
ওল্টানো অবস্থায় তিল কাছিম। ছবি : সংগৃহীত।
সুন্দরবন অঞ্চলের গ্রাম্য এলাকায় চার বা পাঁচ দশক আগেও যাঁদের জন্ম তাঁরা ছোট থেকেই একপ্রকার মেঠো কচ্ছপের সঙ্গে ভীষণ পরিচিত। সাধারণভাবে সবাই কচ্ছপ বলেই ডাকে। আমাদের ধানজমিতে যখন বর্ষাকালে লাঙল করা হত বা লাঙল করার পর মই দেওয়া হত তখন মাঝে মাঝেই মাঠে ওই কচ্ছপ পাওয়া যেত। আবার ধান পাকলে যখন মাঠে নিচু জায়গায় জমে থাকা জল সেঁচে মাছ ধরা হত তখন সেখানেও ওই কচ্ছপ পাওয়া যেত। আবার ধান কাটার পর মাঠের পুকুরগুলোতে জল সেঁচে পুকুর শুকিয়ে যখন গভীর করার জন্য মাটি কাটা হত তখন শুকনো পাঁকের ভেতর থেকে অনেক সময় ওই কচ্ছপ পাওয়া যেত। সাধারণত যারা ওই কচ্ছপ পেত তারাই মেরে মাংস খেত। আমি জীবনে একবারই খেয়েছি। তখন আমার বয়স সাত বা আট বছর হবে। বেশ বড় বড় দুটো কচ্ছপ জমিতে ধান রোয়ার সময় মাঠ থেকে ধরা পড়েছিল। যারা জমিতে ধানের চারা রোপন করছিল তারা তখন জমির মালিকের বাড়িতে দিনে ও রাতে খেয়ে কাজ করত।
সন্ধেবেলায় দুটো কচ্ছপ বাড়িতে নিয়ে এসে ওই জনমজুরেরাই কচ্ছপ দুটোকে মেরে মাংস রান্না করেছিল। দেখেছিলাম আমাদের খামারের বড় দোপাখা উনুনটাতে একটা বড় হাঁড়িতে জল গরম করে তাতে কচ্ছপ দুটিকে ডুবিয়ে নৃশংসভাবে মারা হয়েছিল। ওই নৃশংসতার দৃশ্য আমার মনে এতটাই গভীরভাবে রেখাপাত করেছিল যে ঘটনাটা স্পষ্ট মনে আছে। সেদিনের ওই দুটি কচ্ছপের মৃত্যুর সেই মর্মান্তুদ দৃশ্য আজও ভুলতে পারিনি। রাতে কচ্ছপের এক পিস মাংস অনিচ্ছার সাথেও খেয়েছিলাম। কিন্তু তার ফল হয়েছিল মারাত্মক। খাওয়ার কয়েক মিনিট পর সারা শরীর জুড়ে শুরু হয়েছিল ভয়ংকর চুলকানি। সারা গা ফুলে গিয়েছিল চাকা চাকা হয়ে। চোখের পাতা ফুলে গিয়ে পুরো চোখ ঢাকা পড়ে গিয়েছিল। মনে আছে সেই সময় আমার সারা গায়ে অ্যারারুট মাখিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাতে চুলকানি মনে হয় সামান্য কমেছিল। পরে জ্বরও এসে গিয়েছিল। সেদিনই জেনেছিলাম কচ্ছপের মাংসে আমার অ্যালার্জি হয়েছে। সেই প্রথম, সেই শেষ। আর জীবনে কোনওদিন কচ্ছপের মাংস খাওয়া তো দূরের কথা কচ্ছপের ওই মর্মান্তিক মৃত্যুর দৃশ্য চাক্ষুষ করিনি।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪৭: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— শিকরেঠুঁটো কাছিম

