
স্টেশনে পা দিয়েই তৃপ্তির মনে হয়েছিল সে রান্নাঘরে গ্যাস বন্ধ করতে ভুলে গিয়েছে। গ্যাস বেরিয়ে সাংঘাতিক পরিণতি হবে। বাড়ি ফিরে দেখা গেল, গ্যাস বন্ধ আছে। এত আতঙ্কে থাকা তৃপ্তি আজ আগুনের করাল গ্রাসে নিজেকে সঁপে দিয়েছে। সমস্ত কুৎসা অপবাদ কলঙ্ক পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। আর শুধু তীব্র হিংসা থেকে যে এই ঘটনাটা ঘটাল সে এসেছে মজা দেখতে।

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৪৯

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৮: অসম-মিজোরাম সীমান্তে ঘাড়মুড়ার নব আবিষ্কৃত ভাস্কর্যও সুপ্রাচীন

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩২: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— গন্ধগোকুল

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৭৮ : কুহক
দুলাল আগুনের শিখার ফাঁক দিয়ে স্নিগ্ধার মুখের চাপাহাসি দেখতে পাচ্ছে। তার চোখের উজ্জ্বলতা দেখতে পাচ্ছে। দুলাল এমনভাবে চলতে শুরু করল। সে এবার ফিরে যেতে চায়। পাশের ইন্সপেক্টর জিজ্ঞেস করল ‘ফিরে যাবেন ?’ দুলাল মাথা নিচু করে হাঁটতে হাঁটতে বলল, ‘হ্যাঁ!—সব তো শেষ’!

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১৪: রাঙা মেঘের বেলাভূমি

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪৭: মধ্যরাতের অভিযান
—দাঁড়ান! আপনার কাজ এখনো শেষ হয়নি।
—জানি!
—দাহ সম্পন্ন হোক! চিতাকে জল ঢেলে শান্ত করতে হবে। তবে কাজ শেষ হবে।
—বেশ।
দুলাল দাঁড়িয়ে যায়, একটু দূরে দাঁড়িয়ে স্নিগ্ধা! হঠাৎ দুলালের ভাবলো “তৃপ্তির আত্মা অতৃপ্তি নিয়ে চলে যাবে?!”

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৫: পোষা হরিণকে সাঁওতালপাড়ায় মারা হয়েছিল তির ছুঁড়ে

দশভুজা, অন্য লড়াই: এই স্বাধীনতার জন্য আমরা লড়াই করিনি
চোখের পলক ফেলতে না দিয়ে কনস্টেবলের কাছ থেকে বন্দুকটা ছিনিয়ে তাকে ঠেলে দিল ইন্সপেক্টরের ওপর। প্রথমে বন্দুকের ভারী বাঁট দিয়ে ভয়ংকর আঘাত করল স্নিগ্ধার মাথার ঠিক মাঝখানে, থ্যাপ করে একটা থ্যাঁতলানো শব্দ! রক্তাক্ত শরীরটা সামনে লুটিয়ে পড়লো।

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৭ : কাঞ্চনজঙ্ঘা: দেখা হবে চন্দনের বনে

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪২: রামায়ণে মহর্ষি অগস্ত্যের তপস্যালব্ধ শুভশক্তির আবেদন চিরন্তন
সঙ্গে সঙ্গে কনস্টেবল আর ইন্সপেক্টর চেপে দুলালকে মাটিতে ফেলে দিল। দুলাল বাধা দেয়নি। তার হাতে হাতকড়া লাগিয়ে হাত পিছনে বেঁধে দেওয়া হলো, মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে তাকে নিয়ে গিয়ে গাড়িতে তোলা হলো। পুরোহিত এসে বললেন,—স্যার চিতা নিভে এসেছে জলটুকু ওর হাত দিয়ে ঢালতে দিন তারপর ডোমেরা বাকিটুকু করে দেবে। —চলবে।
* জিৎ সত্রাগ্নি (Jeet Satragni) বাংলা শিল্প-সংস্কৃতি জগতে এক পরিচিত নাম। দূরদর্শন সংবাদপাঠক, ভাষ্যকার, কাহিনিকার, টেলিভিশন ধারাবাহিক, টেলিছবি ও ফিচার ফিল্মের চিত্রনাট্যকার, নাট্যকার। জিৎ রেডিয়ো নাটক এবং মঞ্চনাটক লিখেছেন। ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ নাটকের রচয়িতা, ‘বুমেরাং’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার। প্রকাশিত হয়েছে ‘জিৎ সত্রাগ্নি’র নাট্য সংকলন’, উপন্যাস ‘পূর্বা আসছে’ ও ‘বসুন্ধরা এবং…(১/২/৩ খণ্ড)’ ও নাটক ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’। এখন লিখছেন ‘হ্যালো বাবু’এবং ‘আকাশ এখনও মেঘলা’।

















