এই দেশ এই মাটি

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৮: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— তিল কাছিম

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৮: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— তিল কাছিম

তিল কাছিম শুধু সুন্দরবন নয়, প্রায় পুরো দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে পাওয়া যায়। এরা সর্বভুক। এদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে মাছ, শামুক, কেঁচো, পোকামাকড়, চিংড়ি, জলজ উদ্ভিদ এবং জলজ উদ্ভিদের ফল। এরা ব্যাঙ শিকার করতে ওস্তাদ। তাছাড়া মরা পচা প্রাণীর মাংসও খায়। যেহেতু মৃত প্রাণীর মাংস খায় তাই পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে তিল কাছিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় তিল কাছিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৭: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— শিকরেঠুঁটো কাছিম

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৭: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— শিকরেঠুঁটো কাছিম

পৃথিবীর সমস্ত ক্রান্তীয় সমুদ্র অঞ্চলে শিকরেঠুঁটো কাছিমদের নিবাস হলেও সুন্দরবন অঞ্চলে যাদের আনাগোনা তারা মূলত ভারত মহাসাগরের বাসিন্দা। এরা কিন্তু জীবনের বিভিন্ন দশায় বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক পরিবেশে স্বচ্ছন্দে বসবাস করতে পারে। ডিম ফুটে বেরোনোর পর বাচ্চারা উপকূল থেকে অনেকটা দূরে বসবাস করে সেখানে সামুদ্রিক বিভিন্ন আগাছার মধ্যে থেকে খাবার সংগ্রহ করে।

read more
পর্ব-১০১ : ত্রিপুরাতেও সিপাহি বিদ্রোহের ছোঁয়া লেগেছিল

পর্ব-১০১ : ত্রিপুরাতেও সিপাহি বিদ্রোহের ছোঁয়া লেগেছিল

১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের সময় ত্রিপুরার সিংহাসনে ছিলেন ঈশানচন্দ্র মাণিক্য। ত্রিপুরাতেও এই বিদ্রোহের ছোঁয়া লেগেছিল সেদিন। ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের ৩৪ নং পদাতিক বাহিনীর ভারতীয় সিপাহিরা বিদ্রোহ করে অস্ত্রাগার ও কোষাগার লুণ্ঠন করে। কারাগার ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্ত করে তারা। বিদ্রোহীরা তারপর লুণ্ঠিত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ত্রিপুরার দিকে ধাবিত হয়। তাদের ধারণা ছিল দেশীয় রাজ্যের রাজা তাদের সাহায্য করবেন। কিন্তু ত্রিপুরার রাজা ছিলেন তখন ইংরেজদের প্রবল চাপের মুখে। তিনি বিদ্রোহী সিপাহিদের বহিষ্কারের আদেশ প্রচার করেন।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৬: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— সবুজ কাছিম

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৬: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— সবুজ কাছিম

সবুজ কাছিম প্রজননক্ষম হয়ে উঠতে ২০ থেকে ৫০ বছর সময় লাগতে পারে। হ্যাঁ, ২০ থেকে ৫০ বছর! তাহলে এরা বাঁচে কতদিন? কচ্ছপ বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে সবুজ কাছিমরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে ৮০ বছর বাঁচে! তবে বাচ্চাদের মৃত্যুহার এত বেশি যে অনেক বেশি পরিমাণে বাচ্চাকে জন্ম দিতে হয়। বাচ্চাদের মাত্র এক শতাংশ প্রজননক্ষম অবস্থায় পৌঁছতে পারে। স্ত্রী ও পুরুষ পরিণত সবুজ কাছিম খালি চোখে দেখে চেনা যায় কারণ পুরুষদের লেজ স্ত্রীদের থেকে লম্বা হয়, আর সামনের ফ্লিপারের নখর বড় হয়।

read more
পর্ব-১০০ : স্থানীয়রা দিনে কৃষি কাজ করতেন, আর রাতে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিতেন বিপ্লবীরা

পর্ব-১০০ : স্থানীয়রা দিনে কৃষি কাজ করতেন, আর রাতে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিতেন বিপ্লবীরা

অগ্নিযুগে অনুশীলন সমিতির সদস্যদের অনেকেই কুমিল্লা ও সন্নিহিত অঞ্চল থেকে উদয়পুরে এসে আত্মগোপন করতেন বলে জানা যায়। প্রখ্যাত বিপ্লবী ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তী উদয়পুর এসে আত্মগোপন করে স্বদেশীদের অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ দিতেন। অনুশীলন সমিতির সদস্যরা উদয়পুরের পুরান রাজবাড়ি এলাকার গভীর জঙ্গলে লুকিয়ে থাকতেন। এলাকাটি তখন গভীর জঙ্গলে ঢাকা ছিল। বাংলার বিপ্লবীরা বিলোনীয়ার বোকাফা ও মাইছড়াতে কৃষি খামার কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন কার্যত যা ছিল বিপ্লবীদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এ রকম কৃষি খামার উদয়পুরের মাতাবাড়ির কাছে...