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৬৪ : অতঃপর অভিযান

ত্রিপুরায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৯ : আনকো আলোয় যায় দেখা ওই ‘সপ্তপদী’-র পথ চলা
যে কচ্ছপের কথা এতক্ষণ ধরে আমি বলছি, সেই কচ্ছপের বিজ্ঞানসম্মত নাম হল Lissemys punctata । ইংরেজিতে বলে Indian Flap Shell Turtle । আর শুদ্ধ বাংলায় এর নাম তিল কাছিম বা সুন্দি কাছিম। এর বিজ্ঞানসম্মত নামের গণ (Order) Lissemys কথাটি এসেছে গ্রিক শব্দ Lissos থেকে, যার অর্থ হল মসৃণ। মাঝারি আকারের এই কচ্ছপের পিঠের ওপরের খোলক খুব মসৃণ। আর গ্রিক শব্দ emys এর অর্থ হল মিষ্টি জলের কচ্ছপ। সুতরাং Lissemys নামের অর্থ মসৃণ খোলকযুক্ত মিষ্টি জলের কচ্ছপ। ল্যাটিন শব্দ punctatus মানে হল বিন্দু বিন্দু ছোপযুক্ত। এদের পিঠের খোলকের (carapace) ওপরে হলুদ রঙের ছোট ছোট গোল গোল ছোপ রয়েছে। আবার ইংরেজিতে ‘Flapshell’ বলার কারণ এদের নিচের খোলক (plastron) থেকে অপেক্ষাকৃত নরম উপবৃদ্ধি (flap) তৈরি হয়।

বিরল হলুদ তিল কাছিম। ছবি : সংগৃহীত।
পিছনে ও সামনের দিকে এই উপবৃদ্ধি থাকায় বিপদের সময় এই কচ্ছপ তার সামনের ও পিছনের পা এবং মাথা ও লেজ নিচের খোলকের ভেতরে ঢুকিয়ে নিতে পারে। তখন শত চেষ্টাতেও ওদের পা আর মাথা খোলকের ভেতর থেকে বাইরে বার করা যায় না। আবার প্রতিকূল পরিবেশে অর্থাৎ শুষ্ক আবহাওয়ায় জলহীন পরিবেশে এরা পা, মাথা ও লেজ খোলকের মধ্যে ঢুকিয়ে বেঁচে থাকতে পারে। বাঁচার জন্য চমৎকার অভিযোজনগত এই বৈশিষ্ট্যের জন্য ইংরেজিতে ওদের নাম ‘Flap Shell Turtle’। পিঠের খোলকে তিলের মতো বিন্দু বিন্দু গোলাকার দাগ রয়েছে বলে মনে হয় বাংলাতে নাম হয়েছে তিল কাছিম। সুন্দি নামটা কি সুন্দরবন থেকে? নাকি একই উৎস থেকে সুন্দি আর সুন্দরবন শব্দ দুটি এসেছে? আমার জানা নেই, ভাষাবিদরা বলতে পারবেন।
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

একলা নববর্ষ
সুন্দরবন অঞ্চলের খাল, বিল, পুকুর, ডোবা ইত্যাদিতে একসময় অতি পরিচিত এই মাঝারি আকারের কচ্ছপ এখন খুবই বিরল। এরা নোনা জলে থাকে না, তবে হালকা নোনা জলে থাকতে পারে। এদের পিঠের খোলক খুব মসৃণ। খোলকের আকার ডিম্বাকার আর উত্তল। এর রং কখনও হালকা সবুজ বা কখনও হলদে-বাদামি। তবে খোলকের উপরে রয়েছে ছোট ছোট গোলাকার হলুদ ছোপ। যদিও কখনো কখনো পুরো কালো রঙের ক্যারাপেস অর্থাৎ পিঠের খোলক হতে দেখা যায়। আবার বিরল ক্ষেত্রে হলুদ রঙের ক্যারাপেস দেখা যায়। এটা অবশ্য জিনের এক ধরনের পরিব্যক্তি বা মিউটেশনের কারণে হয়। পিঠের খোলক লম্বায় হয় ৯.৪ থেকে ১৪.৬ ইঞ্চি। তবে পুরুষ তিল কাছিম স্ত্রীদের থেকে সামান্য ছোট হয়।

