সেরা পাঁচ

পর্ব-৮৫ : সাথী হারা

পর্ব-৮৫ : সাথী হারা

১৯৬১ সালের বাংলা চলচ্চিত্র ‘সাথীহারা’ হল উত্তম কুমার ও মালা সিনহা অভিনীত একটি রোম্যান্টিক ড্রামা যা, কুন্দন ও রূপা নামের দুই ভবঘুরে গায়কের কাহিনি অনুসরণ করে। শুরুতে একে অপরের প্রেমের ব্যাপারে অজ্ঞাত থাকলেও পরিস্থিতি, তাদের ভালোবাসার গভীরতা উপলব্ধি করতে বাধ্য করে। সুজন নামের একজন সংগীত পরিচালকের পাল্লায় পড়ে তাদের জীবনে নেমে আসে বিচ্ছেদ ও ভুল বোঝাবুঝি অবশেষে কাহিনীর হাত ধরে কুন্দন রূপাকে উদ্ধার করে মিলন সম্পন্ন করে।

read more
পর্ব-৯৯ : দুই সাপের বিবাদ ও রাজকন্যার গুপ্তধন লাভ! প্রাকারকর্ণের চাণক্য-নীতিতে মুগ্ধ উলূকরাজ

পর্ব-৯৯ : দুই সাপের বিবাদ ও রাজকন্যার গুপ্তধন লাভ! প্রাকারকর্ণের চাণক্য-নীতিতে মুগ্ধ উলূকরাজ

স্বামীর জীবন বাঁচিয়েই রাজকন্যা কিন্তু থামলেন না। এবার তিনি মন দিলেন উইয়ের ঢিবির সেই অহংকারী সাপটির দিকে। উনুনে ফুটন্ত গরম তেল চাপিয়ে, সেই টগবগ করে ফোটা তেল তিনি সাবধানে ঢেলে দিলেন উইয়ের ঢিবির গর্তের ভিতর। তেলের সেই ভয়ংকর তাপে ঢিবির ভিতরের সাপটিও নিমেষে পুড়ে ছাই হয়ে গেল। আর ঢিবি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল ঝকমকে সোনাভর্তি দুটো বিশাল কলসি!

read more
সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৩ : ফেলুদার শেষদৃশ্য— শেষের পরে, শেষের পারে

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৩ : ফেলুদার শেষদৃশ্য— শেষের পরে, শেষের পারে

রহস্য-রোমাঞ্চ ঠিক কীরকম? আভিধানিক অর্থ ধরে এগোলে রহস্যে একরকম গোপনীয় বিষয় থাকবে, আর রোমাঞ্চ হল যা গায়ের লোম খাড়া করে দেবে। সুতরাং এমন কোনও গোপন বিষয়ের উদ্ঘাটন হয় এখানে যার পথে থাকে শিহরণ, বুক দুরুদুরু “কী হয় কী হয়” ভাব। আজ সত্যজিৎ রায়ের দুটি রহস্যনির্ভর ছবি সোনার কেল্লা ও জয় বাবা ফেলুনাথের শেষ দৃশ্য।

read more
পর্ব-৫৯: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৫৯: আকাশ এখনও মেঘলা

ফ্যাশন নাকি মাঝে মাঝে সামারসল্ট দিয়ে পুরোনো দিনে ফিরে যায়। এরকম রগ ছোঁওয়া জুলফি তো ছিল একসময়কার আইকন দুর্গাদাস সায়গল বা পিসি বড়ুয়ার সময়ে। নায়িকাদের ফিনফিনে রোগা হওয়া, একটু নাকিসুরে কথা বলাটাও যমুনা বড়ুয়ার সময় থেকে আবার ফিরে আসছে। মাঝখানের একটা সময় একটু মোটাসোটা নায়িকারা জায়গা পেতেন। উত্তমকুমার নিয়ে এলেন এক দুরন্ত প্রেমিককে। ধুতি পাজামা পাঞ্জাবি বাংলা সার্ট বা স্যুট-বুট সবেতেই ভালোবাসা- ভালোলাগা।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪১: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — গড়িয়োল

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪১: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — গড়িয়োল

