
ছবি : প্রতীকী।
গল্পসাহিত্য মানবপ্রকৃতিকে নানা আঙ্গিকে পরিবেশন করে। সুপ্রবৃত্তি এবং দুষ্প্রবৃত্তি, উভয়-ই মানুষের চরিত্রধর্মে বর্তমান। আসুরিক দুষ্প্রবৃত্তিকে জয় করে করেই ‘মানুষ’ হয়ে ওঠা… পশু থেকে। মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি ও চেতনা তাকে এই প্রণোদনা দেবে, এটিই কাঙ্ক্ষিত। তবে যা কিছু হতে পারে, হওয়া উচিত, তা ঘটবেই এমনটা সকল সময় হয়ে ওঠে না মানুষের জগতে। হয়ে ওঠে না তার আকাঙ্ক্ষা, প্রবৃত্তি ও সামাজিক স্থিতির পারস্পরিক সংঘাত ও বৈষম্যের কারণে। তখন নানা কাহিনি জন্ম নেয়।
এই দুরধিগম্য মানবপ্রকৃতির গোপনপুরের খবর, তার অভিসন্ধি কিংবা ঔদার্যের কথা গল্পের আঙ্গিকে সুবোধ্য হয়ে ওঠে। আর সেই জগতে মানুষ আর মনুষ্যেতর জীবের নৈকট্য লক্ষ্য করার মতো একটি বিষয়। সেই নৈকট্য কেবল সহাবস্থানেই শেষ হয় না, বরং তারা ভাষায়-ভাবে-আচারে-বিচারে সমগোত্রীয় হয়ে উঠতে পারে, হতে পারে মিত্র অথবা মিত্রভাবাপন্ন, কপট কিংবা সরল, মহান কিংবা শঠ। মানুষ ও মনুষ্যেতর জীবের জগতে ভাব-ভাষাগত বাধা, ব্যবধান আছে এটি বাস্তব। মানুষ কল্পনায় সেই ব্যবধানকে পার হয়ে যেতে পারে একথাও সত্য। পশুচরিত্রে ঔদার্যের প্রকাশ যেমন সত্য, তেমন-ই মানুষের অমানবিক নিকৃষ্ট আচরণ-ও ঘোরতর সত্য। পশুর জগতে শাঠ্য কিংবা প্রবঞ্চনা, লোভ, দ্বেষ, অসূয়া অথবা হননেচ্ছা আদৌ আছে কীনা বা কীভাবে আছে তা তর্কের কিংবা গবেষণার বিষয়, কিন্তু মানুষের জগতে এই ‘স্বার্থের’ অস্তিত্ব বিলক্ষণ আছে। মানুষ তাই নিজের আধারে পশুচরিত্রকে ব্যাখ্যা করে। গল্পসাহিত্য সেই আঙ্গিকে অবিমৃষ্যকারী মনুষ্যকুলের যাবতীয় দ্বিচারিতা, স্বার্থদীর্ণ আচরণের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেয় বারবার। মরলোকের দৃশ্যজগতে যা হয় না, তা অনায়াসেই গল্পলোকে সত্য ও অনিবার্য হয়ে ওঠে, তথাকথিত বৌদ্ধিক শক্তির সাপেক্ষে মানুষের থেকে উচ্চতর ও নিম্নতর সকলেই যেন সমাজের গণ্ডীবদ্ধ মানুষ হয়েই ধরা দেয়; ধরা দেয়, কেননা মানুষ তার ফেলে আসা মনুষ্যেতর-পূর্বপরিচয়ের যাবতীয় ‘নেতি’কে অতিক্রম করে উচ্চতর সত্তায় উন্নীত হতে চায়। ধরা দেয়, কেননা মনুষ্যেতর ‘নেতির’ বাহক যারা তাদের সত্তায় স্ফুরিত “ইতি”টিকেও মানুষ তার বর্তমানের সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দিতে চায় নিজেকে চেনার জন্য।
আরও পড়ুন:

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৫২: কূটবণিক্-জাতক — ভাণ্ডার তোর পণ্ড যে হয়

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০১ : সত্য সামনে দাঁড়িয়ে হাসে, আর মূর্খ অন্যের ব্যাখ্যায় তাকে খোঁজে!