তিল কাছিম। ছবি : সংগৃহীত।
এদের গড় ওজন হয় ১-১.৫ কেজি। তবে ৩ কেজি পর্যন্ত ওজন হতেও দেখা গেছে। এদের মাথাটা দেহের তুলনায় অপেক্ষাকৃত বড় আর মাথার আগায় নাকটা অনেক সূচালো, যাকে আমরা বলি তুণ্ড (snout)। গলাটা কিন্তু খুব লম্বা। জল কাদার মধ্যে থেকে লম্বা গলা উপরে তুলে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে খুব সুবিধা হয়। পেটের নিচের দিকে যে খোলক রয়েছে তার রঙ ফ্যাকাসে হলুদ। এই কচ্ছপের চারটি পা ডাঙ্গায় হাঁটার জন্য এবং জলে সাঁতার কাটার জন্য অভিযোজিত। এদের পায়ের আঙুলে সূচালো নখর রয়েছে যা স্থলভাগে চলাফেরার জন্য, মাটি খুঁড়ে গর্ত করার জন্য, শিকার ধরার জন্য এবং আত্মরক্ষার কাজে সাহায্য করে। আবার আঙুলগুলোর মাঝে পাতলা চামড়া থাকায় সাঁতার কাটতেও সাহায্য করে। এদের চারটে পা এবং মাথা ও ঘাড়ের রঙও হয় হালকা সবুজ বা সবুজাভ বাদামি। মাথায় অবশ্য হলুদ রঙের লম্বালম্বি কয়েকটা ডোরা দাগ দেখা যায় যা ওদের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দেয়। তিল কাছিম প্রাকৃতিক পরিবেশে ১৭ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। তবে প্রজননক্ষম হয়ে উঠতে সময় নেয় ২-৩ বছর। এরা জলজ প্রাণী হলেও শুষ্ক আবহাওয়ায় কিংবা জলহীন পরিবেশে ১২০ থেকে ১৬০ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এই সময়ে এরা মাটির নিচে গর্ত করে গ্রীষ্মকালীন বিশ্রাম বা এস্টিভেশনে (Aestivation) থাকে।
আরও পড়ুন:

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৫৫: অকালরাবী জাতক—সময় গেলে সাধন হবে না

হ্যালো বাবু!, পর্ব-১৩০: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১১
তিল কাছিমের প্রজনন ঋতু সাধারণত জুন মাস থেকে নভেম্বর মাসের মধ্যে। এই সময় জলাভূমির কাছে বালি বা কাদামাটিযুক্ত কোন রৌদ্রকরোজ্জ্বল বিস্তৃত অঞ্চলে পেছনের দুটো পা দিয়ে মাটি খুঁড়ে বাসা বানায়। প্রতি বাসায় এরা ২-১৬ টি ডিম পাড়ে। তবে গড়ে ১৩ টি ডিম পাড়তে দেখা যায়। ডিমগুলো প্রায় গোলাকার এবং সাদা রঙের হয়। এক এক প্রজনন ঋতুতে একটা স্ত্রী তিল কাছিম দুই বা তিন বার ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার পর মাটি দিয়ে ডিম ঢাকা দিয়ে দেয়। ডিমের মধ্যে ভ্রূণের সুপ্ত দশা অতি দীর্ঘস্থায়ী। এই সুপ্ত দশা ১১৯ দিন থেকে ২২৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে, এমনকি কখনও কখনও দেখা গিয়েছে ৩০০ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে। ডিম ফুটে বেরোনো বাচ্চাদের ওজন হয় ৬-১০ গ্রাম।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৫৬: প্রাকৃতিক অবস্থার পরিবর্তন ও প্রাণীদের অস্থিরতা : যুদ্ধের দূষণ, মনে, প্রাণে, বাতাবরণে, সর্বত্র

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৭ : সোনার কেল্লা: ডিটেকশনের ড্রয়িংরুম
তিল কাছিম শুধু সুন্দরবন নয়, প্রায় পুরো দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে পাওয়া যায়। এরা সর্বভুক। এদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে মাছ, শামুক, কেঁচো, পোকামাকড়, চিংড়ি, জলজ উদ্ভিদ এবং জলজ উদ্ভিদের ফল। এরা ব্যাঙ শিকার করতে ওস্তাদ। তাছাড়া মরা পচা প্রাণীর মাংসও খায়। যেহেতু মৃত প্রাণীর মাংস খায় তাই পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে তিল কাছিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় তিল কাছিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী।

