
ছবি: প্রতীকী।
বিভূতি চক্রবর্তী নিজে ফোন করেছিলেন ধৃতিমানকে।
—কী বুঝছো চ্যাম্প?
— বোধহয় সুইসাইড নয় স্যার, কিন্তু ফরেন্সিকের আগে এটা কনফার্ম করা যাবে না।
—এনি স্পেসিফিক মোটিভ।
— না সেটা এখনও ক্লিয়ার নয়। শ্রেয়া ইন্টারোগেট করছেন। কোন লিড পেলে আপনাকে জানাবো।
—মফিজুলকে বলো যেন কোনও কিছু মিস না করে। লোকাল থানাকে বাইপাস করে ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টকে ইনভল্ভ করা হয়েছে। একটা আন্ডারকারেন্ট তো আছে । We need to justify our requirement by providing evidence or reasons at the earliest
—Yes Sir.

হ্যালো বাবু!, পর্ব-১০৫ ডেসডিমোনার রুমাল/৫

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-৫: কিশোরীর মেঘবেলা

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯১: যারা সময়ের স্রোতে নত হতে জানে, তারাই টিকে যায়; যারা আগুনে ঝাঁপায়, তারাই পুড়ে মরে

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩৭: বিলেতে হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের অস্ত্রোপচার
এরপর রয়েছে মিডিয়া রয়েছে অজস্র ক্যামেরা আর অজস্র মানুষের প্রশ্ন। এই কারণে ধৃতিমানের চাকরি করা হল না।
শ্রেয়া এসেই ধৃতিমানের কাছে জানতে চাইলেন—
—কিছু পেলেন?
—হ্যাঁ, তাঁর আগে একটা প্রশ্ন আছে?
—কী?
—পাল ফ্যামিলির কী কোন গাড়ি আছে?

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৩: সুন্দরবনের পাখি: বাটান

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১২ : স্বপ্নের নায়ক, নায়কের স্বপ্ন
—আপনাদের কী গাড়ি ছিল?
—গাড়ি? নানা ওসব ছিল না!
এটা একেবারেই ব্যক্তিগত প্রশ্ন! আর সেটা জিজ্ঞেস করার সময়ও এটা নয়। তবু জানতে চাইব যে আপনি কি ঠিক করেছেন এখানেই থাকবেন নাকি আপনার বাড়িতে মানে ঘাটশিলা।
— না, ঘাটশিলায় আমি ফিরব না মা-বাবা দুজনের বয়স হয়েছে ওরা আমাকে নিয়ে ব্যস্ত হবেন কষ্ট পাবেন।
—তাহলে কলকাতাতেই থাকবেন।
—হ্যাঁ, যেখানে আছি! তবে আমাকে একটা চাকরিবাকরি কিছু জোগাড় করতে হবে এবার।
—একটা কথা, সপ্তাহ দুয়েক বা ম্যাক্সিমাম এক মাস এই বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও থাকার কোন উপায় আছে কলকাতায় আপনি বুঝতেই পারছেন এটা একটা অ্যাবনরমাল ডেথ তদন্ত চালানোর জন্য বাড়িটা আমাদের সিল করে দিতে হবে।

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৩৮: আপৎকালীন পরিস্থিতি
— সেরকম কি কেউই নেই?
—নেই বললে ভুল হবে কিন্তু আসলে এরপর তো এসব কাগজেপত্রে বেরোবে টেলিভিশনের খবর হবে তারপরে কারও বাড়িতে গিয়ে ওঠাটা আমার পক্ষেও এম্বারাসিং তাদের জন্যও খুব একটা কম্ফোর্টেবল নয়।
— দেখুন আপনার আপত্তি না থাকলে আমি একটা লেডিস হস্টেলে আপনাকে থাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারি আমাদের জানাশোনা। আপনার কোন অসুবিধা হবে না। নমিনাল চার্জেস! আর আমি ডিপার্টমেন্টে বলব যাতে ১৫ দিনের মধ্যেই আমরা বাড়িটা রিলিজ করে দিতে পারি। আপনি এটা সুটকেসে আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিন। আমরা অপেক্ষা করছি – আমাদের গাড়িতেই আপনাকে হস্টেলে পৌঁছে দেব।

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৬৬: জীবন নিয়ে কৌতুক আর ‘যৌতুক’

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬৫: একদিকে জল, অন্যদিকে পাহাড় সিউয়ার্ডের রাস্তা যেন স্বর্গদ্বার!
—সন্দেহটা বেড়ে গেল।
—গাড়ি নেই বলে?
— হুঁ! বাড়িতে নাইলনের দড়ি বলতে, তা কাপড় শুকোতে দেওয়ার জন্য থাকে। কিন্তু যে মোটা নাইলনের দড়িতে আনন্দ পাল ঝুলেছিলেন বা তাকে ঝোলানো হয়েছিল সেটা একমাত্র গাড়ি বেঁধে টানার জন্য কাজে লাগে।—চলবে।
* জিৎ সত্রাগ্নি (Jeet Satragni) বাংলা শিল্প-সংস্কৃতি জগতে এক পরিচিত নাম। দূরদর্শন সংবাদপাঠক, ভাষ্যকার, কাহিনিকার, টেলিভিশন ধারাবাহিক, টেলিছবি ও ফিচার ফিল্মের চিত্রনাট্যকার, নাট্যকার। জিৎ রেডিয়ো নাটক এবং মঞ্চনাটক লিখেছেন। ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ নাটকের রচয়িতা, ‘বুমেরাং’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার। প্রকাশিত হয়েছে ‘জিৎ সত্রাগ্নি’র নাট্য সংকলন’, উপন্যাস ‘পূর্বা আসছে’ ও ‘বসুন্ধরা এবং…(১/২/৩ খণ্ড)’ ও নাটক ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’। এখন লিখছেন ‘হ্যালো বাবু’এবং ‘আকাশ এখনও মেঘলা’।


















