
চতুর্বিধ উপায়ের অন্যতম ও চূড়ান্তটি হল ভেদ। ষাড়গুণ্যে সন্ধির পরে স্থান বিগ্রহের। রাজনীতি, কূটনীতি, সমাজনীতিতে, জীবনে ভেদ ও বিগ্রহের চিত্রটি কীরকম? যূথবদ্ধতার প্রাথমিক শর্ত হল মতৈক্য। সেখান থেকেই পরিবার, সমাজ কিংবা রাষ্ট্রজীবনে সঙ্ঘবদ্ধ, সংহত ঐক্যের যে পরিসর, তার পথচলার সূত্রপাত “সংগচ্ছধ্বমের” আকাঙ্ক্ষার তত্ত্বে, প্রয়োগে। তারপরেও কিছু ‘কিন্তু’র অবকাশ থাকবে, সেখানেই আত্মপ্রকাশ করবে সংঘাত, দ্বন্দ্ব। তখন সন্ধির শর্ত অবসিত হয়ে বিগ্রহের সূত্রপাত, সামদানাদির বিফলতায় ভেদের প্রতিষ্ঠা। দর্শন এই ভেদবুদ্ধির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন, ‘অহংবোধ’ ব্যাহত করে অভেদপ্রতিপত্তিতে, পরম কিংবা চরম তত্ত্বের জাগরণে। ভেদবুদ্ধি জৈবিক, মানসিক সীমারেখাটি টেনে রাখে, উপলব্ধি করতে দেয় না প্রকৃত সত্যকে।
তবে এ তত্ত্ব রাজনীতি, কূটনীতি, রাষ্ট্রচিন্তনের অঙ্গনে খানিক সংকুচিত করে পার্থিব লাভালাভ, নীতি কিংবা নীতিহীনতার মানদণ্ডে মেপে নিলে ওই ভেদ কিংবা বিগ্রহ রাষ্ট্রশক্তির অভ্যুদয়ে, যোগক্ষেমে অন্যতর দ্যোতনা নিয়ে উপস্থিত হবে। রাষ্ট্র থেকে সমাজজীবনে, সামাজিক কাঠামোয়, ব্যক্তিজীবনের স্তরে স্তরে, কোণে কোণে ভেদনীতি, সন্ধিহীন যুদ্ধবিগ্রহের নেপথ্যে রিপুর তাড়না ও দ্বন্দ্ব ও ক্ষমতার বিচিত্র গতিপ্রকৃতির যাথার্থ্য-অযাথার্থ্য নিয়ে দীর্ঘ বিতর্কের অবকাশ থেকেছে সর্বদা, সর্বত্র-ই। আধিপত্যের প্রশ্নে উপায়-অবলম্বনের বিচিত্রগামী কৌশল কখনও হিংসার পথকে বিস্তৃত করে, কখনও রক্তক্ষয়ী পেশীশক্তির সমান্তরালে কূটনীতির অবিসংবাদী প্রাধান্যের প্রতিষ্ঠা দেয়। ভেদনীতি যাকে গ্রাস করে, ভিন্ন করে, তার পতন অবশ্যম্ভাবী। সেই পতনকে অতিক্রম করতে পারলে অভ্যুদয় ঘটে। ক্ষমতার কেন্দ্রে শত্রু-মিত্রের এই দ্বন্দ্ব অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু জীবনে চলার পথে অনাবশ্যক, অনপেক্ষিত শত্রুতার পরিসর যদি গড়ে ওঠে তবে? আজকের জাতকমালার কাহিনিটির কেন্দ্রে সেই তত্ত্বটি থাকবে, থাকবে সাধর্ম-বৈধর্ম্য, সম্ভব-অসম্ভবের ভিত্তিভূমিতে ঘনীভূত মৈত্রীভাবনার সাফল্য-বৈফল্যের নেপথ্যচারী প্রচ্ছন্ন তর্কটুকুও।
আরও পড়ুন:

বিচিত্রের বৈচিত্র, গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৮: সুজাতজাতক—তবু অনন্ত জাগে

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৩ : শহরের ইতিকথা

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৫৩: ক্যান ইউ হ্যান্ডেল ইট?

