্রচার। ব্যবসার দুনিয়ায় অর্থবহ বটে। বর্জ্যকে সহনীয় করে তোলার আয়োজন। ক্রমে ক্রমে এই চলচ্চিত্র সেই পরিসরটি দেখাবে।
তবে এখন বিশুদা পান দোকান থেকে পান কিনে খাচ্ছেন। পান বিক্রি করতে দেখা যায় কপালে ফোঁটা আঁকা এক কিশোরকে। ডিগ্রির দিকে না হেঁটে সে পথে নেমেছে।
এখান থেকে চোখের সামনে উন্মোচিত হয় এক রহস্যলোক, একটা বহুবিদিত ডিসকোর্স জেগে ওঠে। চাকরি না ব্যবসা? বোতাম আঁটা জামার নিচে নিশ্চিন্ত চাকরি, ভদ্র বুদ্ধিজীবী বাঙালি-জীবন নাকি জীবিকা? জীবিকায় অগ্রগণ্য চাকরির পিছনে অগণ্য ধাবমান মানুষ, কিন্তু.. কিন্তু…চাকরি, সেখানে যে লোকঠকানো জ্ঞানের সন্ধান তাতে দুরন্ত ঘূর্ণির পাকে ঘুরে চলা এই পৃথিবীর কাজ চলে না। তবে চাঁদ ধরতে গেলে চাঁদের ওজন জানতে হবে। না জানলে পদস্খলন। তারপর বিশুদাদের হাত ধরে খুলে যেতে পারে এক আশ্চর্য দুনিয়া, ব্যবসার জগৎ, ভাঙা অট্টালিকায় জমে ওঠা বৃহৎ পুঁজির বাজার। সরু সরু গলি, অজস্র ভাগ্যান্বেষীর যাতায়াত, ঠেলাঠেলি, গুঁতোগুঁতি, বিকিকিনির পণ্যায়িত দুনিয়া, যেখানে পণ্যদ্রব্য-ই আত্মপরিচয়ের অভিজ্ঞান। স্কুল কলেজে পড়া জ্ঞানগর্ভ ডিগ্রিকে ফেলো কড়ি মাখো তেল আর লক্ষ্মীকে লুফে নেওয়ার সেই জগৎ মানেই না। জগন্মোহিনী বিদ্যালয়ের ক্লাস নাইন পাশ করা বিশুদার হাতে চাকরি নেই, কারণ তাঁর ধাতে চাকরি নেই। প্রথমে কমলালেবুর ব্যবসা করে সাতসিকি লাভ করে শুরু, তারপর এই দুনিয়ায় তাঁর পথ চলছে দু দশকের বেশি। বাঙালি মধ্যবিত্ত বিশ্বের কাছে আধুনিক যুগে তার যে আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠিত করেছে, সেখানে কায়িক শ্রমের থেকে বৌদ্ধিক শ্রম বেশি আকাঙ্ক্ষিত, সেখানে আত্মসম্মান ও তাকে ধরে রাখার একটা নির্দিষ্ট সামাজিক মানদণ্ড গড়ে উঠেছে কালে কালে। সেখানে বাটি হাতে ভিক্ষার চেয়ে চানাচুর বিক্রি বিশেষ মানহানিকর। বিশুদার জবানবন্দিতে এই মূল্যায়ন যখন দর্শক শোনেন, দেখেন, জানেন, মানেন অথবা মানেন না, কিন্তু সোমনাথের সামনে তখন এক আশ্চর্য দুনিয়া যেখানে গদিতে গদিতে অবাঙালি ব্যবসায়ীর দল সারি সারি, হাঁড়ি-কড়া-বালতি-গামলা-এটা-সেটার পাইকারি ও খুচরো দুনিয়া, যেখানে পৃথিবীর বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম সবকিছুই হাজির পণ্য হয়ে। বঙ্গসন্তান চাকরি না করে ব্যবসা করবে? চাকরি না পেয়ে ব্যবসা করবে? যে বুদ্ধি ও জ্ঞানকে সম্পদ ভেবে বাঙালি কবিতা লিখে ছবি এঁকে, পড়ে, পড়িয়ে, বিজ্ঞান জেনে ধর্মার্থকামমোক্ষকে অর্জন করেছে, বিশ্বের সাথে যোগাযোগে তার সিদ্ধি, তার আপন থেকে বাইরে দাঁড়ানো কি মাটি হল তবে? যাকে আলো ভেবেছে তা আলেয়া ছিল বুঝি? এর উত্তর দিতে পারে একমাত্র সময়।
