রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু!

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০০: গ্রিন টি /৮

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০০: গ্রিন টি /৮

পুলিশের তদন্তে এমন তথ্য অনুসন্ধান সম্ভব যেটা ধৃতিমান বা তাদের মতো গোয়েন্দার একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। যেমন ফোনের ভিতরে হোয়াটসঅ্যাপের ডিফল্ট টাইমারের জন্য ডিলিট হয়ে যাওয়া বা স্বেচ্ছায় ডিলিট করা চ্যাট পুনরুদ্ধার করা চ্যাটের অপরপ্রান্তের মানুষটির সব তথ্য তালাশ সংগ্রহ করা। পুলিশ প্রশাসনের সক্রিয় অনুমোদন ছাড়া মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডাররা কোনও অবস্থাতেই প্রকাশ করে না। কল রেকর্ড এমন কি প্রয়োজনে কল মনিটারিং করানো পুলিশের অনুমোদন সাপেক্ষ। তিনজনের ক্ষেত্রেই ফোনের সূত্র ধরে একজন কমন বন্ধুর খোঁজ পাওয়া গেল।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৯: গ্রিন টি /৭

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৯: গ্রিন টি /৭

জেনারেল অটপ্সিতে সার্বারিন ধরা পড়ে না – যে বা যারা এটা ব্যবহার করেছে তারা সেটা খুব ভালো করে জানে। আবার এই প্ল্যান্ট থেকেই অ্যান্টি-ক্যান্সার, আন্টি-ইনফ্লামেটরি, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, এনালজেসিক ওষুধপত্র তৈরি হয়। ম্যাডাগাস্কারের ইতিহাসে পাওয়া যায় রাজারানীদের মৃত্যুদণ্ড দিতে এই বিষ ব্যবহার হোত —তাই একে সুইসাইড ট্রি-ও বলে!

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৮: গ্রিন টি /৬

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৮: গ্রিন টি /৬

ঝাঁ-চকচকে কোয়েস্ট মলের দোতলায় নেহা’জ বুটিকের শোরুম। তার সামনেটায় গোল একটু চত্বর মতো আছে। বসার জায়গা আছে সেখানে। সেখানেই নেহাকে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। মলের চলাফেরা করা লোকজনকেও ভাবতেই পারেনি, বসে থাকা মহিলা বেঁচে নেই। মানে একেবারে নিষ্প্রাণ।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৭: গ্রিন টি /৫

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৭: গ্রিন টি /৫

অনন্যা প্যাটেল সেনগুপ্তের সঙ্গে দুবাইতে তাদের সংস্থার প্রোডাক্ট বিক্রির একটা বড়সড় কন্ট্রাক্ট সই হয়েছে। টাকায় নয়, ডলারে। তাই অর্থমূল্যের পরিমাণটা অনেক অনেক বেশী। এমএনসি-রা বিদেশে ব্যবসা করে কিন্তু দেশীয় ভেষজ ক্রিম সংস্থার সরাসরি বিদেশে ব্যবসার ব্যাপারটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ক্ল্যু হলেও হতে পারে। রেস্টুরেন্ট থেকে খোঁজ পাওয়া গেল অনেক রাতে ম্যাডাম অনন্যা তার রুম থেকে ফোন করে গ্রিন-টি অর্ডার করেছিলেন।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৬: গ্রিন টি /৪

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৬: গ্রিন টি /৪

অনন্যা একাই এই বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের মালকিন! রিয়া আর অনন্যা দু’জনের বয়সই সম্ভবত ৩০ থেকে ৪০-এর মধ্যে মানে সফল হতে গেলে তো একেবারে কমবয়সে সাফল্য আসে না। বাবু মানে আমাদের সত্যানুসন্ধানী ধৃতিমান চৌধুরী আরও ভাবছিল, এই ধরনের লোকজন বাইরের লোককে নয়। কিন্তু কাছের লোকেদের খুব বেশি বিশ্বাস করেন।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৫: গ্রিন টি /৩

