ঘটনাটা সম্ভবত ২০০৬ সালের। বর্ষণমুখর এক রাতে আরামে ঘুমোচ্ছিলাম। মাঝরাতে হঠাৎই রান্নাঘরে বাসন পড়ে যাওয়ার শব্দে ঘুমটা ভেঙে গিয়েছিল। আলো জ্বালানোর আগেই দেখি ঘরের মধ্যে অন্ধকারে একজোড়া চোখ দৌড়োচ্ছে। প্রথমটা আঁৎকে উঠলেও, বিছানা থেকে নেমে আলো জ্বালালাম। নিমেষে জন্তুটা আমার শোবার ঘর থেকে পাশের ঘরে দৌড়ে পালাল। যেটুকু দেখলাম তাতে মনে হল জন্তুটা শেয়ালের মতো আকৃতির হবে। লেজটা বেশ লম্বা। ততক্ষণে জন্তুটি ঘরের ভেতর থেকে বাইরে বেরোনোর জন্য লম্ফঝম্প শুরু করেছে। একমাত্র আমার শোবার ঘরের জানালা ছাড়া আর সব দরজা জানালা ছিল বন্ধ। বুঝলাম, জন্তুটি ওখান দিয়েই ঢুকেছে। কিন্তু ওই ঘরে আমি জেগে যাওয়ায় এবং আলো জ্বলে ওঠায় জন্তুটি সেই খোলা জানালা দিয়ে বেরোতে পারেনি। যদি আঁচড়ে-কামড়ে দেয় সেই ভয়ে অন্য ঘরে ঢুকে আলো জ্বালাবারও সাহস পাচ্ছি না। ততক্ষণ ভয়ে কিংবা বিপদ বুঝে সে ফোঁস ফোঁস শব্দ শুরু করেছে, আর এলোপাথাড়ি লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে ঘরের জিনিসপত্র দুড়দাড় করে ফেলছে। সাহস করে কোনওক্রমে রাস্তার দিকের জানালাটা খুলে দিতেই মুহূর্তের মধ্যে সেখান দিয়ে জন্তুটি এক লাফে উধাও। প্রথমে মনে হয়েছিল খেঁকশিয়াল হবে বোধহয়। কিন্তু আমার ভুল ভাঙল কিছুক্ষণ পরে ঘরের মধ্যে অদ্ভুত এক গন্ধে। ঠিক যেন বাসমতি চালের গন্ধ। কোনও সন্দেহই আর রইল না। এ হল গন্ধগোকুল।
জন্তুটি পালানোর পর ভাবতে লাগলাম, হঠাৎ ঘরে ঢুকল কেন? হঠাৎ নজরে পড়ল রান্নাঘরের টেবিলে রাখা পাকা মর্তমান কলাগুলোর কয়েকটা আধ খাওয়া অবস্থায় রয়েছে, বাকি সব সাবাড়। বুঝলাম কলা খেতেই গন্ধগোকুল মশাই খোলা জানালা দিয়ে রান্নাঘরে ঢুকেছিল। টেবিলে রাখা গ্লাসটা ওর শরীরের কোনও অংশে লেগে পড়ে যেতেই ভোজন পর্বে বিঘ্ন ঘটে। পাশের বাড়ির একটা বাচ্চা ক’দিন আগেই বলেছিল, পেয়ারা গাছে রাত্রিবেলা চোখ জ্বলতে দেখেছি। সে এই গন্ধগোকুলেরই চোখ। পাকা পেয়ারা খেতেই রাতে গাছে উঠত। আর এটুকু ভেবে একটু স্বস্তি বোধ করলাম যে আমাদের এলাকায় যে প্রাণীটিকে আমি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত বলে ভাবতাম তা এখনও তাহলে অল্প কিছু টিকে আছে।
এই ঘটনার বছর খানেক পর আবারও এক ঘটনা। সন্ধ্যাবেলা স্কুল থেকে ফিরে বাড়িতে ঢোকার ঠিক আগে দেখি গলির মধ্যে বাচ্চাদের জটলা। কাছে আসতেই দেখি গন্ধগোকুলের একটা বাচ্চা মাটিতে পড়ে আছে। দেখে মনে হল চোট পেয়েছে। পালাবার ক্ষমতা নেই। বাচ্চাদের মুখেই শুনলাম সন্ধ্যার সময় একটা মা গন্ধগোকুল তার দুটো বাচ্চাকে নিয়ে বেরিয়েছিল, কিন্তু পাড়ার ওই বাচ্চারাই তাকে তাড়া করে। তারপর ভয় পেয়ে মা ও একটা বাচ্চা একটা বাড়ির চাল থেকে লাফ দিয়ে গলির উল্টোদিকের বাড়ির চালে চলে গেলেও অন্য বাচ্চাটি লাফাতে গিয়ে রাস্তাতেই পড়ে যায়। সেই থেকে সে নড়াচড়া করতে পারছে না। তবে কাছে এগোলেই ভয়ে ফোঁস ফোঁস করছে। ভাবলাম নিশ্চয়ই ওর মা আমাদের ভয়ে বাচ্চার কাছে আসছে