স্বাধীনবৃত্তি কর্মতত্পর বিশুদা ও কর্মসন্ধানী (পড়ুন চাকরিপ্রার্থী) সোমনাথের আলাপের মধ্য দিয়ে দর্শক কী কী জানতে পারলেন? জানলেন ১৫ আগস্টে জন্ম নিয়ে স্নাতক সদ্যতরুণ সোমনাথ (শিব, লয়ের দেবতা) চাকরি খুঁজছে হন্যে হয়ে গোলামির ধান্ধায়। পরাধীন থেকে স্বাধীন হওয়া দেশ তখনও তিনটি দশক-ও পার করেনি। সাল একাত্তর। তার বয়স চব্বিশ। প্রণয়িনী? নেই (ছিল, প্রেমিকা জবাব দিয়ে চলে গেছেন। দর্শক আগে একটি দৃশ্যে দেখেছেন)। তাহলে ব্যবসা করাই যায়। ব্যবসা করলে অফিস থাকতে হবে। তাও আছে। একটি পুরনো বহুতলে যেমন বিশুদার অফিস। একতলায় অজস্র ও বিচিত্র নানা লেটার বক্স। যতগুলি বক্স, ততগুলিই অফিস। বলা ভালো, ওই বাক্সগুলিই আসল অফিস, ওপরতলার কুঠুরিগুলি নয়। বিশুবাবুর ব্যবসা স্ত্রীর নামে, হেঁ হেঁ। এরপর সোমনাথ ভাববে, সময় নেবে। তারপর নামবে বাজারে ক্যানভাসার হয়ে, তবে সেকথা আজ নয়। ব্যবসা থেকে বাণিজ্য, ছোট থেকে বড়, ভেণ্ডার, সাপ্লায়ার থেকে শিল্পপতি সকলে পাক খাচ্ছে পণ্যকে কেন্দ্র করে। এই পথেই বেরিয়ে পড়বে অন্ধকার চোরাপথ, কানাগলি, অপরাধের কালো জগৎ থেকে পৃথিবীর আদিমতম বৃত্তি, ব্যবসার প্রবৃত্তিময় কড়ি ফেলার তৈলাক্ত দুনিয়া। সেখানে হাতে পড়ে থাকা পেন্সিল থেকে মানুষ, দেহ, মনুষ্যত্ব অথবা বিবেক সকলই পণ্য, কড়ি দিয়ে কেনা যায়। সেখানে তথাকথিত ব্যবসায়ী অথবা এজেন্ট অথবা ক্যানভাসার অথবা সাপ্লায়ার অথবা দালাল, দ্য মিডলম্যান, মধ্যপন্থী বাঙালি মধ্যবিত্ত যোগাযোগ তৈরি করে বিনা পুঁজির ব্যবসায় কমিশনের বিনিময়ে। না, যোগাযোগ মেধার সঙ্গে মননের নয়, বুদ্ধির সঙ্গে সৌন্দর্যের নয়, মনের সঙ্গে আত্মার নয়। পণ্যের সঙ্গে পণ্যের। অথবা পণ্যের সঙ্গে মানুষের। অথবা মানুষের সঙ্গে মানুষের। অথবা মানুষের সঙ্গে পণ্যের। দুটি দিকে যা-ই থাকুক, যে অভিধায় থাকুক, সে দামে হাটে বিকোনোর যোগ্যতা অর্জন করা গর্বিত পণ্য ছাড়া আর কিছু নয়।
সত্যজিতের চোখে নাগরিক জীবনের সাত-সতেরো আর ঊনিশ-বিশে ভরা কলকাতাকেন্দ্রিক ছবিগুলির অন্যতম জনঅরণ্য। এখানে বৃত্তিমুখী অগণ্য জনের যে অরণ্য ছেয়ে রেখেছে কলকাতার পথেঘাটে সেদিন থেকে আজও, যে পথের কথা উঠলে বিপথের কথা আসে, বিপথ আনে বিপদ, যে পথকে জীবনের সঙ্গে যুক্ত করেছেন কবি, যে পথ অনন্ত বলেন দার্শনিক, বলেন “নান্যঃ পন্থা বিদ্যতে অয়নায়”- সার্থকতার পথ শোণিতপিচ্ছিল ও দুর্গম; কীসে আসে সেই সার্থকতা? কাকে বলে সার্থকতা? মহাজনঃ যেন গতঃ সঃ পন্থাঃ। জ্ঞানী মানুষ পথের সন্ধান দেন। বিশুদা কি সেই বন্ধনহীন গ্রন্থির পথ বেঁধে দিলেন? ভূতের রাজা গুপী বাঘাকে বলেন সোজা পথে থাকা চাই। অপুর জীবনদেবতার এঁকে দেওয়া পথ তাকে গলি থেকে রাজপথে, হাটে বাটে মাঠে ঘাটে ঘুরিয়ে চলে। কিন্তু যত মত তত পথের দুনিয়ায় কোনটা সোজা পথ কোনটা বাঁকা, তাকে পথে নেমেই চিনতে হয় সোমনাথকে। চিনতে হয় সুপ্তরাতের ভাঙনের পথ যেখানে মধ্যবিত্ত মন ও মনন ভেঙে পড়তে পারে, লাগতে পারে কালচারাল শক, দুমড়ে মুচড়ে যেতে পারে বিবেক, বোধ, মনুষ্যত্ব।
