মা-হারা মেয়েকে এর আগে এত খুশি হারাধন কখনও দেখেনি। কাজের দেরি হবে জেনেও মেয়ের আনন্দের জন্য বাবা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলো নদীর ধারে। তারপর দু’জনে মিলে মুড়ি-বাতাসা খেয়ে ফিরে এলো আবার জঙ্গলের মাঝে। তখন উঁচু উঁচু গাছগুলোর মাথা ভেদ করে সূর্যের আলো ঝিলিক দিচ্ছিল জঙ্গলের ভিতরে। এবার শুরু হল বাবার কাঠ কাটার আর কুসুমের শুকনো পাতা কুড়ানোর পালা। হঠাৎ একটা বাচ্চা হরিণ তাদের দিকে ছুটে আসতে আসতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। হরিণ ছানার এক পায়ে তীরবেঁধা।






















