শাক্য মোবাইলে মেসেজ করে কথা বলছিল উল্লাসের সঙ্গে। অনেকবার ফোন করেছে সে। তখন ব্যস্ত থাকায় আর ফোন তোলার সময় হয়নি তার। সুদীপ্তর কাছে যদিও সে শুনেছে বিষয়টি, তবুও উল্লাসের কাছ থেকেও শুনতে চাইছিল সে। উল্লাসকে সে জানিয়ে দিয়েছিল, এখন তার চারপাশে যেহেতু অনেকে আছেন, ফলে ফোনে কথা বলা যাবে না। তবে মেসেজে বলা যাবে। সেই কারণে উল্লাস মেসেজ করছিল। আর শাক্য যথাসম্ভব প্রশ্ন করে জেনে নিচ্ছিল যা জানার।






