সোজা আর বাঁকা পথের ভেদটুকু পথের সংজ্ঞা কি বদলে দেয়? নাকি পথ পথই, তার সোজা বাঁকার কোনও ভেদ নেই, তাদের ব্যবধান উনিশ-বিশে, স্বরূপ বড়ই আপাত এই নাগরিক জীবন ও যন্ত্রণায়, যন্ত্রপুরীর যান্ত্রিক জীবনবোধে? এর উত্তর দেবে সময়, দেবে জীবন। তবে যে পথে, বলা ভালো জীবনপথে পা রেখে কলার খোসায় পা হড়কেছে সদ্যতরুণের, তাকে হাত ধরে টেনে তুলেছেও অনেকে, ডিগ্রিহীন বিশুদা নিজের সিভিক সেন্স নিয়ে লজ্জিত খানিক, তারপর বাৎলে দিচ্ছেন ব্যবসায় লক্ষ্মীলাভের পথ, পুঁজি। সাবধান করছেন জোরকদমে চলার রাস্তা-গলিপথ নিয়ে, সর্বত্র পটহোল। পা হড়কানোর সকল আয়োজন নিয়ে তারা রাস্তা ছেয়ে আছে। এই পথের দায় বুঝি কর্পোরেশনের? ঠিক বুঝেছেন। অথবা ভুল বুঝছেন। দায় নিজের। বিশুদা তারপর বলে দেবেন কথার ছলে, রাস্তা তিনরকম—ব্যাড, ভেরি ব্যাড, ভেরি ভেরি ব্যাড। এ শুধু খানাখন্দে ভরা কর্পোরেশনের জঞ্জালবোঝাই কলার খোসা ফেলার পথ নয়, যে পথ তিনি বাৎলে দেবেন তার নানা এদিক ওদিক, ইশারা কাফি হ্যায়! জীবন তাঁকে চলতে শিখিয়েছে, লাইফে কোনও শর্টকাট নেই এ তো এখন শোনাই যায়। বিশুদা জানিয়েছেন যে তিনি লিফট চড়েন না। কারণ লিফট চড়তে পয়সা লাগে। তিনি কেষ্ট না চাঁদ কীসে পৌঁছেছেন তা বলা কঠিন, তবে পরিশ্রম ও পটহোলে ভরা নাগরিক যে পথের পথিক তিনি সেখানে ওজন মেপে চলতে না পারলে চাঁদের ওজনের হিসেব নিকেশ দিয়ে… হেঁ হেঁ… ইউ মে গো নাউ।—চলবে।
* ড. অভিষেক ঘোষ (Abhishek Ghosh) সহকারী অধ্যাপক, বাগনান কলেজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। স্নাতকোত্তরের পর ইউজিসি নেট জুনিয়র এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সাড়ে তিন বছর পূর্ণসময়ের গবেষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সাম্বপুরাণের সূর্য-সৌরধর্ম নিয়ে গবেষণা করে পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগ্রহের বিষয় ভারতবিদ্যা, পুরাণসাহিত্য, সৌরধর্ম, অভিলেখ, লিপিবিদ্যা, প্রাচ্যদর্শন, সাহিত্যতত্ত্ব, চিত্রকলা, বাংলার ধ্রুপদী ও আধুনিক সাহিত্যসম্ভার। মৌলিক রসসিক্ত লেখালেখি মূলত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে চলেছে বিভিন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে। সাম্প্রতিক অতীতে ডিজিটাল আর্ট প্রদর্শিত হয়েছে আর্ট গ্যালারিতে, বিদেশেও নির্বাচিত হয়েছেন অনলাইন চিত্রপ্রদর্শনীতে। ফেসবুক পেজ, ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত দর্শকের কাছে পৌঁছে দেন নিজের চিত্রকলা। এখানে একসঙ্গে হাতে তুলে নিয়েছেন কলম ও তুলি। লিখছেন রম্যরচনা, অলংকরণ করছেন একইসঙ্গে।
গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম
‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com