উত্তম কথাচিত্র পর্ব-৮৮ : নেকলেস

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা : দ্বিতীয় অধ্যায়, পর্ব-৬৩: আকাশ এখনও মেঘলা
বোধিসত্ত্ব সেই জন্মে বারাণসীর এক শ্মশানবনে বৃক্ষদেবতা হয়ে অবস্থান করছেন। নগরী এক সময় উত্সবমগ্ন হল। উত্সব উপলক্ষ্যে নগরবাসীরা যক্ষগণকে পূজার্ঘ্য দান করবে বলে সঙ্কল্প করল। চত্বরে, রাজপথে অর্ঘ্যরূপে মত্স্য ও মাংসের খণ্ড ছড়িয়ে রাখল তারা। রাখল সুরাপূর্ণ ভাণ্ড। যক্ষগণ এই অর্ঘ্যে নিতান্তই তুষ্ট হবেন!
কিন্তু ঘটল অন্যতর কিছু। গভীর রাতের অন্ধকারে নর্দমার পথে এক শৃগাল নগরে প্রবেশ করল। যেমনটা সুস্থ মস্তিষ্কে দুর্বুদ্ধির প্রবেশ ঘটে আবিল পথে। সেই শৃগাল মত্স্য-মাংসসহযোগে সুরাপানে বিভোর হয়ে নিশ্চল হয়ে পড়ল। তাই আশ্রয় নিল একট গুল্মে। সূর্যোদয় পর্যন্ত সেখানেই নিদ্রিত থাকল।
সকাল হল ক্রমে। তখন শেয়ালের ঘুম ভাঙল। কিন্তু তখন রোদ উঠে গেছে, চারিদিক আলোয় ঢাকা। এর মধ্য দিয়ে নিষ্ক্রান্ত হওয়া কেবল কঠিন নয়, অসম্ভব। ধরা পড়ে গেলে যে ভবিতব্য তার জন্য অপেক্ষমান তা সুখকর নয়, সুতরাং…
সুতরাং, উপায়ান্তর সন্ধান করা আশু কর্তব্য। এখানেই জেগে উঠবে ধূর্ত ও প্রবঞ্চনাকুশল শৃগালের দুর্বুদ্ধি। শেয়াল নিমিত্তমাত্র, এ বুদ্ধি মানব মস্তিষ্কেই উদ্ভূত হয়েছে কালে কালে।
কিন্তু ঘটল অন্যতর কিছু। গভীর রাতের অন্ধকারে নর্দমার পথে এক শৃগাল নগরে প্রবেশ করল। যেমনটা সুস্থ মস্তিষ্কে দুর্বুদ্ধির প্রবেশ ঘটে আবিল পথে। সেই শৃগাল মত্স্য-মাংসসহযোগে সুরাপানে বিভোর হয়ে নিশ্চল হয়ে পড়ল। তাই আশ্রয় নিল একট গুল্মে। সূর্যোদয় পর্যন্ত সেখানেই নিদ্রিত থাকল।
সকাল হল ক্রমে। তখন শেয়ালের ঘুম ভাঙল। কিন্তু তখন রোদ উঠে গেছে, চারিদিক আলোয় ঢাকা। এর মধ্য দিয়ে নিষ্ক্রান্ত হওয়া কেবল কঠিন নয়, অসম্ভব। ধরা পড়ে গেলে যে ভবিতব্য তার জন্য অপেক্ষমান তা সুখকর নয়, সুতরাং…
সুতরাং, উপায়ান্তর সন্ধান করা আশু কর্তব্য। এখানেই জেগে উঠবে ধূর্ত ও প্রবঞ্চনাকুশল শৃগালের দুর্বুদ্ধি। শেয়াল নিমিত্তমাত্র, এ বুদ্ধি মানব মস্তিষ্কেই উদ্ভূত হয়েছে কালে কালে।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৫৯ : ভোরের রক্তাক্ত কবিতা