গড়িয়োলরা স্বভাবে কিন্তু ভীষণ লাজুক ও ভীতু। প্রখর দৃষ্টিশক্তি এদের। আড়াইশো মিটার দূর থেকেও মানুষের গতিবিধি বুঝতে পারে। ভালোভাবে দেখার জন্য কখনও কখনও পিছনের দু’পায়ের উপর ভর দিয়ে শরীরকে খাড়া করে। অবশ্য স্বজাতির পুরুষদের সাথে মারামারি করার সময়ও ওইরকম ভঙ্গিতে দাঁড়াতে দেখা যায়। আগেই বলেছি বিপদে ওরা গাছে উঠতে যেমন পটু তেমনই পটু সাঁতারে। জেনে অবাক হবেন, টানা ১৭ মিনিট ওরা দম বন্ধ করে জলের তলায় ডুবে থাকতে পারে।

read more
পর্ব-১৫৬ : করিডোরে কেউ নেই

পর্ব-১৫৬ : করিডোরে কেউ নেই

বামাপদ প্রথমে উঠছিল। তারপর সাইকেল। তার পিছনে চেতন, পল্টু, আরা শেষে বামাপদর ডাক্তার সাজা সহযোগী। খুব আস্তে-আস্তে বেশি শব্দ না হয়, এমনভাবে উঠতে হচ্ছিল তাদের। দ্বিতীয় তলায় এসে বামাপদ হাতের ইশারায় থামতে বলল একটু। এটি ফিমেল ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডেই ব্যস্ততা দিনে-রাতে সব সময়েই থাকে। নার্সদিদিরা ছোটাছুটি করে। লেবার পেইন নিয়ে যারা ভর্তি হয়, তাদের ডেলিভারির সময় দিন-রাত যে-কোন সময়েই হতে পারে।

read more
পর্ব-২৩ : অপারেশন উদ্বাস্তু এবং গুরু-শিষ্য সংবাদ

পর্ব-২৩ : অপারেশন উদ্বাস্তু এবং গুরু-শিষ্য সংবাদ

রাস্তার মেটে ধুলো উড়িয়ে ওরা দু’জন হাঁটছে। ব্রজেন স্যারের কষ্ট হচ্ছে। হবেই তো। এতদিনের উপবাস, অনিদ্রা, অসম্মান, কেমন জীর্ণ হয়ে গিয়েছেন স্যার! ভিতরে ভিতরে যেন বেঁচে নেই মানুষটা! এমন একটা মরা মানুষের পক্ষে উদ্বাস্তুর যন্ত্রণায় মলম লাগানো কি সম্ভব? ক্ষতের মুখ চিঁড়ে বার করে আনতে পারবেন পুঁজ রক্ত স্রাব! অপারেশন উদ্বাস্তুর অগ্নিগর্ভ লড়াইতে ধুঁকতে ধুঁকতে যেন সামিল হচ্ছে একটি অর্ধদগ্ধ শব!

read more
পর্ব-৯৪: ত্রিপুরায় রিয়াং বিদ্রোহ

পর্ব-৯৪: ত্রিপুরায় রিয়াং বিদ্রোহ

১৯৪২-৪৩ সালে রতনমণি নামে এক সাধুর নেতৃত্বে ত্রিপুরায় ঘটেছিল রিয়াং আদিবাসী বিদ্রোহ। মূলত সামন্ততান্ত্রিক শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে এই বিদ্রোহ ঘটলেও সে সময়ে অনেক ক্ষেত্রে রতনমণির শিষ্যদের 'স্বদেশী' বলে অভিহিত করা হতো। পরবর্তী সময়ে রিয়াং বিদ্রোহকে স্বাধীনতা সংগ্রামের মর্যাদাও দেয়া হয়েছে। নৃপতি শাসিত ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে জনজাতি সম্প্রদায়ের রিয়াং সর্দারদের বলা হতো চৌধুরী। এই চৌধুরীরা কার্যত সেদিন সামন্ত প্রভুদের মতো আচরণ করতেন। গরীব রিয়াং প্রজাদের কাছ থেকে জোর করে অর্থ আদায়, জরিমানা ইত্যাদি নানা ভাবে তারা...

read more
পর্ব-১২৩: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৪

পর্ব-১২৩: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৪

বারান্দায় টানা উঁচু গ্রিল দেওয়া। সেখান দিয়ে ঘরে আসার সুযোগ নেই! বাড়ির দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। দরজার লক। তার বাইরে কোলাপসেবল গেটে তালা দেওয়া। সবদিক থেকে ব্যাপারটা আত্মহত্যার দিকে এগোচ্ছে। কিন্তু একটা খটকা বাবু মানে ধৃতিমান চৌধুরীকে ভাবাচ্ছে। বারান্দার উঁচু গ্রিলে নীলাঞ্জনার ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস লাগানোটা যেন ম্যাচ করছে না! অমিতাভ কী চেয়েছিল তার মৃতদেহটা রাস্তা থেকে কেউ দেখতে পাক?

read more
পর্ব-১৪৯: মহাভারতের কথা অমৃতসমান কেন?