তিল কাছিমের ছানা। ছবি : সংগৃহীত।
এর পিছনে রয়েছে একাধিক কারণ।
প্রথমত: মাংসের জন্য এদের নির্বিচারে শিকার করা হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। ভারতীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে এরা শিডিউল-১ তালিকাভুক্ত, অর্থাৎ এরা অত্যন্ত বিপদগ্রস্ত প্রাণী। তিল কাছিম শিকার করা বা হত্যা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে কিংবা প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তায় আজও চোরাপথে তিল কাছিম পাচার হয়ে যাচ্ছে। এখনও মাছের বাজারে গেলে মাঝে মাঝে দিব্যি খোলামেলাভাবে বিক্রি হতে দেখি। এখনও মাঠে-ঘাটে দু’একটা তিল কাছিম কেউ যদি পেয়ে যায় তাহলে তা মানুষের উদরস্থ হয়। সচেতনতার প্রবল অভাব রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
দ্বিতীয়ত: সুন্দরবন অঞ্চলে কৃষিকাজে গত ৪/৫ দশকে বিপুল পরিমাণে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহৃত হচ্ছে। আর তার ফলে আরও বহু প্রজাতির মতো তিল কাছিমরা মারা যাচ্ছে। তৃতীয়তঃ খাদ্যাভাব এদের ঠেলে দিচ্ছে অবলুপ্তির দিকে। চতুর্থতঃ সুন্দরবন অঞ্চলে খাল, বিল, পুকুর, ডোবার পরিমাণ কমছে। জলাভূমি ভরাট হয়ে যাচ্ছে বাসস্থান তৈরির জন্য। কোথায় থাকবে ওরা? আমরা সুন্দরবনবাসীরা যদি এখনও সচেতন না হই তাহলে সুন্দরবনের সুন্দরী তিল কাছিমদের কেবল বইয়ের পাতায় ঠাঁই পেতে বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।—চলবে।
প্রথমত: মাংসের জন্য এদের নির্বিচারে শিকার করা হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। ভারতীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে এরা শিডিউল-১ তালিকাভুক্ত, অর্থাৎ এরা অত্যন্ত বিপদগ্রস্ত প্রাণী। তিল কাছিম শিকার করা বা হত্যা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে কিংবা প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তায় আজও চোরাপথে তিল কাছিম পাচার হয়ে যাচ্ছে। এখনও মাছের বাজারে গেলে মাঝে মাঝে দিব্যি খোলামেলাভাবে বিক্রি হতে দেখি। এখনও মাঠে-ঘাটে দু’একটা তিল কাছিম কেউ যদি পেয়ে যায় তাহলে তা মানুষের উদরস্থ হয়। সচেতনতার প্রবল অভাব রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
দ্বিতীয়ত: সুন্দরবন অঞ্চলে কৃষিকাজে গত ৪/৫ দশকে বিপুল পরিমাণে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহৃত হচ্ছে। আর তার ফলে আরও বহু প্রজাতির মতো তিল কাছিমরা মারা যাচ্ছে। তৃতীয়তঃ খাদ্যাভাব এদের ঠেলে দিচ্ছে অবলুপ্তির দিকে। চতুর্থতঃ সুন্দরবন অঞ্চলে খাল, বিল, পুকুর, ডোবার পরিমাণ কমছে। জলাভূমি ভরাট হয়ে যাচ্ছে বাসস্থান তৈরির জন্য। কোথায় থাকবে ওরা? আমরা সুন্দরবনবাসীরা যদি এখনও সচেতন না হই তাহলে সুন্দরবনের সুন্দরী তিল কাছিমদের কেবল বইয়ের পাতায় ঠাঁই পেতে বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।—চলবে।
* সৌম্যকান্তি জানা। সুন্দরবনের ভূমিপুত্র। নিবাস কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। পেশা শিক্ষকতা। নেশা লেখালেখি ও সংস্কৃতি চর্চা। জনবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের জন্য ‘দ্য সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ২০১৬ সালে ‘আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান লেখক হিসেবে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ ২০১৭ সালে ‘অমলেশচন্দ্র তালুকদার স্মৃতি সম্মান’ প্রদান করে সম্মানিত করেছে।


