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩৮: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — বানর
বোধিসত্ত্ব সেই জন্মে বারাণসীরাজ ব্রহ্মদত্তের পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ করেছেন। তক্ষশিলা থেকে কৃতবিদ্য হয়ে ফিরে এসেছেন। ক্রমে পিতার অবর্তমানে রাজ্যভার গ্রহণ করে রাজধর্ম যথাশক্তি পালন করছেন।
এইসময় একদিন এক গোপালক অরণ্যস্থ গোশালার তত্ত্বাবধান করে ফিরে এল। ভ্রমাবিষ্ট হয়ে সে একটি গর্ভিনী গাভীকে সেখানে রেখেই চলে এল। সেই গভীর সঙ্গে এক সিংহীর মৈত্রীভাব জন্মাল। বিস্ময়কর হলেও এ সত্য। বৈধর্মের ভিত্তিমূলেই এই সখ্যের জন্ম। সিংহীও তখন গর্ভিনী ছিল, সেটিই হয়তো বা তাদের মৈত্রীর অনুঘটক। যথাকালে তারা শাবকের জন্ম দিল। শাবকদুটিও তাদের জননীদের মতোই অপূর্ব বন্ধুভাবে একত্রে বিচরণ করতে লাগল। এই মৈত্রীর স্থায়িত্ব ও যাথার্থ্যটিই সমাজ, রাষ্ট্র ও জীবনের প্রেক্ষাপটে মুখ্য হয়ে উঠবে ক্রমে।
এইসময় একদিন এক গোপালক অরণ্যস্থ গোশালার তত্ত্বাবধান করে ফিরে এল। ভ্রমাবিষ্ট হয়ে সে একটি গর্ভিনী গাভীকে সেখানে রেখেই চলে এল। সেই গভীর সঙ্গে এক সিংহীর মৈত্রীভাব জন্মাল। বিস্ময়কর হলেও এ সত্য। বৈধর্মের ভিত্তিমূলেই এই সখ্যের জন্ম। সিংহীও তখন গর্ভিনী ছিল, সেটিই হয়তো বা তাদের মৈত্রীর অনুঘটক। যথাকালে তারা শাবকের জন্ম দিল। শাবকদুটিও তাদের জননীদের মতোই অপূর্ব বন্ধুভাবে একত্রে বিচরণ করতে লাগল। এই মৈত্রীর স্থায়িত্ব ও যাথার্থ্যটিই সমাজ, রাষ্ট্র ও জীবনের প্রেক্ষাপটে মুখ্য হয়ে উঠবে ক্রমে।
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯৬ : ‘চণ্ডাল-কূপ’ ও অস্পৃশ্যতা: পঞ্চতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ভারতের এক দগদগে ইতিহাস

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা/ দ্বিতীয় অধ্যায়, পর্ব-৫৬: আকাশ এখনও মেঘলা
এক বনবাসী বনেচর এদের এই অসম, হয়তো বা অসঙ্গত, কিন্তু অপূর্ব মৈত্রী লক্ষ্য করেছিল। অসঙ্গতির সম্ভাবনা এই সখ্যে থেকে যায়, কারণ সামাজিক পাকচক্র ও কূটনীতির চোরাবালির আবর্তে এই নিষ্পাপ ও নিঃস্বার্থ মৈত্রীবন্ধন অবিলম্বেই কীটদষ্ট হয়ে পরিত্যজ্য হয়ে উঠতে পারে বৈকী!
