শুক্রবার ১৯ জুন, ২০২৬

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু!

পর্ব-১০৯: ডেসডিমোনার রুমাল/৮

পর্ব-১০৯: ডেসডিমোনার রুমাল/৮

যদি মনে এমন সন্দেহ হয়, যে তদন্তের মধ্যে গলদ ছিল বা ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু তথ্য এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে অথবা একটা মৃত্যুকে নিছক দুর্ঘটনার চেহারা দেওয়া হয়েছে, তাহলে কেস রি-ওপেন হতে পারে! যদি এটা দেখানো যায় যে, সঙ্গের যে মানুষটি ছিলেন তাকে সে-ভাবে কোনও জিজ্ঞাসাবাদ না করে বা শুধু অনুমানের ভিত্তিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাহলেও কোর্টের কাছে কেস রি-ওপেন করবার আপিল করা যায়। লোয়ার কোর্ট অ্যাপিল ডিসমিস করলে, হায়ার কোর্টে যাওয়া যায়।

পর্ব-১০৮: ডেসডিমোনার রুমাল/৭

পর্ব-১০৮: ডেসডিমোনার রুমাল/৭

শুভ্রাংশু ছাড়া অন্য কেউ জড়িত হয়? যাকে এখনও আন্দাজ করা যাচ্ছে না? যদি আনন্দ নিজেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে মদ খেতে শুরু করে? করতেই পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে মদের গ্লাস এবং অবশিষ্ট মদের বোতল পাওয়া গেল না কেন? রেফ্রিজারেটরে অন্য কোনও মদের বোতল ছিল না কেন? মদের বোতলে ঘুমের ওষুধটা কে মেশালো?

পর্ব-১০৭: ডেসডিমোনার রুমাল/৬

পর্ব-১০৭: ডেসডিমোনার রুমাল/৬

শান্তিকাকার সৌজন্যে মাসে মাসে পাওয়া একটা মোটা ব্যাঙ্ক ইন্টারেস্ট থেকেই বাবু-বুবুর সংসার, বাড়ি ভাড়া দিয়েও মোটামুটি ভালোভাবে সংসারটা চলে যায়। শান্তিকাকা আজ আর বেঁচে নেই। কিন্তু বাবুর প্রতিমাসে ব্যাঙ্কের ইন্টারেস্ট ঢোকার এসএমএস পেলেই শান্তিকাকার কথা মনে করে চোখে জল এসে যায়!

ডেসডিমোনার রুমাল/৫

ডেসডিমোনার রুমাল/৫

ঐশী আবাসনে খুব পরিচিত ছিল। বিজয়াসম্মেলনী নববর্ষের অনুষ্ঠান বা চড়ুইভাতি সবেতেই ঐশী একপায়ে খাড়া। একথা অবশ্য অন্যান্যরাও জেরার মুখে স্বীকার করেছেন। শুভ্রাংশুও যথেষ্ঠ শোকাহত। তাঁর সঙ্গেও কথা বলেছে শ্রেয়া। শান্ত ও স্বাভাবিকভাবে শ্রেয়ার সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন শুভ্রাংশু।

ডেসডিমোনার রুমাল/৪

ডেসডিমোনার রুমাল/৪

আনন্দ পালের স্ত্রী ঐশী পাল সকাল থেকেই চোখে কালো চশমা পরে হাতে রুমাল নিয়ে কেঁদে যাচ্ছেন। ছিপছিপে তন্নী ঐশী কালকের বিজয়া সম্মিলনীতে নেচেছেন! শুভ দাশগুপ্ত’র সোশ্যালমিডিয়াতে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করা একটি কবিতা,’আমিই সেই মেয়ে’-তে নেচে সবাইকে চমক লাগিয়ে দিয়েছেন।

ডেসডিমোনার রুমাল/৩

ডেসডিমোনার রুমাল/৩

দেহ মর্গে যাওয়ার পর ধৃতিমান ওই ফ্ল্যাটবাড়ির সাততলায় ছাদে গেল। আনন্দ পাল থাকতেন পাঁচতলায়। ছাদের ভূগোলটা দেখাই উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে জিওগ্রাফির বদলে ফিজিক্সের খোঁজ পেল একটা ফোল্ডিং সিঁড়ি। দুর্গাপুজোয় যত্রতত্র সিঁড়ি পড়ে থাকাটা আশ্চর্য নয়। কিন্তু এ বাড়ির ছাদে কেন ফোল্ডিং সিঁড়ি? কোনও বিল্ডিঙের ছাদে তো কোনও আলো লাগানো নেই, এ বাড়িতেও নেই।

ডেসডিমোনার রুমাল/২

ডেসডিমোনার রুমাল/২

সন্দেহটা জোরদার হল আনন্দ পালের মৃতদেহ নামানোর পর লাইগেশন মার্ক দেখে। কিন্তু আনন্দপালকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে নাকি আনন্দ ফ্যানে মোটা নাইলনের দড়ি বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সেটা শুধু লাইগেশন মাপ দেখেই বলে দেওয়া সম্ভব নয়।

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০২: ডেসডিমোনার রুমাল / ১

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০২: ডেসডিমোনার রুমাল / ১

বিজয়া দশমীতে আমন্ত্রণ হাউসিং সোসাইটিতে বড়সড় অনুষ্ঠান হয়। এটা প্রায় ১০ বছরে গিয়ে পা দেবে। ঠাকুরপুকুর টপকে ডায়মন্ড হারবার রোড দিয়ে এগোলে আইআইএম জোকার রাস্তায় প্রায় ডায়মন্ড হারবার রোড লাগোয়া বেশ বড়সড় কমপ্লেক্স আমন্ত্রণ হাউসিং। তখন ছিল জোকা ট্রাম ডিপো। আর ছিল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট, জোকা। একসময় বেশ ফাঁকা ফাঁকা ছিল। কিন্তু মেট্রোরেল হবার সম্ভাবনা তৈরি হতেই পিলপিল করে ফ্ল্যাট তৈরি হতে শুরু হল। একসময় ঠাকুরপুকুর ছিল প্রান্তিক এলাকা। একদিকে বিবিরহাট বাখরাহাট রায়পুর হয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার...

