
ছবি: প্রতীকী। সংগৃহীত।
—লোকটা সাদামাটা নয়। ওকে অতো সহজে ভয় দেখানো যাবে না! তাছাড়া ২০০৫ এর কেস এখন রি-ওপেন হবে কী করে? কুড়ি বছর হয়ে গিয়েছে!
—কেস রি-ওপেনের জন্য কোনও স্পেসিফিক টাইম লিমিট নেই! যদি নিউ এভিডেন্স পাওয়া যায়, তখন সেই নতুন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে পুরনো কেসকে রিভিজিট করা যায়।

হ্যালো বাবু!, পর্ব-১০৮: ডেসডিমোনার রুমাল/৭

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-৭: কেমন আছেন সুনীতি, নদীর নরম ছেড়ে সমুদ্রের নুনে!

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪০: বেচারা বড় কষ্টে আছে, মহর্ষি সাহায্য পাঠিয়েছিলেন সাত হাজার টাকা

সলিল চৌধুরী’র কথায়, তাঁর প্রথম কেনা গাড়ি

উত্তম কথাচিত্র,পর্ব-৭২ : গলি থেকে রাজপথ

সুন্দরবনের বারোমাস্যা পর্ব-১২৬: সুন্দরবনের পাখি: গুলিন্দা বাটান
—আছে তো, সেটা কোর্টে কেসটা ডিসমিস হয়ে গেলে তখন। এটা তো কোর্ট অবধি যায়নি। পাহাড়গঞ্জ থানাতেই ডিসমিস হয়ে গিয়েছে। কেন হয়েছে সেটাই তো বুঝতে হবে।
—তার মানে আইনের ব্যাপারটা আপনারা আই মিন সারিতা আর আপনি আগেই দেখে নিয়েছেন!
—হ্যাঁ, একটা বদমাইশ লোককে ধরতে গেলে তো আঁটঘাঁট বেঁধে এগোতে হবে!
—শ্রেয়া! ইফ ইউ ডোন্ট মাইন্ড একটা কথা বলি…।
—বলুন।
—বদমাইশ লোক দেখলে কি আপনার হাত-নিশপিশ করে?
—হাত-পা দু-টোই! আপনি কি জানেন পলিটিক্যাল কারণে আমার বাবার দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু হওয়ার প্রতিশোধ আমি এখনও নিতে পারিনি। আর এমন একটা ডিপার্টমেন্টে আমি পোস্টেড যে সেই অপরাধী একটা খুনটুন কিছু না করলে আমি তার ঘাড়টা মটকাতে পারব না। তাই জন্য যখন আমি হাতের কাছে কোনও অপরাধী পাই, তার মধ্যেই আমার বাবার খুনিকে আমি খুঁজে পাই। স্যার বলেন এটা আমার সাইকোলজিক্যাল সমস্যা। উনি আমাকে বারবার বলেন যে, এর জন্যই আমি প্রমোশন টোমোশন পাবো না। না পাই কোনও দুঃখ নেই! প্রমোশন নিয়ে সেলাম ঠুকে হাত ব্যথা করতে আমি পারবো না! তার চেয়ে বজ্জাতগুলোকে সাংঘাতিকভাবে চড় থাপ্পড় রদ্দা মেরে নিজের হাতের কব্জিতে চোট লাগিয়ে মায়ের কাছে গিয়ে গরম জলের সেঁক নিতে বা হাতে আয়োডেক্স মালিশ করতে আমি রাজি আছি!