সেই বনেচর অরণ্যজাত দ্রব্যসামগ্রীর উপহার নিয়ে রাজসন্দর্শনে এল একদিন। অরণ্য রহস্যকুটিল। তাই রাজা তার কাছে অরণ্যজীবনে দেখা কোনও অভূতপূর্ব বিস্ময়কর ঘটনার কথা জানতে চাইলেন। বনেচর বৃষ ও সিংহ, এই দুই প্রাণীর অদ্ভুত সখ্যের কথা জানালো। প্রাজ্ঞ রাজা মন্তব্য করলেন যে, এদের মাঝে তৃতীয়পক্ষের উপস্থিতি ভয়ের কারণ হতে পারে। এমন কিছু দেখলে সে যেন অবশ্যই সংবাদ দেয়।
সেই বনেচর অরণ্যজাত দ্রব্যসামগ্রীর উপহার নিয়ে রাজসন্দর্শনে এল একদিন। অরণ্য রহস্যকুটিল। তাই রাজা তার কাছে অরণ্যজীবনে দেখা কোনও অভূতপূর্ব বিস্ময়কর ঘটনার কথা জানতে চাইলেন। বনেচর বৃষ ও সিংহ, এই দুই প্রাণীর অদ্ভুত সখ্যের কথা জানালো। প্রাজ্ঞ রাজা মন্তব্য করলেন যে, এদের মাঝে তৃতীয়পক্ষের উপস্থিতি ভয়ের কারণ হতে পারে। এমন কিছু দেখলে সে যেন অবশ্যই সংবাদ দেয়।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২০: গোরা-সুনীতি: সম্পর্কের অন্য সুর

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪৬: পঞ্চবটীর যাত্রাপথে প্রাপ্তি, পিতৃবন্ধু জটায়ু ও বনবাসজীবনে লক্ষ্মণের ভূমিকা
হিংসা ও স্বভাবধর্ম ভুলে পারস্পরিক সান্নিধ্যে তপোবনোচিত অহিংসার অভ্যাসে বেঁচে থাকা দুটি সত্তার মধ্যে কখনও যদি তাদের বিস্মৃত স্বভাবধর্ম জেগে ওঠে, এবং তা আপন ঔদার্যের অভাবে অনতিক্রমণীয় হলে বিনষ্টি অবশ্যম্ভাবী। এখানেই আদর্শবাদের সম্ভাব্যতা ও ঘটমান বর্তমানের বাস্তবতার পার্থক্য। ফলতঃ, ততদিনে বৃষ ও সিংহের মাঝে এক চতুর শৃগালের আবির্ভাব ঘটেছে। তাদের পরিচর্যা করে মন জিতে নিয়েছে সে। এমন মধ্যসত্বভোগী সমাজে, প্রতিষ্ঠানে, রাষ্ট্রে, জীবনে অনায়াসলভ্য। সকল প্রাণীর মাংসভোজী সেই শৃগাল তখনও সিংহ ও বৃষমাংসের আস্বাদনে বঞ্চিত ছিল। সে তাই ভেদনীতি প্রয়োগ করলো। ভেদনীতি নির্বোধকে দুর্বল ও বিপন্ন করে। তাই শৃগাল দুজনকেই পৃথকভাবে পরস্পরবিরোধী কথায় বিমোহিত করলো। অন্তরালে সিংহ ও বৃষ পরস্পরের বিরুদ্ধাচরণ করে একথা জেনে তারা ক্রুদ্ধ হয়ে অবিলম্বেই সংঘর্ষে অবতীর্ণ হয়ে মৃত্যুবরণ করলো। একান্ত বৈধর্ম্যের কারণেই হয়তো তাদের আত্মিক যোগসূত্র ছিল না, মৈত্রী ছিল একান্তই বাহ্যিক। ফলে তাদের এই মৈত্রী পতন রোধ করতে পারল না, এই মৈত্রী তাদের আত্মোন্নতি ঘটিয়ে মানসিক উত্তরণ আনতে পারেনি।