না। বাচ্চাটাকে একটা বস্তার সাহায্যে ধরে রাস্তার মাঝখান থেকে সরিয়ে বাড়ির উঠোনে এনে রাখলাম। ভেবেছিলাম রাতের মধ্যে তার বাচ্চাকে নিশ্চয়ই নিয়ে যাবে। কিন্তু সকালে উঠে দেখি বাচ্চাটাকে যেখানে রেখেছিলাম সেখানেই রয়েছে। হয়তো তার মা এসেছিল কিন্তু বাচ্চাটার চলার ক্ষমতা নেই বলে নিয়ে যেতে পারেনি। বাধ্য হয়ে নামখানা ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসে ফোন করে ঘটনার কথা বললাম এবং বাচ্চাটাকে উদ্ধার করে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার অনুরোধ করলাম। ঘণ্টা দু’য়েকের মধ্যে দু’জন বনকর্মী এসে বাচ্চাটাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়, আর আমিও খানিক নিশ্চিন্ত হই।
গ্রামের বাড়িতে থাকতে আমি কিন্তু কোনওদিন গন্ধগোকুল দেখিনি কিংবা প্রতিবেশি কেউ দেখেছে বলে শুনিনি। অথচ আমাদের বাড়ির আশেপাশে যেমন ঝোপ-জঙ্গল যথেষ্ট ছিল তেমনই ছিল প্রচুর ফলের গাছ। আমার ধারণা হল, সুন্দরবন অঞ্চলের কোনও কোনও বিচ্ছিন্ন এলাকায় এরা টিকে রয়েছে। অবশ্য সুন্দরবনের বাইরে অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জায়গাতেও এদের অল্প-বিস্তর এখনও দেখতে পাওয়া যায়। কলকাতার আশেপাশেও কিছু গন্ধগোকুল টিকে আছে। গ্রামাঞ্চলে অনেকে এদের বলে ‘মাউল’।
গন্ধগোকুল চেহারায় একেবারে স্বতন্ত্র ধরনের প্রাণী। উচ্চতায় খেঁকশিয়ালের মতো বা একটু বেশি। লেজ বেশ লম্বা, অনেকটা খটাশের মতো। লেজে সাদাকালো ব্যান্ড আছে। দেহের তুলনায় পাগুলো ছোট। মুখটা লম্বাটে। সূচালো তুন্ডের সামনে রয়েছে নাক। দুটো কান মোটামুটি বড় ও খাড়া। গা ছোট ছোট কালো লোমে ঢাকা। মাঝে মাঝে সাদা ডোরা বা ছিট দাগ দেখা যায়। এরা পুরোপুরি নিশাচর। এদের চোখে রেটিনার পিছনে ‘Luminous tapetus’-এর পর্দা থাকে বলে রাতে চোখ দুটো জ্বলজ্বল করে।
ভারতের বিভিন্ন এলাকায় প্রাপ্ত ভিভিরিডি বর্গভুক্ত মাত্র নয়টি সাইভেট প্রজাতির মধ্যে অন্যতম এই গন্ধগোকুল। ইংরেজিতে এদের বলা হয় ‘Small Indian Civet’। বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘Viverricula indica’। একটা পূর্ণবয়স্ক গন্ধগোকুল মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত লম্বায় ২.৫ ফুট থেকে ৩.৫ ফুট হতে পারে। এর মধ্যে লেজটাই হয় প্রায় দেড় ফুট। আর ওজন হতে পারে ২-৪ কেজি। স্ত্রী গন্ধগোকুলের চেয়ে পুরুষের আকার ও ওজন কিছু বেশি হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশে এরা কতদিন বাঁচে তা বোঝা না গেলেও আবদ্ধ অবস্থায় এদের ২২ বছর পর্যন্ত বাঁচতে দেখা গিয়েছে।
গন্ধগোকুল মূলত বৃক্ষবাসী প্রাণী। ঘন ঝোপঝাড়, জঙ্গল, বাঁশবন এদের প্রিয় বাসস্থান। দিনের বেলা এরা কখনোই বেরোয় না। রাত হলেই বের হয় খাবারের খোঁজে। এদের প্রিয় খাবার হল ফল ও তরিতরকারি। পাকা কলা, পেয়ারা, জাম, ডুমুর, আনারস ইত্যাদি হল প্রিয় ফল। সবজি বাগানের বেগুন ওদের প্রিয় খাবার। পোকামাকড়, ব্যাঙ, গিরগিটি, সাপ, ইঁদুর, ছোট পাখি, কাঁকড়া, কেঁচো, বিছে—কোনও খাবারেই এদের অরুচি নেই। জলে ঝাঁপ দিয়ে মাছ শিকারেও এরা বেশ দড়।