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮২: ত্রিপুরা : উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রত্নভূমি ঊনকোটি
—সবসময় নয়। তবে আড়ে-তাড়ে হাড়ের ওপর মেরে দিলে লেগে যায় বৈকি!
—শুভ্রাংশু মুখার্জিকে এটা বলবে কে?
—সারিতা ফোন করবেন। মানে প্রথমে নিজে নয়, ওর সাবর্ডিনেট ফোন করে বলবেন যে, ম্যাডাম কথা বলতে চাইছেন পাহাড়গঞ্জ থানা! ফোনটা এড়িয়ে যাবে ধরবে না কথা বলতে চাইবে না। ওকে আমরা টোয়েন্টি ফোর সেভেন মনিটরিং করব!
—ডিপার্টমেন্ট রাজি হবে?
—আরে সেই জন্যই তো মাঝরাত্তিরে আপনাকে এত কথা বলছি। ডিপার্টমেন্ট মানে গোয়েন্দা কর্তা ভৈরব চক্রবর্তীকে রাজি করানোর ভার আপনার!
—আমি?
—ইয়েস স্যার। আমাদের চিফ আপনার ভক্ত মানে ফ্যান!

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪১: কারুর কেউ নই-কো আমি…

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬৫: একদিকে জল, অন্যদিকে পাহাড় সিউয়ার্ডের রাস্তা যেন স্বর্গদ্বার!
—দেখুন ধৃতিমান! আমার কাছে বিনয় করবেন না! এটা ঠিক স্নেহ নয়!
—তাহলে?
—মহিলা হলে বলতাম প্রেম!
ধৃতিমান আঁতকে চেঁচিয়ে ওঠে।
—মানে?
—বলিনি তো, বলতাম! আর মাঝরাত্রে এত চেঁচাবেন না বেচারি বুবুর ঘুম ভেঙে যাবে! শুনুন, আমার মায়ের আবার ঘুম ভেঙ্গে গেলে ভাববে নিশুত রাতে মেয়ে কার সঙ্গে এতও কথা বলছে! যাই হোক আপনি বলবেন যে, এই লোকটাকে আপনার সন্দেহ। তাই ওকে মনিটর করাটা জরুরি! গ্রিন-টি মার্ডার কেস সলভ করার পর আপনার উপর মিস্টার ভৈরব চক্রবর্তীর অগাধ আস্থা!
—এক্ষুনি আপনার কথা শুনতে শুনতে একটা অদ্ভুত ডাইমেনশন মাথায় এলো!
—বলুন শুনি।
—আপনি যেমন বললে্ মোডাস অপারেন্ডি এক মানে হার্ড বা সফট ড্রিঙ্কসের মধ্যে সিডেসিভ মেশানো তৈরি করা হয়েছে। মানে যদি ধরেনি যে, দুটো ক্ষেত্রেই অপরাধী শুভ্রাংশু মুখার্জি।
—কীরকম?
—আনন্দ পাল এর ক্ষেত্রে উনি সারাক্ষণ বিজয়ার সম্মিলনীর ফাংশনে ব্যস্ত। নয়না মুখার্জির ক্ষেত্রে উনি ওই একই গাড়ির মধ্যে কো-ভিকটিম। অ্যালিবাই খুব স্ট্রং!
—ও মাই গড। এটা তো ভেবে দেখিনি! —চলবে।
* জিৎ সত্রাগ্নি (Jeet Satragni) বাংলা শিল্প-সংস্কৃতি জগতে এক পরিচিত নাম। দূরদর্শন সংবাদপাঠক, ভাষ্যকার, কাহিনিকার, টেলিভিশন ধারাবাহিক, টেলিছবি ও ফিচার ফিল্মের চিত্রনাট্যকার, নাট্যকার। জিৎ রেডিয়ো নাটক এবং মঞ্চনাটক লিখেছেন। ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ নাটকের রচয়িতা, ‘বুমেরাং’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার। প্রকাশিত হয়েছে ‘জিৎ সত্রাগ্নি’র নাট্য সংকলন’, উপন্যাস ‘পূর্বা আসছে’ ও ‘বসুন্ধরা এবং…(১/২/৩ খণ্ড)’ ও নাটক ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’। এখন লিখছেন ‘হ্যালো বাবু’এবং ‘আকাশ এখনও মেঘলা’।


