বনেচর শৃগালের আবির্ভাব দেখে রাজাকে সেই সংবাদ প্রেরণ করতে গেল। রাজা বললেন যে, অবিলম্বেই এদের বিনাশ ঘটতে চলেছে। তাঁরা সেই স্থানে পৌঁছে দেখলেন বৃষ ও সিংহের মৃতদেহ থেকে পরম সন্তোষে শৃগাল মাংসভক্ষণ করছে। রাজা রাজধানীতে ফিরে আসেন নবতর প্রত্যক্ষজ্ঞান আর, সিংহের নখ, দন্ত, কেশর, চর্ম নিয়ে। রাজনীতিশাস্ত্র জানে বসুন্ধরা বীরভোগ্যা, উত্তম যিনি, তিনিই কালজয়ী হন। তফাতে থাকা মধ্যম, এবং হীন অধম ভেসে যায় কালস্রোতে। কেউ কখনও একটি বারের জন্যও তাদের হৃদয়ে স্থান দেয় না, স্মৃতিচারণ করে না।
বনেচর শৃগালের আবির্ভাব দেখে রাজাকে সেই সংবাদ প্রেরণ করতে গেল। রাজা বললেন যে, অবিলম্বেই এদের বিনাশ ঘটতে চলেছে। তাঁরা সেই স্থানে পৌঁছে দেখলেন বৃষ ও সিংহের মৃতদেহ থেকে পরম সন্তোষে শৃগাল মাংসভক্ষণ করছে। রাজা রাজধানীতে ফিরে আসেন নবতর প্রত্যক্ষজ্ঞান আর, সিংহের নখ, দন্ত, কেশর, চর্ম নিয়ে। রাজনীতিশাস্ত্র জানে বসুন্ধরা বীরভোগ্যা, উত্তম যিনি, তিনিই কালজয়ী হন। তফাতে থাকা মধ্যম, এবং হীন অধম ভেসে যায় কালস্রোতে। কেউ কখনও একটি বারের জন্যও তাদের হৃদয়ে স্থান দেয় না, স্মৃতিচারণ করে না।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯২: কৈলাসচন্দ্র সিংহ ছিলেন সত্যনিষ্ঠ আপসহীন এক ঐতিহাসিক

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি
তাহলে এই গল্প থেকে কী শেখা গেল?
সিংহ ও বৃষের খাদ্যাভ্যাস থেকে জীবনাচরণ বিসদৃশ। এখানে স্বাভাবিক মৈত্রী অপ্রাসঙ্গিক, অসম্ভব। কলহ, ভেদ-ই এদের জীবনে স্বাভাবিক। তবুও এদের অদ্ভুত সন্ধি ঘটলে মূলগত অসম্ভাব্যতার কারণে সন্ধিভেদী পিশুন, হীনতম জীব-ও পশুরাজের মাংসভক্ষণ করে। অসি যেমন অনায়াসে দ্বিখণ্ডিত করে, তেমন-ই অবিলম্বে ভেঙে যায় সিংহ ও বৃষের মৈত্রী। এই মৈত্রী অসংবদ্ধ হলেও, নিঃস্বার্থ তো বটেই। তবুও তা শৃগালের মতো সন্ধিভেদীদের প্রতি স্বাভাবিক বিশ্বাসে, বিশ্বাসঘাতকের ক্রূর চাতুর্য ও ধূর্ততায় ভেঙে যায়, ভেঙে যাচ্ছে নিত্যদিন। মূর্খ এমনভাবেই বিপন্ন হয়, মহাবল হয়েও বৃষ ও সিংহের মতোই মৃত্যুকবলিত হয়। যিনি প্রকৃত-ই প্রাজ্ঞ, তিনি এজাতীয় মানুষের বাক্-চাতুর্যে বিমোহিত না হয়ে তাকে নিতান্ত অশ্রদ্ধেয়, অসার বলেই গ্রহণ করলে মূর্খের স্বর্গে পতিত হন না, মৃত্যুঞ্জয়ী অকৃত্রিম মৈত্রী ও অনন্ত সুখের সন্ধান পান। জাতকমালার এই প্রাসঙ্গিক কাহিনিটির নেপথ্যে কালোত্তীর্ণ এক সংশয়-সঙ্কট জেগে থাকে, প্রসারিত হয় অকলঙ্ক মৈত্রীবন্ধনের নির্মল হাতদুটি, জীবনপুরের পথিকের জন্য।—চলবে।