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯৮ : বিনা বিচারে আটকদের নিয়ে রাজা বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্যকে চিঠি লিখেন নেহরু
জাতে মাতাল, কিন্তু তালে ঠিক থাকা শেয়ালটি আত্মগোপন করে পথের ধারেই লুকিয়ে থাকল সুযোগের অপেক্ষায়। পথ বেয়ে অনেক লোক গেল, এল। কিন্তু কাউকেই তার তেমন মনে ধরল না। এরা কেউ-ই প্রবঞ্চনায় ভুলবে বলে মনে হয় না!
অবশেষে সে দেখল এক আগন্তুককে। আগন্তুক জাতিতে ব্রাহ্মণ, তিনি হাত-মুখ ধোয়ার জন্য পথ দিয়ে জলাশয়ের দিকে যাচ্ছিলেন বুঝি। ধূর্ত শৃগাল এবার মনে মনে তুষ্ট হল, যোগ্য লোক পাওয়া গিয়েছে। অর্থের লোভ দেখিয়ে এই ব্রাহ্মণকে বশবর্তী করতে হবে এমনটাই ভেবে সে মানুষের স্বরে ডেকে উঠল “শুনছেন মশাই!”
ব্রাহ্মণ সে ডাকে সাড়া দিয়ে কারণ জানতে চাইলেন।
“আমার কাছে দু’শ কাহন ধন আছে, আপনাকে তা আমি দিতে পারি। তবে আমাকে উত্তরীয় ঢাকা দিয়ে সংগোপনে বহন করে নগরের বাইরে নিয়ে যেতে হবে। কেউ যেন দেখতে না পায়! জানতে না পারে! তবেই ওই ধন আপনার।” শৃগাল প্রস্তাব দেয়।
অবশেষে সে দেখল এক আগন্তুককে। আগন্তুক জাতিতে ব্রাহ্মণ, তিনি হাত-মুখ ধোয়ার জন্য পথ দিয়ে জলাশয়ের দিকে যাচ্ছিলেন বুঝি। ধূর্ত শৃগাল এবার মনে মনে তুষ্ট হল, যোগ্য লোক পাওয়া গিয়েছে। অর্থের লোভ দেখিয়ে এই ব্রাহ্মণকে বশবর্তী করতে হবে এমনটাই ভেবে সে মানুষের স্বরে ডেকে উঠল “শুনছেন মশাই!”
ব্রাহ্মণ সে ডাকে সাড়া দিয়ে কারণ জানতে চাইলেন।
“আমার কাছে দু’শ কাহন ধন আছে, আপনাকে তা আমি দিতে পারি। তবে আমাকে উত্তরীয় ঢাকা দিয়ে সংগোপনে বহন করে নগরের বাইরে নিয়ে যেতে হবে। কেউ যেন দেখতে না পায়! জানতে না পারে! তবেই ওই ধন আপনার।” শৃগাল প্রস্তাব দেয়।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৫৩: জরাসন্ধ ও কৃষ্ণের কথোপকথন সূত্রে নিহিত আছে রাজনীতির পাঠ

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৬ : ‘বসন্তবায় মোরে জাগায় পল্লব কল্লোলে’
শেয়াল ছিল বিচক্ষণ প্রতারক। সে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না। ধনলোভী ব্রাহ্মণ এককথায় রাজি হয়। তারপর ব্রাহ্মণের সাহায্যে শেয়াল নগরের বাইরে পৌঁছে গেল নিরাপদে। পথনির্দেশ দিয়ে দিয়ে শেয়াল ব্রাহ্মণকে এনে ফেলল সেই মহাশ্মশানের ধারে, যেখানে বোধিসত্ত্বরূপী বৃক্ষদেবতার বাসভূমি।
শেয়াল বলল, “এখানেই নামিয়ে দিন আমায়।”
ব্রাহ্মণ তেমনটাই করলে আবার সে বলে “এবার উত্তরীয়টা মেলে দিন ওই মাটিতে।” ব্রাহ্মণ আসন্ন ধনপ্রাপ্তির আশায় তেমনটাই করলে শেয়াল আবার বলল, “এবার ওই বৃক্ষমূল খনন করুন।” ব্রাহ্মণ তেমনটাই করতে প্রবৃত্ত হলেন। তাঁর অনবধানতার সুযোগ নিয়ে ধূর্ত প্রতারক শৃগাল ব্রাহ্মণের সেই বিস্তৃত উত্তরীয় মলে আকীর্ণ ও মূত্রসিক্ত করে সেখান থেকে পালিয়ে গেল।
গাছের ওপর থেকে বোধিসত্ত্ব সকলই দেখছিলেন। এবার ব্রাহ্মণকে ভর্ৎসনা করে তিনি বললেন “একেই এ শেয়াল, তার ওপর মত্ত। এই শঠের কথায় তুমি বিশ্বাস করলে কী করে! দু’শ কাহন কেন, কপর্দকমাত্র-ও এখানে নেই। যাও, উত্তরীয় ধুয়ে নিয়ে গৃহে ফিরে যাও। নিজের কাজে মন দাও।”
বৃক্ষদেবতা বোধিসত্ত্ব অন্তর্হিত হলেন। ব্রাহ্মণ হা-হুতাশ করতে করতে নিজের কৃতকর্মে নিতান্তই খিন্ন হয়ে স্নানাদি সম্পন্ন করে ফিরে গেলেন।
শেয়াল বলল, “এখানেই নামিয়ে দিন আমায়।”
ব্রাহ্মণ তেমনটাই করলে আবার সে বলে “এবার উত্তরীয়টা মেলে দিন ওই মাটিতে।” ব্রাহ্মণ আসন্ন ধনপ্রাপ্তির আশায় তেমনটাই করলে শেয়াল আবার বলল, “এবার ওই বৃক্ষমূল খনন করুন।” ব্রাহ্মণ তেমনটাই করতে প্রবৃত্ত হলেন। তাঁর অনবধানতার সুযোগ নিয়ে ধূর্ত প্রতারক শৃগাল ব্রাহ্মণের সেই বিস্তৃত উত্তরীয় মলে আকীর্ণ ও মূত্রসিক্ত করে সেখান থেকে পালিয়ে গেল।
গাছের ওপর থেকে বোধিসত্ত্ব সকলই দেখছিলেন। এবার ব্রাহ্মণকে ভর্ৎসনা করে তিনি বললেন “একেই এ শেয়াল, তার ওপর মত্ত। এই শঠের কথায় তুমি বিশ্বাস করলে কী করে! দু’শ কাহন কেন, কপর্দকমাত্র-ও এখানে নেই। যাও, উত্তরীয় ধুয়ে নিয়ে গৃহে ফিরে যাও। নিজের কাজে মন দাও।”
বৃক্ষদেবতা বোধিসত্ত্ব অন্তর্হিত হলেন। ব্রাহ্মণ হা-হুতাশ করতে করতে নিজের কৃতকর্মে নিতান্তই খিন্ন হয়ে স্নানাদি সম্পন্ন করে ফিরে গেলেন।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৪: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— অলিভ রিডলে কচ্ছপ