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৫: গ্রিন টি /৩

অনন্যা প্যাটেল সেনগুপ্ত, শহরের একজন উদ্যোগপতি ইদানিং তাঁর তৈরি ভেষজ মেকআপ সামগ্রীর ভীষণ কাটতি! একসময় কলকাতায় থাকতেন এখন পাকাপাকিভাবে বম্বের বাসিন্দা। আজ খানিকআগে কলকাতার ইএম বাইপাসের এক পাঁচতারা হোটেলের বিছানায় তাঁর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৪: গ্রিন টি /২

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৪: গ্রিন টি /২

সারা ফ্ল্যাটে বৈভবের স্পষ্ট স্বাক্ষর! সুবিশাল হলঘর দামি দামি ফার্নিচার বড়সড় ঝকঝকে সুদৃশ্য ঝাড়লণ্ঠন শোকেসে নানান বিজনেস অ্যাওয়ার্ড। মাঝে এই বড়সড় হল ঘরের চারপাশে চারটি ঘর। টানা হলঘর বরাবর সুন্দর সাজানো একটা বারান্দা আর বারান্দার উল্টোদিকে কিচেন কমন ওয়াশরুম ওইদিকে বাড়ির এন্ট্রান্স। যেকোনও তদন্তের জন্য ক্রাইমসিনের ভূগোলটা জানা খুব জরুরি, কিন্তু আমাদের সত্যানুসন্ধানী শ্রীমান ধৃতিমান চৌধুরী একই সঙ্গে একজন চলচ্চিত্র ও নাট্যপরিচালক।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৩: গ্রিন টি /১

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৩: গ্রিন টি /১

সাতসকালে ক্রাইম সিনে পৌঁছে গিয়েছেন শ্রেয়া। প্রাথমিকভাবে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। ঘরের কোথাও কোনওরকম অস্বাভাবিকতা নেই। বাইরে থেকে কেউ আসেননি বলেই মনে হচ্ছে। রিয়ার বয়স্কা মা সকালবেলা মৃতদেহ আবিষ্কার করেন। ক্রাইমসিন এভিডেন্স বলতে অর্ধেক খালি চায়ের কাপ তাতে বেশ দামি ব্র্যান্ডের একটি গ্রিণ টি-এর ব্যাগ!

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯২: অনুসরণ/১৩

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯২: অনুসরণ/১৩

এই লোকটিকে অনুসরণ করতে শুরু করল ধৃতিমান। লোকটি কালীঘাটের মন্দির আর টালি নালার উপর কালীঘাট ব্রিজের মাঝে থাকে। ব্রিজ-লাগোয়া নবগ্রহ মন্দিরের নিচে সিঁড়ি দিয়ে নেমে গিয়ে একটা ঘুপচি ঘরে একা থাকে। নিয়ম করে প্রত্যেক দিন রাত ন'টায় বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে রাত দশটা থেকে পরের দিন ভোর ছটা পর্যন্ত ডিউটি সেরে বাড়ি ফেরে। সপ্তাহের সাতদিনই কাজ, কোনও ছুটি নেই। বাজার সেরে বাড়িতে ঢুকে রান্নাবাড়ি করে তারপর ঘুম। খাওয়া-দাওয়া সেরে আবার রাত নটায় বেরিয়ে পড়া। তার নাম মুকুন্দ। মুকুন্দ গুছাইত। মুকুন্দ যে জায়গাটায় থাকে সেটা শহরের...

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯১: অনুসরণ/১২

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯১: অনুসরণ/১২

শুরু থেকে অমলেন্দুর মৃত্যু পর্যন্ত কাহিনি যেভাবে এগিয়েছে তার সবটুকুই মৃত অমলেন্দু ডায়েরি থেকে নেওয়া। শেষ পাতায় লেখা আছে কতকগুলো আপাত সম্পর্কহীন গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। সেগুলি আবার লিখে পেন দিয়ে গোল সার্কেল করা হয়েছে।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯০: অনুসরণ/১১

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯০: অনুসরণ/১১

পুলিশের প্রাথমিক কর্তব্য অনুযায়ী, মৃতের জবানীতে লেখা এই চিঠির ভিত্তিতে প্রতিমা ও কুন্তলকে তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এত কিছুর পর এই কেস ধৃতিমান চৌধুরীর কাছে এল! এর আগের কেসগুলোতে সূত্রের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে অপরাধী পর্যন্ত পৌঁছনো ছিল চ্যালেঞ্জ। এখন অপরাধী হিসেবে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারাই সঠিক অপরাধী কিনা তার অনুসন্ধান করার জন্য গোয়েন্দা বিভাগ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে অমলেন্দু পাল মৃত্যু রহস্য হাতে নিয়েছে।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৮৯: অনুসরণ/১০