পর্ব-১৪৯: মহাভারতের কথা অমৃতসমান কেন?

কৃষ্ণ ও যুধিষ্ঠিরের বক্তব্যে আছে যে কোন বড় পরিকল্পনা বা কার্যসিদ্ধির রূপরেখা। মহাভারতের অন্তর্লোকের পরতে পরতে আছে অনেক জীবনযুদ্ধেে প্রস্তুতির দিগ্দর্শন। মহাভারতের কথার নির্যাস সমুদ্রমন্থনের পরে অমৃতের মতোই চিরন্তন নয় কী?

read more
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৫০: বালোদক-জাতক—বীরভোগ্যা বসুন্ধরা

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৫০: বালোদক-জাতক—বীরভোগ্যা বসুন্ধরা

রাজকীয় ঘোটকবাহিনী এই দীর্ঘ পথশ্রমে নিতান্তই শ্রান্ত হয়ে পড়েছিল। রাজ্যে ফিরে রাজা সেই শ্রমক্ষিণ্ণ ক্লান্ত অশ্বদলের ক্ষুৎপিপাসা দূর করতে তাদের সরস খাদ্য ও দ্রাক্ষারস সেবন করানোর আদেশ দিলেন। সুগন্ধি রস পান করে হৃষ্ট অশ্বসকল অশ্বশালায় যথাস্থানে নীরবে স্থির হয়ে দণ্ডায়মান রইল।

read more
পর্ব-৯৮ : শত্রুরা যখন নিজেদের মধ্যে লড়ে, আখেরে লাভ হয় তৃতীয় ব্যক্তিরই

পর্ব-৯৮ : শত্রুরা যখন নিজেদের মধ্যে লড়ে, আখেরে লাভ হয় তৃতীয় ব্যক্তিরই

রাক্ষস তো পালাল। ব্রাহ্মণ দেখলেন, এবার শুধু চোরটাই বাকি! মন্ত্র পড়া থামিয়ে তিনি ঘরের কোণ থেকে তুলে নিলেন এক মস্ত বড় ও মজবুত লাঠি। তারপর রুদ্রমূর্তি ধারণ করে তেড়ে গেলেন সেই চোরের দিকে। জুতসই লাঠির বাড়ি পড়ার আগেই চোর বুঝল, আজ আর বাছুর চুরির আশা নেই। তাই নিজের পিঠ বাঁচাতে সেও সেখান থেকে চোঁ-চোঁ দৌড় দিল। আর এভাবেই, কেবল চোর আর রাক্ষসের নিজেদের বিবাদের কারণেই ব্রাহ্মণের প্রাণ এবং তাঁর বাছুর—দুটোই রক্ষা পেয়ে গেল।

read more
পর্ব-৫৮: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৫৮: আকাশ এখনও মেঘলা

দিয়া কী চাইবে না! প্রেম? একা একা নিঃশব্দে খানিক হেসে কাগজটা কুচিয়ে ফেলে জলের ফ্ল্যাশ টেনে দিলো। গাড়িটা চলছে। বিতান জিজ্ঞেস করেনি দিয়া কোথায় যাবে! বিতান জানে দিয়া কোথায় থাকে। সেদিন ভোগপ্রসাদ পরিবেশনের দলে বিতান ছিল! দিয়া ব্যাপারটায় সেদিনই নির্ভেজাল বন্ধুত্বের শিলমোহর দিতে চেয়েছিল। তাই সে চেঁচিয়ে বলল…

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪০: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — বুনো শুয়োর

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪০: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — বুনো শুয়োর

সুন্দরবনের বুনো শুয়োরদের খাদ্যতালিকা অন্যান্য অঞ্চলের একই উপপ্রজাতির বুনো শুয়োরদের থেকে বেশি লম্বা। খুব বৈচিত্রপূর্ণ এদের খাদ্যতালিকা। প্রধানত উদ্ভিজ্জ খাদ্যই এরা বেশি পছন্দ করে। পাতা, ফল, বীজ, গাছের বাকল, কাদা বা মাটির মধ্যে প্রোথিত মূল, কন্দ ইত্যাদি এদের পরিচিত খাদ্য। দেখা গিয়েছে এদের গৃহীত খাদ্যের ৯০ শতাংশই উদ্ভিজ্জ খাদ্য। লম্বা ও সঞ্চরণশীল তুন্ডের সাহায্যে এরা মাটি খুঁড়ে মূল ও কন্দ বার করে খায়। তবে সুযোগ পেলে নানা ধরনের প্রাণীজ খাবার-দাবার এরা খেতে ছাড়ে না।

read more

 

 

Skip to content