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০১: গ্রিন টি /৯

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০১: গ্রিন টি /৯

হিতেশ ওয়াদিয়ার অ্যাকাউন্ট থেকে একটা মোটা টাকা ডলারে পেমেন্ট করা হল! ভৈরব চক্রবর্তী শরীরে জিপিএস নিয়ে ঘোরাফেরা শুরু করলেন। এই সময়টায় তার পরিবারের সব লোককে নিরাপদ আশ্রয় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভৈরব চক্রবর্তী যে বাড়িতে থাকেন তার আশপাশের ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে সর্বক্ষণ নজরদারি করা হচ্ছে। ভৈরব চক্রবর্তীর খাদ্যপানীয় সবকিছু নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী টপকে তবে তার কাছে পৌঁছচ্ছে। ৩-৪ দিন কেটে গেল কারও হদিশ মিলল না।

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০০: গ্রিন টি /৮

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০০: গ্রিন টি /৮

পুলিশের তদন্তে এমন তথ্য অনুসন্ধান সম্ভব যেটা ধৃতিমান বা তাদের মতো গোয়েন্দার একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। যেমন ফোনের ভিতরে হোয়াটসঅ্যাপের ডিফল্ট টাইমারের জন্য ডিলিট হয়ে যাওয়া বা স্বেচ্ছায় ডিলিট করা চ্যাট পুনরুদ্ধার করা চ্যাটের অপরপ্রান্তের মানুষটির সব তথ্য তালাশ সংগ্রহ করা। পুলিশ প্রশাসনের সক্রিয় অনুমোদন ছাড়া মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডাররা কোনও অবস্থাতেই প্রকাশ করে না। কল রেকর্ড এমন কি প্রয়োজনে কল মনিটারিং করানো পুলিশের অনুমোদন সাপেক্ষ। তিনজনের ক্ষেত্রেই ফোনের সূত্র ধরে একজন কমন বন্ধুর খোঁজ পাওয়া গেল।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৯: গ্রিন টি /৭

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৯: গ্রিন টি /৭

জেনারেল অটপ্সিতে সার্বারিন ধরা পড়ে না – যে বা যারা এটা ব্যবহার করেছে তারা সেটা খুব ভালো করে জানে। আবার এই প্ল্যান্ট থেকেই অ্যান্টি-ক্যান্সার, আন্টি-ইনফ্লামেটরি, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, এনালজেসিক ওষুধপত্র তৈরি হয়। ম্যাডাগাস্কারের ইতিহাসে পাওয়া যায় রাজারানীদের মৃত্যুদণ্ড দিতে এই বিষ ব্যবহার হোত —তাই একে সুইসাইড ট্রি-ও বলে!

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৮: গ্রিন টি /৬

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৮: গ্রিন টি /৬

ঝাঁ-চকচকে কোয়েস্ট মলের দোতলায় নেহা’জ বুটিকের শোরুম। তার সামনেটায় গোল একটু চত্বর মতো আছে। বসার জায়গা আছে সেখানে। সেখানেই নেহাকে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। মলের চলাফেরা করা লোকজনকেও ভাবতেই পারেনি, বসে থাকা মহিলা বেঁচে নেই। মানে একেবারে নিষ্প্রাণ।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৭: গ্রিন টি /৫

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৭: গ্রিন টি /৫

অনন্যা প্যাটেল সেনগুপ্তের সঙ্গে দুবাইতে তাদের সংস্থার প্রোডাক্ট বিক্রির একটা বড়সড় কন্ট্রাক্ট সই হয়েছে। টাকায় নয়, ডলারে। তাই অর্থমূল্যের পরিমাণটা অনেক অনেক বেশী। এমএনসি-রা বিদেশে ব্যবসা করে কিন্তু দেশীয় ভেষজ ক্রিম সংস্থার সরাসরি বিদেশে ব্যবসার ব্যাপারটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ক্ল্যু হলেও হতে পারে। রেস্টুরেন্ট থেকে খোঁজ পাওয়া গেল অনেক রাতে ম্যাডাম অনন্যা তার রুম থেকে ফোন করে গ্রিন-টি অর্ডার করেছিলেন।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৬: গ্রিন টি /৪

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৬: গ্রিন টি /৪

অনন্যা একাই এই বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের মালকিন! রিয়া আর অনন্যা দু’জনের বয়সই সম্ভবত ৩০ থেকে ৪০-এর মধ্যে মানে সফল হতে গেলে তো একেবারে কমবয়সে সাফল্য আসে না। বাবু মানে আমাদের সত্যানুসন্ধানী ধৃতিমান চৌধুরী আরও ভাবছিল, এই ধরনের লোকজন বাইরের লোককে নয়। কিন্তু কাছের লোকেদের খুব বেশি বিশ্বাস করেন।

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৫: গ্রিন টি /৩

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৫: গ্রিন টি /৩

অনন্যা প্যাটেল সেনগুপ্ত, শহরের একজন উদ্যোগপতি ইদানিং তাঁর তৈরি ভেষজ মেকআপ সামগ্রীর ভীষণ কাটতি! একসময় কলকাতায় থাকতেন এখন পাকাপাকিভাবে বম্বের বাসিন্দা। আজ খানিকআগে কলকাতার ইএম বাইপাসের এক পাঁচতারা হোটেলের বিছানায় তাঁর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

Skip to content