পুলিশের তদন্তে এমন তথ্য অনুসন্ধান সম্ভব যেটা ধৃতিমান বা তাদের মতো গোয়েন্দার একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। যেমন ফোনের ভিতরে হোয়াটসঅ্যাপের ডিফল্ট টাইমারের জন্য ডিলিট হয়ে যাওয়া বা স্বেচ্ছায় ডিলিট করা চ্যাট পুনরুদ্ধার করা চ্যাটের অপরপ্রান্তের মানুষটির সব তথ্য তালাশ সংগ্রহ করা। পুলিশ প্রশাসনের সক্রিয় অনুমোদন ছাড়া মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডাররা কোনও অবস্থাতেই প্রকাশ করে না। কল রেকর্ড এমন কি প্রয়োজনে কল মনিটারিং করানো পুলিশের অনুমোদন সাপেক্ষ। তিনজনের ক্ষেত্রেই ফোনের সূত্র ধরে একজন কমন বন্ধুর খোঁজ পাওয়া গেল।






