হ্যালো বাবু! পর্ব-৮৯: অনুসরণ/১০

অফিসে অমলেন্দুর বারবার মনে হয়েছে সে বোধহয় প্রতিমাকে অন্যায়ভাবে সন্দেহ করেছে। প্রথমে ভেবেছিল ফোন করে একবার কথা বলবে। তারপর ভেবে দেখলো কথায় কথা বাড়বে অফিসের মধ্যে বসে এত কথা বলা যাবে না, সন্ধেবেলা বাড়ি ফিরে প্রতিমাকে নিয়ে কোথাও বেরোবে তারপর নিজের দোষ স্বীকার করবে। অমলেন্দু সে সুযোগ পায়নি। বাড়ি ফিরে দেখেছে কাউকে কিছু না জানিয়ে প্রতিমা তাদের বাড়ি ছেড়ে শ্রীরামপুরের বাড়িতে চলে গিয়েছে!

হ্যালো বাবু! পর্ব-৮৮: অনুসরণ/৯

হ্যালো বাবু! পর্ব-৮৮: অনুসরণ/৯

মানব মনের বিচিত্র গতি-প্রকৃতি কোনও বাঁধাধরা নিয়ম মানে না। তাই কখন মানুষ কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে তার পূর্বাভাষ পাওয়া শক্ত। কোন কথায় কার মনে কোন প্রতিক্রিয়া তীব্রতা পাবে, তার কোন ঠিক ঠিকানা থাকে না। এমন হতেই পারে শত অনুযোগ-অভিযোগ গায়ে-না-মাখা সর্বংসহা মানুষটি আচমকা একদিন কোন একটি সাধারণ কথার অন্য কোনও গূঢ় অভিপ্রায় ভেবে বসলেন। আর মূহুর্তের মধ্যে এমনই এক মারাত্মক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন যাতে ভবিষ্যতের ব্যক্তিসম্পর্ক টুকরো টুকরো হয়ে গেল!

হ্যালো বাবু! পর্ব-৮৭: অনুসরণ/৮

হ্যালো বাবু! পর্ব-৮৭: অনুসরণ/৮

একটা অদ্ভুত অস্থিরতাকে যেন বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে অমলেন্দু। বাসে মিনিবাসে বা ডালহৌসির রাস্তায় আচমকা কেউ তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলে সে বিরক্ত হয়ে চোয়াল শক্ত করে মুখ ঘুরিয়ে নিত। কেউ হয়তো মুখ ফসকে জিজ্ঞেসই করে ফেলল——আচ্ছা আপনাকে কোথায় দেখেছি বলুন তো?

হ্যালো বাবু! পর্ব-৮৬: অনুসরণ/৭

হ্যালো বাবু! পর্ব-৮৬: অনুসরণ/৭

এই বিষয়ে বলতে গিয়ে ভিজিল্যান্স-এর এক পরিচিত সহৃদয় অফিসারের কাছে ধমক খেয়েছে অমলেন্দু! —দেখুন মিঃ পাল, এর আগে টিকিট কাউন্টারের কেসে রুলস অনুযায়ী আপনার বিরুদ্ধে স্টেপ নেওয়া হয়েছিল, ইনক্রিমেন্ট প্রমোশন বন্ধ হয়েছিল, ডিপার্টর্মেন্ট বদলে দেওয়া হয়েছিল! কিন্তু আমি ব্যক্তিগত ভাবে জানি, আপনি নিজে এই টাকা তছরুপ করেননি। দোষের মধ্যে কাজে ফাঁকি দিয়ে আগে পালাতেন পরের দিন এসে ব্যাকডেটে সই করে ফেঁসে গিয়েছিলেন! যে জন্য ইউনিয়ন আপনাকে সাপোর্ট করেছিল এবং আপনার পানিশমেন্ট কিছুটা কমানো হয়েছিল। এবারেও কিন্তু আপনি সেই একই ভুল করতে...

Skip to content