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি
শ্মশানভূমির রিক্ততা মনুষ্যজীবন এবং তার অসার স্বার্থদীর্ণ পদপাতের পাশে অনিবার্যতার রূপ। প্রশ্ন জাগে, মত্ত শেয়ালের স্বরূপটি কি ব্রাহ্মণের একেবারেই অবোধ্য ছিল? চতুর, শঠ, প্রতারণাকুশল প্রবঞ্চককে চিহ্নিত করা অনায়াসসাধ্য না হলেও একেবারে অসাধ্য কি? এখানেই দুস্তর বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইন্দ্রিয়াসক্তি, অসংযত রিপুর গ্রাস। ফল শূন্যতা। এর পরিণাম সুকঠিন। ওই শ্মশানভূমির মতোই তা তীব্র বেদনার। আবার সেখান থেকে নবতর বোধে উত্তরণ। মূঢ় লোভীর সাহচর্যেই
ধূর্ত শঠ বিবৃদ্ধ হয়। সমাজে এই অভিসন্ধিপ্রবণ জীব অপ্রতুল নয় কখনোই। তবে বিবেকবান স্থিতধী সুলভ নয়। জাতকমালার এই কাহিনিটি চেনায় স্থিতধীকে। চেনায় অপরিণামদর্শীর অবিবেচনার ফলটিকেও।—চলবে।
ধূর্ত শঠ বিবৃদ্ধ হয়। সমাজে এই অভিসন্ধিপ্রবণ জীব অপ্রতুল নয় কখনোই। তবে বিবেকবান স্থিতধী সুলভ নয়। জাতকমালার এই কাহিনিটি চেনায় স্থিতধীকে। চেনায় অপরিণামদর্শীর অবিবেচনার ফলটিকেও।—চলবে।
* ড. অভিষেক ঘোষ (Abhishek Ghosh) সহকারী অধ্যাপক, বাগনান কলেজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। স্নাতকোত্তরের পর ইউজিসি নেট জুনিয়র এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সাড়ে তিন বছর পূর্ণসময়ের গবেষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সাম্বপুরাণের সূর্য-সৌরধর্ম নিয়ে গবেষণা করে পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগ্রহের বিষয় ভারতবিদ্যা, পুরাণসাহিত্য, সৌরধর্ম, অভিলেখ, লিপিবিদ্যা, প্রাচ্যদর্শন, সাহিত্যতত্ত্ব, চিত্রকলা, বাংলার ধ্রুপদী ও আধুনিক সাহিত্যসম্ভার। মৌলিক রসসিক্ত লেখালেখি মূলত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে চলেছে বিভিন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে। সাম্প্রতিক অতীতে ডিজিটাল আর্ট প্রদর্শিত হয়েছে আর্ট গ্যালারিতে, বিদেশেও নির্বাচিত হয়েছেন অনলাইন চিত্রপ্রদর্শনীতে। ফেসবুক পেজ, ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত দর্শকের কাছে পৌঁছে দেন নিজের চিত্রকলা। এখানে একসঙ্গে হাতে তুলে নিয়েছেন কলম ও তুলি। লিখছেন রম্যরচনা, অলংকরণ করছেন একইসঙ্গে।


