সিংহ ও বৃষের খাদ্যাভ্যাস থেকে জীবনাচরণ বিসদৃশ। এখানে স্বাভাবিক মৈত্রী অপ্রাসঙ্গিক, অসম্ভব। কলহ, ভেদ-ই এদের জীবনে স্বাভাবিক। তবুও এদের অদ্ভুত সন্ধি ঘটলে মূলগত অসম্ভাব্যতার কারণে সন্ধিভেদী পিশুন, হীনতম জীব-ও পশুরাজের মাংসভক্ষণ করে। অসি যেমন অনায়াসে দ্বিখণ্ডিত করে, তেমন-ই অবিলম্বে ভেঙে যায় সিংহ ও বৃষের মৈত্রী। এই মৈত্রী অসংবদ্ধ হলেও, নিঃস্বার্থ তো বটেই। তবুও তা শৃগালের মতো সন্ধিভেদীদের প্রতি স্বাভাবিক বিশ্বাসে, বিশ্বাসঘাতকের ক্রূর চাতুর্য ও ধূর্ততায় ভেঙে যায়, ভেঙে যাচ্ছে নিত্যদিন। মূর্খ এমনভাবেই বিপন্ন হয়, মহাবল হয়েও বৃষ ও সিংহের মতোই মৃত্যুকবলিত হয়। যিনি প্রকৃত-ই প্রাজ্ঞ, তিনি এজাতীয় মানুষের বাক্-চাতুর্যে বিমোহিত না হয়ে তাকে নিতান্ত অশ্রদ্ধেয়, অসার বলেই গ্রহণ করলে মূর্খের স্বর্গে পতিত হন না, মৃত্যুঞ্জয়ী অকৃত্রিম মৈত্রী ও অনন্ত সুখের সন্ধান পান। জাতকমালার এই প্রাসঙ্গিক কাহিনিটির নেপথ্যে কালোত্তীর্ণ এক সংশয়-সঙ্কট জেগে থাকে, প্রসারিত হয় অকলঙ্ক মৈত্রীবন্ধনের নির্মল হাতদুটি, জীবনপুরের পথিকের জন্য।—চলবে।
* ড. অভিষেক ঘোষ (Abhishek Ghosh) সহকারী অধ্যাপক, বাগনান কলেজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। স্নাতকোত্তরের পর ইউজিসি নেট জুনিয়র এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সাড়ে তিন বছর পূর্ণসময়ের গবেষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সাম্বপুরাণের সূর্য-সৌরধর্ম নিয়ে গবেষণা করে পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগ্রহের বিষয় ভারতবিদ্যা, পুরাণসাহিত্য, সৌরধর্ম, অভিলেখ, লিপিবিদ্যা, প্রাচ্যদর্শন, সাহিত্যতত্ত্ব, চিত্রকলা, বাংলার ধ্রুপদী ও আধুনিক সাহিত্যসম্ভার। মৌলিক রসসিক্ত লেখালেখি মূলত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে চলেছে বিভিন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে। সাম্প্রতিক অতীতে ডিজিটাল আর্ট প্রদর্শিত হয়েছে আর্ট গ্যালারিতে, বিদেশেও নির্বাচিত হয়েছেন অনলাইন চিত্রপ্রদর্শনীতে। ফেসবুক পেজ, ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত দর্শকের কাছে পৌঁছে দেন নিজের চিত্রকলা। এখানে একসঙ্গে হাতে তুলে নিয়েছেন কলম ও তুলি। লিখছেন রম্যরচনা, অলংকরণ করছেন একইসঙ্গে।


