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৫: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— বালিকাঠা

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৫: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— বালিকাঠা

বালিকাঠা হল সুন্দরবন অঞ্চলের একমাত্র স্থায়ী কচ্ছপ অর্থাৎ টার্টল। এরা অলিভ রিডলে কচ্ছপের মতো পরিযায়ী নয়। এরা সমুদ্রে থাকে না। বেশিরভাগ সময় থাকতে পছন্দ করে সুন্দরবনের নদীনালায় যেখানে লবণাক্ততা অনেক কম অর্থাৎ মিষ্টি জলের প্রবাহ বেশি। কেবল ডিম পাড়ার সময় এরা খাঁড়ি বা উপকূলের দিকে এগিয়ে যায় এবং বালিযুক্ত তটভূমিতে ডিম পাড়ে। এরা হল এশিয়ায় মিষ্টি বা আধানোনা জলের কচ্ছপদের মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম কচ্ছপ।

read more
পর্ব-৯৯ : শুধু মনুভ্যালি নয়, কৈলাসহরের চা বাগান কালীশাসনও বিপ্লবী তৎপরতার সাক্ষী

পর্ব-৯৯ : শুধু মনুভ্যালি নয়, কৈলাসহরের চা বাগান কালীশাসনও বিপ্লবী তৎপরতার সাক্ষী

মনুভ্যালিতে থাকার সময়ে দীনেশের বিপ্লবী তৎপরতা সম্পর্কে অবশ্য কিছু জানা যায়নি। এই চা বাগানটিতে তাঁর এক নিকট আত্মীয় কর্মরত ছিলেন। সেই সূত্রেই দীনেশ এখানে পালিয়ে এসেছিলেন। এমন হতে পারে যে, রাজা শাসিত ত্রিপুরায় ব্রিটিশ পুলিশের ভয় নেই, আবার অদূরেই ব্রিটিশ বাংলা, বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগেরও সুবিধা। সে জন্যই দীনেশ আত্মগোপনে চলে এসেছিলেন মনুভ্যালি চা বাগানে। শুধু মনুভ্যালি নয়, কৈলাসহরের আরও একটি চা বাগান কালীশাসনও বিপ্লবী তৎপরতার সাক্ষী হয়ে আছে।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৪: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— অলিভ রিডলে কচ্ছপ

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৪: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— অলিভ রিডলে কচ্ছপ

কচ্ছপরা হল সরীসৃপ প্রাণীদের মধ্যে বেঁচে থাকা প্রাচীনতম জীব। ১৬০ কোটি বছর ধরে তারা পৃথিবীর ঘটনাবলীর সাক্ষী। বাংলায় কচ্ছপ বলতে ইংরেজিতে টরটয়েজ (tortoise) ও টার্টল (turtle) দুটোই বোঝায়। মূলত স্থলবাসী কচ্ছপরা হল tortoise আর জলবাসী কচ্ছপরা হল turtle। তবে বিশেষ প্রয়োজনে ‘Tortoise’-রা যেমন জলে নামে, ‘Turtle’-রাও ডাঙ্গায় ওঠে। এরা সবাই চেলোনিয়া (Chelonia) বর্গভুক্ত সরীসৃপ গোষ্ঠীর প্রাণী।

read more
পর্ব-৯৮ : বিনা বিচারে আটকদের নিয়ে রাজা বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্যকে চিঠি লিখেন নেহরু

পর্ব-৯৮ : বিনা বিচারে আটকদের নিয়ে রাজা বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্যকে চিঠি লিখেন নেহরু

১৯৪৫ সালের ৯ ডিসেম্বর পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু ত্রিপুরার রাজা বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্যকে এক পত্রে লেখেন যে, ত্রিপুরা রাজ্য গণপরিষদ এবং কংগ্রেসের অনেক সদস্য বিনা বিচারে দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন। তাদের প্রতি অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করা হচ্ছে এবং তাদের কয়েকজন মারাত্মক অসুখে ভুগছেন। তিনি এ ব্যাপারে রাজার দৃষ্টি আকর্ষণ করে এর প্রতিকার চান। বীরবিক্রম অবশ্য নেহরুর কাছে প্রত্যুত্তরে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৩: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — স্বর্ণগোধিকা

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৩: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — স্বর্ণগোধিকা

স্বর্ণগোধিকা মূলত মাংসাশী প্রাণী। তবে মৃত প্রাণীর মাংস খেতেও এরা খুব পছন্দ করে। এদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে প্রধানত ছোট মাছ, কাঁকড়া, ব্যাঙ, ইঁদুর, পাখি, পাখির ডিম, জলজ সরীসৃপ, গুবরে জাতীয় পোকা, মাকড়সা, ঝিঁঝি পোকা, রাক্ষুসে ফড়িংয়ের বাচ্চা, ঘাসফড়িং, পিঁপড়ে ইত্যাদি। তবে এদের খাদ্যনালী বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে মোট খাদ্যের ১৫ শতাংশ হল গুবরে জাতীয় পোকা।

read more
পর্ব-৯৭: রাজতন্ত্রের শাসন হলেও ত্রিপুরায় তখন ধীরে ধীরে গণচেতনার উন্মেষ ঘটছে