গন্ধগোকুল স্বভাবগতভাবে অসামাজিক প্রাণী। প্রজননের সময় ছাড়া স্ত্রী-পুরুষ জোড় বাঁধে না। বছরে একবারই এদের বাচ্চা হয়। স্ত্রী গন্ধগোকুল একবারে ২-৫ টি শাবকের জন্ম দিতে পারে। তবে সুন্দরবন অঞ্চলে সাধারণত দুটি বাচ্চার জন্ম দিতেই দেখা যায়। বাচ্চারা ৪-৪.৫ মাস মায়ের দুধ খায়। তারপর তারা নিজে থেকে শিকার করতে শেখে।
গন্ধগোকুল নামকরণের কারণ অর্থাৎ এদের মুখ্য বৈশিষ্ট্যের কথা এবার বলা যাক। সাইভেট প্রাণীদের মলদ্বারের কাছে ছোট একটা সাইভেট গ্রন্থি থাকে। গন্ধগোকুলেরও আছে। পুরুষদের গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় যে সুগন্ধি রাসায়নিক তা দিয়ে এরা সঙ্গিনীকে যৌন মিলনের জন্য আকৃষ্ট করে। বিপদের সময়ও এই রাসায়নিক নিঃসৃত হয় সঙ্গীদের সতর্কীকরণের জন্য। এই রাসায়নিকের (সিভেটোন নামক ফেরোমন) গন্ধ অনেকটা বাসমতি চালের মতো। গন্ধটা অনেকক্ষণ থাকেও। তাই বাংলায় নাম গন্ধগোকুল।
অবশ্য এই গন্ধই ‘কাল’ হয়েছে গন্ধগোকুলদের। সাইভেট গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রাসায়নিক থেকে তৈরি করা যায় সুগন্ধি সাইভেট তেল। সাইভেট তেল ব্যবহার করে নানান আতর তৈরির কৃৎকৌশল খ্রিস্টপূর্ব দশম শতাব্দী থেকে চালু ছিল। খ্রিস্টিয় সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতাব্দীতে সবচেয়ে বেশি গন্ধগোকুল শিকার করা হয়েছে আতর তৈরির কারখানায় সাইভেট তেল সরবরাহের জন্য। অবশ্য বর্তমানে সাইভেট তেলের বিকল্প কৃত্রিম রাসায়নিক সুগন্ধি থাকায় এই উদ্দেশ্যে গন্ধগোকুল শিকার করার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। এদের ধরে এনে সাইভেট গ্রন্থি থেকে তেল নিষ্কাশন করার পদ্ধতি ছিল বড়ই নিষ্ঠুর। এদের ছোট্ট একটা খাঁচায় বন্দি করে রেখে চামচের মতো একটা যন্ত্র মলদ্বারে ঢুকিয়ে দিয়ে কিংবা মলদ্বারে চাপ দিয়ে সাইভেট তেল বার করা হত। ত্বকের রোগের ওষুধ হিসেবেও এই তেল ব্যবহৃত হত।
আজ আমাদের দেশে সাইভেট তেলের প্রয়োজন না থাকলেও গন্ধগোকুলের ললাটলিপির কোনও পরিবর্তন হয়নি। তার কারণও অনেক। প্রথমত: চমৎকার লোমের জন্য গন্ধগোকুলের চামড়ার দাম খুব চড়া। শুধু চামড়ার লোভে আজও এদের হত্যা করা হয়। দ্বিতীয়ত: বহু এলাকার মানুষ গন্ধগোকুলকে মেরে তার মাংস খায়। পাড়ায় কুকুরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় তাদের আক্রমণেও অনেক গন্ধগোকুল মারা যায়। তৃতীয়ত: গন্ধগোকুল রাতেই বেরোয়। রাস্তা পার হওয়ার সময় গাড়ির উজ্জ্বল আলোয় এরা হকচকিয়ে যায়, ফলে দ্রুতগতির গাড়ির চাকার তলায় বহু গন্ধগোকুল প্রাণ দেয়। চতুর্থত: সবজি ক্ষেতে। বিশেষত: বেগুন ক্ষেতে চাষিরা গন্ধগোকুলের হাত থেকে বেগুন বাঁচাতে সন্ধের সময় বেগুনে বিষ মাখিয়ে আসে। এর ফলে বহু গন্ধগোকুল মারা যায়। পঞ্চমত: যতই জনসংখ্যা বাড়ছে, নগরায়ন ও শিল্পায়ন হচ্ছে, অরণ্য ধ্বংস হচ্ছে ততই গন্ধগোকুলের বাসস্থান কমছে। কমছে ওদের খাবার দাবারও। ষষ্ঠত: কোনও গন্ধগোকুলকে কেউ দিনের বেলা দেখতে পেলেই হই-হল্লা করে লোক জড়ো করে, তারপর সবাই তাড়া করে হয় মারে নয়তো ধরে। সপ্তমত: দিনের বেলায় গন্ধগোকুলরা পোড়ো বা পরিত্যক্ত বাড়ি, মাটির ঘরের মাচা কিংবা ঝোপঝাড়, নিজের তৈরি করা বা পরিত্যক্ত গর্ত, পুরনো বড় বড় গাছের কোটর ইত্যাদিতে লুকিয়ে থাকে আর রাত্রি হলেই বেরোয় খাবারের সন্ধানে। সুন্দরবন অঞ্চল শুধু নয়, আমাদের রাজ্যের সর্বত্র মাটির বাড়ির সংখ্যা কমেছে, কমেছে পোড়ো বাড়ির সংখ্যা। সুন্দরবনের বসতি এলাকায় বট, অশ্বত্থ ইত্যাদির মতো বড় বড় বৃক্ষ আর ঝোপ জঙ্গল যে সাফ হয়ে যাচ্ছে তা সবারই জানা। এর ফলে গন্ধগোকুলরা তাদের থাকার জায়গা হারিয়েছে। অষ্টমত: মানুষের মধ্যে সচেতনতার মারাত্মক অভাব রয়েছে। নিরীহ প্রাণীকে বধ করে বহু মানুষ নিজেদের বীরত্ব দেখায়। আমি নিজে দেখেছি, একবার কাকদ্বীপের একটি বই দোকানে একটি গন্ধগোকুল ঢুকে পড়ায় তাকে বেঘোরে প্রাণ দিতে হয়েছে। আবার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে বড় গন্ধগোকুল ধরতে না পেরে তার নিরীহ দুটি বাচ্চাকে নিধন করে রাস্তার মাঝে শুইয়ে রেখে ঘাতকদের আনন্দ করতে দেখেছি। সুন্দরবনে গন্ধগোকুল বেঁচে-বর্তে আছে খুবই কম। কোনও কোনও অঞ্চল থেকে তো একেবারেই মুছে গিয়েছে। কাকদ্বীপের শহরাঞ্চলে অবশ্য এদের এখনও রাতবিরেতে দেখা যায়।
গন্ধগোকুল ভারতীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে (১৯৭২) শিডিউল-২ শ্রেণিভুক্ত প্রাণী। সুন্দরবনের এই বাহারি নিরীহ প্রাণীটিকে রক্ষা করতে গেলে সর্বাগ্রে চাই সচেতনতা। গন্ধগোকুলকে অকারণে তাড়া করা, হত্যা করা কিংবা তাদের বাসস্থান ধ্বংস করা অনুচিত। রাতে গাড়ি চালানোর সময় চালকদের সতর্ক থেকে গাড়ি চালানো উচিত যাতে কোনও গন্ধগোকুল গাড়িচাপা না পড়ে। গন্ধগোকুল হিংস্র প্রাণী নয়। এরা অত্যন্ত ভীতু স্বভাবের প্রাণী। মানুষকে আক্রমণ তো দূরের কথা, এরা মানুষকে এড়িয়েই চলে। অথচ সুন্দরবন তথা বাংলার এই অনন্য প্রাণীটি মানুষের লোভ, হিংসা ও অবিবেচনাপ্রসূত কর্মকাণ্ডের শিকার হয়ে বিলুপ্তির দিন গুনছে।—চলবে।
* সৌম্যকান্তি জানা। সুন্দরবনের ভূমিপুত্র। নিবাস কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। পেশা শিক্ষকতা। নেশা লেখালেখি ও সংস্কৃতি চর্চা। জনবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের জন্য ‘দ্য সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ২০১৬ সালে ‘আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান লেখক হিসেবে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ ২০১৭ সালে ‘অমলেশচন্দ্র তালুকদার স্মৃতি সম্মান’ প্রদান করে সম্মানিত করেছে।
গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম
‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com