পর্ব-৯৭: রাজতন্ত্রের শাসন হলেও ত্রিপুরায় তখন ধীরে ধীরে গণচেতনার উন্মেষ ঘটছে

চা বাগানগুলোতে শ্রমিকদের উপর ব্রিটিশ বাগান মালিকদের সীমাহীন অত্যাচারের ফলশ্রুতিতে সেদিন চা শ্রমিকদের এই অভিনিষ্ক্রমণ ঘটেছিল। শ্রমিকদের এভাবে বাগান ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ায় চা শিল্পের উপর বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে এই আশঙ্কায় বাগান মালিকরা তাদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিল। প্রথমে বুঝিয়ে সুঝিয়ে, তারপর বল প্রয়োগ করে। সেদিন এই চা শ্রমিকরা যখন চাঁদপুর রেল স্টেশনে আশ্রয় নিয়েছিল তখন তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গোর্খা বাহিনী।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪২: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — গঙ্গার শুশুক

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪২: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — গঙ্গার শুশুক

গঙ্গার শুশুকের প্রধান খাবার হল কাদার ভেতরের আর জলের উপরতলের ছোট ছোট মাছ। কাদার ভেতরে মাছ খোঁজার ক্ষেত্রে এদের লম্বা চঞ্চু খুব সাহায্য করে। এদের চঞ্চুতে দাঁত থাকলেও মাছ ধরার পর আদৌ চিবোয় না, সরাসরি গিলে নেয়। খাবারের ব্যাপারে শুশুকের বাছবিচারও কম নয়। এরা আহত বা মরা মাছ ছোঁয় না। মাছের ঝাঁক দেখতে পেলে সেটিকে তাড়া করে অগভীর জলের দিকে নিয়ে যায়। আর তারপর টপাটপ ধরে ও গিলে নেয়। মাছ ছাড়াও এরা গেঁড়ি-গুগলি খায়।

read more
পর্ব-৯৬: ব্রিটিশ বাংলার বিপ্লবীরা অনেক সময় পালিয়ে এসে আশ্রয় নিতেন ত্রিপুরায়

পর্ব-৯৬: ব্রিটিশ বাংলার বিপ্লবীরা অনেক সময় পালিয়ে এসে আশ্রয় নিতেন ত্রিপুরায়

স্বদেশী আন্দোলনটা ছিল ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে,রাজার বিরুদ্ধে নয়। রাজা যেন তাই বিষয়টা স্বাভাবিক ভাবেই এড়িয়ে যেতেন। এছাড়া ব্রিটিশ সরকারের নানা ধরনের নির্দেশাবলী, ইংরেজ আধিকারিকদের দাপট স্বাধীনচেতা রাজাগণ যে ভালো মনে মেনে নিতেন না তাই বলাই বাহুল্য। বিপ্লবীদের প্রতি রাজার গোপন সহানুভূতি ছিল বলে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ প্রায়ই ত্রিপুরার রাজ সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করত। বিপ্লবীদের প্রতি রাজ সরকারের গোপন নৈতিক সমর্থনও থাকত বলে কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন।

read more
পর্ব-৯৫: ত্রিপুরায় স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রভাব

পর্ব-৯৫: ত্রিপুরায় স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রভাব

বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন ও রাখী বন্ধন উৎসবের প্রভাবে রাজধানী আগরতলায় সব সম্প্রদায়ের মানুষ বন্দেমাতরম গাইতে গাইতে মিছিল করেছিল। ১৯০৮ সালে ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসির সংবাদে রাজপরিবারের অনেকেই শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে রাজা রাধাকিশোরও এর প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছিলেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। ফাঁসির দিন আগরতলার উমাকান্ত অ্যাকাডেমির শিক্ষার্থীরা বন্দেমাতরম গাইতে গাইতে পতাকা হাতে শহরের রাজপথ অতিক্রম করেছিল বলে উল্লেখ করেছেন ইতিহাসবিদ ড.জগদীশ গণচৌধুরী।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪১: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — গড়িয়োল

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪১: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — গড়িয়োল

গড়িয়োলরা স্বভাবে কিন্তু ভীষণ লাজুক ও ভীতু। প্রখর দৃষ্টিশক্তি এদের। আড়াইশো মিটার দূর থেকেও মানুষের গতিবিধি বুঝতে পারে। ভালোভাবে দেখার জন্য কখনও কখনও পিছনের দু’পায়ের উপর ভর দিয়ে শরীরকে খাড়া করে। অবশ্য স্বজাতির পুরুষদের সাথে মারামারি করার সময়ও ওইরকম ভঙ্গিতে দাঁড়াতে দেখা যায়। আগেই বলেছি বিপদে ওরা গাছে উঠতে যেমন পটু তেমনই পটু সাঁতারে। জেনে অবাক হবেন, টানা ১৭ মিনিট ওরা দম বন্ধ করে জলের তলায় ডুবে থাকতে পারে।

read more

Skip to content